ru
Feedback
Reflections

Reflections

Открыть в Telegram

Ustaza Nayla Nuzhat’s Telegram Channel 🍃কমেন্টের ক্ষেত্রে অনুগ্রহ করে ইসলামী বিধিনিষেধ মেনে চলুন🍃 🚫অনুগ্রহ করে মাস'আলা জিজ্ঞেস করবেন না

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Reflections

Канал Reflections (@reflections_nayla) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 14 550 подписчиков, занимая 5 825 место в категории Религия и духовность и 1 606 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 14 550 подписчиков.

Согласно последним данным от 01 октября, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 64, а за последние 24 часа — -4, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 12.69%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 6.52% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 846 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 948 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 84.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
“Ustaza Nayla Nuzhat’s Telegram Channel 🍃কমেন্টের ক্ষেত্রে অনুগ্রহ করে ইসলামী বিধিনিষেধ মেনে চলুন🍃 🚫অনুগ্রহ করে মাস'আলা জিজ্ঞেস করবেন না”

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 02 октября, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

14 550
Подписчики
-424 часа
-197 дней
+6430 дней
Архив постов
Repost from With the Qur'an
আমাদের 'With the Quran' অ্যাপটির নতুন আপডেট চলে এসেছে আলহামদুলিল্লাহ, এন্ড্রোয়েড এবং আই ফোনের জন্য! তাসমী' — অর্থাৎ আপনি তিল
+1
আমাদের 'With the Quran' অ্যাপটির নতুন আপডেট চলে এসেছে আলহামদুলিল্লাহ, এন্ড্রোয়েড এবং আই ফোনের জন্য! তাসমী' — অর্থাৎ আপনি তিলাওয়াত করবেন, অ্যাপ নিজে থেকেই তা ধরে ফেলবে — সঙ্গে তাজউইদের ভুলও ধরিয়ে দেবে। পুরোটাই আপনার ফোনেই, সঙ্গে সঙ্গে, ইন্টারনেট ছাড়াই! আলহামদুলিল্লাহ। শুধু তাই নয় — আপনি নিজের পড়ার গতিটা অ্যাপকে শিখিয়ে নিতে পারবেন, আর সেই গতিতেই তিলাওয়াত করে যেতে পারবেন। হাফেজ ভাই-বোনদের রিভিশনের জন্য এটা অনেক কাজে আসবে, ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ যেন এই উদ্যোগ কবুল করে নেন। এই মেসেজটি যথাসাধ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার অনুরোধ থাকলো। অ্যাপ-এর লিঙ্ক: অ্যান্ড্রয়েড: https://play.google.com/store/apps/details?id=net.ideas2serve.wtq অ্যাপল: https://apps.apple.com/sa/app/with-the-quran-%D9%85%D8%B9-%D8%A7%D9%84%D9%82%D8%B1%D8%A2%D9%86/id1502035575

