uz
Feedback

Firibgarlarga uchmang! Telemetrio bunday kanallarni topadi va belgilaydi 👉 Belgini ko‘rmoqchi bo‘lsangiz, obuna bo‘ling

iTahmid

iTahmid

Kanalga Telegram’da o‘tish

Tech, History, Geopolitics

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali iTahmid analitikasi

iTahmid (@itahmidtg) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 105 obunachidan iborat bo'lib, Siyosat toifasida 4 618-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 140-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 105 obunachiga ega bo‘ldi.

24 Oktabr, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni -121 ga, so‘nggi 24 soatda esa -3 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 12.58% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 5.96% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 1 397 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 662 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 24 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
“Tech, History, Geopolitics”

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 25 Oktabr, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Siyosat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 105
Obunachilar
-324 soatlar
-337 kun
-12130 kun
Postlar arxiv
iTahmid
11 105
নিহত কিশোরী তাজমিনের সাথে সর্বশেষ যে ছেলেটার হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট হয়, সেই ছেলের দেয়া তথ্য অনুযায়ী- তাজমিন রাতে বাড়ীতে পৌঁছে প্রধান ফটক বন্ধ পায়। গেইট বন্ধ থাকায় বাসায় ঢুকতে না পেরে সে বাইরে ঘুরাঘুরি করছিল। এই সময় সে তার এক বান্ধবীর বাবাকে দেখতে পায় বলে ফোনে জানায়। লোকটা তার বান্ধবীর বাবা এবং পেশায় সিএনজি চালক। রাতে সেই আংকেলের বাসায় যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা হোয়াটসঅ্যাপে ছেলেটাকে জানায় তাজমিন। ছেলেটা তাকে ঐ লোকের সাথে যেতে নিষেধ করে এবং তাজমিনকে বলে যে, সে যেন তার বাবাকে ফোন দিয়ে বাসায় ঢুকে যায় এবং গেইটের পাশেই যেন অপেক্ষা করে। এ নিয়ে ফোনে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হলে তাজমিন ফোন কেটে দিয়ে ঐ লোকের সাথে চলে যায়, যাকে সে বান্ধবীর বাবা এবং সিএনজি চালক বলে জানিয়েছিল ফোনে। তাজমিন তার বান্ধবীর বাবার সাথে যেতে চাওয়ার আরো একটা কারণ হতে পারে, সে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলেই একা কক্সবাজার চলে গিয়েছিল। এজন্যই হয়তো রাত তার বান্ধবীর বাসায় কাটিয়ে পরদিন ঘরে ফেরার প্ল্যান করেছিল সে। সম্ভবত তাজমিনকে হত্যাকারী সিএনজি চালকের কথাই তাজমিন ফোনে বলেছিল।

