uz
Feedback
M Space

M Space

Kanalga Telegram’da o‘tish

আপনার জানা দরকার-

Ko'proq ko'rsatish
2 932
Obunachilar
-424 soatlar
-97 kunlar
-3030 kunlar
Postlar arxiv
M Space
2 932
শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান নিখোঁজ হওয়ার খবর প্রকাশের পর জামায়াতের আমির থেকে শুরু করে অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়েছিল। অন
শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান নিখোঁজ হওয়ার খবর প্রকাশের পর জামায়াতের আমির থেকে শুরু করে অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়েছিল। অনেকেই এ ঘটনাকে "গুম" আখ্যা দিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার চেষ্টা করেছিল এবং বিএনপির আমলে গুমের রাজনীতি ফিরে এসেছে বলেও প্রচার করেছে । কিন্তু শিবির নেতা উদ্ধার হওয়ার পর গণমাধ্যমে তথ্য সামনে এসেছে, জিসান এক বিধবা নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্খাপন ও তাকে গর্ভবতী করে, পরবর্তীতে ভ্রূণ নষ্টের চেষ্টা এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েও বিয়ের আগের রাতে আত্মগোপনে চলে যায় ও তার নামে মামলা হয় । অথচ যাচাই বাছাই না করে সরকারের উপর দায় দেওয়া শুরু হয়েছিলো।এভারেজ জামাত-শিবিরের চরিত্র এমনই। এ ঘটনা ভবিষ্যতে জন্য সাইনমার্ক।

M Space
2 932
১। জুলাই নিয়ে কোন আপস হবে না। এবং জুলাই সনদ আর জুলাই এক জিনিস না। জুলাই সনদকে নিয়ে আলাপ - আলোচনা দর কশাকশির লাইসেন্স আছে। জুলাইকে নিয়ে নাই। যে বা যারা জুলাইকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করবে তারা আমাদের মিত্র না। হাইয়েস্ট স্ট্রাটেজিক পার্টনার হইতে পারে। নতুন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে জুলাইকে মেনে নিয়ে এবং স্বীকার করেই করতে হবে। ২। আওয়ামী লীগ প্রশ্ন আপোসযোগ্য না। আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে ফেরত আনার চেষ্টা যে করবে তার সাথে আমাদের মোকাবেলা হবে। সাধারণ আওয়ামী লীগ সমর্থক এবং কর্মীদের ব্রিদিং স্পেস দেওয়াকে স্বাগত জানাই। তাদের সমাজে মিশে যাবার সুযোগ দিতে হবে। নইলে সমাজ স্ট্যাবল হবে না। কিন্ত দল হিসেবে আওয়ামী লীগের ফেরত আসার সুযোগ নাই। তারেক রহমান আশা করি এই চেষ্টা করবেন না। এখন পর্যন্ত উনি এই চেষ্টা করছেন না বলেই মনে হচ্ছে। তবে উনি যদি ভুলেও এই চেষ্টা চালান...আমরা উনার বিপক্ষে দাঁড়াতে দুই সেকেন্ড চিন্তা করবো না। আওয়ামী লীগ প্রশ্ন আপোসযোগ্য নয়। ৩। আওয়ামী লীগ দিনের শেষে আওয়ামী লীগ থাকে। কিন্ত বিএনপি'র একটা অংশ হয় জামাত হয়। নয়তো বাম হয়। নয়তো মুজিব-চোদ হয়। ছাত্রদল আর বিএনপি তে ইদানিং জামাত এর পাশাপাশি কিছু মুজিবচোদ দেখা দিছে। এই বোকাচোদা গুলা জনির ১৬ বুলেট খাওয়া লাশ ভুলে গেছে। এরা ইলিয়াস আলীর গুম ভুলে গেছে। এরা কখনো আসলে নির্যাতনের শিকার হয় নাই। এদের পরিবার সাফার করে নাই। এরা পারিবারিক ভাবে লীগ। সুযোগ বুঝে দল পাল্টাইছে। __ বর্তমান বাস্তবতায় কিছু জিনিস ক্লিয়ার করা দরকার বলেই মনে হলো। বিএনপি, জামাত সহ সব রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে ফেরত আনার চেষ্টা করতেই পারেন। কিন্ত সেটার জন্য আমাদের লাশের উপর দিয়ে যেতে হবে। আজকে একজন জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে ওরা যে নোংরামি করলো..এটা আবারো আমাদের মনে করিয়ে দেয়: বাংলার মাটিতে ওদের কোন জায়গা নাই। সবশেষে মুজিবচো*দের জন্য পাতার নাম পুদিনা মুজিববাদ চুদিনা।

