1 953
مشترکین
-124 ساعت
-67 روز
-1930 روز
آرشیو پست ها
1 953
৫. সর্বসাধারণ মানুষ, মধ্যবৃত্ত, Students সহ সবার জন্য টেলিটক সীম বেষ্ট কারন তাদের কল-রেট এবং জিবির দাম অনেক কম। 2G/3G নেটওয়ার্ক পেলে টেলিটক Use করতে পারেন মাস শেষে অনেক টাকা আপনার সাশ্রয় হবে।
এছাড়া দেশিয় প্রতিষ্ঠান Use করার ফলে দেশের টাকা দেশেই থাকলো, দেশিয় অপারেটর এগিয়ে গেলো, আপনার ও টাকা সাশ্রয় হলো।
💥মোবাইল এ এখন যেহেতু ২টা সীম Use করা যায়।
2nd Sim Teletalk Use পরতে পারেন সীম কিনে।
টেলিটক নেটওয়ার্ক কাভারেজ থাকলে আপনার পরিবার / বন্ধু/ আত্তীয়দের টেলিটক সীম নিতে সাজেস্ট করতে পারেন কল-রেট এবং জিবির দাম সহ সব কিছুর দাম যেহেতু কম অন্য অপারেটর থেকে।
MNP ও টেলিটক এ Free Teletalk Customer Care এ গিয়ে করতে হয়।
💥জেলা টেলিটক কাস্টমার কেয়ার Address + Number জানতে ০১৫০০১২১১২১ এ কল দিলে তারা বলে দিবে অথবা টেলিটক পেইজে মেসেজ দিলে তারা বলে দিবে। সেখান থেকে সীম নিতে পারবেন অথবা আপনার এরিয়া সব মোবাইল দোকানে খোজ করলে টেলিটক সীম পাবেন।
টেলিটক User বাড়লে টেলিটক রেভিনিউ আসবে তখন বিনিয়োগ বাড়বে তখন তারা নেটওয়ার্ক বাড়াবে আরো ভালো সেবা দিবে।
💥আপনার এলাকার নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকলে ১২১/০১৫০০১২১১২১ এ কল দিয়ে এরিয়া উল্লেখ করে অভিযোগ দিন তারপর BTRC ১০০ তে কল দিয়ে এরিয়া উল্লেখ করে অভিযোগ দিন ( Toll Free)।
যখন তারা বিনিয়োগ পাবে নেটওয়ার্ক কাভারেজ বাড়ানোর কাজ দরবে তখন অভিযোগ এরিয়া নেটওয়ার্ক সমস্যা সমাধান আগে কাজ হবে।
তাই আপনি অভিযোগ দিয়ে রাখলে আপনার মাধ্যমে আপনার এলাকায় User কারীর উপকার হবে।
💥কিছু এলাকায় 4G থেকে 3G Speed বেশি দেখলাম, তাই 4G Speed ভালো না পেলে Network Mode Only 3G করে Use করে দেখতে পারেন। 3G Speed বেশি পেলে 3G Use করিয়েন। 4G থেকে 3G Stable.
Peace ❤️
@collected
1 953
একজন মানুষ এর ১টা টেলিটক সীম থাকলে সে কয়েকটা সুবিধা নিতে পারবে যা সচারাচর অন্য কেউ পাবে না। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য সুবিধা হলো :-
১. কল-রেট অন্য অপারেটর থেকে অনেক কম। যেকোনো এমাউন্ট রিচাজে এসব কল-রেট অন্য অপারেটর দেয় না যে টেলিটক দেয়। মিনিট রেট এর মতো কল-রেট টাকা কাটে, তাই নিদিষ্ট মেয়াদে মিনিট কিনার প্রয়োজন হয় না। টাকা ঠুকিয়েে কথা বল্লেই হয়। কথা বলার জন্য 2G Network পেলেই যথেষ্ট!
*বণমালা/ আগামী ৪৫ পয়সা কল-রেট + ভ্যাট সহ ৬০ পয়সা কল-রেট ১ সেকেন্ড পালস যেকোনো এমাউন্ট রিচাজে সব সময়।
* স্বাগতম / শতবর্ষ / অপরাজিতা / মায়ের হাসি ৪৭ পয়সা কল-রেট + ভ্যাট সহ ৬৩ পয়সা কল-রেট যেকোনো এমাউন্ট রিচাজে সব সময়।
* স্বাধীন / Youth/ প্রজন্ম প্যাকেজে ৯০ পয়সা কল-রেট + ভ্যাট সহ ১ টাকা ২০ পয়সা পার মিনিট যেকোনো এমাউন্ট রিচাজে সব সময়।
কল রেট কময়ের জন্য স্বাধীন / Youth/প্রজন্ম প্যাকেজ পরিবর্তন করে শতবর্ষ / স্বাগতম এ যেতে হলে এ নিয়ম Folow করতে হবে :-
মাইগেট করতে ১ময়ে যেভাবে করবেন :-
আজকে Y3G লিখে 555 মেসেজ দিন।
২য় দিন DF লিখে 555 মেসেজ দিন।
৩য় দিন S100 লিখে 888 মেসেজ দিন। শতবর্ষ প্যাকেজে প্যাকেজ পরিবর্তন হবে।
স্বাগতম প্যাকেজে যেতে SAG লিখে 112 মেসেজ দিলে হবে।
এরপর ৫ম দিন ১২১/০১৫০০১২১১২১ এ কল দিয়ে জিগ্যেস করবেন আপনার নাম্বার প্যাকেজ পরিবর্তন হয়ে শতবর্ষ / স্বাগতম হয়েছে কি না যদি না হয় তাহলে তাদের বল্লে সিস্টেম থেকে তারা করে দিবে।
শতবর্ষ / স্বাগতম প্যাকেজে মাইগেট হলে ৪৭ পয়সা কল-রেট পাবেন সব সময়।
২. জিবির দাম অন্য অপারেটর থেকে অনেক কম।
কম দামে ভালো অফার গুলো হলো :-
💥
*১৭ টাকা রিচাজ এ ২ জিবি মেয়াদ ১৫ দিন। ( ১৬ দিন পর ১ বার নেওয়া যায়)
*২১ টাকা ১ জিবি মেয়াদ ৩ দিন। Code: *111*534#
* ৩৩ টাকায় ১ জিবি+ ২৫ Sms+ ২৫ মিনিট মেয়াদ ৩ দিন। My Teletalk apps থেকে নিতে হবে/ Recharge করতে হয়।
* ৪৪ টাকা ৩ জিবি মেয়াদ ৩ দিন। Code : *111*44#
* ৪ জিবি ৬৯ টাকা মেয়াদ ৭ দিন। Code: *111*66#
* ৯৭ টাকা ১২ জিবি মেয়াদ ৭ দিন। Code : *111*97#
* ১৪৯ টাকা রিচাজ এ ১০ জিবি মেয়াদ ৩০ দিন।