অনেক বছর আগের কথা। একজন ইন্ডিয়ান মহিলা আমাকে আর আরেকজনকে বলছিলেন উনি ছেলেকে কোনো ছবি আঁকতে দেননা। কারণ পরে কোনোদিন মানুষের ছবি না এঁকে ফেলে। আমার বয়স অনেক কম। আমার মনে হলো এটা একটু বাড়াবাড়ি। আমি নিজেও টুকটাক ফুল পাতা আঁকি। আমার সাথে যিনি ছিলেন, তিনি টুকটাক ছবি আঁকা আঁকি করেন এবং বাচ্চাদেরও শেখান। তিনি আমার দিকে তাকালেন। আমাদের দুজনেরই মনে হলো বাড়াবাড়ি। তবে কথাটা মনে থেকে গিয়েছিল। এই ঘটনার অনেক আগের কথা মনে পড়েছে এটা শোনার সময়, যখন নিজে আয়োজন করে ছবি আঁকতে চেষ্টা করতাম। এক সময় ফতোয়া খুঁজলাম এককভাবে শুধু হাত বা চোখ আঁকা যায় কিনা। জানার পর নিজেই অনুভব করলাম, একবার যখন আঁকতে পারবো, শুধু হাত/চোখে থাকবে না। আস্ত মানুষ আঁকতে মন চাইবে। মন বুঝে আমি সেভাবে ছবি আঁকা ছেড়ে দিলাম - যেন এমন ইচ্ছাই না আসে। তারপরও যখন এই বোন তার ছেলের কথা বলছিলেন, অল্প বয়সি আমি বিষয়টা বুঝতে পারিনি। আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমি এটুকু বুঝেছি যে রং দিবই না এটা না করলেও, শেখানোরও দরকার নাই। কয়েক বছর পর। অন্যজনের সন্তানেরা প্রথমে সুন্দর করে ফুল পাতা আঁকতো। তারপর চোখমুখ ছাড়া পাখি। শেষ পর্যন্ত আস্ত মানুষ। আল্লাহ যেন ক্ষমা করে দেন, এখন ওরা কেমন আছে জানিনা - আল্লাহ যেন সঠিক পথে রাখেন। আমার এখনও খারাপ লাগে যে তখন আমি সেই কথাগুলো বাড়াবাড়ি ভেবেছি। ভেবেছি উনাকে মানা কোন যুক্তিতে করবো যখন ফুল-পাতা আঁকা নিষেধ না? "নিষেধ না হলেও, আপনার বাচ্চাদের কি শুধু এই পর্যন্ত রাখতে পারবেন?"- এই চিন্তাটা উনার মাথায় দেয়ার মতো বুঝ আমার ছিল না। আল্লাহ যেন আমাকে ক্ষমা করে দেন। সেই থেকে আমি শিক্ষা নিয়েছি যে, অনেক কিছু হালাল হলেও, সেটা যখন মনকে হারামের দিকে নিয়ে যেতে পারে, বিষয়টা নিয়ে সতর্ক থাকা উচিত। কোনোকিছু হারামের দিকে নিলে সেটা হারাম - এটা একটা ব্যাপার। আর হারামের দিকে এখনও যায়নি, কিন্তু যদি পরে মনে উদয় হয় - এজন্য যেই সতর্কতা, সেটা বাড়াবাড়ি মনে হলেও, ক্ষেত্রবিশেষে জরুরি। সন্তানকে হালাল জিনিস আঁকতে দিবেন না- একথা তো আমি বলতে পারবো না। বলবোও না। কিন্তু সেটা আর্টিস্ট হওয়ার মতো করে আঁকা শেখানোর প্রয়োজন আছে কিনা, তারপর শুধু হাতের/চোখের ছবি হালাল কিনা ফতোয়া খুঁজে আঁকতে বসার দরকার আছে কিনা, তারপর চুলচেরা ফতোয়া খুঁজে খুঁজে একটু একটু করে বাড়ানোর দরকার আছে কিনা, আস্তে আস্তে সেটা মানুষের বা প্রাণীর ছবির দিকে যাচ্ছে কিনা এবং একবার pro বানিয়ে তারপর সন্তানকে সেখান থেকে সরাতে পারবেন কিনা- এই সবই বুঝার, বিবেচনা করার, ভাবার বিষয়। সাথে আরেকটা বিষয়- এমন অনেক ইসলামিক উদ্যোগ আছে। যারা শুরুতে ছবি দেননা। তারপর শুরু করেন হালাল সীমায় থেকে যেটুকু দেয়া যায়। অনেক ক্ষেত্রেই কিভাবে যেন এরপর আস্তে আস্তে সীমার বেশি কাছে যাওয়া শুরু হয়। এবং তারপর কোনো না কোনোভাবে নিজের কাছে জাস্টিফাই করে সীমা লঙ্ঘন। অধঃপতন একদিনে হয়না। শয়তান একটু একটু করে বুঝিয়ে সীমার প্রান্তে এবং পারলে ওইপারে নিয়ে যায়। তাই নিজেদের সতর্ক থাকা জরুরি। এবং সন্তানদের বড় করার ক্ষেত্রে বিষয়গুলো মাথায় রাখা জরুরি। আর যারা ইসলামিক উদ্যোগ নেন, বই বা বিজনেস, তারাও সতর্ক হওয়া জরুরি। হালাল খুঁজতে খুঁজতে আমরা সীমায় না চলে যাই। আরেকটা কথা। অনেক কিছু আমরা ধীরে ধীরে বুঝি। তাই একটা কথা শুনেই সেটাকে বাড়াবাড়ি না ভেবে বিষয়টা নিয়ে ভাবাও জরুরি। আজকে সেই ঘটনার প্রায় ১৫ বছর পর লিখতে বসে মনে হচ্ছে, ইন্ডিয়ান দেখে উনার হয়ত আমাদের চাইতে বেশি দূরদৃষ্টি ছিল, এসব নিয়ে। কারণ উনাদের দেশে উনারা এই ইমেজ মেকিং এর চূড়ান্ত রূপ দেখে থাকেন। তাই কিভাবে এই প্যাশন থেকে অধঃপতন আসতে পারে, এটা বুঝার বোধশক্তি উনার ছিল, আমাদের না থাকলেও। কিন্তু উনার কথাটা বুঝার সেন্সটাও হয়ত তখন আমাদের ছিল না। এজন্য নিজের চাইতে জ্ঞানী, এবং হিকমত আছে এমন মানুষদের সান্নিধ্যও জরুরি। আল্লাহ যেন আমাদের এবং আমাদের সন্তানদের হেফাজত করেন, শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করা থেকে।

