fa
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

رفتن به کانال در Telegram

🙂🙂🙂

نمایش بیشتر
1 996
مشترکین
-124 ساعت
+27 روز
+230 روز
آرشیو پست ها
খাওয়ার সময় মুখের ভিতর পর্যাপ্ত লা-লা নিঃসরণ না হওয়া, চোখ খচ খচ করা মানে শুস্ক চোখ, মে-লা-মেশা-র সময় যো~নি পথে ব্যাথা পাওয়া অর্থাৎ যো~নি পথ পর্যাপ্ত পরিমাণে না ভিজা, যো~নি পথ শুস্ক থাকা। এই তিনটি বিষয় একটা বিষয়ই ইন্ডিকেট করে। যার নাম Sjogren Syndrome। এই রোগে মহিলারাই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়।পুরুষের তুলনায় যেটা নয় গুন। 🔇ধণ্যবাদ ডা মোঃ সৌমিক হাসান এমবিবিএস আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ,নোয়াখালি Special Training in Skin, Sex & Allergy Disease চর্ম, যৌ~ন এবং সে~ক্স রোগ চিকিৎসক BMDC REG NO:116275

এটা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল. নিয়মিত সবার আগে তথ্য পেতে whatsapp চ্যানেলটা ফলো করে রাখতে পারেন.

🌼 অনিরাপদ যৌন মিলনের পর বা কমার্শিয়াল সেক্স ওয়ারকারের সাথে মিলিত হওয়ার পর থেকে পুরুষদের প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে পূজ যাচ্ছে,সাথে জ্বর।এরকম থাকলে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসা নিবেন।এটা গনোরিয়া নামক এক ধরণের যৌন বাহিত রোগ। 🌼 ডাঃ মোঃ সৌমিক হাসান এমবিবিএস আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ,নোয়াখালি চর্ম ও যৌন রোগ চিকিৎসক বিএমডিসি রেজি নং:A-116275

আসসালামু ওয়ালাইকুম। শুধুমাত্র যারা আমাদের "সরকার টেলিকম" এর মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, তারা নিচের লিংকে ক্লিক করে Group এ যুক্ত হতে পারেন। ভর্তির সময় জানিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেয়া হবে। https://chat.whatsapp.com/GHaAhhCOehp64tYV8Gr1wT Help line: 📞 📠 01619993851 সরকার টেলিকম এন্ড কম্পিউটার Email: sarkartelecom1971@gmail.com Whatsapp: লিংকে ক্লিক করুন https://wa.me/8801619993851 সাথে আছি: মো: সজল সরকার

জীবনকে সহজ করার ৩টি সহজ উপায় কি? আমরা যদি আমাদের জীবনকে খুব সহজ থেকে সহজতর করতে পারি, তাহলে বড় বড় বিপদগুলো থেকে মুক্তি পেতে পারি। এর জন্য আমাদেরকে জানতে হবে কিছু কৌশল। নিচে ৩টি সহজ কৌশল আপনাদের সামনে শেয়ার করছি, যা আপনাদের বাস্তব জীবনকে অনেকটাই নিরাপদ রাখবে। 1️⃣ না বলার টেকনিক জানতে হবে: আমরা অনেকের না বলতে পারিনা। আপনার কাছে না বলতে খুব কষ্ট হয়? তাহলে সরাসরি “না” না বলে, প্রশ্ন করুন। এভাবে প্রশ্ন করতে পারেন “ আমি যদি না বলি আপনার কি খুব খারাপ লাগবে?” খুব কম মানুষেই বলবে যে, হ্যাঁ আমার খারাপ লাগবে। এভাবেই টেকনিকটা ব্যবহার করতে পারেন তাহলে বড় বড় বিপদ গুলো থেকে মুক্তি পেতে পারেন। 2️⃣ অভাব জাতীয় কোন জিনিস কেনার জন্য ৩০ দিন অপেক্ষা করুন: অভাব জাতীয় যেকোনো জিনিস কেনার জন্য যদি খুব ইচ্ছা তৈরি হয়ে যায়, তাহলে কমপক্ষে কষ্ট করে হলেও ৩০ দিন অপেক্ষা করার চেষ্টা করুন তারপর নিজেকে প্রশ্ন করুন, আমি যেটি কিনতে চেয়েছিলাম সেটা কি আসলেই আমার দরকার ছিল? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় না, এই গোল্ডেন নিয়মটি মেনে চলুন। 3️⃣ বর্তমানকে ফোকাস করুন: হতাশা এবং উদ্বিগ্ন এ দুটো জিনিস তৈরি হয় অতীত এবং ভবিষ্যৎ কে ঘিরে, তাই সবথেকে বেশি চেষ্টা করুন বর্তমানে আপনি কি করছেন সেটার ওপর পুরোপুরি ফোকাস দিতে? এতে আপনি অল্প সময়ে সব থেকে বেশি কাজ করতে পারবেন এবং আপনার ভিতরে হতাশা এবং উদ্বিগ্ন কাজ করবে না। জীবনকে সহজ করার আরও বেশকিছু নিয়ম নিয়ে আমরা একটি বিস্তারিত গাইড লাইন তৈরি করছি (ই-বুক) আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ 🙏 রাশেদুল ইসলাম, ফাউন্ডার স্কিলস রাইডার

