uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 996
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
-27 kunlar
+430 kunlar
Postlar arxiv
😔 যৌন অক্ষমতা 😔 যদি কারও কাম-সুখ ভোগ করার ক্ষেত্রে অনীহা দেখা যায় বা কামক্রিয়া থেকে নিজেকে বিরত করার চেষ্টা দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে সেই ব্যক্তির শারীরিক অক্ষমতাজনিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই ধরনের সমস্যা যৌনক্রিয়ায় সক্ষম একজন মানুষের বা দম্পতির জীবনের যে কোনও সময় ঘটতে পারে এবং এর ফলে কামজ সুখ থেকে তারা বঞ্চিত হতে পারে। এই কামচক্রের মধ্যে উত্তেজনা থেকে শুরু করে চূড়ান্ত দেহমিলনের সব কটি পর্যায় অন্তর্ভুক্ত। কামের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিকতা যে কোনও বয়সের মহিলা বা পুরুষের ক্ষেত্রেই দেখা যেতে পারে। কিন্তু বয়স যত বাড়ে এর সম্ভাবনাও তত বেশি হতে থাকে। চিকিৎসার দ্বারা এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কিন্তু মানুষ এহেন সমস্যা নিয়ে কথা বলতেই দ্বিধা বোধ করে বা নিজের দুর্বলতা পাছে প্রকাশ পেয়ে যায় সেই ভয়ে অনেকে বিষয়টি সামনে আনতে চায় না। যদি কারও যৌনসুখ উপভোগ করার ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধা দেখা দেয়, তাহলে তাঁর সঙ্গীর সঙ্গে এই বিষয়ে অবশ্যই কথা বলা উচিত এবং বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন। যথাযথ চিকিৎসার মধ্য দিয়ে সুস্থ যৌন জীবন এবং কাম সুখ উপভোগ করা যায়। যৌন অক্ষমতার উপসর্গগুলি মহিলা এবং পুরুষের ক্ষেত্রে আলাদা হয়। কয়েকটি সাধারণ উপসর্গ হল-- পুরুষের ক্ষেত্রে: উত্থানজনিত অক্ষমতা: মিলনের সময় পুরুষাঙ্গের উত্থানে সমস্যা হয়। বীর্যত্যাগজনিত সমস্যা: বীর্যত্যাগের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারানোর সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে যৌন মিলনের অব্যবহিত আগে অথবা পরে, কিংবা অনেক পরে বীর্যের নিঃসরণ হয়, যা অবশ্যই একধরনের ত্রুটি। যৌনতাড়না কমে যাওয়া-- টেস্টোস্টেরন হরমোনের কম ক্ষরণের জন্য কামশক্তি হারিয়ে যায়। মহিলাদের ক্ষেত্রে: যৌনকামনা নষ্ট হয়ে যায়-- ইস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের কম ক্ষরণের ফলে কামের আকাঙ্ক্ষা কমে যায়। দেহমিলনের চরম পর্যায়ে উত্তেজনা হারানো-- চরম যৌন আকাঙ্ক্ষা সত্ত্বেও যথাযথ উত্তেজনার অভাব। যোনির শুষ্কতা এবং ব্যথা-- যৌন মিলনের আগে এবং সময়ে যোনি শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং তীব্র ব্যথার অনুভূতি জাগে। যৌনতাড়নায় অস্বাভাবিকতার পিছনে থাকে শারীরিক, মানসিক এবং পরিবেশগত কারণ। এগুলি হল-- শারীরিক কারণঃ পুরুষদের ক্ষেত্রে যৌন ক্রিয়ায় অক্ষমতার পিছনে স্নায়ুর দুর্বলতা, রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা, ডায়াবেটিস, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, হার্ট বা কিডনির সমস্যা প্রধান। অতিরিক্ত মদ্যপান এবং কিছু বিশেষ ওষুধের প্রভাবে যৌনক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। মহিলাদের ক্ষেত্রে মল এবং মূত্র ত্যাগের সমস্যা, স্নায়ুগত অব্যবস্থা, বাতের সমস্যা এবং কিছু ওষুধের ব্যবহার কামের উন্মাদনা কমিয়ে দেয়। ইস্ট্রোজেন কম ক্ষরণের ফলে যোনির পিচ্ছিলতা হ্রাস পায়। ফলে যৌন মিলনের সময় ব্যথা অনুভূত হয়। মানসিক এবং পরিবেশগত কারণঃ কর্মক্ষেত্রে অত্যধিক চাপ কামক্রিয়ায় আসক্তি কমে যাওয়ার একটি সাধারণ কারণ। অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে মানসিক উদ্বেগ, অবসাদ, সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কে সমস্যা এবং যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনও আঘাত। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - 🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰 #konna #কন্যা #sexeducation #sexed #sexy #love #sex #kad #lesbian #hotmodel #sexpositive #sexualhealth #k #n #tiktok #sn #b #porn #t #m #kiss #p #sexystyle #tesettur #girl #netflix #memes #selflove #follow #instagram

এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ইমার্জেন্সি পিলের ব্যবহারে মায়ের জিনগত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বারবার ইমার্জেন্সি পিল ব্যবহারের কারণে ডিম্বাশয়ে নানা প্রতিক্রিয়া হতে শুরু করে। যার ফলে জিনগত পরিবর্তন হয় আর তার প্রভাব সরাসরি পড়ে গর্ভজাতের উপরে। ফলে তার ক্রোমোজমে ত্রুটি দেখা দেয়। ❤*** প্রিয় পাঠকদের সুসাস্থ্য এবং সুখী জীবন কামনা করছি ❣❣ Dr. Tajreen Jahan Advisor 20 Minute Medical

👉💊 ইমার্জেন্সি_পিল সম্পর্কে জানুন🤔 👉ইমার্জেন্সি পিল কি ? জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার পিল বা ইমার্জেন্সি পিল (ইসিপি) হলো এমন এক ধরনের পিল যা অরক্ষিত বা অনিরাপদ সহবাসের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবহার করলে গর্ভে সন্তান আসার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ রোধে মহিলারা ইসিপি ব্যবহার করতে পারেন। জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার পিল বা ইসিপি কোনো নিয়মিত পদ্ধতি নয়। এটি শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়। জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার পিল বা ইসিপি গর্ভধারণ রোধ করে, কখনও গর্ভপাত ঘটাতে সাহায্য করে না। অরক্ষিত সহবাসের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই জন্মনিরোধক ব্যবহার করতে হবে। তবে সহবাসের ১২ঘন্টার ভিতরে খেলে ভাল হয় অবশ্যই ৭২ ঘন্টার পরে খাওয়া উচিৎ নয় । 🚩নিম্ন লিখিত কারনে ইমার্জেন্সি জন্মনিরোধক ব্যবহার করা বাঞ্চনীয়: • সহবাসের সময় আপনি বা আপনার সঙ্গী যদি কোন জন্মনিরোধক পদ্ধতি ব্যবহার না করে। • যদি আপনি পরপর ৫ দিন জন্মনিরোধক বড়ি খেতে ভুলে যান । • যদি সহবাসের সময় আপনার সঙ্গী কনডম সঠিক ভাবে ব্যবহার না করে থাকেন, অথবা কনডম ফেটে গিয়ে থাকে। • যদি আপনি মনে করেন যে, আপনার জরায়ুতে অবস্থিত জন্মনিরোধক (আই, ইউ, ডি) স্থান্যচুত হয়েছে! • যদি আপনার যোনিতে অবস্থিত ডায়াফ্রাম অথবা জন্ম নিরোধক ক্যাপ সরে গিয়ে থাকে । • যদি নিরাপদকাল গণনায় ভুল হয় তাহলে ইসিপি ব্যবহার করতে হবে । • যখন কোনো পদ্ধতি ছাড়া বা অনিচ্ছাকৃত বা জোরপূর্বক সহবাস হয় তাহলে ইসিপি ব্যবহার করতে হবে । • যদি ইনজেকশনের পরবর্তী ডোজ নিতে ২৮ দিনের বেশি দেরি হয়ে যায় তাহলে ইসিপি ব্যবহার করতে হবে। 🕵জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার পিল বা ইমার্জেন্সি পিল খাবার বড়ি কাদের জন্য? • কোনো নারী যদি ঝুঁকিপূর্ণ সহবাস করে কিন্তু গর্ভবতী হতে না চান, তবে তিনি সহবাসের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই খাবার বড়ি খেতে পারবেন । • সাধারণত গর্ভধারণে সক্ষম সব নারীরা । • যাদেরকে নিয়মিত খাবার বড়ি খেতে নিষেধ করা হয় তারাও এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। • সহবাসের সময় যারা পরিবার পরিকল্পনার কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করেন না । • যদি কেউ পর পর ৩ দিন খাবার বড়ি খেতে ভুলে যান। 💁জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার বড়ি কীভাবে খেতে হবে? • বাজারে ১ ডোজ গর্ভনিরোধক বড়ি পাওয়া যায়। । • কিছু খাওয়ার পরপরই বা ঘুমের আগে এই গর্ভনিরোধক বড়ি খাওয়া ভালো । • অরক্ষিত সহবাসের ১২ ঘন্টার ভিতর এই পিল খেতে হবে। তবে কোনো ভাবেই ৭২ ঘন্টার পরে নয়। 🧟‍♂জরুরি গর্ভনিরোধক পিলের অসুবিধা- • নিয়মিত পদ্ধতি হিসেবে এই খাবার বড়ি ব্যবহার করা যায় না। পদ্ধতিটি শুধুমাত্র জরুরিভাবে ব্যবহারের জন্যই নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ইসিপির কার্যকারিতা দুটি বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয় । মনে রাখবেন, এভারেজ হিসাবে ৮৫% ক্ষেত্রে এটি কাজ করে। • অনিরাপদ সহবাস ও ইসিপি ১ম ডোজ-এর মধ্যে সময়ের ব্যবধান এবং মাসিক চক্রের কোনো সময় অনিরাপদ সহবাস হয়েছে । • ইসিপি ব্যবহারে স্বল্প স্থায়ী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন- বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, মাথা ব্যথা, মাথা ঝিমঝিম করা, অবসন্নতা এবং স্তনে ব্যথা হতে পারে । • অনেকের মাসিকের অসুবিধাও হতে পারে । 👉জরুরি গর্ভনিরোধক পিলের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া🤢 • বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে • মাথা ব্যথা হতে পারে • মাথা ঝিমঝিম করতে পারে • অবসন্নতা বোধ হতে পারে • স্তনে ব্যথা হতে পারে • মাসিকের সমস্যা হতে পারে • যোনিপথে রক্তক্ষরণ হতে পারে তবে ভয়ের কিছু নেই। . যদি পিল খাওয়ার পর ৩ ঘন্টার ভিতর বমি হয়ে যায় তাহলে সাথে সাথে আরো একটা পিল খেতে হবে। 