iTahmid
11 105
মনে আছে? আওয়ামীলীগের আমলে সামিটকে বেশী বেশী দামে এনার্জী ডীল গুলো পাইয়ে দিয়ে আওয়ামীলীগ সরকার আজিজ খানকে সিঙ্গাপুরের সেরা ধনী বানিয়ে দিয়েছিল? তাহলে বিএনপি সরকার আসলে কাকে বানাতে চাচ্ছে? মহেশখালীতে বাংলাদেশের তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল বানাবে সরকার। অর্থাৎ বিদেশ থেকে জাহাজে করে কিনে আনা গ্যাস এখানে এনে অফলোড করবে, সংরক্ষণ করবে, তারপর পাইপলাইন দিয়ে জাতীয় গ্রীডে যাবে। তো এই গ্যাস টার্মিনাল যারা বানাবে, তাদেরকে ডেইলী একটা ফী দিতে হয়। প্রতিদিনই একটা টাকা তারা নেবে, গ্যাস আসুক আর না আসুক। তো এই LNG টার্মিনাল বানানোর জন্য কয়েকটা কোম্পানী প্রস্তাব দেয়। একটা হলো সৌদি আরামকো। আরামকো হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় তেল গ্যাসের কোম্পানী। আরামকো প্রস্তাব দেয় প্রতিদিন ফী দিতে হবে ১ লাখ ৯০ হাজার ডলার। সর্বোচ্চ বিড করে চাইনিজ একটা কোম্পানী, যাদের আগে কোনো এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের অভিজ্ঞতা নেই, এটাই হবে প্রথম। চাইনিজ CNEE প্রস্তাব দেয় প্রতিদিন সাড়ে ৩ লাখ ডলারের। এটা কিন্তু গ্যাস কেনার টাকা না। গ্যাস কিনে আনার পর সেটা জাহাজ থেকে নামানো, সংরক্ষণ করা এবং জাতীয় গ্রীডে যুক্ত করার জন্য টার্মিনালের ফী। যা কিনে আনা গ্যাসের মূল্যের সাথে যুক্ত হবে। তো স্বাভাবিকভাবে আপনি কাকে এই কাজ দেবেন? যে এই কাজে পৃথিবীর সেরা এবং খরচ কম, তাই না? কিন্তু না। কাজটা পাচ্ছে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা একটা কোম্পানী, যাদের ফী আবার সর্বোচ্চ। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পেট্রোলিয়াম কোম্পানী সৌদি আরামকোকে না দিয়ে, চাইনিজ একটা কোম্পানীকে এই কাজ দেয়া হচ্ছে- যাদের ফী প্রতিদিন দুই কোটি টাকা বেশী। প্রত্যেকদিন আপনার আমার টাকা থেকে ২ কোটি টাকা বেশী দিয়ে দেয়া হবে। এই চুক্তি ১৫ বছরের। CNEE এই চাইনিজ কোম্পানীকে আমরা বসিয়ে বসিয়ে বাড়তি টাকা দেব প্রায় এক বিলিয়ন ডলার। এই কোম্পানীর সাথে সম্পর্কিত আরেকটি চাইনিজ কোম্পানী এর চেয়ে এক কোটি টাকা কমে বিড করেছে। অথচ কাজ পাচ্ছে এই CNEE, যাদের পূর্ব কোনো অভিজ্ঞতা নাই। তারা দাবী করেছিল তারা সামিটের সাথে আগে কাজ করেছে। কিন্তু সামিট বলছে, তারা কখনো এই কোম্পানীর সাথে কাজ করেনি। তারা আবার আরেকটি কোম্পানীর প্ল্যান হুবুহু কপি পেস্ট করে বিড করেছে। নিজেরা কোনো প্ল্যানও বানায় নাই। যাস্ট কপি পেস্ট করে দিছে, এমনকি ফাইলের নাম বদলাতেও তারা ভুলে গেছে। যাই হোক, প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি টাকা বেশী করে ফী দিয়েও চাইনিজদের কাছ থেকে কেন নেয়া হচ্ছে? আপনারা অনেকে মনে করেন বাংলাদেশীরাই শুধু দূর্নীতিগ্রস্ত। কিন্তু বাংলাদেশে কাজ করতে আসা চাইনিজরা কী পরিমাণ দূর্নীতিগ্রস্ত এটা আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না। চীনে দূর্নীতি করতে পারেনা সিস্টেমের কারণে। কিন্তু এখানে এসে এরা চরম দূর্নীতি করে। এই যে সৌদি আরামকোর চেয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা বেশী ফী ওদেরকে দেয়া হবে। আপনার কি মনে হয়, এই টাকা শুধু ওরা পাবে? এখানে বাংলাদেশেরই একটা পক্ষের পকেটে দেখবেন অর্ধেক টাকা যাচ্ছে, এভাবেই ডীল হয়েছে, তারপর ওদেরকে কাজটা পাইয়ে দিচ্ছে। তেল গ্যাস উৎপাদন, পরিশোধন এবং রপ্তানীর জন্য পৃথিবীর সেরা কোম্পানী সৌদি আরামকোর চেয়ে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি টাকা বেশী খরচ করে এই চাইনিজ কোম্পানীকে কাজ দেয়ার আর কী যুক্তি? আমাদের টাকা গুলো এভাবে কেন লুটপাট করতে হবে?

