uz
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Kanalga Telegram’da o‘tish

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Ko'proq ko'rsatish
801
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
Ma'lumot yo'q7 kunlar
-130 kunlar
Postlar arxiv
মুহাম্মাদ তানভিরুল ইসলাম, ঢাকা। 1382 উত্তর: লাশ দাফন সংক্রান্ত। (কখন একজন মৃত মহিলাকে পুরুষরা গোসল দিতে পারবে) লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

মুহাম্মাদ শফিকুল ইসলাম, জামালপুর। 1392 নং উত্তর: শবে বরাতের রোজা সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

মুহাম্মাদ আরিফুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ। 1391 নং উত্তর: ফরজে কেফায়া সংক্রান্ত। (কখন একজন মূর্দাকে জানাযা দেওয়া ছাড়াই দাফন দেয়া যায়) লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

বর্তমানে এই নাজুক পরিস্থিতিতে করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে খুছুছি মজলিসের সংক্ষিপ্ত বয়ান- ০২ -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা: স্থানঃ খানক্বাহ নূরীয়া আখতারিয়া আশরাফিয়া, পূর্ব মিতরা, মানিকগঞ্জ সময়ঃ ০৭/০৪/২০ ঈসায়ী মঙ্গলবার বাদ আসর http://t.me/khanqaSN

7.4.2020 কাতার থেকে কণ্ঠ দিয়ে পাঠানো তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা *হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম* এর লেখা কবিতা: 'তোমার দুয়ার ছাড়া' হাফেয রাকীবুল হাসানের কণ্ঠে ইয়া ইলাহি মাফ করে দাও মোদের সব গুণাহ ভীষণ আমরা অপরাধী ওগো মহান আল্লাহ্‌ http://t.me/KhanqahBDKobita http://t.me/pathofisla

খতীবুল ইসলাম আরেফ বিল্লাহ মুফতি জাফর আহমাদ সাহেব দা.বা.-এর গুরুত্বপূর্ণ নছীহত।

আফসোস করবে কে??? বড় আফসোসের সাথে বলতে হয় যে, কয়েকজন পর পুরুষ ও কয়েকজন পর মহিলা একসাথে গল্প-গুজব করলে খুব কম মানুষই একে অন্যায় মনে করে বরং একে সামাজিকতা মনে করে কিন্তু একজন যুবক-যুবতী একসাথে থাকলে বা বসলে প্রায় সবাই একে অন্যায় মনে করে বাঁধা দেয়। তাহলে কি আগেরটা কম অন্যায় বা অন্যায় না আর পরেরটা খুব বড় অন্যায়? নাকি বিবাহের পরে এরূপ করতে দোষ নেই আর বিবাহের আগে এরূপ করতে মানা??? Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ০৭/০৪/২০ ঈ. http://t.me/pathofisla

30.3.2020 কাতার থেকে কণ্ঠ দিয়ে পাঠানো তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা *হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম* এর লেখা কবিতা: 'আর নেই কোনো দরবার' হাফেয রাকীবুল হাসানের কণ্ঠে করোনা ভাইরাসের ভয়ে বিশ্ব কম্পমান করুণা ও ক্ষমা ভিক্ষা চাহি দয়াবান মহামারীর ভয়ে কাতর স্বয়ং চিকিৎসক কসম তোমার দয়াবিহীন নেই কোনো রক্ষক...... t.me/KhanqahBDKobita http://t.me/pathofisla

