ar
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

الذهاب إلى القناة على Telegram

إظهار المزيد
لم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
1 194
المشتركون
+224 ساعات
+77 أيام
+2930 أيام
أرشيف المشاركات
photo content

photo content

photo content

পুরুষরাও নিঃসঙ্গতার শিকার হন। অনেক সময় তাদের জন্য দিনভর কঠোর পরিশ্রমের পর বাড়ি ফিরে এমন কাউকে পেতে ইচ্ছে করে যাকে আলিঙ্গন করে কথা বলা যায়। সরল কথায় এটাই বাস্তবতা। এই নিঃসঙ্গতা মাঝে মাঝে খুবই বিষণ্ণ করে তোলে, বিশেষ করে যখন কেউ আত্মিকভাবে দুর্বল অনুভব করে, তখন সে যেকোনো কোমলতায় আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। [বই : ঝরে যাওয়ার আগে]

photo content

photo content

দরকারি বই
দরকারি বই

এটার একাধিক অনুবাদ আছে। এটা আগেও ভিন্ন এক প্রকাশনী থেকে এসেছিল। এবার আসবে খিদমাহ থেকে। বইয়ের বিষয়বস্তু সেই। মুস্তফা সিবায়ীর স
এটার একাধিক অনুবাদ আছে। এটা আগেও ভিন্ন এক প্রকাশনী থেকে এসেছিল। এবার আসবে খিদমাহ থেকে। বইয়ের বিষয়বস্তু সেই। মুস্তফা সিবায়ীর সব বই-ই পড়ার মতো।

হুসাইন ভাইরে ফামপট্টি দিয়া ই ফর্যন্ত যে যে বই অনুবাদ খরাইছি, ইটা তার মাঝে এখটা। আইব মেলাত। ভালা লাগলে কিনবা, না কিনলে সমালোচন
হুসাইন ভাইরে ফামপট্টি দিয়া ই ফর্যন্ত যে যে বই অনুবাদ খরাইছি, ইটা তার মাঝে এখটা। আইব মেলাত। ভালা লাগলে কিনবা, না কিনলে সমালোচনা খরবা 😎

হুসাইন ভাইরে ফামপট্টি দিয়া ই ফর্যন্ত যে যে বই অনুবাদ খরাইছি, ইটা তার মাঝে এখটা। আইব মেলাত। ভালা লাগলে কিনবা, না কিনলে সমালোচন
হুসাইন ভাইরে ফামপট্টি দিয়া ই ফর্যন্ত যে যে বই অনুবাদ খরাইছি, ইটা তার মাঝে এখটা। আইব মেলাত। ভালা লাগলে কিনবা, না কিনলে সমালোচনা খরবা 😎

আপনারা যদি চা স্টলে, হোটেলে, বন্ধুদের আড্ডায় রাত না কাটিয়ে রাত কাটাতেন পরিবারের সঙ্গে! প্রতিরাতে যদি সীরাত কিংবা হাদীস ও তাফসীরের কিতাব থেকে তাদেরকে কিছু কিছু পড়ে শোনাতেন! যদি তাদের অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগ্রত করতেন! তাদের জন্যে যদি উত্তম পরিবেশে উত্তম শিক্ষা ও দীক্ষাদানকারী বিদ্যালয় নির্বাচন করতেন! তাদেরকে যদি আব্রুঢাকা পোশাক পরাতেন এবং ঘরে-বাইরে সর্বত্রই তাদের খেয়াল রাখতেন! এই ‘যদি’গুলো বাস্তবায়ন করলে তো যুবক ছেলেটি মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করারই সুযোগ পেত না। মেয়েটিও পারত না অভিসারে ছেলেটির প্রেম-প্রস্তাব গ্রহণ করতে। তখন আর এ-জাতীয় অনিষ্টের কিছুই ঘটত না। বাজারের গল্প-উপন্যাস ও ফিল্ম-নাটক থেকেও তাদেরকে রক্ষা করুন। এ ধরনের প্রায় সব বইয়েই বিষ মেশানো। বিষ মেশানো সব ফিল্ম-নাটকে। অনেক বান্ধবীর সান্নিধ্যেও রয়েছে বিষ। আপনারা ছেলে-মেয়েদের জন্য বিষকে ভয় পেলে কেন তাদেরকে এসব জিনিস গলাধঃকরণের সুযোগ দেন? এ বিষ যেমন জীবন নষ্ট করে তেমনি নষ্ট করে দীন, ঈমান ও চরিত্র। অতএব হে পিতা মহোদয়, সতর্ক হোন। সচেতন হোন। তারও আগে সতর্ক হোন মায়েরা। কারণ, মায়ের সংশোধনে মেয়ের সংশোধন। মা খারাপ হলে মেয়েরাও খারাপ হয়। কারণ, মেয়ের লেবাস-পোশাক ও আমল-আখলাকে মা-ই অনুকরণীয়। তা ছাড়া মেয়েদের তত্ত্বাবধান তো মায়েদের কাছেই। সারাক্ষণ মেয়েরা মাকেই দেখে। মায়ের কাছেই থাকে। সুতরাং হে মা, মনে রাখবেন, আপনি আপনার মেয়ে সম্পর্কে অবশ্যই আল্লাহর সামনে জিজ্ঞাসিত হবেন। মানুষের দৃষ্টিতেও প্রথম জিজ্ঞাসিত ব্যক্তি আপনি। আলী তানতাবী রহ. মাসিক নেয়ামত সেপ্টেম্বর ২০১৯