* ১৫৯ টাকায় ২৫ জিবি মেয়াদ ১৫ দিন( ২ বার নিলে ৩১৮ টাকা টাকায় ৫০ জিবি মেয়াদ ৩০ দিন) Code : *111*198#
* ২৮৩ টাকা ৩০ জিবি মেয়াদ ৩০ দিন। My Teletalk Apps থেকে নিতে হবে।
♥ ১২৭ টাকা ৬ জিবি মেয়াদ আনলিমিটেড Code: *111*127#
ও ৩০৯ টাকায় ২৬ জিবি মেয়াদ আনলিমিটেড। Code: *111*309#
এছাড়া My Teletalk apps Use করলে ভালো অফার দেখতে পারবেন।
৩. বণমালা/ আগামী টেলিটক এর Students package সীম। এ ২টা প্যাকেজে অন্য প্যাকেজ থেকে কল-রেট এবং জিবির দাম কম।
💥আগামী সীম নিতে হলে SSC A+ পেলে সীম নিতে পারবে সীম বিনামূল্যে Gift দেয় টেলিটক।
বণমালা সীম নিতে হলে SSC পাশ করলেই হয়। সীমের দাম ১০০ টাকা।
💥টেলিটক জেলা সদর কাস্টমার কেয়ার থেকে নিতে হয়।
সীম নিতে SSC Roll, Regestation number, Board, year, Number দিয়ে টেলিটক সীম দিয়ে আবেদন করতে হয় একটা Otp মেসেজ দিবে সেটা নিয়ে টেলিটক কাস্টমার কেয়ারে গেলে সীম দিয়ে দিবে।
আগামী নিতে SSC Admit Card/ SSC Markshit / সাটিফিকেট / রেজিষ্ট্রেশন কার্ড ফটোকপি নিতে হয় দেখে দিয়ে দিবে।
বণমালা নিতে Otp msg নিলে সীম দিয়ে দিবে।
💥 স্বাগতম সীম ১৫০ টাকা, অপরাজিতা ১০০ টাকা মেয়েদের জন্য, স্বাধীন ১৫০ টাকা। এসব প্যাকেজ Nid card দিয়ে সীম নিতে পারবে।
💥আগামী কয়েকটা স্পেশাল অফার থাকে :-
২৫ টাকা রিচাজ এ ২৫ মিনিট + 25 Sms + 50 Mb মেয়াদ ৩ দিন। ডেইলি ১ বার নেওয়া যাবে।
মিনিট, Sms Teletalk To Teletalk ব্যাবহার করা যাবে।
এছাড়া ১৯ টাকা ১ জিবি মেয়াদ ৩ দিন, ২৩ টাকা ১ জিবি মেয়াদ ৭ দিন নেওয়া যাবে। আরো ভালো অফার আছে নেওয়া যাবে।
💥বণমালা : ৩০ টাকা রিচাজ এ ৩০ মিনিট+ 30 Sms+ 60 Mb মেয়াদ ৩ দিন। ৩ দিন পর ১ বার নেওয়া যাবে মাসে ১০ বার নিতে পারবে।
মিনিট, SMS Teletalk To Teletalk Use করা যাবে।
এছাড়া ২৪ টাকা ১ জিবি মেয়াদ ৭ দিন। সহ আরো ভালো অফার আছে নেওয়া যাবে।
৪. স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন সহ সরকারি চাকরী আবেদন পেমেন্ট / বিভিন্ন চাকরী আবেদন টাকা টেলিটক সীম দিয়ে দিতে হয়। কম্পিউটার দোকানে আবেদন করে পেমেন্ট দিলে তাদের বাড়তি ১০০-২০০ টাকা দেওয়া লাগে। কিন্তু আপনার কাছে টেলিটক সীম থাকলে নিজেই আবেদন করে চাকরি পেমেন্ট দিতে পারবেন টেলিটক সীম দিয়ে এতে আপনার বাড়তি ১০০-২০০ টাকা করে বাঁচবে একটা চাকরী আবেদন এ বা একটা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন এ। ভেবে দেখেন আপনি অনেক গুলো আবেদন করলে আপনার কতো টাকা বাড়তি দেওয়া লাগতাছে?
💥টেলিটক সীম দিয়ে আবেদন কি করে করবেন তা চাকরী বিজ্ঞপ্তি, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তি তে দেওয়া থাকে।
এছাড়া YouTube এ Search দিলে টেলিটক সীম দিয়ে স্কুল, কলেজ, বিশ্বিবদ্যালয়, চাকরী আবেদন কি করে করবো Search দিলে Video অনেক পাবেন টেলিটক সীম দিয়ে কি করে আবেদন করবেন। Video পেয়ে যাবেন।
1 953
লুমাযাহ কারা? (সুরা হুমাযাহ):
কর্মক্ষেত্রে বা পারিবারিক বা বন্ধু মহলে আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, "আমি উচিৎ কথা বলতে কাউকে ছাড়ি না।আমি উচিৎ কথা মুখের উপর বলে দেই। আমি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড! যা মনে আসে তাই বলি।"
সব মহলে ঠোটকাটা স্বভাবের হিসেবে আপনি পরিচিত! সবাইকে একদম সামনেই ধুয়ে দেন এবং এটা নিয়ে আপনি বেশ গর্বও করেন! ইসলাম ধর্মে এটাকেই "লুমাযাহ" বলা হয়।
আল্লহ্ এই মানুষদেরকে পরিবর্তন হতে বলেছেন সূরা হুমাজাহ তে। নয়তো তাদের জন্য অনিবার্য ধ্বংসের সতর্ক বাণী দিয়েছেন। আল্লাহ তাদের প্রতি কঠোর লানত করেছেন।
আসুন, আমরা একটু নরম হই, একটু সহনশীল হই, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করি। মনে রাখবেন- আল্লাহ যাকে নম্রতা দিয়েছেন, তিনি দুনিয়ার সেরা নিয়ামাহ পেয়ে গেছেন। হয়তো আমিও লুমাজার অন্তর্ভুক্ত, তবে চেষ্টা করছি নিজেকে বাঁচাতে। আল্লাহ তৌফিক দান করুন।
@collected
1 953
মিলনের চারটি পর্যায় থাকে-
১. রোমান্টিকতা
২. ফোরপ্লে
৩. মিলন
৪. আফটার প্লে বা পরিসমাপ্তি
মিলন ব্যতীত বাকি তিনটিই বেশ অবহেলিত!
