1 995
Obunachilar
-124 soatlar
+17 kunlar
+530 kunlar
Postlar arxiv
1 995
যৌন মিলনের শুরুতে বা যৌন উত্তেজনায় লিঙ্গের মাথায় পিচ্ছিল জাতীয় পদার্থ বের হয় আর এটা যৌন মিলন কে সুগম করার জন্য। এতে কোন শুক্রানু থাকে না। এটা আসে পুরুষের প্রস্টেট নামক গ্রন্থি বা গ্লান্ড থেকে সাথে যোগ হয় কাউপার নামক গ্রন্থির রস, সিমেন থলির কিছু মিউকাস জাতীয় পদার্থ।
মূলত বীর্য বা সিমেন বা পুরুষের যৌন নির্যাস। এতে কি কি উপাদান আছে???
১) পানি
২) প্রোটিন
৩) ভিটামিন ও মিনারেল
৪) গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ
৫) মিউকাস জাতীয় পদার্থ
৬) শুক্রানু( আসল জিনিস)***
(বাচ্চা হওয়ার জন্য জরুরি। টেস্টিস থেকে উৎপাদন হয়।)
যখন বীর্য বের হয় উপরের সবগুলো জিনিস বিভিন্ন জায়গা থেকে বীর্য থলিতে এসে জমা হয়,আর শুক্রানু আসে টেস্টিস থেকে। চরমমূহুতর্তে বীর্য বের হয়।
কয়েকটি কারনে বীর্য পাতলা হয়।
(১) বেশি বেশি সহবাস বা হস্তমৈথুন করলে।
(২) শারিরীক ভাবে সঠিক পুষ্টির অভাবে।
(৩) পানির মাত্রা বীর্যতে বেশি হলে।
(৪) যৌন বাহিত রোগ থাকলে/ প্রসাবে ইনফেকশন থাকলে।
(৫) জিঙ্কের অভাবে।
(৬) শুক্রানুর পরিমাণ অনেক কম হলে।
(৭) সেক্স হরমোন লেবেল কমে গেলে
(৮) পুষ্টির অভাব
(৯) ইনফেকশন থাকলে
(১০) যৌন ব্যয়াম না করলে, অতিরিক্ত ওজন।
(১১) অতিরিক্ত বীর্য ক্ষয় হলে।
Collected From 20 Minute Medical Fb Group
1 995
#বাউবির যে সকল ভর্তি চলমান আছে সেগুলোর লাস্ট তারিখ।
⭕ এসএসসি লাস্ট তারিখ ১৬ জুন।
⭕ এইচএসসি লাস্ট তারিখ ২১ জুলাই।
⭕ বিএ/বিএসএস ডিগ্রি ১ জুন শুরু শেষ ৩১ জুলাই।
⭕ অনার্স ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ৩০ জুন।
⭕ বিবিএ বাংলা মাধ্যম ৩১ মে।
⭕ এমএড আবেদন এর শেষ তারিখ ৮ জুন।
⭕ মাস্টার অব ডেবেলপমেন্ট স্টাডিজ ১০ জুলাই।
1 995
ফিরিশতার দোয়া লাগবে?
আমরা মা-বাবার কাছে দোয়া চাই। পীর-বুযুর্গ-শায়খের কাছে দোয়া চাই। ময়মুরুব্বি, ওস্তাদের কাছে দোয়া চাই। আমি চাইলে ফিরিশতাগনেরও দোয়া লাভ করতে পারি। অত্যন্ত সহজেই। আট সময়ে ফিরিশতাগন আমার জন্য দোয়া করতে থাকেন,
১: আমি যখন প্রথম কাতারে নামাজে দাঁড়াই। যতক্ষণ এই কাতারে থাকব, ততক্ষণ ফিরিশতাগনের দুর্লভ দোয়া পেতে থাকব (সহীহ তারগীব তারহীব ৪৯১)।
২. আমি যখন সলাতের অপেক্ষায় মসজিদে বা জায়নামাজে বসে থাকি। আমি যখন ফরজ নামাজের পর মসজিদে বসে থাকি। যতক্ষণ বসে থাকব, ততক্ষণ ফিরিশতাগন আমার জন্য দোয়া করতে থাকবেন (মুসলিম ৬৪৯)।