iTahmid
11 105
তুরস্কের মিডিয়া বলছে- ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী রবার্তো কার্লোস ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

iTahmid
11 105
ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ সহকারী, ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর বাংলাদেশে এসেছেন। সার্জিও গর ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের পার্সোনাল অফিসের ডিরেক্টর ছিলেন। এখন দিল্লীর মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তিন দিনের সফরে সার্জিও গর ঢাকা এসে পৌঁছেছেন আজকে। আগামীকাল দিল্লীর মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর এবং ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন কক্সবাজার আসবেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন। বাংলাদেশ আরো ভালোভাবে জিওপলিটিক্যাল গেইমে ঢুকে গেছে। এখানে এখন ভারতের স্টেকও হাই। বাংলাদেশকে ভারতের চোখে দেখার আগের পলিসিতে সম্ভবত আমেরিকা আবার ফেরৎ যাচ্ছে।

iTahmid
11 105
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ায় দেখলাম অনেকে দূঃখ পেয়েছেন। অনেকে পরামর্শ দিচ্ছেন, মাইক্রোপ্লাস্টিক মুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার কর‍তে। তো সেই টুথপেস্টটা আপনি ব্যবহার করবেন কী দিয়ে? ব্রাশ দিয়েই তো। আপনার প্লাস্টিকের ব্রাশ দিয়ে যখন মুখের ভেতরে ডলা দেন, তখন শত শত মাইক্রোপ্লাস্টিক আপনার মুখের ভেতরে এক্সপোজ হয়। তো 'মাইক্রোপ্লাস্টিক মুক্ত টুথপেস্ট' ব্যবহার করে কী লাভ হলো? সেই তো মাইক্রোপ্লাস্টিক ওয়ালা ব্রাশ দিয়েই সেটা ব্যবহার করছেন। পরিমাণে বেশী ফ্লোরাইড মানুষের মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। বাচ্চাদের ব্রেইন ডেভেলপে বাধা দেয় এই ফ্লোরাইড। মানুষকে ডাম্ব করে ফেলে। স্টাডিতে পাওয়া গেছে, ফ্লোরাইড এক্সপোজড বাচ্চাদের আইকিউ কম হয়। এজন্য বাচ্চাদের টুথপেস্টে ফ্লোরাইড খুবই কম রাখা হয়। একজন গবেষকের একটা ভিডিও দেখেছিলাম, এই মুহুর্তে তার নাম মনে পড়ছে না। সেখানে সে বলেছিল- সুপারমার্কেটের সবচেয়ে ক্ষতিকর আইল হলো টুথপেস্টের আইল। তো ফ্লোরাইড হলো টুথপেস্টের অন্যতম একটা উপাদান। আপনি মাইক্রোপ্লাস্টিক থেকেও বাঁচবেন কীভাবে? ফ্লোরাইড থেকেও বাঁচবেন কীভাবে? এজন্য কিছু বছর আগে আমি জয়তুন গাছের মিসওয়াক ধরেছি। খুব অল্প স্বল্প করে, একেবারে না করলেই নয় হিসেবে ব্রাশ করি। মূলত ব্যবহার করি মিসওয়াক। গতমাসে একটা মিসওয়াক কিনেছি, ১০০ টাকা দিয়ে। ব্যবহার করে খুবই আরাম।

iTahmid
11 105
🚨🟢 Hamas: — In the name of Allah, the Most Gracious, the Most Merciful. The Islamic Resistance Movement Hamas announces the election of brother fighter Khalil Al-Hayya as head of the movement's Political Bureau, succeeding the martyr commander Yahya Sinwar. Monday, 20/07/2026 AD Corresponding to: 06 Safar 1448 AH