Repost from With the Qur'an
আমাদের 'With the Quran' অ্যাপটির নতুন আপডেট চলে এসেছে আলহামদুলিল্লাহ, আইফোনের জন্য! তাসমী' — অর্থাৎ আপনি তিলাওয়াত করবেন, অ্য
আমাদের 'With the Quran' অ্যাপটির নতুন আপডেট চলে এসেছে আলহামদুলিল্লাহ, আইফোনের জন্য! তাসমী' — অর্থাৎ আপনি তিলাওয়াত করবেন, অ্যাপ নিজে থেকেই তা ধরে ফেলবে — সঙ্গে তাজউইদের ভুলও ধরিয়ে দেবে। পুরোটাই আপনার ফোনেই, সঙ্গে সঙ্গে, ইন্টারনেট ছাড়াই! আলহামদুলিল্লাহ। শুধু তাই নয় — আপনি নিজের পড়ার গতিটা অ্যাপকে শিখিয়ে নিতে পারবেন, আর সেই গতিতেই তিলাওয়াত করে যেতে পারবেন। হাফেজ ভাই-বোনদের রিভিশনের জন্য এটা অনেক কাজে আসবে, ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ যেন এই উদ্যোগ কবুল করে নেন। এই মেসেজটি যথাসাধ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার অনুরোধ থাকলো।

বাবা মায়েদের সতর্ক করি কো- এডুকেশন নিয়ে। বেশিরভাগ সময়ে একটা ব্ল্যাঙ্ক লুক পাই। কখনো সম্মত হন- তারপর "কী আর করবো দিতেই হলো" কথাটা আসে। মনে মনে ভাবেন হয়তবা, "আমার সন্তান এমন না।" আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার সীমা কে কেমন তার উপর নির্ভর করে না। কেউ যেন "কেমন" হওয়ার সুযোগ না পায়, সেজন্য এই সীমা। বোনদের প্রচুর মেসেজ পাই। কেউ গোপনে বিয়ে করেছেন- এখন না তাকে "হাজবেন্ড" ডিভোর্স দিচ্ছেন আর না গ্রহণ করছেন। বাবা মা আরেক জায়গায় বিয়ের চেষ্টা করছেন। ডিভোর্স না নিয়ে বিয়ে করা যাবে কিনা!! ভাইদের মেসেজ আমি পর্যন্ত না আসলেও, বোনদের মাধ্যমে বর্তমান চিত্র ঠিকই আসে। উপরের বর্ণনার চাইতে উন্নত কিছু না- খালি "পুরুষ" বলে হয়ত বাবা মায়ের "বাধ্য" হয়ে বিয়ে করার আগে ডিভোর্স লাগবে কিনা এটা জানতে চাওয়া লাগে না। ফ্রি মিক্সিং/গোপন বিয়ে এসবের দায় কিন্তু থেকেই যায়। সেই "গোপন বিয়ে" ঝুলন্ত রাখার দায় ও থেকে যায়। এগুলো হলো যারা জিজ্ঞেস করার সাহস করেন বা হারাম করলেও এরপর কী করণীয় সেটা জানতে চান। আর যারা এগুলো না জেনেই ডিভোর্স ছাড়াই আরেক বিয়ে করেন?? পুরুষ কলিগের বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হওয়ার পর কলিগ বলে বেড়াচ্ছেন মহিলাই তাকে "approach" করেছেন, অল্প বয়সি মেয়ে বয়সে বড়, বিবাহিত মানুষকে বিশ্বাস করে বিয়ে করতে গিয়ে ঝামেলায় পড়েছেন- কত রকমের প্রশ্ন! বয়সের রেঞ্জ আরো কষ্টকর। এত অল্প বয়সে এই ধরণের জটিল সমস্যায় নিজেরা জড়িয়েছে, অন্যদের জড়াচ্ছে- কারণ তাদের বাবা মায়েরা ভেবেছিলেন "কী আর করবো।" ভেবেছিলেন, "আমার সন্তান এমন না।" এসব এমন বিষয়, যে একবার ঝামেলায় জড়ালে আজীবন ধুঁকতে হবে। গুনাহটাই হয়তবা এমন- সহজে বের হওয়া যায় না। তাওবা অনেক বেশি মজবুত হওয়া লাগে। বাবা মায়েরা, ভেবে দেখবেন কথাগুলো। বিশ্বাস করুন, আমরা চাই কারো সন্তান "এমন" না হোক। কিন্তু নিজ হাতে হারামের আগুনে ফেলার পর - আপনার সন্তান বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আসলে যে "কেমন" এটা আপনার কল্পনার বাইরে। আর যদি সে "কেমন" না হয় আল্লাহর অশেষ রহমতে, তাহলে "কেমন কেমন" মানুষ তার রোজ দেখতে হয়, সেটাও আপনার কল্পনার বাইরে। এই সব কিছুর খোলাসা কিয়ামতের দিন হওয়ার চাইতে, ওদের দুনিয়া এবং আখিরাত এলোমেলো হওয়ার চাইতে, এখনই নাহয় একটু বুঝতে চেষ্টা করুন। নাহলে আর কি। আমরাই বা "কী আর করবো", বলতে থাকা ছাড়া!