M Space
2 932
তিস্তা প্রকল্পে অর্থায়ন করবে চীনের এক্সিম ব্যাংক
- প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

M Space
2 932
শেখ হাসিনার সময়ে সীমান্তে আমরা যে রকম দেখেছি, ওই নমুনায় সীমান্ত আর কোনো দিন আসবে না। ওই নমুনায় কেউ যদি সীমান্তে কিছু করতেও চায়, এই বাংলাদেশ আর সেই বাংলাদেশ নেই যে বসে দেখবে। বাংলাদেশেরও পরিকল্পনা রয়েছে, কী করতে হবে। আশা করি, ভারত ওই পথে যাবে না।
- প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

M Space
2 932
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা খলিলুর রহমান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে বৈঠকে ‘এক-চীন’ নীতির প্রতি দেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি, তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের অংশগ্রহণ ও সমর্থনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।এই নদীটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৫ বছরের এক অচলাবস্থার কারণ, যা মোদী সরকার কখনোই সমাধান করতে আগ্রহ দেখায়নি। অর্থাৎ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আনুষ্ঠানিক ভাবে কাজ শুরু করলো বাংলাদেশ। খবর: দৈনিক ইনকিলাব।  

M Space
2 932
ইউনুস আমাদের কি সর্বনাশ করে গেছে সেটা খুব সম্ভবত আমরা বুঝতে পারছি না। নির্বাচনের আগের তড়িঘড়ি করে করা চুক্তিতে কি আছে সেটা পড়লে যে কারো মাথা ঘুরে যাবে। আজকে প্রথম আলোতে এটা নিয়ে বিস্তারিত একটা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশের গার্মেন্টস ব্যবসা পুরোপুরি পশ্চিমা নির্ভর হওয়ায় এটা রক্ষার জন্য চাইলেও কোন সরকার সেটা বিএনপি হোক, জামাত হোক আর এনসিপি হোক এই চুক্তির বিরুদ্ধে যেতে পারবে না। বাংলাদেশ কার কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে পারবে, পারবে না সেটা পর্যন্ত আমেরিকা এখন থেকে নির্ধারণ করবে। বাংলাদেশ নতুন করে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করতে গেলেও তাতে আমেরিকার স্বায় লাগবে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকার লুটপাট করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। এই মুহূর্তে দেশের গার্মেন্টের অন্যতম প্রধান বাজার আমেরিকাকে চটানোর কোন সুযোগই নাই। যারা ইউনুসকে ৫ বছর রাখার ক্যাম্পেইন চালিয়েছিলো..তারা কি এটাই চেয়েছিলো? যাতে দেশ আমেরিকার করফ রাজ্যে পরিণত হয়? এব্মং চুক্তি করার পর তা বাস্তবায়নের দায়িতে চাপানো হয়েছে বিএনপি সরকারের উপরে। তার মানে এর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সব বিএনপির উপর দিয়েই যাবে। বাংলাদেশের মানুষ এক সময় ইউনুসের নাম হাসিনার মতোই ঘৃণার সাথে উচ্চারণ করবে।

