uk
Feedback
Sukun Publishing

Sukun Publishing

Відкрити в Telegram

শব্দে আঁকা স্বপ্ন...

Показати більше
963
Підписники
+124 години
-37 днів
-1030 день

Триває завантаження даних...

Хмара тегів
Немає даних
Виникли проблеми? Будь ласка, оновіть сторінку або зверніться до нашого support-менеджера.
Вхідні та вихідні згадування
---
---
---
---
---
---
Залучення підписників
червень '26
червень '26
+6
в 0 каналах
травень '26
+11
в 0 каналах
Get PRO
квітень '26
+28
в 0 каналах
Get PRO
березень '26
+12
в 0 каналах
Get PRO
лютий '26
+20
в 0 каналах
Get PRO
січень '26
+20
в 1 каналах
Get PRO
грудень '25
+7
в 0 каналах
Get PRO
листопад '25
+7
в 0 каналах
Get PRO
жовтень '25
+1
в 0 каналах
Get PRO
вересень '25
+7
в 0 каналах
Get PRO
серпень '25
+14
в 0 каналах
Get PRO
липень '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
червень '25
+7
в 0 каналах
Get PRO
травень '25
+11
в 0 каналах
Get PRO
квітень '25
+5
в 0 каналах
Get PRO
березень '25
+13
в 0 каналах
Get PRO
лютий '25
+21
в 0 каналах
Get PRO
січень '25
+26
в 0 каналах
Get PRO
грудень '24
+32
в 0 каналах
Get PRO
листопад '24
+121
в 1 каналах
Get PRO
жовтень '24
+14
в 0 каналах
Get PRO
вересень '24
+316
в 0 каналах
Get PRO
серпень '24
+673
в 0 каналах
Дата
Залучення підписників
Згадування
Канали
26 червня0
25 червня+1
24 червня0
23 червня0
22 червня0
21 червня0
20 червня0
19 червня0
18 червня+1
17 червня0
16 червня+1
15 червня+1
14 червня0
13 червня0
12 червня0
11 червня0
10 червня0
09 червня+1
08 червня0
07 червня0
06 червня0
05 червня0
04 червня+1
03 червня0
02 червня0
01 червня0
Дописи каналу
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!✨
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!✨

2
মদিনার মাসজিদ। মিম্বারে দাঁড়িয়ে খুতবা দিচ্ছেন সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানব, স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সাহাবিরা পিনপতন নীরবতায় শুনছেন সেই বাণী। হঠাৎ মসজিদের প্রবেশদ্বারে দুটো ছোট্ট শিশু দেখা গেল। পরনে লাল ডোরাকাটা জামা। পা দুটো তখনো ঠিকঠাক খাড়া হতে শেখেনি তাদের, তাই একটু হাঁটছে আর হোঁচট খেয়ে পড়ে যাচ্ছে। খুতবা চলাকালীন কতটা কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হয়, তা আমরা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু প্রিয় দৌহিত্রদের এভাবে বারবার হোঁচট খেতে দেখে নবিজি নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না। বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ যে মানুষটি, খুতবা থামিয়ে দিলেন তিনি। মিম্বার থেকে নেমে হন্তদন্ত হয়ে এগিয়ে গেলেন। শিশু দুটিকে সস্নেহে কোলে তুলে নিয়ে আবার মিম্বারে উঠলেন। তারা আর কেউ নন—নবিজির কলিজার টুকরো দৌহিত্র হাসান আর হুসাইন। . সাধারণত সন্তানের আকিকা করার দায়িত্ব পিতার। কিন্তু আলী (রা.)-এর ঘরে জন্ম নেওয়া এই দুই চাঁদের টুকরোর জন্য নানা হয়েও সপ্তম দিনে পরম যত্নে নিজ হাতে ভেড়া জবাই করে তাঁদের আকিকা দিলেন, নাম রাখলেন। কতটা ভালোবাসলে এমনটা করতে পারেন, ভাবতে পারেন? শুধু কি ভালোবাসার বন্ধন? হুসাইন (রা.) বড় হওয়ার সাথে সাথে সাহাবিরা তাঁর মাঝে এক অদ্ভুত আলো দেখতে পেতেন। আনাস ইবনু মালিক (রা.)-এর বর্ণনা অনুযায়ী, দৈহিক গঠন আর চেহারার অবয়বে হুসাইন ছিলেন হুবহু আল্লাহর রাসুলের মতো। তাঁকে দূর থেকে হেঁটে আসতে দেখলে সাহাবিদের নবিজির কথা মনে পড়ে যেত। অথচ, কালের কী নিষ্ঠুর আবর্তন! নবিজির ওফাতের মাত্র কয়েক দশক পর, মদিনার সেই কোল ঘেঁষে বড় হওয়া হুসাইনের সাথে এই উম্মত কী আচরণ করেছিল, তা ভাবলে আজও বুক কেঁপে ওঠে। কারবালার সেই তপ্ত বালুচরে যখন নবিজির হুবহু প্রতিচ্ছবি হুসাইনের শিরশ্ছেদ করা হলো, তখন পাপিষ্ঠ উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদের দরবারে তাঁর নূরানী চেহারাটি আনা হয়েছিল। পাপিষ্ঠ ইবনু যিয়াদ যখন একটা কাঠি দিয়ে হুসাইনের ঠোঁটে আর নাকে খোঁচাচ্ছিল, তখন সাহাবি আনাস (রা.) ডুকরে কেঁদে উঠে বলেছিলেন—"আহারে! তুমি যেখানে কাঠি দিয়ে খোঁচাচ্ছ, উনি তো দেখতে হুবহু আল্লাহর রাসুলের মতো ছিলেন!" নবিজি যাকে চুমু খেতেন, যাকে পিঠে নিয়ে সেজদাহ দীর্ঘ করতেন, তাঁর সাথে কী ঘটেছিল কারবালায়? কেন ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাবিধুর এই ট্র্যাজেডি রচিত হয়েছিল? কীভাবে ক্ষমতার লোভ আর বিশ্বাসের লড়াইয়ে একদল মানুষ অন্ধ হয়ে গিয়েছিল? ইতিহাসের পাতায় কারবালার এই সত্য ঘটনা, এর পেছনের প্রেক্ষাপট এবং নবিজির কলিজার টুকরো হুসাইন (রা.)-এর জীবনের এই নির্মম কিন্তু গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় সম্পর্কে বিস্তারিত এবং সঠিক তথ্য জানা আমাদের প্রত্যেকের এক নৈতিক দায়িত্ব। কারণ, হুসাইনকে জানার অর্থ হলো নবিজির ভালোবাসার গভীরতাকে জানা, ইসলামের সত্যের জন্য আপসহীনতার পাঠ নেওয়া।💛 . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
52
3
Немає тексту...