এই যুগে, “নিজেকে ব্যাখ্যা করা লাগবে না” শিখতে শিখতে অনেকেই মনে হয় ভুলে যাচ্ছেন যে আল্লাহর কাছে নিজের কাজের ব্যাখ্যা অবশ্যই দিতে হবে। তাই হ্যাঁ, জনে জনে কোনো সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা যেমন দেয়ার কিছু নাই, যে কাজটা করছি, সেটা নিয়ে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে পারবো কিনা—এই ব্যাখ্যা জানা থাকা জরুরি। “আমার ইচ্ছা তাই যা করেছি বেশ করেছি”—এটা একজন মুসলিমের জন্য না। আল্লাহর সীমায় থেকে করেছি কিনা- সকল ক্ষেত্রে এই হিসাব রাখা একজন মুসলিমের জন্য জরুরি।

Repost from Reflections
আপনি যাকে ভালোবাসা দেখাবেন, সে কিভাবে সেই ভালোবাসা দেখতে চায় সেটা কিন্তু মাথায় রাখার কথা। আপনার অতি ভালোবাসার মানুষটার গরুর গোশতে এলার্জি। কিন্তু আপনি চান তাকে সেটাই খাওয়াতে- তাই এলার্জি জেনেও জোর করে তাকে গরুর গোশতই খাওয়াবেন- সেটা কী ভালোবাসা? এমনিই একটা উদাহরণ দিলাম আরকি। ----------- আপনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অনেক ভালোবাসেন? তাঁর অনুসরণ করুন। ইনফ্যাক্ট, আল্লাহকে ভালোবেসে থাকলে তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ করতে হবে। তাঁকে সবচেয়ে বেশি যারা ভালোবাসতেন, তাঁরা কী করতেন বুঝতে হবে। সাহাবা রাদিয়াললাহু আনহুম তাঁর কথা মেনে চলতেন। তিনি যেই দ্বীন শিখিয়ে গিয়েছেন, তাঁরা সেটা আল্লাহর ইচ্ছায় হুবহু হেফাজত করেছেন। কতখানি - সেটা আসলে এই সামান্য লেখায় বুঝানো সম্ভব না- তার জন্য একটু পড়ালেখা করতে হবে। আর হ্যাঁ- আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে তাঁরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মদিন করেননি। আপনি সেটা করার কে? এটা কি এমনিই করছেন? Happy Birthday যেভাবে করে মানুষ? তাহলে তো শয়তানের পূজারীরা যেই অনুষ্ঠান উদ্ভাবন করেছে সেটা করছেন। নাকি এটা দ্বীন ভেবে করছেন? তাহলে এমন কিছু করছেন যা দ্বীনের অংশ ছিলই না! আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গিয়েছেন: “যে ব্যক্তি আমার এই দ্বীনে (নিজের পক্ষ থেকে) কোন নতুন কথা উদ্ভাবন করল---যা তার মধ্যে নেই, তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য।” (বুখারী ২৬৯৭, মুসলিম ৪৫৮৯নং) যেই উৎসব আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পালন করেননি, তাঁর সাহাবারা যারা তাঁকে জীবন দিয়ে ভালোবাসতেন তাঁরা করেননি- সেই উৎসব করে দ্বীনকে অপমান করা ছাড়া আর কী হচ্ছে? আর এটা কেমন ভালোবাসা যা দ্বীনের মাঝে নতুন কিছু সংযোজন করার মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে? প্রত্যাখ্যান যোগ্যকে সাদরে পালন করে কী ভালোবাসা দেখানো হচ্ছে? এই ভালোবাসা কি সেই ভালোবাসা, যা দেখানোর কথা? এটা কি আদৌ ভালোবাসা?? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন পালনের কোনো দলিল নেই। জন্মের তারিখটা আসলে কবে সেটা নিয়েই ঐক্যমত নেই। আর আপনার তাঁর প্রতি ভালোবাসার দলিল? সেটা তাঁর শেখানো দ্বীনকে মেনে চলার মাধ্যমে দেখান। দ্বীনের বিরোধিতা করার মাধ্যমে না! আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ। --------------- আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‘‘তোমরা (দ্বীনের) নব প্রচলিত বিষয়সমূহ থেকে সতর্ক থাক। কেননা প্রত্যেক নতুন বিষয় বিদআ‘ত এবং প্রত্যেক বিদআত ভ্রষ্টতা’’। [সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৯৯১ ও সুনান আত-তিরমিযী, হাদীস নং ২৬৭৬। তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান ও সহীহ বলেছেন।] অনুগ্রহ করে ভালোবাসার নাম করে বিদআতে শামিল হবেন না।