#DrSRKhan
1 953
প্রথম যেদিন মাসিক হয় সেই তারিখটা ক্যালেন্ডারে দাগ দিয়ে রাখবেন। মাসিক কবে শেষ হল সেটা দাগানোর প্রয়োজন নেই। এর পরে আবার যেদিন মাসিক শুরু হবে, ক্যালেন্ডারে সেই তারিখটা দাগ দিবেন। এই দুইটা তারিখের মধ্যে যত দিনের পার্থক্য, সেটা আপনার মাসিকের সাইকেলের দৈর্ঘ্য।
মাসিকের সাইকেল হিসাব করার সময় সাধারণত ২টা ভুল দেখা যায়। মাসিক শেষ হওয়ার দিন থেকে অনেকে গোনা শুরু করেন। কিন্তু হিসাব করতে হবে যেদিন মাসিক শুরু হল সেই দিন থেকে। তারপর অনেকে পরের মাসিক শুরু হওয়ার দিনটাও গোনে। পরের মাসিক যেদিন শুরু হল, সেদিন থেকে নতুন সাইকেলের হিসাব করতে হবে।
ধরেন আপনার মাসিক শুরু হল ১ তারিখ, তারপর আবার মাসিক হল সেই মাসেরই ২৯ তারিখ। তাহলে ১ তারিখ থেকে সাইকেল শুরু হয়েছে, ২৮ তারিখে শেষ, ২৯ এ আবার নতুন সাইকেল শুরু। তাহলে এবার আপনার সাইকেল ছিল ২৮ দিনের।
👩⚕️ ডাঃ জয়শ্রী সাহা
🔸 সহযোগী অধ্যাপক
🔸 স্ত্রীরোগ ও প্রসৃতিবিদ্যা বিভাগ
🔸 পপুলার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
🏥 চেম্বারঃ পপুলার কনসালটেশন সেন্টার-৩ (ভবন-৬)
♦ রুম ন-৩১২ (লেভেল-৩), বাড়ী-৮, রোড-২, ধানমন্ডি, ঢাকা।
⌚ রোগী দেখার সময়ঃ শনি থেকে বৃহস্পতিবার (বিকাল ৪টা - রাত ৯টা পর্যন্ত)
📞 চেম্বার এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য কল করুন ০১৭৮৬৫৫৫৪৯৯
1 953
🚩🚩বিকেলের নাস্তায় কি খাবো??🚩🚩
দুপুর এবং রাতের খাবারের সময়ের মধ্যে ব্যবধান খানিকটা বেশি। এর মধ্যে একবার হলেও স্বাস্থ্যকর নাস্তা খাওয়া উচিত। কিন্তু বিকেলের ক্ষুধা নিবারণের জন্য কি খাবেন, সেটা নিয়ে অনেক স্বাস্থ্য সচেতনরাই দুশ্চিন্তায় পরে যান।বিকেলের নাস্তা যত স্বাস্থ্যকর হবে রাতের খাবারের পরিমাণ ততই কমাতে সক্ষম হবেন।
চলুন জানি কিছু স্বাস্থ্যকর নাস্তার উদাহরণঃ-
✅সালাদ: যে কোনো ফল নিয়ে পানি ঝরানো টক দই, চাট মশলা, লবণ-মরিচ মিশিয়ে খেতে বেশ লাগে। ডিম সেদ্ধ, শসা, টমেটো,লবণ-মরিচ-লেবুর রস মিশিয়ে বানানো যায় এগ সালাদ। ডিম বাদ দিয়ে চিনেবাদাম ভাজা বা ছোলা সেদ্ধ মেশালেও চমৎকার লাগবে খেতে। বেশ কয়েক রকম তাজা ফলের কুচি আর সামান্য চাটমশলা দিয়ে ফ্রুট সালাদ বানাতে পারেন।
✅আস্ত ফল: বিকেলের নাস্তায় আরেকটি আদর্শ খাবার হতে পারে ফল। কলা বা পেয়ারা বা আপেল বা শসা সুন্দর করে কেটে নিন। যেকোনো আস্ত ফলও খেতে পারেন। পেট ভরার পাশাপাশি শরীর পুষ্টিও পাবে সমানভাবে।
✅ড্রাই ফ্রুটস: বাদাম আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। আখরোট, আমন্ড, সূর্যমুখির বীজ আর ফ্ল্যাক্স সিড শুকনো তাওয়ায় ভেজে নিন। ঠান্ডা করুন বিকেলে ক্ষুধা পেলে এক মুঠো খেলেই পেট ভরে যাবে।
✅ভুট্টা/ছোলা: সামান্য লবণ-মরিচ-ধনেপাতা-লেবুর রস দিয়ে যদি ভুট্টা বা ছোলা সেদ্ধ মেখে নিলে, তাহলে দারুণ স্বাদ হবে। পেট আর মন, দুটিই ভরবে!
➡️➡️➡️➡️➡️➡️
পুষ্টিবিদ নাহিদা আহমেদ
বি.এস.সি,এম.এস (খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান)
এমপিএইচ(পাবলিক হেল্থ নিউট্রিশন),সিএনডি
স্পেশাল ট্রেনিং ইন নিউট্রশন (ইন্ডিয়া)।
🚩🚩🚩🚩🚩
আমি 20 Minute Medical এ নিয়মিত রোগী দেখছি,পরামর্শ দিবো এবং হেলথ এওয়ারনেস প্রোগ্রামের কোর্স ইন্সট্রাক্টর হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছি।
1 953
যাদের বয়স চল্লিশ
--------------------------
সূরা আহকাফে এসেছে- وَ بَلَغَ اَرۡبَعِیۡنَ سَنَۃً - "এবং চল্লিশ বছরে উপনীত হয়..." (৪৬:১৫)
চল্লিশ বছর বয়স পরিপক্ক হওয়ার বয়স। এটা আপনার জীবনের একেবারে মাঝখানের বয়স। এ বয়স নিয়ে আধুনিক সমাজে আমরা একটা পরিভাষা ব্যবহার করি— "মিড লাইফ ক্রাইসিস বা মধ্য বয়সের সঙ্কট"। কারণ, নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে আপনি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছেন। তাই, তারা এটাকে একটা সঙ্কট মনে করে।
কিন্তু ইসলামের ক্ষেত্রে— এ বয়সে উপনীত হওয়ার পর আপনি উপলব্ধি করতে পারেন, আমার জীবনের অর্ধেকটা সময় ইতোমধ্যে পার হয়ে গেছে। অতীতের দিকে তাকিয়ে আমার কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত। এখন, নিজের ভবিষ্যতের দিকে না তাকিয়ে আমার ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হবে। ঠিক এ ব্যাপারটাই আলোচ্য আয়াতে তুলে ধরা হয়েছে।
উক্ত ব্যক্তি তখন বলে- رَبِّ اَوۡزِعۡنِیۡۤ اَنۡ اَشۡکُرَ نِعۡمَتَکَ الَّتِیۡۤ اَنۡعَمۡتَ عَلَیَّ وَ عَلٰی وَالِدَیَّ - "হে আমার প্রতিপালক! আপনি আমাকে আর আমার পিতা-মাতাকে যে নেয়ামত দান করেছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার শক্তি আমাকে দান করুন..."