হাসান আল বসরী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, দুনিয়াবী জীবন তিনদিনের। ১. গতকাল : যা ইতিমধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে। ২. আগামীকাল : সম্ভবত তুমি তার নাগাল পাবে না। ৩. আজ : তোমার যা করার তা আজই কর। [ আয যুহুদ : ১৯৭ ]

শিশুর অর্থপূর্ণ ভালোনাম শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, এছাড়া একটি ভালো নাম, কিভাবে প্রভাব বিস্তার করে, বেক্তিগত জীবনে। তা নিয়েই আজকের আলোচনা। চলুন বিস্তারিত জানা যাক:----- অনেক সময় নামের কারণে যেমন প্রশংসা মেলে তেমনি অনেক ক্ষেত্রে বুলিংয়েরও শিকার হতে হয়। একজন মানুষের প্রথম ইম্প্রেশন তৈরিতে প্রভাব ফেলে শারীরিক বৈশিষ্ট্য, চেহারা, পোশাক-পরিচ্ছদ, কথার ধরন, আচার-আচরণ। আর প্রথম কথপোকথনে প্রভাব ফেলে নাম। একটি সুন্দর নাম মুহূর্তের মধ্যেই সবার মাঝে আপনার শিশুকে অনন্য করে তুলতে পারে-আজ এবং আগামীতেও। একটি নাম ব্যক্তিত্ব আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে পারে। মনোবিদরা বলেন, যেহেতু একটি নাম একজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে এবং প্রতিদিনের ভিত্তিতে ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই এটি একজনের আত্ম-ধারণার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। যারা নিজেদের নাম পছন্দ করেন না তাদের মানসিক সামঞ্জস্য অত্যন্ত নগণ্য হয়। হয়তো তাদের আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদার অভাব নিজেদের নাম অপছন্দ করায় প্রভাব ফেলে অথবা তাদের নিজেদের নাম অপছন্দ করার কারণে তাদের আত্মবিশ্বাসের অভাব সৃষ্টি করে। মনে রাখুন, একটি নামে ভালো অর্থ থাকা জরুরি। মাতৃভাষা কিংবা অন্য যেকোনো ভাষায় নাম হতে পারে, অর্থটা ভালো হওয়া খুব প্রয়োজন। মনে রাখবেন, নাম মানে একটি অর্থ-যা আপনার সন্তানের প্রতিনিধিত্ব করবে সারাজীবন । - রিচার্স আর্টিকেল ---- https://www.childresearch.net/papers/new/2010_01.html

ভালোবাসার চূড়ান্ত অবস্থান হলো "সেক্স" ভালোবাসলে তৃষ্ণার তৈরী হয়, মনে হয় জান, প্রান লাগিয়ে তাকে আদর করি, তখনই সেক্স এর মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমিত হয়ে বীর্য বের হয়!

