uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 956
Obunachilar
-224 soatlar
-47 kun
-1230 kun
Postlar arxiv
সম্প্রতি Panna Das Aryan নামে এক ভাই এর এক্সপোজ ভাইরাল হয়, পরবর্তীতে দেখা যায় এক্সপোজ ভাইরাল করা মেয়েটা নিজেই দোষী। এভাবে ধরা পড়ার পর মেয়েটা নিজের আইডি ডিলিট করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনা থেকে বেশ কিছু বিষয় শেখার আছে: জীবনে চলার পথে অনেক নারী আপনাকে সিগন্যাল দিবে, আপনার সাথে ফ্লার্ট করবে - এর অর্থ এই না, উক্ত নারী আপনার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। অনেক নারীই আপনার কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের বেনিফিট নিতে চাইবে, এবং এই বেনিফিট নেওয়ার জন্য‌ই আপনাকে এমন সিগন্যাল দেওয়া হবে। যেমন ধরুন আপনি ক্লাসের ফার্স্ট বয় হলে আপনার কাছ থেকে নোটসহ পড়াশোনা সম্পর্কিত বিভিন্ন সাহায্য পাওয়া যেতে পারে, আপনাকে দিয়ে এসাইনমেন্ট লিখিয়ে নেওয়া যেতে পারে। আপনি সি আর হলে অথবা আপনার সাথে স্যারদের খাতির থাকলে আপনার কাছ থেকে সেইসকল বিষয়ে বেনিফিট নেওয়া যাবে, আপনি রাজনীতি করলে এবং আপনার সাথে প্রসাশনিক লোকজনের ভালো খাতির থাকলে প্রসাশনিক বিষয়ে আপনার কাছ থেকে বেনেফিট নেওয়া যাবে। অথবা এমন হতে পারে আপনি কো কারিকুলারে অনেক ভালো এবং আপনার সাথে বিভিন্ন অর্গানাইজেশনের মানুষজনের যোগাযোগ আছে, সেক্ষেত্রে আরো অনেক কিছু আছে যা আপনার কাছ থেকে একজন নারী পেতে পারে। কিছু না হলেও আপনাকে ব্যাক‌আপ+ ইমোশনাল সাপোর্ট হিসেবে রেখে দেওয়া যেতে পারে। এইসকল কারণে একজন নারী আপনাকে সিগন্যাল দিবে, এর অর্থ এই না উক্ত নারী আপনার প্রেমে পাগল। বরং সে চায় আপনি তার প্রেমে হাবুডুবু খেতে খেতে কামলাগিরি করেন। তাই কেউ সিগন্যাল দিলে ইগনোর করতে শিখুন। যতক্ষণ না কেউ আপনাকে সরাসরি স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে সে আপনাকে ভালোবাসে এবং বিয়ে করতে আগ্রহী ততক্ষণ ইগনোর করুন। দ্বিতীয়ত কেউ সিগন্যাল দিচ্ছে বলেই তার প্রেমে পড়তে হবে এমন লুজ মেন্টালিটি পরিহার করুন, বরং আপনার যদি কাউকে ভালো লাগে তাহলেই তার প্রেমে পড়ুন। আপনার যদি কাউকে ভালো লাগে তাহলে তাকে স্পষ্টভাবে বিয়ের জন্য জানান, এবং সময় দিয়ে হ্যা অথবা না শুনতে চান, এইসব ইস্যুতে হ্যা আথবা না এর বাইরে কোনো উত্তর হয়না। একজন নারীকে ততটুকু ই সাহায্য করুন যতটুকু সাহায্য অন্য পুরুষকে করবেন। সিগন্যাল দিচ্ছে দেখে কামলা হয়ে যাইয়েন না Collected

একবার শায়খুল হাদিস মুফতি তাকি উসমানী কে জিজ্ঞাসা করা হল, জীবনের সারকথা কী? তিনি উত্তরে ২০টি সুক্ষ্ম বিষয়ের কথা তুলে ধরেন: ১. সর্বদা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় কর। ২. চেষ্টা কর সারা জীবনে কেউ যেন তোমার অভিযোগ অন্য কারো কাছে না করে। আল্লাহর কাছে কখনই না। ৩. বংশীয় লোকদের সাথে কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করো না। ক্ষতি হলে মেনে নিও, তবে বিরোধিতা করো না। পরে ভালো ফল পাবে। ৪. কোথাও এ কথা বলো না যে, আমি আলেম। আমার সাথে অনুগ্রহ করেন। এটি কখনই কাম্য নয়। চেষ্টা কর দ্বীনদারী হয়ে চলার। ৫. সর্বোত্তম দস্তরখান হল নিজ ঘরের দস্তরখান। যে রিজিক পাবে তাই রাজার হালে খাবে। ৬. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো থেকে আশা করো না। ৭. প্রত্যেক আগামী দিনে পরিশ্রম বৃদ্ধি কর। ৮. বিত্তশালী ও অহংকারী ব্যক্তি থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়। ৯. প্রতিদিন সকালে কিছু দান খয়রাত কর। আর সন্ধ্যায় এস্তেগফার পাঠ করার অভ্যাস কর। ১০. নিজের কথার মাঝে মিষ্টতা তৈরি কর। ১১. উচ্চস্বরে কথা বলো না। এমনকি ছোট বাচ্চাদের সাথেও নয়। ১২. যে জায়গা থেকে তোমার রিজিকের ব্যবস্থা হচ্ছে সে জায়গাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসো। যেমন সম্মান করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে। ১৩. চেষ্টা কর সারা জীবনে সফল মানুষদের সাথে ওঠাবসা করবে। একদিন তুমিও তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে। ১৪. প্রত্যেক সেক্টরের যোগ্য ব্যক্তিদের সম্মান কর। তার সামনে আদবের সাথে আসা উচিত। হোক সে যে কোন ময়দানের। ১৫. পিতা মাতা, শিক্ষক ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে যেমন উত্তম আচরণ করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে। ১৬. সব কাজে মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর। ১৭. জন সাধারণের সাথে সম্পর্ক রেখ। তাদের থেকে অনেক কিছু শেখা যায়। ১৮. একজনের অভিযোগ অন্যের কাছে না করা। অভিযোগকারীকে আমাদের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপছন্দ করতেন। ১৯. সব কথা ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন কর। এর দ্বারা অনেক সমস্যার সমাধান হয়। ২০. বড়দের বৈঠকে চুপ থেক। সর্বশেষ এই দুয়া শিখে সর্বদা পাঠ কর। পেরেশান অবস্থায় অনেক উপকারে আসবে। رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا ✍️ওহী পেইজ

মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা । . . 🟩 মোবাইল নাম্বার: 01712 859950 বা, 01972 859950

কথাশিল্পী সৈয়দ মুজতবা আলীর সঙ্গে সুর মিলিয়েই জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেঁচে থাকো সর্দি-কাশি; তবে এন্টিবায়োটিক খেয়ে নয়। অর্থাৎ সর্দি-গর্মি হয়ে নাক ঝরলেই কিংবা সামান্য কফ হলেই এন্টিবায়োটিক খাওয়া উচিত হবে না।ঔষধ খেলে সর্দি সারে ৭ দিনে, না খেলে এক সপ্তায়-পুরনো এ কথাই আরেকবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সর্দির মতো ভাইরাসজনিত অসুখে এন্টিবায়োটিকের কোনোই ভূমিকা নেই। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে সর্দি এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। অন্যদিকে এন্টিবায়োটিক খেলে শরীরে থাকা কোটি কোটি উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে ভাইরাস আরও শক্তিশালী এবং এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে ওঠে। তাতে ক্ষতির মাত্রা আরও বেড়ে যাওয়াই স্বাভাবিক। জ্বর , গলা ব্যথা , কাশি ও সর্দির জন্য ঘরোয়া টিপস এবং ওষুধ আশা করি আপনাদের হেল্প হবে । . . 🟩 জ্বর প্রথমে একটা কথা মনে রাখা দরকার , জ্বর নিজে কোনো রোগ নয়। অন্য অসুখের লক্ষণ । জ্বর হলে নিম্নলিখিত ঘরোয়া টিপস ফলো করতে পারেন 1️⃣ গায়ের চাদর সরিয়ে নিন , শিশুর জর হলে তার সব জামাকাপড় খুলে দিবেন । এতে জ্বর কমতে সাহায্য হয়।খেয়াল রাখবেন একদম ছোট বাচ্চাদের বুকে , পিঠে যেন ঠান্ডা না লাগে। 2️⃣জানালা দরজা খুলে দিন যাতে ঘরে বাতাস আসতে পারে। এ সময় খোলা বাতাস দরকার। 3️⃣ প্রচুর পরিমাণে ফলের রস পান করুন। সাধারণত কোনো ফল না পাওয়া গেলে লেবুর শরবত পান করতে পারেন। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। 4️⃣ জ্বর বাড়লে পানি ভেজানো সুতির কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিন। মাথায় পানি দিন। 5️⃣ অমৃতারিষ্ট গ্রুপের সিরাপ এন্টিফেভ ( হামদর্দ কোম্পানির ) চার চা-চামচ করে রোজ দুইবার খাবেন ( বড়দের জন্য ) , সাথে ট্যাবলেট হারবোট্রিল ( ইবনে সিনা কোম্পানির ) ১+০+১ বার খাবার পর খাবেন । ( ১ দিন এর মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন ) . 🟩গলা ব্যথা গলা ব্যথা হলে নিম্নলিখিত টিপস ফলো করুন 1️⃣গরম একগ্লাস পানিতে আধা চা চামচ লবণ নিয়ে দিনে ২-৩ বার গরগরা / গার্গল করুন । এটা খুবই আটপৌরে চিকিৎসা , কিন্তু এটা খুব ভালো রেজাল্ট আসে। 2️⃣সম পরিমাণে মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে ফেলুন । এবার ৩০ মিনিট অন্তর ১ চা-চামচ খেলে গলা ব্যথায় আরাম পাবেন । 3️⃣ঠান্ডা পানি একদম খাবেন না । গরম পানি খান। 4️⃣ক্যাপসুল - নিমুলেন্ট ( হামদর্দ কোম্পানির) অথবা ক্যাপসুল ইকোল্ড ( ইবনে সিনা কোম্পানির ) দুইটি করে ক্যাপসুল প্রতিদিন সকালে ও রাতে খাবার পর খাবেন ( ৩ দিন এর মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন ) সাথে জ্বরের চিকিৎসার জন্য দেওয়া ট্যাবলেট হারবোট্রিল জ্বরের সাথে সাথে ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে। . 🟩কাশি জ্বরের মতো এখানেও একটি কথা বলতে হয় যে কাশি কোনো অসুখ নয় এটা অন্য কোন রোগের লক্ষণ মাত্র। নিম্নলিখিত ঘরোয়া টিপস ও ঔষুধ আপনাকে হেল্প করবে। 1️⃣ দিনে অন্তত চারবার গরম পানির ভাপ নিন । 2️⃣ পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি ও লেবুর শরবত খান । 3️⃣ সিরাপ বাসক ( একমি বা হামদর্দ কোম্পানির ) অথবা স্কয়ার কোম্পানির সিরাপ এডোভাস , ৩ চা চামচ করে রোজ দুইবার খাবেন । . বাসায় বাসক গাছ থাকলে তার পাতার রস বড়দের জন্য ২ থেকে ৩ চা চামচ + ১ চা-চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার খেতে পারেন , তাহলে আর এই সিরাপটি কিনতে হবে না। ( ৩ দিন এর মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন ) . 🟩সর্দি 1️⃣পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি ও তরল পান করতে হবে 2️⃣ভিটামিন সি যুক্ত ফল বেশি খাবেন , লেবুতে প্রচুর ভিটামিন-সি আছে তাই লেবুর শরবত খুব উপকার করবে। 3️⃣কাশির সময় যেভাবে পানির ভাপ নিতে বলেছিলাম তেমনি ভাবে দিনে অন্তত চারবার গরম পানির ভাপ নিন। 4️⃣ক্যাপসুল: লিভোলাইট( স্কয়ার এর ন্যাচারাল মেডিসিন ) হেল্প করতে পারে। ১+১+১ বার । ( ৩ দিন এর মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন ) . তুলসী পাতা সহজলভ্য হলে ২ চা চামচ তুলসী পাতার রস সাথে ১ চা-চামচ মধু দিয়ে সকালে ও রাতে খেতে পারেন। . 🟩 বিশেষ দ্রষ্টব্য 1️⃣এখানে বর্ণিত ওষুধ এবং খাবার পরিমাণ বড়দের জন্য। 2️⃣ডায়াবেটিস রোগীরা মধু খাবেন না। 3️⃣কারো কারো ক্ষেত্রে লেবুর শরবত হাইপারএসিডিটি তৈরি করে , এ ব্যাপারে সাবধান থাকবেন । 4️⃣ এগুলো সব প্রাথমিক চিকিৎসা , তিনদিনের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে যোগাযোগ করবেন । অবস্থার উন্নতি হলে সাতদিন পর্যন্ত এই চিকিৎসা চালিয়ে যাবেন। . লেখক: ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ২২ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক Ayurved Tirtha Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU) Trained on Therapeutic Counselling (Department of Clinical Psychology, University of Dhaka) . 🟩 চেম্বারঃ বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , সরকারি হাসপাতাল এবং খাদ্য গোডাউন মোড়ের মাঝে , আমাবাগান জামে মসজিদের গলী ( চার তলা