৩. অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলে। ঘর থেকে বের হওয়ার পর থেকে, অসুস্থ্যকে দেখে ঘরে ফেরা পর্যন্ত নিষ্পাপ ফিরিশতাগন আমার জন্য দোয়া করতে থাকবেন (সিলসিলা সহীহাহ ৩৪৭৬)।
৪. শুধু আল্লাহর জন্য, আল্লাহকে রাজিখুশি করার জন্য, কোনও মুসলিম ভাইয়ের সাথে সাক্ষাত করতে গেলে। বাড়ি ছেড়ে বের হওয়া থেকে শুরু করে, বাড়ি ফেরা পর্যন্ত আমি ফিরিশতাগনের বরকতময় দোয়ায় শামিল থাকব (মুসলিম ২৫৬৭)।
৫. মুসলিম ভাইয়ের জন্য তার অনুপুস্থিতিতে দোয়া করার সময় ফিরিশতাগন আমার জন্য দোয়া করতে বসে যান। বিশ্ব মুসলিমের জন্য, নিজের ভাই-বেরাদরের জন্য দোয়া করার সময় খেয়াল রাখব, আমি যত বেশি সময় তাদের জন্য দোয়ায় মশগুল থাকব, তত বেশি সময় আমি ফিরিশতাগনের দোয়ার চাদরে মোড়ানো থাকব (মুসলিম ২৭৩২)।
৬. মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দেয়া সময়। সেটা হতে পারে একটি ভাল কথা, একটি ভাল কাজ, একটি উপকারী তথ্য, একটি দরকারি টিপস। সুযোগ পেলেই ফিরিশতাগনের দোয়া নেয়ার চেষ্টা করতে ত্রুটি করব না (জামে সগীর ৫৮৪১)।
৭. ওজু বা পবিত্র অবস্থায় ঘুমুলে। ঘুমের আগে ওজু করতে অলসতা লাগে? উপকারটা একটু চিন্তা করে দেখি? সামান্য কষ্ট করে ওজু করলে, একটানা চার-পাঁচ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় ধরে ফিরিশতাগন আমার জন্য দোয়া করেই যাবেন। দোয়া করেই যাবে। কী অসাধারণ সুযোগ (তারগীব তারহীব ৫৯৯)।
৮. সাহরী খাওয়ার সময়। ফিরিশতাগনের দোয়ার আশায় হলেও সাহরী খাওয়ার সময়টা যথাসম্ভব দীর্ঘ করব। দীর্ঘ করার প্রক্রিয়াটা এভাবেও হতে পারে, সাহরির মূল খাবার গ্রহনের বেশ আগে, সাহরির নিয়তে একঢোঁক পানি পান করে নিলাম। তারপর মূল খাবার খেলাম। তারপর একেবারে শেষ সময়ে একটা খেজুর খেলাম। তাহলে দীর্ঘ সময় দোয়া। পাবো (জামে সগীর ১৮১০)।
রাব্বে কারীম বেশি বেশি ফিরিশতাগনের অমূল্য দোয়া হাসিল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
--শায়েখ আতিক উল্লাহ
1 995
Repost from বাঁশেরকেল্লা - Basherkella
প্রার্থনা করো যারা কেড়ে খায়
তেত্রিশ কোটি মুখের গ্রাস,
যেন লেখা হয় আমার
রক্ত-মাংস তাদের সর্বনাশ!
-কাজী নজরুল ইসলাম
1 995
সতর্কীকরণ পোস্টঃ
এই ডাক্তারি পরামর্শটির বাস্তব উদাহরণ আমি নিজে!!!
গত মার্চের ৬ তারিখের গভীর রাতে আমার ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল! দ্রুত ওঠে বাথরুমে পেসাব করে বোতলে পানি খেয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ি। তার দুইদিন পর সিমটম শুরু হলে নিউরোসাইন্স হাসপাতালে যাই। যথারীতি সিটিস্ক্যান! ধরা পড়ে মাইনর স্ট্রোক!