যাঁরা এখনই সন্তান নিতে চাইছেন না, আবার নিয়মিত কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণব্যবস্থা (যেমন পিল বা কনডম) ব্যবহারেও অনীহা, তাঁদের জন্য ন্যাচারাল মেথড একটি উপায় হতে পারে। এই natural method follow করাকেই নিরাপদকাল বলা হয়।এটা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত একটি পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ওভুলেশন বা ডিম্বাণু স্ফুরণের সময়টি হিসাব করে ওই সময়ে সহবাস বন্ধ রাখতে হবে। কীভাবে গণনা করতে হবে? যে নারীরা প্রাকৃতিক বা ন্যাচারাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে চান, তাঁদের পূর্ববর্তী ছয় মাসের মাসিকের হিসাব রাখতে হবে। একবার মাসিক শুরু হওয়া থেকে পরবর্তী মাসিক শুরু হওয়া পর্যন্ত কত দিনের ব্যবধান থাকে, তা লিখে রাখতে পারলেই ভালো। তারপর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ব্যবধানের মাসিকচক্র থেকে ১৮ দিন বিয়োগ করতে হবে আর সবচেয়ে দীর্ঘ মাসিক চক্র থেকে ১১ দিন বিয়োগ করতে হবে। যেমন কারও মাসিকচক্রের হিসাব যদি এমন হয় যে ২৫ থেকে ৩০ দিন, তাহলে হিসাবটা হবে: ২৫-১৮ = ৭ ও ৩০-১১ = ১৯ তাহলে তার ওভুলেশনের সম্ভাবনা মাসিকের ৭ম থেকে ১৯তম দিন পর্যন্ত। এ সময়টাকে ডেঞ্জার পিরিয়ড বা ফার্টাইল পিরিয়ড বলে। এ সময় সহবাস বন্ধ রাখা বা স্বামী কনডম ব্যবহার করলে গর্ভধারণের ঝুঁকি কমে যায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে হলে পড়াশেষে Done লিখতে হবে। আমিও কমেন্টে Done লিখতেছি... Tazkia Ferdous MBBS 5th year Social Media Manager at 20 Minute Medical & Page Admin

🌼উত্থান/উত্তেজিত অবস্থায় অবস্থায় পেনিসের সাইজ চার ইঞ্চি।ছেলেগুলো এরপরেও কাঁদে।এই জন্মে কুসংস্কার দূর করা আমার পক্ষে সম্ভব না।আর কয়েকবার জন্ম নিলে হয়তো দূর করতে পারতাম। 🌼সমাধান:ভাইয়া আপনার সাইজ ভালো আছে।আপনার সাইজ যেমন,আমারও মনে হয় তেমনই😁😁।সবকিছু আমার সাথে মিলিয়ে বলি,তারপরেও আপনারা ভয় পান কেন আমি বুঝি না😀।আপনি এখন অবিবাহিত।যখন বিয়ে করবেন,বউয়ের স্টিমুলেশন পাবেন তখন দেখবেন যে,আরো এক ইঞ্চি/দেড় ইঞ্চি লম্বা হয়ে যাবে।আর চার ইঞ্চিতো যথেষ্ট।মেয়েদের যোনিপথের দৈর্ঘ্য দুই থেকে আড়াই ইঞ্চি এবং ক্ষেত্রবিশেষ আরো একটু কম।তার মানে,আপনার চার ইঞ্চি সাইজ দিয়ে আপনার স্ত্রী অবশ্যই অবশ্যই সন্তুষ্ট হবেন।আর আমাদের একটা ভুল ধারনা হলো,যত ভিতরে যেতে পারবো,তত মনে হয় আনন্দ পাবো।এটা আসলে একেবারেই ভুল,যোনিপথের বাহিরের দিকটাই সবচেয়ে বেশি সেনসিটিভ।ভয় দূর করেন।নিজের কাজকর্মে মন দেন।নিজের কেরিয়ার গড়েন এবং টাকা পয়সা ইনকাম করেন।এসব স্বাভাবিক জিনিস নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা করে নিজের শারীরিক আর মানসিক ক্ষতি করবেন না।

