এসো সংশোধনের পথে
Kanalga Telegram’da o‘tish
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Ko'proq ko'rsatish801
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
Ma'lumot yo'q7 kunlar
-130 kunlar
Postlar arxiv
খুছুছি মজলিসের সংক্ষিপ্ত বয়ান
-আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা:
বিষয়ঃ
০১. আল্লাহ্ তা'আলার সীমাহীন নি'আমতকে স্মরণ করে সকল নাফরমানী ত্যাগ করা
০২. বান্দার দিলের আক্ষেপ ও অনুশোচনার দ্বারা শয়তান লাঞ্চিত হয় এবং আমল কবুলযোগ্য হয়
স্থানঃ খানক্বাহ নূরীয়া আখতারিয়া আশরাফিয়া, পূর্ব মিতরা, মানিকগঞ্জ
সময়ঃ ১৬/০৪/২০ ঈসায়ী বুধবার বাদ মাগরিব
http://t.me/khanqaSN
যিনাকার-যিনাকারিনী
হযরত মুফতী মনসূরুল হক দা: বা: বলেন, আপনি পয়সা খরচ করে আপনার বিবিকে সাজিয়ে বাজারে পাঠিয়ে, বাজারের লোকদের বিনা পয়সায় তাদেরকে দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন। বাজারের লোকেরা আপনার বিবিকে দেখে মজা নিচ্ছে আর আপনি পয়সা খরচ করে টিভির মাধ্যমে অন্যজনের বিবিকে দেখে মজা নিচ্ছেন। আপনার বিবি যিনাকারিনী আর আপনি যিনাকার। একইসাথে চোখের, গায়ের, মুখের, হাতের ইত্যাদির যিনা হচ্ছে।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
আমাদের কিছু ভাই আট রাকাআত তারাবীহ (?) পড়েই মসজিদ থেকে দেন দৌড়৷ আমরা তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করব না৷
জোর-জবরদস্তি করার কোনো অধিকারও নেই৷ সওয়াবের ক্ষেত্রে নিজেদের বঞ্চনা ডেকে আনলে তো কারো কিছু করার নেই৷ তবে সওয়াব থেকে বঞ্চিত না হওয়ার লক্ষে হলেও আট রাকাত পড়েই তাদের চলে না যাওয়া বাঞ্ছনীয়৷ দেখুন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন:
مَنْ قَامَ مَعَ الإِمَامِ حَتَّى يَنْصَرِفَ كُتِبَ لَهُ قِيَامُ لَيْلَةٍ.
(رواه الترمذي:806 وصححه وأبو داود: 1375 والنسائي: 1605 وابن ماجه: 1327)
যদি কেউ ইমাম সাহেবের সাথে শেষ পর্যন্ত কিয়ামুল লাইল (তারাবীহ) আদায় করে, তবে সে সারারাত কিয়ামুল লাইলের সওয়াব লাভ করবে৷ (তিরমিযী, নাসাঈ, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)
এখানে আমরা দুইজন আরবের আলিমের মতামত দেখব-
শায়খ বিন বায রাহ,কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কেউ যদি ইমাম সাহেবের সাথে ২৩ রাকাত (তারাবীহ, বিতর) আদায় না করে এগারো রাকাত পড়ে চলে যায়, সেটা কী সুন্নাহ সম্মত হবে?
