uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 953
Obunachilar
-124 soatlar
-67 kun
-1930 kun
Postlar arxiv
২০২৩ সাল যেভাবে কাজে লাগাতে পারেন... ১. বছরের শুরুর রাতে/দিনে অবশ্যই কিছু প্রার্থনা করুন। আপনার পূর্বের বছরের তুলনায় যেন নতুন বছর ভালো যায়, নতুন বছরে যেন নতুন দক্ষতা অর্জন করতে পারেন ও বেশি কাজ করতে পারেন সেই প্রার্থনা করুন। পুরনো বছর সময় ও সুযোগের যা অপচয় করেছেন তা নতুন বছরে না করার অঙ্গীকার করুন। ২. যাদের মা-বাবা বেঁচে আছে তারা মা-বাবার বিশেষ দোয়া নিয়ে বছর শুরু করুন। তাদেরকে আগের চেয়ে বেশি ভালোবাসুন-সেবা করুন। আপনি তাদের প্রতি যত ভালোবাসা দেখাবেন ততোই আপনার জন্য তাদের অন্তর থেকে দোয়া বের হবে। যা হতে পারে আপনার নতুন বছরে জীবন পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় কারণ। ৩. ১২ মাসে ১২টি নতুন কিছু শেখার পরিকল্পনা করুন। আপনার আগ্রহ আছে এমন ১২টি সম্ভাব্য বিষয়ের তালিকা করে কাজ শুরু করুন। একটি সুন্দর পরিকল্পনা কর্মের অর্ধেক সাধন করে। ৪. ১২ মাসে অন্তত ১২টি বই পড়ার পরিকল্পনা করুন। ১২টি বইকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করুন। প্রতি মাসের প্রথম বা প্রথম দুই সপ্তাহেই বইটি পড়ে ফেলুন। ৫. কম্পিউটার বিষয়ক কয়েকটি দক্ষতা অর্জনের পরিকল্পনা করুন। হতে পারে; ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, ভিডিও এডিটিং, থ্রিডি, গ্রাফিক্স, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অ্যাড ডেভেলপমেন্ট বা অনুরুপ। ৬. ডিজিটাল দুনিয়া সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়াতে কিছু পরিকল্পনা করুন। হতে পারে; ডিজিটাল মার্কেটিং, ডিজিটাল কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট, কনটেন্ট মার্কেটিং, ফ্রিল্যান্সিংয়ে পদার্পণ বা অনুরুপ। ৭. যারা কম সার্টিফিকেটধারী বা একাডেমিক আগ্রহ কম তারা উপরের যেকোনো একটি কাজ শিখলেই কর্মে প্রবেশ করতে পারবেন। বছরের প্রথম অংশের মধ্যে সেই যোগ্যতা অর্জন করে চাকরি শুরু করুন। শেষ অংশের মধ্যে নিজেকে পরিপক্ক করার পরিকল্পনা ও কাজ করুন। যেন পরবর্তী বছরে আপনি অভিজ্ঞতা নিয়ে ভালো চাকরিতে সুইচ করতে পারেন। ৮. আপনি চাকরিজীবী হলে আপনার ফিল্ডে যারা ভালো করছে তাদের থেকে শেখার চেষ্টা করুন। আপনার ফিল্ড রিলেটেড বিষয়ে পড়াশোনা করুন। সম্ভব হলে দক্ষ বৃদ্ধির ওপর যেসব প্রশিক্ষণ আছে সেখান থেকে প্রশিক্ষণ নিন। নিজেকে বর্তমান স্তর থেকে উন্নীত করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিন। ৯. একাডেমিক বিষয়ে আগ্রহী হলে আপনার প্রতিযোগিদের থেকে এগিয়ে থাকতে কিছু পরিকল্পনা করুন। প্রথম মাসে পড়াশোনায় তাদের পেছনে ফেলে দিন। কিন্তু সম্ভব হলে আপনার অগ্রগতি গোপন রাখুন। ছয় মাস অব্যহত রাখলে দেখবেন আপনার ধারেপাশে কেউ নেই। এই সময়ের মধ্যে আপনার ফিল্ড রিলেটেড কিছু লেখালেখি করুন। অন্তত একটি লেখা জার্নালে প্রকাশ করার পরিকল্পনা করুন। যেটা যৌথভাবে হলেও। আপনার ফিল্ড রিলেটেড কোথায় কী সুযোগ আছে; যেমন স্কলার্শিপের খোঁজ-খবর নিন। যোগ্য হলে আবেদন করুন। ১০. আপনার ভালো লাগে এমন বিষয়ে যেসব প্রতিযোগিতা হয় যেসব প্রতিযোগিতায় অংশ নিন। এতে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। আপনার প্রতিযোগিদের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। ১১. সেবামূলক কাজের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখার পরিকল্পনা করুন। যেকোনো সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। আপনার নিকটজন, এলাকা বা এলাকার মানুষের নানা সমস্যা রয়েছে। তাদের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করতে পারেন। ১২.নতুন বছরে বদ অভ্যাস ত্যাগ করার ও ভালো অভ্যাস গড়ে তোলার কাজ শুরু করুন। যেমন নেশা থাকলে ছেড়ে দিন। সকালে ঘুম থেকে ওঠা অভ্যাস করুন। ১৩. শত্রুর সংখ্যা কমিয়ে বন্ধুর সংখ্যা বৃদ্ধি করুন। যাদের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক আছে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। পুরনো সবকিছু ভুলে যান, তাদেরকেও অনুরোধ করুন। ১৪. কিছু গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করুন। যারা বিভিন্ন সময় আপনার উপকারে আসতে পারে। ১৫. আপনি ঋণ থাকলে ঋণ পরিশোধ করতে চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে কিছু সঞ্চয় করুন। সাধ্যমতো কম বা বেশি যাই হোক সঞ্চয় করতে পারেন। - জীবন পরিবর্তনের জন্য এক বছর অনেক সময়, যদি সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়। মাত্র এক বছর নিজেকে গুছিয়ে নিন। দেখবেন আপনার গোটা জীবনে বড় পরিবর্তন এসেছে। প্রতিটি কাজের সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে। প্রতিটি ভালো কাজের জন্য উত্তম প্রতিদান রয়েছে। সুতারাং সর্বদা ভালোর সঙ্গে থাকুন। -সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

২০২৩

এক আমলে একাধিক নিয়ত নিয়ত হল আমলের প্রাণ। নিয়ত ছাড়া আমল শুদ্ধ হবে না। গ্রহণযোগ্য হবে না। আমরা সারাদিনে অসংখ্য আমল করি। প্রতিটি আমলে আমরা একসাথে একাধিক নিয়ত করে, অল্প মেহনতেই আমার আমলনামাকে সমৃদ্ধ করে তুলতে পারি। . ১: ওজু-তহারত আমি কেন ওজু করব? ওজুর করার আগে, মনে মনে এই নিয়তগুলো করতে পারি। ১. আল্লাহ ও তার রাসূলের হুকুম পালন করার জন্য ওজু করছি। মুমিন ছাড়া অন্য কেউ ওজু করে না। এই ওজু দ্বারা আমার ঈমান বৃদ্ধি পাবে। মর্যাদা বুলন্দ হবে। ২. কেয়ামতের দিন আমার মুখমণ্ডল ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ উজ্জ্বল আলোকিত থাকবে। ৩. পানির ফোঁটার সাথে সাথে আমার গুনাহখাতাও ঝরে যাবে। ৪. ওজু ও ওজুর জিকিরের পর আমার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। ৫. প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় কাতর হয়েও, ওজুর অঙ্গগুলো ভাল করে ধৌত করলে, আমার দারাজাত-মর্যাদা বুলন্দ হবে। আমার গুনাহ মাফ হবে। ৬. ওজু অবস্থায় ঘুমুলে সারারাত ফিরিশতা আমার জন্য দোয়া করতে থাকবে। ৭. ওজুর মাধ্যমে আমি ঈমানের অর্ধেক বা একাংশ অর্জন করব। ৮. ওজু অবস্থায় ঘুমিয়ে রাতে জেগে উঠলে, আমি যা দোয়া করি, কবুল করা হবে (মুয়ায বিন জাবাল রা.। আবূ দাউদ ৫০৪২)। ৯. কনকনে শীত-ঠাণ্ডায় কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও মনের ওপর জোর খাটিয়ে ভাল করে ওজু করলে, আল্লাহর রাস্তায় রিবাতের সওয়াব পাওয়া