M Space
2 932
এটা খুব সম্ভবত পরিস্কার যে পশ্চিমবংগে বিজিপি ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে। এটা লং টার্মে এবং শর্ট টার্মেও বাংলাদেশের জন্য ভালো হতে পারে। আগামী দশকের ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। সাম্প্রাদায়িক বিজেপি যতো বেশি দিন ক্ষমতায় থাকবে ভারত রাষ্ট্র হিসেবে ততো দুর্বল হবে এবং ভারতের প্রতিষ্ঠান গুলো ততোই দুর্বল হবে। এটা আল্টিমেটলি ভারতকে প্রপার ফেডারেল সিস্টেমের দিকে হাটতে বাধ্য করবে। এবং এই উপমহাদেশে ভারতের খবরদারিও কমাবে। তবে পথটা এতোটা মসৃণ হবে না। তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি এতো দিন আটকে ছিলো শুধু মাত্র মমতাদি এর জন্য। দেখার বিষয় ট্রাঞ্জিট এর বিনিময়ে ভারত তিস্তার পানি বন্টন চুক্তিতে রাজি হয় কি না। যদি রাজি হয় সেটাও ভারতেত অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে উত্তপ্ত করবে। মমতা বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে আরো ভয়ংকর। তবে পানিবন্টন চুক্তি সামনে চলে আসলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা পেছনে চলে যেতে হবে। তিস্তার জন্য সবচেয়ে টেকসই সমাধান হচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা। অন্যদিকে ২০২৬ এর মাঝে শেষে হচ্ছে গংগা পানিচুক্তি। এই চুক্তি রিনিউ করতে গেলে ভারতের বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে বিএনপি'র সরকারের উপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চাপ আসতে পারে। তিস্তা নিয়ে কথা-বার্তা একটা শেপ এ রূপ নেওয়া দেখতে মে বি আমাদের আরো দুই-তিন বছর অপেক্ষা করা লাগবে। আজকের দিনটা পশ্চিম বংগ এবং ভারতের জন্য একটা খারাপ দিন। কিন্ত গোটা দক্ষিণ এশিয়া দিল্লীর আধিপত্য থেকে মুক্তির পথে আরেকধাপ এগিয়ে গেলো। আমাদের সহ দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশকেই আরো কিছুদিন ভুগতে হবে। কিন্ত বিজেপি যতো বেশিদিন ক্ষমতায় থাকবে...স্থায়ী মুক্তির পথ ততো সুগম হবে। তাই এতো টুকু মেনে নিতেই হবে। Only through suffering does freedom take shape.

M Space
2 932
দিদিকে নার্ভাস মনে হচ্ছে

M Space
2 932
বাংলাদেশে ইউনিসেফের আবাসিক প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ারের অনুরোধ এবং সতর্কবাণী উপেক্ষা করে ইউনিসেফ এর মাধ্যমে টিকা কেনার প্রক্রিয়া
বাংলাদেশে ইউনিসেফের আবাসিক প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ারের অনুরোধ এবং সতর্কবাণী উপেক্ষা করে ইউনিসেফ এর মাধ্যমে টিকা কেনার প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে টিকা কেনার। ২০২৪ সালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অবস্থা এবনভ ২০২৫ সালের টিকার অপ্রতুলতা থাকায় ব্যাপক হারে ভ্যাক্সিনেশন বাস্তবায়ন করা যায়নি। টিকা পাবার উপযুক্ত শিশুর মাত্র ৫৯% শিশুকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়। এসময় ইউনিসেফ এর পক্ষ থেকে ইউনুস সরকারকে বারবার সতর্ক করা হয়েছিলো সম্ভাব্য মহামারি সম্পর্কে। মহামারি প্রথম ছটিয়ে পরে রোহিংগা ক্যাম্পে। এরপর সারা বাংলাদেশে। এই সব শিশুদের মৃত্যুর দায়ভার ইউনুস সরকারকে বহন করতে হবে।