তিনি জবাবে বললেন: সুন্নাহ হচ্ছে, ২৩ রাকাত পড়ে ইমাম সাহেবের সাথে নামায পূর্ণ করা৷ কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: "যদি কেউ ইমাম সাহেবের সাথে শেষ পর্যন্ত কিয়ামুল লাইল আদায় করে, তবে সে সারারাত কিয়ামুল লাইলের সওয়াব লাভ করবে৷"
(মাজমূ'আ ফাতাওয়া বিন বায: ১১/৩২৫)
এ প্রসঙ্গে শায়খ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ বলেন: উপরে হাদীসে বর্ণিত সওয়াব ইমাম সাহেবের সাথে সম্পূর্ণ নামায শেষ হওয়া পর্যন্ত আদায় না করলে পাওয়া যাবে না৷ কেউ যদি রাকাত সংখ্যা হ্রাস করে চলে যায়, তাহলে উপরে বর্ণিত হাদীসের সওয়াব সে পাবে না৷
তাই আসুন, সুস্পষ্ট একটি হাদীসের উপর আমল ত্যাগ না করি৷ সওয়াবের ক্ষেত্রে বঞ্চনার শিকার না হই৷
মুফতী জিয়াউর রহমান দা: বা:
Whatsapp এ
''ইসলামী জীবন'' গ্রোপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/DFAet3iiqoX8wcQ3X7J7A1
🔈🔈অডিও মালফূয ৭৪🔈🔈🔈
ইউটিউব, টিভি বা ইন্টারনেট থেকে দ্বীন না শিখা। হক্কানী উলামায়ে কেরাম থেকে (তাদের সুহবতে গিয়ে) দ্বীন শিখা।
-আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা:
http://t.me/khanqaSN
মুহাম্মাদ মহিউদ্দীন সিদ্দিক,
সৌদিআরব প্রবাসী।
1444 নং উত্তর:
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য খুবই মূল্যবান নসিহত ও আমল।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৩১)
হাকীম মৌলভী আনসার উদ্দীন খান রহ. এর অবিস্মরণীয় উক্তি যা আজো আমাদেরকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে বাস্তবতার প্রতি ইঙ্গিত করে
আকালের (বাংলা ১৩৫০ সাল অর্থাৎ ইংরেজী ১৯৪৩ সালের মহাদুর্ভিক্ষ) সবচাইতে ভয়াবহ দিকটা ছিল হাতে টাকা নিয়েও অনেক সময় হাট বাজারে চাউল কিনতে পাওয়া যেত না। বৃটিশ সম্রাজ্যবাদীদের আত্মঘাতি নীতির ফলে ধান চাউল যা-ও দেশে ছিল সেগুলিও অনেকেই হাটে নিয়ে আসতে সাহস পেত না। চাউল না পেয়েও গ্রামের অনেক পরিবার বিপর্যস্ত হয়েছে।
মানুষ তখন বেপরোয়া হয়ে ছিচকে চুরি, ছিনতাই প্রভৃতি নানা অপরাধে জড়িত হতে শিখেছে। এক রাতের কথা! আম্মা তাহাজ্জুদ পড়তে উঠেছিলেন। অজু করার সময় লক্ষ্য করলেন, পাকঘরে যেন ফিস্ ফাস শব্দ শোনা যায়। আব্বাকে ডেকে তুললেন। সঙ্গে সঙ্গে আমিও উঠে পড়লাম। আব্বা জিজ্ঞেস করলেন, হাড়িতে কি কিছু আছে? আম্মা বললেন, আগামীকাল রোযা রাখব বলে ছোট্ট একটি হাড়িতে কিছু ভাত পাক করে রেখেছিলাম। সাথে কয়েকটি আলু সেদ্ধও! আব্বা তখন একটা বাতি ধরিয়ে পা টিপে টিপে পাকঘরের দরজার সামনে গেলেন। ভিতরে যারা ছিল, ওদের ডেকে বললেন, বাতি নাও এবং ভাত কয়টা নিয়ে যাও। হাড়ি-পাতিলে হাত দিও না।
চোর পেলেই পিটাতে হবে। সে ধারণার বশবর্তী হয়ে কচি হাতেই একটা লাঠি নিয়ে বারান্দায় আম্মার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলাম। এক সময় দেখলাম, ভাত ক'টি পরনের কাপড়ে লেপটে ধীর গতিতে বের হয়ে যাচ্ছে দুটি নারী মূর্তি! আব্বা কিছুই বললেন না। আম্মা ওদের ডেকে বললেন, এভাবে কেন এলে? কাল দিনে এসে খেয়ে যেও! আমি ব্যাপারটা মোটেও বুঝতে পারলাম না। দেখলাম, আব্বা ঘরে এসে অনেকক্ষণ বিছানার উপর বসে রইলেন। লক্ষ্য করলাম, আব্বা শিশুর মত ফুলে ফুলে কাঁদছেন।
আমার মনে হলো, বোধ হয় চোখের সামনে রাঁধা ভাতগুলি চুরি হয়ে গেল দেখে আব্বা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। বললাম, তখন আমাকে বলেননি কেন, আচ্ছা করে চোর দুটোকে পিটিয়ে দিতাম! আব্বা বললেন, বাবা! এরা তো চোর নয়। এদের যারা এমন গর্হিত কাজ করতে বাধ্য করেছে, ঐ জালেমগুলিকে পিটানোর জন্য তৈরি হও। ওদের এদেশ থেকে বের করতে না পারলে একদিন তোমরাও জান বাঁচাবার গরজে এ ধরনের গর্হিত কাজ করতে বাধ্য হবে।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কাঁদলেন কেন?