47
4
শিশুদের কোমল মনে কল্পনার রঙে নবিজি (ﷺ)-এর জীবনকে গেঁথে দিতে @SukunKids এর রয়েছে ‘ছোটদের সীরাহ ফ্ল্যাশ কার্ডস’। 💛 হস্তীবাহিনী
শিশুদের কোমল মনে কল্পনার রঙে নবিজি (ﷺ)-এর জীবনকে গেঁথে দিতে @SukunKids এর রয়েছে ‘ছোটদের সীরাহ ফ্ল্যাশ কার্ডস’। 💛 হস্তীবাহিনী থেকে শুরু করে বিদায় হজের ঐতিহাসিক মুহূর্তগুলো ইতিহাসের সাথে মিল রেখে আঁকা দারুণ সব ছবির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই ২৪টি শিক্ষণীয় কার্ডে। গল্প আর ছবির এই অপূর্ব মেলবন্ধন আপনার সন্তানের জন্য হয়ে উঠতে পারে দ্বীন শেখার সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং অনন্য এক উপহার! আপনার সন্তানকে এই সুন্দর সীরাহ কার্ডগুলো উপহার দিচ্ছেন তো? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
54
5
আরিফ আজাদ ভাইয়া এই বইটি সম্পর্কে লিখেছেন—'ছবির এই বইটি আমার খুব প্রিয় একটি বই। বইটির লেখক ড. করিম আশ শাযলি। তিনি মিশরের একজন প্রখ্যাত শিশু শিক্ষাবিদ। নাম দেখে মনে হতে পারে, লেখক সম্ভবত বইটা বাবাদের উদ্দেশ্য করেই লিখেছেন। কিন্তু বিশ্বাস করুন, গোটা বইতে এমন একটা শব্দ কিংবা লাইন নেই যেটা সুনির্দিষ্টভাবে বাবাদের জন্যই, মায়েদের জন্য নয়। বইটির এমন নামকরণ লেখক নিজেই করেছেন। তবে সন্দেহ ছাড়াই বইটা বাবা-মা উভয়ের জন্য সমানভাবে উপযোগি এবং দরকারি। বইটার ব্যাপারে সংক্ষেপে যদি বলি, এই বইটা বাবা-মা দুজনে মিলে, দাগিয়ে দাগিয়ে পড়বার মতোন বই। লেখক নিজে যেহেতু শিশুদের নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন, ফলে বইটাতে তিনি এমনসব বিষয়বস্তুই কেবল রেখেছেন যে বিষয়গুলো শিশুদের মানসিক বিকাশের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কীভাবে সঠিক তারবিয়াহ নিশ্চিত করা যায়, বাচ্চাদের কীভাবে ইমোশনালি স্ট্রং হিশেবে গড়ে তোলা যায়, সেসব নিয়ে ধাপে ধাপে প্র‍্যাকটিক্যাল আলাপ করেছেন লেখক। প্যারেন্টিং নিয়ে যারা বইপত্র পড়া শুরু করতে চান, তাদের জন্য একটা আদর্শ পছন্দ হবে এই বইটা। একটা বই দিয়ে তো প্যারেন্টিং শেখা যাবে না। তবে শুরু করার জন্য এই বইটা নিঃসন্দেহে চমৎকার।' আপনার সংগ্রহে লেখকের রিকমেন্ড করা এই বইটি আছে তো? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
55
6
Немає тексту...
48
7
কী নির্মম বিশ্বাসঘাতকতা!💔
কী নির্মম বিশ্বাসঘাতকতা!💔
75
8
ধরুন, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আপনি বাংলাদেশ সরকারের কোনো একটি সিদ্ধান্ত বা কাজের যৌক্তিক ও শোভন সমালোচনা করলেন। কিংবা আপনারই অফিসের উচ্চপদস্থ বসের কোনো ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিমত পোষণ করলেন। আপনার কী মনে হয়, এরপর আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন? মনের ভেতর এক অদৃশ্য ভয় কি বইবে না? চাকরি হারানো কিংবা নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে এক মূহূর্তে নিজে সৎ স্ট্যান্ডে