👉ইমার্জেন্সি পিল কত ধরণের🤷‍♀ বাংলাদেশের বাজারে এখন অনেক কোম্পানীর ইমার্জেন্সি কনট্রাসেপটিভ পিল পাওয়া যায়। যেগুলো ২ দিন থেকে ৫ দিন পর্যন্ত ব্যাবহার সিস্টেম আছে। অসুরক্ষিত মিলনের পর অনেকেই ইমার্জেন্সি পিলের সাহায্য নিয়ে থাকেন।তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিতে হবে। 📌জরুরি গর্ভনিরোধক পিল ব্যবহারে সতর্কতা- একই মাসে একাধিকবার জরুরি গর্ভনিরোধক পিল ব্যবহারেও স্বাস্থ্যগত কোনো ক্ষতি নেই । তবে ব্যবহারকারীকে জানতে হবে যে - • অতিরিক্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (বিশেষ করে অনিয়মিত রক্তস্রাব মাথা ব্যথা) হয়ে থাকে। • জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার পিল বা ইসিপি পরিবার পরিকল্পনার কোনও নিয়মিত পদ্ধতি নয়। এটি শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়। • ইমার্জেন্সি পিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ডক্টর বা গাইনোকোলজিস্ট -এর পরামর্শ নেওয়া উচিত। 🚫অরক্ষিত যৌন মিলনের পর ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ইমার্জেন্সি পিল খান অনেক নারীরা। এই পিলের সাইড ইফেক্ট বা অপকারী দিকই বেশি। মাসে ১ বারের বেশি বা ঘনঘন ইমার্জেন্সি পিল খাওয়া উচিত নয়। যেসব মায়েরা বাচ্চাকে বুকের দুধ পান করান তাদের ক্ষেত্রে এই পিলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি দেখা দিতে পারে। সাধারণত এই পিল গুলো খেলে বুকের দুধের পরিমান কমে যায়।

সতর্ক ⚠️☢️ আপনি যখন মোবাইলে কোন নাম্বার ডায়াল করেন, তখন কানেকশন পাওয়ার আগ পর্যন্ত মোবাইল তার সর্বোচ্চ শক্তি ব্যাবহার করে। এসময় মোবাইল থেকে সর্বোচ্চ রেডিয়েশন বের হয়, যা মানব দেহের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর⚠️ তাই এই রেডিয়েশন থেকে বাঁচতে এসময় মোবাইল কানের কাছে না ধরে রাখাই ভালো🖤 © ant science

♻ শীতে ওজন কমাতে চান ? ♻ বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালে ওজন কমানো একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। শীতে শরীরের মেটাবলিজম হার কমতে থাকে, সেই সাথে শারীরিক কার্যকলাপের পরিমাণও কমে এই সময়ে। আর শীতকালে খাওয়া-দাওয়ার পরিমাণও বাড়ে। সব মিলিয়ে বাড়তে থাকে ওজন। তবে ৫টি সহজ নিয়ম মেনে চললে শীতেও ওজন কমানো সম্ভব। ✅ কাঁপুনি: শীতে কাঁপুনির জন্য এমন না আপনাকে অনেক সকালে গরম কাপড় ছাড়াই বের হয়ে যেতে হবে। যখন আবহাওয়া সহনীয় হবে তখনই আপনি বের হন গরম কাপড় ছাড়া। হতে পারে বিকাল বা সন্ধ্যার সময় যখন সূর্যের তাপ থাকে না। গবেষণা মতে, শীতে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের কাঁপুনি ঘণ্টাখানেকের ব্যায়ামের সমান। শুধু তাই নয় এটি আপনার পেশী সংকোচনও করে। ✅ স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া: শীতে আমরা বেশি খাই এই বিষয়টি একাধিকবার প্রমাণিত। ঠাণ্ডা আবহাওয়া আমাদের ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। কারণ বেশি মাত্রায় ক্যালোরি খেলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। শীতকালে খাওয়া-দাওয়া বেশি হবে সে বিষয়টি ঠিক আছে কিন্তু খাবার দাবার যেনো ফাইবার সমৃদ্ধ ও স্বাস্থ্যকর হয়। ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি ঝুঁকি কমায়। একসাথে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে খাওয়ার চেষ্টা করুন। ✅ গরম পানি এড়িয়ে চলুন: শীতকালে বেশিরভাগ মানুষ গরম পানি খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু আপনি যদি আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাহলে আপনাকে স্বাভাবিক পানি খেতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে শরীরের মূল তাপমাত্রার চেয়ে বেশি ঠাণ্ডা পানি খেলে শরীর কঠোর পরিশ্রম করার জন্য প্রস্তুত হয়।এতে করে ওজন কমানোর জন্য অনেক ক্যালোরি কমাতে সাহায্য করে। ✅ হার্বাল টি ও ব্ল্যাক কফি: দুধ, চিনি দেওয়া চা-কফির পরিবর্তে ব্ল্যাক টি বা কফি খাওয়া শুরু করেন। হার্বাল টি, ব্ল্যাক টি বা ব্ল্যাক কফিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি থাকে। প্রতিদিন এই চা-কফি পান করলে মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায় এবং তা ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। ✅ গৃহাস্থলির কাজ করা: শীতকালে বাইরে যেয়ে ব্যায়াম করার ইচ্ছা না হলে বাড়ির কাজগুলো নিজ হাতে করার চেষ্টা করুন। ঘর পরিষ্কার করা, মোছা, কাপড় ধোওয়া, বাগান করা ক্যালোরি কমাতে সাহায্য করে। বাড়িতে বা অফিসে কাজ করার সময় ৩০ মিনিট পর পর সিট থেকে উঠে হাটাহাটি করুন। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - https://www.facebook.com/groups/149192167228573 #konna #weightloss #weightlossjourney #fitness #healthylifestyle #motivation #health #healthy #workout #diet #fitnessmotivation #healthyfood #weightlosstransformation #gym #fit #nutrition #fitfam #fatloss #healthyeating #exercise #slimmingworld #weightlossmotivation #transformation #keto

মর্নিং পেনিস ইরেকশন এন্ড মিথ ডা. অপূর্ব চৌধুরী London, England সকালবেলা পেনিস হার্ড হয়ে যাওয়া সকল প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের একটি স্বাভাবিক শারীরিক বৈশিষ্ট্য । এতে লজ্জা কিংবা অবাক হওয়ার কিছু নেই । কিন্তু যেটায় অবাক হতে হয়, সেটি হলো বেশিরভাগ মানুষ এ ব্যাপারে অজ্ঞ । যেটুকু জানে, হয় মিথ, নয়তো ভুল । এমনকি মেয়েদের ক্ষেত্রেও ভোরবেলা টার্ন অন হওয়া স্বাভাবিক । আজকে শুধু পুরুষদের নিয়ে আলোচনা । নারীদের নিয়ে অন্য দিন আলোচনা করবো । পুরুষের পেনিস ভোর বা সকাল বেলায় হার্ড হয়ে যায় । লোকে এটির প্রথম অর্থ করে - পুরুষ হর্নি হয় এমন শক্ত হলে, অথবা এমন শক্ত হওয়া মানে পুরুষটি হর্নি ফিল করছে, বেশিরভাগ লোকজন এমন টি ভাবে । কিন্তু বাস্তবতা হলো এমন হার্ড পেনিসের সাথে যৌন উত্তেজনার কোনো সম্পর্ক নেই। এটি ভুল । এটি মিথ । এটি অজ্ঞতা । তাহলে আসল সত্যটি কি ! সকালবেলা পুরুষের পেনিস এমন হার্ড হওয়া স্বাভাবিক । এটি পুরুষের শরীরের সক্ষমতা, রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ার স্বাভাবিকতা, এবং এটি পুরুষের ভালো স্বাস্থ্যের ক্লু । সকাল বেলা এমন পেনিস হার্ড হলে পুরুষের সেক্স ড্রাইভ কিছুটা আসে, কিন্তু এমন পেনিস হার্ড হয়ে যাওয়ার মানে নয় তার সেক্স ডিজায়ার বেড়ে গেছে । ওই মুহূর্তে আসলে বেশিরভাগ পুরুষের সেক্স ডিজায়ার সেই স্কেলে থাকে না, যে স্কেলে অন্য সময় টার্ন অন হলে থাকে । যদিও অনেক সময় ওয়েট ড্রিম বা স্বপ্নদোষ হওয়ার পর পুরুষ তার পেনিসকে হার্ড দেখে । সেটি ভিন্ন ব্যাপার । কিন্তু নরমালি সকালের দিকে এমন হার্ড পেনিস মানে সেক্চুয়ালি ইরেক্ট পেনিস নয় । দুটো ভিন্ন জিনিস । সকালের দিকে পুরুষের এমন হার্ড পেনিসকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে Nocturnal penile tumescence. বা সংক্ষেপে NPT । মেয়েদেরও সকাল বেলায় এমন টার্ন অন হওয়াকে বলে Nocturnal clitoral tumescence বা সংক্ষেপে NCT । রাতে আট-নয় ঘন্টা ঘুমালে আমাদের ঘুমের যে প্রক্রিয়ায় রেপিড আই মুভমেন্ট ঘটে, এবং ঘুমের এই স্টেজে আমরা স্বপ্ন দেখি । ঘুমের এই স্টেজের সময় পুরুষের পেনিস হার্ড হয়ে যায় । এইজন্যে দেখা গেছে প্রতি রাতে পুরুষের পেনিস এমন তিন থেকে পাঁচ বার হার্ড হয়ে যায় । শুধুমাত্র শেষ বারের হার্ডটি সকাল বেলায় এসে ফিল করে এইজন্যে যে লাস্ট রেপিড আই মুভমেন্ট স্টেজ তার কিছুক্ষন আগেই ঘটেছিলো । বাকিগুলো ঘুমের মধ্যে হয় বলে টের পায় না । কিন্তু কেন এমন হয় । এটি হয় মূলত শরীরের বিশেষ করে শরীরের নিচের অংশ এবং পেনিস এরিয়ার প্যারাসিমপেথেটিক নার্ভের স্টিমুলেশনের কারণে । শরীরের প্যারাসিমপ্যাথেটিক এই একটিভিটি অটোনমিক বা স্বয়ংক্রিয়, এতে আপনার কোনো হাত নেই । এটি হয় সেকরাল প্লেক্সাসের নার্ভ স্টিমুলেশন থেকে, যা আমাদের কোমরের দিকে থাকে । ঘুমের মধ্যে সেটি স্বয়ংক্রিয় স্টিমুলেশন সেন্ড করে পেনিসে । এতে এসিটাইলকোলিন নামক রাসায়নিক উপাদান বের হয় রক্তে, আর সেটি নাইট্রিক অক্সাইড বের করে রক্তনালী তে । এতে পেনিসে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায় এবং পেনিস বেলুনের মতো ফুলে উঠে । এমনকি অনেক সময় মূত্র থলি ভরে গেলে পেশাবের যে চাপ বেড়ে যায়, তখনও পুরুষের পেনিস শক্ত হয়ে যায় একই প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্টিমুলেশনের কারণে । সুতরাং রাতের বেলা কিংবা সকাল বেলা পুরুষের এমন হার্ড হয়ে যাওয়ার অর্থ হর্নি হওয়া নয় । বরং এটির অর্থ তার নার্ভ একটিভিটি গুলো নরমাল, তার রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াটি স্বাভাবিক এবং শরীর সুস্থ । সকাল বেলা যদি এমন পেনিস ইরেকশন না হয় অনেকদিন, তখন আপনার উচিত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া । আপনার শরীরে নার্ভের জটিলতা থেকে ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়া, ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে না থাকা, রক্ত সঞ্চালনে কোথাও বাধা তৈরী হওয়া, ব্লাড প্রেশার বেড়ে যাওয়া, কোনো ডিপ্রেশনে দীর্ঘদিন ভোগ, সেক্সচুয়াল ট্রান্সমিটেড কোনো ডিজিসে ভুগা, এমন সব ইঙ্গিত বহন করে । মিথ এবং অজ্ঞতা, দুটোই ভুল । শরীর সম্পকে সচেতন হওয়া লজ্জার কিছু নয় । ©Dr. Apurba Chowdhury

