uz
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Kanalga Telegram’da o‘tish

Ko'proq ko'rsatish
Mamlakat belgilanmaganToif belgilanmagan
1 214
Obunachilar
+1524 soatlar
+237 kun
+3830 kun
Postlar arxiv
মোটকথা, একজন আবদুল হাই লাখনোবি তৈরির পেছনে দানবীর একজন নবাব তুরাব আলী খানের কী পরিমাণ আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা ছিল—এবার কিছুটা অনুমান করুন! তিনি তো খুব বেশি আগের জমানার আলেম নন। এর আগের যুগসমূহে তো এমন পৃষ্ঠপোষকতার বহু নজির রয়েছে ইতিহাসের পাতায় পাতায়। প্রকৃতপক্ষে, মেধাবী ও যোগ্য আলেমদের দ্বারা যদি আমরা উম্মাহকে উপকৃত করতে চাই, তাহলে আমাদেরও অনেক দায়িত্ব আছে। একজন আলেম ও তালিবুলইলম যদি আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে থাকেন, তাঁর মানসিক অবস্থাটা কেমন হতে পারে—চিন্তা করুন। অধুনা বিশ্বে এমন পেরেশান মানুষ দিয়ে সৃজনশীল কাজের কতটুকু অবকাশ আছে? অতএব, বর্তমান সময়ের আলেমগণ কেন আগের যুগের আলেমদের মতো অবদান রাখতে পারছেন না—এমন প্রশ্ন করার আগে আমাদের নিজেদেরকে জিজ্ঞেস করা উচিত; ওইরকম আলেম তৈরি করতে আমি কতটুকু অবদান রাখছি? © মাহফুয আহমদ

