Deen - দ্বীন
নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন — আল্লাহর শপথ! যদি তোমার চেষ্টার দ্বারা আল্লাহ একটি লোককে হেদায়েত দেন, তবে তা হবে তোমার জন্য এক পাল লাল উটের চেয়েও উত্তম। [সুনান আবু দাউদ, ৩৬৬১]
Ko'proq ko'rsatish📈 Telegram kanali Deen - দ্বীন analitikasi
Deen - দ্বীন (@deen_islam_ofc) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 33 786 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 1 987-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 596-o'rinni egallagan.
📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika
невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 33 786 obunachiga ega bo‘ldi.
16 Oktabr, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni -243 ga, so‘nggi 24 soatda esa -14 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.
- Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
- Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 13.72% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 3.65% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
- Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 4 635 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 1 232 ta ko‘rish yig‘iladi.
- Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 65 ta reaksiya keladi.
📝 Tavsif va kontent siyosati
Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
“নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন —
আল্লাহর শপথ! যদি তোমার চেষ্টার দ্বারা আল্লাহ একটি লোককে হেদায়েত দেন, তবে তা হবে তোমার জন্য এক পাল লাল উটের চেয়েও উত্তম।
[সুনান আবু দাউদ, ৩৬৬১]”
Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 17 Oktabr, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.
Ma'lumotlar yuklanmoqda
| Sana | Obunachilarni jalb qilish | Esdaliklar | Kanallar | |
| 18 Oktabr | 0 | |||
| 17 Oktabr | +2 | |||
| 16 Oktabr | 0 | |||
| 15 Oktabr | 0 | |||
| 14 Oktabr | 0 | |||
| 13 Oktabr | 0 | |||
| 12 Oktabr | 0 | |||
| 11 Oktabr | 0 | |||
| 10 Oktabr | 0 | |||
| 09 Oktabr | +4 | |||
| 08 Oktabr | +2 | |||
| 07 Oktabr | +1 | |||
| 06 Oktabr | 0 | |||
| 05 Oktabr | 0 | |||
| 04 Oktabr | 0 | |||
| 03 Oktabr | 0 | |||
| 02 Oktabr | +3 | |||
| 01 Oktabr | +10 |
| 2 | দুর্গাপূজা দেখতে যাওয়া বা কোনভাবে সেইটায় অংশগ্রহণ করার বিধান কি?
— শাইখ আহমাদুল্লাহ (হাফিজাহুল্লাহ) | 2 989 |
| 3 | পূজার সময় অনেক বেশি সচেতন থাকবেন! | 4 223 |
| 4 | দূর্গাপূজা দেখতে যাওয়ার হুকুম কি?
— ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ) | 4 522 |
| 5 | Channel4News এ চারবছর আগের একটা ডকুমেন্টারি আছে সোমালিয়ার আল শা-বাব নিয়ে।
ওখানকার নারীদের ভাষ্যমতে, আল শা-বাব প্রশাসন মেয়েদের মুখ ঢাকতে বাধ্য করে না। মেয়েদের ঘরে না বসে থেকে আত্মনির্ভরশীল হতে উৎসাহ দেয়। মেয়েরা সেখানে ধর্মীয় শিক্ষা, সিএসই, ইংরেজি, গণিতসহ বিভিন্ন সাবজেক্ট পড়ে। আল শা-বাব প্রশাসন তাঁদের জন্য সুন্দর পরিবেশ তৈরী করে দিয়েছে যাতে তাঁরা পড়াশোনা, কাজকর্ম ইত্যাদি করতে পারে।
উপযুক্ত পরিবেশের ব্যবস্থা থাকলে পড়াশোনা আর কাজকর্ম কোনোটাই মেয়েদের জন্য খারাপ কিছু না, বরং অনেকদিক থেকে ভালো। অনেকসময় কোনো মেয়ের স্বামী মারা গেলে দেখা যায় সন্তানদের যাতে অবহেলিত না হতে হয় এজন্য সে আর দ্বিতীয় বিয়ে করে না। অনেক মানুষ আছে আমার নিজের দেখা। ভালো পরিবার হলে স্বামীর বাড়িতেই মেয়ে থেকে যায়। কিন্তু অনেক মেয়ের কপালে এই জিনিসটা থাকে না। তখন সেই মেয়ে কি করবে? তাঁর নিজের পরিবার তো আর সারাজীবন তাঁকে এমনি এমনি বসিয়ে খাওয়াবে না। সে নিজের পরিবারের সাথে থেকে সেখানে কন্ট্রিবিউট করতে পারলে সেটাই হবে সবচেয়ে ভালো সমাধান।
