uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 996
Obunachilar
+124 soatlar
+37 kunlar
+430 kunlar
Postlar arxiv
অবলীলায় সহজভাবে সত্য কথা বলাই কাল হয়।

I don't react 😛 But trust me 😃 I notice everything 🙂

আপনার ভেতরে জ্বিন শয়তান লুকিয়ে আছে তাহলে পড়ুন, ** ৩৩ বার পড়ুন الٓمّٓ আলিফ লাম মীম। *** ২১ বার পড়ুন اللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۙ الْحَيُّ الْقَيُّوْمُ আল্লা-হু লাইলাহা ইল্লা-হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ূম। "আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব সকলের রক্ষণাবেক্ষণকারী।" *** -৩৩ বার পড়ুন طٰسٓمّٓ তা-ছিম মীম। *** ২১ বার পড়ুন تِلْكَ اٰيٰتُ الْـكِتٰبِ الْمُبِيْنِ তিলকা আ-য়া-তুল কিতা-বিল মুবীন। "এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।" পড়ার সময় কি কি সমস্যা হয় খেয়াল রাখুন

সৌদি সরকার ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাঁদের ওয়েবসাইটে ভার্চ্যুয়ালি মসজিদে নববি ঘুরে দেখার সুযোগ চালু করেছে। আসুন না, আল্লাহর রাসুল (সাঃ) এর রওযায়ে আতহারটা একটু ঘুরে আসি... https://vr.qurancomplex.gov.sa/msq/

‘হে আল্লাহ, আপনি সাত আকাশের রব, আপনি মহান আরশের রব। আপনার সৃষ্টিকুলের মধ্য থেকে অমুকের পুত্র অমুক এবং তার বাহিনী থেকে আপনি আমাকে আশ্রয় দিন। যেন তাদের কেউ আমার ওপর আক্রমণ বা সীমালঙ্ঘন করতে না পারে। আপনার আশ্রয় শক্তিশালী, আপনার প্রশংসা তো অতি মহান। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।’ হাদিস : আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ অত্যাচারী শাসকের ভয় করলে সে যেন এই দোয়া পড়ে।’ (আল-আদাবুল মুফরাদ, হাদিস নং : ৫৪৫)

তালাকের নিয়ম দেখে নিন... লিংকঃ https://at-tahreek.com/article_details/865 সতর্কতা: পরকীয়া করুক আর যাই বা করুক। তালাক দিলে মামলা খাবেন এটা অলিখিত নিয়ম। কপাল খারাপ থাকলে বাবা-মা সহ জেল খাটবেন। পরামর্শ: আপনার কাছে যেহেতু প্রুফ আছে সেহেতু আপনি আগে পর পর চার পাঁচটা মামলা দিন তাদের গুষ্টিসহ এমনি এসে পা ধরে মাফ চাইবে 🥱✌️🔥নয়তো পরে ভুগবেন অনেক। আপনি আগে মামলা না দিলে সে নারী নির্যাতনের মামলা করবে। * যৌতুক মামলা Section 3 of The Dowry Prohibition Act, 2018 * আপনার মা/বোনকে বাদী করে Domestic Violence এর মামলা Section 30 of The Domestic Violence (Prevention & Protection) Act, 2010 ( স্ত্রী যদি পরকীয়া করে ) * ব্যাভিচারের মামলা - ঐ ছেলে সহ আপনার স্ত্রী বাদে কিন্তু স্ত্রীর চৌদ্দগুষ্টি আসামি যাতে সবাই জানে তার চরিত্র কেমন পবিত্র 🥱 Section 497/498 of The PC * চুরি এবং অর্থ আত্মসাতের মামলা Section 406/420/379/380 of The PC * হুমকি এবং চাঁদাবাজির মামলা Section 506/392 of The PC * মানহানির মামলা Section 499/500 of The PC * শ্বাশুড়ির নামে উস্কানি, কুপরামর্শের মামলা Section 109/110 of The PC এসব মামলা তাদের ফ্যামিলির প্রত্যেকের সাইন করা ব্ল্যাংক চেকের বিনিময়ে আপোষ করবেন। তারপর 20 লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ চেক ডিজওনার মামলা 10 লাখ টাকা বিনিময় নিয়ে খুলা তালাক করবেন✌️🔥 ✍️ কলমে - Mahdin Habib

ফেল করে হতাশ হয়ো না। ইংরেজি শব্দ ফেল ‘Fail’ মানে ‘First Attempt in Learning’ অর্থাৎ ‘শেখার প্রথম ধাপ’। বিফলতাই তোমাকে সফল হবার রাস্তা দেখিয়ে দেবে।🖤 ~আবুল কালাম🌸

"আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতনির রাজিম" "বিসমিল্লাহ হির রহমানির রাহীম" * কালেমা তাইয়্যেবা لا اله الا الله محمد رسول الله লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ * কালেমা শাহাদাত اسهد الا اله الله واحده لاسريك له واسهد ان محمد عبده ورسوله আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু। * কালেমা তাওহীদ لا اله الا انت واحدا لاشانى لك محمد رسول الله امام المتقين رسول رب المالمن লা ইলাহা ইল্লা আনতা ওয়াহিদাল্লা সানিয়া লাকা মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহি ইমামুল মুত্তাকীনা রাসূলু রাব্বিল আলামীন। * কালেমা তামজীদ لا اله الا انت نورايهدى الله لنوره من يساء محمد رسول الله امام المر سلين خاتم النبين লা ইলাহা ইল্লা আনতা নূরাই ইয়াহ্ দিয়াল্লাহু লিনূরিহী মাই ইয়াশাউ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহি ইমামুল মুরসালীনা খাতামুন্নাবিয়্যীন। * ঈমানে মুজমাল امنت بالله عماهو باسماىه وصفاته وقبلت جميم احقا مه وارعانه আমানতু বিল্লাহি কামা হুয়া বিআসমাইহী ওয়া সিফাতিহী ওয়া কাবিলতু জামীআ আহকামিহী ওয়া আরকানিহী। * ঈমানে মুফাসসাল امنت بالله وملىقته وعتبه ورسله واليوم الاخر والمد رخيره وشره من الله تمالى واليمث ىمد الموت আমানতু বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহী ওয়া কুতুবিহী ওয়া রুসূলিহী ওয়াল ইয়াওমিল আখিরি ওয়াল কাদরি খাইরিহী ওয়া শাররিহী মিনাল্লাহি তা আলা ওয়াল বা'সি বা'দাল মাওত। ইয়া আল্লাহ, ইয়া রাহমানুর রাহিম, ইয়া গাফুরুর রাহিম, ইয়া ফাত্তাহ, তুমি আমাদের সকলের নফসকে হিদায়াত দান তোমার দ্বিন কায়েম করার তৌফিক দান করো আল্লাহ ❤️❤️❤️

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দুনিয়া মুমিনের জন্য জেলখানা এবং কাফিরের জন্য জান্নাত।’ [মুসলিম ২৯৫৬, তিরমিযি ২৩২৪, ইবন মাজাহ ৪১১৩, আহমদ ৮০৯০, ২৭৪৯১, ৯৯১৬]

