1 955
订阅者
-124 小时
-67 天
-1730 天
帖子存档
1 955
যৌন সমস্যা সমাধানে অ্যালোপ্যাথি ভালো হবে নাকি হোমিওপ্যাথি?
আসসালামু আলাইকুম। অনেক ভাই জানতে চান যে, বিভিন্ন সমস্যা বিশেষত তাদের মাস্টারবেশন, বিকৃত মৈথুন ইত্যাদির কারণে যে যৌন সমস্যাগুলো দেখা দেয় সেগুলো চিকিৎসার জন্য অ্যালোপ্যাথি ভালো হবে নাকি হোমিওপ্যাথি ভালো হবে।
এ ব্যাপারে বলার আগে পরিস্কার করা দরকার যে, আমরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের কোন শাখাকেই ছোট বা বড় করে দেখি না। তাই এক্ষেত্রেও নিরপেক্ষ জায়গা থেকে মূল নীতি মেনে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো। ইনশা- আল্লাহ।
যেকোনো রোগের চিকিৎসার সপক্ষে আমরা দুইটা জিনিসকে মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করি। ১. কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক, ২. বিজ্ঞান ভিত্তিক।
বিজ্ঞানের মেথোডলজি হলো "ম্যাকানিজম" (কারণ, প্রভাবক, পদ্ধতি)। অর্থাৎ কোন জিনিস কিভাবে কাজ করে বা একটা সমস্যা কীভাবে সমাধান হল সে প্রক্রিয়া জানানো।
যেমন একটি স্থাপনা নির্মানে শ্রমিক ভাইয়েরা জানেন যে, কীভাবে কোথায় কী বসালে কাঠামো দাঁড়াবে। কিন্তু, এই দাঁড়ানোর পেছনের ঘটনা বা মূল ম্যাকানিজম - ম্যাটেরিয়াল এর শক্তিক্ষমতা, ভূমির চাপ ধারণক্ষমতা অনুযায়ী ডিজাইন, আর্কিটেকচারাল পলিসি ইত্যাদি ব্যাপারগুলো জানেন ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট।
বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে সবচেয়ে বহুল প্রচলিত পদ্ধতি অ্যালোপ্যাথি। এটি তার চিকিৎসার ম্যাকানিজম প্রকাশ করে। অর্থাৎ এর চিকিৎসা গ্রহণ করলে তা কীভাবে দেহে Absorption, Assimilation ও Metabolism হয়, কীভাবে Receptor সেটাকে Receive করে, Process করে, কোন প্রক্রিয়ায় রোগটাকে Heal করে এবং সব শেষে বডি থেকে Excretion হয় - এ সবকিছু।
এ কারণে আমরা এলোপ্যাথি সমর্থন করি।
--
এবার আসি রুকইয়া বিষয়ে।
রুকইয়া কিভাবে কাজ করে বিজ্ঞান তার ব্যাখ্যা দিতে পারেনা। কিভাবে একটা পানি পড়া, দোয়া-দরুদ বা ঝাঁড় ফুক কাজ করে তার বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই।
কিন্তু কুরআন - সুন্নাহ ও সালাফগনের আমল দ্বারা এটি স্বীকৃত। তাই বিশ্বাসের জায়গা থেকে আমরা এটা সমর্থন করি।
--
হোমিওপ্যাথি, ইউনানী, আয়ূর্বেদিক, হার্বাল, চাইনিজ সহ চিকিৎসার অন্যান্য পদ্ধতিগুলো বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় এগুলো বৃহৎ বা ক্ষুদ্র আকারে প্রচলিত রয়েছে।
আমাদের জানামতে এগুলোর কোনটাই ম্যাকানিজম বা মেথডোলজি বর্ণনা করতে পারে না। আর এসবের সাথে আমাদের "ইসলামিক বিশ্বাস" এর কোন সম্পর্ক নেই।
তবে খুব ভালো করে মনে রাখা দরকার যে, আধুনিক অ্যালোপ্যাথি আসার আগে শত শত বছর ধরে এই সকল চিকিৎসা পদ্ধতিতে কোটি কোটি মানুষ সুস্থ হয়েছেন, আল্লাহর ইচ্ছায়। এখনো অসংখ্য মানুষ অ্যালোপ্যাথি প্রক্রিয়ার বাইরে অন্যান্য চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠছেন।
কেবলমাত্র এর পেছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা না থাকার কারণে এবং বিশ্বাসগত ভিত্তি না থাকায় আমরা তা উল্লেখ করি না।
অর্থাৎ, আমরা বাকি শাস্ত্র গুলো নিয়ে উৎসাহ বা নিরুৎসাহ কোনটাই করছি না।
সুতরাং সংক্ষেপে বলতে গেলে বলতে হয়-
১. রুকইয়া, ইউনানী সহ মুসলিম চিকিৎসা পদ্ধতি গুলো কুরআন-সুন্নাহ এবং বুযুর্গগনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে স্বীকৃত। দক্ষ ও বিজ্ঞদের থেকে পরামর্শ নিয়ে গ্রহণ করতে পারেন।
২. অ্যালোপ্যাথি বিজ্ঞানসম্মত। তাই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ মেনে গ্রহণ করতে পারেন।
৩. অবশিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি (হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদিক, হার্বাল, চাইনিজ ইত্যাদি) বহুল প্রচলিত বিধায় গ্রহণ করতে পারেন। তবে লাভ/ক্ষতির দায়ভার গ্রহণকারীর।
এবার সিদ্ধান্ত আপনাদের।
ধন্যবাদ।