যাবে। রিবাত, ইসলামী রাষ্ট্রের সীমান্ত পাহারা দেয়া। ২: সলাতের ইন্তেজারে সলাতের ইন্তেজার বা অপেক্ষায় বসে থাকার সময় নিয়ত রাখব, ১: আমি যতক্ষণ সলাতের অপেক্ষায় বসে থাকাবস্থায় আমি মূলত সলাতেই থাকব। সলাতের সওয়াব ও ফজীলত লাভ করতে থাকব। ২. আল্লাহ তাআলা আমার গুনাহখাতা মাফ করতে থাকবেন। আমার দারাজাত-মর্যাদা বুলন্দ করতে থাকবেন। ৩. আল্লাহর রাস্তায় রিবাতের সওয়াব পেতে থাকব। ৪. যেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনও ছায়া থাকবে না, সেদিন যারা আল্লাহ যাদের তার ছায়ায় আশ্রয় দিবেন, আমিও তাদের অন্তর্ভুক্ত হব। ৫. সলাতের অপেক্ষায় বসে থাকার চিত্র দেখিয়ে, আল্লাহ আমাকে নিয়ে ফিরিশতাদের সাথে গর্ব করবেন। ৩: সলাতে সলাতের উদ্দেশ্যে মসজিদে বা সলাতের নির্ধারিত স্থানে যাওয়ার সময় নিয়ত করব, ১: প্রতিটি কদমের আল্লাহ আমার দরজা-মর্যাদা বুলন্দ করছেন। প্রতিটি কদমে গুনাহ মাফ করছেন। সলাত আদায় করে ফেরার সময়ও একই নিয়ত করব। ২. এহরাম পরা হাজী সাহেবের মতো সওয়াব পেতে থাকব। ৩. মসজিদে যাওয়ার সময় যত বেশি কদম, ততবেশি আল্লাহর রাস্তায় রিবাতের সওয়াব পাব। ৪. আমি মসজিদে গেলে, পরম আকাঙ্খিত হারানো ব্যক্তি বা বস্ত ফিরে ফেলে মানুষ যেমন খুশি হয়, আল্লাহ তাআলাও আমাকে মসজিদে পেয়ে তেমন খুশি হবেন (আবূ হুরায়রা রা.। ইবনে মাজাহ ৮০০)।

❤ সম্পর্ক ভালো রাখার কিছু উপায় ❤ সম্পর্কে জড়ানোটা সহজ কিন্তু সেটি ভালো উপায়ে টিকিয়ে রাখাটা বেশ কঠিন। ছোটখাট বিষয়ে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যেতে পারে আবার ছোট ছোট বিষয় সম্পর্ককে চাঙ্গা করেও তুলতে পারে। আপনাকে শুধু জানতে হবে কোন বিষয়গুলো সম্পর্ককে ভালো রাখবে। তাহলেই দেখবেন জীবন কত সুন্দর হয়। আপনার সঙ্গী আপনার কথামত কিছু না করলে আপনি হয়তো তার ওপর খুবই বিরক্ত হন এবং তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। এর ফলে আপনাদের মধ্যে ঝগড়াও হয়ে থাকে। এখন থেকে এই কাজ আর করবেন না, যদি সম্পর্ক ভালো রাখতে চান। কোনো কিছু মনমতো না হলে ক্ষেপে না গিয়ে তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করুন, জানার চেষ্টা করুন কেন করা হয়নি। এমন আচরণ করলে সঙ্গী পরবর্তী সময়ে নিজেকে শুধরে নেবে আর আপনাদের সম্পর্কেরও অবনতি ঘটবে না। দুজনই কথা বলে জানার চেষ্টা করুন কেন আপনাদের মতের অমিল হয়। কোন বিষয়টিতে আপনারা দ্বিমত প্রকাশ করেন। যখনই বিষয়টি বেরিয়ে আসবে দেখবেন পরে আর আপনাদের মধ্যে মতের অমিল হবে না। দুজনই কী চান সেটি দুজনেরই কাছে প্রকাশ করুন। কখনো নিজের ইচ্ছেকে সঙ্গীর কাছে লুকিয়ে রাখবে না। দেখবেন সম্পর্কে তখন আর হতাশা কাজ করবে না। নেতিবাচকের থেকে বেশি ইতিবাচক হওয়ার চেষ্টা করুন। চাইলে সবকিছুতেই ভুল ধরা সম্ভব। কী লাভ বলুন ভুল ধরে? আপনি তো আর তাকে ছেড়ে চলে যাবেন না। অযথা সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হবে। তাই প্রতিটি জিনিসই ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করুন। নিজেরা সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। কাজ, প্রযুক্তি, আত্মীয়স্বজন সব কিছুর বাইরে নিজেরা কিছুটা সময় কাটান। এটা সম্পর্ককে মজবুত করতে সাহায্য