ইয়া রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ দান করেছেন এবং আমার পিতা-মাতার প্রতি যে কল্যাণ দান করেছেন তার জন্য আমি আপনার নিকট চরম কৃতজ্ঞ।
আমাদের বয়স যখন চল্লিশ আমাদের পিতা-মাতাদের তখন বয়োবৃদ্ধ হয়ে পড়ার কথা। আল্লাহ এখানে আমাদেরকে নিজেদের জন্য এবং পিতা-মাতার জন্য দুআ করা শিক্ষা দিচ্ছেন। আয়াতের এই অংশটুকু আমাদের জীবনের অতীত নিয়ে।
এরপর এসেছে ভবিষ্যতের কথা- وَ اَنۡ اَعۡمَلَ صَالِحًا تَرۡضٰهُ - "আর আমাকে এমন সৎকর্ম করার সামর্থ দিন যাতে আপনি সন্তুষ্ট হোন।"
এখন মৃত্যু যেহেতু খুবই কাছে, ইয়া আল্লাহ! আমাকে এমনসব সৎকাজ করার তৌফিক দান করুন যাতে আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যান। وَ اَصۡلِحۡ لِیۡ فِیۡ ذُرِّیَّتِیۡ - "আমার সন্তানদেরকে সৎকর্মপরায়ণ করে আমার প্রতি অনুগ্রহ করুন"
আমি আমার সন্তানদের এবং তাদের পরবর্তী বংশধরদের জন্য দুআ করছি। আমার জন্য তাদেরকে সৎকর্মপরায়ণ করুন। আমি তাদের কারণে তাদের জন্য উদ্বিগ্ন নই। কারণ, আমি জানি বিচার দিবসে যখন আমি আল্লাহর সামনে দাঁড়াবো তখন আমাকে জিজ্ঞেস করা হবে— তোমার সন্তানদের কিভাবে বড় করেছো?
যদি এই কাজ আমি ঠিকভাবে সম্পাদন করতে না পারি, তখন তারাও তাদের সন্তানদের সঠিক উপায়ে বড় করবে না। এভাবে ক্রমান্বয়ে পরিস্থিতি শুধু খারাপ হবে। ক্ষতিটা শুরু হবে আমাকে দিয়ে। তাই, আমার জন্য তাদেরকে সৎকর্মপরায়ণ করে দিন। ۚؕ اِنِّیۡ تُبۡتُ اِلَیۡکَ - "আমি অনুশোচনাভরে আপনার দিকে ফিরে আসছি।" وَ اِنِّیۡ مِنَ الۡمُسۡلِمِیۡنَ - "এবং নিশ্চয় আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।"
এর পরের আয়াতে আল্লাহ বলেন- اُولٰٓئِکَ الَّذِیۡنَ نَتَقَبَّلُ عَنۡهُمۡ اَحۡسَنَ مَا عَمِلُوۡا وَ نَتَجَاوَزُ عَنۡ سَیِّاٰتِهِمۡ فِیۡۤ اَصۡحٰبِ الۡجَنَّۃِ ؕ وَعۡدَ الصِّدۡقِ الَّذِیۡ کَانُوۡا یُوۡعَدُوۡنَ - "এরাই, যাদের উৎকৃষ্ট আমলগুলো আমি কবুল করি এবং তাদের মন্দ কাজগুলো ক্ষমা করে দেই। তারা জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। তাদেরকে যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা সত্য ওয়াদা। "
[দুয়াটা মুখস্ত করতে পারেন- رَبِّ اَوۡزِعۡنِیۡۤ اَنۡ اَشۡکُرَ نِعۡمَتَکَ الَّتِیۡۤ اَنۡعَمۡتَ عَلَیَّ وَ عَلٰی وَالِدَیَّ وَ اَنۡ اَعۡمَلَ صَالِحًا تَرۡضٰهُ وَ اَصۡلِحۡ لِیۡ فِیۡ ذُرِّیَّتِیۡ ۚؕ اِنِّیۡ تُبۡتُ اِلَیۡکَ وَ اِنِّیۡ مِنَ الۡمُسۡلِمِیۡنَ - হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমাকে আর আমার পিতা-মাতাকে যে নিয়ামাত দান করেছ তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার শক্তি আমাকে দান কর, আর আমাকে এমন সৎকর্ম করার সামর্থ দাও যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, আমার সন্তানদেরকে সৎকর্মপরায়ণ করে আমার প্রতি অনুগ্রহ কর, আমি অনুশোচনাভরে তোমার দিকে ফিরে আসছি, আর আমি অনুগত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। (৪৬:১৫) ]
1 953
FEW RULES TO TEACH YOUR KIDS-
১. বসে থেকে হ্যান্ডশেক করতে হয় না।
২. দর কষাকষিতে কখনোই প্রথমে প্রস্তাব দিবে না।
৩. একজন মেয়েকে বিয়ে করছ মানে তাঁর পরিবারকেও বিয়ে করছ- পরে ভুলে যেও না।
৪. হাসের মতো হও। ভেসে থাকা উপরের অংশ শান্ত রেখো, কিন্তু জলের নিচে খুব দ্রুত পা চালিয়ে যেও।
৫. একা একা ঘুরে বেড়ালে নিজেকে খুঁজে পাওয়া যায়।
৬. সবচাইতে যোগ্য মেয়েটিকে প্রস্তাব দিতে ভয় পেও না।
৭. মৃত্যুর পরে তোমাকে নিয়ে কী কী বললে তোমার ভালো লাগবে সেটা ভাবো। বেচে থাকতে সেরকম হওয়ার চেষ্টা করো।
৮. কারো উপর রেগে গেলে সেটা নিয়ে একটি কড়া ইমেল লেখো। তারপর ইমেলটি ডিলিট করে দিও।
৯. শুধু বিনয় দেখাবে না। বিনয় ও আত্মবিশ্বাস একসাথে দেখাবে।
১০. কৃতিত্ব অন্যকে দাও, ব্যর্থতার দায়ভার নিজের জন্য রাখো।
১১. উপকার করার অভ্যাস করো, উপকার করার নেশা করো না।
১২. মিথ্যা বলা আর চাপা মা'রা দুটো ভিন্ন জিনিস।
১৩. রেপুটেশন তোমার দূর্গ, যে কোনো মূল্যে রক্ষা করো।
১৪. ম্যানার্স মেইকস এ ম্যান।
১৫. দুর্বলকে রক্ষা করো, দুর্বলের সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলো না।
১৬. টাকা উপার্জন হয়তো কঠিন, সম্মান অর্জন সহজ। তাই কখনো ছ্যাচড়ামি করো না।
(সংগৃহীত)
1 953
পুরুষ - নিজের খেয়াল রাখুন
.