যৌন অসুস্থতা . . 🟩 যৌন অসুস্থতাকে আমরা দুইটা ভাগে ভাগ করি ১) যৌন বাহিত রোগ ২) যৌন সমস্যা . 1️⃣ যৌন বাহিত রোগ হল , একজন অসুস্থ যৌন রোগীর সাথে উইদাউট প্রটেকশন যৌন সম্পর্ক স্থাপন করার পরে যে রোগ সুস্থ মানুষের দেহে সংক্রমিত হয় তাকে আমরা যৌন রোগ বলতে পারি। যেমন: গনোরিয়া , সিফিলিস , এইডস ইত্যাদি। . 2️⃣ যৌন সমস্যা হল, যা একজন মানুষের দেহ থেকে অন্য মানুষের দেহে ছড়ায় না এমন যৌন অসুস্থতা। যেমন: লিঙ্গ সঠিকভাবে উত্থান না হওয়া , দ্রুত বীর্যপাত , যৌন আগ্রহের অভাব ইত্যাদি। . . 🟩 যৌন সমস্যা সাধারণত চার টি কারণে হয়ে থাকে: . ✳️১) শারীরিক কারণ বা শারীরিক অসুস্থতা ' যেমন: ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ , হাই কোলেস্ট্রল, হরমোনের সমস্যা, থাইরয়েডের সমস্যা ইত্যাদি। . ✳️২) মনোদৈহিক কারণ, মনোদৈহিক কারণে যে যৌন সমস্যা হয় তাকে মনোযৌন সমস্যা বলে । যেমন: উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, বিষন্নতা, পার্টনারদের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসের অভাব, সেক্স এডুকেশন বা যৌন শিক্ষার অভাব , যৌন সম্পর্ক স্থাপনে সক্ষম হবে এই ভয়, স্বপ্নদোষ নিয়ে ভুল জানা অফুল ধারণা, হস্তমৈথুন নিয়ে ভুল জানা ও ভুল ধারণা , বীর্য নিয়ে ভুল জানা ও ভুল ধারণা ইত্যাদি। . ✳️৩) লাইফ স্টাইল জনিত সমস্যা: রাত জাগা ,পরিমাণ মতো ঘুম না হওয়া , ঠিকভাবে খাবার দাবার না করা , এক্সারসাইজ না করা , প্রয়োজনীয় রেস্ট না নেওয়া , সুষম পুষ্টিকর খাবার না খাওয়া , ইত্যাদি । . ✳️ ৪) নেশা জাতীয় দ্রব্য , মাদক নেওয়া । চেইন স্মোকার । দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিস এলার্জি মানসিক সমস্যা ওষুধ গ্রহণ। যৌন উত্তেজক অনেকটাইম ওষুধ গ্রহণ ।ইত্যাদি । 🟩 চিকিৎসার ক্ষেত্রে , প্রথমে: সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে হয় দ্বিতীয়: সঠিকভাবে চিকিৎসাপদ্ধতি সিলেক্ট করতে হয়। . মনোদৈহিক কারণে যে যৌন সমস্যা হয় তাকে আমরা সাইকোসেক্সুয়াল ডিসফাংশন বলি। এক্ষেত্রে রোগীর ধৈর্য ও ডাক্তারের কথার প্রতি নির্ভরতা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। . অনেক সময় রোগী শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে আসলেও দেখা যায় এই অক্ষমতা তৈরীর পিছনে কিছু মানসিক কারণ থাকে। যা অনেক সময় রোগীকে বোঝাতে একটু কষ্ট হয়। . 🟩 অনেক সময় চিকিৎসার প্রয়োজনে কিছু পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে । আমরা সাধারনত অবস্থাভেদে নিম্ন লিখিত পরীক্ষাগুলো দিয়ে থাকি, সকলের ক্ষেত্রেই পরীক্ষা করতে হবে বিষয়টি এরকম। 1)Testosterone 2) prolactin 3)TSH 4)CBC 5) RBS 6) Semen Analysis 7) Duplex study of Penile vessels . এছাড়া অন্যান্য আরও কিছু পরীক্ষা লাগতে পারে। তবে সকল সময় যে পরীক্ষাগুলো করাতে হয় বিষয়টি এমন না। . 🟩 লেখক: . মোঃ ফাইজুল হক ২০ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU) Trained on Therapeutic Counselling (Department of Clinical Psychology, University of Dhaka) 🟩 মোবাইল নাম্বার: 01712 859950 (whatsapp) বা, 01972 859950 . 🟩 চেম্বারঃ বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , সরকারি হাসপাতাল এবং খাদ্য গোডাউন মোড়ের মাঝে , আমাবাগান জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা। . আরো বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুন আমার লেখা ২ টি বই: ১) বয়সন্ধিকালের যৌন শিক্ষা ২) বড়দের যৌন শিক্ষা Dr. Faizul Haq

