আকাবির-কথন
前往频道在 Telegram
显示更多
未指定国家未指定类别
1 099
订阅者
无数据24 小时
+237 天
+2630 天
帖子存档
1 099
দুনিয়ার জীবন আখিরাতের তুলনায় কতটা তুচ্ছ?
কারও দুনিয়ার জীবন ৫০ বছর, কারও ৬০ বছর, কারও ৮০ বছর। এর আগে আমরা ছিলাম মায়ের পেটে প্রায় ১০ মাস।
এখন ভাবুন—এই ১০ মাসের জীবনকে ৫০–৮০ বছরের জীবনের সাথে তুলনা করলে কত ছোট মনে হয়! আমরা সবাই বলব—ওটা আবার কোনো জীবন হলো নাকি!
এবার আরেক ধাপ সামনে যাই। ৮০ বছর দুনিয়া কাটিয়ে আমরা কবরে চলে যাব। আদম আ.-এর সময় থেকে আজ পর্যন্ত কত মানুষ কবরে শুয়ে আছে! আর কে জানে আরো কতদিন শুয়ে থাকবে! এখন দুনিয়ার ৫০–৮০ বছরের জীবনকে কবরের এই দীর্ঘ জীবনের সাথে তুলনা করুন—দুনিয়ার জীবন কত তুচ্ছ মনে হবে!
কিন্তু কবরের জীবনও চিরস্থায়ী না। কবরের জীবন যতই দীর্ঘ হোক, এটাও শেষ হয়ে যাবে। তারপর আসবে হাশরের দিন। হাশরের একদিন হবে ৫০ হাজার বছরের সমান!
এখন কবরের জীবনকে এই ৫০ হাজার বছরের সাথে তুলনা করলে—কবরের জীবনও একেবারে তুচ্ছ মনে হবে!
তারপর শুরু হবে আসল জীবন। এই ৫০ হাজার বছরের দিন শেষ হলে শুরু হবে আসল জীবন। যে জীবন কখনো শেষ হবে না, কোনো সীমা নেই, কোনো শেষ নেই। তুমি ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে যাবে, কিন্তু সেই জীবন শেষ হবে না!
#খুতুবাত
1 099
শাহ সুলতান আহমদ নানুপুরী রহ. খাদেমকে বললেন, আমি কলা খাবো, দোকানে গিয়ে কলা নিয়ে আসো।
খাদেম মনে মনে ভাবলো, এতো গভীর রাতে বাজারে দোকান খোলা থাকবে না।
তাও হযরতের আদেশ মান্য করে খাদেম বাজারে গিয়ে দেখে, একটি দোকান খোলা, এবং দোকানের সামনে কলা ঝুলছে!
কলা ক্রয় করে হযরতের সম্মুখে পেশ করলেন। হযরত জিজ্ঞেস করলেন, দাম কত?
খাদেম বলল, অন্যান্য সময়ের চেয়ে এখন একটু বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয়েছে, কারণ বাজারে একটা মাত্র দোকান খোলা।
তখন হযরত বললেন, দেখো! বাজারে একটা দোকান খোলা থাকায় কলার দাম বেড়ে গেছে, তেমনি যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদ পড়ে, আল্লাহ পাক দেখেন, দুনিয়ার সকল লোক ঘুমে বিভোর কিন্তু এক ব্যক্তি নামায পড়ছে। তখন আল্লাহ পাকের কাছে উক্ত ব্যক্তির দাম এবং তার নামাজের দাম বেড়ে যায়। তখন যদি সে টুটিপুঁটি ইবাদতও করে আল্লাহ পাকের কাছে তার দাম অনেক বেশি!
আল্লাহু আকবার, কী সুন্দর দৃষ্টান্ত আমাদের জন্য!