একজন সফল পুরুষের কেন কমফোর্ট জোনে থাকা উচিত নয়? কল্পনা করে দেখুন, আপনি একজন সফল বসের বাধ্য কর্মচারী। সকালে ঘুম থেকে উঠে কুসুম গরম পানিতে গোসল করে রিলাক্সড হয়ে মাথার পাতলা চুলগুলো সুন্দর করে আচড়ে, ফিটফাট হয়ে নয়টা-পাঁচটা অফিসে যাতায়াত করেন। আপনার বেতনে আপনি যথেষ্ট সন্তুষ্ট। আপনি একটি সুন্দর কমফোর্ট জোনে আছেন। বিয়ে করার জন্যে সুন্দরী পাত্রী খুঁজছেন। আপনার ভবিষ্যৎ টাকার যোগান হচ্ছে কয়েকটা ফিক্সড ডিপোজিট যা আপনি বেতনের কিছু টাকা আলাদা করে প্রতিমাসে জমা করেন। আপনার বাবা-মাও এই শিক্ষা আপনাকে দিয়েছে। টাকা পয়সার অভাব আপনার নাই কারণ, আপনি বাবার বাড়িতেই ফ্রি থাকা খাওয়া করেন। তাই একহিসেবে পুরো বেতনটাই আপনার সারপ্লাস। এটা দিয়ে আপনি নিজেকে যথেষ্ট ধনী মনে করেন এবং আপনার পরিবারকে সবচেয়ে সফল পরিবারদের মধ্যে একটি হিসেবে চিন্তা করেন। অথচ, টাকার চাহিদা কখনো কমে না, একরকম থাকে না বরং টাকার চাহিদা বাড়ে। এটা ধ্রুব সত্য। এন্ড্রু টেইট একটি পডকাস্টে এমন সফল চাকুরীজীবিদের জীবন নিয়ে একটি ভয়াবহ কথা বলেন- “তোমার অর্থের চাহিদা কখনো একরকম থাকবে না, এটি প্রতিদিন বাড়বে। সমাজের অবকাঠামো এমনভাবেই তৈরি করা হয়েছে যে এই চাহিদা কখনোই তোমার উপার্জন থেকে কমে আসবে না। আর এই চাহিদা তোমাকে নিঃস্ব হওয়া পর্যন্ত নিয়ে যাবে যতক্ষণ না এই সমাজ ধ্বংস হচ্ছে। তাই ধনী হওয়ার চেষ্টা করো। এখানেই তোমার মুক্তি ও স্বাধীনতা।” অথচ, আপনি বসের প্রিয়ভাজন হতে তার পদ লেহন করেন। নিজের অবস্থানকে ধরে রাখতে জব পলেটিক্স করেন। অন্যের উন্নতি দেখলে বা বসের প্রিয় হতে দেখলে আপনার অনেক ইর্ষা হয়। তাকে টেনে নিচে না নামানো পর্যন্ত আপনার জব পলেটিক্স চলতে থাকে। দিনশেষে এগুলো করে আসলেই কি কোন লাভ আছে? আপনিতো সেই মধ্যবিত্তই থেকে যাবেন। বউয়ের সব চাহিদা পূরণ করতে না পেরে তার দু চার কথা শুনে চুপ করে থাকবেন। নিজের একটা বাড়ি বা ফ্ল্যাটের জন্যে লোন করবেন, সন্তানদের উচ্চ শিক্ষা দিতে গিয়ে সেই ফিক্সড ডিপোজিটগুলো ভেঙে সর্বশান্ত হবেন। তারপরেও আপনার পরিবার সবচেয়ে সফল পরিবারদের মধ্যে একটি! আপনার কমফোর্ট জোনই আপনার জীবনের জন্যে অভিশাপ হয়ে দাড়িয়েছে। যা আপনি নিজ থেকেই আলিঙ্গন করে নিচ্ছেন। তথচ, একজন সফল পুরুষ কখনোই নিজেকে কমফোর্ট জোনে রাখে না। তার লক্ষ্যই থাকে এগিয়ে যাওয়ার। আজকে ১০ টাকা থাকলে কালকে ১০০ টাকা কমানোর চিন্তা। এটাই পুরুষের অস্তিত্বকে হাজার বছরের মানব সভ্যতায় বাঁচিয়ে রেখেছে। একটি হায়ার এইম, একটি হায়ার পারপাস। যা আপনাকে উন্নতির উপরে উন্নতি করার স্পৃহা দেয়। আপনার এই মানসিকতা কিন্তু আপনার বসের থেকে ভিন্ন। পার্থক্যটা খুবই অভ্যিয়াস- ১. কাঁকড়া মানসিকতা- একটি বালতিতে যখন অনেক কাঁকড়া রাখা হয় তখন সবাই বালতি বেয়ে তা অতিক্রমের চেষ্টা করে কিন্তু প্রত্যেকেই প্রত্যেকের পা ধরে টান মারে যার ফলে কেউই আর বালতি থেকে বের হতে পারে না। এই ভৃত্য ও কমফোর্ট জোনের লোকেরা এই মানসিকতা পোষণ করে। তারা নিজেরাও জীবনে আগাতে পারে না, কর্মস্থলেও কাউকে আগাতে দেয় না, এমনকি নিজের সন্তানদেরও বড় কিছু আশা করতে বাঁধা দেয় এবং সবচেয়ে সফল পরিবারের ডিলুশান তৈরি করে নিজেদের কুয়ার ভিতর আরাম করে ঘুমায়। ২. লবস্টার মানসিকতা- লবস্টার শতবছরেরও বেশি বাঁচে এবং যতদিন এরা বাঁচে ততদিনই বড় হতে থাকে। একটি নির্দিষ্ট সাইজে আসার পর তার আগের খোলসটা ছোট হয়ে যায়। তখন সে আরো বড় খোলসের জন্যে আগের খোলস ত্যাগ করে। এর মধ্যবর্তী সময়টাই তার জীবনের সবচেয়ে ভলনারেবল সময় কারণ, তার এই সাময়িক নরম শরীরে যেকোন আক্রমনের শিকার সে হতে পারে। ধীরে ধীরে তার দেহে নতুন শক্ত খোলস জন্মায়। এই তার বৃদ্ধি হতে বারবার তাকে এতো কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় কিন্তু কেউ তাকে থামিয়ে রাখতে পারে না। তার বড় হতেই হবে, সেটা শত কষ্টের ভিতর দিয়ে হলেও। মনিব শ্রেণীর মানুষরা সবসময়ই এই ট্রায়াল এন্ড এররের মধ্যে জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যায়। শত বাঁধা এলেও কোনকিছুই তাদের টলাতে পারে না কারণ, লবস্টারের মতোই তার দ্বিতীয় কোন অপশান বা কমফোর্ট জোন কনসিডার করার সময় থাকে না। তারা রিস্ক নিয়ে ইনভেস্ট করেই বড় হয়। বেতনের টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করে নয়। আপনার ছোট ছোট অভ্যাসগুলোই আপনার কমফোর্ট জোন তৈরি করে দেয়। তাই লবস্টার মেন্টালিটির একজন সফল পুরুষ হতে চাইলে বিভিন্ন ছোট ছোট অভ্যাসগুলোর দিকে নজর দিন, নিজের মনকে শক্ত করে বাঁধুন, মন চাইবে আরাম করতে কিন্তু এই যৌবনে সফল হতে পারলে শেষ বয়সে আরাম করার যথেষ্ট সময় পাবেন। ক্র্যাব মেন্টালিটির হয়ে বুড়ো বয়সে ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙতে হবে না।