করবে। সবসময় উপহার দেওয়ার জন্য উপলক্ষের প্রয়োজন হয় না। যেকোনো কারণেই উপহার দেওয়া যায়। সঙ্গীকে হঠাৎ করেই একটা উপহার দিয়ে চমকে দিন। দেখবেন সে কতটা খুশি হয়। এটা আপনাদের সম্পর্কে ভালো লাগা তৈরি করবে। সঙ্গীর প্রত্যেকটি কাজকে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করুন। তাঁর কষ্টকে মেনে নিতে শিখুন। তাঁর প্রশংসা করুন। দেখবেন, পরবর্তী সময়ে তিনি কাজের ক্ষেত্রে উৎসাহ পাবেন এবং আপনার প্রতি তাঁর বিশ্বাস তৈরি হবে। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - https://www.facebook.com/groups/149192167228573 #konna #relationship #life #travel #happy #lifestyle #goodway #humanbeing #angry #lifecircle

💖 যৌন মিলনের জন্য দিনের সেরা সময় 💖 বর্তমানে ব্যস্ত জীবনযাত্রায়, অনিয়মিত ডায়েট এবং স্ট্রেসের কারণে এটি খুবই সাধারণ একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু চিন্তার বিষয় হল, এই সমস্যা দিনে দিনে বাড়ছে। আর শারীরিক সম্পর্ক (যৌন সম্পর্ক) মোটেও হেলাফেলা করার মতো বিষয় নয়। রিডার্স ডায়জেস্ট-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুস্থ, স্বাভাবিক যৌন সম্পর্কের ফলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, মেদ কমে। শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে এর ফলে বাড়ে আয়ু। অনেক সময়ই দেখা গিয়েছে, বয়স একটু বেড়ে গেলেই যৌনতায় অনিচ্ছা চলে আসে বহু মানুষের। অনেক সময় তা থাইরয়েড বা ডায়াবেটিসের কারণেও হতে পারে। কিন্তু জানেন কি, সুস্থ যৌন মিলনের জন্য সবচেয়ে ভাল সময় কোনটি? হরমোন বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়টি হল দুপুর ৩টে। দিন ও রাতের বিভিন্ন সময়ে শরীরে হরমোনের মাত্রা বাড়ে-কমে। তাহলে দুপুর ৩টে নাগাদ কী এমন বিশেষ পরিবর্তন হয় আমাদের শরীরে, যে কারণে বিশেষজ্ঞরা এই সময়কে সুস্থ যৌন মিলনের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বলে মনে করেন? এ সময়ে মেয়েদের শরীরে কর্টিসল হরমোনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হয়। এতে তাদের শক্তি ও মনোযোগ বেশি থাকে। অন্যদিকে একই সময়ে পুরুষের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ বেশি থাকে, ফলে তারা যৌনতার সময়ে সঙ্গীর চাহিদা ও অনুভূতির প্রতি বেশি মনযোগী হয়ে থাকেন। ফলে এ সময় শারীরিক সম্পর্কের সুফল পান দু’জনেই। হরমোন বিশেষজ্ঞ এবং বিখ্যাত ‘ওম্যানকোড’ (WomanCode) বইয়ের লেখিকা এলিসা ভিটি (Alisa Vitti) জানান, সন্তুষ্টিজনক যৌনতার জন্য এমন উপায় বেছে নিতে হয় যাতে দু’জনেরই যৌন চাহিদা একই মাত্রায় থাকে। এই কারণেই বিকেল ৩টে নাগাদ যৌনতা সবচেয়ে বেশি সন্তুষ্টিজনক হয়। এলিসার মতে, যৌন জীবনে অনেক বড় ভূমিকা রাখে শরীরে বিভিন্ন হরমোনের উপস্থিতি। আমাদের অনুভূতির ওপরেও অনেকটা প্রভাব ফেলে এই হরমোন। এই সব কারণেই দুপুর ৩টে নাগাদ যৌনতার সূচনা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই বিশেষ উপকারী। সুস্থ যৌন মিলনের জন্য আরেকটি ভাল সময় হল সকালবেলা। এলিসা ভিটির মতে, ঘুমের মধ্যে পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে সকালে তারা যৌন