বললেন, সেটা তুমি বুঝবে না। আমরা শেষ নবীর উম্মত। দুনিয়ার সকল জাতির উপরে থাকার কথা আমাদের। কিন্তু আজ আমাদের না জানি কত বড় পাপের কারণে এ জাতের বৌ-ঝিরা পর্যন্ত ছিচকে চুরির মতো জঘন্য কাজে নামতে বাধ্য হয়েছে!
বর্তমান এন.জি.ও কবলিত মুসলিম নারীদের বেহায়া -বেলেল্লা কর্মকাণ্ড দেখার আগেই আমার আব্বা দুনিয়া থেকে চলে গেছেন। অনুমান করি, এ দৃশ্য সে সময়কার আমাদের পিতৃপুরুষেরা দেখলে হয়তো অনুশোচনায় কাঁদতেও ভুলে যেতেন! কারণ, আমাদের সমাজের যেসব মেয়ে বিদেশী-বিজাতীয় এন.জি.ওদের কবলে গিয়ে পতিত হয়েছে, এদের অজুহাতটাও তো পেটের সমস্যার সমাধানই!!
-জীবনের খেলাঘরে (মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ. এর আত্মজীবনী)
পৃষ্ঠাঃ ৫৫-৫৬
প্রকাশকঃ মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ.
প্রকাশনায়ঃ মদীনা পাবলিকেশন্স
প্রথম প্রকাশঃ সেপ্টেম্বর ২০০১ ঈসায়ী
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
১৭/০৪/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
মুহাম্মাদ আল আমিন,
শরিয়তপুর।
1432 নং উত্তর:
করনা ভাইরাস সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
মুমিনের বিশ্বাস কিরূপ হওয়া চাই-
"যতক্ষণ পর্যন্ত করোনার ভ্যাকসিন বা ওষুধ আবিষ্কার না হবে ততোদিন করোনা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না"-কোন মুমিনের বিশ্বাস এরূপ হতে পারে না।
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
১৭/০৪/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
আমরা দ্বীনি কথা শুনতে আসছি কেউ ছবি তুলবো না,ভিডিও করবো না। ছবি তোলা ভিডিও করা এগুলো গুনাহের কাজ, সুন্নতের খেলাফ। মন চাইলে অডিও রেকর্ড করতে পারেন।
http://t.me/videoharam
ওলামায়ে কেরামের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান
-হযরত মাওলানা উবাইদুর রহমান খান নদভী দা: বা:
স্থানঃ বেউথা, সদর মানিকগঞ্জ
সময়ঃ ২৩/০২/২০ ঈসায়ী রবিবার বাদ জোহর
http://t.me/pathofisla
যাহিদ হাসান - ময়মনসিংহ
৫০৫৫. প্রশ্ন
শরীয়ত মোতাবেক হালালভাবে মুরগি জবাইয়ের কিছু বিষয় জানার আবেদন করছি। বিষয়গুলো হল-
১. ইসলামী শরীয়তে মুরগি জবাই সহীহ হওয়ার শর্তগুলো কী কী?