1 955
আপনার যদি কর্পোরেট সেক্টরে জব করার ইচ্ছে থাকে তাহলে একাউন্টিং নিয়ে পড়তে পারেন।
আর যদি গভ জবের ইচ্ছে থাকে তাহলে সহজ একটা বিষয় যেখানে কোনো ম্যাথ থাকবে না এমন বিষয় নিয়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করতে পারেন, পাশাপাশি গভ জবের প্রিপারেশন নিতে পারেন।
আরেকটা কথা, আপনি যে বিষয় নিয়েই পড়েন না কেনো একাডেমিক পড়াশোনা আপনার চাকরির বাজারে কোনো কাজে লাগবে না।
যেই বিষয় নিয়েই পড়েন না কেনো, করপোরেট সেক্টর হউক বা গভ. ক্যারিয়ারের জন্য ছাত্রজীবন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করে তোলতে পারলে পড়াশোনা শেষ করে হতাশায় ভুগতে হবে না।
1 955
সাধারণত যাদের মাসিক চক্র ২৮-৩০ দিনে হয় তাদের ক্ষেত্রে মাসিক হওয়ার ১০তম দিন থেকে ২০ তম দিন গুলো বাদে সহবাস করলে কন্সিভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা। প্রতিমাসেই শারীরিক অবস্থা ও মাসিক চক্র একই থাকে না তাই সাধারণত ধরা হয় মাসিক শুরুর দিন থেকে আগের ৭ দিন ও মাসিক শুরু প্রথম দিন থেকে যত দিন মাসিক(৩-৭দিন) চলবে ততদিন সহবাস করা নিরাপদ। তবে, মাসিক নিয়মিত না হলে এই পদ্ধতি কার্যকর হবে না। তবে সর্বোপরি এটা বলতেই হয় যে, কনডম ছাড়া সহবাস করা মোটেও নিরাপদ নয়। তাই সহবাসে কনডম ব্যবহার করা উত্তম।
বি:দ্র: মাসিক চলাকালিন সহবাস করা যাবেনা,কেনো না মাসিক চলাকালিন সহবাস হারাম। মাসিক চলাকালিন সহবাস করলে যোনিতে ইনফেকশন হয়। এছাড়াও নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
উত্তরটি দিয়েছেন Jahidul Hasan Sir,
1 955
ব্যাক্তিত্ব বাড়ানোর কিছু নিয়ম।
০১/ পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা।
০২/ যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু কথা বলা।
০৩/ কাউকে হেয় করে কথা না বলা এবং না শোনা।
০৪/ কথা বলতে গেলে যার সাথে কথা বলেন তার চোখে চোখ রেখে কথা বলা। ইতস্তত লাগলে কপালের দিকে তাকাবেন।
০৫/ কাউকে কথা দিলে তা রক্ষা করা।
০৬/ কথা বলার সময় মাথা অথবা শরীর অযথা চুলকানো উচিত না।
০৭/ জোরে কথা না বলা, অট্টহাসি না দেওয়া।
০৮/ কারো সামনে দাঁত ও নাক না ঘুঁটানো।ঘুঁটানো দরকার হলে অবশ্যই ওয়াশরুমে গিয়ে পরিষ্কার করে আসবেন।
০৯/ কারো সাথে কথা বলার সময় পা দোলানো এবং নাকমুখ কোঁচকাবেন না।
১০/ কথা বলার সময় যার সাথে কথা বলছেন তার দিকে পুরো মনোনিবেশ এবং মুখে হালকা হাসি রাখবেন।
১১/হাঁটার সময় শরীর তীরের মতো সোজা রাখবেন,বুক টানটান এবং অবশ্যই ছোট ছোট কদম ফেলবেন।
১২/ পাবলিক স্পিকিং অথবা প্রেজেন্টেশন এর সময় অবশ্যই পকেটে, বুকে হাত রাখবেন না। হাত আপনার কম্ফোর্ট জোনে রাখবেন।
১৩/ মুরুব্বিদের সালাম ও ছোটদের স্নেহ তো অবশ্যই করবেন।
১৪/ এই যুগে মানুষ তার মনোভাব বলতে চায় সুতরাং একজন ধৈর্য্যশীল শ্রোতা হবেন।
১৫/ উপার্জিত টাকার ক্ষেত্রে ৪০-৩০-৩০ রুলস ফলো করবেন। ৪০% ভবিষ্যত সঞ্চয় ,৩০% নিজের জন্য,৩০% পরিবার ও আত্মীয় এর জন্য।
১৬/ কাউকে আপনার ব্যক্তিত্ব নষ্ট করার সুযোগ দিবেন না।কেউ আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করলে গম্ভীরভাবে তার চোখের দিকে তাকাবেন তারপর বলবেন " তুই/আপনি কি ঠিক আছেন??
১৮/ সর্বদা পরিচ্ছন্নতা মেইনটেইন করবেন,দিনে ০২ বার গোসল,পা পরিষ্কার করা,হালকা ব্যয়াম,দাঁত মাজা,প্রচুর পানি খাবেন আর অবশ্যই সুগন্ধি ব্যবহার করবেন।
১৯/ নামাজ/ প্রার্থনা করবেন।
২০/ সোশ্যাল মিডিয়ায় কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে শো অফ করবেন না।
এগুলোই আমি মেইনটেইন করি।আর কিছু মনে আসলে পরে জানাবো।
1 955
#মাত্র_৫১০_টাকায়_ঢাকা_থেকে_কলকাতা😌
➤ঢাকা থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ৩৯৮ কি.মি.
➤ঢাকা থেকে গেদে হয়ে কলকাতার দূরত্ব ৩৯৮ কি.মি.
✪ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে খরচ হয় ১১০০ টাকা
✪ ঢাকা থেকে গেদে হয়ে কলকাতা যেতে খরচ হয় ৫১০ টাকার মতো
এখন আপনাদের বলি কিভাবে সব থেকে কম খরচে ঢাকা থেকে কলকাতা যাবেন.