iTahmid
11 105
দিল্লীতে সরকার বিরোধী আন্দোলনকারীদের পেটাচ্ছে রাষ্ট্রীয় বাহিনী।

iTahmid
11 105
এশিয়া থেকে ইউরোপ, মিডল ইস্ট থেকে আফ্রিকা, আমেরিকা থেকে ওশেনিয়া সবখানেই প্রো ফিলিস্তিনীরা বিশ্বকাপে কয়েকদিন ধরে দুটো জিনিস চেয়েছে। আর্জেন্টিনার হার, স্পেনের বিজয়। স্পেনের জায়গায় অন্য কোনো দেশ হলে শুধু হয়তো আর্জেন্টিনার হারই চাইতো। কিন্তু দেশটা স্পেন হওয়ায় স্পেনের জয় চেয়েছে। আয়ারল্যান্ড হলেও চাইতো। দুনিয়া জুড়ে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে, জায়োনিস্ট সিম্প্যাথাইজাররা বাদে— প্রো ফিলিস্তিনী ডান বাম, সবাই চেয়েছে নেতানিয়াহুর পছন্দের দলের পরাজয় এবং স্পেনের বিজয়। আর্জেন্টিনার পরাজয় এবং স্পেনের জয়ের পর সারা পৃথিবীতে প্রো প্যালেস্টাইনীরা স্পেনের পতাকা নিয়ে সেলিব্রেট করছে। ফিলিস্তিনীরা স্পেনের পতাকা উড়িয়ে রাস্তায় উদযাপন করছে। স্প্যানিশরা সেলিব্রেট করছে ফিলিস্তিনের পতাকা নিয়ে। এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এবারও বাংলাদেশের নাম এসেছে। অবশ্যই রং সাইডে। খারাপভাবে। ইজ্রাইল আর্জেন্টিনার সাথে বাংলাদেশ নিয়েও ট্রল হচ্ছে। বলা হচ্ছে হচ্ছে, আর্জেন্টিনার হারে ইজ্রাইলের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশী কষ্ট পেয়েছে বাংলাদেশীরা। টুইটারে ইজ্রাইলের সাথে সাথে বাংলাদেশ নিয়েও সমানে ট্রল করছে প্রো ফিলিস্তিনীরা।

iTahmid
11 105
ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়ে স্পেনের জয় উদযাপন করছে স্প্যানিশরা।

iTahmid
11 105
photo content

iTahmid
11 105
আমেরিকা এর আগে দুইবার ইরানে সরাসরি অভিযান চালাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরেছে। অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, ইউরেনিয়াম সম্মৃদ্ধ পারমাণবিক সরঞ্জাম ইরানের হাত থেকে উদ্ধার করে নিয়ে চলে আসা। কিন্তু একবার তুর্কী ইন্টেলিজেন্স ইরানকে জানিয়ে দেয় এবং এরদোয়ান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রেশার ক্রিয়েট করে অভিযান বন্ধ করতে রাজী করায়। আরেকবার স্পেশাল ফোর্স ব্যর্থ হয়ে ফিরে। কিন্তু এখন আন্তর্জাতিক সমর বিশ্লেষকরা বলছেন, আমেরিকা হয়তো তৃতীয়বারের মত গ্রাউন্ড ফোর্স পাঠিয়ে অভিযান চালাতে পারে।

iTahmid
11 105
আমেরিকা ইরানে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে।

iTahmid
11 105
আরাকান থেকে পালাতে গিয়ে বঙ্গোপসাগরে নৌকা ডুবে সাড়ে ৫শ রোহিঙ্গা মারা গেছে। নির্যাতন, নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে পালাচ্ছিল। তাও শেষ রক্ষা হলো না।