🇧🇩🇩🇪 পরামর্শমূলক পোস্ট - জার্মানীতে আউসবিল্ডুং আমার বিগত পোস্ট থেকে বুঝতে পেরেছি যে আমাদের দেশের মানুষ জার্মানীতে আউসবিল্ডুং এর বিষয়টায় অনেক আগ্রহী। অনেক মেসেজ পাচ্ছি এ ব্যাপারে ডিটেইলস স্টেপস নিয়ে। তাই আমি সময় সুযোগ করে ধারাবাহিকভাবে যতটা পারি এ ব্যাপারে স্টাডি করে আপডেট দেয়ার চেষ্টা করবো। আজকে ওভারল স্টেপস গুলো নিয়ে লিখছি। এরপর ইনশাআল্লাহ প্রতিটা স্টেপস নিয়ে আরো ডিটেইলসে লিখবো আল্লাহ যদি হায়াত আর বরকত দেয়। আরেকটা কথা আপনাদেরকে বলে রাখি; আমি কোনো রকম কোনো প্রফিট/ টাকা-পয়সার লোভ কিংবা কোনো সুভিদার জন্য কাজ করছি না। আমার মনে হয়েছে যে অনেক দেশের মানুষ এদেশে (জার্মানীতে) আসছে এবং ক্যারিয়ার গড়ছে কিন্তু আমার দেশের মানুষ পারছে না। প্রপার তথ্যের অভাব, একটু সাহায্যের অভাবে অনেকে ভুল এবং রিস্কি পথে পা বাড়াচ্ছে। আমি আমার দেশ এবং দেশের মানুষকে ভালোবাসি; এবং আমি চাই আমার দেশের মানুষ বিদেশে এসে ভালকিছু করুক। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমি লিখছি। তাই প্লিজ আমার উপর কেউ অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করবেন না। আউসবিল্ডুং Male/Female/Divers - পুরুষ-নারী-লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার জন্য সমান অপরচুনিটি এবং পলিসি। জার্মানীতে এরা কোনো বিভেদ করেনা। একদম শুরু থেকে আউসবিল্ডুং জব ভিসা নিয়ে জার্মানীতে এসে কাজ শুরু করার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:- •• সার্টিফিকেটস রিকগনিশন এবং ট্রান্সলেশন•• প্রথমত বিদেশে এসে যে আপনি একটা চাকুরি করবেন এইজন্য তো একটা শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন। এখন আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে এটা প্রমাণ করবেন কিভাবে? অবশ্যই আপনার বাংলাদেশে অর্জন করা SSC + HSC সার্টিফিকেট দ্বারা। কিন্তু এইদেশে তো আর এরা বাংলাদেশের বোর্ড সার্টিফিকেট চেনে না। এরা তো আর ঐ শিক্ষাব্যবস্থার সাথে পরিচিত না। সোজা কথায় আপনার ডিগ্রিটা এই দেশে ফরমালি রিকগনাইজ্ড না। এখন এটা তাদের চেনাতে হবে। আর জার্মানীতে বিদেশি যেকারো ডিগ্রী রিকগ্নিশনের কাজ করে এইদেশি একটা অর্গানাইজেশন যার নাম ZAB বা “Zenteralstelle für auländisches Bildungswesen”। যারা একটু স্মার্ট আছেন এটা নিয়ে বিস্তারিত গুগোল বা ইউটিউবে সার্চ করে জেনে নিতে পারেন। এখানে অ্যাপ্লাই করে নিদ্দিষ্ট ফি এর বিনিময়ে সার্টিফিকেট টা ওনারা জার্মান শিক্ষাব্যবস্থার সাথে সমন্বয় করে আপনাকে একটা ডকুমেন্টেশন দেবে যে হ্যাঁ উনি এতটা/অতটা শিক্ষিত। তখন জার্মানির সব সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কোম্পানিগুলো নিশ্চিন্তে আপনার শিক্ষাগত সার্টিফিকেট এক্সেপ্ট করবে। এটার ফি ১০০-৬০০ ইউরো পর্যন্ত লিখা আছে। তবে আমি কিছু বাংলাদেশীদের সাথে কথা বলেছি যাদের প্রায় ৩০০ ইউরো লেগেছে। এটা নিয়ে বিস্তারিত অন্য ধারাবাহিক পোস্টে লিখবো। •• ভাষা শেখা•• জার্মানীতে আশার সবচেয়ে ইমপোর্ট্যান্ট কোয়ালিফিকেশন কিংবা রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে ডয়েচ (জার্মান ভাষার নাম) শেখা। সবচেয়ে চ্যালেঞ্জইং বিষয়ও বটে। যেহেতু আপনি প্রাক্টিক্যাল জবে ট্রেইনিং করবেন, কলিগদের সাথে কথা বলবেন, কাস্টমারদের সাথে কথোপকথন হবে আর সেটা সম্পূর্ণটাই হবে ডয়েচ ভাষায়। সুতরাং তারা যা বলছে সেটা একবার শুনেই ভালোভাবে বুঝতে পারা এবং তারা যেনো একবারেই আপনার কথা বুঝতে পারে ঐরকম ফ্লুয়েন্ট ভাবে কথা বলতে পারতে হবে। শুধু বলতে পারলেই হবে না; ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্ট দিয়ে সেটার সার্টিফিকেটও লাগবে। ডয়েচ ল্যাংগুয়েজ লেভেলগুলো হচ্ছে A1 A2 B1 B2 C1 C2. আউসবিল্ডুং এর জন্য আপনাকে কমপক্ষে B1-B2 লেভেলের ভাষা জানা থাকা লাগবে। বেশিরভাগ জবের ক্ষেত্রেই B1 হলেই হয়। কিন্তু নার্সিং এবং কমার্শিয়াল (যেমন ব্যাংক) ইত্যাদিতে B2 লেভেল প্রয়োজন হয়। আমার ব্যক্তিগত ধারণা বলে যে, এই জবগুলোতে মানুষের সমস্যা শোনা এবং তাদেরকে অনেকভাবে বোঝানোর একটা ব্যাপার থাকে তাই সম্ভবত এখানে একটু আপার লেভেলের ভাষা দক্ষতা প্রয়োজন। এখন প্রশ্ন আপনি ভাষা শিখবেন কোত্থেকে? প্রথমত, জার্মানীর অফিশিয়াল অর্গানাইজেশন আছে একটা; নাম Goethe Institute. বিশ্বের প্রায় সকল দেশেই এদের অফিস আছে। এই অর্গানাইজেশন ডয়েচ ভাষা শেখায় এবং পরীক্ষা নিয়ে সার্টিফিকেট প্রদান করে। বাংলাদেশেও এই Goethe Institute আছে। আমি কমেন্টবক্সে ঠিকানার স্ক্রিনশট এড করে দিবো। এছাড়াও অনলাইনেও অনেকে শেখায় পার্সোনালি। নিজে নিজে প্রাথমিকভাবে শিখতে চাইলে Netzwerk A1, Die Deutsche Sprache - হেমায়েত মাতুব্বর, জার্মান ব্যাকরণ A1 থেকে B1 - সরফুদ্দিন আহমেদের বই ফলো করতে পারেন। ইউটিউবে অনেক ক্লাস আছে সেগুলো দেখতে পারেন। “এসো জার্মান শিখি” নামে একটা ফেইসবুক গ্রুপও আছে। সেখানে এড হয়ে শিখতে পারেন। আপনার যেখান থেকে ইচ্ছা আপনি শিখতে পারেন। কিন্তু পরীক্ষাটা দিতে হবে Goethe Institute থেকেই। প্রতিদিন ২ ঘণ্টা করে পড়লে শূন্য থেকে B1 লেভেলে যেতে প্রায় ১০মাস- ১ বছর লাগতে পারে। যদি সময় বেশি দেয়া যায় তাহলে ৬/৭ মাসেও B1 লেভেল সম্পন্ন করা যায়। অনেকেই করেছে। আবার সবাই যে পারবে এমনও না। •• জব খোজা •• যখন আপনি ফ্লুয়েন্ট