পরামর্শঃ-
যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ:
আমরা প্রায়ই শুনতে পাই একেবারে সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন। এটার একটা কারন হচ্ছে রাতে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমরা তাড়াহুড়ো করে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে পড়ি, যা ব্রেইনে রক্তের প্রবাহ হঠাত কমিয়ে দেয়। এটা আপনার ইসিজি প্যাটার্নও বদলে দেয়।
হুট্ করে ঘুম থেকে উঠেই দাঁড়িয়ে পড়ার দরুন আপনার ব্রেইনে সঠিক ভাবে অক্সিজেন পৌছাতে পারেনা, যার ফলে হতে পারে হার্ট এ্যাটাকের মত ঘটনাও।
ডাক্তাররা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাবার আগে সবাইকে 'দেড় মিনিট' সময় নেয়ার একটি ফর্মুলা দিয়েছেন।
এই দেড় মিনিট সময় নেয়াটা জরুরি কারন এটা কমিয়ে আনবে আপনার আকস্মিক মৃত্যুর সম্ভাবনা।
হঠাৎ এই উঠে পড়ার সময়ে এই দেড় মিনিটের ফর্মুলা বাঁচিয়ে দিতে পারে আমাদের জীবন।
১। যখন ঘুম থেকে উঠবেন, হুট করে না উঠে মিনিমাম তিরিশ সেকেন্ড বিছানায় শুয়ে থাকুন।
২। এরপর উঠে বিছানায় বসে থাকুন তিরিশ সেকেন্ড।
৩। শেষ তিরিশ সেকেন্ড বিছানা থেকে পা নামিয়ে বসুন।
এই দেড় মিনিটের কাজ শেষ হবার পর আপনার ব্রেইনে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন পৌছাবে যা আপনার হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি একদম কমিয়ে আনবে।
খুবই গুরুত্তপুর্ন এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যটি ছড়িয়ে দিন আপনার পরিবার, বন্ধু এবং পরিচিত লোকজনের মাঝে। নিজে এই ফর্মুলাটি মেনে চলুন এবং অন্যদেরকেও মানতে বলুন।
মনে রাখবেন যেকোন বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। সুতরাং সবাই নিয়মটি মানতে চেষ্টা করবেন প্লিজ।
------সংগৃহীত।
1 995
জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি, সার্টিফিকেট,পাসপোর্ট সংশোধন করার প্রয়োজন নেই এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছে।
তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক আপনি কিভাবে ধাপে ধাপে জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি, সার্টিফিকেট,পাসপোর্ট সংশোধন করবেন।
সংশোধনের ধাপ সমূহ:-
১.জন্ম নিবন্ধন
২.PSC->JSC->SSC->HSC
3.জাতীয় পরিচয়পত্র
৪.Honours->Master’s
৫.পাসপোর্ট(আপনি চাইলে এনআইডি সংশোধন করেই পাসপোর্ট সংশোধন করে নিতে পারেন)
মনে করেন,আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে পাসপোর্টের মিল নেই এখন আপনি চাচ্ছেন পাসপোর্টের তথ্য ঠিক রেখে এনআইডি সংশোধন করতে বা এনআাইডি ঠিক রেখে পাসপোর্ট সংশোধন করতে চান।তাহলে আপনি কি কি ধাপে সংশোধন করবেন?
# মনে রাখতে হবে পাসপোর্টের সংশোধন করতে হলে আপনার প্রথম প্রয়োজন হবে এনআইডি ।
# এনআইডি সংশোধনের জন্য আপনার প্রয়োজন হবে সার্টিফিকেট।
# সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে জন্ম নিবন্ধন।
**তার মানে সবার প্রথম আপনাকে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করে আসতে হবে।এক্ষেত্রে আপনার টিকার কার্ড বা পত্যায়নপত্র লাগতে পারে।
**জন্ম নিবন্ধন সংশোধন হয়েগেলে সেই সংশোধিত সঠিক জন্ম নিবন্ধন দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গিয়ে PSC সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য আবেদন করবেন(যদি আপনি PSC পরিক্ষা দিয়ে থাকেন)।
**PSC সার্টিফিকেট সংশোধন হয়ে আসলে PSC সার্টিফিকেট এবং জন্ম নিবন্ধন দিয়ে অনলাইনে JSC,SSC,HSC ৩টি একসাথে সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য আবেদন করবেন।
**JSC,SSC,HSC সংশোধন হয়ে আসলে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করবেন।এর জন্য আপনার জন্ম নিবন্ধন এবং JSC/SSC/HSC যে কোন একটির সার্টিফিকেট সাবমিট করবেন।
**JSC,SSC,HSC সার্টিফিকেট সংশোধন হয়ে গেলে জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি, এবং সংশোধীত সার্টিফিকেট দিয়ে অনার্স এবং মাসটার্সের সার্টিফিকেট সংশোধন করবেন।
