uz
Feedback
Deen - দ্বীন

Deen - দ্বীন

Kanalga Telegram’da o‘tish

নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন — আল্লাহর শপথ! যদি তোমার চেষ্টার দ্বারা আল্লাহ একটি লোককে হেদায়েত দেন, তবে তা হবে তোমার জন্য এক পাল লাল উটের চেয়েও উত্তম। [সুনান আবু দাউদ, ৩৬৬১]

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Deen - দ্বীন analitikasi

Deen - দ্বীন (@deen_islam_ofc) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 33 977 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 1 937-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 590-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 33 977 obunachiga ega bo‘ldi.

25 Sentabr, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni -143 ga, so‘nggi 24 soatda esa -9 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 8.06% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 3.66% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 739 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 1 244 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 59 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
“নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন — আল্লাহর শপথ! যদি তোমার চেষ্টার দ্বারা আল্লাহ একটি লোককে হেদায়েত দেন, তবে তা হবে তোমার জন্য এক পাল লাল উটের চেয়েও উত্তম। [সুনান আবু দাউদ, ৩৬৬১]”

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 26 Sentabr, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

33 977
Obunachilar
-924 soatlar
-437 kun
-14330 kun
Postlar arxiv
তিনি তিলাওয়াত করলেন, ৮/১০ বার ভুল করলেন আবার নিজে নিজে ঠিক করে নিলেন। পিছন থেকে লোকমাও খেলেন! কোন ইতস্ততা নেই, লৌকিকতা নেই। মানুষ কি মনে করবেন এটা চিন্তা না করে একমাত্র আল্লাহর জন্য তিলাওয়াত করে গেলেন। এতটা ইখলাস, একাগ্রতা নিয়ে তিলাওয়াত করে গেলেন যে মনে হলো আল্লাহকে শুনিয়ে শুনিয়ে তিলাওয়াত করছেন। সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ এই ভুল করে শুধরে নেওয়া তিলাওয়াত এতটাই পছন্দ করলেন যে তার তিলাওয়াত পুরো মুসলিম উম্মাহর কাছে পৌঁছিয়ে দিলেন। যেই ইমামকে হজ্জ ও উমরাহকারী ছাড়া তেমন কেও চিন্তো না এখন তাকে বিশ্বের কোটি কোটি মুসলিম চিনে ও ভালোবাসে। তার তিলাওয়াত শুনে অন্তর প্রশান্ত করে। আল্লাহ আমাদের একমাত্র তার সন্তুষ্টির জন্যই এমন একাগ্রতা ও ইখলাসের সাথে আমল করার তৌফিক দান করুন।

আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মীরী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — ‘কোনো কাফেরের বিজয়ে আনন্দ প্রকাশ করা জায়েজ, যদি সে অপর কাফেরের তুলনায় কম ক্ষতিকর হয়।’ [ফয়যুল বারী আলা সহিহ বুখারি, ১/১১৪]

ইমাম মালিক ইবনে আনাস (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন — “ঐ পুরুষের স্বভাব মন্দ যে পুরুষ (সাথে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকার পরেও) নিজের স্ত্রীকে ঘরে রেখে একা একা বাইরে ভালো ভালো খাবার খেতে যায়।” [উমদাতুল কারী, ১১/১৯৮] শিক্ষা : রেস্টুরেন্টে কিংবা কোথাও দাওয়াত খেতে গেলে (সুযোগ থাকলে) স্ত্রীকেও সাথে নিয়ে যাবেন। যেনতেন কারণ দেখিয়ে স্ত্রীকে ঘরে রেখে একা একা খেতে যাবেন না। তবে তার পর্দার বিষয়টিও খেয়াল রাখবেন। © শাহাদাত ফয়সাল (রাহিমাহুল্লাহ)