নারীবাদের বিপরীতে একটা টক্সিক পুরুষবাদেরও জন্ম হইছে, যেখানে কিছু মানুষের ধারণায় মেয়েরা সবসময় থাকবে পুরুষের পায়ের নিচে, তাদের কোনো স্বাধীনতা থাকবে না, তাদের হাতে মোবাইল দেয়া যাবে না, বাইরে বেরোতে পারবে না। বাইরে বেরোলে, তাদের হাতে মোবাইল দিলে আপনি নাকি পুরুষই না। আপনার আত্নমর্যাদা নেই ইত্যাদি ইত্যাদি। দিনশেষে এগুলো সবই নারীদের মধ্যে পুরুষদের প্রতি তীব্র ঘৃণার জন্ম দিবে, ধীরে ধীরে ইরতিদাদ ছড়িয়ে পড়বে।
কালোর উপর সাদা, আরবের উপর অনারব, দরিদ্রের উপর ধনী, গোলামের উপর মনিবের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি হলো আল্লাহভীতি।
তেমনি নারীর উপরও পুরুষের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নাই। কেউ কারও প্রতিদ্বন্দ্বী না, বরং পরিপূরক। যে বিষয় দ্বীনে নেই, সেটাও দ্বীনের নামে চালানো হলো একরকম দ্বীন নিয়ে বাড়াবাড়ি। আর এই কাজটা একেবারেই নিষিদ্ধ।
সবশেষ কথা একটাই। মেয়েদের সম্মান করতে শিখেন। ছেলে হয়ে কোনো অপরিচিত মেয়েকে তুইতোকারি করা, বাজেভাবে আক্রমণ করে কথা বলা পুরুষত্ব না বরং কাপুরুষতা।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন — “তোমরা নারীদেরকে উত্তম নাসীহাত প্রদান করবে। কেননা নারী জাতিকে পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের হাড়গুলোর মধ্যে উপরের হাড়টি বেশী বাঁকা। তুমি যদি তা সোজা করতে যাও, তাহলে তা ভেঙ্গে যাবে আর যদি ছেড়ে দাও, তাহলে সব সময় তা বাঁকাই থাকবে। কাজেই নারীদেরকে নাসীহাত করতে থাক।” [সহীহ বুখারী, ৩৩৩১] | 4 889 |
| 6 | Updated!
আশা করি ইনশাআল্লাহ সবার উপকার হবে! | 2 685 |
| 7 | শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ আল-উসাইমিন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন —
“নিজের চরিত্র রক্ষার জন্য কেউ বিয়ে করতে চাইলে তাকে বিয়ে করতে সাহায্য করাও আত্মীয়তা রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।”
[শারহু রিয়াদিস সালিহীন, ৩/১৮৭] | 5 831 |
| 8 | নতুনভাবে আপনাদের জানা কোন ভালো প্রতিষ্ঠান থাকলে আমাদের জানাতে পারেন আমরা এইখানে এড করব এতে একে অন্যের উপকার হবে | 500 |
| 9 | Big Ussss Bhai! Amio! | 8 244 |
| 10 | তিনি তিলাওয়াত করলেন, ৮/১০ বার ভুল করলেন আবার নিজে নিজে ঠিক করে নিলেন। পিছন থেকে লোকমাও খেলেন!
কোন ইতস্ততা নেই, লৌকিকতা নেই। মানুষ কি মনে করবেন এটা চিন্তা না করে একমাত্র আল্লাহর জন্য তিলাওয়াত করে গেলেন।
এতটা ইখলাস, একাগ্রতা নিয়ে তিলাওয়াত করে গেলেন যে মনে হলো আল্লাহকে শুনিয়ে শুনিয়ে তিলাওয়াত করছেন। সুবহানাল্লাহ!
আল্লাহ এই ভুল করে শুধরে নেওয়া তিলাওয়াত এতটাই পছন্দ করলেন যে তার তিলাওয়াত পুরো মুসলিম উম্মাহর কাছে পৌঁছিয়ে দিলেন।
যেই ইমামকে হজ্জ ও উমরাহকারী ছাড়া তেমন কেও চিন্তো না এখন তাকে বিশ্বের কোটি কোটি মুসলিম চিনে ও ভালোবাসে। তার তিলাওয়াত শুনে অন্তর প্রশান্ত করে।
আল্লাহ আমাদের একমাত্র তার সন্তুষ্টির জন্যই এমন একাগ্রতা ও ইখলাসের সাথে আমল করার তৌফিক দান করুন। | 8 460 |
| 11 | আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মীরী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন —
‘কোনো কাফেরের বিজয়ে আনন্দ প্রকাশ করা জায়েজ, যদি সে অপর কাফেরের তুলনায় কম ক্ষতিকর হয়।’
[ফয়যুল বারী আলা সহিহ বুখারি, ১/১১৪] | 7 500 |
| 12 | ইমাম মালিক ইবনে আনাস (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন —
“ঐ পুরুষের স্বভাব মন্দ যে পুরুষ (সাথে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকার পরেও) নিজের স্ত্রীকে ঘরে রেখে একা একা বাইরে ভালো ভালো খাবার খেতে যায়।”
[উমদাতুল কারী, ১১/১৯৮]
শিক্ষা :
রেস্টুরেন্টে কিংবা কোথাও দাওয়াত খেতে গেলে (সুযোগ থাকলে) স্ত্রীকেও সাথে নিয়ে যাবেন। যেনতেন কারণ দেখিয়ে স্ত্রীকে ঘরে রেখে একা একা খেতে যাবেন না। তবে তার পর্দার বিষয়টিও খেয়াল রাখবেন।
© শাহাদাত ফয়সাল (রাহিমাহুল্লাহ) | 7 700 |
| 13 | মানুষের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখতে বলা হয়েছে। কারণ যে পাপটা শুধু ওই পাপী বান্দা আর আল্লাহর মাঝে সীমাবদ্ধ, সেটা আল্লাহ চাইলে সহজেই মাফ করে দিতে পারেন।
আপনি একটা গান শুনলেন, অশ্লীল ভিডিও দেখলেন গুনাহটা তখন'ই শেষ। আর এটা আপনার আর আল্লাহর মাঝেই থাকলো। কিন্তু একই গান-বাজনা, অশ্লীলতা কিংবা কোনো হারাম জিনিস যখন আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে দিলেন, তখন বিষয়টা আর শুধু আপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলো না। ইভেন আপনি মারা গেলেও না।
কারণ আপনি মারা গেলেও আপনার ফেসবুক মরবে না। আপনি চলে গেলেও আপনার টিকটকের পুরোনো পোস্ট থেকে যাবে। আপনার কবরের স্মৃতি হয়তো একদিন মুছে যাবে কিন্তু ইন্টারনেটে রেখে যাওয়া আপনার ভালো/খারাপ কাজ তখনো মানুষের চোখের সামনে ঘুরবে।
তাই, আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মফলের সওয়াব/গুনাহ কন্টিনিউয়াস হতে থাকবে। যত মানুষ সেগুলা দেখবে তাদেরও সওয়াব/গুনাহ হতে থাকবে এবং তাদের সওয়াব/গুনাহের পারসেন্টেজ আপনার আমলনামাতেও জমতে থাকবে। যদিও তার ১০০ বছর আগেই মারা গিয়ে থাকেন। তাই সাধু সাবধান, কর্মফল বড় কঠিন জিনিস!
© সুমন আহমাদ | 7 257 |
| 14 | আজকে টুইটার থেকে খুজে পাইছি। ওয়ালপেপার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, অসম্ভব সুন্দর! | 5 871 |
| 15 | শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ আল-উসাইমিন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন —
“মসজিদে বিয়ে করা মুস্তাহাব এর কোন ভিত্তি ও দলিল আমার জানা নেই যা রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু যদি বর ও ওলী মসজিদে থাকে এবং আকদ করে নেয় সমস্যা নেই।”
[লিকাউল বাবিল মাফতুহ, ১৬৭] | 7 871 |
| 16 | পবিত্র মক্কায় এখন পর্যন্ত ৪ বার হামলা ও অবরোধ চালানো হয়।
এই হামলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও ভয়াবহ আক্রমণ হয় ৯৩০ খ্রিস্টাব্দে কারমাতিদের হামলা।
হামলাকারী : বাহরাইনের চরমপন্থী শিয়া উপদল কারমাতি/কারমাতীয় (Qarmatians) আন্দোলনের নেতা আবু তাহির আল-জান্নাবি এবং তার বাহিনী।
এইসময় প্রায় ৩০ হাজার হাজি ও সাধারণ বাসিন্দাদের হত্যা করা হয়। নিহতদের মরদেহ জমজম কূপে ফেলে কূপটির অবমাননা করা হয়। কাবার দরজা ভেঙে ফেলা হয় ও গিলাফ ছিঁড়ে ফেলা হয়।
সবচেয়ে বড় আঘাত ছিল হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর ভেঙে টুকরো করে বাহরাইনে নিয়ে যাওয়া। দীর্ঘ ২২ বছর পর হাজরে আসওয়াদ আবার মক্কায় ফিরিয়ে আনা হয়।
কিন্তু হাজরে আসওয়াদের ৯ টা ছোট ছোট টুকরো শুধু খুঁজে পাওয়া যায়, এটাই পরবর্তীতে কালো পাথরের ভিতরে বসিয়ে আবার হাজরে আসওয়াদের প্রতিস্থাপন করা হয়। | 8 409 |
| 17 | যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে আলীকে ডাকে এরাই বাঙ্গু মুসলিমদের কাছে খলিপা, ইমাম! | 1 246 |
| 18 | শিয়া রাফেজীরা তায়েফে হামলা করেছে এখন মক্কায় সর্তকতা সাইরেন বাজছে।
হে আল্লাহ, নিকৃষ্ট শিয়া রাফজীদের জন্য আপনিই যথেষ্ট হয়ে যান। | 349 |
| 19 | আল্লাহ সৌদির উপর রহম করুন, তাদের বিজয় দান করুন।
নিকৃষ্ট শিয়া রাফেজীদের পরাজিত ও লাঞ্চিত করুন আমিন। | 105 |
| 20 | আজকের চাঁদ | 1 653 |