অকালে পুরুষত্ব নষ্ট করতে পারে যে ৮টি অভ্যাস , সুস্থ থাকতে পুরো বিষয়টি পড়ুন সুস্থ থাকার জন্য চাই স্বাস্থ্যকর জীবনপদ্ধতি। লি'ঙ্গ সুস্থ রাখতেও তাই ত্যাগ করতে হবে বদভ্যাস। সঠিক না জেনে, উড়ো কথায় কান দিয়ে অনেকেই মনে করেন, 'আমার হয়ত সমস্যা আছে'। সমস্যা কী, আদৌ সমস্যা আছে কিনা সে বিষয়ে চিকিত্‍সকের সঙ্গে কথা বলতেও বিব্রত বোধ করেন। সমস্যা যদি মনেই হয় তাহলে চিকিত্‍সকের শরণাপন্ন হন। তবে বাজে অভ্যাসের কারণেও পুরুষের জননেন্দ্রিয়ের কর্মক্ষমতার ক্ষতি হতে পারে। এসব বদভ্যাস প্রতিনিয়ত করতে থাকলে পৌরষত্বের ধার কমতেই থাকবে। চিকিত্‍সাশাস্ত্র ও বিভিন্ন গবেষণা অনুসারে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে বদভ্যাসগুলোর একটা তালিকা নিচে দেয়া হল। ১.বসে বসে সময় কাটানো: গবেষণা বলে, যারা নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করেন তাদের যৌ'নস্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর যারা আজীবনই কুঁড়েমি করেছেন কিংবা আগে পরিশ্রমি ছিলেন এখন অলস সময় পার করছেন তাদের মধ্যে যৌ'ন অক্ষমতা দেখা দেয়ার আশঙ্কা বেশি। ২. ধূমপান: বিটিশ জার্নাল অফ ইউরোলজি'তে প্রকাশিত ৮ সপ্তাহে ধূমপান ছাড়ার এক গবেষণায় বলা হয়, অংশগ্রহণকারীদের ২০ শতাংশ স্বীকার করেছেন যে তারা পুরুষাঙ্গ দৃঢ় হওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। ধূমপান ছাড়ার পর এদের মধ্যে ৭৫ শতাংশেরই যৌ'নক্ষমতা বেড়েছে, পুরু'ষাঙ্গ হয়েছে দৃঢ়। ৩.দাঁতের অপরিচ্ছন্নতা: শুনতে আজব মনে হলেও গবেষণা মতে, যার পুরু'ষাঙ্গ ভালোভাবে দৃঢ় না হওয়ার সমস্যা আছে, তার মাড়ির সমস্যা থাকার আশঙ্কা সাধারণের তুলনায় সাতগুন বেশি। এর কারণ হল মুখের ব্যাকটেরিয়া সারা শরীরে প্রবাহিত হয় এবং তা পুরু'ষাঙ্গের ধমনির উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ৪.অপর্যাপ্ত ঘুম: শরীরের ঘুমের চাহিদা পূরণ না হলে 'টেস্টোস্টেরন'য়ের মাত্রা কমে যায়। ফলে অবসাদ হয়। যা থেকে পেশি ও হাড়ের ঘনত্বও কমে যেতে পারে। দুইটি প্রভাবই পুরুষাঙ্গের জন্য ক্ষতিকর। ৫.অপর্যাপ্ত সঙ্গম: সঙ্গমের পরিমাণ দম্পতিভেদে বিভিন্ন। তবে 'আমেরিকান জার্নাল অফ মেডিসিন'য়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে একবার সঙ্গ'মে লিপ্ত না হলে পু'রুষাঙ্গ ভালোভাবে দৃঢ় না হওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে তিনবার সঙ্গম হল আদর্শ। ৬.তরমুজ: 'সিট্রুলাইন-আর্জিনাইন' নামক উপাদানের ভালো উত্‍স তরমুজ। এর কাজই হল শরীরের যৌ'নক্ষমতার উন্নতিসাধন। উপাদানটি শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা বাড়ায় এবং পুরুষাঙ্গ দৃঢ় না হওয়ার সমস্যা সারাতে সক্ষম। তাই প্রতিদিন তরমুজ খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে পারলে ভালো। ৭.ট্রান্স ফ্যাট: শরীর প্রচুর ট্রান্স ফ্যাট গ্রহণ করলে শুক্রাণুর মান খারাপ হতে থাকে। তাই শুক্রাণুর সুস্বাস্থ্য ধর রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে এবং ট্রান্স ফ্যাট খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে। ৮.অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখা: ব্রিটিশ জার্নাল অফ স্পোর্টস মেডিসিন'য়ে প্রকাশিত হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথ'য়ের করা একটি গবেষণায় দেখা দেখা গেছে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টার