☞স্টেপ ১: সবার আগে আপনাকে ঢাকা থেকে দর্শনা হল্ট পর্যন্ত ট্রেনের টিকিট কাটতে হবে। খরচ হবে মাত্র ৪০০ টাকা।
☞স্টেপ ২: দর্শনা হল্ট স্টেশন নেমে একটা ভেনে করে চলে আসবেন দর্শনা স্থল বন্দরে। খরচ হবে মাত্র ৩০ টাকা। কিন্তু #সাবধান। ভুলেও দালালের ক্ষপ্পরে পড়বেন না।
☞স্টেপ ৩: বাংলাদেশ সাইটের ইমিগ্রেশন শেষ করে আরেকটি ভেনে করে চলে যাবেন ইন্ডিয়ান সাইডের ইমিগ্রেশনে। এখানে খরচ হবে ৫০ টাকা। চাইলে এই পথ টুকু হেটেও যেতে পারেন, মাত্র ১ কিলোর মতো।
☞স্টেপ ৪: ইন্ডিয়ান সাইডের ইমিগ্রেশন শেষ করেই চলে যান পাশের গেদে স্টেশনে। সেখান থেকে মাত্র ৩০ টাকায় সিয়ালদহ স্টেশনের টিকিট কেটে চলে আসুন কলকাতা।
আপনার মোট খরচ হবে মাত্র ৫১০ টাকা🤑🤑🤑
#বিঃদ্রঃ এরকম আরো টিপস পেতে আমার পেজ TravelaRy ফলো দিয়ে রাখুন।
1 955
স্বাস্থ্যকর সকালের নাস্তাঃ
*রুটি+সবজি+১ টা সিদ্ধ ডিম
*চিড়া/ওটস+টকদই/দুধ+ড্রাই ফ্রুটস+কলা/আম
*সবজি খিচুড়ি
*ভাত+সবজি+মাছ/মাংস/ডিম
🚩কোনো শারীরিক জটিলতা না থাকলে যে কোনো একটি অপশন নির্বাচন করে খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন,,শারিরীক জটিলতা ভেদে খাদ্য তালিকার পার্থক্য হয়।আর যে খাবারই খান না কেন পরিমাণ ও সঠিক রান্নার পদ্ধতি খাবারকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে🙂
🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩
পুষ্টিবিদ নাহিদা আহমেদ
বি.এস.সি,এম.এস (খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান)
এমপিএইচ(পাবলিক হেল্থ নিউট্রিশন),সিএনডি
স্পেশাল ট্রেনিং ইন নিউট্রশন (ইন্ডিয়া)।
এখন থেকে আমি 20 Minute Medical এ ভিডিও বা অডিও কলে নিয়মিত রোগী দেখছি,পরামর্শ দিবো এবং হেলথ অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রামের কোর্স ইন্সট্রাক্টর হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছি।
1 955
🚫 No More Losses
🔴 অন্যকে ঠকানো যেমন অন্যায়— নিজেকে ঠকানোও ঘোরতর অন্যায়। যে যাই বলুক, আপনার ভালো থাকার কিংবা নিজেকে ভালো রাখার দায়িত্ব দিন শেষে আপনার নিজেরই। আপনার দায় বা দায়ভার অন্য কেউ নিবে না কখনোই। মানুষের কাছ থেকে বড়োজোর কিছু শুকনো কিংবা রসালো সান্ত্বনা পেতে পারেন। কখনো আবার সেটাও পাবেন না।
🟢 আপনি নিজে নিজেকে সম্মান না করতে পারলে অন্যরা কখনোই আপনাকে সম্মান করবে না। তাই অন্যদের কাছে নিজেকে সস্তা বা সহজলভ্য করে তুলবেন না কখনোই।
🟠 ভার্চুয়াল কিংবা রিয়েল লাইফে যে মানুষগুলো আপনাকে শুধুই টাইম পাসিং এলিমেন্ট কিংবা ট্রাম্প কার্ড হিসেবে পাশে চায় শুরুতেই তাদের মন থেকে বাদ দিয়ে দিন (প্রিয় মানুষ হলেও)।
🔵 যে মানুষগুলো আপনার জন্য আলাদা সময় রাখে কিংবা ব্যস্ততার মাঝেও সময় বের করে নেয় তাদের সময় দিন। যারা কেবল অবসরে আপনাকে সময় দেয় তাদের বাদ দিন।
🟣 নিজের সময়ের মূল্য দিন। সময়ের একমুখী পথ। এর কেবল যাওয়া আছে, ফিরে আসা নেই। পৃথিবীর সমস্ত কিছুর বিনিময়েও আপনি চাইলে জীবন থেকে চলে যাওয়া ১ টা সেকেন্ড ফিরিয়ে আনতে পারবেন না।
🟤 কারো প্রয়োজনে যদি সময় দিতে হয় সেক্ষেত্রে সেটাকে সাদকায়ে জারিয়া হিসেবে দান করে দিন। মানুষকে বিপদের সময় টাকাপয়সা দান করলে যেমন সাদকা হয়, তেমন সময় দিয়ে সাহায্য করলেও সাদকা হয়।
⚫ অনলাইন বা অফলাইনে সেইসব মানুষকে নক করা বাদ দিন যারা কেবল অবসরে বা তাদের মনমর্জি মতো অবজ্ঞা নিয়ে আপনাকে সময় দেয়। বরং তাদের সময় দিন যাদের কাছে আপনার উপস্থিতি অনেক কাঙ্খিত।
⚪ কারো উপকার করলে তা মনে রাখতে যাবেন না। মনে রাখলেই প্রত্যাশা বাড়বে। মানুষের প্রতি প্রত্যাশা যতো কম থাকবে জীবনে ততো ভালো থাকবেন।
✅ সবার আগে নিজেকে ভালোবাসতে শিখুন। সময় সুযোগ হলে অন্যদের ভালোবাসতেই পারবেন। একা লাগলে কুকুর, বিড়াল পুষুন। রাস্তার কুকুর, বিড়ালকে খাবার দিন। তবে পাখিদের খাঁচায় পুষতে যাবেন না। ওদের মুক্ত আকাশে উড়ে বেড়াতে দিন।
1 955
আপনি দুইভাবে হতে পারবেন ।
১) MBBS শেষ করে তারপর সাইকোলজি বিষয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করে ।
২) Psychology সাবজেক্টে অনার্স করে । অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই এই বিষয় পড়ানো হয় । আপনি HSC তে যেকোনো বিভাগ থেকেই Psychology তে অনার্স করতে পারবেন ।
তবে, আমরা সমস্যায় পড়লে সাধারণত যাদের কাছে যায়, তারা ডাক্তার ।
তাই আপনি পেশা হিসেবে নিতে চাইলে অনার্স করলে চাহিদা কিছুটা কম হবে।
1 955
কিছু অসাধারণ বিজনেস অনলাইন টুল যা আপনার বিজনেস কে কিলার বানাই দিবে xD পোস্ট সেভ করে রাখেন পরে কাজে লাগবে ।
একদম এক ক্লিকেই আপনার বিজনেস সাইট বানাতে এই সাইট সবচেয়ে বেশী কাজে দিবে । সাইটঃ https://www.squarespace.com/