হালাল ভাবে একটা নারীকে স্পর্শ করতে ২৮/৩০ বছর ব্যয় করে আপনাকে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। ভালো স্যালারি লাগবে। টেকসই জব লাগবে। মোহরানা জমাতে হবে। লোকজন খাওয়াতে হবে। এছাড়াও কতো প্রতিবন্ধকতা! আবার একই নারীকে হারাম ভাবে স্পর্শ করতে, উপভোগ করতে মাত্র দুই দিন সময় দিলেই হবে। স্যালারি ও লাগবে না, জব ও লাগবে না। মোহরানা ও দিতে হবে না। ১৭/১৮ বছর বয়সেই ভোগ করা যাবে। তখন কেউ আপনাকে ছোট বলবে না।। বিয়ে করতে যান। বয়স হয়নি। ক্যারিয়ার হয়নি। সেটেল হয়নি। কত অঘোষিত নিষিদ্ধ আইন। এই সমাজ ব্যবস্থায় মুসলমানদের ঈমান রাখা হাতে যে জ্বলন্ত কয়লা রাখার মত পরিস্থিতি। বলার ভাষা নাই। এই পরিবার, এই সমাজ, এই রাষ্ট্র, এই শিক্ষা ব্যবস্থা সবই আমাদের জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিচ্ছে!