ইবাদাত/আমল কবুল হ‌ওয়ার শর্তসমূহঃ أعوذ بالله من الشيطان الرجيم. بسم الله. الحمد لله. والصلاه والسلام على رسول الله. 1️⃣. শিরক-কুফর মুক্ত বিশুদ্ধ ঈমান-আক্বীদাহ। [📖 "লা ইলাহা ইল্লাল্লহ, মু'হাম্মাদুর রসূলুল্লাহ" এই কালিমার রুকন এবং শর্ত সমূহ অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস, কথা ও আমলের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া, অর্থাৎ, ▪ কুফর বিত-ত্বগুত {সকল প্রকার ত্বগুত/বাতিল উপাস্য সমূহের বৈধতা ও আনুগত্য অস্বীকার করা এবং বারা'আহ (শত্রুতা-বিদ্বেষ পোষণ) করা}, ▪ ঈমান বিল্লাহ (আল্লাহর প্রতি ঈমান, তাও'হীদের প্রত্যেক রুকন-প্রকার সহ), ▪ রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের রিসালাতকে এবং তাঁর ওপর নাজিল কৃত দ্বীন ইসলামকে (ইসলামের প্রতিটি রুকন, বিধান সহ সকল বিষয়কে) সর্বোত্তম, সকল যুগ-স্থানের জন্য উপযুক্ত ও পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস, কথা ও আমলের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া। ▪ এবং, ঈমান ভঙ্গকারি বিষয়সমূহ এড়িয়ে চলা ব্যতীত যত‌ই স্বলাত, সাওম, হাজ্জ, দান-সাদাকাহ করা হোক না কেন, তা আদায়-কবুল হবে না। 📖 শিরক-কুফর পর্যায়ের নয়, এমন বিদ'আতি আকিদা থাকলেও তা বাতিল ফির্কার অন্তর্ভুক্ত/বিদ'আতি হ‌ওয়া ও জাহান্নামে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট।(আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হিফাজত করুন, আমীন) 📚 সহায়ক কিতাব সমূহ: ▪'উসূলুস সুন্নাহ' -ইমামু আহলিস সুন্নাহ আ'হমাদ বিন হানবাল, ▪ 'শারহু ইতিক্বাদ আহলিস সুন্নাহ' -ইমাম লালীক্বাঈ, ▪ 'শারহুল আক্বীদাহ আত-ত্বহাবীয়া' -ইমাম ইবনু আবিল ইয আল-হানাফী, ▪ 'আল-ইবানাহ' -ইমাম ইবন বাত্তাহ, ▪ 'ঈ'লামুল মুওয়াক্বিঈন' -ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম, ▪ 'আহকাম আহলিজ জিম্মাহ' থেকে ওয়ালা বারাআত সংক্রান্ত বিষয়গুলো -ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম, ▪ 'লু'মাতুল ইতিক্বাদ' -ইমাম ইবনু কুদামাহ, ▪ 'ইছবাত সিফাত আল-উলূ ওয়া যাম্মুত তাউয়িল' -ইমাম ইবন ক্বুদামাহ, ▪ 'আক্বীদাহ' -ইমাম সাফারিনী, ▪ 'হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ' -ইমাম আল-মুহাদ্দিস শাহ্ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী, ▪ 'ইকফারুল মুলহীদিন' -ইমামুল আছার আনওয়ার শাহ্‌ কাশ্মীরী, ▪ 'তাকবিয়াতুল ঈমান' -ইমাম শাহ মুহাম্মাদ ইসমাইল শহীদ। (র'হিমাহুমুল্লাহ) শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ এর- ▪ 'কিতাবুল ঈমান', ▪ 'ইক্বতিদা আস-সিরাত্বল মুস্তাকিম', ▪ 'আল-উবুদিয়্যাহ', ▪ 'আক্বীদাহ আল-হামাবিয়্যাহ', ▪ 'মিনহাজুস সুন্নাহ', ▪ 'আক্বীদাহ আল-ওয়াসিতিয়্যাহ' (শাইখ উসাইমিন র'হিমাহুল্লাহ এর শারহ সহ পড়লে উপকৃত হবেন ইনশা আল্লাহ)। ইমাম আল-মুজাদ্দিদ মু'হাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আত তামিমী র'হিমাহুল্লাহ এর- ▪ 'উসুল আস-সালাসা' (সারহ্ সহ পড়ার নাসিহাত করছি, শাইখ আ'হমাদ মুসা জিবরীল হাফিজাহুল্লাহ-এর তাওহীদ সিরিজ এই কিতাবের ব্যাখ্যা হিসেবে বানানো), ▪ 'আল ক্বাওয়া’ইদুল আরবাআ' (শিরক ও শিরকের অনুসারীদের শনাক্ত করার চারটি নীতি), ▪ 'উসূল‌ আস-সিত্তাহ', ▪ 'নাওয়াকিদুল ইসলাম'/‘ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কারণ সমুহ’, (ইরযা/শৈথিল্য ও গুলাত/কট্টরতা থেকে বেঁচে থাকার জন্য এটার শারহ/ব্যাখ্যা সহ পড়া উচিত) ▪ 'কাশফুশ শুবহাত' (সংশয় নিরসন), ▪ 'কিতাবুত তাও'হীদ', ▪ 'উসুলুল ঈমান', ▪ 'রিসালাহ আসলু দ্বীন আল-ইসলাম ওয়া কা’ঈদাতুহ'। (এগুলো‌ পড়লেই হবে ইনশা আল্লাহ। ভালভাবে বোঝার জন্য কোন 'আলিমের তত্ত্বাবধানে-দারসের মাধ্যমে শেখার বিকল্প নেই।) 📖 এটা মনেরাখা জরুরি যে- 'আদব ছাড়া ইল্ম একটা মিথ্যা অভিলাষ মাত্র'। এজন্য অন্ততপক্ষে ইমাম বুখারি র'হিমাহুল্লাহ-এর 'আদাবুল মুফরাদ' এবং ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম র'হিমাহুল্লাহ-এর 'আল ফাওয়াইদ' কিতাব দুইটা পড়ার নাসিহাত রইল।] 2️⃣. ইখলাস/শুধু আল্লাহ্‌র জন্য। 📖 [আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবেসে এবং শুধুমাত্র তাঁরই ভালোবাসা/সন্তুষ্টি/নৈকট্য লাভের জন্য এবং বিপরীতে রিয়া/লোক দেখানো ও সুম'আত/আত্মপ্রচার/লোকজনের প্রশংসা-সন্তুষ্টি পাওয়ার উদ্দেশ্য থেকে অন্তরকে পরিপূর্ণ ভাবে পবিত্র করা] 3️⃣. তাক‌ওয়া/শুধু আল্লাহকে ভয় করা। 📖 [শুধুমাত্র আল্লাহকে ভয় করে, তাঁর আজাব থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে। বিপরীতে, কোন মানুষ বা কোন সৃষ্টির ভয়ে বা, লোক লজ্জার জন্য/সমালোচনার ভয়ে খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকা বা, ভালো আমল করার নিয়ত থেকে অন্তরকে পরিপূর্ণ ভাবে বিশুদ্ধ করা] 4️⃣. তাওয়াক্কুল/শুধু আল্লাহ্‌র ওপর ভরসা করা। 📖 [আল্লাহর প্রতি সর্বোত্তম সুধারণা রেখে এবং শুধুমাত্র আল্লাহর কাছে (দুনিয়া ও আখিরাতে) সর্বোত্তম প্রতিদান/স‌ওয়াব/হাসানাহ পাওয়ার পরিপূর্ণ আশা নিয়ে আমলে স্বলিহ/উত্তম কাজ করা ও হারাম থেকে বিরত থাকা। বিপরীতে কোন মানুষ/জ্বিন/ফেরেশতা/ওয়াসিলা-মাধ্যম বা অন্য কোন সৃষ্টির নিকট আশা ও ভরসা করা থেকে অন্তরকে পরিপূর্ণভাবে পবিত্র করা।] 📖 [আল্লাহ তা'আলার কাছে আপনি যত বেশি চাইবেন, আশা-ভরসা করবেন, আমাদের মহান প্রতিপালক আল্লাহ তা'