অনেক সোস্যাল একাউন্ট খুলতে হয় । যার দরুন আপনি ভুলে যান কোনটায় কি পাসওয়ার্ড দিসেন । যাতে না ভুলেন তার জন্য একটা ভল্ট ইউজ করতে পারেন । লিঙ্কঃ https://www.lastpass.com/
জানতে চান আপনার সময় কিভাবে নষ্ট হয় ? বা কি করে কাটান তাহলে https://www.rescuetime.com/ এ যান
ডিজাইন না করলে কিসের বিজনেস ? ডিজাইন আপনার বিজনেস কে আরো বেশী গ্রোথ দিবে তার জন্য https://snappa.com/ ইউজ করতে পারেন এখানে কাস্টম টেম্পলেটস পাবেন
অনেক সময় গুগলের ছবি ডাউনলোড করতে সমস্যা হয় অথবা তাদের কপিরাইট বা ট্যাগ আসে তার সমস্যা সমাধানে আছে https://unsplash.com/
মারাত্নক অসাধারণ আম্যাজিং গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে চান ? কিন্তু ফটোশপ খুলতেই পারছেন না? চিন্তা নেই । আপনার জন্য আছে https://pablo.buffer.com/
যেকোনো কিছু এক্সপ্লেইন করতে https://evernote.com/products/skitch ইউজ করেন । তাদের অ্যাপ ইউজ করে আপনি যা স্ক্রিনশট তুলসেন তা এক্সপ্লেইন করে মানুষ কে পাঠান ।
এখন আর মানুষ ছবি দেখেনা । দেখলেও ছবি দেখে ইন্টারেস্ট জাগেনা তাই প্রমো ভিডীও বানান । https://promo.com/ এ ১৫ সেকেন্ডের সেরা প্রমো বানান টেম্পলেটের মাধ্যমে
কাস্টম মার্কেটিং এর ভিডিও বানাতে https://animoto.com/
আপনার লেখা পোস্ট কে ভিডীও তে রূপান্তরিত করতে https://lumen5.com/
সবার আগে চলে যান দৌড়ে https://www.powtoon.com/ ব্যাবহার করে । কারণ এটাই আপনি এনিমেটেড বিজনেস ভিডিও বানায়ে প্রমোট করতে পারবেন
https://business.facebook.com/latest/home?nav_ref=bm_nav_card_redirect&asset_id=102219294800347 এটা হচ্ছে ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার । এটা আপনার ফেসবুক ইন্সটার সব বিজনেস ম্যানেজ করতে হেল্প করবে
https://ads.google.com/home/ এটা আপনাকে হেল্প করবে অ্যাড বানাতে
গুগলে আপনার প্রোডাক্টস এর বিজ্ঞাপন দিতে https://www.google.com/retail/solutions/performance-max/
আপনার বিজনেস কে ভিজ্যুওয়ালাইজ করেন https://www.lucidchart.com/pages/ দিয়ে
1 955
একদা বাগদাদের বাদশাহ এর ছিল দুইজন কন্যা। এই দুই রাজকন্যা ছাড়া তার ছিলনা কোন রাজপুত্র। রাজকন্যা দুজন ছিল বাদশা এর অনেক অনেক আদরের।
সবসময় দুই রাজ কন্যার জন্যে দশ পনেরো জন দাসী প্রস্তুত থাকতো। কখন কোনো রাজকন্যার কি দরকার হবে আর তারা হুকুম পালন করবে। দুই রাজকন্যারই একটা করে বিড়াল ছিলো।
বিড়াল দুটো ছিলো তাদের সবসময় এর সাথী। তারা খেতে বসলে এমনকি ঘুমাতে গেলেও ঐ বিড়াল দুটো সাথে সাথে থাকত। তো দেখতে দেখতে দুই রাজকন্যাই একসময় বড় হয়ে গেলো।
তারা বিবাহ উপযুগি হয়ে গেলো। তারপর বাদশাহ এর চিন্তা বাড়তে লাগল, কারন এই দুই রাজকন্যার জামাইদের উপরেই তার এই বিশাল রাজ্যের দায়িত্ত দিয়ে যেতে হবে।
সুতারাং এমন যোগ্য দুজন ছেলে খুজে বের করতে হবে। যারা এই গুরু দায়িত্ব ভালো ভাবে পালন করতে পারবে।
সারা রাজ্যে অনেক খোজাখুজি করে এমন দুইভাই পাওয়া গেলো যাদের কাছে রাজকন্যাদের বিয়ে দেয়া যায় বলে বাদশাহ এর মনে হল। তারপর অনেক ধুমধাম করে বিয়ে হল দুই রাজকন্যার একসাথে।
অতঃপর বাদশাহ দুই মেয়ে জামাইকে সমান ভাবে রাজ্যের দায়িত্য ভাগ করে দিলেন। এরপর দুই ভাই রাজ্য চালনা নিয়ে অনেক ব্যাস্ত হয়ে পরলো। দুইজনের অনেক দিন দেখা সাক্ষাত নেই।
হঠাত করেই রাজ্যের একটা বড় অনুষ্ঠানে দুই ভাই এর দেখা হয়ে গেলো। তারপর দুইজনই আবেগে আপ্লুত হয়ে পরলো এতদিন পরে ভাইএর সাথে দেখা এই জন্যে।
তারপর অনেক কথায় কথায় ছোট ভাই জিজ্ঞাসা করলো তাদের বৌ মানে রাজকন্যাদের কথা। তখন বড় ভাই বলল হুম, বড় রাজকন্যা তাকে অনেক সমীহ করে চলে।
তার কোন কাজই করা লাগে না। ইত্যাদি ইত্যাদি। এইসব শুনে ছোটভাই বলল ছোট রাজকন্যা তার কোন যত্নই করে না। সবসময় রাগা রাগি করে এমনকি মাঝে মাঝে গায়েও হাত তুলে।
তখন বড় ভাইকে জিজ্ঞাসা করল কিভাবে রাজকন্যাকে বশ করল? তখন বড় ভাই বলল, রাজকন্যার বিড়ালের কথা।ছোট ভাই বলল হ্যাঁ ওই বিড়ালকে তো আমার চাইতেও বেশি যত্নে রাখে।
বড়ভাই বলল, হ্যাঁ, প্রথম দিন বাসর রাতে ঘরে ঢুকেই আমি একটা তরবারি দিয়ে ওই বিড়ালের ওপরে দিলাম এক কোপ। ব্যাস একবারে দুইভাগ।
এই ঘটনায় বড় রাজকন্যা ভাবলো আমি মনেহয় অনেক বড় কোন বীর, এরপর থেকেই সে আমাকে অনেক সমীহ করে চলে। তো এই কথা শুনে ছোটভাই মনে মনে ভাবলো ঠিক আছে আজকে বাড়ী ফিরেই বিড়ালের জীবন নাশ করা লাগবে।
তারপরে আবার অনেকদিন পরে দুই ভাই এর দেখা। এবার ছোট ভাইএর শরীরে অনেক কাটা দাগ। বড়ভাই জিজ্ঞাসা করলো কি খবর কোন যুদ্ধে আহত হয়েছিলে নাকি?