আমার মনে হয় একটা দুর্বল পুরুষের বীর্য এত তাড়াতাড়ি পড়ে না, বাংলাদেশের উইকেট যত তারাতাড়ি পড়ে! 🙂

কৃষি আবহাওয়া বার্তা📢 🔰আপনাদের যাদের মাঠে ধান আছে তারা অতিদ্রুত কেটে ফেলুন। একপ্রকার মাঠ ফসল দ্রুত সংরক্ষণ করেন। 🔰যাদের আম,কাঁঠাল সহ অন্যান্য ফল পরিপক্ক হয়ে গেছে সেগুলো সংরক্ষণ করুন। 🔰যেখানে ফলমূল, শাকসবজি সংরক্ষণ করবেন সেই জায়গা একটু উঁচুতে করবেন। 🔰কখনোই সংগৃহীত ফলে কার্বাইড প্রয়োগ করবেন না। 🔰গাছের ডাব সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন যা বিপদের সময় কাজে লাগবে। 🔰যেগুলো বাজারজাতকরণের সময় হয়েছে সেগুলো খুব দ্রুত বাজারজাত করে ফেলেন। ⛔পরিশেষে বলি,উক্ত সিস্টেমটি যদি আমাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী আঘাত করে তাহলে দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে এবং নিম্নাঞ্চল এলাকা বন্যার সম্মুখীন হতে পারে। তাই সবাই আগাম সতর্কতা অবলম্বন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে রাখুন। ধন্যবাদঃ ©BWOT

জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :- "বাছাড় ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড" এর প্রধান কার্যালয়ের জন্য জরুরী ভিত্তিতে কিছু ড্রাইভার নিয়োগ দেওয়া হইবে। পদের সংখ্যা : ০৫ জন। শিক্ষ্যাগত যোগ্যতা : কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণী পাস। বয়স : ২৫ থেকে ৩৫ বছর। অভিজ্ঞতা : সংশ্লিষ্ট কাজের ৫-৮ বৎসরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের জীবন বৃত্তান্ত সহ, সদ্য তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ফটোকপি ও জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপির সহ নিম্নলিখিত ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। বাছাড় ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড বাসা নং- ১৭, (লিফট এর তিন), রোড নং-০৪, সেক্টর -১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। মোবাইল: ০১৩১৮-২২১৯০০, ০১৩১৮-২২১৯০১ অথবা ০১৭৯৯৬১১৩৯১.

যৌ*ন দুর্বলতা ,উথা*নজনিত সমস্যা ,দ্রুত বী-র্যপা*ত ,লি/ঙ্গ ঠিকভাবে শক্ত না হওয়া ইত্যাদি সমস্যার জন্য আমরা একটি সাপ্লিমেন্ট তৈরি করেছি। অশ্বগন্ধা ,শিমুল মূল ,শত মূল , শোধিত আলকুশি, তেতুল বীজ , গ্যানোডারমা মাশরুম , ট্রিবুলাস , কাতিলাগাম , বীর্য মনি , বিভিন্ন ধরনের বাদাম সহ আরো অন্যান্য ন্যাচারাল খাবার/ ভেষজ এবং মধু দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এ সাপ্লিমেন্টটি। ন্যাচারাল হওয়ার কারণে খুব আস্তে আস্তে রেজাল্ট আসে ধৈর্য ধরে কমপক্ষে দুই মাস খেতে হয়। ★ এক মাস খাওয়ার উপযোগী সাপ্লিমেন্টের দাম ১১৭০ টাকা । দুই মাসের জন্য নিলে ২১৯০ টাকা । (সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠানো যাবে , কুরিয়ার চার্জ দিতে হবে না ) অর্ডার করার জন্য: 01972859950 নাম্বারে সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টার মধ্যে ফোন দিয়ে আমার সহকারীর কাছ থেকে সকল তথ্য জেনে নিতে পারবেন এবং আমাদের কাছ থেকে সুন্দরবন কুরিয়ারের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন। আরো বিস্তারিত জানার জন্য ইনবক্স করতে পারেন। . নিচের নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বারে আমাদের সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না: ★ বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950 ★ রকেট সেন্ড মানি: 01712 859950 3 ★ নগদ সেন্ড মানি : 01712 859950 ★ বিকাশ সেন্ড মানি: 01972 859950 . টাকা পাঠানোর পূর্বে ও পরে অবশ্যই মোবাইল নাম্বারে ফোন করে নিবেন । সতর্কতা: ★ এ সকল উপকরণের মধ্যে অশ্বগন্ধা ,আলকুশি সহ কিছু উপকরণ ন্যাচারাল স্টিমুলেন্ট হিসেবে কাজ করে , এজন্য উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের খেতে পরামর্শ দেওয়া হয় না । ★ মধু থাকার কারণে ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারবে না । ★ বাদাম থাকার কারণে কারো কারো গ্যাসের সমস্যা হতে পারে । ★কমেন্টে নাম ,ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার দিবেন না, অনেক প্রতারক কমেন্টের মোবাইল নাম্বার নিয়ে, ফোন দিয়ে, আমাদের কথা বলে, প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেবে । এই পোস্টে উল্লেখিত মোবাইল নাম্বার ছাড়া কোন আর্থিক লেনদেন করবেন না ।