মিলনের জন্য অনেক বেশি আগ্রহী থাকে এবং এর ফলে দুই পক্ষেরই যৌন সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায়। ইতালীয় একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সন্তান ধারণে ইচ্ছুক দম্পতিদের জন্যও সকালবেলা অত্যন্ত ভাল সময়। শুধু তাই নয়, সকালে শারীরিক সম্পর্কে জড়িত হলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - 🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰 #konna #কন্যা #sexeducation #sexed #sexy #love #sex #kad #lesbian #hotmodel #sexpositive #sexualhealth #k #n #tiktok #sn #b #porn #t #m #kiss #p #sexystyle #tesettur #girl #netflix #memes #selflove #follow #instagram

#মাহরাম হলো যাদের সামনে পর্দা করা ফরজ নয় এবং বিয়ের ক্ষেত্রে বৈধ নয় বা হালাল নয়!. #গায়রে_মাহরাম হলো যাদের সামনে পর্দা করা ফরজ
#মাহরাম হলো যাদের সামনে পর্দা করা ফরজ নয় এবং বিয়ের ক্ষেত্রে বৈধ নয় বা হালাল নয়!. #গায়রে_মাহরাম হলো যাদের সামনে পর্দা করা ফরজ এবং বিয়ের ক্ষেত্রে বৈধ বা হালাল।

🚗হাইব্রিড কার নিয়ে কিছু কথা🚘 🟩প্রথমে আমরা জানার চেষ্টা করি হাইব্রিড গাড়ি কি?? আমাদের দেশে হাইব্রিড গাড়ি বলতে ব্যাটারি চালিত গাড়িকে বোঝায়।সহজ করে বললে হাইব্রিড গাড়ি হল এমন একটি যানবাহন যাতে একাধিক শক্তির উৎস থাকে।হাইব্রিড গাড়িতে একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং একটি পেট্রোল বা ডিজেল ইঞ্জিন ব্যবহার করে।তবে মূল উৎস হিসেবে গ্যাসোলিন (পেট্রোল বা ডিজেল) ইঞ্জিন থাকে।কারণ গ্যাসোলিন (পেট্রোল বা ডিজেল) ইঞ্জিন থেকে শক্তি পেয়ে ব্যাটারি চার্জ হয় এবং সেই ব্যাটারি দিয়ে মোটরটি চলে। Join Cars Feed BD 🟥 🔶হাইব্রিড গাড়িতে মূল যন্ত্র হিসেবে কি কি থাকে ? 🔸একটি ব্যাটারি প্যাক। যা পিছনের সিটের নিচে থাকে। 🔸একটি পাওয়ার ইনভার্টার। 🔸একটি বৈদ্যুতিক মোটর। 🔸একটি অনবোর্ড ব্যাটারি চার্জার। 🔸ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। 🔸চার্জিং পোর্ট। ( যা সাধারনত ফুল ইলেক্ট্রনিক ভেহিকলে বেশি দেখা যায় তবে বর্তমানে কিছু কিছু প্লাগ ইন হাইব্রিড কারে রয়েছে ] ✅হাইব্রিড গাড়ির উপকারিতাঃ 🔸ভালো মাইলেজ পাওয়া যায় 🔸পরিবেশবান্ধব 🔸শব্দ দুষণ কমায় 🔸জ্বালানি সাশ্রয় করে তাই খরচ কম 🔸হাইব্রিড গাড়িতে ব্যবহৃত হালকা উপকরণ যা শক্তি সঞ্চয় করতে সাহায্য করে। সবচেয়ে মজার ব্যপার হল, হাইব্রিড গাড়িতে রয়েছে রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেম প্রতিবার আপনি গাড়ি চালানোর সময় ব্রেক প্রেস করলে বৈদ্যুতিক ব্যাটারি একটু রিচার্জ হয়। ব্রেক প্রয়োগের এই গতির ফলে যে শক্তি নির্গত হয় তা একটি অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া দ্বারা ক্যাপচার করা হয় এবং ব্যাটারি রিচার্জ করতে ব্যবহৃত হয়,তাই দীর্ঘ যাত্রায় ব্যাটারি রিচার্জ করার জন্য পর্যায়ক্রমে গাড়ি বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা দূর করে। 🔸জ্বালানি নির্ভরতা হ্রাস করে । 🟥হাইব্রিড গাড়ির অপকারিতাঃ 🔸তুলনামূলক ক্রয় ব্যয়বহুল তবে বর্তমানে আমাদের দেশে হাইব্রিড গাড়ির ট্যাক্স হ্রাস করা হয়েছে । 