২. মুরগি জবাইয়ের সুন্নত ও উত্তম পদ্ধতি কী?
৩. আড়াই পোঁচে মুরগি (বা অন্য হালাল প্রাণী) জবাই করা কি শর্ত?
৪. একা একা মুরগি জবাই করা যাবে কি?
৫. মুরগির রানের গোস্তের ভেতর কোনো হারাম (রগ বা অন্য কিছু) অংশ আছে কি? থাকলে অংশটা বা রগটা চিনব কী করে?
৬. stunner সিস্টেম ব্যবহার করে মুরগি অচেতন করে জবাই করা যাবে কি? stunner সিস্টেম হল, ৪০ঠ অঈ কারেন্ট একটি পানির পাত্রে দেওয়া হয়। এরপর ঝুলন্ত মুরগির মাথা ঐ পানির ভেতর ১০ সেকেন্ড পরিমাণ থাকে। এতে করে মুরগি অচেতন হয়ে যায়। কিন্তু মারা যায় না। এরপর মুসলমান ব্যক্তি জবাই করে। stunner ব্যবহার করার কারণে তাদের
কথা অনুযায়ী মুরগি জবাইয়ের কাজে মানবীয় দিক লক্ষ রাখা যায়। এতে করে রক্ত ভালভাবে প্রবাহিত হয়। সহজে মুরগি জবাই করা যায়। পশুর কল্যাণের প্রতি লক্ষ রাখা যায়।
বি. দ্র. জ্ঞানহারা হওয়ার দুই মিনিট ৩০ সেকেন্ড পর মুরগি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
অতএব বিনীত আবেদন এই যে, উক্ত বিষয়গুলোর সমাধান ইসলামী শরীয়া মোতাবেক দলীলসহকারে দেওয়ার জন্য আপনার সুমর্জি কমনা করছি।
উত্তর
মুরগী বা অন্যান্য পশু-পাখির জবাই সহীহ হওয়ার জন্য শর্ত হচ্ছে, জবাইকারী মুসলমান কিংবা আহলে কিতাব তথা কোনো আসমানী কিতাবের অনুসারী এবং সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন বুঝমান ব্যক্তি হওয়া। জবাইয়ের শুরুতে আল্লাহ তাআলার নাম উচ্চারণ করা এবং কোনো ধারালো বস্তু দ¦ারা গলার দিক থেকে জবাই করা এবং শ্বাসনালি , খাদ্যনালি ও দুইি শাহরগের অন্তত একটি কেটে রক্ত প্রবাহিত করত জবাই সম্পন্ন করা। এসব শর্তের কোনোটি না পাওয়া গেলে জবাই সহীহ হবে না এবং সে প্রাণী খাওয়াও জায়েয হবে না। অবশ্য উপরোক্ত শর্ত পাওয়া যায়, এমন কেউ যদি জবাইয়ের সময় আল্লাহ্র নাম উচ্চারণ করতে ভুলে যায় তাহলে জবাই সহীহ হবে। তবে কেউ যদি ইচ্ছাকৃত আল্লাহ্র নাম ছেড়ে দেয় তাহলে উক্ত জবাই সহীহ হবে না। (সূরা মায়েদা (৫) : ৩-৫; সূরা আনআম (৬) : ১২১; সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৫০৩; সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস ৫৮৮৮; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, বর্ণনা ৮৫৭৮, ৮৫৪১ ও ৮৫৫৬; তাফসীরে তাবারী ৪/৪৪০; আহকামুল কুরআন, জাসসাস ৩/৭)
আর জবাইয়ের জন্য একাধিক ব্যক্তি হওয়া জরুরি নয়, একজনও জবাই করতে পারবে। এমনিভাবে আড়াই পোঁচে জবাই করাও জরুরি নয়। এটি একটি ভুল প্রচলন।
পুরোটা পড়তে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/3229/
http://t.me/pathofisla
করোনাভাইরাস : ছুটিতে বাড়িতে অবস্থানকারী তালেবে ইলমদের তরবিয়তের ব্যাপারে অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা-১
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য)
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