ইংরেজ অপশাসনের কুফল কিন্তু আমার সরলপ্রাণ আব্বা যখন তাঁর একমাত্র পুত্রকে এসব কথা বোঝাতেন, তখন এ বিষয়টা বোধহয় বিবেচনা করতেন না যে, ইংরেজ চলে গেছে সত্য, কিন্তু ইংরেজের কুশিক্ষায়, পরিচর্যায় ও বিশেষ পরিকল্পনায় ওদের যে বশংবদ শ্রেণীটি সৃষ্টি হয়েছে, এরাই শয়তানের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যথেষ্ট। শুধু কি তাই? অর্ধশতাব্দীকাল অতিক্রান্ত হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, ইংরেজরা এক'শ নব্বই বছরের অপশাসনে ইসলামী বোধ-বিশ্বাস এবং কৃষ্টি-সভ্যতার যে ক্ষতি করতে পারেনি, ইংরেজের মানস সন্তানেরা তার চাইতে অনেক বেশী সর্বনাশ করে ফেলেছে। উস্তাদ মাওলানা নূর মুহাম্মাদ আজমীর রহ. মুখে শুনেছিলাম- ইংরেজরা যে পর্যন্ত নিশ্চিন্ত না হয়েছে যে, ওদের অনুপস্থিতিতে (ওদের) অনুচরেরা দক্ষতার সাথে ইসলাম ও মুসলমানদের অনেক বেশী সর্বনাশ করতে সক্ষম হবে, ততদিন এদেশ ছাড়েনি। সুতরাং লড়াই হবে এখন ঘরে ঘরে। ভাইয়ে-ভাইয়ে। এমন কি পিতা-পুত্রে। এক দিকে দ্বীনদার অন্যদিকে দ্বীন থেকে ছিটকে যাওয়া ফাসেক-ফাজের শ্রেণী। একদিকে কুরআন-হাদীসে শিক্ষিত আর একদিকে বস্তুবাদী স্থূল শিক্ষার অভিশাপে বিবেকহারা মানুষ। পৃথিবীব্যাপীই ইংরেজ শয়তানেরা যে অঞ্চল দিয়ে গেছে, সে দিকটাই একেবারে দুর্গন্ধযুক্ত করে ছেড়েছে। ইংরেজ বা পাশ্চাত্যের অন্যান্য খৃষ্টান সম্রাজ্যবাদীদের অপবিত্র পা যেসব ভূখন্ডে পড়ে নাই, সে এলাকাগুলি এতটা কলুষিত হয়নি। এহেন পরিস্থিতিতে জীবনের উন্মেষকালেই জীবন সাধনার যে গ্যারাকলে আটকে গিয়েছিলাম, অর্ধশতাব্দীকালের অবিরাম সাধনার পরও তা থেকে বের হয়ে আসার পথ খুঁজে পাচ্ছি না। ইংরেজ-ফিরিঙ্গিরা এদেশে এসেছিল ক্রুসেড যুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে। প্রায় দু'শ বছরকাল তারা সে প্রতিশোধ প্রাণভরেই নিয়েছে। তারপরও এমন একটা পাকাপোক্ত ব্যবস্থা করে গেছে যে, নিজের ঘরেই আমাদিগকে সে প্রতিহিংসার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। খৃষ্টানী চিন্তা চেতনার রক্ষক এখন আর ক্রুসেড যোদ্ধারা নয়; মুসলমানদের ঘরে জন্মগ্রহণকারী উচ্ছিষ্টভোগী বরকন্দাজেরাই সে অপকর্মটা বেশ দক্ষতার সাথে করছে। প্রখ্যাত উর্দূ কবি আকবর এলাহাবাদীর ভাষায়ঃ "ইস ঘর কো আগ লাগী হ্যায় ঘর কি চেরাগ ছে" অর্থাৎ অন্ধকার দূর করার উদ্দেশ্যে প্রজ্বলিত বাতির আগুনেই এখন আমাদের বাস্তুভিটা জ্বলছে! জীবনের খেলাঘরে পৃষ্ঠাঃ ১৪০ -মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ. প্রকাশনায়ঃ মদীনা পাবলিকেশন্স প্রথম প্রকাশঃ সেপ্টেম্বর ২০০১ ঈসায়ী Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ০৬/০৪/২০ ঈ. http://t.me/pathofisla

যদি হক্কানী আলেমদের থেকে দূরে সরে যান তাহলে বিপদে পড়ে যাবেন। দ্বীন শিখতে ইন্টারনেট-ইউটিউবমূখী হবেন না, এটা ফেতনার আখড়া। কেয়ামতের আগে হইতো এই ইন্টারনেটই হয়ে যাবে দাজ্জালের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। ইহুদীরা হাজার হাজার আলেম তৈরি করে ছেড়ে দিয়েছে, তারা নেটের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। যারা হক্কানী ওলামায়ে কেরাম, যারা শুধুই আল্লাহর জন্য বিভিন্ন মজলিসে, মাঠে- ময়দানে দ্বীনি কথা বলেন তাদের বয়ান শুনবেন। হোক তাদের কোন ভিডিও বয়ান নাই। এই আল্লাহওয়ালাদের বয়ান শুনবেন। কোনো ধর্মীয় দালাল, যারা ইসলামকে তাদের আয়ের উৎস বানিয়েছে, যারা ধর্মব্যবসায়ী,ধর্মীয় সন্ত্রাস তাদের মুখোশ উন্মোচিত হওয়া উচিত। সারাদিন তাদের বয়ান শুনলেও আপনার নামাজী হতে মনে চাইবে না। আর যারা আল্লাহওয়ালা তাদের দুই ঘন্টা বয়ান শুনতে হবে না, বরং তার দিকে তাঁকালেই আপনার মধ্যে কম্পন সৃষ্টি হবে। তার প্রত্যেকটা শব্দের দ্বারা আপনার মধ্যে কম্পন সৃষ্টি হবে। এই আল্লাহওয়ালাদের সোহবতে অল্প সময় বসলেও আপনার গুনাহ ছাড়তে মন চাইবে।

