ru
Feedback
Sukun Publishing

Sukun Publishing

Открыть в Telegram

শব্দে আঁকা স্বপ্ন...

Больше
967
Подписчики
-124 часа
Нет данных7 дней
-430 день

Загрузка данных...

Похожие каналы
Облако тегов
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Входящие и исходящие упоминания
---
---
---
---
---
---
Привлечение подписчиков
июль '26
июль '26
+4
в 0 каналах
июнь '26
+11
в 0 каналах
Get PRO
май '26
+11
в 0 каналах
Get PRO
апрель '26
+28
в 0 каналах
Get PRO
март '26
+12
в 0 каналах
Get PRO
февраль '26
+20
в 0 каналах
Get PRO
январь '26
+20
в 1 каналах
Get PRO
декабрь '25
+7
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '25
+7
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '25
+1
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '25
+7
в 0 каналах
Get PRO
август '25
+14
в 0 каналах
Get PRO
июль '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
июнь '25
+7
в 0 каналах
Get PRO
май '25
+11
в 0 каналах
Get PRO
апрель '25
+5
в 0 каналах
Get PRO
март '25
+13
в 0 каналах
Get PRO
февраль '25
+21
в 0 каналах
Get PRO
январь '25
+26
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '24
+32
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '24
+121
в 1 каналах
Get PRO
октябрь '24
+14
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '24
+316
в 0 каналах
Get PRO
август '24
+673
в 0 каналах
Дата
Привлечение подписчиков
Упоминания
Каналы
06 июля0
05 июля+1
04 июля0
03 июля+1
02 июля+1
01 июля+1
Посты канала
একটা দীর্ঘ সময় আমরা জুলুমের শিকার হয়ে এসেছি। স্বাধীন মানুষের থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল মুখের ভাষা, কেড়ে নেওয়া হয়েছিল মাথা উঁচু ক
একটা দীর্ঘ সময় আমরা জুলুমের শিকার হয়ে এসেছি। স্বাধীন মানুষের থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল মুখের ভাষা, কেড়ে নেওয়া হয়েছিল মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার নূন্যতম অধিকারটুকুও। ক্ষমতা আর অহংকারের মোহে অন্ধ এক স্বৈরাচার পুরো দেশটাকে বানিয়ে ফেলেছিল একটা বন্দিশালা। কিন্তু সব জুলুমের একটা শেষ থাকেই। যখন মানুষের পিঠ একদম দেয়ালে ঠেকে গেল, তখন আর কেউ ঘরে বসে রইল না। তখন ছাত্র আর সাধারণ মানুষ এক হয়ে বুলেটের সামনে বুক পেতে দিল। জন্ম নিল এক অভূতপূর্ব ইতিহাসের, যার নাম—‘জুলাই’। সেই দিনগুলো কেমন ছিল, মনে আছে তো আমাদের? ক্যালেন্ডারের পাতাগুলো যেন কাটতেই চাইত না। ইন্টারনেটহীন একেকটা দিন মনে হতো কয়েক হাজার বছরের সমান দীর্ঘ। কিন্তু দিনশেষে সেই রক্ত সাগরের বুক চিরে আমরা পেয়েছিলাম এক টুকরো নতুন স্বাধীনতা, এক টুকরো নতুন ভোর। এই জুলাই আমাদের অস্তিত্বের নাম, আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। একে ভুলে যাওয়া মানে শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি করা। আর সেই উত্তাল দিনগুলোর জীবন্ত দলিল ‘ঝরা ফুলের সৌরভ’ গল্পগ্রন্থ। বইটি আপনাকে সেই দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে, যেখানে যুলুমের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াইয়ের এক একটা অধ্যায় খোদাই করা আছে। আপনার সংগ্রহে আছে কি বইটি?