t.me/islamijibon
alokitojibon.ga
key word for search : তরবিয়ত
পোষ্ট নং ১১৫২ (অভিভাবক)
ইউটিউবের বয়ান শুনবেন না। এটার দ্বারা কোনো ফায়দা নাই, থাকলেও খুব কম।
টেলিগ্রাম চ্যানেল একটা অ্যাপ। এটার মাধ্যমে বয়ান শুনবেন। টেলিগ্রামে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু হক্কানী আলেমদের অডিও বয়ান পাওয়া যায় সেগুলো শুনবেন। এর দ্বারা ফায়দা হবে।
http://t.me/videoharam
মসজিদের আদব ও অন্যায় কাজে বাঁধা প্রদান করা সম্পর্কে কিছু কথা
আমি দীর্ঘদিন একটি মসজিদে নামায পড়তাম। সেই মসজিদে কিছুলোক নিয়মত আড্ডা দিতো। তারা সেখানে নামাযের আগে ও পরে শুয়ে-বসে নানা গল্প-গুজব করতো।
তাদের মাঝখানে এক ব্যক্তি ছিলো এমন যে মসজিদে প্রায়ই সশব্দে বায়ু ত্যাগ করতো। এসব দেখে দিলে অত্যন্ত কষ্ট লাগতো। প্রায়ই তাকে এধরণের কাজ থেকে বিরত থাকার কথা বলবো বলে ভাবতাম। কিন্তু তার তুলনায় আমি বয়সে অনেক ছোট থাকার কারণে অনেক কিছু চিন্তা করে আর বলতাম না। অন্যদিকে বয়সে বড় অনেক লোক তার এই জাতীয় কর্মকান্ড দেখেও কিছুই বলতো না যা আমার মনের ব্যাথাকে আরো বাড়িয়ে দিতো।
বারবার তাকে এইকাজ করতে দেখে একসময় আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে, যাই হোক যেভাবেই হোক আমি অবশ্যই বলবো। তো আমি সাহস সঞ্চয় করে তার কাছে গেলাম। তখন সে তার হাত মাথার নিচে দিয়ে মসজিদের ফ্লোরে অর্ধশোয়া ছিলো।
আমি তখন তাকে গিয়ে সরাসরি বললাম, আপনি যে মসজিদে এভাবে সশব্দে বায়ু ছাড়েন এটাতো ঠিক না। একথা বলার সাথে সাথে দেখলাম তার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে! তার চেহারা দেখে মনে হচ্ছিল যে, সে কখনো ভাবেনি যে, আমার মতো ছোট মানুষের সামনে তাকে এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। সে তখন আমড়াতে আমড়াতে বলল, আমি আসলে এই বিষয়টি জানতাম না। এইজাতীয় আরো কিছু বলে শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চাইছিলো।
আসলে সে আগে থেকেই জানতো যে, এটি গর্হিত কাজ। কিন্তু কেউ কিছু না বলাতে সে অনেকটা দুঃসাহসী হয়ে উঠেছিলো।
আসলে মানুষ যখন অন্যায় কাজ দেখেও না দেখার ভান করে থাকে তখন তাদের কি পরিণাম হয় সেই সম্পর্কে হযরতওয়ালা হারদুঈ রহ. বলেন, আফসোস! আজ আমরা অন্যায় দেখে চুপ থাকাটাকে বন্ধুত্বের হক মনে করি আর ভয় পাই যে, আমি কিছু বললে ঐ ব্যক্তি নারাজ হয়ে যাবে বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাবে।
এই অন্যায়ের শাস্তি এটা হয় যে, তাদের অন্তর হতে পরস্পরের ভক্তি ও শ্রদ্ধা উঠে যায় এবং প্রত্যেকে অন্যের গায়েবানা সমালোচনা ও গীবত করে। আসলে এটা অন্যায় কর্মের উচিত শাস্তি। কেননা যে ব্যক্তি আল্লাহ্ তা'আলা কর্তৃক আদিষ্ট বা নিষিদ্ধ বিষয়ে নীরব থাকল; কেমন যেন সে মহান আল্লাহ্র বড়ত্বের হক আদায় করল না। অতঃপর এই ভক্তি-শ্রদ্ধা অন্তর থেকে কেন উঠবে না?