✅একটি লো ফ্যাট ডায়েট বেছে নিন
✅তেল চর্বি এড়িয়ে চলুন , সর্বনিম্ন যতটুকু চর্বি নিবেন তা প্রাণিজ চর্বি বাদ দিয়ে উদ্ভিজ্জ চর্বি গ্রহণ করুন।
✅বেশি বেশি সিজনাল ফল এবং সবজি খান
✅মাংস / গোস্ত বাদ দিয়ে তৈলাক্ত মাছ খান। সামুদ্রিক মাছ বেশি উপকারী।
✅চিনি ছাড়া সবুজ চা পান করুন প্রতিদিন
✅মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস থাকলে বর্জন করুন।
✅স্বাস্থ্যসম্মত ওজন ঠিক রাখুন।
✅প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। সহজ ব্যায়াম প্রতিদিন ৩০ মিনিট জগিং করা।
✅ আনন্দে থাকুন , টেনশন মুক্ত থাকার জন্য রিলাক্সেশন এক্সারসাইজ উপকারী।
@Dr. Faizul Haq
1 953
সতী-পর্দা (H-ymen)
নারীর যোনি-পথ যে পাতলা আবরণ দ্বারা আবৃত থাকে মূলত সেটাই সতী পর্দা হিসাবে বিবেচিত।
মাসিকের রক্ত যাওয়ার জন্য এই পর্দার মাঝখানে ছোট একটা ছিদ্র থাকে।
ছিদ্র ছোট বড় গোলাকার, অর্ধাচন্দ্রাকার হয়ে থাকে।
প্রথম মিলনে বা নারীর হস্ত-মৈথুনে বা অন্যকিছু কারনে এই পর্দা ছিড়ে যায়।
প্রথম মিলনে নারীর যো-নিপথের পর্দা ছেদ কে অনেকেই সতী-চ্ছদ বলে মনে করে।
আবার কিছু কিছু বিরল ক্ষেত্রে নারীর এই পর্দা শক্ত,অক্ষত থাকে ফলে পুরুষ মিলন করতে পারেনা।
অনেক সময় সার্জারি করে ছিদ্র বড় করতে হয়।
লিঙ্গের শীতলতার জন্য ও পর্দা ছেদেও সমস্যা দেখা যায়।
অনেক নারী ই বিয়ের আগে অবাধ মেলামেশা করে ভবিষ্যত স্বামীর আমানত কে চরমভাবে নষ্ট করে দিছে।
যেটাকে কুমারীত্ব হারানো বলে আর বর্তমানে এটা চরমভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অনেক পুরুষ ই বাসর রাতে সতী-ত্ব নিয়ে চরম গবেষণা করে, নেতিবাচক ফল দেখে হতাশ হয়ে যায়, কেউ কেউ বিবাহ বিচ্ছেদ ও করে ফেলে।
অনেক নির্দোষ নারীও মিথ্যা অপবাদের শিকার হয় যদিও তারা বিয়ের আগে কোন পুরুষের সংস্পর্শ পায়নি।আবার অনেক নারীই বিয়ের আগে কুমা-রীত্ব নষ্ট করে দিব্যি সংসার করে যাচ্ছে সহজ সরল স্বামী কিছুই বুঝে না। আবার অনেক স্বামী বুঝেও না বুঝের ভান করে।
নারীর প্রথম মিলনে রক্তপাত হতেও পারে নাও পারে।
যাদের মিলনে রক্তপাত হয় অন্তত স্বামীর এদিক থেকে মাথা ব্যথা কমে যায়। নারীর উচিত স্বামীর জন্য শতভাগ নিজের আমানত কে সুরক্ষিত রাখা। স্বামীদের ও উচিত বিয়ের আগে পরনারীর সাথে অবাধ মেলামেশা থেকে দূরে থাকা।
আল্লাহ সহজ করুন
আমিন।
#DrSRKhan
1 953
বিছানায় শুয়ে মাত্র ২ মিনিটেই ঘুম "মিলিটারি স্লিপ মেথড" ঘুম আসবে মাত্র ২ মিনিটেই
মিলিটারি মেথড জানলে দু’মিনিটে ঘুমিয়ে পড়তে পারবেন। ‘রিলাক্স অ্যান্ড উইন: চ্যাম্পিয়নশিপ পারফরম্যান্স’ নামক একটি বইতে দু’মিনিটে ঘুম আসার এই পদ্ধতির উল্লেখ রয়েছে। মূলত সেনাবাহিনীর কর্মীদের জন্য এই পন্থার উদ্ভব হয়। ইউনাইটেড স্টেটস নেভি প্রি-ফ্লাইট স্কুল সেনাকর্মীদের জন্য একটি রুটিন তৈরি করে যা মেনে চলার পর সেনাকর্মীরা দু’মিনিট বা তারও কম সময়ে ঘুমিয়ে পড়তে শুরু করেন। কয়েক সপ্তাহ প্র্যাক্টিসের পর এমনটা সম্ভব হয়। এই মেথড মেনে চললে কফিই হোক বা গুলির তীব্র শব্দ কোনও কিছুই তাঁদের ঘুম আসায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারবে না।
Military Sleep Method
মার্কিন সেনার কৌশলে শরীরকে পরিমিত আরাম, শ্বাসপ্রশ্বাস ঠিক রাখা ও কল্পনার ক্ষমতার উপরে জোর দেওয়া হয়। প্রথমে বিছানার শুয়ে পড়ুন।
চোখ বন্ধ করে মুখ শিথিল করুন। মুখে কোনও রকম পেশি যেন সংকুচিত না হয় সেই দিকে নজর রাখুন।
টেনশনমুক্ত হোন। ঘাড় ও কাঁধ শিথিল করুন। অনুভব করুন বিছানায় ডুবে যাচ্ছেন আপনি। তারপর আপনার ডান হাতের উপরের অংশ থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে আপনার বাইসেপ, বাহু এবং হাতের আঙ্গুলগুলো শিথিল করুন। বাম হাতেও একই পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করুন। শিথিল প্রক্রিয়া চলাকালে গভীরভাবে শ্বাস নিতে ভুলবেন না।
গভীর ভাবে শ্বাস নিন। ৪-৭-৮ পদ্ধতি মেনে চলুন অর্থাৎ ৪ সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিন, ৭ সেকেন্ড ধরে রাখুন আর ৮ সেকেন্ড ধরে নিশ্বাস ছাড়ুন।
এ বার পায়ের পেশিগুলো শিথিল করুন।
এবার নীল আকাশের নীচে একটা বড় ঝিলে ভাসমান নৌকোয় শুয়ে আছেন আপনি। অথবা বন্ধ ঘরে দোলনায় ঝুলছেন। ইমাজিন করুন।
তখনও ঘুম না এলে ১০ সেকেন্ড ধরে ‘চিন্তা করব না’ কথাটি আওড়াতে থাকুন। ১০ সেকেন্ড পর পর নিজেকে বলুন "কিছুই চিন্তা করা যাবে না" এটা করতে থাকলে আপনি কোনো কিছু নিয়েই বেশিক্ষণ চিন্তা করতে পারবেন না। আপনার মস্তিষ্ক একসময় হাল ছেড়ে দিবে।
মনে রাখবেন, অনুশীলনের উপর নির্ভর করে এই পদ্ধতি।
দ্রুত ঘুমানোর চেষ্টা করুন বা করুন, শরীর শিথিল না হলে আপনি এমনিতেও ঘুমাতে পারবেন না। ঘুমানোর জন্য শরীর শিথিল ও মন চিন্তামুক্ত হওয়াটা জরুরী।
কৌশল কতটা কার্যকর - শুরুতে এই কৌশলে হয়তো সফল হবেন না। নবম দিনে আপনার শরীর অভ্যস্ত হয়ে উঠবে। এতটাই নিজেকে ক্লান্ত অনুভব করবেন যে ঘুম আসতে বাধ্য।
সূত্র: ইঙ্ক
1 953
আজকে গোসল করেছেন? শীতকালে নিয়মিত গোসলের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু? কতদিন পর পর গোসল করা স্বাস্থ্যকর?
শরীর পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি শরীরের ময়লা ও দুর্গন্ধ দূর করার জন্য মানুষ নিয়মিত গোসল করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই নিয়মিত গোসল করার প্রচলন আছে। তবে ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ঘনঘন গোসল করার প্রয়োজন নেই।
গোসল করলে ত্বক পরিষ্কার হয়, মৃত কোষ, ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। তাছাড়া গোসল করলে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়, ক্লান্তি দূর হয়, ইমিউন ফাংশন উন্নত হয়। স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর ত্বকে নির্দিষ্ট স্তরের তেল, ভালো ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য মাইক্রো অরগার্নিজমের ভারসাম্য থাকে। গোসল করার ফলে শরীর থেকে উপকারী ব্যাকটেরিয়া ও তেল অপসারণ হয়ে যায়, বিশেষত গোসলের পানি যদি গরম থাকে। এর ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়, চুলকানি দেখা দেয়। শুষ্ক, ফাটা ত্বকে ব্যাকটেরিয়া ও অ্যালার্জেন এর সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে ত্বকে ইনফেকশন দেখা দেয়।
গোসল করার জন্য ব্যবহৃত সাবান মূলত তেল বা চর্বি ও অ্যালকালাইন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। সাবান ত্বক থেকে সব ধরনের তৈলাক্ত পদার্থ, ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয়। এর ফলে ত্বকে অনুজীবের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়৷ আমাদের ইমিউন সিস্টেম প্রতিরক্ষামূলক অ্যান্টিবডি ও ইমিউন মেমরি তৈরির জন্য কিছু অনুজীব ও ত্বকের ময়লার সাহায্য নেয়। বার বার গোসল করলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। তাছাড়া আমরা নিয়মিত যে পানি দিয়ে গোসল করি তাতে লবণ, ভারী ধাতু, ক্লোরিন, ফ্লোরাইড ও অন্যান্য রাসায়নিক থাকে যা ত্বকে নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
শীতকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করার ভয়ে অনেকে নিয়মিত গরম পানি দিয়ে গোসল করেন। সবান ও গরম পানি দিয়ে গোসল করার ফলে ত্বকের বাইরের অংশে থাকা ফ্যাটি এসিড স্তর ও সেবাম (তেল) এর স্তর নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে শীতকালে ত্বক ফেটে যায়, খুশকি উঠে। তবে যেসব মানুষ বাহিরের পরিবেশে কাজ করেন তাদের দেহ প্রতিনিয়ত ধুলাবালি, ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে আসে, ঘাম হয়। এর জন্য তাদের নিয়মিত গোসল করা অনিবার্য। অনেক দিন গোসল না করলে দেহ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায়। পাশাপাশি তেল, ঘাম ও মৃতকোষ দিয়ে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে মুখে ব্রণ দেখা দেয়। শীতের ভয়ে অনেকে কয়েক মাস গোসল না করে থাকার চিন্তা করেন। এর ফলে Dermatitis Neglecta (DN) হতে পারে। ডিএন হলে ত্বকে মৃত কোষ, তেল, ঘাম এর বাদামী স্তর তৈরি হয় যা দূর করতে পরবর্তীতে বেশ খাটনি পোহাতে হয়। science bee
পরিশেষে বলা যায়, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য নিয়মত গোসল করলে বরং হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই একদিন পর পর বা শরীর খুব বেশি নোংরা না হলে সপ্তাহে একবার বা দুইবার গোসল করলেই চলে।
#science_bee #বিজ্ঞান #স্বাস্থ্য #গোসল #bangladesh #image
1 953
দাম্পত্য জীবনে সঙ্গীর সঙ্গে মিলন খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার! তবে যখন তখন নয়, মিলনের একটি উপযুক্ত সময়ও আছে। হয়তো ভাবছেন মিলনের জন্যে সঠিক সময় রাত। কিন্তু এই ধারণাও আপনার ভুল কারণ, মিলনের জন্য সঠিক সময় একেবারে ভোররাত।
ঠিক যখন সাধারণত আপনি হাঁটাহাঁটি কিংবা যোগব্যায়াম শুরু করার পরিকল্পনা করেন অর্থাৎ ভোর ৫টা ৪৮ মিনিট। গবেষকদের মতে, এটিই সঙ্গমের সবচেয়ে উত্তম সময়। এই সময় ‘অর্গাজম’ হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।
এছাড়া এসময় নারী এবং পুরুষ উভয়েরই টেস্টোস্টেরনের মাত্রা থাকে তুঙ্গে, যা যৌনমিলনের পূর্বশর্ত। সেক্স থেরাপিস্ট জেরাল্ডিন মায়ারসের মতে, ‘এই সময় উভয়ের কর্মশক্তির মাত্রাও থাকে সর্বোচ্চ। মানসিকভাবে, এই সময় জীবনের চাহিদাগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা কম থাকে বলে এটি মিলনের যথাযথ সময়।’
সূর্যের আলো মস্তিষ্কের হরমোন নিয়ন্ত্রণকারী অংশ ‘হাইপোথ্যালামাস’কে উদ্দীপ্ত করে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ায়। গবেষকরা বলেন, ‘আমাদের বডি-ক্লক ‘সার্কাডয়ান রাইমস’ নামক জৈবিক প্রক্রিয়া পরিচালনা করে যা আমাদের মানসিকতা এবং কর্মশক্তির মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে।’ এমনকি একজন পুরুষ ঘুম থেকে জেগে ওঠার আগ থেকেই তার টেস্টোস্টেরনের মাত্রা তুঙ্গে থাকে। দিনের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শতকরা ২৫ থেকে ৫০ ভাগ বেশি।
এই বর্ধিত টেস্টোস্টেরন মাত্রার কারণে বেশিরভাগ পুরুষেরই সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার যৌনাঙ্গ উত্থিত অবস্থায় ঘুম ভাঙতে পারে।’ দিন গড়ানোর সঙ্গে ধীরভাবে পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন তৈরি হতে থাকবে। কারণ মাংসপেশী গঠন এবং শুক্রাণু তৈরিতেও এই হরমোন প্রয়োজন হয়।
এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন -
https://www.facebook.com/groups/149192167228573
#konna #কন্যা #sexeducation #sexed #sexy #love #sex #kad #lesbian #hotmodel #sexpositive #sexualhealth #k #n #tiktok #sn #b #porn #t #m #kiss #p #sexystyle #tesettur #girl #netflix #memes #selflove #follow #instagram
1 953
ঘুম...