ছোটভাই বলল, না ভাই তোমার ঘটনা শুনে আমি ওইদিন বাসায় গিয়ে তরবারি নিয়ে এক কোপে বিড়ালটাকে দুইভাগ করে দিলাম।
কিন্তু আমার বেলায় ঘটনা উলটো হল।আমাকে এর শাস্তি সরূপ একমাস কারাবন্দি আর অত্যাচার ভোগ করা লাগলো। তখন বড়ভাই বলল, বিড়াল বাসর রাতেই মারতে হয়, পরে মারলে কোন লাভ নাই।
প্রকৃতপক্ষে বাসর রাতে বিড়াল মেরে কিছু হয়না। এগুলো শুধুই গল্প কথা…. এর সাথে ইসলামের দূরতমও কোন সম্পর্ক নেই।
1 955
How To Do LUCID DREAM!!❤️🔥💥
লুসিড ড্রিম সম্পর্কে অনেকেই জানে। কিন্তু অনেকেই জানেনা,এই লুসিড ড্রিম কতোটা যে উপকারী আমাদের জন্য।🌻
🔰লুসিড ড্রিমিং করে বিজ্ঞানী নিউটন, নিকোলা টেসলা, আইনস্টাইন অনেক কিছুর সমাধান পেতেন। যাদের জন্য আজকের এই আধুনিক বিজ্ঞাণ।
🔰আমরা জানি যে ব্রেন কখনোই ইমাজিনেশন আর রিয়েলিটি এর মাধ্যমে পার্থক্য বুঝতে পারেনা। তাই স্বপ্ন গুলো খুবই রিয়েল মনে হয় আমাদের।
কেমন হয় যদি এই রিয়েল ড্রিম গুলোকে নিজের মতো করে সাজানো?
➡️হ্যা এটাই লুসিড ড্রিমিং। স্বপ্নে আপনি দৌড়াতে পারবেন, উড়তে পারবেন, যা ইচ্ছা তা করতে পারবেন। আপনি সম্পূর্ণ ভাবে কনসিয়াস স্টেট এর স্বপ্ন কে ধরে ফেলবেন।
🔰লুসিড ড্রিম এর মাধ্যমে আপনি অনেক স্কিল ডেভলপ করতে পারেন। এর মধ্যে পাব্লিক স্পিকিং ভয় দূর করা, কনফিডেন্স বৃদ্ধি করা, ভৌতিক ভয় দূর করা, বাস্কেট বল স্কিল ডেভলপ অথবা যেকোন স্পোর্টস এছাড়াও অনেক কিছু।
তো এই লুসিড ড্রিমিং টা যেভাবে করবেন!
🌻১) প্রথম যেদিন শুরু করবেন পুরো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবেন যে সফল হয়েই ছাড়বো। ১ -২ মাস পর্যন্ত প্রতিজ্ঞা যেনো থাকে।
🌻২) প্রথম ২১ দিন এর জন্য আপনার আর আরামে ঘুমাতে হবেনা। রাত ২ টা ৩০ এর এলার্ম দিয়ে রাখবেন তারপর তখন ঘুম থেকে উঠে স্বপ্ন নোট এ লিখবেন। পরবর্তী স্কেজুয়েল বিকাল ৫ টার এলার্ম দিবেন আর তখন ডায়রি তে স্বপ্ন লিখবেন।
🌻৩) তারপর থেকে ঘড়ি দেখবেন। একবার ঘড়ি দেখলে ১-২ সেকেন্ড পর আবার ঘড়ি দেখবেন।
এতে আস্তে আস্তে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন যখন তখন স্বপ্নেও ঘড়ি দেখবেন। স্বপ্নের ঘড়ি খুব অদ্ভুত ভাবে চেঞ্জ হয়ে যাবে যখন আপনি ১-২ সেকেন্ড পর অভ্যাসের মতোই ঘড়ি দেখবেন। তখন আপনার মনে হয়ে যাবে আপনি স্বপ্নে আছেন। স্বপ্ন কন্ট্রোল করছেন।
🌻৪) ঘুমানোর আগে ব্রেদিং মেডিটেশন করেনিবেন।
( ৯ বার নাক দিয়ে ৯ বার মুখ দিয়ে ৫ বার নাক দিয়ে ৫ বার মুখ দিয়ে)
এসব হচ্ছে লুসিড ড্রিমিং করার কিছু ব্যাসিক নিয়ম।লুসিড ড্রিমিং নিয়ে বিস্তারিত জানতে এবং নিজকে লুসিড ড্রিমার বানতে এক্ষুনি এনরোল করুন আমাদের লুসিড ড্রিমিং কোর্স।
যা পাচ্ছে এখন ৫০% ছাড়ে!!!!😲🤗( সময় সীমিত)
🔰ইনবক্স করুন Parapsychology পেইজে!!
