uz
Feedback
Reflections

Reflections

Kanalga Telegram’da o‘tish

Ustaza Nayla Nuzhat’s Telegram Channel 🍃কমেন্টের ক্ষেত্রে অনুগ্রহ করে ইসলামী বিধিনিষেধ মেনে চলুন🍃 🚫অনুগ্রহ করে মাস'আলা জিজ্ঞেস করবেন না

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Reflections analitikasi

Reflections (@reflections_nayla) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 14 446 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 6 086-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 1 560-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 14 446 obunachiga ega bo‘ldi.

17 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni -65 ga, so‘nggi 24 soatda esa -5 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 22.74% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 6.27% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 3 286 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 906 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 40 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
Ustaza Nayla Nuzhat’s Telegram Channel 🍃কমেন্টের ক্ষেত্রে অনুগ্রহ করে ইসলামী বিধিনিষেধ মেনে চলুন🍃 🚫অনুগ্রহ করে মাস'আলা জিজ্ঞেস করবেন না

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 18 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

14 446
Obunachilar
-524 soatlar
-347 kunlar
-6530 kunlar
Postlar arxiv
সন্তানের হাতে স্মার্টফোন না দেয়া। প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, ব্লকার- সব ব্যর্থ হবে ওদের হাতে ইন্টারনেট দিলে। ছোটরা অনেক স্মার্ট। ওরা জানে কিভাবে সেসব বাইপাস করতে হয়। এগুলো থেকে দূরে রাখতে বাবা মায়ের অনেক ধরণের ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। সেটা করতে না চাইলে, বা করতে ভয় পেলে বাবা মায়েরা "কী করবো" বলে হাল ছেড়ে দেন। কথা হলো, বড়দের পর্যন্ত ইন্টারনেট এ অবাধে বিচরণ করার কথা না। আল্লাহকে ভয় করার কথা। বড়রা যদি "আমরা বড়, কিছু হবে না" ভেবে অবাধে নেট ব্যবহার করেন - অজস্র মানুষ এটার সাক্ষী যে, "একটু দেখি" ভেবে সেটা কী ধরণের নেশায় পরিণত হয়। আল মসজিদুল হারাম এ পর্যন্ত "বড়দের" মনে করিয়ে দিতে হয় যে, এটা আল্লাহর ঘর, রিলগুলো পরে দেখুন। বড়দের, নিজেদের এই অবস্থা- আর বাবা মায়েরা ভাবেন তাদের সন্তানেরা নিষ্ঠার সাথে শুধু "ভালো" জিনিস দেখছেন? এটা হতেই পারে না। একটু সচেতন হোন। দিবেন না ওদের হাতে ইন্টারনেট। পড়ালেখা, ব্রাউজিং এর নামেও দিবেন না। রিসার্চ, প্রজেক্ট- স্কুলের এক্সট্রা করিকুলার একটিভিটি এর নামে না। "আমার সামনে বসে ব্যবহার করবে" এর নামে না। নিজের এসব করে দিতে কষ্ট হবে- কিন্তু এর সুফল যখন দেখবেন, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করবেন ইন শা আল্লাহ, যে আল্লাহ বুঝার তৌফিক দিয়েছিলেন।

💭আমাদেরকে যদি এমন একটা জায়গায় রাখা হয়, যেখানে কেউ ইউটিউবে যা খুশি দেখছে, কেউ গান গাইছে, কেউ মানুষের ছবি আঁকছে- অর্থাৎ যাবতীয় হারাম কাজ চলছে, আমরা সেখানে কতক্ষণ থাকতে পারবো? এক দুই বেলা ঠিক আছে। এক দুই দিন? প্রতিদিন?? 🍂ভাবতেই কেমন লাগে, তাই না? ⁉️অথচ মজার ব্যাপারটা দেখুন, আমাদের সন্তানদের আমরা যে শুধু সেই পরিবেশে রাখি তাইই না, সাথে তাদের ঈমানের এমন দৃঢ়তা আশা করি যা আমাদের নিজেদেরই নেই!!

বাচ্চাদের ডিভাইসের প্রতি আসক্তি পিডিএফ এবং এই চ্যানেল সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত। ⚠️ কোনো পিডিএফ ব্যবসার উদ্দেশ্যে/বই বের করার জন্য প্রিন্ট করা যাবে না।

অভিভাবকদের কিছু বললে তারা বলেন যে তাদের বাচ্চাদের একাউন্ট নিজেদের একাউন্টের সাথে যুক্ত করা। তাই তারা উল্টাপাল্টা দেখবে না। বুঝাতে পারি না যে এসব করে কোনো লাভ হবে না - যেই বাচ্চার হাতে ডিভাইস থাকবে, সেই ডিভাইসে ইন্টারনেট থাকবে, যা সে একা ব্যবহার করতে পারে, সেই বাচ্চা সর্বত্র বিচরণ করতে পারবে। সে বাবা মাকে ফাঁকি দেয়ার পথ বের করে দিবে। আর না, সেই বাচ্চা মোটেও ইনোসেন্ট না। তারপর নালিশ আসে, পড়ার সময় পায় না। পড়তে পারে না। রাতে ঘুম হয়না। বাচ্চার হাতে ডিভাইস ছেড়ে রাখার মত "উদার" হলে, বাচ্চার অধঃপতন (দুনিয়া এবং আখিরাতের) মেনে নেওয়ার মত হৃদয়বানও হয়ে যাওয়া উচিত। কারণ, একটা আরেকটার সাথে আসে। এইটুক এইটুক বাচ্চারা বাবা মাকে বুঝিয়ে ফেলে যে তাদের তাবৎ জায়গায় একাউন্ট আছে কিন্তু তাদেরকে খারাপ কিছুই দেখায় না। সিরিয়াসলি? অনেকবার বলা কথাটা আবার বলি। এই বাবা মায়েরা হয় ভীষণ বোকা- যেই বোকামি বড় মানুষকে মানায় না। নয়ত ভীষণ স্বার্থপর, তাই তাদের বাচ্চাকে হারাম থেকে দূরে বড় করার কষ্টটা করতে এত আপত্তি। (যিনি কথা বলছেন, তাকে চিনিনা। কথাগুলো সঠিক তাই শেয়ার করা।)