শিয়াল-কুত্তাও তো মানুষ রাস্তা থেকে সরায়; মানুষকে রাস্তা থেকে সরাচ্ছে না এরকম অবস্থা সৃষ্টি হইতেছে।আল্লাহ্‌ না করেন আমাদের কারো মৃত্যু হলে আমাদের সাথে কি আচরণ করবে! তাইতো করবে! আমরা যদি সহীহ কথা পৌছাতে না পারি আল্লাহর বান্দাদের কাছে তাহলে আমাদের মৃত্যু হলেও এই আচরণই করবে! তো আমরা এই কথাগুলো পৌছাতে না পারলে খোদ নিজেরা ভোগান্তির মধ্যে পড়বো। এইজন্য (এই কথাগুলো) খুব প্রচার করি। আল্লাহ্‌ পাক তাওফীক দেন। সেই সাথে আরেকটা কাজ করার চেষ্টা করি। যেসকল নিম্ন আয়ের লোক সমাজে আছে, বাইরে গিয়ে আয় ইনকাম করতে পারছে না সরকারী কানুনের কারণে, তাদেরকে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করার চেষ্টা করি। বিশেষকরে এমন উলামায়ে কেরামকে সাহায্য করার চেষ্টা করি যারা মুখ ফুঁটে তাঁদের অভাবের কথা কাউকে বলেন না। আল্লাহ্‌ পাক আমাদেরকে তাওফীক দান করেন। -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা: স্থানঃ খানক্বাহ নূরীয়া আখতারিয়া আশরাফিয়া, পূর্ব মিতরা, মানিকগঞ্জ সময়ঃ ৩১/০৩/২০ ঈসায়ী মঙ্গলবার বাদ মাগরিব http://t.me/khanqaSN

ইমু এপের অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজ এবং ভিডিও থেকে বাঁচার উপায়- - মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম (মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য খাদেম) t.me/alokitojibon t.me/dinimazlis t.me/islamijibon alokitojibon.ga key word for search : ভিডিও পোষ্ট নং ১১১৮ (imo)