M Space
2 932
If Allah has blessed you with the ability to help, please consider supporting this mother. https://www.facebook.com/share/r/18Xta5eSVZ/

M Space
2 932
US vs Iran Demands (Reported 15-point plan) 🇺🇸 US Demands: •30-day ceasefire •Dismantle Natanz, Isfahan & Fordow nuclear sites •Never develop nuclear weapons •Hand over all enriched uranium to IAEA + end enrichment in Iran •Limit missile range & numbers •End support for proxies (Hezbollah, Houthis etc.) •Stop attacks on energy facilities •Reopen Strait of Hormuz •Lift all sanctions in return 🇮🇷 Iran Demands: •Recognition of legitimate rights •War reparations •International guarantees against future attacks •Full sanctions removal •Close all US bases in region •Formal control over Strait of Hormuz

M Space
2 932
photo content
+4

M Space
2 932
আমার দৃষ্টিতে আজকের ইশতেহার এর সেরা ৫ প্যাকেজ। এর বাইরে আরো অনেক ফিচার আছে। কিন্ত আমার ধারণা এগুলা গেইম চেঞ্জার হতে পারে। প্রতি প্যাকেজ নিয়ে আলাদা ভাবে লিখার ইচ্ছা আছে।

M Space
2 932
এই ছবি খুব সম্ভবত রাত ১২ টার দিকের। তারেক রহমান তখনো ছুটছেন। তাকে এক নজর দেখার জন্য রাস্তার মোড়ে মোড়ে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। এখন
এই ছবি খুব সম্ভবত রাত ১২ টার দিকের। তারেক রহমান তখনো ছুটছেন। তাকে এক নজর দেখার জন্য রাস্তার মোড়ে মোড়ে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। এখন রাত আড়াইটা। খুব সম্ভবত নারায়ণগঞ্জের সমাবেশ এখনো বাকি। তারেক রহমান এখনো কথা বলছেন। ছুটছেন। মানুষ এখনো তার অপেক্ষায়। #OurLastHope

M Space
2 932
রাত চারটার সময়ের নারায়ণগঞ্জে জনতার ঢ্ল https://www.facebook.com/share/v/1Zan1Z3kKe/

