ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 996
订阅者
无数据24 小时
-27
+430
帖子存档
আমি একবার আমার শাইখকে অভিযোগ করলাম, শাইখ! আমি বই পড়ি, কিন্তু পড়া শেষ করার পর আমার কিছুই মনে থাকে না। শাইখ আমার দিকে একটি খেজুর বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, ❝এটা চিবিয়ে খাও।❞ আমি তাই করলাম। শাইখ: এখন শারিরীক কোনো বৃদ্ধি টের পাচ্ছো কি? আমি: না তো! শাইখ: ❝তুমি অনুভব না করলেও খেজুরটি কিন্তু আলাদা আলাদা হয়ে তোমার রক্ত, মাংস, হাড্ডি, চামড়া, চুল ও নখে পরিনত হচ্ছে। ঠিক এমনিভাবে আমরা যখন কোনো বই পড়ি, তখন তা আমাদের অগোচরেই আমাদের ভাষাকে শক্তিশালী করে, জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে, চরিত্রকে শুদ্ধ করে, লেখনী ও বাচনভঙ্গি উন্নত করে।❞ - শাইখ সালমান আল আওদাহ (হাফি.)

সঙ্গম অশ্লীল নয়; অশ্লীল সঙ্গম বলেও কিছু নেই। বিনা পুঁজিতে শরীরের সর্বোচ্চ স্বর্গীয় লভ্যাংশের নাম সঙ্গম ৷ ©Dr. Apurba

আল্লাহ তা'আলা বলেন, وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى وَأَقِمْنَ الصَّلَاةَ وَآتِينَ الزَّكَاةَ وَأَطِعْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী পরিবারের সদস্যবর্গ। আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে।(সূরা আহযাব-৩৩) রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, الْمَرْأَةُ عَوْرَةٌ ، وَإِنَّهَا إِذَا خَرَجَتِ اسْتَشْرَفَهَا الشَّيْطَانُ ، وَإِنَّهَا لا تَكُونُ أَقْرَبَ إِلَى اللَّهِ مِنْهَا فِي قَعْرِ بَيْتِهَا ‘নারী গোপন জিনিস, যখন সে ঘর থেকে বের হয় শয়তান তাকে তাড়া করে। আর সে আল্লাহ তাআলার সবচে’ নিকটতম তখন হয় যখন সে নিজের ঘরের মাঝে লুকিয়ে থাকে।’ (তাবরানী ২৯৭৪) নারী মসজিদে যাওয়ার বিষয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,وَبُيُوتُهُنَّ خَيْرٌ لَهُنَّ ‘তাদের জন্য তাদের ঘর উত্তম।’ (আবু দাউদ ৫৬৭) শরয়ী পর্দা ও বিধান অনুসরণ করে মহিলাদের ব্যবসা বাণিজ্য ও চাকুরী করাতে কোন নিষেধাজ্ঞা আসেনি। তা’ই শরয়ী কোন কারণ ছাড়া মহিলাদের ব্যবসা করা ও চাকুরী করাকে হারাম বলার সুযোগ নেই। -তাবয়ীনুল হাকায়েক ৬/১১৭; আদ্দুররুল মুখতার ৬/৫৫; আলবাহরুর রায়েক ১/২০০; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৩৮, ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/৩৫৯ মোটকথা ,নারী চাকরির খাতিরে ঘর থেকে বের হতে পারবে। তবে এর জন্য কিছু নিয়ম ও শর্ত রয়েছে। নিয়ম ও শর্তগুলো মেনে চললে নারীর জন্য ঘর থেকে বের হওয়া জায়েয হবে; অন্যথায় নয়। যেমন,– যদি সত্যিকারে তার চাকরি করার প্রয়োজন দেখা দেয় তাহলে তার জন্য চাকরি করা জায়েয হবে। – চাকরিটা তার দৈহিক, মানসিক স্বভাব ও রুচির সঙ্গে সামন্জস্যশীল হতে হবে। যেমন, ডাক্তারি, নার্সিং, শিক্ষা, সেলাই কিংবা এ জাতীয় পেশা হতে হবে। – কর্মক্ষেত্রে পর্দার পরিপূর্ণ পরিবেশ থাকতে হবে। অন্যথায় জায়েয হবে না। – চাকরির কারণে যাতে পরপুরুষের সঙ্গে সফর করতে না হয়। – কর্মক্ষেত্রে আসা-যাওয়ার পথে যাতে কোন হারাম কাজ করতে না হয়। যেমন, ড্রাইভারের সঙ্গে একাকী যাওয়া, পারফিউম ব্যবহার করা ইত্যাদি। – নারীর প্রধান কাজ ও দায়িত্ব হচ্ছে স্বামীর খেদমত করা, তার সন্তুষ্টি অন্বেষণ করা ও মাতৃত্বের দায়িত্ব পালন করা। যদি চাকরি করতে গিয়ে এসব দায়িত্ব পালনে ব্যাপক অসুবিধা হয় তাহলে তার জন্য চাকরি করা জায়েয হবে না। (ফাতাওয়াল মারআতিল মুসলিমাহ ২/৯৮১ ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/৩৫৯) ★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন! মহিলাদের জন্য পর্দা রক্ষা করে ব্যবসা বাণিজ্য ও চাকুরী করা জায়েজ আছে। তবে এক্ষেত্রে যেন পর্দা লঙ্ঘণ না হয়, সেই সাথে শরয়ী অন্য কোন বিধান লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। হ্যাঁ, যদি উপার্জনক্ষম কোন মাহরাম আত্মীয় থাকে, বা অভিভাবক থাকে, তাহলে মহিলাদের জন্য ব্যবসা ও চাকরীর জন্য বাহিরে যাওয়া উচিত নয়।