photo content

যারা "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়ামে সন্তানদের পড়ান অথবা "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল চালান যেখানে "ইসলামিক স্টাডিজ" এ ও লেভেল দি
+3
যারা "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়ামে সন্তানদের পড়ান অথবা "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল চালান যেখানে "ইসলামিক স্টাডিজ" এ ও লেভেল দিতে উৎসাহিত করেন বাচ্চাদের, দেয়ার পর বাহবা দেন, ফটোগুলো দেখবেন। এগুলো আমাকে ও লেভেলে ইসলামিক স্টাডিজ (Edexcel) দিচ্ছে এমন একজন দিয়েছে। সে নিজে স্কুলে পড়েছিল আগে, এই সিলেবাস। তখন কিছু টের পায়নি। একটা সাবজেক্ট বাড়ানোর জন্য ও লেভেলে নিয়েছে। এখন দেখছে, তারা যেই উত্তর আশা করে, সেগুলো তো ভয়াবহ। অনেক বিষয় আছে যেগুলোতে তারা যেই "ফিকহ" বলে সেটা ভুল, বা কাফির-ফ্রেন্ডলি। আর এই ফটোতে যা যা আছে- সব তো সরাসরি মানুষের ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত! কুফরী হবে এমন সব কথা। সেই স্টুডেন্ট বলছিল যে সম্ভাবনা আছে এগুলো চেক করে কাফির রা, আর মুসলিম কেউ করলেও তার জ্ঞানের লেভেল কাফিরদের সমান- নাহলে এসব কথা তো কোনো উত্তর হতে পারে না "ইসলামিক স্টাডিজ" এ। এখন সেই স্টুডেন্ট বিষয়টি উইথড্র করতে পারছে না- ঠিক করেছে সঠিক কথা লিখে দিয়ে আসবে সব প্রশ্নে- তাতে বোর্ড মার্ক কমিয়ে দিলে দিবে। সে এটাও স্বীকার করেছে যে, কাফিরদের চালানো বোর্ড এ ইসলামের বিষয়ে "অথেনটিক" তথ্য থাকবে, এটা ভেবে নেয়া ছিল অনেক বড় ভুল। সিলেবাস দেখে কিছুই বুঝা যাবে না। সমস্যা বুঝবেন যদি ওদের "মার্ক স্কিম" পড়ে দেখেন- যেখানে কতটুক উত্তরে কতটুক মার্ক দেয়া হবে, সঠিক উত্তর কী, আর কোন কোন পয়েন্ট লিখলে ফুল মার্ক আসবে লেখা থাকে। ইসলামিক বিষয় বাচ্চাদেরকে ইসলামিক স্কলারদের কাছে শিখতে দিন। এই ও লেভেলের সিলেবাস ভয়াবহ ক্ষতি করবে শুধু। তাছাড়া কাফিরদের কাছ থেকে কিসের ইসলাম শিক্ষা? একটা সাবজেক্ট বাড়াতে হলে অন্য কিছু দিন- এই অযথা সাবজেক্ট দিবেন না। আর "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর কাছে অনুরোধ থাকবে, এই বিষয়টি এড করে "ইসলামিক ইসলামিক" না খেলার। সত্যিই সন্তানদের ইসলামের উপর বড় করার স্কুল খুলে থাকলে ইসলাম নিয়ে সত্যিই যারা জানেন, তাদের অনুসরণ করুন। তাদের সাহায্যে একটা সঠিক ইসলামিক স্টাডিজ সিলেবাস তৈরি করুন পরীক্ষার জন্য না- দ্বীন শেখার জন্য। কাফিরদের বোর্ডে মুসলিমদের বাচ্চাদেরকে পরীক্ষা দেয়ানো এটাই যথেষ্ট ক্ষতি। এর উপর কাফিরদের থেকে "ইসলাম" জানার ক্ষতিটা নাহয় নাই করা হলো!