ভাবছি মানুষ থেকে এখন অনেক দূরে থাকবো! যত একা থাকা যায় ততই আঘাত কম পাবো। সারাজীবন সামান্য একটু ভালোবাসা,আদর,স্নেহ,যত্ন পেতে মানুষের দ্বারে ঘুরে ব্যর্থ হয়েছি!আজকাল মানুষ কাউকে এসব বিলায় না।মানুষ কেবল ভালো থাকতে চায়,কাউকে ভালো রাখতে চায় না! ভাবছি মানুষ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিবো।যতটা সম্ভব মানুষ থেকে দূরে থাকা যায়,ততই নিজের জন্য মঙ্গল। মানুষের পিছনে সময় ব্যয় না করে নিজের পিছনে সময় ব্যয় করবো।কুকুর পুষবো,বিড়াল পুষবো।কুকুর-বিড়াল তবুও প্রভুভক্ত হয়! মানুষকে ভালো না বেসে নিঃসঙ্গ পাখিদের ভালোবাসবো,পাখিদের যত্ন নিবো।তাতে অন্তত সময় ভালোই কাটবে!নিঃসঙ্গ লাগবে না,কোনো প্রত্যাশাও জাগবে না মনে। ভাবছি এবার সত্যি সত্যি মানুষ থেকে অনেক দূরে থাকবো!মায়া ভরা কণ্ঠে কেউ ডাকলেও আর কাছে যাবো না।তাদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আর মন ভুলানো কথায় আর উচ্ছ্বসিত হবো না! এবার সত্যি সত্যি নিজেকে গুটিয়ে নিবো মানুষ থেকে!চারদিকে সব ভুল আর মুখোশধারী মানুষের পাল্লায় পড়ার থেকে নিঃসঙ্গ থাকা ঢের ভালো। ভাবছি মানুষকে বিশ্বাস না করে বিষধর সাপকে বিশ্বাস করবো।সাপ ছোবল দিবে এটা নিশ্চিত জানা থাকে,সতর্ক থাকা যায়;তবে মানুষ কখন বিশ্বাসঘাতকতা করে এটা জানা থাকে না। তাই ভাবছি এবার সাপই পুষবো! ভাবছি এবার সত্যি সত্যি মানুষ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিবো!ভন্ডদের ভীড়ে ভালো মানুষ আর খুঁজতে যাবো না!ভন্ডদের যুগে বিশ্বস্ত কাউকে খুঁজতে গিয়েই আমি বারবার আঘাত পেয়েছি ভুল মানুষের পাল্লায় পড়ে। আর আঘাত পেতে চাই না।নিজের সরলতার সুযোগ অন্তত আর কাউকে নিতে দিবো না। আপন মানুষ আর পর মানুষ;এই দুই শ্রেণীর মানুষ আমাকে শিখিয়েছে, কিভাবে একা বেঁচে থাকা যায়, নিজেকে ভালোবাসা যায়! তাই ভাবছি আপন মানুষ,কিংবা পর মানুষ;পৃথিবীর গোটা মানব জাতি থেকেই নিজেকে এখন আড়াল করে নিবো!এই মানব সমাজ থেকে নিজেকে একঘরে করে রাখবো। তোমাদের এই স্বার্থের নগরীতে অসাধারণ সব নাগরিকদের ভীড়ে,আমার মতো অতি নগন্য নাগরিক যে বড্ড বেমানান! লেখায়ঃ Md. Fahad Mia🌼