মাজালিসে আবরার
মালফূয ১৫৭ (আংশিক)
পৃষ্ঠা ১৫১
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
১১/০৪/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
হুশ ফিরে আসার সময় কি এখনো আসেনি!!!
বারবার বিভিন্ন মিডিয়াতে বর্তমানে শোনা যাচ্ছে যে, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে আমরা জয়ী হবো। আমরা একে পরাজিত করবো ইত্যাদি কথা। নাঊযুবিল্লাহ।
এই মহামারী যে আল্লাহ্ তা'আলার অসীম ক্রোধের অতিসামান্য বহিঃপ্রকাশ তা কারো বুঝতে বাকী থাকার কথা না। এই ভাইরাস আল্লাহ্ তা'আলার পক্ষ থেকে পাঠানো সৈনিক যার মোকাবেলা করার ক্ষমতা কারো নেই। সারা দুনিয়ার পরাশক্তি আজ নিস্তব্ধ হয়ে গেছে। কেউ এর সামনে টিকতে পারছেনা। এমতাবস্থায় এরূপ ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলা কেমন যেন ঐরূপ যেমন নিভু নিভু আগুনে তোষ দেওয়া! আর জানা কথা নিভু নিভু আগুনের ভেতর তোষ দিলে আগুনের তেজ বহুগুণ বেড়ে যায়!
আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের সকলকে হুশ দান করেন।
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
১১/০৪/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
শাবান-রমযান-১৪৪১ || এপ্রিল- মে ২০২০
মাসিক আল কাউসার
প্রসঙ্গ : করোনা ভাইরাস
বর্তমান পরিস্থিতিতে জুমা ও জামাতে উপস্থিতির ব্যাপারে উলামায়ে কেরামের আহ্বান : কিছু জরুরি কথা
মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক
* সাক্ষাৎকার *
* আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
* গত ২৫ মার্চ ২০২০ ঈ. বুধবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ওয়েব সাইটে ‘করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করার প্রেক্ষাপটে ইসলামের বিধি-বিধান অনুসরণের বিষয়ে দেশের বিশিষ্ট আলেমগণের আহ্বান’ শিরোনামে একটি লেখা পেয়েছি। হযরত মাওলানা আবদুল কুদ্দুস ছাহেব হুযুরসহ একাধিক আলেমের স্বাক্ষর সম্বলিত এ লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে- নির্ভরযোগ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও গবেষকগণের মতে, বাংলাদেশে বর্তমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে সর্বপ্রকার জমায়েত বন্ধের পাশাপাশি মসজিদসমূহে জুমআ ও জামাআতে সম্মানিত মুসল্লিগণের উপস্থিতি সীমিত পরিসরে রাখার জন্য দেশের বিজ্ঞ আলেমগণ সুপারিশ করেছেন। মসজিদ বন্ধ থাকবে না তবে সুরক্ষা পদ্ধতি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিগণ মসজিদে গমন করবেন না।
এ ব্যাপারে বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেকেই যোগাযোগ করছেন। কেউ বলছেন, এই আহ্বানের অর্থ সুস্পষ্ট নয়, এর সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা আসা প্রয়োজন। কোনো কোনো ইমাম-খতীব ছাহেবান এই আহ্বানের শরঈ সূত্র এবং ফতোয়ার কিতাবসমূহ থেকে এর উদ্ধৃতিও তলব করছেন। এ প্রেক্ষিতে কিছু প্রশ্ন করার প্রয়োজন অনুভব করছি।
অবশ্যই করুন। মাওলায়ে কারীম তাওফীক দিলে কিছু আরজ করা যাবে- ইনশাআল্লাহ।
* প্রথম প্রশ্ন তো এটাই যে, মুসল্লীগণের উপস্থিতি সীমিত রাখা বলতে কী বোঝায়?