২০২৩ সাল যেভাবে কাজে লাগাতে পারেন... ১. বছরের শুরুর রাতে/দিনে অবশ্যই কিছু প্রার্থনা করুন। আপনার পূর্বের বছরের তুলনায় যেন নতুন বছর ভালো যায়, নতুন বছরে যেন নতুন দক্ষতা অর্জন করতে পারেন ও বেশি কাজ করতে পারেন সেই প্রার্থনা করুন। পুরনো বছর সময় ও সুযোগের যা অপচয় করেছেন তা নতুন বছরে না করার অঙ্গীকার করুন। ২. যাদের মা-বাবা বেঁচে আছে তারা মা-বাবার বিশেষ দোয়া নিয়ে বছর শুরু করুন। তাদেরকে আগের চেয়ে বেশি ভালোবাসুন-সেবা করুন। আপনি তাদের প্রতি যত ভালোবাসা দেখাবেন ততোই আপনার জন্য তাদের অন্তর থেকে দোয়া বের হবে। যা হতে পারে আপনার নতুন বছরে জীবন পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় কারণ। ৩. ১২ মাসে ১২টি নতুন কিছু শেখার পরিকল্পনা করুন। আপনার আগ্রহ আছে এমন ১২টি সম্ভাব্য বিষয়ের তালিকা করে কাজ শুরু করুন। একটি সুন্দর পরিকল্পনা কর্মের অর্ধেক সাধন করে। ৪. ১২ মাসে অন্তত ১২টি বই পড়ার পরিকল্পনা করুন। ১২টি বইকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করুন। প্রতি মাসের প্রথম বা প্রথম দুই সপ্তাহেই বইটি পড়ে ফেলুন। ৫. কম্পিউটার বিষয়ক কয়েকটি দক্ষতা অর্জনের পরিকল্পনা করুন। হতে পারে; ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, ভিডিও এডিটিং, থ্রিডি, গ্রাফিক্স, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অ্যাড ডেভেলপমেন্ট বা অনুরুপ। ৬. ডিজিটাল দুনিয়া সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়াতে কিছু পরিকল্পনা করুন। হতে পারে; ডিজিটাল মার্কেটিং, ডিজিটাল কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট, কনটেন্ট মার্কেটিং, ফ্রিল্যান্সিংয়ে পদার্পণ বা অনুরুপ। ৭. যারা কম সার্টিফিকেটধারী বা একাডেমিক আগ্রহ কম তারা উপরের যেকোনো একটি কাজ শিখলেই কর্মে প্রবেশ করতে পারবেন। বছরের প্রথম অংশের মধ্যে সেই যোগ্যতা অর্জন করে চাকরি শুরু করুন। শেষ অংশের মধ্যে নিজেকে পরিপক্ক করার পরিকল্পনা ও কাজ করুন। যেন পরবর্তী বছরে আপনি অভিজ্ঞতা নিয়ে ভালো চাকরিতে সুইচ করতে পারেন। ৮. আপনি চাকরিজীবী হলে আপনার ফিল্ডে যারা ভালো করছে তাদের থেকে শেখার চেষ্টা করুন। আপনার ফিল্ড রিলেটেড বিষয়ে পড়াশোনা করুন। সম্ভব হলে দক্ষ বৃদ্ধির ওপর যেসব প্রশিক্ষণ আছে সেখান থেকে প্রশিক্ষণ নিন। নিজেকে বর্তমান স্তর থেকে উন্নীত করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিন। ৯. একাডেমিক বিষয়ে আগ্রহী হলে আপনার প্রতিযোগিদের থেকে এগিয়ে থাকতে কিছু পরিকল্পনা করুন। প্রথম মাসে পড়াশোনায় তাদের পেছনে ফেলে দিন। কিন্তু সম্ভব হলে আপনার অগ্রগতি গোপন রাখুন। ছয় মাস অব্যহত রাখলে দেখবেন আপনার ধারেপাশে কেউ নেই। এই সময়ের মধ্যে আপনার ফিল্ড রিলেটেড কিছু লেখালেখি করুন। অন্তত একটি লেখা জার্নালে প্রকাশ করার পরিকল্পনা করুন। যেটা যৌথভাবে হলেও। আপনার ফিল্ড রিলেটেড কোথায় কী সুযোগ আছে; যেমন স্কলার্শিপের খোঁজ-খবর নিন। যোগ্য হলে আবেদন করুন। ১০. আপনার ভালো লাগে এমন বিষয়ে যেসব প্রতিযোগিতা হয় যেসব প্রতিযোগিতায় অংশ নিন। এতে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। আপনার প্রতিযোগিদের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। ১১. সেবামূলক কাজের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখার পরিকল্পনা করুন। যেকোনো সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। আপনার নিকটজন, এলাকা বা এলাকার মানুষের নানা সমস্যা রয়েছে। তাদের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করতে পারেন। ১২.নতুন বছরে বদ অভ্যাস ত্যাগ করার ও ভালো অভ্যাস গড়ে তোলার কাজ শুরু করুন। যেমন নেশা থাকলে ছেড়ে দিন। সকালে ঘুম থেকে ওঠা অভ্যাস করুন। ১৩. শত্রুর সংখ্যা কমিয়ে বন্ধুর সংখ্যা বৃদ্ধি করুন। যাদের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক আছে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। পুরনো সবকিছু ভুলে যান, তাদেরকেও অনুরোধ করুন। ১৪. কিছু গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করুন। যারা বিভিন্ন সময় আপনার উপকারে আসতে পারে। ১৫. আপনি ঋণ থাকলে ঋণ পরিশোধ করতে চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে কিছু সঞ্চয় করুন। সাধ্যমতো কম বা বেশি যাই হোক সঞ্চয় করতে পারেন। - জীবন পরিবর্তনের জন্য এক বছর অনেক সময়, যদি সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়। মাত্র এক বছর নিজেকে গুছিয়ে নিন। দেখবেন আপনার গোটা জীবনে বড় পরিবর্তন এসেছে। প্রতিটি কাজের সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে। প্রতিটি ভালো কাজের জন্য উত্তম প্রতিদান রয়েছে। সুতারাং সর্বদা ভালোর সঙ্গে থাকুন। -সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