আমাদের Whatsapp চ্যানেল: https://whatsapp.com/channel/0029VbBFkSC4CrfjhPGQZ90A

"কিতাবুত তাওহীদ" বই থেকে নেয়া অংশবিশেষ। --------- সহীহ আল বুখারীতে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন— উহুদ যুদ্ধে নবী ﷺ আ
+1
"কিতাবুত তাওহীদ" বই থেকে নেয়া অংশবিশেষ। --------- সহীহ আল বুখারীতে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন— উহুদ যুদ্ধে নবী ﷺ আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং তাঁর সামনের দাঁত ভেঙে যায়। তখন নবী ﷺ দুঃখ করে বললেন— “যে জাতি তাদের নবীকে আঘাত করেছে, তারা কেমন করে সফল হবে?” তখন এ আয়াত নাযিল হয়— "لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ" (সূরা আলে ইমরান: ১২৮) অর্থ: “এ বিষয়ে তোমার কোনো এখতিয়ার নেই।” (সম্পূর্ণ আয়াতের অনুবাদ: তিনি তাদের তাওবাহ্ কবূল করবেন বা তাদেরকে শাস্তি দিবেন- এ বিষয়ে আপনার করণীয় কিছুই নেই; কারণ তারা তো যালেম।) ৮. আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন— রাসূলুল্লাহ ﷺ ফজরের সালাতের শেষ রাকআতে রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে বলতেন: سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ এরপর তিনি বলতেন: اللَّهُمَّ الْعَنْ فُلَانًا وَفُلَانًا অর্থাৎ, “হে আল্লাহ! তুমি অমুক অমুক ব্যক্তির (নাম উল্লেখ করে) উপর তোমার লা‘নত নাযিল কর।” তখন এ আয়াত নাযিল হয়: لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ অর্থ: “এ বিষয়ে তোমার কোনো এখতিয়ার নেই।” আরেক বর্ণনায় এসেছে, যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ ইবনে উবাইয়্যা, সোহাইল ইবনে আমর এবং হারিস ইবনে হিশামের বিরুদ্ধে বদদোয়া করেছিলেন, তখন এ আয়াত— لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ —নাযিল হয়। -------- আল্লাহর রাসূল ﷺ। তার অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে তিনি নালিশ করেছেন আল্লাহর কাছে। আল্লাহ তার প্রিয় নবীকে বলছেন এই কথা। "এ বিষয়ে তোমার কোনো এখতিয়ার নেই।" এবং যেই তিনজনের নাম উল্লেখ করে আল্লাহর নবী বদদোয়া করেছেন, তারা তিনজন পরবর্তীতে মুসলিম হয়েছেন, রাদিয়াল্লাহু আনহুম। আল্লাহর হিকমাহ সুবহানআল্লাহ। আল্লাহর রাসূল ﷺ যেকোনো কারণে বদদোয়া দেয়ার মত মানুষই ছিলেন না। তারপরও, তাকে আল্লাহ এই উত্তর দিয়েছেন। ---------- ইসলামের শত্রু বা কাফির নিয়ে কথাতে নাইই বা গেলাম। একজন মুসলিম ভাই আরেকজন মুসলিম ভাইয়ের ক্ষেত্রে তাহলে কেমন আচরণ করার কথা? কতটা সহনশীল হওয়ার কথা? বদদোয়া দেয়ার সময় কতবার ভাবার কথা? বদনাম ছড়ানোর বেলায় কতবার ভাবার কথা? একটু ভাববেন। আমাদের বদনামে কারো আজীবনের ভালো কাজ শেষ হয়ে যাবে না। তার ভুলে তার ভালো কাজ শেষ হয়ে যাবে কিনা, সেটা মাপাও আমাদের দায়িত্ব না। এই পৃথিবীতে কেউ ত্রুটির উর্ধ্বে না। তাই পরস্পরের সাথে আমরা যেন মুসলিমের আচরণ করি- তার উপর ব্যক্তিগত আক্রোশ থাকার যথেষ্ট কারণ থাকলেও। একজন মুসলিমের সাথে বচসা হলে, মতবিরোধ হলে যেন তাকে মুসলিম হিসেবেই দেখি- কাফিরের অধম বলে গণ্য না করি। আর এই সব সমস্যা - আক্রোশ, বচসা, জবাব, পাল্টা জবাব- সবই জীবনের অংশ। এখানেও যেন আমরা ইসলামের উপর থাকি- মুসলিমের মতই আচরণ করি। সীমা লঙ্ঘন না করি! আমাদের আদর্শ আল্লাহর রাসূল ﷺ। আর তার জীবনের ঘটনাই আমরা পড়ছি এখানে। আমরা কি আল্লাহর রাসূল ﷺ কে আল্লাহ যা বলছেন, তার থেকে শিক্ষা নিবো না?

রিল/শর্টস এর বদৌলতে, আজকাল অনেকে অনেক মনোবিজ্ঞানের টার্ম জানছেন। জেনে নিজেকে diagnose করছেন, অন্যকে diagnose করছেন। টার্ম গুলো এখানে উল্লেখ করতে চাই না তাই উদাহরণ দিচ্ছি না। রিল/শর্টস দেখে ডাক্তার হবে কেউ? নাকি তার কাছে কেউ রোগী দেখাতে যাবে? সেরকমই মানসিক বিষয়গুলোর এক্সপার্ট হওয়া সম্ভব না এসব দেখে। এটা আশা করি আমরা জানি যে, আমরা যে রকম বিষয় দেখতে চাই, ওরা সেরকম বিষয়গুলোই বার বার সামনে আনে। তাই যত বেশি এসব দেখবেন- ওদের কি? ওরা আপনাকে সেটাই দেখাবে। তারমানে এটা না যে আপনার চারপাশের মানুষ এরকমই। ফলাফল: নিজের হাজবেন্ড/শাশুড়ি/ননদ/বান্ধবী এমনকি অভিভাবক - সবাইকে পারলে নামকরণ করা শেষ - অমুকের এই সিন্ড্রোম আর তমুকের সেই ট্রেইট। প্রথমত- এসব অ্যাপ এ বিচরণ করাই বাদ দিন। সময় নষ্ট। গুনাহ। নেশা। অশান্তি। মনোযোগের অভাব। সবকিছুরই খোরাক এসব স্পেস। আর তারপর, get a life! সচেতন হওয়া ভালো- সেটা আপনাকে রিল শেখাতে পারবে না। অভিজ্ঞতা থেকে শিখবেন, সত্যিই যারা জানেন তাদের থেকে জেনে নিয়ে শিখবেন। এভাবে যেটা শেখা হয়, সেটা কাজে আসে, টার্ম না জানলেও কাজে আসে। যখন সত্যিই কোনো জটিলতা থাকবে মানুষের মাঝে যা নিয়ে উপদেশ দরকার, তখন কী করা যায় উপযুক্ত মানুষের থেকে উপদেশ নিবেন- দ্বীনি মানুষদের এসব উপদেশ নেয়ার সময় দ্বীনের দৃষ্টিকোণ নিজের বুঝতে হবে আর যাকে জিজ্ঞেস করবেন তারও বুঝতে হবে। তার আগে, শুধু শুধু "মানসিক সমস্যা"-বিলাস করবেন না। নিজে শান্তিতে থাকুন, আর, অন্যকে অকারণে বিশ্লেষণ করতে থাকা বন্ধ করুন। (যারা কথাগুলোর মানে জানেন, লেখাটা তাদের জন্য। যারা এই বিষয়ে আগে শোনেননি, congratulations, আপনি শান্তিতে আছেন। সেটাই থাকুন। এই লেখা বুঝার সেক্ষেত্রে একদম দরকার নেই।)