1 955
"লোকের কানে যেসব কথা ভাল শুনায় সে সব কথা সাধারণত আমার মুখে বাহির হয়না। মুখরোচক বোলচাল ঝাড়া আমার পক্ষে অসম্ভব।
সত্য জিনিসটা সনাতনও নয় সার্ব্বজনিকও নয়। আমি সত্যকে ব্যক্তিগত প্যাটেন্ট সমঝিতে অভ্যস্ত। এ চিজ হইতেছে যার যার নিজ রক্তমাংসের অভিজ্ঞতারই প্রতিমূর্তি।
কাজেই আমার নিকট যে বস্তুটা চরম সত্য সে বস্তুটা আপনাদের নিকট পরম আহাম্মুকি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। আমি আপনাদেরকে আমার মতামতের স্বপক্ষে টানিয়া আনিবার জন্য কোনো মতলব আটি নাই। আমি আমার নিজ বক্তব্য আওড়াইয়া যাইব মাত্র। আপনারা বিবেচক, পরীক্ষক ও সমজদার।"
- বিনয়কুমার সরকার
1 955
আজকের আয়াত/হাদীস
পবিত্র কুরআন মাজীদে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
এবং মুমিন নারীদের বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে এবং নিজেদের ভূষণ অন্যদের কাছে প্রকাশ না করে, যা আপনা আপনিই প্রকাশ পায় তা ছাড়া। এবং তারা যেন তাদের ওড়নার আঁচল নিজ বক্ষদেশে নামিয়ে দেয় এবং নিজেদের ভূষণ যেন স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাতিজা, ভাগিনেয়, আপন নারীগণ, যারা নিজ মালিকানাধীন, যৌনকামনা নেই এমন পুরুষ খেদমতগার এবং নারীদের গোপনীয় অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া আর কারও সামনে প্রকাশ না করে। মুসলিম নারীদের উচিত, ভূমিতে এভাবে পদক্ষেপ না করা, যাতে তাদের গোপন সাজ জানা হয়ে যায়। হে মুমিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলতা অর্জন কর।
রেফারেন্সঃ
সূরা আন-নূরঃ ৩১
সূত্রঃ তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন
পাদটীকাঃ
এ আয়াতে নারীদেরকে হুকুম করা হয়েছে, তারা যেন গায়রে মাহরাম বা পরপুরুষের সামনে নিজেদের গোটা শরীর বড় চাদর বা বোরকা দ্বারা ঢেকে রাখে। যাতে তারা নারীদের সাজসজ্জার অঙ্গসমূহ দেখতে না পায়।
তবে শরীরের এ রকম অংশ যদি কাজকর্ম করার সময় আপনিই খুলে যায় বা বিশেষ প্রয়োজনবশত খোলার দরকার পড়ে, তাতে গুনাহ হবে না । সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ‘যা আপনা আপনিই প্রকাশ পায় তা ছাড়া '।
ইবনে জারীর তাবারী ( রহ .) তাঁর তাফসীর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ নারী যে চাদর (বা বোরকা) দ্বারা শরীর ঢাকে, এ ব্যতিক্রম দ্বারা সেটাই বোঝানো উদ্দেশ্য, যেহেতু তা আবৃত করা সম্ভব নয়। (অর্থাৎ নারীরা নিজেদের শরীর, শরীরে পরিহিত অলঙ্কার পরপুরুষের সামনে খোলা রাখতে পারবে না। হ্যাঁ, নিজেকে আবৃত করার জন্য যে চাদর বা বোরকা পরা হয়, তা পুুরুষেরা দেখতে পারবে।)
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু ব্যাখ্যা করেনঃ বিশেষ প্রয়োজনে যদি চেহারা বা হাত খুলতে হয়, তবে এ আয়াত তার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু চেহারাই যেহেতু রূপ ও সৌন্দর্যের কেন্দ্রস্থল, তাই সাধারণ অবস্থায় তা ঢেকে রাখতে হবে। যেমন সূরা আহযাবে (৩৩ঃ৫৯) হুকুম দেওয়া হয়েছে৷
হ্যাঁ, বিশেষ প্রয়োজন দেখা দিলে সেটা ভিন্ন কথা। তখন চেহারাও খোলা যাবে। কিন্তু পুরুষের প্রতি তখন নির্দেশ হল, যেন সে নিজ দৃষ্টি অবনমিত রাখে।
This content is copied from Muslims Day Android App
Download Link: https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan
1 955
গোপন গুনাহ এবং পর্নোগ্রাফি থেকে বেঁচে থাকার উপায় নিয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স...
[ইনশাআল্লাহ আপনার জীবনকে পরিবর্তন করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে]
বই- মুক্ত বাতাসের খোঁজে , আকাশের ওপারে আকাশ , মুক্তি সম্ভব, লজ্জা ঈমানের একটি শাখা, ঈমান পরিচর্যা , গুনাহ মাফের উপায়, গুনাহ থেকে ফিরে আসুন।
লেখা/অডিও/ভিডিওঃ
১) আসক্তি সিরিজ ১
পর্নোগ্রাফি আসক্তি থেকে বাঁচার উপায় (সকল পর্ব একসাথে)
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/644
২) আসক্তি সিরিজ ২
বিকৃত যৌনচার কবিরা গুনাহ (সকল পর্ব একসাথে)
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/773
৩) পর্নোগ্রাফি হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার সম্পূর্ণ গাইড লাইন।
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/751
৪) গোপন গুনাহ থেকে বাঁচার উপায়..?
➡️https://t.me/TasawwufOfficial/763
৫) চোখের গুনাহ থেকে সাবধান.
➡️https://t.me/TasawwufOfficial/767
৬) শুধুমাত্র আজকে গুনাহ না করি, আগামীকাল না হয়।
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/775
৭) গুনাহ ছাড়তে না পারার কারণ....?