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৩০) কারো কাছে হাত না পেতে আমাদের আকাবিরদের ক্ষুধার কষ্ট সহ্য করা এবং আমাদের মায়েদের দিল উজার করা খেদমতের এক টুকরো শিক্ষণীয় ঘটনা উস্তাদগণের অনেকেই অভুক্ত অবস্থায় আসতেন তা তাঁদের চেহারা দেখে বুঝা যেতো না। মৌসুমী চাঁদা বন্ধ। কোন ঐচ্ছিক দান পাওয়ার পথ খোলা ছিলো না। তারপরও মাওলানা শামসুল হুদা সাহেব প্রতি সপ্তাহে শিক্ষকদের কিছু কিছু দিতে চেষ্টা করতেন। জোহরের নামায পড়তে গিয়ে আমাদের একজন উস্তাদ মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন। সবার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলো। তাঁর বাড়ী ছিলো মাদরাসা থেকে চার-পাঁচ মাইল দূরে। আগে জায়গীরে থাকতেন। এখন জায়গীর নাই। বাড়ী থেকেই তিনি হেঁটে আসতেন। সম্ভবতঃ অভুক্ত অবস্থায় এতদূরের পথ হেঁটে আসার পর তিনি আর শরীরের তাল সামলাতে পারছিলেন না। বৃহস্পতিবার আগের মতো হুজ্জাতুল ইসলাম সমিতির সাপ্তাহিক আলোচনা সভাও বসতো না। মাওলানা শামসুল হুদা সাহেব তখন কলিকাতায়। পাঁচবাগের পরিবেশ অনেকটাই প্রাণহীন। শুধু ইউনিয়ন বোর্ড অফিসের সামনে ভুখা-নাঙ্গা মানুষের ভীড়। আমার সেই উস্তাদের বাড়ী ফেরার পথ ছিল আমাদের বাড়ীর কাছ দিয়েই। ধীর পদক্ষেপে তিনি হাঁটছিলেন। পা যেন চলছিল না। আমরা দুই-তিনজন তাঁর পিছু পিছু। এমনিতে তিনি খুব প্রাণবন্ত ছুফী ধরণের লোক ছিলেন। মজার মজার কথা বলে আমাদিগকে খুব হাসাতেন। সেসব কথার মধ্যেও থাকতো শিক্ষার উপকরণ। কিন্তু এদিন চুপচাপ। মুখ থেকে তাঁর কোন কথাই বের হচ্ছিল না। আমাদের একজন মিন মিন করে জানতে চাইল, হুজুরের শরীর ভালো কি না? ঠিক তেমনি মৃদুকন্ঠে জবাব দিলেন, বড্ড মাথাব্যাথা করছে। আমার মনে হচ্ছিল, ক্ষুধার তাড়নায় তাঁর জীবন এখন ওষ্ঠাগত। আমাদের বাড়ীর কাছাকাছি আসার পর যেখান থেকে আমাদের পথ পৃথক হয়ে যাওয়ার কথা, ঠিক সেখানে এসে আমি হুজুরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। বললাম, আমাদের বাড়ীতে ওষুধ আছে। আপনাকে সে ওষুধ নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু হুজুর নানা কথায় আমাকে বুঝাতে চেষ্টা করছিলেন যে, এখন তাঁর হাতে মোটেও সময় নাই। কিন্তু আমি নাছোড়বান্দা। শেষ পর্যন্ত আমি তাঁর পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলাম। আমার যেন মনে হচ্ছিল, আজকের রাতটা এভাবে অতিক্রান্ত হলে আমার এই প্রিয় উস্তাদ নির্ঘাত মরে যাবেন। অভুক্ত