ইদানিং শুরু হয়েছে- আমলের পোস্ট। নিজের মত করে লিখে, কখনো একটা হাদীসের রেফারেন্স দেয়া- কখনো বা সেটাও নেই। রেফারেন্স ধরে গেলে দেখা যাবে, সেই হাদীসে যা এসেছে আর এই বর্ণনায় যা এসেছে, দুইটার মাঝে বিস্তর ফারাক। ওদিকে এই পোস্ট দেখে কেউ আমল শুরু করে দিয়েছেন। আর কেউ খোঁজ করছেন সহিহ কিনা। দ্বীনের কথা যারা বলেন তারা মানুষকে সহিহ বার্তা শেখাবেন নাকি অন্যদের "বানানো আমল" সহিহ কিনা চেক করবেন সারাদিন? ইসলামের বিষয়গুলো সুন্দর এবং সিম্পল। শেষ দশ দিন এসেছে, সালাত পড়ুন। কুরআন পড়ুন। দোয়া করুন। এখন পোস্ট খুঁজার/দেখার/যাচাই করার সময় না। মানার জন্য অজস্র সুন্নাহ আছে। বিদআত কেন পালন করতে হবে? বিদআত কী জেনে নিন: https://www.hadithbd.com/books/detail/?book=158&section=2271 নির্ভরযোগ্য উলামাদের বক্তব্য শুনুন। বিভিন্ন পোস্ট রেফারেন্স সহ/ছাড়া যার রেফারেন্স নিজে যাচাই করতে পারছেন না- দেখতে যাবেন না আর শেয়ার ও করবেন না।

শায়খ সুলাইমান আর রুহাইলি (হাফিজাহুল্লাহ)

আক্বীদা যার যার, কিন্তু সবাই মুসলিম- কথাটার সমস্যা কই? আক্বীদার একটা গাইডলাইন আছে। কেউ যদি বলে "আমি আল্লাহ আছেন বিশ্বাস করি" তাহলেই কি সে মুসলিম? মক্কার মুশরিকরা আল্লাহর অস্তিত্ব অস্বীকার করত না- তাহলে তারা মুশরিক কেন? কেউ কবর পূজা- আচ্ছা আরেকটু "সুন্দর" করে বলি- কেউ কবরে মৃত মানুষের কাছে "দোয়া করলে" - সে কি মুসলিম? দোয়া ইবাদত, ইবাদত শুধু আল্লাহর জন্য। কবরে গিয়ে মৃত ব্যক্তির কাছে কিছু চাওয়া তো সেই আল্লাহর ইবাদতে শরিক করা। বড় শিরক- ইসলাম থেকে বের করে দিবে। এখন বলবেন, "না না, আমরা তো বলার কেউ না, আক্বীদা যাই হোক মুসলিমই তো!" ? কিসের ভিত্তিতে বলবেন? সেরকমই বিশ্বাসের কিছু বিষয় আছে যেগুলোর নয়-ছয় মানুষকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দেয়। এই যেমন কবর পূজা। আয়শা রাদিয়াল্লাহু আনহা কে গালি দেয়া, আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে উপাস্যের স্থান দেয়া আউজু বিল্লাহ। তাই এগুলো কেউ প্রকাশ্যে করলেও "আক্বীদা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না", "এটা আল্লাহর আর তার ব্যাপার"- এসব মাথায় আসলে নিজের আক্বীদা নিয়ে চিন্তিত হওয়া লাগবে। এজন্যই, ফিৎনার সময় আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। আবেগে শিরক কে "আহা এসব আক্বীদা পরের কথা" আর কাফিরকে "যতই হোক মুসলিম তো" বলে না ফেলি আমরা। আবার অতি উৎসাহে মুসলিম হলেই তো হলো "আক্বীদা" আবার কি- না ভেবে ফেলি। বিশ্বাসের কোনো সীমারেখা যদি নাই থাকবে, তাহলে তো কোনো বিশ্বাসের সমস্যাই ছিল না- ইসলাম আসলো কেন? মক্কার মুশরিকরা বলতো আল্লাহ রব, কবর পূজারীরা বলবে আল্লাহ তো আছেন, আবার আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে রক্ষাকর্তা দাবী করা মানুষও বলবে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে আল্লাহই তো বানিয়েছেন। সবই যদি ঠিক থাকে তাহলে আর ইসলাম এর আবির্ভাব কেন? যুগে যুগে নবী রাসুল عليهم السلام দের মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাঁর ইবাদত কিভাবে করতে হবে শিখিয়েছেন। সেই শিক্ষাকে উপেক্ষা করে আমরা যেন অজ্ঞের মত আচরণ না করি। আক্বীদার বিষয়গুলো কী, কী করলে ঈমান থাকে আর কী করলে চলে যায় - এগুলো জানা থাকলে সেই জ্ঞান যেন কাজে লাগাই। আর জানা না থাকলে জেনে নেই। আর না জেনে কথা যেন কখনোই না বলি। ----------- https://islamqa.info/en/answers/59911/is-islamic-%60aqidah-theoretical https://islamqa.info/en/answers/13490/is-praying-at-graves-permissible https://islamqa.info/en/answers/954/ruling-on-one-who-slanders-aaishah-(may-allah-be-pleased-with-her) https://islamqa.info/en/answers/45563/ruling-on-hating-the-sahabah