➡️https://t.me/TasawwufOfficial/776
৮) গোপন গুনাহ থেকে বাঁচার উপায়..
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/777
৯) গুনাহ ত্যাগ করার উপায়..
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/778
১০) পর্নোগ্রাফির ভয়াবহতা ও মুক্তির উপায়।
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/783
১১) যুবক তুমি কি হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছ...?
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/786
১২) ইবলিস চাই যেভাবে আপনার মৃত্যু হোক...
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/793
১৩) যার অন্তর কঠিন হয়ে গেছে, সে কিভাবে তার চিকিৎসা করবে?
➡️ https://t.me/rokonation/4255
১৪) আল্লাহর আজমত, বড়ত্ব, নিজের ক্ষুদ্রতা নিয়ে বেশি বেশি চিন্তা করা।
১৫) আল্লাহওয়ালাদের সোহবত, তাদের সাথে প্রতিদিন না হলেও মাঝে মাঝে দেখা সাক্ষাৎ করা।
১৬) একাকীত্ব পরিহার করা, বাবা-মা আত্মীয় স্বজন, ভাই বোন দের সাথে বেশি সময় থাকা
১৭) ব্যস্ততাপূর্ণ জীবন পরিচালনা করা। অবসর যেন পেয়ে না বসে কখনোই। ব্যস্ত যত থাকা হবে শয়তান তত গুনাহ করানোর সুযোগ কম পাবে
১৮) সর্বশেষ, মোবাইল এন্ড্রয়েড থেকে বাটনে শিফট হওয়া। মোবাইল ব্যবহার করলেও আশেপাশে বাবা-মা ভাই বোন দের রেখে ব্যবহার করা। ব্যবহার শেষে আম্মু আব্বুর কাছে আবার জমা দিয়ে দেওয়া
১৯) নিজের সদিচ্ছা ও নিয়্যাত যদি থাকে আল্লাহ প্রিয় হওয়ার তবে উপরোক্ত বিষয়ে আশা করি সাহায্য পাবেন নতুবা হাজারো মোটিভেশনেও কাজ হবেনা যদি নিয়্যাত শুদ্ধ না থাকে...
২০) একইগুনাহ হাজারবার হলেও প্রত্যেকবার আগের তুলনায় অধিক নতজানু ও লজ্জিত হয়ে আল্লাহর নিকট তওবা করা। শয়তান যেন তওবা ইস্তেগফার থেকে গাফেল না করে। একইসাথে আল্লাহকে ভয় করা, আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখা যে আল্লাহ তওবা কবুল করবেন। আল্লাহর ক্ষমার ফায়দা নিয়ে স্বেচ্ছায় গুনাহে লিপ্ত না হওয়া।
পরবর্তী সিজনের জন্য চ্যানেলটি ফলো করতে পারেনঃ
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial
[পোষ্টটি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন এবং আপনি মনোযোগ সহকারে পড়লে ইনশাআল্লাহ পরিবর্তন আসবেই]
1 955
"একজন পুরুষ ধ্বং'স হবার ৮টি কারণ According to quran hadith!
১. নেশায় আসক্তি (সিগারেট, মদ-জুয়া ইত্যাদি)
"তোমরা নিজেদের হ''ত্যা কর না"
- (সুরাঃ-নিসা ২৯)
২. কাচা হলুদ ও লাল রঙের কাপড় পরিধান করা। - (মুসলিমঃ ২০৭৭)
৩. পুরুষ হয়েও গোল্ড ব্যবহার করা।
- (ইবনে মাজাহ : ৩৫৯৫,আবু দাউদ -৪০৫৭)
৪. যেসব পুরুষ নারীদের সাজগোজ অনুকরণ করে। নাক-কান ফোড়ানো অর্থাৎ, মহিলাদের চালচলন অনুকরণ করা পুরুষদের জন্য রাসূল (সঃ) এর অভিশাপ।
- (আবু দাউদ : ৪০৯৭, ইবনে মাজাহ :১৯০৪)
৫. সিল্কের পোশাক বা রেশম পোশাক পরিধান করা। - (নাসাঈ : ৫১৪৪)
৬. পুরুষের টাকনুর নিচে প্যান্ট পরা হারাম এবং রাসূল (সঃ) বলেছেন, এটা জাহান্নামি পুরুষের লক্ষ্মণ। - (আবু দাউদ : ৩১৪০)
৭. ইচ্ছাকৃত ভাবে জামায়াতে সালাত আদায় না করা এবং ফরজ সালাতে আদায় অলসতা। কেননা,
"যে ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ছেড়ে দিলো সে কাফিররের কাজ করলো। - (মুসলিম : ৮২,তিরমিজি : ২৬১৯)
৮. দৃষ্টি সংযত না রাখতে পারা ( খারাপ আর অনর্থক গান শোনা, কিংবা যে মিউজিক ধ্বংসের জন্য রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসেছেন, সে মিউজিক এর সাথে লিপ্ত থাকা। ইসলামি গানের সাথে মিউজিক যুক্ত করা )
"নিশ্চয়ই কান, চোখ ও অন্তকরন এদের প্রত্যেকটির হিসাব দিতে হবে"
- (সূরা বনী ইসরাঈল : ৩৬)
আল্লাহ আমাদের এই সব গুলো বাণী মান্য করার তৌফিক দান করুন-
এবং, আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন, আমিন।
1 955
Law of attraction নিয়ে যে কন্সেপ্ট এবং থিউরি আমরা শুনি তা বেশিরভাগই ভুল।
যেখানে বলা হয় আপনি কোনো জিনিসের ব্যাপারে ১৭ সেকেন্ড একটানা ভাবলে সেটা আপনার কাছে চলে আসবে।
এগুলো সব ভুল, মিথ্যা।
এর পেছনে সাইকোলজি কিভাবে কাজ করে বলি-
যখন আপনি কোনো কিছু পেতে চান, ধরুন একটা লাল গাড়ি, আপনি এক জায়গায় বসে চোখ বন্ধ করে লাল গাড়ি কল্পনা করছেন আর ভাবছেন আপনার কাছে সেটা চলে আসছে, আসবে, আর একটু, এইতো আসছে।
এভাবে ভাবতে থাকেন, মাঝখানে আবার অন্য চিন্তাগুলো আসে, তখন আবার দ্রুত গাড়ির চিন্তাই ফিরে যাই।
আবার এটাও বলা হয়েছে চিন্তা একটানা ১৭ সেকেন্ড হতে হবে, মাঝে অন্য চিন্তা আসলে আবারো সেই ১৭ সেকেন্ড থেকে শুরু করতে হবে।
তখন কি হয়? আমরা পাগলের মত চেষ্টা করতেই থাকি, আর এক সময় মাইন্ড বিরক্ত হয়, আর ছেড়ে দেই। তখন মনে হয় আমার দ্বারা হবে না। বা law of attraction ফালতু এসব।
মাইন্ড কিভাবে কাজ করে? যখন আপনি একটা চিন্তা নিয়ে দিন রাত ভাবতে থাকেন, পাশাপাশি সব কাজ করছেন, কিন্তু সাথে চিন্তাটাও মাথায় চলছে, তখন আপনার মাইন্ড আপনাকে রাস্তা দেখাবে কিভাবে আপনি সেই গাড়ি পেতে পারেন। কিভাবে টাকা আয় করবেন, কিভাবে জমাবেন, কোথায় লোন পাওয়া যায়, কোনটা সস্থায় ভালো, এইসব রাস্তা আপনার মাইন্ড খুজবে, রাস্তায় যখন হাটবেন আপনার চোখ সেই দিকেই যাবে যেখানে লাল গাড়ি আছে এবং সেটা কিভাবে পাওয়া যাবে সেই পথ। এটাই আসল law of attraction.