আমার এক কাজিন ৪০+ স্যালারি পেতো। বিয়ে হবার পর স্বামীকে আর পাত্তা দিতো না। একটা মেয়ে বাচ্চা হবার পর সে নিজেই স্বামী কে ডিভোর্স দেয়। কারণ পুরো ফ্যামিলি তার পক্ষে। এভাবে ২/৩ বছর যাবার পর সে বুঝতে পারে পারিবারে তার দাম ৪০ হাজার টাকা স্যালারির কারণে। একটা সময় চরম একাকিত্ব বোধ করে অসহ্য হলে বিয়ের কথা বলে। ০৭ বছরেও একটা পাত্র জুগাতে পারেনি। ঐ মেয়ে তখন হারে হারে টের পায় বাস্তবতা কত কঠিন। এটাও টের পায় পুরুষ কে প্রতিপক্ষ ভেবে নিজের পায়ে কুড়াল মারলো। যে পুরুষকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে ডিভোর্স দিলো ঐ ছেলে ৩ মাসের মাথায় ঠিকই একটা অবিবাহিত মেয়ে বিয়ে করে নেয়। একটা পর্যায়ে পরিবার অতিষ্ঠ হয়ে যায়। বাবা অসুস্থ হয়ে যায় এসব টেনশনে মেয়ের দ্বিতীয় বিয়ে দেবার জন্য। সংসারে এত গেঞ্জাম লেগেছে যে ২ ভাই বিয়ে করে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত একটা মেয়ের লাইফ পর্যন্ত নষ্ট হয়নি সাথে মা বাবাও তিলে তিলে শেষ। একটা সময় নিজ কন্যার গ্রেজুয়েশন নিয়ে আত্মীয় স্বজন মহলে গর্ব করতো। এখন বিড়ালের মত মুখ লুকিয়ে হাফ ছাড়ে। আমাদের বাকি খালাদের অল্পশিক্ষিত মেয়েদের সংসার দেখে আফসোস করে। কী ভয়ংকর বাস্তবতা। একটা সময় আমার অল্পশিক্ষিত যে খালাতো বোনরা এই শহুরে খালাতো বোনের গ্রেজুয়েশন দেখে আফসোস করতো। ভাবতো আমরা পিছিয়ে আছি। ঐ মেয়ে জব করে সেটেল। আজ ঐ মেয়ে আফসোস করে ক্যানো অল্পশিক্ষিত থেকে বিয়ে হলো না। কেন যৌবনের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হলো। ক্যানো পরিবার আর সংসারের ছোয়া থেকে বঞ্চিত হলো। এই ফেমিনিজম কত লাখ মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে। সেটার হিসাব নেই। আর এই কারণেই শেষ পর্যায়ে তারা কট্টর ধর্ম বিদ্বেষী হয়ে পড়ে। কট্টর পুরুষ বিদ্বেষী হয়ে পড়ে। তবুও একদল বাস্তবতাকে মেনে নিবে না নিছক অহংকারীতায়। ©️ নিজাম উদ্দিন