থাকা সত্ত্বেও রিগ্রেট ফিল করবেন না? আজকের যুগে ক্ষমতার সামনে দাঁড়িয়ে সত্য বলাটা যেখানে এক চরম দুঃসাহস, সেখানে আমরা যদি তেরোশো বছর আগের ইতিহাসে ফিরে যাই, তবে এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য দেখতে পাব। খলিফা হিশাম ইবনু আব্দুল মালিকের দরবার। প্রতাপশালী খলিফার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন ইমাম ইবনু শিহাব যুহরী (রহ.)। খলিফা জানতে চাইলেন, ‘ইবনু শিহাব! বলুন তো- “তাদের মধ্যে যে এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে”—এই আয়াতে কার কথা বলা হয়েছে? তিনি বললেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনু উবাই।’ খলিফা বললেন, ‘আপনি মিথ্যা বলেছেন। এখানে উদ্দেশ্য হলো আলি ইবনু আবী তালিব।’ একবার ভাবুন, খলিফার মুখের ওপর কথা বলার সাহস সে যুগে কার ছিল? কিন্তু ইমাম যুহরী দমে যাননি। ক্ষমতার দাপটকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে তিনি গর্জে উঠেছিলেন, ‘আমি মিথ্যা বলেছি? আল্লাহর কসম! আসমান থেকে যদি ঘোষণা দেওয়া হয় যে আল্লাহ মিথ্যা বলা বৈধ করে দিয়েছেন, তবুও আমি মিথ্যা বলব না!’ এটাই ছিল তাবেয়িদের সততার শক্তি। অন্যায়ের সামনে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়ে সত্য প্রকাশ করার এই যে হিম্মত, তা তারা কোথায় পেয়েছিলেন জানতে চান না? তাবেয়িগণের জীবনের এমন সব ঈমানজাগানিয়া অনুকরণীয় গুণ ও গল্প নিয়ে সাজানো ‘সুরভিত তাবেয়ি জীবন’ বইটি। ঈমানের আপসহীন সুবাস পেতে সংগ্রহ করেছেন তো বইটি? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
78
9
Немає тексту...
61
10
"আজকে সারাদিন কোথায় ভুল হলো? কারো মনে কষ্ট দিয়েছি কি? কী কী করেছি আজকে?" রাত যখন নিস্তব্ধ হতে থাকে, তখন একজন মুমিন নারী এভাবেই নিজের সঙ্গে নিজে আলাপ করতে থাকেন। সারাদিন যা তিনি করেছেন, যা বলেছেন, এসবের জন্য নিজেকে হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করান, সবকিছুর হিশেব মিলিয়ে নেন তিনি; একে বলে—মুসাহাবা। এরপর ধীরে ধীরে আরও রাত বাড়ে। নিভৃত রাতের আঁধারে, চোখ বুজে ফিসফিসিয়ে তিনি বলতে থাকেন—'আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ...'। তিনি জানেন, ইস্তিগফার সব দুঃখ মুছে দেয়, দুনিয়ার সব ভার হালকা করে ফেলে। এভাবে তিনি তাওবা করতে থাকেন, ঘুমাতে যাওয়ার আগে তার জন্য এটা অপরিহার্য। তার মন মানসিকতা হয় এমন—কখন কোন ভুল করে ফেলেছি জানি না, হয়তো কোনো অশোভন কথা বের হয়ে গেছে, হয়তো অবচেতনে কারো হক নষ্ট করেছি। তাই তিনি আল্লাহর কাছে ফিরে আসেন। শুধু নিজের জন্য নয়, আপনজনদের জন্য, উম্মাহর জন্যও ইস্তিগিফার করেন। 