শত শত রিসার্চ আর্টিকেল আছে, যেখানে ঘুম কি, ঘুম কম হলে কি হয়, ঘুমের সাথে যে আমাদের লাইফস্প্যান জড়িত, সেসব নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। আমরা সবাই রাতে ভাল ঘুমাতে চাই, কিন্তু এটা করাটা আজকের এই সোশাল মিডিয়া আর নোটিফিকেশানের যুগে বেশ বিরল। একটা ভালো ঘুম আপনার মন কে সতেজ করতে পারে, আপনার কাজের মোটিভেশান বাড়াতে পারে, আপনার সারাটা দিন, আপনাকে প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করতে পারে...
কিভাবে আমরা ঘুমকে ভালো করতে পারি? কিছু টিপস!
প্রতিদিন, একটা নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করা। যেমন, রাত ১০ টা বাজলেই, ফোন সাইলেন্ট করে, বিছানায় চলে যাওয়া। এবং, সকালে একই সময়ে ঘুম থেকে উঠা। অন্তত ৬-৮ ঘন্টা প্রতি রাতে টানা ঘুমানোর চেষ্টা করা।
নিশ্চিত করুন, যে, আপনার বেডরুমটি শান্ত, অন্ধকার, আরামদায়ক এবং কমফোর্টেবল তাপমাত্রায় থাকে।
বেডরুম থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেমন টিভি, কম্পিউটার এবং স্মার্ট ফোনগুলি সরান।
শোবার আগে ভারি খাবার, এবং ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন। আমাদের বাংলাদেশের সবচে বাজে অভ্যাস, রাত ১০ টায় ডিনার করা। এটা ঘুমের সমস্যার অন্যতম কারন বলে আমার মনে হয়। ম্যাক্সিমাম রাত ৮ টার মধ্যে খাওয়া শেষ করুন। খাওয়া এবং বিছানায় যাওয়ার মাঝে, অন্তত ২ ঘন্টার গ্যাপ দিন। ঘুমানোর আগে আগে, পানিও বেশি খাবেন না। খেলে, রাতে বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘুম ভেঙ্গে যাবে!
শারিরিক ভাবে এক্টিভ থাকুন। দিনের বেলা, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা, আপনাকে রাতে আরও সহজে ঘুমাতে সাহায্য করতে পারে।
নিচের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, ২ টা হরমনের কথা বলা আছে। নরমালি, রক্ত পরিক্ষার মাধ্যমে, তাদের পরিমান মাপা যায়। তাদের রক্তের লেভেল, আমাদের ব্রেইনের কিছু স্পেসিফিক যায়গা থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়(ছবিতে দেয়া আছে)।
মোটামুটি এই দুই হরমোনের আপ-ডাউনের মাধ্যমে আমাদের ঘুম নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় এইযে উঠা নামা, এটাকেই সারকেডিয়ান রিদম (Circadian Rhythm) বলে। শুধুমাত্র এই দুটি হরমোনই নয়, আমাদের শরীরের আরো হাজারো প্রক্রিয়া, এই সারকেডিয়ান রিদম দ্বারা পরিচালিত হয়। সেটা আরও অনেক ডিপ ব্যপার! পরে কোন একদিন ওই ব্যপারে আলাপ হবে, কেমন?
রেফারেন্স কমেন্ট এ দেয়া আছে।
@Life Research Bangla
1 953
পাপবোধ যদি উঠে যায় তবে আস্তে আস্তে ঈমানও চলে যায়। শুরু হয় পর্নগ্রাফি দিয়ে। আগেও দেখত মানুষ, কিন্তু এত সহজপ্রাপ্য ছিল না। খারাপ জিনিসের সহজপ্রাপ্ততা সবচেয়ে বেশী বিপদের বিষয়।
গুনাহ করার মানসিকতা স্বাভাবিক হতে থাকলে এর পরবর্তী ধাপ হচ্ছে লিভ টুগেদার বা বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানো। দেশে এই কালচার শুরু হয়েছে, যা নিয়ে মেইনট্রিম পত্রিকায় বিস্তারিত অনেক প্রতিবেদনও প্রকাশ পেয়েছে।
যে শিক্ষা, জীবনব্যবস্থা আমরা গড়ে তুলছি তাতে নিজের সন্তান, তাদের সন্তানদের জন্য কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। দিনশেষে সবাইকে তো কবরেই তো যেতে হয়।
নিজে নিজে কিছুটা ইসলাম প্র্যাক্টিশ করতে পারলেই আমরা অনেকেই তৃপ্তি অনুভব করতে থাকি; অন্যদের চেয়ে কত ভাল আমি, এসব চিন্তা মাথায় এসে যায়...
একজন মুসলিম শুধু নিজে ধর্ম পালন করে না; অন্যদেরও কল্যাণের পথে দাওয়াত দেয়া বড় কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।
অন্তত নিজের পরিবার, বংশধরদের কি অবস্থা হতে পারে, সেই অবস্থা চিন্তা-ভাবনা করে পরিকল্পনা করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বাকীটা আল্লাহর ইচ্ছে।
এটা কতো না দারুন ব্যাপার হবে যদি কেউ পার্থিব এবং পারলৌকিক উভয় জীবনেই সফলতা লাভ করে। ইসলাম প্র্যাক্টিশে জীবনে আসে শৃংখলা , আর তাতে অন্তর পবিত্র হয়। এর ফলে পরিবারেও শান্তি বিরাজ করে।
অনেক যশ খ্যাতি অর্জন করলেও কিন্তু সেই কাংখিত সুখ সচারাচর ধরা দেয় না। কিন্তু দরিদ্র হয়েও সুখে জীবনটা পার করে দেয়া যায় যদি আল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা যায়।
#সন্তান_প্রতিপালনে_এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ
#sorowar_parenting
1 953
ইদানিং খুব শংকা হয়; আমার অনাগত বংশধররা ইসলামে থাকতে পারবে কিনা তা নিয়ে।
দাদা মারা যাওয়ার পর আব্বা নানা ফ্যামিলির প্রভাবে বড় হয়েছিলেন। যেহেতু সেই পরিবার দেশের কমিউনিস্ট আইডিওলজি গোড়াপত্তনে ভূমিকা রেখেছে তাই সংগত কারনে আব্বাও ছাত্রজীবনে সেটি দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিলেন। ছাত্র ইউনিয়ন করতেন।