**আপনার এনআইডি সংশোধন হয়েগেলে সাথে সাথেই আপনি সংশোধিত সার্টিফিকেট,এনআইডি এবং জন্ম নিবন্ধন দিয়ে অনলাইনে পাসপোর্ট সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
**বি:দ্রি:- বাবা-মা এনআইডির সাথে আপনার তথ্য মিল না থাকলে উনাদের গুলা ঠিক রেখে আপনার তথ্য সংশোধন করতে চেষ্টা করবেন।এক্ষেত্রে সব সংশোধনীতে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে।
**প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সংশোধন করতে ১ বছরের মত সময় লাগতে পারে।
আপনি যদি শুরু থেকে ধাপ গুলা ক্রম অনুযাই করেন তাহলে আপনাকে কোন ধাপে পেন্ডিং থাকতে হবেনা।কিন্তু যদি একটার আগে আরেকটা সংশোধনের আবেদন করেন তাহলেই আপনাকে পেন্ডিং পরে থাকতে হবে।
**ওয়াবে সংশোধন টাইপের পোস্ট আসলেই আমরা গনহারে কমেন্ট করতে থাকি দালাল ধরেন,কিছু টাকা খরচ করেন হয়ে যাবে।এই কমেন্ট গুলা সবাই পড়ে এবং পরবর্তীতে তারা কোন সমস্যায় পরলে তাদের সবার প্রথম আপনাদের করা নেগেটিভ কমেন্ট গুলা মাথায় কাজ করবে এবং তারাও হয়তো দালাল ধরবে।
দালাল আসলে তৈরি হয়না,দালাল আমরা তৈরি করি।যখনি কাগজ পত্র ঠিক থাকবেনা নিচের ধাপ সংশোধন না করে উপরের ধাপ আগে সংশোধন করতে চাইবে তখনি মানুষ দালালকে টাকা দিয়ে অনৈতিক ভাবে কাজটি করার সিদ্ধান্ত নেয়।দিন শেষে বলে দালাল ছাড়া কিছু হয় না।
**সর্বপরি ওয়াবের মতো জনপ্রিয় একটি গ্রুপে এই ধরনের নেতিবাচক কমেন্ট বেমানান।
ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।
কারো কাছে এর চেয়ে সহজ সমাধান থাকলে তারাও পরামর্শ দিতে পারেন।
আলো আসবেই ইনশাআল্লাহ
© লেখা ঃ নুরুজ্জামান ভাই
1 995
গ্রামের একান্নবর্তী পরিবারে পর্দার সূরত :
গ্রামের বেশিরভাগ পরিবারই একান্নবর্তী পরিবার। রক্তের বন্ধনের সবাই একসাথেই থাকতে চায়। বাংলার আবহমান কাল ধরে একান্নবর্তী পরিবারগুলো স্মৃতি ধরে আছে। দাদা-দাদী, চাচা-চাচীসহ পরিবারের সবাই একই বাড়িতে বসবাস করার এ রীতি যেমন একদিক থেকে স্মৃতিময়, অন্যদিক দিয়ে পর্দার বিধানের বেহাতও হয়ে যায় অনেক ক্ষেত্রে।
যারা কঠোরভাবে দ্বীনের সব বিধানগুলো মেনে থাকেন, তাদের জন্য এমন পরিবারে পর্দা রক্ষা করে চলা সমস্যা হয় না। এ ছাড়া অন্যদের জন্য পর্দা রক্ষা করা অসম্ভবই বটে। ঘরের ভেতর দিয়ে হাঁটা চলা, একই টয়লেট বা গোসলখানা ব্যবহার করা, এক ডাইনিং রুমে খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে পর্দার বিধানের অমান্য হয়।
এসব পরিবারে চাইলেও পর্দার বিধান ঠিকঠাকমতো পালন করা যায় না। দেবরের সাথে ভাবির পর্দা, ভাতিজার সাথে চাচির পর্দার বিধান যেন তারা মানতেই চান না। দেবরকে মনে করা হয় ছোটভাইয়ের মতো; অনেক পরিবারে আবার দেবরকে ছোট স্বামী বলেও ডাকা হয়! এটা সুস্পষ্ট নি-র্ল-জ্জ-তা ছাড়া আর কিছুই নয়।
হাদীস শরীফের ভেতর দেবরের বিষয়ে কঠোর শব্দ এসেছে,
إيَّاكُمْ والدُّخُولَ علَى النِّساءِ، فقالَ رَجُلٌ مِنَ الأنْصارِ: يا رَسولَ اللهِ، أفَرَأَيْتَ الحَمْوَ؟ قالَ: الحَمْوُ المَوْتُ.
‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা বেগানা নারীদের কাছে যাওয়া থেকে দূরে থাকো। এক আনসারী সাহাবী জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, দেবরের ব্যাপারে আপনি কী বলেন? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দেবর তো মৃত্যুতুল্য।’
স্বামীর ছোট অর্থাৎ দেবর হোক বা স্বামীর বড় অর্থাৎ ভাসুর হোক। এই হাদীসের মধ্যে স্বামীর চাচাতো-ফুফাতো-মামাতো-খালাতো ইত্যাদি ভাইয়েরাও অন্তর্ভুক্ত।
কেউ কেউ শুধু মাথায় কাপড় দেয়াকে পর্দা মনে করেন, এবং এভাবে তারা ঘরে দেবর বা ভাসুরের সামনে বসেও খাবার খান। ঘরে চলাফেরা করেন। এ সবকিছুই শরীয়তের পর্দার বিধান অমান্য করার শামিল।
এসব পরিবারে পর্দার সূরত হলো...
- প্রকাশিতব্য পর্দা বিষয়ক বইয়ে বিস্তারিত থাকবে ইন শা আল্লাহ!
Endi mavjud! Telegram Tadqiqoti 2025 — yilning asosiy insaytlari 