নিজের স্ত্রীর দুধ পান করলে স্ত্রী স্বামীর উপর হারাম হয়না। কারণ সর্বোচ্চ ২বছর বয়সে দুধ পান করলে দুধ মায়ের সম্পর্ক স্থাপন হয়। এর পর পান করলে হয়না। তাই স্বীয় স্ত্রীর দুধ পান করার দ্বারা আপনার স্ত্রী আপনার উপর হারাম হয়ে যায়নি। কিন্তু স্ত্রী স্তনের দুধ পান করা একটি মারাত্মক গোনাহের কাজ। একাজ থেকে বিরত থাকুন। ১. সূরা বাক্বারা-২৩৩ ২. সূরা আহকাফ-১৫ ৩. ফাতওয়ায়ে শামী-৪/৩৯৭ ৪. তাফসীরে মাযহারী-১/৩৫৬ ৫. কেফায়াতুল মুফতী-৫/১৬২

#পার্থবচন মনে রাখবেন, আপনি কে বা আপনার কি আছে তার উপর আপনার সুখ নির্ভর করেনা। আপনার সুখ নির্ভর করে আপনি কেমন চিন্তা করেন তার উপর। -ডেল কার্নেগী এই কথাটার সাথে মিল রেখে বলতে চাই। মানুষকে দেখে বা তার কি আছে জেনে বিচার করা থেকে, তার চিন্তা কেমন তা বিচার করে মিশলে ঠকার বা তার কাছ থেকে কষ্ট পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। রাত ২টা ৪৫ মিনিট ০৯ ডিসেম্বর ২০১৫

Please pray for Bangladesh🙏🙏 দেশে দুর্ভিক্ষ বাড়ার অপেক্ষাই করছিলো মনে হয় ডাকাত দল। টাকার অভাব শুরু হবার আগেই ঘটে যাচ্ছে দেশে একটির পর একটি লোমহর্ষক ঘটনা। এ অপরাধিরা না পুলিশ ভয় পাচ্ছে না লোকালয় । দিনে ভরা মজলিস হোক বা রাতের অন্ধকারে দা ,বটি ভয়ানক অস্ত্র দিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সব। তাই সবাই এখনি সচেতন হন। দুর্ঘটনা থেকে ভালো সচেতন হওয়া। ১) রাস্তায় মোবাইল যত সম্ভব কম বের করুন। বের করলেও চারদিকে তাকিয়ে নিরিপদ স্থানে যান। ২) গোল্ড ভারি গয়না পরে কম বের হন। একা চলাচল করবেন না। ৩) বেশি টাকা নিয়ে বের হলে অবশ্যই সেফটি নিয়ে বের হবেন। সাথে কাউকে নিয়ে বের হবেন। ৪)অযথা বারতি টাকা কেউ রাখবেন না সাথে । ৫) সবার সাথে টাকা পয়সার পাওয়ানা , গোল্ড , দামি কিছুর ব্যাপারে ডিসকাস করেবন না।কারন অনেক সময় আপন মানুষরাই বাশটা দিয়ে থাকে। ৬)কনফার্ম না হয়ে কখনো বাসার দরজা খুলবেন না। দরজার পিছে কারা ছদ্মবেশী দাঁড়িয়ে আছে বলতে পারবেন না। ৭) ৬ নং টি আবার পরুন এবং মানুন। ৮) নিজের সাথেও হাল্কা অস্ত্র রাখুন প্রান বাচাতে, পকেট নাইফ , চিলি স্প্রে। ৯) গরিব সেজে থাকুন।কম শো অফকারির শত্রু কম। ১০) ঘটনা ঘটে গেলেও ভয় পাবেন না। ঘটার সময় অপরাধীদের মার্ক করার ট্রাই করবেন। পরবর্তীতে যাতে পুলিশকে তথ্য দিতে পারেন। ১১) বাস গাড়ির জানালার সিটে বসলেও লক রাখুন। ১২) আসেপাশে নজর রাখুন। ১৩) ৯৯৯ নাম্বারটা স্টার সেভে দিয়ে রাখেন। সমস্যা বুঝতে পারলেই কল দিয়ে দিবেন। © Habiba Khanam Aninda

" তিন ব্যক্তি এমন, যাদের সালাত তাদের মাথা অতিক্রম করে না ( কবুল হয়না ) - ১) জনতার এমন শাসক - যাকে জনতা অপছন্দ করে, ২) স্বামীর অবাধ্য স্ত্রী, ৩) মালিকের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়া দাস। " - তাবিঈ আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস আল বাসরী রাহিমাহুল্লাহ [ ইমাম ইবন আবি শাইবাহ (রাহ.), আল মুসান্নাফ, হা: ৪১৩২, আল্লামা আওয়্যামার হাফিজাহুল্লাহ এর মতে সনদের রাবীরা সিকাহ ]