নানুতুবী, গাংগুহী ইত্তিহাদের ছোট সাইজের পড়েন। এর বাইরে থানভী, আলী মিয়ার জীবনী ভালো করে পড়ুন। ইলিয়াস রহ.-এর জীবনীও পড়তে পারেন।
নানুতুবী, গাংগুহী ইত্তিহাদের ছোট সাইজের পড়েন। এর বাইরে থানভী, আলী মিয়ার জীবনী ভালো করে পড়ুন। ইলিয়াস রহ.-এর জীবনীও পড়তে পারেন। ধারাবাহিক জীবনীর চাইতে জীবনের গল্পগুলো বেশি উপকারী। বুধবারে নক দিয়েন। লিস্ট দেবোনে ইনশাআল্লাহ।

photo content

বিয়ে করার দ্বারা শুধু যৌনতাড়নাই নয়, বরং অন্যান্য বড় বড় গুনাহ থেকে বাঁচাও সহজ হয়ে যায়। উপকরণ হিসেবে গুনাহ থেকে পূর্ণরূপে বেঁচে থাকার জন্য বিয়ে করা অত্যাবশ্যকীয়। অবিবাহিত ব্যক্তি মেহনত-মুজাহাদার দ্বারা নিজেকে গুনাহমুক্ত রাখতে সক্ষম হলেও তার মন-মস্তিষ্ককে জৈবিক কল্পনা-জল্পনা থেকে মুক্ত রাখতে পারে না। এ কারণে যেকোনো সময় তার গুনাহে জড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিবাহের পর গুনাহে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে চলে না গেলেও অবশ্যই তা অনেকটাই হ্রাস পায়। মোটকথা, বিবাহের দ্বারা স্বীয় যৌনতাড়নাকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। অর্থাৎ বৈধ পন্থায় প্রয়োজন পূরণের মাধ্যমে হারাম থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়। -শায়খ জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী [বই : এখন যৌবন যার]

photo content

দুআ তখনই দুআ হয় এবং মুনাজাত তখনই হয় মুনাজাত, যখন দিলে থাকে চাহাত ও তড়প এবং চাহিদা ও তলব। ক্ষুধার্ত কীভাবে খাবার চায়! পিপাসার্ত কীভাবে পানি চায়! সেভাবে যদি চাইতে পারেন তাহলেই সেটা হবে দুআ-মুনাজাত! [তালিবানে ইলমের রাহে মানযিল : ৫০]