"একটা বিষয় খেয়াল করবেন, মানুষ অনেক দূরের রাজনীতি নিয়ে যত বড় গলায় কথা বলে, নিজেদের জীবনে ছোট ছোট বিষয়ে সৎকাজে আদেশ আর মন্দ কাজে নিষেধ কেন করে না? কারণ দূরে বসে ছুঁড়ে দেয়া কথার কোনো জবাবদিহিতা নেই। সামনে একটা মানুষকে "পর্দা করো" বলার কষ্টকর প্রভাব জীবনে নিতে হয়। অথচ আমরা আজকে আমাদের "মূল্যবান" রাজনৈতিক মতামত -যেই রাজনীতির উপর আমাদের কোনো প্রকারের নিয়ন্ত্রণ নেই- তার জন্য জিজ্ঞাসিত হবো না। কিন্তু চোখের সামনে আল্লাহর অবাধ্যতা দেখে আমাদের কিছু করার ছিল কিনা, আর আমরা আসলে কী করলাম, তার জন্য জিজ্ঞাসিত হবো।"

একজন মুসলিমের মূল স্বপ্ন হচ্ছেঃ ‘জান্নাহ’। এই দুনিয়াতে সে অন্য যেই স্বপ্নই দেখুক না কেন, সেটা জান্নাতের স্বপ্নেরই অনুসারী হবে! https://abuumaimah.wordpress.com/2026/03/01/dream/

Repost from Reflections
কেউ বলছে আল্লাহর ছেলে আছে, আর আপনি তাকে তার অনুষ্ঠানের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এটা আপনার কাছে উদারতা? আর আল্লাহ, যিনি সমস্ত ত্রুটি আর দুর্বলতার উর্দ্ধে, তাঁকে নিয়ে এমন একটা কথা আপনার গায়ে লাগলো না। নিজেকে "উদার" দেখাতে যেয়ে, নিজের ঈমান বিক্রি করে দিলেন। মুসলিম হওয়া মানেই শিরক থেকে দূরে থাকা- একমাত্র আল্লাহই রব- এটা অন্তর দিয়ে, কথা দিয়ে, কাজ দিয়ে মানা। মানা তিনি ছাড়া আর কোনো সত্য উপাস্য নেই। এখন ওরা মানে যে আল্লাহর সন্তান আছে- আপনি মানেন না সেটা, খালি ওদের এই মানাটায় শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন- এই কথাটার কোনো মানে আছে? মুসলিমদের নিজের মত চলার উপায় নেই- চলার কথা আল্লাহর মত। আর আল্লাহ এই বিষয়টি নিয়ে বলেছেন: "আর তারা বলে, ‘দয়াময় সন্তান গ্রহণ করেছেন।’ তোমরা তো এমন এক বীভৎস বিষয়ের অবতারণা করছ; যাতে আসমানসমূহ বিদীর্ণ হয়ে যাবার উপক্রম হয়, আর যমীন খণ্ড-বিখণ্ড হবে এবং পর্বতমণ্ডলী চুর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে আপতিত হবে" (সূরা মারিয়াম: ৮৮-৯০) এখন ক্রিসমাস উইশ করে, সেইসব ফটোতে লাইক দিয়ে, লাভ দিয়ে, উদারতা দেখাতে প্রয়োজনে বাসাটা ক্রিসমাসের জন্য সাজিয়ে, সন্তানকে ক্রিসমাসের "কালচার" শিখিয়ে আপনি সেটা করছেন যার কারণে আসমান জমিন বিদীর্ণ হওয়ার উপক্রম হয়। অথচ আপনার "নামে মুসলিম" হৃদয় একটু কাঁপেও না। এরপরও নিজেকে বলবেন যে আপনি মুসলিম, মুমিন, আর ঈদের সময় ঈদও করবেন, পূজার সময় পূজা। আল্লাহ কি আপনার প্রাইভেট প্রপার্টি নাকি যে যা বলবেন সেটাই "ইসলাম" হতে হবে? ঈমান আছে এই দাবি যদি থাকে- তাহলে চেষ্টা করুন নিজেকে আর নিজের পরিবারকে এই সমস্ত শিরক, কুফরী থেকে দূরে রাখতে। -জানা নেই কোনটা শিরক? জানুন! -আর ইসলাম এত কঠিন না? না ভাই, আপনার কথায় তো ইসলাম চলে না। চলে আল্লাহ আর আল্লাহর রাসূলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথায়। কুরআন সুন্নাহ থেকে এনে দেখাবেন কোথায় অন্য ধর্মের কালচার/উৎসব করতে ইসলাম উৎসাহিত করেছে। পাবেন না। নিষেধই করেছে। বার বার। সেটাই পাবেন। অনেক তো হলো। এবার ছেড়ে দিন শিরক আর কুফরীর সাথে একাত্মতা। আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করতে দেখেও বুক ভেঙে যায় না- কেমন মুসলিম আপনি? (ডিসেম্বর ২০২২)