এই লেখাটা মেয়েদের জন্য , মায়েদের জন্য । . 🟩নৰ্মাল মেনস্ট্রুয়াল সাইকল বলতে কী বোঝায় ? . পিরিয়ডের প্রথম দিন থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী পিরিয়ড শুরুর ঠিক আগের দিন পর্যন্ত একটি মেনস্ট্রুয়াল সাইকলের মেয়াদ । প্রতি মাসের সাইকেলের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে ( সচরাচর ১৪ দিন নাগাদ ) একটি পরিণত ডিম্বাণু বা ম্যাচিওরড এগ মুক্ত হয় । একে ওভ্যুলেশন বলে । প্রচলিত গড় হিসেবে একটি মেনস্ট্রুয়াল সাইকলের মেয়াদ ২৮ দিন ধরা হলেও বাস্তবে এ সময়কাল এক নারী থেকে অন্যতে আলাদা হতে পারে । আপনার ক্ষেত্রে এই সময়কাল যদি নিয়মিতভাবে ২৩ থেকে ৩৫ দিনের হয় এবং কোনও অবস্থাতেই এই ব্যবধান ৭ দিনের বেশি ফারাকে না হয় , তবে সেটি স্বাভাবিক । অধিকাংশ পিরিয়ড তিন থেকে পাঁচ দিন ধরে চলে । তবে যতদিন পর্যন্ত নিয়মিতভাবে একই সময় ধরে ( বা প্রায় ) হয় , ততদিন পর্যন্ত পিরিয়ডের প্রকৃত মেয়াদকাল নিয়ে মাথা ঘামানো হয় না । . 🟩অনিয়মিত বা ইরেগুলার সাইকল কি গর্ভধারণের সমস্যা বোঝায় ? এক থেকে অন্য মাসের সাইকলে ৭ দিনের বেশি ফারাক থাকা অনিয়মিত পিরিয়ড বলে ধরা হয় । হর্মোনে অসাম্য বা ইমব্যালান্সের কারণে ইরেগুলার পিরিয়ড বা খুব কম পিরিয়ড ( এক বা দু'দিন ধরে খুব হালকা ব্লিডিং বা স্পটিং ) হতে পারে । দুটি পিরিয়ডের ফারাক ৩৫ দিনের বেশি হলে , প্রতি বছরে মাত্র চার থেকে ন'টি পিরিয়ড হলে এবং তারা প্রকৃতিতে অনিয়মিত ও অনিশ্চিত হলে আপনার পিরিয়ডকে ‘ অলিগোমেনোরিয়া ’ বলে ধরে নেওয়া হয় । এর অর্থ এই নয় যে , আপনি কনসিভ করতে পারবেন না । আসলে এ ক্ষেত্রে ফার্টিলিটি কখন চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকে , তা অনুমানে অসুবিধা হয় । তাই স্বাভাবিকভাবে মিলিত হয়ে গর্ভধারণে সমস্যা হয় । ওভ্যুলেশন কোনদিন হবে তা বোঝার জন্য ওভ্যুলেশন - প্রেডিক্টর কিট আছে তবে তা সব মহিলার পক্ষে উপযোগী নয় । ওভ্যুলেশন অনুমানের আরেকটি পদ্ধতির নাম ফলিকুলার ট্র্যাকিং । সেখানে আল্ট্রাসাউন্ড মেশিনের সাহায্যে নিয়মিত স্ক্যান করে দেখা হয় কবে ওভ্যুলেশন হতে পারে । বেশ কয়েকটি লাইফস্টাইল ফ্যাক্টরের ওপরেও অলিগোমেনোরিয়া নির্ভর করে , যেমন: 1️⃣স্ট্রেস 2️⃣অপুষ্টি 3️⃣ অতিরিক্ত এক্সারসাইজ 4️⃣ ওজন 5️⃣ খুব বেশি সফর /জার্নি করা মানসিক চাপ কমিয়ে , অতিরিক্ত এক্সারসাইজ না করেও ফিট থেকে এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় নিউট্রিয়েন্টের উপযোগী ব্যালান্সড ডায়েট খেয়ে হর্মোনাল ব্যালান্স - সহ শরীরকে কর্মক্ষমতার শীর্ষে নিয়ে যাওয়া যায় । সুতরাং , আপনি অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় ভুগলে ওপরে দেওয়া পরামর্শ হাতিয়ার করতে পারেন । তা ছাড়া অলিগোমেনোরিয়া হওয়ার পেছনে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম অথবা থাইরয়েডের রোগের মতো কোনও সুপ্ত সমস্যা রয়েছে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভাল । 🟩 পিরিয়ড নিয়মিত ২১ দিনের কমে হয়ে চলেছে । এতে কি সমস্যা হতে পারে ? . খুব শর্ট সাইকলে অনেক সময় সমস্যা হয় । এ ক্ষেত্রে ওভ্যুলেশন কখনও খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যায় ( যেমন , মোটামুটি ৭ দিনে ) । সে ক্ষেত্রে মুক্তির আগে এগ পুরো ম্যাচিওরিটিতে পৌঁছনোর যথেষ্ট সময় পায় না । তা ছাড়া কিছু মহিলার ক্ষেত্রে ওভ্যুলেশন থেকে পরবর্তী পিরিয়ড পর্যন্ত সময়কাল ( লুটিয়াল ফেজ ) কমে যেতে পারে । এই সময় যদি ১০ দিনের কম হয় তা হলে ফার্টিলাইজড এগ ইমপ্লান্টেড হওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় পায় না । আপনার পিরিয়ড যদি খুব কাছাকাছি হয় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন । . . . 🖋️ ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ২২ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha Hijama/ Cupping Therapist Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU) Trained on Therapeutic Counselling (Department of Clinical Psychology, University of Dhaka) . 🏥 চেম্বারঃ বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , সরকারি হাসপাতাল এবং খাদ্য গোডাউন মোড়ের মাঝে , আমাবাগান জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা । . ☎️ মোবাইল নাম্বার: 01712 859950 বা, 01972 859950

যৌনাঙ্গ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা সুন্দর রুচিবোধ এর একটি অংশ, অপরিচ্ছন্ন যৌনাঙ্গ যে কারো জন্য বিরক্তিকর, পুরুষের তুলনায় নারীর যৌনাঙ্গ বেশি অপরিচ্ছন্ন হয়ে থাকে, কারো কারো দূর্গন্ধ তৈরি হয়, অপরিষ্কার থাকায় বিভিন্ন টাইপের চর্মোরোগও হয়ে থাকে। সমাধানের উপায় ✅প্রতিবার ওয়াশ রুম ব্যবহারের পরে সম্পূর্ণ যৌনাঙ্গ ধৌত করে নিবেন। এতে করে প্রতিদিন কয়েক বার ধৌত করা হবে ফলে এটি পরিচ্ছন্ন থাকবে। ✅গোছলের পরে যৌনাঙ্গে তেল ব্যবহার করবেন, অলিভ অয়েল ব্যবহার করা ভালো। ✅৫০০মিলি পানিতে ৮/১০ টি নিমপাতা দিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন, এতে ১ চা চামচ কাচা হলুদের রস দিয়ে দিন, সহ্য অনুযায়ী ঠান্ডা করে মিশ্রণটি দিয়ে যৌনাঙ্গ উত্তমরূপে ধৌত করে নিন, এরপরে কিছু সময় অপেক্ষা করে নরমাল পানি দিয়ে ধৌত বা গোছল করে নিবেন। এটি সপ্তাহে এক-দুই বার করলেই যথেষ্ট। এটা শুধু নারী পুরুষ সবার জন্য। ভালোবাসার গভীরতা লাভ হয় তৃপ্তিদায়ক যৌন মিলনের দ্বারা, অবশ্য এর জন্য সুন্দর রুচিবোধ উভয়ের মাঝে থাকতে হবে। Dr. Mamun Khandoker Homeo Doctor & Motivational Speaker. Experienced in SeX & Infertility, WhatsApp 01917378459 #Sexproblem #sexulhealth #Infertility #prematureejaculation #sexeducation #erectiledysfunction #drmamunkhandoker #masterbetion