মানুষকে মরে পড়ে থাকতে দেখেছি। প্রতিদিনই দেখছিলাম গ্রামে গ্রামে মরার মিছিল। কেন জানি আমার মনে হচ্ছিল, এই মরার মিছিলে আমাদের এই প্রিয় শিক্ষকও শরীক হতে যাচ্ছেন খুব শীঘ্রই! কিন্তু এ কথাটা আমি তাঁকে বলতে পারছিলাম না। আমার এই নির্বাক অবরোধ ভেদ করে তিনি আর অগ্রসর হতে পারলেন না। তাঁর চোখেও তখন পানির ধারা। এই নির্বাক অবস্থায়ই বাড়ীতে পৌঁছে ছুটে ভিতরে চলে গেলাম। আম্মা তখন দুপুরের খাবার নিয়ে আমার জন্য অপেক্ষমাণ। আম্মাকে বিষয়টা বুঝিয়ে বলার সাথে সাথে তিনি প্রথমে বদনা ভরে পানি দিলেন, তারপর ঝটপট যৎসামান্য যা ছিল তাই ঠিকঠাক করে বাইরে পাঠিয়ে দিলেন। হুজুর সামনে খাবার দেখে কেমন যেন একটু থতমত খেয়ে গেলেন। কিছুতেই যেন তাঁর হাত খাবারের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল না। বেশী পীড়াপীড়ি করার পর বললেন, তুমি খাবে না? আমি বললাম, না আম্মার সাথে খেতে হবে। হুজুর খেলেন। খুব তৃপ্তির সাথেই খেলেন। তাঁর খাওয়ার পর আমাদের জন্য আর অবশিষ্ট কিছু ছিল না। ঘরে পোড়া দেয়া দু'টি মিষ্টি আলু ছিল। সে দু'টি খেয়েই আম্মা আর আমি ক্ষুধা দূর করলাম। বিদায় বেলায় হুজুরের হাতে দেয়ার জন্য আম্না আড়াই-তিন সের পরিমাণ চালের একটা পুটলি দিয়ে দিলেন। আমার স্নেহময় শিক্ষক সেই পুটলিটা হাতে নিয়ে নীরবে বের হয়ে গেলেন। লজ্জায় যেন তাঁর মুখ দিয়ে কথা সরছিল না। হুজুর চলে যাওয়ার পর আম্মা আমার চোখে-মুখে চুমু খেতে লাগলেন। বললেন- বাবা! আজকে তুমি যে বুদ্ধিমানের কাজটা করলে, এর তুলনা হয় না। আমি যে কি খুশী হয়েছি, তা তোমাকে বুঝাতে পারবো না! আহা! তোমাদের এই উস্তাদরা এক একজন এই যুগের সেরা মানুষ! সবাই আল্লাহর ওলী। অভাব-অনটন তো আর চিরকাল থাকবে না; তবে এঁদের কেউ যদি এই আকালে (বাংলা ১৩৫০ সালের মহাদুর্ভিক্ষ) কিছু একটা হয়ে যান তবে এ জাতির ইতিহাস চিরকালের জন্য কলঙ্কিত হয়ে থাকবে। যদি শরীরের গোশতও কেটে দিতে হয়, তবে তা দিয়েও উস্তাদের খেদমত করতে হবে। কথাগুলো যখন বলছিলেন, তখন আবেগে-আনন্দে আম্মার চোখ দিয়েও পানি পড়ছিল! মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ. এর আত্নজীবনী "জীবনের খেলাঘরে" পৃষ্ঠা ৬০-৬২ প্রকাশকঃ মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ. প্রকাশনায়ঃ মদীনা পাবলিকেশন্স প্রথম প্রকাশঃ সেপ্টেম্বর ২০০১ ঈসায়ী Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ০২/০৪/২০২০ ঈ. http://t.me/pathofisla