🌷যার জন্য বারাকাহর দোয়া করা হচ্ছে তিনি: 🤩🤩🤩🤩🤩🤩🤩 🤩একজন পুরুষ এবং তার সাথে কথা বলছেন সরাসরি, তাহলে: Barakallaahu feeka 🤩একজন মহিলা এবং তার সাথে কথা বলছেন সরাসরি, তাহলে: Barakallaahu feeki 🤩শর্টকাটে বলতে চাইলে দুই ক্ষেত্রেই: Barakallaahu feek 🤩🤩🤩🤩🤩🤩🤩 🤩একজন পুরুষ এবং তিনি সামনে নেই: Barakallaahu feehi 🤩একজন মহিলা এবং তিনি সামনে নেই: Barakallaahu feeha 🤩🤩🤩🤩🤩🤩🤩 🤩🤩দুইজন পুরুষ/মহিলা সামনে থাকলে: Barakallaahu feekumaa 🤩🤩তারা সামনে না থাকলে: Barakallaahu feehimaa 🤩🤩🤩🤩🤩🤩 🤩দুইয়ের অধিক পুরুষ/মহিলা সামনে থাকলে: Barakallaahu feekum 🤩দুইয়ের অধিক শুধু মহিলা সামনে থাকলে: Barakallaahu feekunna 🤩🤩🤩🤩🤩🤩🤩 🤩সামনে না থাকলে দুইয়ের অধিক পুরুষদের ক্ষেত্রে: Barakallaahu feehim 🤩মহিলাদের ক্ষেত্রে: Barakallaahu feehinna 🤩পুরুষ এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে: Barakallaahu feehim 🤩🤩🤩🤩🤩🤩🤩

Repost from Reflections
আমার মেয়ের স্কুলের হোমওয়ার্কে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে "রিসার্চ" (মানে গুগল সার্চ) করে লিখতে হবে। যেহেতু এই কাজটা ওকে করতে দেই না, আমারই করা লাগলো। এবং অবশ্যই নিজের পড়ার সময়টা (প্রায় দুই ঘন্টা) sacrifice করে করা লাগলো। যখন "modernism" টার্মের ব্যাখ্যা খুঁজে দিচ্ছি, উইকিপিডিয়াতে ছবি আসলো, পাবলো পিকাসোর আঁকা উলঙ্গ নারীর ছবি (সম্ভবত পুরুষও ছিল, ভালো করে দেখিনি)। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলাম যে আমিই খালি দেখেছি। অগত্যা এটা খুঁজে দেয়া যথেষ্ট হলো না, বলতে হলো যে, "এই টপিকটা আমিই ডিক্টেশন দিবো, লিখে নাও।" যাদের উঠতি বয়সের সন্তান রয়েছে, এবং সেই সন্তানদের স্কুলের কাজে ইন্টারনেট ঘাঁটতে হয়- একা ব্রাউজ করতে দিবেন না। নিজেরা বের করে দিন। একদিন একা ব্রাউজ করতে দিলেই পরের দিন আরো একটু করবে। তারপর আরো একটু। এভাবে শয়তান ঢুকবেই। এমন একটা ছবি আরও দশটা ছবি দেখার জন্য হাতছানি দিবে। এক্সপোজ করার পর মানা করার বা বিধি নিষেধ দেয়ার তো মানে নেই, যদি in the first place সেই exposure টা এড়ানো যায়! এই বেলায় শুনতে হয় যে একটা মাত্র মেয়ে তাই এত সময় দিচ্ছেন। জানি না। আমার ভাইয়ের দুইটা মাত্র(!) ছেলে, সেও অঢেল সময় দিচ্ছে বারাকাল্লাহু ফীহি। এমন আরো অনেকেরই অনেকগুলো মাত্র(!) সন্তান থাকলেও তাঁরা চেষ্টা করছেন। কারণ, সন্তান একটা হোক বা দশটা, দায়িত্ব কিন্তু এড়ানোর উপায় নেই। যা রোধ করতে হবে, তা রোধ করতেই হবে- কষ্ট হলেও। ওদেরকে ইন্টারনেট নামক দানবের হাতে ছেড়ে দিয়ে যেই সময়টা বাঁচাবো, সেটা দিয়ে কোন কাজের কাজটা হবে? সন্তানকে উচ্ছন্নে যেতে দিয়ে যেই সময়টা পাবো, সেই সময়টা কি আসলেই কোনো ভালো বয়ে আনবে? অনেকে বলেন "সন্তান আমার সামনে বসে ব্রাউজ করে। ওপেন জায়গায় বসে করে।" সিরিয়াসলি? না চাইলেও দশটা বাজে জিনিস যে innocent একটা সার্চে চলে আসে, এই যুগের বাবা-মা হয়ে আমরা কি সেটুকুও জানিনা? যদি না জানি, জানতে হবে। এমনিতে তো আমাদের আলোকিত হওয়ার জন্য আন্দোলনের অভাব নাই- এই বেলায় আমরা এত অজ্ঞ থাকতে ভালোবাসি কেন? আর যদি জানিই যে কী কী লুকিয়ে আছে ইন্টারনেটে, তাহলে কেন সন্তানকে সেটার সাথে ছেড়ে দিয়ে মনকে বুঝ দিচ্ছি যে, আমাদের সামনেই তো করছে? অনুগ্রহ করে, নিজেরা খুঁজে খুঁজে দিন যা লাগবে। আল্লাহর কাছে আজর এবং মর্যাদা দুটোই পাবেন ইন শা আল্লাহ। আমরা কি আমাদের সন্তানদের বিশ্বাস করি না? অবশ্যই করি! কিন্তু আমরা শয়তানকে বিশ্বাস করি না, যে কিনা ডান থেকে, বাম থেকে, সামনে থেকে এবং পেছন থেকে আমাদের বিভ্রান্ত করার ওয়াদা করেছে। শয়তানের চক্রান্তের হাতে সন্তানকে ছেড়ে দিয়ে নিজেদের সময় বাঁচানোর মত স্বার্থপর হওয়া মুসলিম বাবা-মায়েদের মানায় না কোনোদিন!