রি‌যিক ও চাকরি প্রাপ্তির আমল ১. গুরুত্ব আর মহব্বত নিয়ে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করতে পারি। ২. নিয়মিত সালাতুল হাজত পড়তে পারি। ৩. বড় কোনও গুনাহের বদ অভ্যাস থাকলে তাওবা করা জরুরী। ৪) বে‌শি বে‌শি ই‌স্তিগফার করতে পারি। ৫) মা-বাবার প্রতি সাদাচার। নিয়মিত আত্মীয়স্বজনের খোঁজখবর রাখতে পারি। ৬) হালাল রিজিকের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখতে পারি। ৭) নিয়মিত এই দোয়া করছি, رَبِّ إِنِّی لِمَاۤ أَنزَلۡتَ إِلَیَّ مِنۡ خَیۡرࣲ فَقِیرࣱ হে আল্লাহ, তু‌মি আমার জন্য যে রি‌যিক না‌যিল ক‌রেছ, আ‌মি তার খুব মুখা‌পেক্ষী (কাসাস: ২৪)। শাইখ আতিকুল্লাহ হাফি.

যেকোনো অভ্যেস তৈরী করার সময়ে " The 2 Minute Rule" অনুসরণ করতে পারেন। মানে প্রথম দুই মিনিট আপনাকে নিজের সাথে লড়াই করতে হবে। যেমন ধরুন, আপনি ভাবলেন সকাল বেলা দৌড়াতে যাবেন। কিন্তু ঘুম থেকে উঠতে ইচ্ছে করছে না। আপনাকে শুধু একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, যেটা হলো " The 2 Minute Rule"। মানে ঘুম থেকে উঠে মাত্র 2 মিনিট কষ্ট করে রানিং শ্যু পরে নিতে হবে। একবার জুতো পরে নিলে আর ঘুমোতে ইচ্ছে করবে না। একই জিনিস বই পড়ার জন্যেও ব্যবহার করতে পারেন। যখনই পড়ার সময় পাবেন, মাত্র দুই মিনিট কষ্ট করে বইটা হাতে নিয়ে খুলে ফেলুন। তারপর পড়ুন। প্রথম প্রথম কষ্ট হবে, পড়তে ইচ্ছে হবে না। বই বন্ধ করে মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটে ঢুকতে ইচ্ছে হবে। কিন্তু নিয়মিত একটু একটু করেও বই পড়তে থাকলে বইয়ের প্রতি একটা ভালোবাসা, একটা ভালোলাগা তৈরী হয়ে যাবে। এই "The 2 Minute Rule" কিন্তু সিলেবাসের বই হোক বা গল্প উপন্যাসের বই হোক, যেকোনো ক্ষেত্রেই কাজে লাগাতে পারেন। ধন্যবাদ। সাবধানে থাকুন। সুস্থ থাকুন।

সহবাসে দূর হবে মাইগ্রেনের ব্যথা! জার্মানির এক গবেষণায় স্পষ্টভাবে প্রমাণ মিলেছে মাইগ্রেনের ব্যথা বা অন্য যে কারণে মাথা ব্যথা হয় তা থেকে মুক্তি দিতে পারে যৌন মিলন! গবেষকরা ৮০০ মাইগ্রেনের রোগী এবং ২০০ ক্লাস্টার হেডেক রোগী নিয়ে এ গবেষণা করেন! মাইগ্রেনের ৬০ শতাংশ রোগী ও ক্লাস্টার হেডেক রোগীদের ৩৭ শতাংশ যৌন মিলনের মাধ্যমে তাদের যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা থেকে মুক্তি পেয়েছেন! কারণ যৌন মিলনের সময় "অ্যান্ড্রোফিল" নামে এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়, যা শরীরের বেদনানাশক হিসেবে কাজ করে!🤍 Collected From Learn With 20 Minute Medical