স্লিপিং পার্টনার 🤎🤎🤎 IBA গ্রাজুয়েট এক ব্যবসায়ীর সাথে HSC সাইন্সে পড়ুয়া এক ছাত্রীর বিয়ে ঠিক হলো। অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ। এক মাস পরে বিয়ে। ফোনে, ম্যাসেঞ্জারে নিয়মিত কথা হয় তাদের। বিয়ের এক সপ্তাহ আগে কথা প্রসঙ্গে মেয়েটা কৌতূহলী হয়ে হবু বরকে জিজ্ঞাসা করল- - “আচ্ছা, তোমার ফ্যামিলি তো মধ্যবিত্ত। তুমি এত অল্প বয়সে এই যে এতো বড় বিজনেস দাড় করালে, মূলধন কোথায় পেলে?” - “শুনো তাহলে। তোমাকে বিয়ে যখন করবো, কিছুই গোপন করবো না। তোমাদের বাসায় তোমাকে দেখতে যাবার সময় আমাদের সাথে ফর্সা করে একটা মেয়ে ছিল। মনে আছে তোমার?” - “হ্যাঁ, তোমার আপু নাকি উনি?” - “আরেহ্ না, তার নাম সাদিয়া। ঢাকার এক শিল্পপতির মেয়ে। ছাত্র অবস্থায় একটা আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কনফারেন্সে গিয়ে তার সাথে আমার পরিচয় হয়। আমার বিজনেস প্ল্যান ওর সাথে শেয়ার করার পর সে সন্তুষ্ট হয়। নিয়মিত যোগাযোগের এক পর্যায়ে আমার উপর আস্থা রেখে সে আমার স্লিপিং পার্টনার হয়ে যায়। এরপর আমার মূলধন নিয়ে আর ভাবা লাগেনি। আমার আরো তিনজন স্লিপিং পার্টনার আছে। তবে সাদিয়া সবচেয়ে বেশি এফোর্ট দিয়েছে।” - (রেগেমেগে) “শালা লুইচ্চা, জানোয়ার, ক্যারেক্টারলেস! আমার বেস্ট ফ্রেন্ড শাহেদের কাছে আগেই শুনেছি ভার্সিটির ছেলেরা এতো এতো মেয়ের সাথে ঘুমায়। আজ হাতেনাতে প্রমাণ পেলাম। থ্যাংকস গড। তোর মতো লুইচ্চার সাথে ফুলের মতো নিষ্পাপ এই আমার বিয়ে? না, কিছুতেই হতে পারে না। লুইচ্চা কোথাকার! ফোন রাখ!” (এই বলে মেয়েটা ফোন কেটে দিল) 🥰শিক্ষা:- যত বড় বিদ্বানই হন না কেন, অন্যের জ্ঞানের লেভেল না বুঝে তার কাছে ফর্মাল ওয়েতে সবকিছু প্রকাশ করতে যাবেন না। অবুঝ মানুষ ভালোভাবে না বুঝেই রিয়্যাক্ট করে থাকে। ☘️বি: দ্র:- স্লিপিং পার্টনার অর্থ ব্যবসায়ের নিষ্ক্রিয় অংশীদার। অর্থাৎ সে টাকা ইনভেস্ট করবে, কিন্তু আড়ালেই থেকে যাবে। কাজকর্ম যা করার আপনাকেই করতে হবে আর চুক্তি অনুযায়ী লাভের একটা নির্দিষ্ট অংশ তাকে দিতে হবে ©©