iTahmid
11 105
এই সময় রোনাল্ড রিগানের প্রশাসন দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করে। আর্জেন্টিনা ভেবেছিল, লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় মিত্র আর্জেন্টিনার পক্ষেই আমেরিকা থাকবে। আমেরিকার প্রস্তাব ছিল, প্রথমে আর্জেন্টিনার সেনা প্রত্যাহার করে নিতে হবে। তারপর দ্বীপের জনগণের মতামত নিয়ে, তারা যা চায় সেটাই হবে। এটা মার্গারেট থ্যাচার মেনে নিলেও আর্জেন্টিনা মানতে নারাজ। তারা বলে সেনা প্রত্যাহার হবেনা। আর্জেন্টিনার কর্তৃত্ব স্বীকার করতে হবে, আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে হবে। জাতিসংঘ প্রস্তাব দেয় যুদ্ধ বন্ধ করে, সৈন্য প্রত্যাহার করে, উভয় পক্ষ আলোচনায় বসতে। আর্জেন্টিনার সামরিক শাসক জেনারেল গালতিয়েরির একগুঁয়েমির কারণে সমঝোতা চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তার ধারণা ছিল, বৃটেন যুদ্ধ করতে পারবে না। আর আমেরিকা আর্জেন্টিনার পক্ষেই থাকবে। কিন্তু সমঝোতা চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় আমেরিকা সরাসরি বৃটেনে পক্ষে নেয়। যুদ্ধে আর্জেন্টিনা পরাজিত হয়। ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন সেনা নিহত হয়। বন্দী হয় ১১ হাজার আর্জেন্টাইন সেনা। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে ১৪ জুন ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা আত্মসমর্পণ করে বৃটেনের কাছে। যুদ্ধে ৩ জন ফকল্যান্ডবাসীও মারা যায়। ফকল্যান্ড থেকে ৩৭০ কিলোমিটার বৃটেনের ইকোনমিক জোন ঘোষণা করেন মার্গারেট থ্যাচার। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে আর্জেন্টিনার স্বৈরশাসকের পতন ঘটে। জনপ্রিয়তার তলানীতে থাকা মার্গারেট থ্যাচার এবং তার দল বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের মত প্রধানমন্ত্রী হন। পরে ২০১৩ সালে ফকল্যান্ড দ্বীপে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্ন ছিল, তারা বৃটেনের ওভারসীজ টেরিটরি হিসেবে থাকতে চায় কিনা। গণভোটে ৯৯% এর বেশী মানুষ বৃটেনের পক্ষে থাকার জন্য ভোট দেয়। দ্বীপের ৭% মানুষ স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলে।