#ক্লিটোরিস এবং অর্গ্যাজম -ইরেকশান বা উত্থান হলে ক্লিটোরিস স্বাভাবিকের চেয়ে ৩গুন বড় হয় -বাইরে থেকে ভালভার মাধ্যমে এটিকে উত্তেজিত করা যায় আবার ভিতর থেকে ভ্যাইজাইনার মাধ্যমে করা যায়। - প্রতিটা অর্গ্যাজম ক্লিটোরিস এর মাধ্যমেই ঘটে এবং এটাই সেরা অনুভূতি! - অনেক গবেষণায় দেখা গেছে কোন নারীর অর্গ্যাজম হলে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে - নিয়মিত অর্গ্যাজম স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এতে, ঘুম ভালো হয়, হৃদপিণ্ড ভালো থাকে! অবসাদ কমায়। 20 Minutes Medical

এটা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল. নিয়মিত সবার আগে তথ্য পেতে whatsapp চ্যানেলটা ফলো করে রাখতে পারেন.

এই ঈদে যারা স্ত্রী'র কাছে বেড়াতে যাবেন তাদের জন্য সুখবর নেই, কারণ দীর্ঘদিন পরে ভালো পারফর্ম হয় না, আপনার প্রথম ৮/১০ বার দ্রুত হয়ে যাবে, তবে তার পর থেকে ভালো পারফর্ম করবেন, কিন্তু দুঃখের বিষয় অধিকাংশ পুরুষ তার আগেই আবার কর্মস্থলে চলে আসবে, আর নিজেকে আবিষ্কার করবে অনেক বড় রোগী হিসেবে, যদিও সে রোগী না কিছুদিন স্ত্রীর কাছে থাকলে ভালো পারফর্ম করতে পারতো। অনেকেই ইনবক্সে ওয়ানটাইম কিছু পরামর্শ চাচ্ছেন, এটা আমি পারি না, তবে তার থেকেও বেশি কার্যকর একটি রেসিপি বলতে পারি। মধু জাফরান রেসিপি 🎯উপকরন 🔘দুধ ২০০ মিলি (গরম পানিও নিতে পারেন) 🔘১ টেবিল চামচ মধু 🔘১ টেবিল চামচ ঘি বা নারিকেল তেল 🔘জাফরান 🎯প্রস্তুতপ্রনালী প্রথমে দুধ কুসুম গরম করে চুলা থেকে নামিয়ে নিন, তাতে মধু ও ঘি মিক্সি করুন, এতে ৪/৫ জাফরানের পাপড়ি দিয়ে দিন, ভালো ভাবে মিক্সড করে ১ মিনিট ঢেকে রাখুন, গরম গরম পান করে নিন। 🎯কখন খাবেন? মিলনে ১ ঘন্টা আগে অন্য সময়ে রাতে ঘুমের আগে, তবে রাতের খাবারের কমপক্ষে ১ঘন্টা পরে, এটা নিয়মিত চলবে, অবশ্যই স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে হবে, প্রয়োজনে পরামর্শ করে নিতে হবে। সূত্রটি মনে রাখুন মিলনের সময় নারী যত বেশি উত্তেজিত হবে সেক্স আনন্দ তত বেশি হবে আর পুরুষ যত বেশি রিলাক্স থাকবে মিলনের সময় তত বেশি দীর্ঘ হবে। ট্রাই..... Dr. Mamun Khandoker Homeo Doctor & Motivational Speaker. Experienced in SeX & Infertility, WhatsApp 01917378459 #Sexproblem #sexulhealth #Infertility #prematureejaculation #sexeducation #erectiledysfunction #drmamunkhandoker #masterbetion