M Space
2 932
নরসিংদী। রাত ০২৩০। #OurLastHope
+1
নরসিংদী। রাত ০২৩০। #OurLastHope

M Space
2 932
ফিলিস্তিনের গাজা তে ইসরায়েলি গণহত্যার প্রেক্ষিতে এক পর্যায়ে ট্রাম্প ২০ দফা প্রস্তাবনা দেয়। এই ২০ দফা শান্তি প্রস্তাবের আগের ধাপ ছিলো " ডিল অফ দ্যা সেঞ্চুরি"। যেটা সেসময় কাজ করেনি। তো ২০ দফা শান্তি প্রস্তাবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলোঃ গাজা স্টাবিলাইজেশন ফোর্স। এইটা বিভিন্ন দেশের সেনা সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটা আন্তর্জাতিক বাহিনী। গতকাল বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গাজার সেনাবাহিনী প্রেরণের বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন। ট্রাম্পের এই ২০ দফায় আসলে কি আছে। ______ বৃটিশ পত্রিকা "দ্যা গার্ডিয়ান এর হাতে গত বছরের নভেম্বরে কিছু ডকুমেন্ট আসে। সেই ডকুমেন্ট অবলম্বনে Context কি? ফটো ফিচার টাইপ কিছু একটা করার ট্রাই করছিলো। আজকে আমার অনুরোধে তারা বাংলা ভার্সন রিলিজ দিছে। তো...এই ডকুমেন্টে মূলতো কি আছে? এই ডকুমেন্ট অনুযায়ী গাজাকে মূলতো দুই ভাগে ভাগ করা হবে। একটা হইলো রেড জোন। আরেকটা গ্রীন জোন। গ্রিন জোনের দায়িত্বে থাকবে ইসরায়েল এবং বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনী নিয়ে গঠিত "আন্তর্জাতিক স্টাবিলাইজেশন ফোর্স"। এদের কাজ হবে গ্রীণ জোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ইসরায়েল যে সব ফিলিস্তিনিদের পাস দিবে শুধু মাত্র তারাই কড়া নিরাপত্তার মাঝে গ্রীন জোনে বসবাস করতে পারবে। এখানে কিছু পুনর্গঠন এর কাজ হবে। অন্যদিকে বাকি সব গাজানরা রা থাকবে রেড জোনে। সেখানে কোন পুনর্গঠন এর কাজ হবে না। অন্তত ট্রাম্পের প্ল্যানে এরকম কিছু নাই। আরো আছে। এই এলাকার নিয়ন্ত্রণ ফিলিস্তিনি অথোরিটির হাতে থাকবে না। কিছু পরিবার এবং লোকাল কিছু মানুষের হাতে এই এলাকার নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হবে। এই এলাকায় ফিলিস্তিনিদের কোন প্রতিরক্ষা বাহিনী থাকবে না। আপাতত ২০০ সদস্যের একটা পুলিশ বাহিনীর কথা বলা হয়েছে। যেটার সদস্য সংখ্যা ৩০০০ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। সো বেসিক্যালি...এই প্ল্যানের উদ্দেশ্য হচ্ছে ফিলিস্তিনিদের আরো বিভক্ত করার মাধ্যমে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এই প্ল্যান বাস্তবায়ন হয়ে ফিলিস্তিনিরা তিন জায়গায় বিভক্ত হয়ে তিনটা অথোরিটির আন্ডারে চলে যাবেঃ পশ্চিম তীর, গাজার রেড জোন, গাজার গ্রীন জোন। _______ এর বাইরে অস্ট্রেলিয়ান টিভি চ্যানেল এবিসি নিউজ আরেকটা লিক ডকুমেন্টের বিষয়বস্ত ফাঁস করে। এই ডকুমেন্টটা মোট ২১ পৃষ্ঠার। এই ডকুমেন্ট তৈরি করেছিলো যুক্ত্রাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক (Tony Blair Institute for Global Change) । এই ডকুমেন্টের সাথে ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার সাথে অনেকটা মিলে যায়। এই ডকুমেন্ট কি আছে? GAIA (Gaza International Transitional Authority): গাজা পরিচালনার জন্য একটি অন্তর্বর্তীকালীন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে। এর একটি হাইয়ার্কিয়াল কাঠামো থাকবে, যার শীর্ষে থাকবে একটি আন্তর্জাতিক বোর্ড। বোর্ডে বিলিয়নেয়ারদের উপস্থিতি: এই আন্তর্জাতিক বোর্ডে ৭ থেকে ১০ জন সদস্য থাকবেন, যাদের মধ্যে মিসরীয় বিলিয়নেয়ার নাগিব সাউইরিস এবং মার্কিন প্রাইভেট ইকুইটি বিলিয়নেয়ার মার্ক রোয়ানের মতো ব্যক্তিদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে । তাদের লক্ষ্য হবে গাজায় বিনিয়োগ এবং আর্থিক মুনাফা নিশ্চিত করা। ফিলিস্তিনিদের অবস্থান: এই বোর্ডে মাত্র একজন ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি থাকতে পারেন, তবে তাকে "যোগ্য" হতে হবে । ডকুমেন্টের ফ্লোচার্টে ফিলিস্তিনিদের অবস্থান সবার নিচে রাখা হয়েছে, যাদের কাজ মূলতো হবে কেবল উপরের কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা। আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা বাহিনী (ISF): এই বাহিনী গাজার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করবে, ইসরায়েল ও মিসরের সাথে সমন্বয় করবে এবং যেকোনো সশস্ত্র প্রতিরোধ বা সন্ত্রাসবাদ দমন করবে। ____ প্রাথমিকভাবে মন হচ্ছে ২০ দফার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ১। ফিলিস্তিনিদের বিভক্ত করার মাধ্যমে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ২। ফিলিস্তিনিদের স্বাধিকার এবং নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকারকে পুরোপুরি ইগ্নোর করা হইছে এই ডকুমেন্টে। ৩। আন্তর্জাতিক বাহিনীর মাধ্যমে মূলতো ইসরায়েলি নির্যাতন হালাল করার চেষ্টা হচ্ছ। আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে এই বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতেই থাকবে। জামাত ব্যাকড ইউনুস সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা এই বাহিনীতে সৈন্য সরবরাহ করার বিষয়ে আমেরিকা গিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে এসেছে। এটা খুব বিপদজনক। কারণ বাংলাদেশ ভয়াবহ আর্থিক সংকটে আছে। ইউনুস আমেরিকার কাছে কোন প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসলে সেটা বাস্তবায়ন পরবর্তী সরকারের জন্য ফরজ হয়ে যাবে। এবং এই ধরণের সিদ্ধান্ত নেবার অধিকার এই সরকারের আছে কি না সেটাও একটা প্রশ্ন। ফিলিস্তিনিদের শোষন করার যেকোন মেকানিজমে বাংলাদেশকে অংশ করার এই ষড়যন্ত্রের নিন্দা জানাইয়া গেলাম। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। ফিলিস্তিন জিন্দাবাদ। ইন্তিফাদা জিন্দাবাদ।