iTahmid
11 105
১৬৯০ সালে জন স্ট্রং নামের একজন ইংরেজ নাবিক আটলান্টিক মহাসাগরের দুটি দ্বীপের মাঝখান দিয়ে জাহাজ চালিয়ে যান। স্কটল্যান্ডের অভিজাত পরিবারের সম্ভ্রান্ত পুরুষ অ্যান্থনী ক্যারী পঞ্চম ভিসকাউন্ট ফকল্যান্ডের নামে। পঞ্চম ভিসকাউন্ট ফকল্যান্ড বৃটিশ নৌবাহিনীর একজন উচ্চস্তরের পৃষ্ঠপোষক। বৃটিশ নাবিক জন স্ট্রং এই প্রণালীটা দিয়ে জাহাজ নিয়ে যাওয়ার সময় নামকরণ করে ফকল্যান্ড সাউন্ড। তার ৭৫ বছর পর ফ্রেঞ্চরা চিন্তা করলো, আটলান্টিকে এই দ্বীপ ফেলে রেখে কী লাভ! আমরা বসতি স্থাপন করি। এই বলে তারা বসতি স্থাপন করলো। বৃটিশরা চিন্তা করলো, দ্বীপগুলা আবিষ্কার করলাম আমরা। নামকরণ করলাম আমরা। আর বসতি স্থাপন করছে ফ্রান্স। তাহলে আমরা বসে আছি কেন? তারপর জনবসতিহীন দুটি পাশাপাশি দ্বীপে ১৭৬৪ এবং ১৭৬৫ সালে বসতি স্থাপন করে বৃটিশ এবং ফ্রেঞ্চরা। দ্বীপ দুটোতে এতদিন নাবিকরা মাঝেমধ্যে জাহাজ নোঙ্গর করে বিশ্রাম নিত। কিন্তু কেউ জনবসতি স্থাপন করেনি। ফ্রেঞ্চদের বসতি স্থাপন করা দ্বীপটির নাম ইস্ট ফকল্যান্ড, বৃটিশদের বসতি স্থাপন করা দ্বীপটার নাম ওয়েস্ট ফকল্যান্ড। ফ্রেঞ্চরা ভাবলো, আমরা যখন বসতি স্থাপন করেই ফেলেছি, তাহলে বৃটিশদের দেয়া নাম রাখবো কেন! ফ্রান্সেএ বন্দর নগরী সেন্ট মালো থেকে আসা লোকেরা তাদের বসতি স্থাপন করা ইস্ট ফকল্যান্ড দ্বীপটার নাম দিল Malouines। পরে ফ্রান্সের কাছ থেকে দ্বীপের দখল নেয় স্প্যানিশরা। স্প্যানিশ ভাষায় Malouines হয়ে যায় Malvinas। ফলে দ্বীপের এক পাশে বৃটিশ সাম্রাজ্য, অন্যপাশে স্প্যানিশ। ১৭৭০ সালের দিকে বৃটিশরা বিপুল অর্থব্যয় সামলাতে পারছিল না, অর্থনৈতিক ব্যয় সামলাতে না পেরে অনেকগুলো জায়গা থেকে নিজেদের সৈন্য সরিয়ে নেয়, ঘাঁটিগুলো বন্ধ করে দেয়। ১৭৭৪ সালে বৃটেন ফকল্যান্ড থেকে নৌঘাঁটি এবং সেনা বসতি প্রত্যাহার করে নেয়। বৃটিশরা ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার পর স্পেন পুরো দ্বীপপুঞ্জের কন্ট্রোল নিয়ে নেয়। কিন্তু বৃটেন দ্বীপের মালিকানার দাবী ত্যাগ করে নাই। তারা বলেছিল, আমরা আবার ফিরে আসবো। ব্রিটিশরা চলে যাওয়ার পর স্পেন দ্বীপপুঞ্জে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। পরে ১৮১১ সালে স্পেনও তাদের গ্যারিসন প্রত্যাহার করে নেয়। ১৮১৫ থেকে ১৮২৫ সালের মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকা ছেড়ে চলে যায়। ১৮১৬ সালে আর্জেন্টিনা স্প্যানিশ সাম্রাজ্যের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। আর্জেন্টিনা দাবী করে বসে- যেহেতু আর্জেন্টিনার মত ফকল্যান্ডও স্প্যানিশদের উপনিবেশ ছিল, তাই ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার। ১৮২০ এর দশকে আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দখলে নেয়া এবং কর্তৃত্ত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। কিন্তু ১৮৩৩ সালে বৃটিশরা আবার ফিরে এসে দ্বীপের দখল নেয়। এভাবেই চলছিল দেড়শ বছর। ১৯৮২সালে আর্জেন্টিনার স্বৈরশাসক জেনারেল লিওপল্ডো গালতিয়েরির জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে। অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব, সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সামরিক সরকার প্রায় পর্যুদস্ত। জনগণের বিরুদ্ধে ডার্টি ওয়ার চালাচ্ছিল সরকার। সরকারী বিরোধী হাজার হাজার মানুষকে গুম, হত্যা, অপহরণ, নির্যাতন চালাচ্ছি। ফলে জান্তা সরকারের জনপ্রিয়তা একেবারে তলানীতে চলে যায়। তখন জেনারেল লিওপল্ডো গালতিয়েরি চিন্তা করলো, দেশের মানুষের মধ্যে একটু দেশপ্রেম এবং জাতীয়তাবাদের নেশা জাগিয়ে দিই। দেশের মানুষের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে জেনারেল গালতিয়েরির মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো। ভাবলো- ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ বৃটেনের হাত থেকে দখল করে নিই। তাহলে জনপ্রিয়তা আবার তুঙ্গে চলে যাবে। ১২ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা বৃটেন এই দ্বীপ আর উদ্ধার করতে পারবে না। বৃটেনকে এপ্রিল ফুল দেয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিল আর্জেন্টাইন নেভী। পৌঁছাতে পৌঁছাতে অবশ্য সেকেন্ড এপ্রিল হয়ে গেল। ১৯৮২ সালের ২রা এপ্রিল শুরু হলো, আর্জেন্টিনার অপারেশন রোজারিও। সেখানে কার্যত কোনো বৃটিশ আর্মী বা নেভী ছিল না। মাত্র অল্প, কয়েক ডজন রয়েল মেরিন সেখানে অবস্থান করছিল। খুব অল্প সময়েই আর্জেন্টাইন বাহিনী ফকল্যান্ড দখল করে ফেলে। প্রথমবারের মত ফকল্যান্ড সরাসরি আর্জেন্টিনার দখলে আসে। আর্জেন্টিনায় শুরু হয় বিশাল উদযাপন। রাজধানী বুয়েন্স আইরেস এ হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়। সামরিক সরকার মনে করলো, কাজ হয়ে গেছে। অন্যদিকে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী তখন মার্গারেট থ্যাচার। তার দেশেও অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না। বেকারত্ব বাড়ছে, চাকরী নাই। ফলে সরকারের জনপ্রিয়তা কমছিল। তখনই আর্জেন্টিনা বৃটিশদের কাছ থেকে ফকল্যান্ড দখল করে নেয়। মার্গারেট থ্যাচার ঘোষণা দেয়- ব্রিটিশ ভূখণ্ড সামরিক শক্তি দিয়ে দখল করা হয়েছে। এটি মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সাথে সাথে নেভাল টাস্ক ফোর্স রেডি করেন। কিন্তু সমস্যা অনেক ভয়াবহ। লন্ডন থেকে ফকল্যান্ড ১২ হাজার কিলোমিটার দূরে। এত দূরে গিয়ে যুদ্ধ করা শুধু কঠিনই না, প্রায় অসম্ভব। তারপরও বৃটেন ১০০টির বেশী যুদ্ধজাহাজ নিয়ে আটলান্টিকের দিকে যাত্রা শুরু করে।