ছবি তোলা ভিডিও করা নফসানী খাহেশাত কি না তা বুঝার উপায় সম্পর্কে- - মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম (মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য খাদেম) t.me/alokitojibon t.me/videoharam key word for search : ছবি পোষ্ট নং ১১১২

মুহাম্মাদ আমিরুল ইসলাম, ঢাকা। 1331 নং উত্তর: মাস্ক ব্যাবহার করে নামাজ পড়া সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

মুহাম্মাদ মাহমুদুল হাসান, গাইবান্ধা। 1333 নং উত্তর: মসজিদের পানি ব্যাবহার করা সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

আব্দুল্লাহ, শেরপুর। 1332 নং উত্তর: ছবি সংক্রান্ত। (ছবিওয়ালা পণ্য দোকানে রাখা ও বিক্রি করার বিধান) লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

মুহাম্মাদ জাকির হোসাইন, ঢালকা নগর ঢাকা। 1349 উত্তর: ছবি সংক্রান্ত। (ফেসবুক, ইমু হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি আইডিতে ছবি দেওয়া সংক্রান্ত) লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ২৯) রূমীয়ে যামানা কুতবে আলম আরেফবিল্লাহ শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার রহ. এর ঐতিহাসিক শিক্ষণীয় ঘটনা- হযরত রহ. এর দ্বীনি অবিচলতা অনেককেই দেখা যায়, পৃথিবীর নানা রকম পরিবেশে প্রভাবিত হয়ে অনেক সময় দ্বীনের চাহিদা লংঘন করে ফেলে; কিন্তু আল্লাহওয়ালাদের বৈশিষ্ট্য হলো, তাঁরা সর্বক্ষেত্রে নফস, শয়তান ও দুনিয়াদারীর চাহিদার উপর প্রথমে দ্বীন ও ঈমানের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। দুনিয়ার যেকোনো বিষয় ও বস্তুর উপর তাঁরা সবসময়ই আল্লাহর সন্তুষ্টিকেই এগিয়ে রাখেন। এটিকেই হযরত খাজা মাজযূব রহ. এভাবে ব্যক্ত করেছেন- "যামানা হো মুখালিফ পরওয়াহ নাহ চাহিয়ে পেশ নযর তো মরদিয়ে জানাঁ চাহিয়ে ইস নযর সে জাঞ্চ কর কর তো ফায়সালা কিয়া কিয়া তো করনা চাহিয়ে, আওর কিয়া না চাহিয়ে" অর্থাৎ, "যুগ যতোই প্রতিকূল হোক; পরোয়া করা সমীচিন নয়, একমাত্র মাওলার সন্তুষ্টিকেই দৃষ্টির সম্মুখে রাখা চাই। এই দৃষ্টিকোণ থেকেই তোমাকে সর্বক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তার আলোকে ঠিক করে নাও, কী করা চাই আর কী ছাড়া চাই?" ঢাকা এয়ারপোর্টেও এধরণের একটি অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল। করাচীর উদ্দেশ্যে পিআইএ-র ফ্লাইট ছাড়ার সময় ও ঢাকায় যোহর নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার সময় ছিলো এক। রওয়ানা হওয়ার আনুমানিক ১৫ মিনিট পূর্বে প্লেনে আরোহন করার ঘোষণা চলে এলো। তখন যোহরের নামায শুরু হতে মাত্র ১৫ মিনিট দেরী ছিলো। হযরত রহ. জিজ্ঞেস করলেন, যোহরের ওয়াক্ত শুরু হতে কয় মিনিট বাকী আছে? আমরা নিবেদন করলাম, হযরত! ১৫ মিনিট বাকী আছে। হযরত রহ. বললেন, যোহর নামায আদায় করেই প্লেনে উঠবো। কেননা করাচী যেতে যেতে যোহরের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাবে। ওদিকে হযরত রহ. ও তাঁর সাথীবর্গ ছাড়া ফ্লাইটের অন্য সকল যাত্রী প্লেনে উঠে পড়েছেন। রওয়ানা হওয়ার ৬/৭ মিনিট পূর্বে এয়ারপোর্টের অফিসারগণ দৌড়ে ছুটে এলেন। তারা বললেন, আপনারা দ্রুত প্লেনে উঠে বসুন। নয়তো প্লেনের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে। হযরত রহ. বললেন, কোনো সমস্যা নেই। আমরা যদি যেতে নাও পারি, তাতেও কোনো চিন্তা করবো না। এই জমিন আল্লাহ্‌র আশেকদের ঘর। আমরা ঢাকায় আরো কিছুদিন থেকে যাবো। তাহলে দ্বীনের আরো কিছু কাজ করতে পারবো। তখন অফিসারগণ বেশ অনুনয়-বিনয় করলেন। কিন্তু হযরত রহ. বললেন, আমরা যোহর নামায আদায় না করে প্লেনে ওঠবো না। অবশেষে প্লেন পরিচালনাকারীগণ হযরতের কথা মেনে নিতে বাধ্য হলেন। তাদেরকে অপেক্ষা করতে হলো। ওদিকে যখনি যোহরের ওয়াক্ত শুরু হলো, হযরত রহ. স্বউদ্যোগে এগিয়ে জামাতে ইমামতি করলেন। সুন্নাতের পরিপূর্ণ ইহতিমামের সঙ্গে নামায পড়ালেন। অথচ সচরাচর হযরতের অভ্যাস হলো, তিনি ইমামতি করেন না; কোনো সঙ্গী-সাথী ইমামতি করে থাকেন। কিন্তু এদিন তিনি অভ্যাসের বিপরীতে নিজেই জামাতে ইমামতি করলেন। কোনো সাথীকে দিয়ে নামায পড়াননি। কেননা আশঙ্কা ছিলো, অন্য কেউ ইমামতি করলে পরিস্থিতির চাপে পড়ে দ্রুততার সঙ্গে নামায পড়াতে গিয়ে সুন্নাতের লংঘন করে ফেলতে পারে। নামায শেষে পূর্ণ প্রশান্তির সঙ্গে প্লেনে উঠে বসলেন। প্লেনের পাইলট, ক্রুসহ অন্য সকল আরোহী বিস্ময়ের সঙ্গে মা'রিফাতের এই মুকুটহীন সম্রাট ও তাঁর গোলামদের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। এজাতীয় প্রেক্ষাপটের ওপরই তায়েব সাহেব এ কবিতা লিখেছিলেন- "গিনায়ে ক্বলব কা আলম তো দেখো নায্যারোঁ নে হামে দেখা ঠেহের কে।" অর্থাৎ "বুকের অসীম সাহস আর অমুখাপেক্ষী মনন দেখেছে বিশ্ব, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দর্শক দেখেছে আমাদের পদবিক্ষেপ।" করাচীর হযরত রহ. ঢাকা সফরে পৃষ্ঠাঃ ১২২-১২৪ সংকলকঃ মাওলানা জলীল আহমাদ আখোন খলিফাঃ হযরতওয়ালা করাচী রহ. অনুবাদঃ আবদুল্লাহ আল ফারূক প্রথম প্রকাশঃ জুন ২০১৫ ঈসায়ী প্রকাশনায়ঃ মাকতাবাতুত তাকী Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ০১/০৪/২০২০ ঈ. http://t.me/pathofisla