যে পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি হলেন একজন কালজয়ী আলেম দ্বীনি ইলম চর্চায় নিয়োজিত যারা, তাদের নিকট আল্লামা আবদুল হাই লাখনোবি খুবই পরিচিত এক নাম। ১৩০৪ হিজরি সনে মাত্র ৩৯ বছর ৪ মাস বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। অথচ এই সংক্ষিপ্ত জীবনে প্রায় ১১৭টি গ্রন্থ রচনা করেন; যেগুলোর মধ্যে কিছু কয়েক খণ্ডের বৃহৎ গ্রন্থ, আবার কিছু কয়েক পৃষ্ঠার পুস্তিকা। কিন্তু লাখনোবি রচিত প্রায় সবকটি গ্রন্থই শাস্ত্রীয় মানে উত্তীর্ণ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রেফারেন্সবুক হিসেবে পরিগণিত হয়। বেশিরভাগই আরবি ভাষায়, আর কিছু ফারসি কিংবা উর্দু ভাষায়। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমত ও মেহেরবানি ছিল তাঁর ওপর; যে কারণে এত কম বয়সেই তিনি এমন কালজয়ী সব ইলমি কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন। কথা হলো, আল্লামা লাখনোবি রাহিমাহুল্লাহর এই বিশাল অর্জনের পেছনে বাহ্যিক কোন বিষয়টি সবচেয়ে বেশি সহায়ক ছিল? অনেক কারণ উল্লেখ করা যেতে পারে। আমাদের শায়খ, নন্দিত মুহাদ্দিস, শায়খ মুহাম্মাদ আওয়ামা হাফিযাহুল্লাহ বলেন, এর পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল— তৎকালীন আমির আল্লামা আবদুল হাই লাখনোবির আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। বস্তুত, আমির যখন এমন প্রতিভাবান আলেম সম্পর্কে অবগত হলেন, তিনি আল্লামা লাখনোবিকে ডেকে নিলেন। ডেকে নিয়ে কী বললেন—সেটা জানার আগে একটা কথা মনে রাখুন। শায়খ আওয়ামা বলেন, যে আলেম আমাকে আল্লামা লাখনোবির এই তথ্য দিয়েছেন, তিনি আমাকে জানালেন যে, তাঁদের পরিবারে ছিলেন ছয় সদস্য। এই পুরো পরিবারের মাসিক খরচ ছিল মাত্র চার রুপি। এই আলেমের জন্ম হয় আল্লামা লাখনোবির ইন্তেকালের ত্রিশ বছর পরে। এবার শুনুন, ওই আমির আল্লামা লাখনোবিকে ডেকে নিয়ে কী বলেছিলেন! তিনি বললেন, আপনি যেহেতু ইলমে দ্বীন চর্চা, লেখালেখি আর শিক্ষাদানে নিজের পুরো সময় অতিবাহিত করছেন, সেজন্য আপনার যাবতীয় খরচের দায়িত্ব আমি নিতে চাই। এখন থেকে প্রতি মাসে আপনার জন্য চারশো রুপি হাদিয়া বরাদ্দ করা হলো। যেখানে লাখনোর ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিবারের পুরো মাসের খরচ ছিল মাত্র চার রুপি, সেখানে আমির সাহেব আল্লামা লাখনোবির জন্য চারশো রুপি মাসিক হাদিয়া দিচ্ছেন! এভাবেই যখন আলেম ও তালিবুলইলমের মূল্যায়ন করা হয়, তাঁদের পার্থিব প্রয়োজন পূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাঁদের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়, তখনই একজন আলেমের জন্য একাগ্রচিত্তে জ্ঞান ও গবেষণার কাজে আত্মনিয়োগ করা সম্ভব। কেবল তখনই একজন আলেমের দ্বারা দ্বীন ও সমাজের জন্য অতুলনীয় খেদমত করে যাওয়া এবং কালজয়ী অবদান রেখে যাওয়া সম্ভব হয়। শায়খ মুহাম্মাদ আওয়ামা হাফিযাহুল্লাহ কথাগুলো ‘মাআলিমু ইরশাদিয়্যাহ’ গ্রন্থপাঠের খতম বা সমাপনী মজলিসে বলেছিলেন। শায়খের উপর্যুক্ত বক্তব্যের সঙ্গে পাঠকদের জন্য আরও কিছু তথ্য যুক্ত করতে চাই। ২০১৯ সালে আমি যখন ‘আল-মাদখাল ইলা কিতাবিল হিদায়া’-এর কাজ শুরু করি, তখনকার ঘটনা। আল্লামা আবদুল হাই লাখনোবির ‘মুকাদ্দিমাতুল হিদায়া’-এর ওপর কাজ করতে গিয়ে ভূমিকায় দেখি, নবাব তুরাব আলী খানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি। কাকতালীয় ব্যাপার হলো, এর মাত্র কিছুদিন আগে আমি আরেকটি বইয়ের কাজ সম্পন্ন করেছিলাম। সেটা ছিল মাওলানা আবদুল আলীম সিলেটি রাহিমাহুল্লাহর ছোট্ট একটি আরবি পুস্তিকা। ওই পুস্তিকার সূচনাতেও তিনি নবাব তুরাব আলী খানের খুব প্রশংসা করেছেন। বান্দার তাহকীককৃত মাওলানা আবদুল আলীম সিলেটি রচিত ‘রিসালাহ ফি তাহকিকি মা‘নাল হিদায়া’ (পৃ. ১৯-২১) দেখতে পারেন। মাওলানা আবদুল আলীম সিলেটি মূলত আল্লামা আবদুল হাই লাখনোবির সমসাময়িক আলেম ছিলেন। তাহলে কী ব্যাপার? কে ছিলেন ওই নবাব তুরাব আলী খান? আল্লামা সায়্যিদ আবুল হাসান আলী নদবি রাহিমাহুল্লাহর গর্বিত পিতা, হিন্দুস্তানের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ আল্লামা সায়্যিদ আবদুল হাই আল-হাসানি তদীয় ‘নুযহাতুল খাওয়াতির’ (৭/৯৩৯) গ্রন্থে নবাব তুরাব আলী খানের চমৎকার জীবনী লিখেছেন। তুরাব আলী খান ছিলেন হায়দরাবাদ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নবাব। সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান এই তুরাব আলী খান ছিলেন চরিত্রবান, গুণী, সমাজসেবী এবং দাতাশীল ব্যক্তিত্ব। তাহলে সহজেই অনুমেয় যে, এই নবাব তুরাব আলী খান কেবল আল্লামা আবদুল হাই লাখনোবির আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করতেন—এমন নয়। মাওলানা আবদুল আলীম সিলেটি সহ তৎকালীন অনেক যোগ্য আলেমের ইলমি কাজে তিনি সাগ্রহে নিজে থেকেই সহায়তা করতেন। ‘আল-মাদখাল ইলা কিতাবিল হিদায়া’-এর কাজের খাতিরে অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখি, আল্লামা লাখনোবি যে ‘মুকাদ্দিমাতুল হিদায়া’-এ নবাবের প্রশংসা করেছেন—শুধু তাই নয়। বরং ‘আত-তা‘লীকুল মুমাজ্জাদ’ (১/৬২), ‘উমদাতুর রিআয়াহ’ (পৃ. ২১), ‘আল-হাদিয়্যাতুল মুখতারিয়্যাহ’ (পৃ. ৪) প্রভৃতি গ্রন্থেও তিনি নবাবের প্রসঙ্গ টেনে প্রশংসা করেছেন। উপরন্তু, তিনি তাঁর কিছু গ্রন্থ ওই নবাবের জন্য ইহদা বা উৎসর্গ করেছেন। এইসব তথ্য ও উদ্ধৃতির জন্য বান্দার ‘আল-মাদখাল ইলা কিতাবিল হিদায়া’ (পৃ. ১৩৮-১৪১) দেখতে পারেন।