'জীবন বড় অনিশ্চিত'—এ কথা ভাবতে ভাবতে মুমিন নারীরা নিজের অসিয়তনামা লিখে রাখেন। যদি রাতের ঘুম থেকেই চিরঘুমে চলে যেতে হয়... যদি দুনিয়ার পাট চুকাতে হয় হঠাৎ করে? এরপর তিনি উঠে অযু সেরে নেন। সূরা কাফিরুন পড়ে নিজের ঈমানের ঘরটাকে আরো শক্ত করে ফেলেন, যেন কাল যদি চলে যেতে হয়, আল্লাহর সামনে একটি পরিচ্ছন্ন হৃদয় নিয়ে দাঁড়াতে পারেন। ঘুমের প্রস্তুতি শেষ হওয়ার আগে তার আরো কিছু কাজ বাকি। তিনি সূরা মুলক পড়েন কবরের আযাব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য। তারপর একে একে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস পড়তে থাকেন। নিজের আত্মাকে আল্লাহর আশ্রয়ে সমর্পণ করে দেন। এরপর আয়াতুল কুরসি! হৃদয় কাঁপানো এই আয়াতটি পড়ে তিনি যেন আল্লাহর রহমতের চাদরে নিজেকে মুড়িয়ে নেন। রাত এভাবেই নিঃশব্দে ডুবে যায় ইবাদতের সুবাসে। এভাবে মুমিন নারীর ঘুম শুধু বিশ্রাম নয়, বরং আল্লাহর নৈকট্যের এক গভীর যাত্রা হয়ে ওঠে। রাত কিংবা দিনের সব করণীয়গুলো আরো সুন্দরভাবে জানতে চাইলে মুমিন নারীদের জন্য সেরা বই হতে পারে—"মুমিন নারীর সারাদিন" বইটি। সুবহে সাদিক থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত কীভাবে একজন মুমিন নারী জীবনযাপন করবেন আল্লাহর নির্দেশ অনুসরণ করে, তা তুলে ধরা হয়েছে এই বইটিতে। আপনার সংগ্রহে রেখেছেন তো বইটিকে? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
81
11
Немає тексту...
67
12
আমরা আমাদের ঘরের জানালায় কেন পর্দা দিই? যেন বাইরের ধুলোবালি, কড়া রোদ আর অচেনা মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত দৃষ্টি থেকে আমাদের প্রিয় ঘ
আমরা আমাদের ঘরের জানালায় কেন পর্দা দিই? যেন বাইরের ধুলোবালি, কড়া রোদ আর অচেনা মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত দৃষ্টি থেকে আমাদের প্রিয় ঘরটা সুরক্ষিত থাকে, তাই না? তার মানে পর্দা ঘরের ভেতরের সৌন্দর্য বা স্বাধীনতাকে বন্দি করে না, বরং তাকে এক পরম নিরাপত্তা আর মর্যাদা দেয়। ঠিক একইভাবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের বোনেদের জন্য যে পর্দার বিধান দিয়েছেন, তা কোনো বন্দিত্ব নয়। এটি নারীদের জন্য এক অনন্য সম্মান ও নিরাপত্তা। আজ আমাদের সমাজে পর্দার মূল চেতনাকে বড্ড ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়। অনেকে মনে করেন পর্দা বুঝি কেবল একটা বাহ্যিক পোশাক। অথচ পর্দা কেবল পোশাকে নয়, পোশাকে-আচরণে এবং শালীনতায়—সবকিছু মিলিয়েই একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থার অংশ। পর্দার আসল সৌন্দর্য, এর ভেতরের গভীর প্রজ্ঞা আর সমাজে এর প্রয়োজনীয়তাকে খুব সহজ ও হৃদয়গ্রাহী ভাষায় বুঝতে আপনাকে সাহায্য করবে 'পরিপূর্ণ শারয়ি পর্দা' বইটি। আপনার সংগ্রহে আছে তো বইটি? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
76
13