আর ইসলামী শিক্ষার সবটুকুই কিন্তু হাতে ধরে শেখানোর চেয়ে সহজে শেখানো যায় নিজে ইসলাম পালন করে। জুম্মার নামাযে প্রায়ই দেখি কোন শিশু খুতবার সময় জোরে কথা বলছে, হই চই করছে, আর তার বয়সী আরেকটি শিশু হয়ত মায়ের পাশে চুপ করে বসে আছে। বোঝাই যাচ্ছে যে তারও হই চই করতে ইচ্ছা করছে কিন্তু মা শিখিয়েছেন যে খুতবার সময় আদবের সাথে বসে থাকতে হয়। আর যেই শিশুটি হই চই করছে এবং মা কিছু বলছেন না, অনেক ক্ষেত্রেই তিনি নিজেও একমনে খুতবাহ শুনছেন না, বাচ্চাও তাই ভাবছে না এটা গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয়। একই ভাবে নামায পড়া, কুরআন পড়া এই বিষয়গুলো শিখবে। হুজুর রেখে সূরা শেখানো যায়। কিন্তু সেটা যে ভালবাসা নিয়ে চোখে পানি নিয়ে পড়া যায় তা শিখবে যখন দেখবে মা কুরআন পরার সময় কাঁদছেন। দোয়া হাত তুলে করলে কি লাভ তা মুখে শেখানো যায়। দোয়ার সময় কাঁদার অভিজ্ঞতাটা একজন মুসলিমের জীবনে কী তা শেখানো যায় যখন মা বাবা নিজেদের দোয়া ওভাবে করেন তখন। আর মনে রাখতে হবে ওরা আমাদের opposition না। আমাদের আচরণে এমন কিছু যেন ওরা ভেবে না বসে। ওদের ভুল এ আমরা শাসন করতে ভালবাসি এমন যেন ভেবে না বসে। বাবা মা ভাবেন তাদের শাসনের আড়ালে যে ভালবাসা আছে তা সন্তানেরা বুঝে নিবে। এটা তো আছেই, আবার বলতে হবে নাকি? কিন্তু শাসনটা যখন প্রকাশ করা হয়, ভালবাসার প্রকাশেরও প্রয়োজন আছে বৈকি। আমরা যে ওদের বিপক্ষ না, বরং অতি মাত্রায় ওদেরই পক্ষের, তা ওদের অবশ্যই বুঝতে দিতে হবে। আল্লাহ যেন আমাদের সন্তানদেরকে আমাদের জন্য চোখের শান্তি করে দেন। এই দুনিয়ার জীবনে ওরা যেন হয় আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য আনন্দের উৎস। আর আখিরাতে ওরা যেন আমাদের জন্য সম্মান ওঁ সফলতা বয়ে আনে। আমীন। (৩ সেপ্টেম্বর ২০১২)