#পর্ব-১ অনেক সময় জীবনে চলে আসে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। হুট করে ঘটে যায় এমন ঘটনা, যা আমাদের কল্পনারও বাইরে। ঠিক সেই সময় পরিবর্তিত প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে গিয়ে মনোজগতে তৈরি হয় আলোড়ন। তৈরি হয় মানসিক চাপ, যাকে বলা হয় ‘স্ট্রেস’। এই মানসিক চাপের কারণে কেবল মনোজগতের পরিবর্তনই ঘটে না বরং উল্লেখযোগ্য বেশ কিছু শারীরিক লক্ষণও দেখা দেয়। মানসিক চাপের কারণে মস্তিষ্কে কিছু রাসায়নিক বস্তু বা নিউরোট্রান্সমিটারের ভারসাম্য নষ্ট হয়, অন্তঃক্ষরা বিভিন্ন গ্রন্থি থেকে নিঃসরিত হরমোনের ঘাটতি-বাড়তি হয় এবং এসবের প্রভাবে হৃদ্যন্ত্রের সংকোচন-প্রসারণের হার পরিবর্তিত হয়, নিশ্বাস-প্রশ্বাস হয় অস্বাভাবিক। তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে যে শারীরিক কোনো সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু মানসিক চাপের কারণেও যে এমনটা হতে পারে সেটাও মনে রাখা প্রয়োজন। মানসিক চাপের কারণে ভুলে যাওয়া, সহজেই রেগে যাওয়া, নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানো, দুশ্চিন্তা, বিচার-বুদ্ধি লোপ পাওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হওয়া, মন খারাপ, উৎসাহ-উদ্দীপনা কমে যাওয়া ইত্যাদি মনোসামাজিক লক্ষণ দেখা দেয়। পাশাপাশি যেসব শারীরিক অসুস্থতা বা যেসব লক্ষণ সাধারণত দেখা দিতে পারে, সেগুলো হলো— ■মাথা ব্যথা করা, মাথা ভারী অনুভব করা বা মাথা ঘোরানো ■বুকে ব্যথা বা অস্বস্তিবোধ হওয়া, বুক ধড়ফড় হওয়া ■শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া বা দ্রুত বারবার শ্বাস নেওয়া ■দুর্বল লাগা, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসা ■যৌনাকাঙ্ক্ষা ও যৌনশক্তি কমে যাওয়া ■পেট ফাঁপা, পেট সবসময় ভরা বোধ করা, বুক-পেট জ্বলা ■বারবার বাথরুমে যাওয়ার প্রয়োজন হওয়া ■খিদে কমে যাওয়া বা কখনো খিদে বেড়ে যাওয়া ■ঘুম কমে যাওয়া, ঘুম না আসা ■হাত-পা ঘামা ও মৃদু কাঁপুনি ■মুখ শুকিয়ে যাওয়া ■রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া ■প্রায়ই ছোটখাটো সংক্রমণ ও ঠান্ডাজনিত রোগে ভোগা ■চোয়াল শক্ত হয়ে আসা ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে দাঁতে দাঁতে বাড়ি লাগা ■নারীদের ক্ষেত্রে অনিয়মিত ঋতুস্রাব হওয়া। সবার ক্ষেত্রে সব সময় একই রকম লক্ষণ প্রকাশ পায় না। মানসিক চাপের কারণ এবং পরিস্থিতি আয়ত্ত করার ব্যক্তিগত দক্ষতা বা ‘কোপিং মেকানিজম’-এর ওপর লক্ষণ নির্ভর করে। একই ঘটনায় বিভিন্ন ব্যক্তির শারীরিক-মানসিক লক্ষণ বিভিন্ন হতে পারে। শারীরিক এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে শারীরিক চিকিৎসা গ্রহণের পাশাপাশি মানসিক চাপের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। ঘরে-বাইরে কোনো পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যে কেউ মানসিক চাপে পড়তে পারেন।মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকতে হলে শরীরের পাশাপাশি মনের যত্নও নিতে হবে। © IClinic