🔸মেইন্টেনেন্স খরচ তুলনামুলক বেশি 🔸নন হাইব্রিড কারের তুলনায় বেশি সেন্সিটিভ। 🔸যেকোনো মেখানিক দ্বারা কাজ করাতে পারবেন না। কারণ হাইব্রিড গাড়ির কাজ করার জন্য দক্ষ মেখানিকের প্রয়োজন হয়। তাই কখনও যদি হাইওয়ে বা দুর্গম রাস্তায় গাড়ি বিকল হয়ে যায় তবে আপনি সমস্যায় পড়তে পারেন। 🔶হাইব্রিড গাড়ি কিভাবে চার্জ হয় ? হাইব্রিড গাড়ি রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেমের মাধ্যমে চার্জ হয় অর্থাৎ , প্রতিবার ড্রাইভার ব্রেক করলে ব্যাটারিগুলি ব্রেকিংয়ের মাধ্যমে চার্জ হয়। তবে ডিসি টু ডিসি পাওয়ার কনভার্টার থাকায় ইঞ্জিনটি ব্যাটারিগুলিকেও চার্জ করে থাকে। এছাড়া যেসব গাড়িতে প্লাগ ইন চার্জ সিস্টেম রয়েছে যেমনঃটয়োটা প্রিয়াস সেগুলো আপনি মোবাইল বা ল্যাপটপের মত করেও চার্জ দিতে পারবেন। ‼️‼️বাকী অংশটি পড়তে ভিজিট করুনঃ https://bit.ly/3KTqeQi ©️THIS BLOG IS THE PROPERTY OF Hotshot Automotive

আসসালামু আলাইকুম স্যার, আমি আবির।বয়স ২৮ বছর।বিবাহিত প্রেম করে বিয়ে করেছি আজ প্রায় ৮ বছর হল।আলহামদুলিল্লাহ্‌ ২জন কন্যা সন্তান আছে আমার। অনলাইনে আমি আপনার পোস্ট গুলো পড়ি এবং মানুষের বিভিন্ন সমস্যার আপনি যেই সমাধান দেন তা আমার ভাল লাগে।তাই আপনাকে একটা বিষয় শেয়ার করতে চাই, আমার একটা বদ অভ্যাস আছে।সেটা হল মিলনেফ আগে ফোর প্লে করার সময় আমি স্ত্রীর যৌ/-নাজ্ঞে মুখ দিই। এটা অবশ্য আমার স্ত্রী ও পছন্দ করে।মূল সমস্যা টা হল,- বিয়ের পর থেকে প্রায় ৬ বছর যাবত আমার স্ত্রীর সাথে মি/-লন কালে ১-২ বার ছাড়া আমি কখনো তার অর্গা/-জম হতে দেখিনি।কিন্ত বিগত ১ থেকে দেড় বছর যাবত আমার স্ত্রীর যো/-নাজ্ঞে মুখ দিয়ে কিছুক্ষণ মুভমেন্ট করলে বেপকভাবে যোনিপথ থেকে পানি বের হয়ে আসে।ভংগাকুলে হাত দিয়ে মেসেজ করলেও একি ধরনের পানি বের হয়।আপনার কাছে জানতে চাই এই পানিগুলো কি আমার জন্য ক্ষতিকারক কিনা?জানতে পারলে উপকৃত হবো অগ্রিম ধন্যবাদ আপনাকে। পরামর্শঃ ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ! আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই পেজে সমস্যা শেয়ার করার জন্য!! অনেক সময় পানিতে জীবাণু থাকে যেমন ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস, ছত্রাক ইত্যাদি তখন আপানার ও ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে। সম্ভব হলে স্ত্রীর প্রসাব পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখবেন কোন ইনফেকশন বা জীবানু আছে কিনা? থাকলে উপযুক্ত ঔষধ সেবন প্রয়োজন। অর্গাজমের জন্য অন্য কোন বিকল্প উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে। ধর্মীয় বিষয় ও জেনে রাখা সমুচিন। নিকটস্থ বিজ্ঞ মুফতি সাহেবের থেকে মাসালা জেনে নেওয়ার পরামর্শ রইলো। #DrSRKhan