মানুষের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখতে বলা হয়েছে। কারণ যে পাপটা শুধু ওই পাপী বান্দা আর আল্লাহর মাঝে সীমাবদ্ধ, সেটা আল্লাহ চাইলে সহজেই মাফ করে দিতে পারেন। আপনি একটা গান শুনলেন, অশ্লীল ভিডিও দেখলেন গুনাহটা তখন'ই শেষ। আর এটা আপনার আর আল্লাহর মাঝেই থাকলো। কিন্তু একই গান-বাজনা, অশ্লীলতা কিংবা কোনো হারাম জিনিস যখন আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে দিলেন, তখন বিষয়টা আর শুধু আপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলো না। ইভেন আপনি মারা গেলেও না। কারণ আপনি মারা গেলেও আপনার ফেসবুক মরবে না। আপনি চলে গেলেও আপনার টিকটকের পুরোনো পোস্ট থেকে যাবে। আপনার কবরের স্মৃতি হয়তো একদিন মুছে যাবে কিন্তু ইন্টারনেটে রেখে যাওয়া আপনার ভালো/খারাপ কাজ তখনো মানুষের চোখের সামনে ঘুরবে। তাই, আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মফলের সওয়াব/গুনাহ কন্টিনিউয়াস হতে থাকবে। যত মানুষ সেগুলা দেখবে তাদেরও সওয়াব/গুনাহ হতে থাকবে এবং তাদের সওয়াব/গুনাহের পারসেন্টেজ আপনার আমলনামাতেও জমতে থাকবে। যদিও তার ১০০ বছর আগেই মারা গিয়ে থাকেন। তাই সাধু সাবধান, কর্মফল বড় কঠিন জিনিস! © সুমন আহমাদ

আজকে টুইটার থেকে খুজে পাইছি। ওয়ালপেপার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, অসম্ভব সুন্দর!

শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ আল-উসাইমিন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — “মসজিদে বিয়ে করা মুস্তাহাব এর কোন ভিত্তি ও দলিল আমার জানা নেই যা রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু যদি বর ও ওলী মসজিদে থাকে এবং আকদ করে নেয় সমস্যা নেই।” [লিকাউল বাবিল মাফতুহ, ১৬৭]

পবিত্র মক্কায় এখন পর্যন্ত ৪ বার হামলা ও অবরোধ চালানো হয়। এই হামলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও ভয়াবহ আক্রমণ হয় ৯৩০ খ্রিস্টাব্দে কারমাতিদের হামলা। হামলাকারী : বাহরাইনের চরমপন্থী শিয়া উপদল কারমাতি/কারমাতীয় (Qarmatians) আন্দোলনের নেতা আবু তাহির আল-জান্নাবি এবং তার বাহিনী। এইসময় প্রায় ৩০ হাজার হাজি ও সাধারণ বাসিন্দাদের হত্যা করা হয়। নিহতদের মরদেহ জমজম কূপে ফেলে কূপটির অবমাননা করা হয়। কাবার দরজা ভেঙে ফেলা হয় ও গিলাফ ছিঁড়ে ফেলা হয়। সবচেয়ে বড় আঘাত ছিল হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর ভেঙে টুকরো করে বাহরাইনে নিয়ে যাওয়া। দীর্ঘ ২২ বছর পর হাজরে আসওয়াদ আবার মক্কায় ফিরিয়ে আনা হয়। কিন্তু হাজরে আসওয়াদের ৯ টা ছোট ছোট টুকরো শুধু খুঁজে পাওয়া যায়, এটাই পরবর্তীতে কালো পাথরের ভিতরে বসিয়ে আবার হাজরে আসওয়াদের প্রতিস্থাপন করা হয়।

যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে আলীকে ডাকে এরাই বাঙ্গু মুসলিমদের কাছে খলিপা, ইমাম!

শিয়া রাফেজীরা তায়েফে হামলা করেছে এখন মক্কায় সর্তকতা সাইরেন বাজছে। হে আল্লাহ, নিকৃষ্ট শিয়া রাফজীদের জন্য আপনিই যথেষ্ট হয়ে যান।

আল্লাহ সৌদির উপর রহম করুন, তাদের বিজয় দান করুন। নিকৃষ্ট শিয়া রাফেজীদের পরাজিত ও লাঞ্চিত করুন আমিন।