ছোটবেলায় আব্বাকে সালাত আদায় করতে দেখিনি, রোজাও রাখতেন না, যদিও আল্লাহর প্রতি ঈমান ছিল। যে লেভেলে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ছিল তা সম্ভবত এই সময়ের বাহ্যিকভাবে প্র্যাক্টিশ করা অনেক মুসলিমদের তুলনায় বেশী হতে পারে। তিনি খাবার খাওয়ার শেষে আর পানি পান করে যেভাবে শ্রদ্ধাভরে আলহামদুলিল্লাহ পড়তেন, তা এখনো বিশেষভাবে মনে পড়ে, অন্তরে গেঁথে যেত।
ইসলাম প্র্যাক্টিশিং নানার খুব কাছের সন্তান ছিলেন আম্মা। অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে- আম্মা উনাদের ভাই-বোনদের তুলনায় অন্যরকম ছিলেন। এজন্য দুষ্টামি করে বলতাম, আম্মা, তোমাকে হয়ত পালক এনেছিল।
আব্বা যেহেতু সালাত আদায় বা ইসলামের বেসিকসও পালন করতে অভ্যস্ত ছিলেন না, তাই আম্মার মাঝেও অলসতা কাজ করত। পুরো বাসায় ভাইয়া শুধু সালাত আদায় করতেন। এটা ৮০'র দশকের প্রথম দিকের কথা, তখন প্রাইমারিতে ভর্তি হয়েছি।
পরিবারে ইসলাম ফিরে আসার টার্নিং পয়েন্ট ছিল আম্মার পরিবর্তন। তখন সবেমাত্র আমরা জামালপুর বদলি হয়ে এসেছি। কোন বাসায় বেড়াতে গিয়ে আম্মাকে একজন তালীমে নিয়ে যান যা তাবলীগের মাধ্যমে আয়োজিত হতো।
প্রথম দিন তাবলীগের বয়ান শুনে আম্মা বাসায় এসে কান্না শুরু করলেন, নিজের কেউ মারা গেলে যেমনটি করে থাকেন। তখন আমি ক্লাস ফো'রে পড়ি। আম্মার কানতেছে দেখে ভাবতেছিলাম আব্বা ব্যবহারে হয়ত কষ্ট পেয়েছেন। জিজ্ঞাসা করলে তিনি আমাকে জড়িয়ে দেন কাঁদলেন, বললেন তিনি এতদিন আল্লাহর হুমুক মানেনি, আল্লাহর কাছে কি জবাব দিবেন? আম্মার এই অবস্থা দেখে দেখলাম আব্বার অন্তরও বেশ নরম।
আম্মা বললেন, তুই নামাজ পড়বি, বাদ দিবি না। সেইদিন থেকে সালাত শুরু করলাম। কিভাবে সালাত আদায় করতে হয় তা জানতাম না। আব্বা উৎসাহ নিয়ে শিখিয়ে দিলেন। ফজরে সালাতেও আব্বা ডেকে দিতেন যদিও তিনি তখনো সিনসিয়ারলি শুরু করেননি।
বাসা থেকে বাইরে যাওয়ার আগে ভাবতাম, সালাত আদায় করার ব্যবস্থা আছে কিনা। তখন ক্লাস সিক্সে। এক বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে সালাত আদায় করার জায়গা পাচ্ছি না। আম্মাও আমার সালাত আদায় কিভাবে করব তা নিয়েও টেনশন করতেন। অবশেষে বিয়ের পাটিতে বসা থাকা কনের পাশেই সালাত আদায় করলাম। খেলার মাঠে সালাত আদায় করার বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে যেতাম। প্রয়োজনে ব্যাগে করে লুংগিও নিয়ে যেতাম।
সেই থেকে আম্মা তালিমে যেতেন, সন্তানদের নাম লেখাতেন যেন আমরা বড় হয়ে তাবলীগে যাই। এটা প্রতি সপ্তাহেই। আম্মার প্রার্থনা আর আব্বা উতসাহে ক্লাস নাইনে প্রথম তাবলীগে গেলাম।
আব্বার চাকুরী জীবনের সততা এবং কর্মনিষ্ঠার কারনে অফিসের বসরা অন্যরকমের সমীহ করতেন। এদের মধ্যে একজন তাবলীগী ছিলেন। তিনিও আব্বাকে বয়ান শুনতে দাওয়াত দিতেন। আব্বা আমাকে সাথে একদিন বয়ান শুনতে নিয়ে যান।
সন্তানরা তাবলীগে যাক তা আব্বা বাধার দেয়ার পরিবর্তে উতসাহ দিতেন। বলতেন- ইসলামের পথে থাকলে খারাপী থেকে রক্ষা পাবে। এজন্য উনার অফিসের কলিগদের সন্তানদেরও জামাতে পাঠাতে উৎসাহ দিতেন।
এই তাবলীগের উছিলায় অনেক সাধারন মানুষ ইসলামে ফিরে আসতে পেরেছে। বর্তমানে টিপিক্যাল তাবলীগে না গেলেও তাবলীগের আবহে কারনে পুরো পরিবারে কিছুটা ইসলামিক ভাবধারা গড়ে উঠেছে। ভাইয়ার ছেলে অস্ট্রেলিয়া কুরআনের হাফিজ হয়েছে তাতে তাবলীগ আবহের বড় ভূমিকা রয়েছে, ভাই-বোন, তাদের সন্তানরাও ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, প্র্যাক্টিশ করতে চেষ্টা করে।
যেখানে চিন্তা এবং শংকার বিষয়-
আগের দিনগুলোতে ইসলাম প্র্যাক্টিশ করার ইস্যু তেমন জোড়দার না থাকলেও ইসলামের আবহ ছিল। স্কুলের কারিকুলামে ইসলামিক ভাবধারা ছিল, সমাজেও ছিল।
কিন্তু গত ২০ বছরে এত বেশী পরিবর্তন হয়েছে যে আমাদের সন্তানদের জেনারেশন ইসলামে থাকতে পারবে কিনা তা নিয়ে ভয় হয়। কিছু মানুষ ধর্ম পালন করছে। ইসলামি পোষাক (জাস্ট একটা পোষাক হিসেবে অনেকে পড়ে) পড়েও ট্রান্স- সম--কা-মি-তা ভাবধারা অন্তরে অন্তরে পোষণ করে এমন লোকও তৈরী হচ্ছে…
সন্তান প্রতিপালনে এ যুগের বইটি লিখতে গিয়ে দেশের কিছু পরিবর্তন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা হয়েছে যা নিয়ে শংকা, উতকন্ঠা কাজ করে।
অন্যদিকে প্রবাসী বন্ধু-বান্ধবদের সাথে ব্যক্তিগত আলোচনায় তারাও অনেক শংকিত। নিজের সন্তানকেও নাকি চেনা যায় না। ট্রান্স ইস্যু মারাত্নক শংকার কারন হয়ে গেছে প্রবাসী পিতামাতাদের জন্য। স্কুলে ট্রান্স বাথরুম চালু করেছে, ছোট্ট সন্তানরা এসে মা'কে বলে মেয়ে-মেয়ে বিয়ে হতে পারে, আবার ছেলে-ছেলেও।
তাছাড়া ডিজিটাল সেক্সুয়াল কনটেণ্টের মহাসাগরে ভাসছে পুরো পৃথিবী। সবার পকেটে পকেটে এখন ঝুঁকি।