ভালো সিগন্যাল স্ট্রেন্থ (ফুল বার নেটওয়ার্ক) থাকার পরেও ভালো ডাউনলোড/আপলোড স্পীড পাচ্ছেন না? তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য! প্রথমেই বলে রাখি, এই পোস্টের সিগন্যাল ডাটা ইনস্পেক্ট করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপটির নাম "NetMonster", আপনি প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন। ভালো সিগন্যাল কোয়ালিটি বোঝার জন্য আমরা ফোনের সিগন্যাল বারের রেফারেন্স নিয়ে থাকি, ফোনে ফুল বার মানে শক্তিশালী সিগন্যাল আর বার কমতে থাকে মানে সিগন্যাল ও কমতে থাকে। যারা একটু টেকি পারসন, তারা নেটমনস্টার অ্যাপ এর RSRP ভ্যালু দেখে সিগন্যাল কতোটা শক্তিশালী সেটা বোঝার চেষ্টা করেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, ফোনে ফুল দাগ সিগন্যাল দেখানোর পরেও কিংবা নেটমনস্টার অ্যাপ এ শক্তিশালী RSRP ভ্যালু থাকার পরেও অনেকের অভিযোগ তিনি বা তারা ভালো LTE স্পীড পাচ্ছেন না। এখন আপনার মোবাইল ক্যারিয়ার এর নিজের ক্যাপাসিটি কম থাকা আলাদা ব্যাপার, কিন্তু সমস্যাটা সিগন্যাল এরও হতে পারে। মনে রাখবেন, শক্তিশালী সিগন্যাল মানেই কিন্তু কোয়ালিটি সিগন্যাল নয়! প্রথমে যারা জানেন না, LTE বা 4G তে RSRP ভ্যালু থেকে আপনার সিগন্যাল স্ট্রেন্থ সম্পর্কে জানতে পারবেন (এই ডাটা রেঞ্জ এর উপরে ভিত্তি করে ফোনের সিগন্যাল বার কমবেশি প্রদর্শিত হয়)। এখানে -dBm এ সিগন্যাল স্ট্রেন্থ ডাটা শো করে। RSRP ভ্যালু রেঞ্জ (LTE): ১) > -70dBm থেকে -84dBm (অসাধারণ সিগন্যাল) ২) -85dBm থেকে -102dBm (ভালো সিগন্যাল) ৩) -103dBm থেকে -111dBm (চলার মতো সিগন্যাল) ৪) < -111dBm (বাজে সিগন্যাল/নো কভারেজ) এখন এই ডাটা কিন্তু সিগন্যাল কতোটা শক্তিশালী তা ছাড়া আর কিছুই নয়। হ্যা, শক্তিশালী সিগন্যাল হলে আপনি বেশি ভালো কভারেজ পাবেন, কিন্তু ভালো স্পীড যে পাবেন সেটার কোন গ্যারান্টি এই ডাটা থেকে পাওয়া যায় না। তাহলে কিভাবে নিশ্চিত করবেন যে আপনার প্রাপ্ত সিগন্যাল থেকে ভালো ডাটা স্পীড পাওয়া যাবে কিনা? এখানে প্রধানত আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে দুইটি ডাটা ভ্যালু উপরে, তা হচ্ছে RSRQ (যেটা সিগন্যাল কোয়ালিটি কেমন সেটা নির্দেশ করে) এবং SNR/SINR (যেটা সিগন্যালের মধ্যে কতোটা নয়েজ মিশ্রিত রয়েছে সেটা নির্দেশ করে) ধরুন, আপনার RSRP (সিগন্যাল স্ট্রেন্থ) অনেক হাই, মনে করুন -80dBM, কিন্তু আপনার সিগন্যালে অনেক নয়েজ রয়েছে, তাই ওভারঅল সিগন্যাল কোয়ালিটি বেটার নয়, তাহলে আপনি ভালো স্পীড পাবেন না। যতই আপনার ফোনের নেটওয়ার্ক বার ফুল থাকুক কিংবা কভারেজ অনেক ভালো হোক। RSRQ ভ্যালু রেঞ্জ (LTE): ১) > -5dB (অসাধারণ সিগন্যাল কোয়ালিটি) ২) -9dB থেকে -5dB (ভালো কোয়ালিটি) ৩) -12dB থেকে -9dB (চলার মতো কোয়ালিটি) ৪) < -12dB (অচল/গরীব কোয়ালিটি) SNR/SINR ভ্যালু রেঞ্জ (LTE): ১) > 12.5dB (ক্রিস্টাল ক্রিয়ার সিগন্যাল) ২) 10dB থেকে 12.5dB (পরিষ্কার সিগন্যাল) ৩) 7dB থেকে 10dB (চলার মতো) ৪) < 7dB (নয়েজি সিগন্যাল) এবার NetMonster অ্যাপ ওপেন করে, RSRP এর পাশাপাশি RSRQ এবং SNR/SINR ভ্যালু গুলো কমপেয়ার করুন। যদি সিগন্যাল স্টেন্থ এর পাশাপাশি ভালো সিগন্যাল কোয়ালিটি পান এবং সিগন্যাল এ নয়েজ কম থাকে, তাহলে আপনি এক্সিলেন্ট ডাটা স্পীড পেতে বাধ্য! (যদিও ডাটা স্পীড নির্ভর করবে টাওয়ার ক্যাপাসিটি, কোন ব্যান্ড ব্যাবহার করা হচ্ছে, উক্ত ব্যান্ড এর ব্যান্ডউইথ কতো এলোকেট করা রয়েছে, ক্যারিয়ার এগ্রিগেশন সাপোর্ট রয়েছে কিনা ইত্যাদি ফ্যাক্টর এর উপরে)। আশা করছি এবার পুরো ব্যাপারটার উপরে একটা পরিষ্কার ধারণা তৈরি হলো!