"আমরাও তো কো-এড এ পড়েছি, আমাদের কোনো সমস্যা হয়েছে? বাচ্চাদের পড়ালে কী সমস্যা?" বাকি সমস্যার কথা নাহয় নাই বলা হলো। এই যে সন্তানকে কো-এড এ পড়ানোর মাঝে কোনো সমস্যা খুঁজে পাচ্ছেন না, এটাই সমস্যা। নিজেরা সেসব জায়গায় পড়ার দরুণ সেখানের সমস্যাগুলো "তেমন কিছু না" লাগছে। সয়ে গিয়েছে। হারামে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে মন। এত অভ্যস্ত যে সন্তানকে সেখানে দিতে গিয়ে "হারাম/হালাল" ভাবার বিষয়ে মাথা কাজই করছে না।

উত্তরের সারসংক্ষেপ যে ব্যক্তির দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন বলে আপনি আশা করেন, তার কাছে নিজের জন্য দোয়া করতে বলা গুনাহ নয়, যতক্ষ
উত্তরের সারসংক্ষেপ যে ব্যক্তির দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন বলে আপনি আশা করেন, তার কাছে নিজের জন্য দোয়া করতে বলা গুনাহ নয়, যতক্ষণ না এতে কোনো হারাম বা নিষিদ্ধ বিষয় জড়িত থাকে। তবে, না চাওয়াই উত্তম ও অধিক উপযুক্ত। https://islamqa.info/en/answers/1945/asking-others-to-make-du%60a-for-you

সন্তানের হাতে স্মার্টফোন না দেয়া। প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, ব্লকার- সব ব্যর্থ হবে ওদের হাতে ইন্টারনেট দিলে। ছোটরা অনেক স্মার্ট। ওরা জানে কিভাবে সেসব বাইপাস করতে হয়। এগুলো থেকে দূরে রাখতে বাবা মায়ের অনেক ধরণের ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। সেটা করতে না চাইলে, বা করতে ভয় পেলে বাবা মায়েরা "কী করবো" বলে হাল ছেড়ে দেন। কথা হলো, বড়দের পর্যন্ত ইন্টারনেট এ অবাধে বিচরণ করার কথা না। আল্লাহকে ভয় করার কথা। বড়রা যদি "আমরা বড়, কিছু হবে না" ভেবে অবাধে নেট ব্যবহার করেন - অজস্র মানুষ এটার সাক্ষী যে, "একটু দেখি" ভেবে সেটা কী ধরণের নেশায় পরিণত হয়। আল মসজিদুল হারাম এ পর্যন্ত "বড়দের" মনে করিয়ে দিতে হয় যে, এটা আল্লাহর ঘর, রিলগুলো পরে দেখুন। বড়দের, নিজেদের এই অবস্থা- আর বাবা মায়েরা ভাবেন তাদের সন্তানেরা নিষ্ঠার সাথে শুধু "ভালো" জিনিস দেখছেন? এটা হতেই পারে না। একটু সচেতন হোন। দিবেন না ওদের হাতে ইন্টারনেট। পড়ালেখা, ব্রাউজিং এর নামেও দিবেন না। রিসার্চ, প্রজেক্ট- স্কুলের এক্সট্রা করিকুলার একটিভিটি এর নামে না। "আমার সামনে বসে ব্যবহার করবে" এর নামে না। নিজের এসব করে দিতে কষ্ট হবে- কিন্তু এর সুফল যখন দেখবেন, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করবেন ইন শা আল্লাহ, যে আল্লাহ বুঝার তৌফিক দিয়েছিলেন।

💭আমাদেরকে যদি এমন একটা জায়গায় রাখা হয়, যেখানে কেউ ইউটিউবে যা খুশি দেখছে, কেউ গান গাইছে, কেউ মানুষের ছবি আঁকছে- অর্থাৎ যাবতীয় হারাম কাজ চলছে, আমরা সেখানে কতক্ষণ থাকতে পারবো? এক দুই বেলা ঠিক আছে। এক দুই দিন? প্রতিদিন?? 🍂ভাবতেই কেমন লাগে, তাই না? ⁉️অথচ মজার ব্যাপারটা দেখুন, আমাদের সন্তানদের আমরা যে শুধু সেই পরিবেশে রাখি তাইই না, সাথে তাদের ঈমানের এমন দৃঢ়তা আশা করি যা আমাদের নিজেদেরই নেই!!

বাচ্চাদের ডিভাইসের প্রতি আসক্তি পিডিএফ এবং এই চ্যানেল সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত। ⚠️ কোনো পিডিএফ ব্যবসার উদ্দেশ্যে/বই বের করার জন্য প্রিন্ট করা যাবে না।

অভিভাবকদের কিছু বললে তারা বলেন যে তাদের বাচ্চাদের একাউন্ট নিজেদের একাউন্টের সাথে যুক্ত করা। তাই তারা উল্টাপাল্টা দেখবে না। বুঝাতে পারি না যে এসব করে কোনো লাভ হবে না - যেই বাচ্চার হাতে ডিভাইস থাকবে, সেই ডিভাইসে ইন্টারনেট থাকবে, যা সে একা ব্যবহার করতে পারে, সেই বাচ্চা সর্বত্র বিচরণ করতে পারবে। সে বাবা মাকে ফাঁকি দেয়ার পথ বের করে দিবে। আর না, সেই বাচ্চা মোটেও ইনোসেন্ট না। তারপর নালিশ আসে, পড়ার সময় পায় না। পড়তে পারে না। রাতে ঘুম হয়না। বাচ্চার হাতে ডিভাইস ছেড়ে রাখার মত "উদার" হলে, বাচ্চার অধঃপতন (দুনিয়া এবং আখিরাতের) মেনে নেওয়ার মত হৃদয়বানও হয়ে যাওয়া উচিত। কারণ, একটা আরেকটার সাথে আসে। এইটুক এইটুক বাচ্চারা বাবা মাকে বুঝিয়ে ফেলে যে তাদের তাবৎ জায়গায় একাউন্ট আছে কিন্তু তাদেরকে খারাপ কিছুই দেখায় না। সিরিয়াসলি? অনেকবার বলা কথাটা আবার বলি। এই বাবা মায়েরা হয় ভীষণ বোকা- যেই বোকামি বড় মানুষকে মানায় না। নয়ত ভীষণ স্বার্থপর, তাই তাদের বাচ্চাকে হারাম থেকে দূরে বড় করার কষ্টটা করতে এত আপত্তি। (যিনি কথা বলছেন, তাকে চিনিনা। কথাগুলো সঠিক তাই শেয়ার করা।)

photo content

যারা "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়ামে সন্তানদের পড়ান অথবা "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল চালান যেখানে "ইসলামিক স্টাডিজ" এ ও লেভেল দি
+3
যারা "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়ামে সন্তানদের পড়ান অথবা "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল চালান যেখানে "ইসলামিক স্টাডিজ" এ ও লেভেল দিতে উৎসাহিত করেন বাচ্চাদের, দেয়ার পর বাহবা দেন, ফটোগুলো দেখবেন। এগুলো আমাকে ও লেভেলে ইসলামিক স্টাডিজ (Edexcel) দিচ্ছে এমন একজন দিয়েছে। সে নিজে স্কুলে পড়েছিল আগে, এই সিলেবাস। তখন কিছু টের পায়নি। একটা সাবজেক্ট বাড়ানোর জন্য ও লেভেলে নিয়েছে। এখন দেখছে, তারা যেই উত্তর আশা করে, সেগুলো তো ভয়াবহ। অনেক বিষয় আছে যেগুলোতে তারা যেই "ফিকহ" বলে সেটা ভুল, বা কাফির-ফ্রেন্ডলি। আর এই ফটোতে যা যা আছে- সব তো সরাসরি মানুষের ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত! কুফরী হবে এমন সব কথা। সেই স্টুডেন্ট বলছিল যে সম্ভাবনা আছে এগুলো চেক করে কাফির রা, আর মুসলিম কেউ করলেও তার জ্ঞানের লেভেল কাফিরদের সমান- নাহলে এসব কথা তো কোনো উত্তর হতে পারে না "ইসলামিক স্টাডিজ" এ। এখন সেই স্টুডেন্ট বিষয়টি উইথড্র করতে পারছে না- ঠিক করেছে সঠিক কথা লিখে দিয়ে আসবে সব প্রশ্নে- তাতে বোর্ড মার্ক কমিয়ে দিলে দিবে। সে এটাও স্বীকার করেছে যে, কাফিরদের চালানো বোর্ড এ ইসলামের বিষয়ে "অথেনটিক" তথ্য থাকবে, এটা ভেবে নেয়া ছিল অনেক বড় ভুল। সিলেবাস দেখে কিছুই বুঝা যাবে না। সমস্যা বুঝবেন যদি ওদের "মার্ক স্কিম" পড়ে দেখেন- যেখানে কতটুক উত্তরে কতটুক মার্ক দেয়া হবে, সঠিক উত্তর কী, আর কোন কোন পয়েন্ট লিখলে ফুল মার্ক আসবে লেখা থাকে। ইসলামিক বিষয় বাচ্চাদেরকে ইসলামিক স্কলারদের কাছে শিখতে দিন। এই ও লেভেলের সিলেবাস ভয়াবহ ক্ষতি করবে শুধু। তাছাড়া কাফিরদের কাছ থেকে কিসের ইসলাম শিক্ষা? একটা সাবজেক্ট বাড়াতে হলে অন্য কিছু দিন- এই অযথা সাবজেক্ট দিবেন না। আর "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর কাছে অনুরোধ থাকবে, এই বিষয়টি এড করে "ইসলামিক ইসলামিক" না খেলার। সত্যিই সন্তানদের ইসলামের উপর বড় করার স্কুল খুলে থাকলে ইসলাম নিয়ে সত্যিই যারা জানেন, তাদের অনুসরণ করুন। তাদের সাহায্যে একটা সঠিক ইসলামিক স্টাডিজ সিলেবাস তৈরি করুন পরীক্ষার জন্য না- দ্বীন শেখার জন্য। কাফিরদের বোর্ডে মুসলিমদের বাচ্চাদেরকে পরীক্ষা দেয়ানো এটাই যথেষ্ট ক্ষতি। এর উপর কাফিরদের থেকে "ইসলাম" জানার ক্ষতিটা নাহয় নাই করা হলো!