#topic20 by Dr Khaleda Sharmin আসুন, ২০ টা জিনিস জেনে নেই গ্যাস্ট্রিক সমস্যা নিয়ে.. প্রশ্নঃ কথায় কথায় গ্যাসের ঔষধ খাই, ঠিক হচ্ছে কি? উঃ না তো, শুধু প্রয়োজন হলেই খাবেন। ২. কাদের প্রয়োজন তাহলে? উঃ ★ গ্যাস্ট্রাইটিস ★ এসিড রিফ্লেক্স ডিজিজ ★ পেপটিক আলসারের সমস্যা ★ কারো H.pylori ব্যাকটেরিয়ার চিকিৎসার অংশ হিসেবে ★ ব্যাথার ঔষধ খাওয়ার সময় Napa,Naproxen, Ibuprofen, Diclofenac etc ★ কোনো কোনো এন্টিবায়োটিক চলাকালীন সময়ে, ইত্যাদি ৩. খাওয়ার নিয়ম কি? উঃ সকাল আর রাতের খাবারের আধাঘন্টা আগে খাবেন। সাধারণত omeprazole, lansoprazole, renitidine ইত্যাদি। ৪. তাহলে এন্টাসিডটা কি?? উঃ কারো কারো খাবার খাওয়ার পর গলাবুক জ্বলে,হার্টবার্ন বা বদহজমের সমস্যা হলে খাবে। ৫. এন্টাসিড খাওয়ার নিয়ম কি তাহলে? উঃ খাওয়ার পরপর খেতে হবে। সিরাপ বেশি দ্রুত কাজ করে, তবে ট্যাবলেটও চুষে চুষে খাওয়া যায়। ৬.কারা সাবধানে খাবেন এন্টাসিড?? উঃ ★যাদের কিডনি, হার্ট ফেইল রোগ আছে। ★ যাদের লো সোডিয়াম ডায়েট ফলো করতে হয় ★ বাচ্চা নেওয়ার প্ল্যান করছেন, ★ ম্যাগনেসিয়াম যুক্ত এন্টাসিড খাবেন না বাচ্চা পেটে থাকলে। এতে বেবি গ্রোথ কমতে পারে, আর বেশি পরিমান খেলে প্রি লেবার হবার রিস্ক আছে। ৭. প্রেগনেন্সিতে অতিরিক্ত এসিডিটি হচ্ছে, কেন? উঃ এসময় হরমোনের পরিবর্তন হয় শরীরে, আর পেটে বাচ্চা বড় হবার সাথে সাথে পাকস্থলীতে চাপ দেয়। ফলে শেষের দিকে এই সমস্যা কারো কারো বাড়ে আরো। ৮. তাহলে কি করা উচিত তখন? উঃ ★ বারে বারে অল্প করে খাবার খাওয়া। একবারে বেশি পরিমাণ খাবার না খাওয়া। ★সহজে হজম হয় এমন খাবার মেনুতে রাখা ★ আপেল, কলা, দই, এসব খাওয়া ★ আদাকুচি চাবানো, বা আদা পানি মধু দিয়ে ★চা কফি কমায় দেওয়া ★ প্রয়োজনে ডাক্তার দেখায়, সঠিক ঔষধ খাওয়া ৯. পেট খারাপ বা ডায়রিয়া হলে গ্যাসের ঔষধ কি ভালো কাজ করে? উঃ বেশির ভাগ গ্যাসের ঔষধ পেট খারাপ আরো বাড়ায়। সেজন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে। তবে রেনিটিডিন, ডেক্সলেন্সসোপ্রাজল ইত্যাদি কম ডায়রিয়া করে। ১০. গ্যাসের ঔষধ সাধারণত কতদিন খেতে হবে? উঃ সাধারণত ৪-৬ সপ্তাহ খেতে হবে। তবে কারো কারো ৮ সপ্তাহ। ১১. আমি তো বছরের পর বছর গ্যাসের ঔষধ খাচ্ছি, তাহলে কি ভুল হচ্ছে?? উঃ অবশ্যই ভুল হচ্ছে। এটা তো মেডিসিন,কোনো মজার বিষয় না। ১২. কি কি ক্ষতি হতে পারে দীর্ঘ মেয়াদি খেলে? উঃ ★নিজস্ব হজম শক্তি কমে যায়,,, বদহজম বাড়বে ★ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ★ ভিটামিন বি এর অভাব হবে ★ ক্যালসিয়াম, আয়রন এর অভাব, ফলে হাড়ের সমস্যা ★ ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের রিস্ক বাড়ায় ১৩. কেনো এসব হয়?? উঃ নরমালী আমাদের খাওয়া দাওয়া হজমের জন্য ন্যাচারালী এসিড লাগে। আর গ্যাসের ঔষধগুলো অতিরিক্ত এসিড উৎপাদন বন্ধ করে। এখন যদি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সময় খাওয়া হয় ঔষধ, তাহলে হজমশক্তির জন্য এসিড উৎপাদন কমে যায়। পাশাপাশি, তখন আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এসব absorption হবে না। ১৪. কিন্তু আমার তো গ্যাসের ঔষধ না খেলে চলেই না। কি করা?? উঃ তখন দেখতে হবে আলসার হলো কিনা। এন্ডোসকপি করতে হতে পারে। আর H.pylori ইনফেকশনের জন্য হচ্ছে কিনা সেটাও জানতে হবে। ১৫. H.pylori সনাক্ত হলে করনীয় কি?? উঃ তখন ডাক্তার দেখাতে হবে। ১৪ দিনের একটা স্পেশাল চিকিৎসায় সহজে এই রোগ ভালো হয়ে যায়। ১৬. পাশাপাশি আর কি কি করতে হবে? উঃ ★ খাদ্য অভ্যাস বদলাতে হবে। বেশি ঝাল, তেল বাদ দিতে হবে। ★ বেশিখন খালি পেটে থাকা যাবে না। ★ হজমে সাহায্য হয় এমন খাবার রাখা, যেমন, দই, আদাপানি, পেপে, আনারস ইত্যাদি। ★ প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে ★ শরীরের ইমিউনিটি বাড়াতে হবে, ইত্যাদি ১৭. দেশের বেশির ভাগ মানুষের এসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যা শুনি কেনো?? উঃ ★খাদ্যে ভেজাল,ঘনবসতি এলাকা ★লাইফস্টাইল - কায়িক শ্রমের অভাব ★ভাজাপোড়া, খোলা খাবার খাওয়া ★খালি পেটে গরম চা, কফি খাওয়া ★রান্নার ধরন এদেশে বেশি তেল, মশলায় হয় ★ ভুল নিয়মে ব্যাথার ঔষধ খাওয়া, ইত্যাদি ১৮. আচ্ছা, গ্যাস্ট্রিকের রোগীদের কি কি সমস্যা হয়? উঃ ★বুক আর পেটের মাঝে,মধ্যখানে জ্বালাপোড়া,অনেকসময় তীব্র ব্যাথা হতে পারে। ★বারবার গ্যাস হওয়া। ★পেট ভরা ভরা লাগা, খিদা না লাগা ★ কম খেলেই পেট ভরা লাগা ★বমি বমি ভাব ★ মুখে টকপানি আসা ১৯. কোন ডাক্তার দেখাতে হবে? উঃ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বা গ্যাস্ট্রোলিভারের ডাক্তার। প্রয়োজনে এন্ডোসকপি করতে হবে। ২০. এন্ডোসকপি ছাড়া আলসার বা H.pylori কিভাবে টেস্ট করা যায়? উঃ সবচেয়ে ভালো এন্ডোকপি করা। তবে কখনো কখনো, urea breath test বা রক্ত পরীক্ষায় জানা যায়। অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মতো। ✅নিজ থেকে বেশি সময় ঔষধ খাবো না। নিজের বিপদ ডেকে আনবো না। ✅ পড়াশেষে Done লিখুন.. Dr Khaleda Sharmin Mentor & Senior Course instructor of 20 Minute Medical

photo content