বিজ্ঞরা বলেন, তিনটি বিষয় নিয়ে বেশী চিন্তা করবেন না: (১) অভাব নিয়ে চিন্তা করবেন না। তাহলে আপনার দুশ্চিন্তা ও দুর্দশা বেড়ে যাবে, অন্তরে লোভ তৈরী হবে। (২) আপনার উপর জুলুম হয়েছে, সেটা নিয়ে বেশী ভাববেন না। তাহলে আপনার অন্তর কঠোর হয়ে যাবে, হিংসা-বিদ্বেষ বেড়ে যাবে, ক্রোধ দীর্ঘস্থায়ী হবে। (৩) দুনিয়ায় দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার আশা করবে না। তাহলে জীবন নষ্ট হয়ে যাবে, আজ নয় কাল নেক আমল করবো, এই চিন্তায় থাকতে থাকতে মৃত্যুর ফেরেশতা এসে যাবে। (তানবীহুল গাফেলীন, পৃ: 572)

পুরুষ খারাপ, পুরুষ অসচেতন, পুরুষ ডেয়ারিং, পুরুষ উশৃঙ্খল এসব ট্যাগ পুরুষের পেছনে আছে, তাই এই বিষয় নিয়ে আপাতত অভিযোগের কিছু নেই। আমি একটু অন্য কথা বলতে চাই। আমি রাস্তা-ঘাটে অনেক কিছুই খেয়াল করি। অধিকাংশ, আই রিপিট অধিকাংশ, সুন্দরী তরুণীরা হেলমেট পরেন না। যারা সেজেগুজে থাকেন, মেকআপ করেন আমারতো মনে হয় সেগুলোর ৯০% হেলমেট পরেন না। আমি জানিনা কেন, তবে আমার মনে হয় যে, কষ্ট করে যে নিজেকে সুন্দর করে সাজিয়েছেন, এটা যেন মানুষ দেখে, সেই কারণেই হয়ত হেলমেট পরেন না, যেন মেকআপ বা চুলের সাজ নষ্ট না হয়ে যায়। উপরে যাদের কথা বললাম তারা সম্ভবত অবিবাহিত তরুণী। আর বিবাহিত নারী? তারা তো সার্কাস খেলোয়াড়। এটাও বেশ বড় অংশ দেখি। এরা মটর সাইকেলে উঠলে, একপাশে পা দিবে। কাধে থাকবে একটা ব্যাগ, আর বাচ্চাকে ধরে রাখবে। এবার কি করবে জানেন? একবার ওড়না ঠিক করবে। ব্যাগ যেন না পড়ে যায়, এ কারণে কিছুক্ষণ পর পর ব্যাগের ফিতা ঘাড়ে তুলবে। আবার একটু পর পর বাচ্চাকে ঠিকমত ধরবে। এই শ্রেণীর কেউ কেউ হেলমেট পরে, কেউ আবার পরেও না। ভুলে গেছি, এই প্রসঙ্গে কার সাথে যেন একবার আলোচনার প্রেক্ষাপটে আমাকে বলেছিল, কম পয়সার বেতন পায়, তা দিয়ে সংসার খরচ, বাচ্চার খরচ আছে, সিএনজি-উবারে উঠতে গেলে কত কষ্ট, তোমার মত আরামে থাকা মানুষ বুঝবেনা! আমার কথা হলো, যার এত কষ্ট করে চলতে হয়, তার বিয়ে করার দরকার কি? সে বিয়ে করে এই পৃথিবী-রাষ্ট্রের কি উদ্ধার করে ফেলেছে? কেউ কেউ আবার ওই বাইকে দুটো বাচ্চা নিয়েও কসরত করে। বসলে দুই পাশে পা দিয়ে বসো। হেলমেট পরো। বাচ্চা ঠিকঠাক মত মানুষ করার সক্ষমতা হলে তখন বাচ্চা নাও। তারপরেও বাচ্চা নিয়ে বসলে ওড়না পরোনা বা পরলেও এমন ভাবে পরো যেন বার বার ঠিক করতে না হয়। তোমার টাকা, তোমার বাইক, তোমার বাচ্চা তুমি যেমন ইচ্ছে বসতে পারো। সমস্যা হলো, যখন এক্সিডেন্ট হয়, তখন দোষটা তোমার হয়না। দোষ হয় সরকারের। দোষ হয় দেশের সিস্টেমের। তোমার দোষ কেউ দেখেনা। তুমি যে একটা উজবুক, সেই কথা কেউ বলেনা। থাইল্যান্ডের হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশনের সচেতনতামুলক প্রচারণা। খালি মাথায় যে বাইকে বসছেন, আর ভাবছেন আপনার মাথায় আপনার হেলমেট, ওটা আসলে শতভাগ ডেড হেলমেট। ও হেলমেট কোন কাজের না।