** এর উদ্দেশ্য হল, এ ধরনের পরিস্থিতিতে যার জন্য মসজিদে আসা উচিত নয় তিনি আসবেন না। তেমনিভাবে যার জন্য না আসার অবকাশ রয়েছে তিনিও আসবেন না।
পুরো লেখাটি পড়তে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুনঃ
https://www.alkawsar.com/bn/article/2561/
http://t.me/pathofisla
করোনাভাইরাস : উলামাদের মধ্যে মতপার্থক্য (জুম'আর দিনে জুম'আ পড়ব নাকি যোহর পড়ব?) দেখলে করনীয় সম্পর্কে-২
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য)
https://t.me/alokitojibon/1412
https://t.me/alokitojibon/1413
key word for search : আদব
পোষ্ট নং ১১৪১ (ইখতিলাফ)
করোনাভাইরাস : উলামাদের মধ্যে মতপার্থক্য (জুম'আর দিনে জুম'আ পড়ব নাকি যোহর পড়ব?) দেখলে করনীয় সম্পর্কে-১
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য)
https://t.me/alokitojibon/1412
key word for search : আদব
পোষ্ট নং ১১৪০ (ইখতিলাফ)
নিজেকে আল্লাহ্র হাতে সঁপে দিবে (শবে কদরে রাত্র জাগরণ করার সহজ উপায়)
হযরত থানভী রহঃ বলেন, শবে কদরে ঘুম না আসার ব্যবস্থা হলো, বিভিন্ন প্রকারের আমল শুরু করে দিবে, যাতে মনোযোগ বিক্ষিপ্ত থাকে। কিছু সময় নফল নামায পড়লো, এরপর কুরআন তিলাওয়াত করলো, তারপর যিকির করতে আরম্ভ করলো, তারপর ওয়ায করতে বা শুনতে আরম্ভ করলো। প্রফুল্লতা ফিরিয়ে আনার জন্যে যদি এর মাঝে মাঝে কিছু কথাও বলে তবুও কোনো সমস্যা নেই। যেমন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আয়েশা রাঃ এর সাথে কথা বলতেন। কথা বলা উদ্দেশ্য ছিলো না, মনে প্রফুল্লতা সৃষ্টির জন্যে তিনি এমনটি করতেন। মনকে প্রফুল্ল রেখে রাত জাগবে।
আর যদি এমন ক্লান্তি চলে আসে যে, ঘুম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তাহলে ঘুমিয়ে নিবে। কারণ, হাদীস শরীফে এসেছে যে, فَلیَرقُد 'তাহলে যেন সে শুয়ে পড়ে।' এমতাবস্থায় শোয়ার মধ্যেই ফযীলত রয়েছে। সর্বাবস্থায় 'আবদিয়াত' উদ্দেশ্য। তা ঘুমানোর মধ্যে হোক, বা জাগার মধ্যে হোক। নিজেকে আল্লাহ্র হাতে সঁপে দিবে। যেমন হুকুম হবে তেমন করবে। নফসের অনুগমনে কিছুই করবে না। এটাই আবদিয়াত।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৫৫১
পৃষ্ঠা ২৪৪
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
২৭/০৫/১৯ ঈ.
Repost: ০৯/০৪/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