iTahmid
11 105
ইংল্যান্ডের সাথে ম্যাচ জিতেই আর্জেন্টাইন প্লেয়াররা ফকল্যান্ড দাবী করে বসে আছে। কিন্তু ফুটবল তো রিয়েল যুদ্ধ না, সার্কাস। এখানে
ইংল্যান্ডের সাথে ম্যাচ জিতেই আর্জেন্টাইন প্লেয়াররা ফকল্যান্ড দাবী করে বসে আছে। কিন্তু ফুটবল তো রিয়েল যুদ্ধ না, সার্কাস। এখানে জিতলে গরীব সমর্থকরা নেশাগ্রস্ত হয়, ফুটবলাররা টাকা পায়। রিয়েল যুদ্ধ জেতা যায় না। সাহস থাকলে গতবারের মত আবার ফকল্যান্ড দখল করতে যাক, ইংল্যান্ড একেবারে ছাতু বানায়ে দেবে।

iTahmid
11 105
ইরানের হামাদান প্রদেশে সারারাত বম্বিং করেছে আমেরিকা।

iTahmid
11 105
গতরাতে বিশ্ব যখন ফুটবল ম্যাচে বুঁদ হয়ে আছে, তখন ইজ্রাইলী ফোর্স গাযায় বিমান হামলা চালিয়েছে।

iTahmid
11 105
জর্দানে আমেরিকার ফাইটার জেট স্টোরেজে হামলা চালিয়েছে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড।

iTahmid
11 105
কাল রাতে পশ্চিম তীরে ইজরাইলী ফোর্স রাতের বেলা ৩ জন ফিলিস্তিনীকে কোনো কথা ছাড়াই ঘর থেকে তুলে নিয়ে চলে গেছে।