আমাদের জীবনে এমন মুহূর্ত কি কখনো আসেনি, যখন খুব কাছের, খুব ভরসার কোনো মানুষ হুট করে মাঝ পথে হাত ছেড়ে দিয়েছে? বিপদের মেঘ ঘনিয়ে এলে কীভাবে যেন চারপাশের চেনা মানুষগুলো অবলীলায় রঙ বদলায়, চেনা চেনা মুখগুলো মুহূর্তেই কেমন অচেনা আর পর হয়ে যায়। আমরা তখন এক বুক শূন্যতা নিয়ে ভাবি—মানুষ এত স্বার্থপর কীভাবে হতে পারে! মানুষের এই রূপবদল, এই চরম অবহেলা আর একাকীত্বের ঘটনা কখনো নতুন কিছু নয়। মানুষের তৈরি করা এই চরম মানসিক ট্র্যাজেডির সবচেয়ে বড় শিকার হয়েছিলেন স্বয়ং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রিয় দৌহিত্র হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু। যাঁরা হাজারটা চিঠির বন্যা বইয়ে দিয়ে, কসম কেটে তাঁকে নিজেদের নেতা বলে বরণ করতে চাইল—শেষ মুহূর্তে তারাই কেমন পৈশাচিকভাবে বেইমানি করে বসল! মদিনার অভিজ্ঞ সাহাবিদের দূরদর্শী বারণ উপেক্ষা করে তিনি যখন এক বুক ভরসা নিয়ে এগিয়ে গেলেন, তখনই তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কৃষ্ণগহ্বর—কারবালা। কারবালার নির্মম ইতিহাসকে জানতে হলে আমাদের চোখ রাখতে হবে একদম বিশুদ্ধ উৎসে। আর এই সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করাবে ‘যেভাবে ঘটেছিল কারবালা’ বইটি। একটি পিএইচডি থিসিসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই বইটিতে লেখকদ্বয় প্রাচীন ও সর্বজনস্বীকৃত কিতাব থেকে লাইনে লাইনে নিখুঁত রেফারেন্স দিয়ে পুরো ঘটনাটি তুলে এনেছেন। ইতিহাসের এই বইটি কি আপনার বুকশেলফে আছে? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
72
14
Немає тексту...
49
15
ইসলাম-পূর্ব জাহেলি যুগেও সম্ভ্রান্ত পুরুষেরা পরনারীর দিকে তাকানোকে অসম্মানজনক মনে করত। সেই যুগের বিখ্যাত কবি আনতারা ইবনু শাদ্
ইসলাম-পূর্ব জাহেলি যুগেও সম্ভ্রান্ত পুরুষেরা পরনারীর দিকে তাকানোকে অসম্মানজনক মনে করত। সেই যুগের বিখ্যাত কবি আনতারা ইবনু শাদ্দাদ, যিনি অবিশ্বাসী হওয়া সত্ত্বেও নিজের আত্মমর্যাদা সম্পর্কে সচেতন ছিলেন, তিনি বলেছিলেন, ‘যখন আমার প্রতিবেশী নারী আমার সামনে পড়ে, আমি আমার দৃষ্টি অবনত রাখি, যতক্ষণ না সে তার ঘরে প্রবেশ করে’। ভাবুন তো, একজন অবিশ্বাসী কবিও যেখানে নিজের আত্মসম্মান রক্ষার্থে দৃষ্টিকে সংযত রাখতেন, সেখানে আমরা বিশ্বাসী হয়েও কীভাবে নির্লজ্জের মতো দৃষ্টির অপব্যবহার করি? আমাদের চেয়েও কি সেই অবিশ্বাসী কবির আত্মমর্যাদাবোধ বেশি ছিল? যে যুবক আজ পথের ধারে দাঁড়িয়ে নারীদের দিকে তাকিয়ে থাকে, সে কি জানে না যে এই কাজটি তার পৌরুষ ও সম্মানকে ধুলোয় মিশিয়ে দেয়? ‘চোখের গুনাহ’ বইটি আপনাকে সেই আত্মসম্মানবোধ ফিরিয়ে দেবে, যা আপনাকে একজন প্রকৃত পুরুষ হিসেবে মাথা উঁচু করে বাঁচতে শেখাবে, ইন শা আল্লাহ। . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
66
16
আমরা সন্তানের জন্য কত কিছুই না করি! কিন্তু কখনো কি ভেবেছি—আমি কি সত্যিই আমার সন্তানের জন্য একজন ‘ভালো বাবা’ হতে পারছি? ছবিতে