অনেক কষ্ট করে সকল বিকল্প সমাধান যাচাই বাছাই শেষে আপনার মনে হতে পারে এখনই কাজ শুরু করে দিতে হবে। কিন্ত এই সময়টাই হচ্ছে কাজের পরিকল্পনা শেষ বারের মতো যাচাই করার আদর্শ সময়। কাজ শেষ করার পর ভুল তো সবাই বের করতে পারে। আসল হচ্ছে কাজ শুরুর আগেই ভুল বুঝতে পারা যাতে প্রথমেই তা সংশোধন করা যায়। তাই কাজে নামার আগে আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে, নিজের ভাবাবেগ সরিয়ে রেখে, পুরো পরিকল্পনা নিয়ে আবারও ভাবতে হবে। দেখতে হবে কোনো ছোটখাটো ভুল চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে কিনা। যত গবেষণা ও চিন্তাভাবনা আপনি এর পেছনে দেবেন, আপনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তত ভাল হবে। নিশ্চিত করতে হবে যে তথ্য নিয়ে আপনি কাজ করছেন সেগুলি যেন বিশ্বস্ত হয়। আর কাজের সুবিধার জন্য কোনো তথ্য চেরি পিক (পছন্দ মতো বেছে নেয়া) করবেন না। এতে আপনি নিশ্চিতকরণ পক্ষপাত (Confirmation Bias) থেকে বেঁচে যাবেন। সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আমরা প্রায়ই এই পক্ষপাত করে থাকি। আপনার প্রাথমিক বিশ্লেষণ কাজের সাথে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করতে পারেন। অনেক সময় তাতে ভুল বের হয়ে আসবে, কিংবা তাদের কোন পরামর্শ আপনার কাজে লাগাতে পারবেন। আর নিজের মনের কথাও শুনুন। খুব ঠাণ্ডা মাথায় আপনার অনুমান ও সিদ্ধান্তগুলি নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে যাচাই করে নিন। মনে সন্দেহ তৈরি হলে গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন কী আপনাকে বেশি ভাবাচ্ছে। এজন্য আপনি ব্লাইন্ডস্পট অ্যানালাইসিস করতে পারেন। এতে আপনি বুঝবেন আপনি কি অতি আত্মবিশ্বাস, গ্রুপথিংক বা অতি দায়বদ্ধতার কারণে কোনো ভুল করে ফেলছেন কিনা। . # সপ্তম ধাপ: সিদ্ধান্তের কথা জড়িত ব্যক্তিদের জানান এবং কাজ শুরু করুন আপনার সিদ্ধান্ত নেয়া শেষ হলে কাজের সাথে জড়িত সবাইকে তা জানান। এই জানানোর কাজটি হতে হবে অনুপ্রেরণাময় ও তথ্যসমৃদ্ধ। খেয়াল রাখতে হবে সবাই যেন সম্পৃক্ত হয়। সবাইকে কাজের মধ্যে আনার জন্য আপনি সমাধানের বিষয়ে সবার সাথে আলোচনা করতে পারেন। একই সাথে তাদের জানাতে পারেন কেন ও কীভাবে আপনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন। কাজের ঝুঁকি ও সুবিধা নিয়ে যত বেশি তথ্য মানুষদের জানাবেন তারা তত বেশি আপনাকে সমর্থন দিবে। . মানুষ যদি আপনার সমাধানে কোনো ভুল খুঁজে পায়, অবশ্যই বিনয়ের সাথে তাদের এই মতামত শুনবেন। এরপর সেটা মাথায় রেখে নতুন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। কারণ কাজ ব্যর্থ হওয়ার পর প্ল্যান বদলানো যেমন আপনার জন্য অসম্মানজনক, আবার তা ব্যয়বহুলও। তারচেয়ে কাজ শুরু করার আগে প্ল্যান ভাল ভাবে যাচাই করে নিন। #কাজ #সিদ্ধান্ত #কৌশল