আমাদের Whatsapp চ্যানেল: https://whatsapp.com/channel/0029VbBFkSC4CrfjhPGQZ90A

"কিতাবুত তাওহীদ" বই থেকে নেয়া অংশবিশেষ। --------- সহীহ আল বুখারীতে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন— উহুদ যুদ্ধে নবী ﷺ আ
+1
"কিতাবুত তাওহীদ" বই থেকে নেয়া অংশবিশেষ। --------- সহীহ আল বুখারীতে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন— উহুদ যুদ্ধে নবী ﷺ আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং তাঁর সামনের দাঁত ভেঙে যায়। তখন নবী ﷺ দুঃখ করে বললেন— “যে জাতি তাদের নবীকে আঘাত করেছে, তারা কেমন করে সফল হবে?” তখন এ আয়াত নাযিল হয়— "لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ" (সূরা আলে ইমরান: ১২৮) অর্থ: “এ বিষয়ে তোমার কোনো এখতিয়ার নেই।” (সম্পূর্ণ আয়াতের অনুবাদ: তিনি তাদের তাওবাহ্ কবূল করবেন বা তাদেরকে শাস্তি দিবেন- এ বিষয়ে আপনার করণীয় কিছুই নেই; কারণ তারা তো যালেম।) ৮. আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন— রাসূলুল্লাহ ﷺ ফজরের সালাতের শেষ রাকআতে রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে বলতেন: سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ এরপর তিনি বলতেন: اللَّهُمَّ الْعَنْ فُلَانًا وَفُلَانًا অর্থাৎ, “হে আল্লাহ! তুমি অমুক অমুক ব্যক্তির (নাম উল্লেখ করে) উপর তোমার লা‘নত নাযিল কর।” তখন এ আয়াত নাযিল হয়: لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ অর্থ: “এ বিষয়ে তোমার কোনো এখতিয়ার নেই।” আরেক বর্ণনায় এসেছে, যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ ইবনে উবাইয়্যা, সোহাইল ইবনে আমর এবং হারিস ইবনে হিশামের বিরুদ্ধে বদদোয়া করেছিলেন, তখন এ আয়াত— لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ —নাযিল হয়। -------- আল্লাহর রাসূল ﷺ। তার অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে তিনি নালিশ করেছেন আল্লাহর কাছে। আল্লাহ তার প্রিয় নবীকে বলছেন এই কথা। "এ বিষয়ে তোমার কোনো এখতিয়ার নেই।" এবং যেই তিনজনের নাম উল্লেখ করে আল্লাহর নবী বদদোয়া করেছেন, তারা তিনজন পরবর্তীতে মুসলিম হয়েছেন, রাদিয়াল্লাহু আনহুম। আল্লাহর হিকমাহ সুবহানআল্লাহ। আল্লাহর রাসূল ﷺ যেকোনো কারণে বদদোয়া দেয়ার মত মানুষই ছিলেন না। তারপরও, তাকে আল্লাহ এই উত্তর দিয়েছেন। ---------- ইসলামের শত্রু বা কাফির নিয়ে কথাতে নাইই বা গেলাম। একজন মুসলিম ভাই আরেকজন মুসলিম ভাইয়ের ক্ষেত্রে তাহলে কেমন আচরণ করার কথা? কতটা সহনশীল হওয়ার কথা? বদদোয়া দেয়ার সময় কতবার ভাবার কথা? বদনাম ছড়ানোর বেলায় কতবার ভাবার কথা? একটু ভাববেন। আমাদের বদনামে কারো আজীবনের ভালো কাজ শেষ হয়ে যাবে না। তার ভুলে তার ভালো কাজ শেষ হয়ে যাবে কিনা, সেটা মাপাও আমাদের দায়িত্ব না। এই পৃথিবীতে কেউ ত্রুটির উর্ধ্বে না। তাই পরস্পরের সাথে আমরা যেন মুসলিমের আচরণ করি- তার উপর ব্যক্তিগত আক্রোশ থাকার যথেষ্ট কারণ থাকলেও। একজন মুসলিমের সাথে বচসা হলে, মতবিরোধ হলে যেন তাকে মুসলিম হিসেবেই দেখি- কাফিরের অধম বলে গণ্য না করি। আর এই সব সমস্যা - আক্রোশ, বচসা, জবাব, পাল্টা জবাব- সবই জীবনের অংশ। এখানেও যেন আমরা ইসলামের উপর থাকি- মুসলিমের মতই আচরণ করি। সীমা লঙ্ঘন না করি! আমাদের আদর্শ আল্লাহর রাসূল ﷺ। আর তার জীবনের ঘটনাই আমরা পড়ছি এখানে। আমরা কি আল্লাহর রাসূল ﷺ কে আল্লাহ যা বলছেন, তার থেকে শিক্ষা নিবো না?