দানিশমান্দ নিয়ে ভালোই হাইপ উঠছে। বইটা নিয়ে পাঠকের আগ্রহ দেখেও ভালো লাগছে। বিশেষ করে ভালো লাগছে বদরের হাতে অনুবাদ হওয়ায়। অসম্ভব মেধাবী ও প্রচুর বইপড়ুয়া। দুঃখবিলাস করতে হয়তো ভালো লাগে, কিন্তু আড্ডায় প্রাণবন্ত থাকে। সবসময় হাসিখুশিই দেখেছি তাকে। দেশে থাকলে হয়তো এক কপি মাদরাসাতুল বানাতের ঠিকানায় চলেই আসত। যাকগে, উপন্যাস তো পড়ি না সেই কবে থেকে... এই একটা বই পড়ার লোভ হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ সংগ্রহ করে পড়ব। উপন্যাস খুব বেশি পড়া হয়নি। একেবারে কম পড়েছি। শুধু দুইটা স্মৃতি আছে উপন্যাস নিয়ে। মোবাইলের আগের যুগে এক আত্মীয়ের বাড়ি গিয়েছিলাম। আমি একেবারে একেলা। ছেলে একজন ছিল। অনেক সিনিয়র। বাউণ্ডুলে। মেয়ে দুজন ছিল। আমি তাদের থেকে তিন হাত দূরে দূরে... অগত্যা দেখলাম পুরোনো আলমারিতে কিছু উপন্যাস। সন্ধ্যার পর থেকে ঘুমোতে যাওয়ার আগেই ৩টা পড়ে ফেললাম। সকালে আরেকটা... আরেকবার পরীক্ষা শেষ হলো। আম্মা বললেন সেদিনই পড়তে বসতে। সম্ভবত সেভেনে ছিল। মেজাজটা হলো খারাপ। কী বুঝে চাচাতো ভাই একজনের ঘরে গেলাম। উপন্যাস পেয়ে গেলাম কিছু। তিনটা নিয়ে এক রাতেই... মোবাইল আসার আগে বন্ধুবান্ধব ছিল। খেলা, আড্ডা ছিল। হাতেও প্রচুর সময় ছিল। সময়েও বরকত ছিল। এখন সবকিছুই...

photo content

পুরুষরাও নিঃসঙ্গতার শিকার হন। অনেক সময় তাদের জন্য দিনভর কঠোর পরিশ্রমের পর বাড়ি ফিরে এমন কাউকে পেতে ইচ্ছে করে যাকে আলিঙ্গন করে কথা বলা যায়। সরল কথায় এটাই বাস্তবতা। এই নিঃসঙ্গতা মাঝে মাঝে খুবই বিষণ্ণ করে তোলে, বিশেষ করে যখন কেউ আত্মিকভাবে দুর্বল অনুভব করে, তখন সে যেকোনো কোমলতায় আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। [বই : ঝরে যাওয়ার আগে]

photo content

দরকারি বই
দরকারি বই

এটার একাধিক অনুবাদ আছে। এটা আগেও ভিন্ন এক প্রকাশনী থেকে এসেছিল। এবার আসবে খিদমাহ থেকে। বইয়ের বিষয়বস্তু সেই। মুস্তফা সিবায়ীর স
এটার একাধিক অনুবাদ আছে। এটা আগেও ভিন্ন এক প্রকাশনী থেকে এসেছিল। এবার আসবে খিদমাহ থেকে। বইয়ের বিষয়বস্তু সেই। মুস্তফা সিবায়ীর সব বই-ই পড়ার মতো।

হুসাইন ভাইরে ফামপট্টি দিয়া ই ফর্যন্ত যে যে বই অনুবাদ খরাইছি, ইটা তার মাঝে এখটা। আইব মেলাত। ভালা লাগলে কিনবা, না কিনলে সমালোচন
হুসাইন ভাইরে ফামপট্টি দিয়া ই ফর্যন্ত যে যে বই অনুবাদ খরাইছি, ইটা তার মাঝে এখটা। আইব মেলাত। ভালা লাগলে কিনবা, না কিনলে সমালোচনা খরবা 😎

হুসাইন ভাইরে ফামপট্টি দিয়া ই ফর্যন্ত যে যে বই অনুবাদ খরাইছি, ইটা তার মাঝে এখটা। আইব মেলাত। ভালা লাগলে কিনবা, না কিনলে সমালোচন
হুসাইন ভাইরে ফামপট্টি দিয়া ই ফর্যন্ত যে যে বই অনুবাদ খরাইছি, ইটা তার মাঝে এখটা। আইব মেলাত। ভালা লাগলে কিনবা, না কিনলে সমালোচনা খরবা 😎