৭টি ধাপে সিদ্ধান্ত নেয়ার কৌশল জীবনের অনেক সহজ সিদ্ধান্ত আমরা নেই, যা নিয়ে আমাদের একটুও ভাবতে হয় না। আবার এমন কিছু সিদ্ধান্ত থাকে যার জন্য অনেক সময় ব্যয় করতে হয়, ঝুঁকি নিতে হয়। আমরা দুশ্চিন্তায়ও পড়ে যাই। সিদ্ধান্তই পারে একটা কাজ অথবা একটা ব্যবসাকে গড়ে তুলতে কিংবা শেষ করে ফেলতে। আবার একটা সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যক্তি মানুষের অনেক জটিল ও অনিশ্চিত বিষয়ও জড়িত থাকতে পারে। এখানে ৭টি ধাপে সিদ্ধান্ত নেয়া বিষয়ে কথা বলা হয়েছে। এগুলি আমাদের আরো ভাল সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে এবং সফল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়াবে। . # প্রথম ধাপ: পুরো পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন আমাদের সিদ্ধান্ত ভুল হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে, পুরো বিষয়ের মধ্য থেকে হয় আমরা কোনো গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দেই, বা কোনো জরুরি বিষয়কে অবহেলা করি। সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আপনাকে পুরো পরিস্থিতি এজন্য ভাল ভাবে বুঝতে হবে। যে সমস্যার কারণে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে প্রথমে সেই সমস্যা নিয়ে ভাবুন। আপনাকে বুঝতে হবে সমস্যাটা কি আসলেই এত বড় নাকি এটি অন্য কোনো সমস্যার লক্ষণ মাত্র। খালি চোখে যা দেখা যায় তার চেয়ে গভীরে যেতে হবে। আপনি চাইলে সমস্যা নিয়ে আলাদা ভাবে চিন্তা করতে পারেন। তবে অধিকাংশ সময় দেখা যাবে একটা সমস্যার সাথে অনেকগুলি বিষয় জড়িত থাকে। আপনি যদি একটা বিষয় পরিবর্তন করেন, দেখা যাবে অনেকগুলি জায়গায় এর প্রভাব পড়ছে। এমনকি ফলাফল হিতে বিপরীতও হতে পারে। . # দ্বিতীয় ধাপ: সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য গঠনমূলক পরিবেশ তৈরি করুন একটা সিদ্ধান্তের পেছনে যে পরিমাণ সময় ও মনোযোগ দিতে হয়, আপনি কি তা দিতে পারছেন? কাজে নামার আগেও আপনাকে তাই সময় দিতে হবে একটা গঠনমূলক পরিবেশ তৈরি করতে। টিমে কাজ করার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, আমাদের সিদ্ধান্তের প্রভাব অন্য মানুষের ওপরেও পড়বে। সবাই আলোচনা করতে পারবে ও সহযোগিতা নিতে পারবে এমন গঠনমূলক পরিবেশ তৈরি করা তাই অনেক প্রয়োজন। এটা আরো বেশি সত্য যখন আমাদের নেয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে অন্য মানুষের ওপর নির্ভর করতে হয়। তখন আমাদের ঠিক করতে হয় কাকে কোথায় রাখতে হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় কে আমাদের সাথে থাকবে। উচিত হচ্ছে দলের সদস্য ৫ থেকে ৭ জনের মধ্যে রাখা। সদস্যরা যাতে কোনো ভয় বা সংকোচ ছাড়াই নিজেদের মতামত, আইডিয়া দিতে পারে সেজন্য তাদের সাহস দিতে হবে। পুরো কাজের উদ্দেশ্য হচ্ছে সবচেয়ে ভাল সিদ্ধান্তটা খুঁজে বের করা। কারো আইডিয়া বাদ দেয়া কিংবা একে অন্যকে দোষারোপ করার কিছু নেই এখানে। . # তৃতীয় ধাপ: একাধিক ভাল বিকল্প হাতে রাখুন আপনি যত বেশি বিকল্প হাতে রাখবেন, সিদ্ধান্ত ভাল হওয়ার সম্ভাবনা তত বাড়বে। প্রথম দিকে বেশি বিকল্প তৈরি করতে গেলে আপনার কাছে জিনিসটা জটিল লাগতে পারে। কিন্ত আপনি যখন বিষয়টা নিয়ে ভাবা শুরু করবেন তখন আপনি গভীরে যেতে পারবেন ও বিভিন্ন আঙ্গিকে সমস্যাটি দেখতে পারবেন। এই সময়ে সৃজনশীল চিন্তা করার নানা ধরনের কৌশল আপনার কাজে লাগতে পারে। টেকনিকগুলি আপনাকে স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে নতুন কিছু ভাবতে সাহায্য করবে। আর তখনই সবচেয়ে উদ্ভাবনী আইডিয়াগুলি তৈরি হবে। যেমন, ব্রেইনস্টর্মিং বা মাথা খাটানো হচ্ছে নতুন আইডিয়া বের করার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়। নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখতে চাইলে, আপনার চিন্তা বা আইডিয়াকে একটা থিম বা গ্রুপের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। . # চতুর্থ ধাপ: বিকল্প উপায় যাচাই করে দেখুন আপনি যখন হাতে থাকা বিকল্প সমাধান নিয়ে সন্তষ্ট হবেন, এর পরে আপনাকে এই সমাধানগুলির ঝুঁকি কেমন, বাস্তবায়ন করা যাবে কিনা এ সকল বিষয় খতিয়ে দেখতে হবে। আসলে যেকোনো সিদ্ধান্তে কোনো না কোনো ঝুঁকি থাকেই। আপনার প্রয়োজন ঝুঁকি ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি হিসাব করার জন্য একটা সিস্টেম তৈরি করা। আবার প্রতিটা বিকল্পের নৈতিক বিষয়ও খতিয়ে দেখতে হবে। আপনার নিজের ও প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধের সাথে সিদ্ধান্তগুলি কতটুকু যায় সেটা বের করতে হবে। . # পঞ্চম ধাপ: সেরা সমাধান বেছে নিন সব বিকল্প উপায় মূল্যায়ন করার পর এখন আপনার কাজ সিদ্ধান্ত নেয়া। এটি করতে গিয়ে আপনি একাধিক শর্তের মধ্যে তুলনা করতে পারেন। কোনো একটি বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিতে হতে পারে। আপনাকে যদি একটা গ্রুপের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সেক্ষেত্রে সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য সবার ভোট নেয়ার দরকার হবে। আলোচনার সময় কখনও নাম গোপন রাখার প্রয়োজন পড়তে পারে। আবার দলের লোকেদের মধ্যে খারাপ সম্পর্ক থাকতে পারে বা তারা একে অন্যের উপর প্রভাব খাটাতে চাইতে পারে। এমন অবস্থায় একটা ন্যায়, নিরপেক্ষ সিদ্ধান্তে আসার জন্য আপনি ‘Delphi Technique’ ব্যবহার করতে পারেন। এই টেকনিকে একজন মধ্যস্থতাকারীর উপস্থিতিতে দলের সদস্যরা নিজেদের নাম গোপন রেখে লিখিত ভাবে তাদের মতামত জানায়। তারা নিজেদের মধ্যে কোনো আলাপ করে না, এমনকি জানেও না অন্যদের মতামত এখানে নেয়া হচ্ছে। . # ষষ্ঠ ধাপ: আপনার কাজের প্ল্যান যাচাই করুন