রিল/শর্টস এর বদৌলতে, আজকাল অনেকে অনেক মনোবিজ্ঞানের টার্ম জানছেন। জেনে নিজেকে diagnose করছেন, অন্যকে diagnose করছেন। টার্ম গুলো এখানে উল্লেখ করতে চাই না তাই উদাহরণ দিচ্ছি না। রিল/শর্টস দেখে ডাক্তার হবে কেউ? নাকি তার কাছে কেউ রোগী দেখাতে যাবে? সেরকমই মানসিক বিষয়গুলোর এক্সপার্ট হওয়া সম্ভব না এসব দেখে। এটা আশা করি আমরা জানি যে, আমরা যে রকম বিষয় দেখতে চাই, ওরা সেরকম বিষয়গুলোই বার বার সামনে আনে। তাই যত বেশি এসব দেখবেন- ওদের কি? ওরা আপনাকে সেটাই দেখাবে। তারমানে এটা না যে আপনার চারপাশের মানুষ এরকমই। ফলাফল: নিজের হাজবেন্ড/শাশুড়ি/ননদ/বান্ধবী এমনকি অভিভাবক - সবাইকে পারলে নামকরণ করা শেষ - অমুকের এই সিন্ড্রোম আর তমুকের সেই ট্রেইট। প্রথমত- এসব অ্যাপ এ বিচরণ করাই বাদ দিন। সময় নষ্ট। গুনাহ। নেশা। অশান্তি। মনোযোগের অভাব। সবকিছুরই খোরাক এসব স্পেস। আর তারপর, get a life! সচেতন হওয়া ভালো- সেটা আপনাকে রিল শেখাতে পারবে না। অভিজ্ঞতা থেকে শিখবেন, সত্যিই যারা জানেন তাদের থেকে জেনে নিয়ে শিখবেন। এভাবে যেটা শেখা হয়, সেটা কাজে আসে, টার্ম না জানলেও কাজে আসে। যখন সত্যিই কোনো জটিলতা থাকবে মানুষের মাঝে যা নিয়ে উপদেশ দরকার, তখন কী করা যায় উপযুক্ত মানুষের থেকে উপদেশ নিবেন- দ্বীনি মানুষদের এসব উপদেশ নেয়ার সময় দ্বীনের দৃষ্টিকোণ নিজের বুঝতে হবে আর যাকে জিজ্ঞেস করবেন তারও বুঝতে হবে। তার আগে, শুধু শুধু "মানসিক সমস্যা"-বিলাস করবেন না। নিজে শান্তিতে থাকুন, আর, অন্যকে অকারণে বিশ্লেষণ করতে থাকা বন্ধ করুন। (যারা কথাগুলোর মানে জানেন, লেখাটা তাদের জন্য। যারা এই বিষয়ে আগে শোনেননি, congratulations, আপনি শান্তিতে আছেন। সেটাই থাকুন। এই লেখা বুঝার সেক্ষেত্রে একদম দরকার নেই।)

ইদানিং শুরু হয়েছে- আমলের পোস্ট। নিজের মত করে লিখে, কখনো একটা হাদীসের রেফারেন্স দেয়া- কখনো বা সেটাও নেই। রেফারেন্স ধরে গেলে দেখা যাবে, সেই হাদীসে যা এসেছে আর এই বর্ণনায় যা এসেছে, দুইটার মাঝে বিস্তর ফারাক। ওদিকে এই পোস্ট দেখে কেউ আমল শুরু করে দিয়েছেন। আর কেউ খোঁজ করছেন সহিহ কিনা। দ্বীনের কথা যারা বলেন তারা মানুষকে সহিহ বার্তা শেখাবেন নাকি অন্যদের "বানানো আমল" সহিহ কিনা চেক করবেন সারাদিন? ইসলামের বিষয়গুলো সুন্দর এবং সিম্পল। শেষ দশ দিন এসেছে, সালাত পড়ুন। কুরআন পড়ুন। দোয়া করুন। এখন পোস্ট খুঁজার/দেখার/যাচাই করার সময় না। মানার জন্য অজস্র সুন্নাহ আছে। বিদআত কেন পালন করতে হবে? বিদআত কী জেনে নিন: https://www.hadithbd.com/books/detail/?book=158&section=2271 নির্ভরযোগ্য উলামাদের বক্তব্য শুনুন। বিভিন্ন পোস্ট রেফারেন্স সহ/ছাড়া যার রেফারেন্স নিজে যাচাই করতে পারছেন না- দেখতে যাবেন না আর শেয়ার ও করবেন না।

শায়খ সুলাইমান আর রুহাইলি (হাফিজাহুল্লাহ)