কেউ ব্যাক্তিত্বের প্রেমে পড়ে। কেউ কন্ঠস্বরের প্রেমে পড়ে। কেউ চঞ্চলতার প্রেমে পড়ে। কেউ মায়াবী চোখের প্রেমে পড়ে। কেউ মানুষটা যেমনই হোক শুধু ওই মানুষের প্রেমে পড়ে। সুন্দর মানেই শুধু সাদা চামড়া নাহ। সবাই সাদা চামড়ার প্রেমে পড়ে না। সৌন্দর্য ব্যাপারটা একেকজনের কাছে একেকরকম।

List of don'ts: কাউকে অফিসের বেতন কত জিজ্ঞেস করতে নেই। কাউকে শুকিয়ে বা মুটিয়ে গেছ কেন জিজ্ঞেস করতে নেই। কাউকে বয়স কত জিজ্ঞেস করতে নেই। সন্তানের শিক্ষকের বেতন সন্তানকে দিয়ে শিক্ষককে দিতে নেই। হিন্দুকে গো মাংস খায় কিনা জিজ্ঞেস করতে নেই। মুসলমানকে শুকরের মাংস খায় কিনা জিজ্ঞেস করতে নেই। কাউকে বিয়ে করছ না কেন জিজ্ঞেস করতে নেই। কাকে ভোট দিবেন জিজ্ঞেস করতে নেই। কাউকে মুখে ওটা কিসের দাগ জিজ্ঞেস করতে নেই। রোজার দিনে নারী জাতির কাছে রোজা রেখেছো কি না জিজ্ঞেস করতে নেই। কাউকে চুল পড়ে যাচ্ছে কেন বা সাদা হয়ে যাচ্ছে কেন বা চুল কালো করছেন না কেন জিজ্ঞেস করতে নেই। অথবা চুল বড় কেন চুল কাটছেন না কেন জিজ্ঞেস করতে নেই। এইসব জিজ্ঞেস করতে গলার ভেতরটা কুটকুট করে উঠবে, তবু জিজ্ঞেস করতে নেই। এইগুলা জিজ্ঞেস করা ভদ্রলোক এর কাজ নয়। লেখাঃ Kamrul Hassan Mamun ( পরিমার্জিত )

নারীর পক্ষে থেকে যদি সেক্সের জন্য আহ্বান করা হয় তবে পুরুষের কাছে খুব ইন্টারেস্টিং হয়, কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো নারী সেক্সের জন্য তেমন একটি আহ্বান করে না, নারীর মনে সেক্স জাগ্রত হয় তবে তারা এটা প্রকাশ করতে চায় না। যার সামনে পুরো কাপড় খোলা যায় তার সাথে কিসের লজ্জা, সারা দুনিয়ার সাথে আপনার লজ্জা গ্রহণযোগ্য কিন্তু স্বামীর কাছে নায়, তাকে আপনার যৌনতা দিয়ে মুগ্ধ করে রাখুন, অবশ্য মনে রাখতে হবে যৌনতাকে চাপিয়ে রাখা হলে শারীরিক অনেক রোগও তৈরি হতে পারে, যদি মিলনে সুযোগ থাকে তবে কেন কষ্ট করবেন। স্বামী চাইলে যৌন মিলন হবে, কিন্তু সেটা যদি স্ত্রীর আগ্রহে হয় তবে দুজনেই বেশ তৃপ্তি পাবেন। এগুলি আমাদের দেশে স্ত্রীরা বুঝতে পারে না বলে এত অশান্তি লেগে থাকে সংসারে এবং এই একটা বিষয়ের জন্য পুরুষ টা পরকীয়া জরিয়ে পরে এটা আমাদের সমাজের সকলে নারী দের বুঝতে হবে ©Imran ahsan