২০২৩

এক আমলে একাধিক নিয়ত নিয়ত হল আমলের প্রাণ। নিয়ত ছাড়া আমল শুদ্ধ হবে না। গ্রহণযোগ্য হবে না। আমরা সারাদিনে অসংখ্য আমল করি। প্রতিটি আমলে আমরা একসাথে একাধিক নিয়ত করে, অল্প মেহনতেই আমার আমলনামাকে সমৃদ্ধ করে তুলতে পারি। . ১: ওজু-তহারত আমি কেন ওজু করব? ওজুর করার আগে, মনে মনে এই নিয়তগুলো করতে পারি। ১. আল্লাহ ও তার রাসূলের হুকুম পালন করার জন্য ওজু করছি। মুমিন ছাড়া অন্য কেউ ওজু করে না। এই ওজু দ্বারা আমার ঈমান বৃদ্ধি পাবে। মর্যাদা বুলন্দ হবে। ২. কেয়ামতের দিন আমার মুখমণ্ডল ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ উজ্জ্বল আলোকিত থাকবে। ৩. পানির ফোঁটার সাথে সাথে আমার গুনাহখাতাও ঝরে যাবে। ৪. ওজু ও ওজুর জিকিরের পর আমার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। ৫. প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় কাতর হয়েও, ওজুর অঙ্গগুলো ভাল করে ধৌত করলে, আমার দারাজাত-মর্যাদা বুলন্দ হবে। আমার গুনাহ মাফ হবে। ৬. ওজু অবস্থায় ঘুমুলে সারারাত ফিরিশতা আমার জন্য দোয়া করতে থাকবে। ৭. ওজুর মাধ্যমে আমি ঈমানের অর্ধেক বা একাংশ অর্জন করব। ৮. ওজু অবস্থায় ঘুমিয়ে রাতে জেগে উঠলে, আমি যা দোয়া করি, কবুল করা হবে (মুয়ায বিন জাবাল রা.। আবূ দাউদ ৫০৪২)। ৯. কনকনে শীত-ঠাণ্ডায় কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও মনের ওপর জোর খাটিয়ে ভাল করে ওজু করলে, আল্লাহর রাস্তায় রিবাতের সওয়াব পাওয়া যাবে। রিবাত, ইসলামী রাষ্ট্রের সীমান্ত পাহারা দেয়া। ২: সলাতের ইন্তেজারে সলাতের ইন্তেজার বা অপেক্ষায় বসে থাকার সময় নিয়ত রাখব, ১: আমি যতক্ষণ সলাতের অপেক্ষায় বসে থাকাবস্থায় আমি মূলত সলাতেই থাকব। সলাতের সওয়াব ও ফজীলত লাভ করতে থাকব। ২. আল্লাহ তাআলা আমার গুনাহখাতা মাফ করতে থাকবেন। আমার দারাজাত-মর্যাদা বুলন্দ করতে থাকবেন। ৩. আল্লাহর রাস্তায় রিবাতের সওয়াব পেতে থাকব। ৪. যেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনও ছায়া থাকবে না, সেদিন যারা আল্লাহ যাদের তার ছায়ায় আশ্রয় দিবেন, আমিও তাদের অন্তর্ভুক্ত হব। ৫. সলাতের অপেক্ষায় বসে থাকার চিত্র দেখিয়ে, আল্লাহ আমাকে নিয়ে ফিরিশতাদের সাথে গর্ব করবেন। ৩: সলাতে সলাতের উদ্দেশ্যে মসজিদে বা সলাতের নির্ধারিত স্থানে যাওয়ার সময় নিয়ত করব, ১: প্রতিটি কদমের আল্লাহ আমার দরজা-মর্যাদা বুলন্দ করছেন। প্রতিটি কদমে গুনাহ মাফ করছেন। সলাত আদায় করে ফেরার সময়ও একই নিয়ত করব। ২. এহরাম পরা হাজী সাহেবের মতো সওয়াব পেতে থাকব। ৩. মসজিদে যাওয়ার সময় যত বেশি কদম, ততবেশি আল্লাহর রাস্তায় রিবাতের সওয়াব পাব। ৪. আমি মসজিদে গেলে, পরম আকাঙ্খিত হারানো ব্যক্তি বা বস্ত ফিরে ফেলে মানুষ যেমন খুশি হয়, আল্লাহ তাআলাও আমাকে মসজিদে পেয়ে তেমন খুশি হবেন (আবূ হুরায়রা রা.। ইবনে মাজাহ ৮০০)।

❤ সম্পর্ক ভালো রাখার কিছু উপায় ❤ সম্পর্কে জড়ানোটা সহজ কিন্তু সেটি ভালো উপায়ে টিকিয়ে রাখাটা বেশ কঠিন। ছোটখাট বিষয়ে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যেতে পারে আবার ছোট ছোট বিষয় সম্পর্ককে চাঙ্গা করেও তুলতে পারে। আপনাকে শুধু জানতে হবে কোন বিষয়গুলো সম্পর্ককে ভালো রাখবে। তাহলেই দেখবেন জীবন কত সুন্দর হয়। আপনার সঙ্গী আপনার কথামত কিছু না করলে আপনি হয়তো তার ওপর খুবই বিরক্ত হন এবং তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। এর ফলে আপনাদের মধ্যে ঝগড়াও হয়ে থাকে। এখন থেকে এই কাজ আর করবেন না, যদি সম্পর্ক ভালো রাখতে চান। কোনো কিছু মনমতো না হলে ক্ষেপে না গিয়ে তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করুন, জানার চেষ্টা করুন কেন করা হয়নি। এমন আচরণ করলে সঙ্গী পরবর্তী সময়ে নিজেকে শুধরে নেবে আর আপনাদের সম্পর্কেরও অবনতি ঘটবে না। দুজনই কথা বলে জানার চেষ্টা করুন কেন আপনাদের মতের অমিল হয়। কোন বিষয়টিতে আপনারা দ্বিমত প্রকাশ করেন। যখনই বিষয়টি বেরিয়ে আসবে দেখবেন পরে আর আপনাদের মধ্যে মতের অমিল হবে না। দুজনই কী চান সেটি দুজনেরই কাছে প্রকাশ করুন। কখনো নিজের ইচ্ছেকে সঙ্গীর কাছে লুকিয়ে রাখবে না। দেখবেন সম্পর্কে তখন আর হতাশা কাজ করবে না। নেতিবাচকের থেকে বেশি ইতিবাচক হওয়ার চেষ্টা করুন। চাইলে সবকিছুতেই ভুল ধরা