নিষেধাজ্ঞার শিশু সংস্করণ কুরআনে কোন বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আসে অসম্ভব সুন্দর approach এ। অনেকসময় যে pattern এ তা আসে, সেটি অনেকটা এরকম-- সব হালাল, except "....." । যেমন, সূরা আল বাকারার ৩৫ নং আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলেছেন: “আর আমি বললাম, ‘হে আদম, তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর এবং তা থেকে আহার কর স্বাচ্ছন্দ্যে, তোমাদের ইচ্ছানুযায়ী এবং এই গাছটির নিকটবর্তী হয়ো না, তাহলে তোমরা যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।” অর্থাৎ, সব হালাল, কেবল মাত্র ওই একটা গাছের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা। কথাটা অন্যভাবে বললে বলতে হতো প্রতিটা হালাল বস্তুর নামকরন করে। কিন্তু এভাবে বলাতে অনুভুতিটা হয় প্রশস্ততার । যে শুধু বাধ্যবাধকতার জালে আটকান হয়নি মোটেও। সর্বক্ষেত্রেই স্বাধীনতা, কেবল মাত্র একটি বিষয় ছাড়া। শিশুদের বেলায় এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর। প্রতিটা জিনিস নিষেধ না করে ওদেরকে যদি তাদের স্বাধীনতার সীমা কতটুকু তা বুঝিয়ে দেয়া হয়, তারা অনেক বেশী cooperate করে। মনে পড়ে আমার ভাতিজার কথা। অসম্ভব চঞ্চল আর কৌতূহলী ছিল। আমাদের ভয় হতো কখন ইলেকট্রিক সুইচে হাত দিয়ে ফেলে। আমি ওকে কখনো নিষেধ করিনি। শুধু বলেছিলাম, বাপ, তোর যখন ধরতে ইচ্ছা করে, তুই ফুপ্পিকে বলবি। ও আমাকে বলত। আর আমি ওকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতাম যতক্ষণ ওর সুইচ টেপা শেষ না হয়। এতে দুটো লাভ হতো। unattended সুইচ টেপাটা হতো না, আর এজাতীয় নিষিদ্ধ কাজগুলো করার আগে সে আমার সাথে পরামর্শ করত। আমি চেষ্টা করতাম সেগুলোতে ওকে cooperate করতে। আর যখন আমিও নিষেধ করতাম, তখন বুঝে নিত সত্যিই এটা করা সম্ভব না। ব্যাপারটা আমার মেয়ের বেলাতেও অদ্ভুতভাবে কাজ করে। একটা বয়সে বাচ্চাদের দেয়ালে দাগ দেয়ার প্রবনতা দেখা দেয়। আমার মেয়েও তাই দিয়েছে। যেদিন প্রথম দিল, আমি ওকে কাগজ কলম দিয়ে কাছে বসালাম। ওকে বুঝিয়ে বললাম যে ওর যখন আঁকতে ইচ্ছা করে, আমাকে বললে আমি কাগজ দিব, রঙ দিব। এমনকি খাতাও দিব। কিন্তু দেয়ালটা তো দাগানোর জায়গা না, আর বাড়িটাও আমাদের নিজেদের না। তাই ওই কাজটা না করলেই ভালো। ও কিন্তু বুঝল যে ও সব রকম আঁকাআঁকি করতে পারবে, মায়ের অনুমতি এবং সমর্থন সহই পারবে, কেবল দেয়ালে দাগ দেয়া যাবে না। আলহামদুলিল্লাহ, যখন ওই বাসাটা ছেড়ে গিয়েছিলাম তিন বছর পর, বাচ্চাদের কারনে বাড়ির যতরকম ক্ষতি সাধারণত হয়ে থাকে তার একটাও হয়নি। এখনও ও জানে যে বাসার সর্বত্র ওর অবাধ বিচরণ, শুধু আম্মু না থাকলে কিচেনে ঢোকা যাবে না, অথবা গরম পানির কলটা ছাড়া যাবে না। আমি বলছি না যে সবসময় এই সূত্র কাজে দিবে। আর এও দাবী করতে পারব না যে আমার মেয়েও কখনো অঘটন ঘটায়নি-- কারণ একবার ও সাবান খেয়ে ফেলেছিল। কিন্তু সাধারণত, সারাক্ষণ বকাবকি না করে অথবা ওর সব কাজে নিষেধ না করে আল্লাহর রহমতে কোন বিপদ ছাড়াই দিনগুলো পার হয়ে গিয়েছে। বাচ্চারা আমাদের চোখে অনেক ছোট হলেও ওদের একেক জনের ego আছে এটা মনে রাখতে হবে। আর সেই ego টা সাইজে মোটেও ছোট হয় না। তাই ওদের সবকিছুতেই বাধা এই ফিলিংটা না দিয়ে এটা বোঝানোই ভাল যে তোমাদের সবটুকুই আমরা appreciate করি, শুধু বিশেষ কয়েকটা ব্যাপার ছাড়া। আরেকটা বিষয়ে খেয়াল রাখা খুব দরকার। যখন ওরা প্রথমবারের মত বিশেষ কোন অঘটন ঘটিয়ে বসে, তার জন্য শাসনটা যেন মাত্রা ছাড়িয়ে না যায়। হয়ত এমন কিছু করেছে যা আগে কখনো করেনি, করার পরিণতি জানতও না। এটাকে ভুল হিসেবে দেখা যায়, সাবধান করা যায়। কিন্তু অতিরিক্ত হই চই মারপিট করলে নিজেদের রাগ মিটবে, কিন্তু ওরা বুঝবে না যে কি দোষে এতো শাস্তি মিলল। না বুঝিয়ে কেবল শাসন করে গেলে আবার ওরা একই ভুল করার সুযোগ তো থাকেই, মাঝখান থেকে রাগারাগি দেখে রাগ দেখানো শিখে যায়। অন্যদের কথা জানিনা, আমার মেয়ে তো আমার প্রতিটা কথাবার্তা নকল করে। আজকাল কেবল ওর জন্যই নিজেকে অনেক ক্ষেত্রেই বদলে নিতে হচ্ছে। যে ব্যাপারটা খুব জোর দিয়ে শেখানো উচিত বলে আমি মনে করি, তা হোল আদব। মা বাবাকে সম্মান করতে শেখানো, বড়দের কথা শুনতে শেখানো, কারুর বাড়িতে গিয়ে ভদ্র আচরণ করা--- ইত্যাদি। এ জায়গায় অনেকেই ছাড় দেন এই বলে যে থাক ছোট মানুষ। কিন্তু এটাই শাসনের জায়গা। আজকে ঘর অগোছালো করছে কালকে বড় হলে তা হয়ত করবে না। কিন্তু আজকে মুখে মুখে ঝগড়া করার অভ্যাস হলে, অথবা বাবা মা কে অবজ্ঞা করার অধিকার দিলে আগামীতে তা শুধরে নেবার আশা কম।