আপনারা যদি চা স্টলে, হোটেলে, বন্ধুদের আড্ডায় রাত না কাটিয়ে রাত কাটাতেন পরিবারের সঙ্গে! প্রতিরাতে যদি সীরাত কিংবা হাদীস ও তাফসীরের কিতাব থেকে তাদেরকে কিছু কিছু পড়ে শোনাতেন! যদি তাদের অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগ্রত করতেন! তাদের জন্যে যদি উত্তম পরিবেশে উত্তম শিক্ষা ও দীক্ষাদানকারী বিদ্যালয় নির্বাচন করতেন! তাদেরকে যদি আব্রুঢাকা পোশাক পরাতেন এবং ঘরে-বাইরে সর্বত্রই তাদের খেয়াল রাখতেন! এই ‘যদি’গুলো বাস্তবায়ন করলে তো যুবক ছেলেটি মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করারই সুযোগ পেত না। মেয়েটিও পারত না অভিসারে ছেলেটির প্রেম-প্রস্তাব গ্রহণ করতে। তখন আর এ-জাতীয় অনিষ্টের কিছুই ঘটত না। বাজারের গল্প-উপন্যাস ও ফিল্ম-নাটক থেকেও তাদেরকে রক্ষা করুন। এ ধরনের প্রায় সব বইয়েই বিষ মেশানো। বিষ মেশানো সব ফিল্ম-নাটকে। অনেক বান্ধবীর সান্নিধ্যেও রয়েছে বিষ। আপনারা ছেলে-মেয়েদের জন্য বিষকে ভয় পেলে কেন তাদেরকে এসব জিনিস গলাধঃকরণের সুযোগ দেন? এ বিষ যেমন জীবন নষ্ট করে তেমনি নষ্ট করে দীন, ঈমান ও চরিত্র। অতএব হে পিতা মহোদয়, সতর্ক হোন। সচেতন হোন। তারও আগে সতর্ক হোন মায়েরা। কারণ, মায়ের সংশোধনে মেয়ের সংশোধন। মা খারাপ হলে মেয়েরাও খারাপ হয়। কারণ, মেয়ের লেবাস-পোশাক ও আমল-আখলাকে মা-ই অনুকরণীয়। তা ছাড়া মেয়েদের তত্ত্বাবধান তো মায়েদের কাছেই। সারাক্ষণ মেয়েরা মাকেই দেখে। মায়ের কাছেই থাকে। সুতরাং হে মা, মনে রাখবেন, আপনি আপনার মেয়ে সম্পর্কে অবশ্যই আল্লাহর সামনে জিজ্ঞাসিত হবেন। মানুষের দৃষ্টিতেও প্রথম জিজ্ঞাসিত ব্যক্তি আপনি। আলী তানতাবী রহ. মাসিক নেয়ামত সেপ্টেম্বর ২০১৯

নানুতুবী, গাংগুহী ইত্তিহাদের ছোট সাইজের পড়েন। এর বাইরে থানভী, আলী মিয়ার জীবনী ভালো করে পড়ুন। ইলিয়াস রহ.-এর জীবনীও পড়তে পারেন।
নানুতুবী, গাংগুহী ইত্তিহাদের ছোট সাইজের পড়েন। এর বাইরে থানভী, আলী মিয়ার জীবনী ভালো করে পড়ুন। ইলিয়াস রহ.-এর জীবনীও পড়তে পারেন। ধারাবাহিক জীবনীর চাইতে জীবনের গল্পগুলো বেশি উপকারী। বুধবারে নক দিয়েন। লিস্ট দেবোনে ইনশাআল্লাহ।

বিয়ে করার দ্বারা শুধু যৌনতাড়নাই নয়, বরং অন্যান্য বড় বড় গুনাহ থেকে বাঁচাও সহজ হয়ে যায়। উপকরণ হিসেবে গুনাহ থেকে পূর্ণরূপে বেঁচে থাকার জন্য বিয়ে করা অত্যাবশ্যকীয়। অবিবাহিত ব্যক্তি মেহনত-মুজাহাদার দ্বারা নিজেকে গুনাহমুক্ত রাখতে সক্ষম হলেও তার মন-মস্তিষ্ককে জৈবিক কল্পনা-জল্পনা থেকে মুক্ত রাখতে পারে না। এ কারণে যেকোনো সময় তার গুনাহে জড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিবাহের পর গুনাহে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে চলে না গেলেও অবশ্যই তা অনেকটাই হ্রাস পায়। মোটকথা, বিবাহের দ্বারা স্বীয় যৌনতাড়নাকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। অর্থাৎ বৈধ পন্থায় প্রয়োজন পূরণের মাধ্যমে হারাম থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়। -শায়খ জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী [বই : এখন যৌবন যার]