সম্ভব। কী লাভ বলুন ভুল ধরে? আপনি তো আর তাকে ছেড়ে চলে যাবেন না। অযথা সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হবে। তাই প্রতিটি জিনিসই ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করুন। নিজেরা সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। কাজ, প্রযুক্তি, আত্মীয়স্বজন সব কিছুর বাইরে নিজেরা কিছুটা সময় কাটান। এটা সম্পর্ককে মজবুত করতে সাহায্য করবে। সবসময় উপহার দেওয়ার জন্য উপলক্ষের প্রয়োজন হয় না। যেকোনো কারণেই উপহার দেওয়া যায়। সঙ্গীকে হঠাৎ করেই একটা উপহার দিয়ে চমকে দিন। দেখবেন সে কতটা খুশি হয়। এটা আপনাদের সম্পর্কে ভালো লাগা তৈরি করবে। সঙ্গীর প্রত্যেকটি কাজকে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করুন। তাঁর কষ্টকে মেনে নিতে শিখুন। তাঁর প্রশংসা করুন। দেখবেন, পরবর্তী সময়ে তিনি কাজের ক্ষেত্রে উৎসাহ পাবেন এবং আপনার প্রতি তাঁর বিশ্বাস তৈরি হবে। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - https://www.facebook.com/groups/149192167228573 #konna #relationship #life #travel #happy #lifestyle #goodway #humanbeing #angry #lifecircle

💖 যৌন মিলনের জন্য দিনের সেরা সময় 💖 বর্তমানে ব্যস্ত জীবনযাত্রায়, অনিয়মিত ডায়েট এবং স্ট্রেসের কারণে এটি খুবই সাধারণ একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু চিন্তার বিষয় হল, এই সমস্যা দিনে দিনে বাড়ছে। আর শারীরিক সম্পর্ক (যৌন সম্পর্ক) মোটেও হেলাফেলা করার মতো বিষয় নয়। রিডার্স ডায়জেস্ট-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুস্থ, স্বাভাবিক যৌন সম্পর্কের ফলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, মেদ কমে। শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে এর ফলে বাড়ে আয়ু। অনেক সময়ই দেখা গিয়েছে, বয়স একটু বেড়ে গেলেই যৌনতায় অনিচ্ছা চলে আসে বহু মানুষের। অনেক সময় তা থাইরয়েড বা ডায়াবেটিসের কারণেও হতে পারে। কিন্তু জানেন কি, সুস্থ যৌন মিলনের জন্য সবচেয়ে ভাল সময় কোনটি? হরমোন বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়টি হল দুপুর ৩টে। দিন ও রাতের বিভিন্ন সময়ে শরীরে হরমোনের মাত্রা বাড়ে-কমে। তাহলে দুপুর ৩টে নাগাদ কী এমন বিশেষ পরিবর্তন হয় আমাদের শরীরে, যে কারণে বিশেষজ্ঞরা এই সময়কে সুস্থ যৌন মিলনের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বলে মনে করেন? এ সময়ে মেয়েদের শরীরে কর্টিসল হরমোনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হয়। এতে তাদের শক্তি ও মনোযোগ বেশি থাকে। অন্যদিকে একই সময়ে পুরুষের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ বেশি থাকে, ফলে তারা যৌনতার সময়ে সঙ্গীর চাহিদা ও অনুভূতির প্রতি বেশি মনযোগী হয়ে থাকেন। ফলে এ সময় শারীরিক সম্পর্কের সুফল পান দু’জনেই। হরমোন বিশেষজ্ঞ এবং বিখ্যাত ‘ওম্যানকোড’ (WomanCode) বইয়ের লেখিকা এলিসা ভিটি (Alisa Vitti) জানান, সন্তুষ্টিজনক যৌনতার জন্য এমন উপায় বেছে নিতে হয় যাতে দু’জনেরই যৌন চাহিদা একই মাত্রায় থাকে। এই কারণেই বিকেল ৩টে নাগাদ যৌনতা সবচেয়ে বেশি সন্তুষ্টিজনক হয়। এলিসার মতে, যৌন জীবনে অনেক বড় ভূমিকা রাখে শরীরে বিভিন্ন হরমোনের উপস্থিতি। আমাদের অনুভূতির ওপরেও অনেকটা প্রভাব ফেলে এই হরমোন। এই সব কারণেই দুপুর ৩টে নাগাদ যৌনতার সূচনা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই বিশেষ উপকারী। সুস্থ যৌন মিলনের জন্য আরেকটি ভাল সময় হল সকালবেলা। এলিসা ভিটির মতে, ঘুমের মধ্যে পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে সকালে তারা যৌন মিলনের জন্য অনেক বেশি আগ্রহী থাকে এবং এর ফলে দুই পক্ষেরই যৌন সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায়। ইতালীয় একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সন্তান ধারণে ইচ্ছুক দম্পতিদের জন্যও সকালবেলা অত্যন্ত ভাল সময়। শুধু তাই নয়, সকালে শারীরিক সম্পর্কে জড়িত হলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - 🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰 #konna #কন্যা #sexeducation #sexed #sexy #love #sex #kad #lesbian #hotmodel #sexpositive #sexualhealth #k #n #tiktok #sn #b #porn #t #m #kiss #p #sexystyle #tesettur #girl #netflix #memes #selflove #follow #instagram