আমরা সন্তানের জন্য কত কিছুই না করি! কিন্তু কখনো কি ভেবেছি—আমি কি সত্যিই আমার সন্তানের জন্য একজন ‘ভালো বাবা’ হতে পারছি? ছবিতে একটি বইয়ের উৎসর্গপত্র দেখতে পাচ্ছেন। সেখানে একজন বাবা তাঁর সন্তানের উদ্দেশ্যে লিখছেন: “আমি তোমার জন্য ‘ভালো বাবা’ হতে চাই। যে রকম বাবা হয়ে উঠলে মৃত্যুর পর তোমার দুয়ায় আমাকে স্মরণ রাখবে।” কত গভীর, কত নিখুঁত একটা আকুতি! একজন বাবার আসল সফলতা তো এখানেই—যখন তিনি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবেন, তখন তাঁর রেখে যাওয়া সন্তান পরম শ্রদ্ধায় আর চোখের জলে রবের দরবারে হাত তুলে বলবে, “রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা।” সন্তানের মনে দ্বীনের সুন্দর বোধগুলো বুনে দেওয়া, তাকে সুন্নাহর চাদরে আগলে রেখে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক তারবিয়্যাহ আর নিবিড় পরিচর্যা। এই সুন্দর ও আবেগময় জার্নিতে আপনাকে পথ দেখাতে পারে ‘আপনি যখন বাবা’ বইটি। সন্তানের মনস্তত্ত্ব বুঝতে এবং তাকে দ্বীনের আলোয় বড় করতে বইটি বাবা-মা উভয়ের জন্যই এক দারুণ গাইডবুক, আলহামদুলিল্লাহ। আপনার সংগ্রহে আছে তো বইটি? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
69
17
মুসলিম ইবনু আকিলকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। তাঁর ছিন্ন মস্তক ছুড়ে ফেলা হলো প্রাসাদের ছাদ থেকে। মৃত্যুর আগে তিনি তাঁর এক বিশ
মুসলিম ইবনু আকিলকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। তাঁর ছিন্ন মস্তক ছুড়ে ফেলা হলো প্রাসাদের ছাদ থেকে। মৃত্যুর আগে তিনি তাঁর এক বিশ্বস্ত লোককে ডেকে শেষবারের মতো একটি অনুরোধ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আমার পক্ষ থেকে হুসাইনকে একটি চিঠি পৌঁছে দিয়ো। তাকে বোলো, সে যেন কুফাবাসীর কথায় বিশ্বাস করে এদিকে না আসে। সে যেন তার পরিবার নিয়ে ফিরে যায়।” কিন্তু সেই চিঠি হুসাইনের কাছে পৌঁছানোর আগেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। তিনি তাঁর পরিবার, নারী ও শিশুদের নিয়ে কুফার পথে অনেক দূর এগিয়ে এসেছিলেন। তিনি জানতেন না, কী ভয়ংকর এক মৃত্যুফাঁদ তাঁর জন্য অপেক্ষা করছে। তিনি জানতেন না, যে কুফাবাসী তাঁকে ভালোবাসার চিঠি লিখেছিল, তারাই এখন তাঁর রক্ত পান করার জন্য প্রস্তুত। হুসাইনের এই যাত্রাপথ ছিল এক করুণ যাত্রাপথ। যে পথের প্রতিটি বাঁকে ছিল বিশ্বাসঘাতকতা আর ষড়যন্ত্রের কাঁটা। ‘যেভাবে ঘটেছিল কারবালা’ বইটি আপনাকে সেই বেদনাময় সফরের সঙ্গী করে তুলবে। আপনার সংগ্রহে বইটি আছে তো? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
69
18
দ্বীনি দাওয়াতের কাজে নারী-পুরুষ সকলের কর্তব্য ও দায়িত্ব সমান। তবে একজন নারীর দাওয়াহর পথ ও পদ্ধতি পুরুষ থেকে ভিন্ন। নিকটজন ও স
দ্বীনি দাওয়াতের কাজে নারী-পুরুষ সকলের কর্তব্য ও দায়িত্ব সমান। তবে একজন নারীর দাওয়াহর পথ ও পদ্ধতি পুরুষ থেকে ভিন্ন। নিকটজন ও সাধারণ নারীসমাজে একজন নারীর দাওয়াহর কর্মপন্থা এবং নাসিহার উপস্থাপনা পদ্ধতি কেমন হতে পারে তার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে 'নিকটজনে নারীর দাওয়াহ' বইটিতে। আপনার সংগ্রহে আছে তো বইটি? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