M Space
2 932
photo content

M Space
2 932
ফিলিস্তিনিতে গাজা স্টাবিলাইজেশন ফোর্সে সৈন্য পাঠাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউনুস সরকার। এর ফলাফল কি? গাজা স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্সটাই আসলে কি? https://www.facebook.com/share/p/1DXX1fzc2e/

M Space
2 932
উচ্চকক্ষে পি আর সিস্টেম নিয়ে আলাপ তোলা জামাত- চরমোনাই জোটের জন্য বিশাল প্রব্লেম ক্রিয়েট করছে। সারা দেশে চরমোনাই এর ভোট ব্যাংক আছে। এটা বড় ভোট ব্যাংক। উচ্চ কক্ষে পি আর সিস্টেম হলে এবং ৩০০ আসনে চরমোনাই প্রার্থী দিলে নিম্ন কক্ষে একটা আসন জিততে না পারলেও উচ্চ কক্ষে সংখ্যানুপাতে চরমোনাই আসন পাবে। এবং সেই আসনের সংখ্যা এনসিপি থেকে বেশি। কিমত জামাতের কথা শুনে ৫০ আসন মেনে নিলে সেটা চরমোনাই এর জন্য হবে হাতের লক্ষী পায়ে ঠেলার মতো। একারণে চরমোনাই খুব স্বভাবতই চাবে মিনিমাম ১০০-১৫০ আসনে প্রার্থী রাখতে। একই সমস্যা জামাতের ও। তারা যতো বেশি সংখ্যক আসনে প্রার্থী রাখতে পারবে...উচ্চ কক্ষে ততো বেশি প্রতিনিধি পাবে। একক দল হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রার্থী দাঁড়াচ্ছে। সো ধরে নেওয়া যায় উচ্চ কক্ষেও তাদের প্রাধান্য থাকবে। পি আর সিস্টেম।নিয়ে জামাতের অতিচালাকি তাদের জন্য গলার দড়ি হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে....চরমোনাই কি একা নির্বাচন করে তার নিজের দলকে শক্তিশালী করবে? নাকি ৫০ আসন নিয়ে নিজের রাজনীতি শেষ করে দিবে? উচ্চকক্ষের হিসাব রাজনীতিতে নতুন নতুন ইকোয়েশনের জন্ম দিচ্ছে।