অর্থাৎ চোখ বন্ধ করে চিন্তা করলেই গাড়ি আসবে না, গাড়ি কিভাবে আনতে হয় সেটার রাস্তা খুজে বের করার জন্য মাইন্ডকে কাজে লাগানোই law of attraction.
1 955
*ব্যক্তিত্ব আকর্ষণীয় ও সুন্দর করার ২০টি টিপস।
লিখেছেন,,,
*মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী হাফিজাহুল্লাহ *
*১। আগে সালাম দিন।*
*২। হাসিমুখে কথা বলুন। দুঃখ কষ্ট চেপে রেখে মুখের হাসি ধরে রাখতে চেষ্টা করবেন।*
*৩। বেশি শুনবেন, কম বলবেন।*
*৪। তামাশার ছলেও কখনো মিথ্যা বলবেন না।*
*৫। ভুল হলে বিনয়ের সাথে ক্ষমা চেয়ে নিন বা দুঃখ প্রকাশ করুন।*
*৬। অকারণে বেশি হাসি বা ঠাট্টা মশকরা করবেন না।*
*৭। ধীরে ধীরে বুঝিয়ে কথা বলুন।*
*৮। আগে অন্যের কথা শুনুন, তারপর নিজে বলুন।*
*৯। কোনো বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না। মনে রাখবেন, তর্কে জিতা নয় বরং তর্কে না জড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।*
*১০। কারো কাছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না।*
*১১। ধৈর্য ধরে রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।*
*১২। কেউ ভুল করলে ক্ষমা করুন। অন্যের দোষ ঢেকে
রাখুন। মানুষের প্রতি সুধারণা রাখুন।*
*১৩। ছোট বড়ো সবাইকে প্রাপ্য সম্মান দিন।*
*১৪। কথা দিয়ে কথা রাখবেন।*
*১৫। পোশাকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, সম্ভব হলে সুবাসিত রাখতে চেষ্টা করবেন।*
*১৬। পারলে খাওয়ান, জোর করে খাবেন না। অন্যের জিনিসে লোভ করবেন না।*
*১৭। খাবার সামনে এলে আগে অন্যকে দিন। সুযোগ সুবিধা নিজে না নিয়ে অন্যদের দিয়ে দিন।*
*১৮। মুখ ও শরীর দুর্গন্ধমুক্ত রাখুন। আপনার যা কিছুই আছে, পরিচ্ছন্ন পরিপাটি রাখুুন।*
*১৯। চরিত্র ও নৈতিকতা উন্নত রাখুন। নিজের অপারগতার কথা কাউকে জানাবেন না। প্রার্থনায়, সাজদায় পড়ে শুধু আল্লাহকেই বলুন।*
২০। আচার ব্যবহারে বিনয়, ভদ্রতা ও নম্রতা বজায় রাখুন।*
*ইনশাআল্লাহ, ব্যক্তিত্ববান বলে গণ্য হবেন।
মানুষের শ্রদ্ধা সম্মান সমীহ ও ভালোবাসা লাভ করবেন।
রব্বে কারীম! আমাদের সকলকে বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুন । আমীন।
1 955
১. প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ত্বকের আর্দ্রতা আপনার ত্বকের ফাটা দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।
২. প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন-জাতীয় খাবার যেমন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, দই, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ ও তরমুজের বীজ খাবেন। এগুলো আপনার ত্বককে জলযোয়িত রাখবে। শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়তা করবে।
৩. ভিটামিন ‘ই’ তেল স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে বেশ কার্যকর। তাই কোনো ওষুধ ব্যবহার না করে মার্কের ওপর দিনে দুবার ভিটামিন ‘ই’ তেল ম্যাসাজ করুন।
৪. লেবুর রসে রয়েছে স্ট্রেচ মার্ক দূর করার অসাধারণ ক্ষমতা। একটি তাজা লেবুর রস চিপে স্ট্রেচ মার্কের ওপর লাগিয়ে রাখুন। দেখবেন দ্রুত স্ট্রেচ মার্ক দূর হয়ে যাবে।
৫. গ্লাইকলিক এসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়েশ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই এসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
৬. ভিটামিন-সি-সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে তিনবার ফাটা দাগের ওপর ম্যাসাজ করুন। ভিটামিন-সি-সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে তিনবার খেতে হবে।ৎ