82
19
আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন—একবার আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে তাহাজ্জুদে তার বা
আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন—একবার আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে তাহাজ্জুদে তার বাম পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। তিনি আমার হাত ধরে ডান পাশে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। আর তখন আমার বয়স ছিল দশ বছর! সহিহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে—কখনো আমার তন্দ্রা এলে নবীজি আমার ডান কান মলে দিতেন। আর আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস নিজে বলেছেন—নবীজি এমনটা করতেন, যেন রাতের আঁধারে আমি একাকিত্ব অনুভব না করি। একটু চিন্তা করে দেখি—দশ বছরের একজন শিশুর তাহাজ্জুদের প্রতিই এত অনুরাগ। অন্যান্য ফরজ ও সুনানের প্রতি তার অনুরাগ কত বেশি ছিল, একটু ভেবে দেখি! অথচ, আজকাল আমরা ফরজ সালাতই আদায় করতে পারি না। তাহাজ্জুদ তো দূর কি বাত! তাহলে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস কেমন মানুষ ছিলেন! শৈশবেই কী অনুপম তারবিয়ত তার জীবন গড়ে দিয়েছিল যে, তিনি বনে গেলেন এই উম্মাহর শ্রেষ্ঠতম আলিম ও ফকিহ। নবীজির দিলখোলা দুআয় কুরআনের শ্রেষ্ঠতম ভাষ্যকার! . (উল্লিখিত অংশটি সুকুন পাবলিশিং থেকে প্রকাশিত ‘যেমন ছিল বড়দের তাহাজ্জুদ’ বই থেকে নেওয়া।) . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
76
20
আমাদের অনেকের ধারণা—একটা অবুঝ শিশু পৃথিবীতে আসার পর যা দেখবে, যা শিখবে, ঠিক সেভাবেই গড়ে উঠবে। কিন্তু আমেরিকার সাইকোলজিক্যাল অ
আমাদের অনেকের ধারণা—একটা অবুঝ শিশু পৃথিবীতে আসার পর যা দেখবে, যা শিখবে, ঠিক সেভাবেই গড়ে উঠবে। কিন্তু আমেরিকার সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের একটি গবেষণা আমাদের এক চরম সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। পঁয়তাল্লিশ হাজারেরও বেশি গর্ভবতী মায়েদের ওপর করা সেই গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভে থাকা অবস্থায় মা যদি তীব্র মানসিক চাপ, হতাশা কিংবা উদ্বেগের মধ্য দিয়ে যান, তবে সেই সন্তান বড় হয়ে অতিরিক্ত জেদি, রাগী আর চরম আচরণগত সমস্যায় ভোগে। আমরা বাইরে থেকে শত চেষ্টা করেও তখন আর তার স্বভাব বদলাতে পারি না। কারণ, তার ওই অস্থিরতার বীজ বপন হয়ে গিয়েছিল মাতৃগর্ভেই! আপনার ছোট্ট সন্তানটির সুন্দর মানসিকতার জন্য তাই গর্ভকালীন সময়ে মায়ের মনের যত্ন নেওয়া বিলাসিতা নয়, পরম দায়িত্ব। মাতৃত্বের এই সংবেদনশীল দিনগুলোতে মায়ের মানসিক ও আত্মিক পরিচর্যার এক বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ‘মা হওয়ার দিনগুলোতে’ বইটি। আপনার সংগ্রহে আছে তো এই বইটি? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
82