ছাহাবা কেরামের অনুসৃত পথ গ্রহণ করাই তোমার কর্তব্য। কেননা তাঁরা যে সীমারেখায় থেমেছেন, জ্ঞান ও ইলমের ভিত্তিতেই থেমেছেন এবং মানুষকে যা থেকে বিরত রেখেছেন সুতীক্ষ্ণ অন্তর্দৃষ্টির কারণেই রেখেছেন। জটিল ও সূক্ষ্ম বিষয়ের সমাধানে নিঃসন্দেহে তাঁরাই ছিলেন সক্ষম এবং দ্বীনের ক্ষেত্রে তাঁরাই হলেন শ্রেষ্ঠত্বের অধিক হকদার। তোমাদের পথই হিদায়াতের পথ, এ দাবী যদি মেনে নেয়া হয় তাহলে তার অর্থ দাঁড়ায় যে, ফযীলত ও মর্যাদায় তোমরা তাঁদের ছাড়িয়ে গেছ (যা একেবারেই অসম্ভব)। আর যদি বলো যে, এ বিষয়গুলো পরবর্তীতে উদ্ভূত, বিধায় এ ক্ষেত্রে তাঁদের কোনো ভূমিকা ও দিকনির্দেশ নেই। তাহলে মনে রেখো, এসবের উদ্ভাবকরা নিঃসন্দেহে ছাহাবাদের পথ ও পন্থা থেকে বিচ্যুত ও বিচ্ছিন্ন। কেননা, দ্বীনের পথে তারাই হলেন অগ্রবর্তী এবং সকল ক্ষেত্রে রয়েছে তাদের পর্যাপ্ত দিকনির্দেশনা। তাঁদের দেয়া ব্যবস্থাপত্র থেকেই সকল ব্যাধির উপশম লাভ সম্ভব। সুতরাং তাঁদের অনুসৃত পথ ও পন্থায় সংযোজন বা বিয়োজন কোনোটাই সম্ভব নয়। একদল তাতে সংযোজন করতে গিয়ে বাড়াবাড়িতে লিপ্ত হয়েছে। আরেক দল তাতে বিয়োজন করতে গিয়ে মূল উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরে পড়েছে। কিন্তু ছাহাবা কেরাম ছিলেন উভয় প্রান্তিকতার মধ্যবর্তী সহজ সরল পথের অনুসারী। -উমর ইবনে আবদুল আযিয রহ. [মাকামে ছাহাবা ও কারামাতে ছাহাবা : ৪৫-৪৫]

হযরত বলেন, শয়তান কখনো মানুষকে অগুরুত্বপূর্ণ কাজে নিবিষ্ট করিয়ে দেয়। পড়াশুনার সময় অধিক নফলে লিপ্ত হওয়া ভালো নয়। আমার চাচাজানের ওখানে নফলের আধিক্য ছিল। আব্বাজান রহ.-এর ওখানে তালীমের আধিক্য ছিল। আব্বাজান রহ, গাঙ্গুহে একাই মীযান জামাত থেকে মেশকাত জামাত পর্যন্ত পাঠদান করতেন। তিনি ছিলেন এ জামাতগুলোর একক শিক্ষক। ওই সময় প্রায় আশিজন ছাত্র পড়াশুনা করত। অনেকগুলো ঘণ্টা করতে হতো। উপরের জামাতের ছাত্রদের দায়িত্ব ছিল, নিচের জামাতের ছাত্রদেরকে সবক পড়ানো। আমার শৈশবের ঘটনা। আমার মাঝে বুযুর্গীর জোশ উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। মাগরিবের নামাযের পর হযরত গাঙ্গুহী রহ.এর কামরার সামনে লম্বা নফলের নিয়ত বেঁধে দাঁড়িয়ে গেলাম। আব্বাজান তখন জোরে থাপ্পর মেরে বললেন, 'সবক ইয়াদ করতে পার না।' ওই সময় আমার মনে প্রচণ্ড ক্রোধ চেপে বসেছিল, নিজে তো পড়েন না। অন্যদেরকেও পড়তে দেন না। কিন্তু খুব দ্রুতই বুঝে এসেছিল যে, আব্বাজানের সিদ্ধান্তই যথাযথ ছিল। শয়তান আমাকে ইলম থেকে দূরে রাখতে নফলের অস্ত্র প্রয়োগ করতে চেয়েছিল। [মাজালিসে যাকারিয়া : ১৬৪]