আজকের চাঁদ
আজকের চাঁদ

পৃথিবীতে তুমি একা আসছ। এখনও একাই আছো। যাবেও একা। কবর জীবনের সময়গুলো একাই কাটাতে হবে। বিচার দিবসের ময়দানে একা দাড়িয়েই জবানবন্দী দিতে হবে। কেউ তোমাকে সাহায্য করবে না। সবাই নিজেকে নিয়ে ইয়া নাফসি ইয়া নাফসি করবে। কেউ কাউকে চিনবে না। কেউ চিনলেও, না চেনার ভান করে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। যখন আমি পুরো মানুষটাই একা, সেখানে দুনিয়ার বুকে আপনত্বের সার্টিফিকেট নিয়ে যারা আমার কাছে আসে, তাদের নিয়ে কেন এত ভাবনা? আদৌ কি কেউ আপন? কেউ কি আদৌও পারবে আমার সঙ্গী হতে? কেউ কি আমার কবর-জীবনের সঙ্গী হবে? বিচার দিবসে আমার সুপারিশকারী হবে? কেউ কি আমার হয়ে সেদিন বলবে, 'ইয়া রব, তাকে ছেড়ে দাও, তার বদলে আমাকে শাস্তি দাও?' বলবে কেউ? এই দুনিয়া মিথ্যা। এই দুনিয়ার মানুষগুলো মিথ্যা। সব ধোঁকা, সব ধোঁকা। কেউ আপন না, কেউ নিজের না। © মাহমুদ বিন নূর

কখনোই আমি বিজনেস প্রফেশন নিয়ে সেভাবে পোস্ট করি নাই, যাই হোক। আমি চায়না থেকে যেকোনো প্রোডাক্ট ইম্পোর্ট করে দিতে পারব ১ পিস থেক
কখনোই আমি বিজনেস প্রফেশন নিয়ে সেভাবে পোস্ট করি নাই, যাই হোক। আমি চায়না থেকে যেকোনো প্রোডাক্ট ইম্পোর্ট করে দিতে পারব ১ পিস থেকে যেকোনো কোয়ান্টিটি! এই গ্রুপটা মূলত ফ্লাইট আপডেট ও প্রোডাক্ট আপডেট দেওয়া হবে মাঝে মাঝে। কেও চাইলে নিজের ব্যক্তিগত কোন জিনিস বা ব্যবসায়ীক পণ্য আনাতে পারেন আমার মাধ্যমে, যদি কেও এড হতে ইচ্ছুক হন ডাইরেক্ট মেসেজ দিবেন লিংক দিয়ে দিব ইনশাআল্লাহ।

photo content

আপনাদের পরিচিত কেও আছে যে কুরআন সুন্নাহর আলোকে ভালো রুকইয়া করে? কারোর জানা থাকলে দয়া করে সাহায্য করবেন।

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — أن إدْمَانَ الحامل على أكل السَّفَرْجل والتُّفاح مما يحسِّن وجه المولود ويصفِّي لونه. وكرهوا للحامل رؤية الصور الشنيعة، والألوان الكمدة، والبيوت الوحشة الضيقة، وإن ذلك كلَّه يؤثِّر في الجنين. গর্ভবতী মহিলা যদি নিয়মিত সফেদা এবং আপেল খান, তবে তা সন্তানের চেহারা সুন্দর এবং গায়ের রঙ উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। আলেমরা গর্ভবতী নারীর জন্য কুৎসিত ছবি, মলিন রঙ এবং অন্ধকার বা সংকীর্ণ ঘরে থাকাকে অপছন্দ করেছেন; কারণ এসব কিছুই গর্ভস্থ সন্তানের ওপর প্রভাব ফেলে। [তুহফাতুল মাওদুদ বি আহকামিল মাওলুদ, পৃষ্ঠা : ৪০০]

বইগুলো বিক্রি করা হবে একদম সাশ্রয়ী দামে, কিছু বই দাগানো আছে কিছু দাগানো নাই। আগ্রহী কেও থাকলে যোগাযোগ করবেন ইনশাআল্লাহ।
+1
বইগুলো বিক্রি করা হবে একদম সাশ্রয়ী দামে, কিছু বই দাগানো আছে কিছু দাগানো নাই। আগ্রহী কেও থাকলে যোগাযোগ করবেন ইনশাআল্লাহ।

আব্দুল্লাহ ইবনু মুনাযিল বলেন : আমি আবু সালেহ হামদূনকে বললাম, আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন : “যদি তোমার জন্য সম্ভব হয় তাহলে দুনিয়াবী কোনো বিষয়ের জন্য রাগান্বিত হবে না।” [আয-যুহদুল কাবীর, পৃষ্ঠা : ১৪৪]

😂😂😂

সীরাত ইবনে হিশাম — সাবাহ পাবলিকেশন এইটা কেও পড়েছেন? বইটার অনুবাদ কেমন? কেও পড়লে কাইন্ডলি জানাবেন ভালো হবে কি না?