#খুতুবাত
1 099
প্রথম কর্মস্থল গোপালপুর মাদরাসা মসজিদ।
কত স্মৃতি জড়িয়ে আছে এখানে। আশরাফ ভাইয়ের মতো অসাধারণ মানুষকে পেয়েছিলাম এখানের বদৌলতেই।
1 099
ফেসবুকে দাওয়াতী কাজে শুধু রিয়ার আশঙ্কা প্রবল, তা-ই না—মানুষের প্রশংসায় প্রভাবিত হওয়া, লোকের প্রশংসাকে নিজের পক্ষে প্রমাণ ভাবা, নিজের সম্পর্কে উঁচু ধারণা তৈরি হওয়া, লাইক-শেয়ারের ফাঁদে পড়া, আরও বেশি লাইক অর্জনের উপযোগী পোস্ট দেয়ার অবদমিত আকাঙ্ক্ষা তৈরি হওয়া, ভক্তকুল দ্বারা প্রভাবিত হওয়া, একসময় ভক্তকুলের পছন্দ-অপছন্দের মাধ্যমে চালিত হওয়া, দ্বীনী পথে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জনের প্রচেষ্টা তৈরি হওয়া, নিজেকে পাবলিক ফিগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা, দাওয়াহ-পেইজের মাধ্যমে নিজস্ব ব্র্যান্ডিং করা, দ্বীনী ট্রলের নামে হাসি-তামাশাকে একটা নিয়মিত ব্যস্ততা বানিয়ে নেয়াসহ এমন জানা-অজানা প্রচুর দ্বীনী ক্ষতি রয়েছে।
[কল্পিত কারাবাস : ৪০]
1 099
'কেন আমরা আমল করছি না' এই প্রশ্নের জবাবে অলসতা, উদাসীনতা, আমলের আগ্রহে ঘাটতিকে দায়ী করা যায়। এটা বাস্তবও। কিন্তু এর পাশাপাশি আরও বড় কারণ হলো, মানুষের আমল করার সময় নেই। দৈনন্দিন আমলগুলো করার জন্য একটা মিনিমাম সময় প্রয়োজন। কিন্তু দিনে যে মানুষটার কয়েক ঘণ্টা কেটে যাচ্ছে স্মার্টফোনে, সে নিজের অন্যান্য কাজ ঠিক রেখে বাড়তি আমল করার ফুরসত কোথায় পাবে!
স্যোশাল মিডিয়ায় কয়েক ঘণ্টার ব্যস্ততা শেষ করতে করতে গভীর রাত হয়ে যাবে। তখন মনের মধ্যে ফজরের আগে ওঠার তাড়া তৈরি হবে। কেউ উঠতে পারবে, কেউ পারবে না। ফজরের পর লম্বা ঘুম অনিবার্য হবে। ঘুম থেকে উঠতে উঠতে অনেকের দিনের অর্ধেক শেষ। দৈনন্দিন কাজগুলো সারতে সারতে বাকি দিন পার হবে। এর মধ্যে আবার স্যোশাল মিডিয়ার ক্ষুধা তৈরি হবে। বিভিন্ন ইস্যুতে মনোযোগ দিতে গিয়ে দেখতে দেখতে আবার মধ্যরাত। আবার ফজরের নামাজের তাড়া-চক্র চলতে থাকবে। দুঃখের ব্যাপার হলো, নিয়মিত গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকার পরেও তাহাজ্জুদ পড়ার সুযোগ খুব একটা হয়ে ওঠে না!
[কল্পিত কারাবাস : ৪৫]
1 099
লজ্জাবোধ একজন দ্বীনদার মানুষের থেকেই থাকে। কিন্তু ইন্টারনেটের বিস্তার এখন দ্বীনদারদের মাঝেও লজ্জাহীনতা তৈরি করছে। অনিচ্ছাকৃত চোখে পড়া অশ্লীলতা চোখকে অভ্যস্ত করে তুলছে। একসময় অপরাধবোধ আর খারাপ লাগার অনুভূতিও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অবাধে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে যাতায়াতের অভ্যাস হয়ে যাচ্ছে; এমন-সব ওয়েবসাইট, যেখানে অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ রয়েছে।
অভ্যস্ততা এমন এক খারাপ ব্যাপার, যার মাধ্যমে আল্লাহওয়ালা মানুষও নিজের অজান্তে ধীরে ধীরে গুনাহের সাথে আপস করে ফেলে। ব্যাপারটা স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়ায়। মেনে নেয়া হয়। অথচ একই ব্যক্তি হয়তো একসময় কঠোরভাবে নজরের হেফাজত করত। আজ অভ্যস্ততার মারপ্যাঁচে পড়ে সেই তাকওয়াপূর্ণ অবস্থান ধরে রাখতে পারছে না।
[কল্পিত কারাবাস : ৩০]
1 099
সুন্নাত বইয়ে পড়লেই শেখা হয় না। কারও না কারও সোহবতে গিয়ে যথাযথ পথ ও পদ্ধতি জেনেই আমল করতে হয়। এরকম আরেকটা বিষয় আছে চার বিয়ে। যাকগে, ওটা ভিন্ন আলাপ।
অনেকেই আমাকে বলত বাবরিতে আমাকে দারুণ লাগবে। অথচ হালকাপাতলা গড়ব আর বয়সের কমতির কারণে কখনোই রাখা হয়নি।
আগে তো বয়সে মুরুব্বী হওয়ার পর উস্তাদরা বাবরি রাখতেন আর জুব্বা পরতেন। এখন মোছ উঠার আগেই জুব্বা পরে অনেকেই আকাম করে জুব্বার বদনাম কুড়াচ্ছে।