2
বহুল প্রতীক্ষিত 'খলিফা সিরিজ' এর কাজ ফাইনাল স্টেজে রয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। কিছুদিনের মধ্যেই বইগুলোর মূল্য, পৃষ্ঠা ও বিশেষত্ব প+3
বহুল প্রতীক্ষিত 'খলিফা সিরিজ' এর কাজ ফাইনাল স্টেজে রয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। কিছুদিনের মধ্যেই বইগুলোর মূল্য, পৃষ্ঠা ও বিশেষত্ব পৌঁছে যাবে আগ্রহী পাঠক-পাঠিকার কাছে। আমরা একান্তভাবে দুয়া প্রত্যাশী। সবকিছুর কোয়ালিটি বিবেচনায় একটু সময় লেগে যাচ্ছে। আর যাতে কালক্ষেপণ না হয় এ মিনতি মহান রাব্বুল আ'লামীন যেন তা কবুল করেন।🤲 . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
34
3
আমাদের চারপাশে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যাদের আত্মবিশ্বাস দেখলে রীতিমতো ঈর্ষান্বিত হতে হয়। যেকোনো আড্ডায় তারা সবার মধ্যমণি হতে চান। তাদের কথাটাই শেষ কথা। তারা যেন কোনো ভুল করতেই পারেন না! অথচ, আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম জাওজিয়্যাহ কত চমৎকার করে বলেছেন, "নিজের ভুল স্বীকার করে দেওয়া লজ্জিত হাসি, অহংকার মিশ্রিত চোখের পানির চেয়ে হাজারগুণে উত্তম"। আমাদের সমাজ এরকম লোকদের খুব রাশভারী, ব্যক্তিত্ববান বা ডমিনেটিং ক্যারেক্টার বলে বাহবা দেয়। অনেকে আবার এদের অহংকারী ভেবে এড়িয়ে চলেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই প্রবল আত্মবিশ্বাসের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক অদ্ভুত নিঃসঙ্গতা আর তীব্র মানসিক ক্ষত? চিকিৎসা বিজ্ঞান এর নাম দিয়েছে—‘সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্স’! এই ‘সবজান্তা সমশের’ বা ‘আমিই সেরা’ মুখোশটা মানুষ আসলে কখন পরে, বলুন তো? যখন তার ভেতরের হীনম্মন্যতা বা 'ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্স' তাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়। নিজের ভেতরের একাকীত্ব, তীব্র কোনো বিষণ্ণতা, ব্যর্থতা কিংবা অতীতে পেয়ে আসা অবহেলার ক্ষত লুকাতেই মানুষ অবচেতনে এই কৃত্রিম শ্রেষ্ঠত্বের বর্ম গায়ে জড়ায়। সে সমাজকে দেখাতে চায়—"আমি দুর্বল নই, আমি সবার চেয়ে শ্রেষ্ঠ, কেউ আমার চেয়ে সেরা হতে পারে না।" অথচ এই মেকি সুপিরিয়র সেজে থাকার পরিণতি কী? এক নিদারুণ একাকীত্ব! অফিসে যে সহকর্মীটি না বুঝে অন্যের উপর নিজের মতামত চাপিয়ে দেয়, বন্ধুদের আড্ডায় যে অন্য সবার দৃষ্টিকোণকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে হাসাহাসি করে, সবসময় অন্যের ভুল ধরে নিজেকে প্রমাণ করতে আগ্রহী—একসময় সবাই তাকে অলিখিতভাবে বর্জন করে। চোখে আঙুল দিয়ে ভুল দেখালেও যে মানুষ নিজের ভুল স্বীকার করার ধৈর্যটুকু রাখে না, সংশোধন হওয়ার ইচ্ছের থেকে 'ট্রিগার খাওয়া' যার মানসিকতা—তার চারপাশের পারিবারিক আর দৃঢ় বন্ধুত্বের সম্পর্কগুলোো ধীরে ধীরে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। অথচ সে নিজেও কখনো বুঝতে পারে না, তার এই অদ্ভুত ব্যবহারের পেছনে আসলে দায়ী তার নিজের মনের ভেতরের এক গভীর রোগ। কী আশ্চর্য, তাই না? নিজেকে বড় করে প্রকাশ করার, নিজেকে জাহির করার এই প্রবণতা একসময় মানুষকে একদম একা করে দেয়। অথচ এই অহংকার আর বড়ত্বকে সমূলে উপড়ে ফেলার মাঝেই লুকিয়ে ছিল আমাদের আসল প্রশান্তি। প্রখ্যাত তাবেয়ি ফুযাইল বিন ইয়াযও কত চমৎকার কথা বলেছেন—"আল্লাহকে বান্দা ঠিক ততটুকুই ভয় করে, যতটুকু সে তাঁর সম্বন্ধে জানে"। আমরা যখনই রবের সামনে সেজদায় যাই, কপালটা মাটিতে ঠেকাই, তখন কিন্তু আমাদের আর আত্ম-অহংকার থাকে না। মাটি ছুঁয়ে থাকা আমার কপাল বলে দেয়—আমি এক অনুগত বান্দা, এক দরিদ্র ভিখারি! দুনিয়ার পদমর্যাদা, ব্যাংক ব্যালেন্স, মানুষের দেওয়া তালি—সবকিছু রবের 'আল্লাহু আকবার' ধ্বনির সামনে ধূলিসাৎ হয়ে যায়। নিজের এই সীমাবদ্ধতা আর অক্ষমতাকে চেনার নামই তো প্রকৃত আত্মশুদ্ধি। আমাদের প্রতিদিনের এই অন্তরের ব্যাধিগুলো—অহংকার, লৌকিকতা, আত্মমুগ্ধতা আর কৃত্রিমতার বর্ম ভেঙে কীভাবে আমরা রবের দরবারে সত্যিকারের এক ভিখারি হতে পারি? কীভাবে আমাদের এই ভাঙা হৃদয়টাকে রবের অভিমুখী করে তুলতে পারি? এ বিষয়ে আত্মশুদ্ধিমূলক আলোচনা রয়েছে শাইখ আহমাদ বিন আব্দুর রহমান আস-সুয়ানর ‘রবের মুখাপেক্ষী’ বইটি, যা আপনাকে নিজের ভেতরের লুকিয়ে থাকা মুখোশগুলোকে চিনতে সাহায্য করবে এবং পরম ভালোবাসায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবে সেই রবের দিকে, যিনি এখনো হাত বাড়িয়ে আমাদের ডাকছেন। 🩷 . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
32
4
Нет текста...
27
5
আজকাল আমরা প্রত্যেকে নিজের মতামতকে জাহির করার জন্য আমরা মরিয়া হয়ে উঠি। প্রতিদিনের চায়ের আড্ডা, সোশ্যাল মিডিয়ার কমেন্ট বক্স কিংবা ড্রয়িংরুমের আলাপে একটু এদিক-সেদিক হলেই তর্ক-বিতর্কের আর শেষ থাকে না। অথচ প্রিয় নবিজি (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত হওয়া সত্ত্বেও ঝগড়া-বিবাদ পরিহার করবে, আমি তার জন্য জান্নাতের বেষ্টনীর মধ্যে একটি ঘরের জিম্মাদার।" তবে বাস্তব জীবনে আমাদেরকে কিন্তু এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতেই হয় প্রায়। যেকোনো কথা বলার, দ্বিমত বা আলোচনার সময় একজন মুমিনের আচরণ কীভাবে মেইনটেইন করা উচিত তার ৬টি চমৎকার পদ্ধতি হলো — ১। বিতর্কে নম্রতা ও পরিমিতিবোধ রাখা —আলাপের মাঝে কোনো দ্বিমত চলে এলে জেদ ধরে বসা যাবে না। গলার আওয়াজ নিচু রেখে, অত্যন্ত ভদ্রতা ও সৌজন্যের সাথে নিজের কথা ধীরেসুস্থে উপস্থাপন করতে হবে। ২। বড়দের সামনে বাদানুবাদ পরিহার করা — বড়দের সামনে নিজের মতামত চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। বিজ্ঞ হলেও আগে তাঁদের কথা বিনয়ের সাথে শুনতে হবে। এমনকি বাবার সাথে কথা বলার সময়ও আগে কথা বলার কিংবা বাদানুবাদের পরিবেশ তৈরি করা মুমিনের স্বভাব নয়। ৩। অতিরিক্ত আওয়াজ ও অহেতুক কথা বর্জন করা — প্রয়োজনের অতিরিক্ত চেঁচামেচি বা কথা বলা অন্যের প্রতি অসম্মান প্রকাশ করে। কুরআন আমাদের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে কণ্ঠস্বর নিচু রাখতে। মুমিনের কথাবার্তায় উচ্চবাচ্য বা বাদানুবাদের কোনো স্থান নেই। ৪। কথার মাঝখানে থামিয়ে প্রশ্ন না করা — কারও কথা জটিল বা দ্বিমতপূর্ণ মনে হলেও মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া যাবে না। কথা শেষ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরা চরিত্রের অন্যতম সৌন্দর্য। কারণ, কথার মাঝে হুট করে আপত্তি তোলা চরিত্রের একটি মন্দ দিক। ৫। প্রজ্ঞার শূন্যতা না দেখানো — মজলিসে অন্য কাউকে কোনো প্রশ্ন করা হলে, নিজে যেচে উত্তর দিতে যাওয়া চরম অভদ্রতা। এতে প্রশ্নকারী ও প্রশ্নকৃত ব্যক্তি—উভয়কেই অবজ্ঞা করা হয় এবং নিজের প্রজ্ঞার শূন্যতাই প্রকাশ পায়। ৬। আড্ডায় শয়তানের অংশ না হওয়া — প্রখ্যাত তাবিয়ি ইবনু শিহাব জুহরি রাহ. বলেছে, মজলিস যখন দীর্ঘায়িত হয়, তখন তাতে শয়তানের একটা অংশ তৈরি হয়ে যায়। তাই, আড্ডা যত দীর্ঘ হয়, গিবত, পরনিন্দা আর অনর্থক বাদানুবাদের সুযোগ তত বাড়ে। এ সুযোগ কমিয়ে ফেলতে হবে। জীবনকে সুন্দর ও মার্জিত করতে ইসলামের এই আদবগুলো আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত করতে হবে। আর এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করবে 'মুমিন জীবন আদব' বইটি, যা থেকে উপরোক্ত অংশগুলো নেওয়া হয়েছে। আপনি প্রস্তুত তো নিজেকে শাণিত করতে? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
52
6
Нет текста...
45
7
আমরা সবাই আসলে এক একটা খোলস পরে বাঁচি। বুকের ভেতর নীল আকাশের পরম স্তব্ধতা লুকিয়ে রেখে, সারাজীবন ইট-পাথর আর মিথ্যে অহমিকার দুর
আমরা সবাই আসলে এক একটা খোলস পরে বাঁচি। বুকের ভেতর নীল আকাশের পরম স্তব্ধতা লুকিয়ে রেখে, সারাজীবন ইট-পাথর আর মিথ্যে অহমিকার দুর্ভেদ্য এক দেয়াল তুলে রাখি চারিপাশে। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি—কী আছে সেই দেয়ালের ওপারে? এনামুল হক ইবনে ইউসুফ-এর লেখা ‘দেয়ালের ওপারে আকাশ’ লোকলজ্জার ভয়ে সযত্নে লুকিয়ে রাখা আমাদের যাপিত জীবনের অলিখিত দীর্ঘশ্বাসের এক জীবন্ত দলিল। বইটির পাতা ওল্টালেই আপনি মুখোমুখি হবেন কর্পোরেট দুনিয়ার সফল কিন্তু ভীষণ একা সোহিনীর, যে তথাকথিত স্বাধীনতার মোহে নিজের শিকড়টাই উপড়ে ফেলেছিল। আপনি দেখতে পাবেন জীবনের শেষ স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা জয়নাল আবেদিনের এক বুক অভিমান, কিংবা জাদুর কাঁচ দিয়ে অন্ধকার বস্তিতে রোদ এনে দেওয়া এক কিশোরের লড়াই। যন্ত্রণার হাহাকার বাইরেও এই বইয়ে আছে জুলাইয়ের আবু সাঈদ, মুগ্ধ আর সৈকতদের মতো তরুণদের বুক পেতে দেওয়া রক্তঝরা বিপ্লব আর স্বৈরাচারের মসনদ কাঁপানো দ্রোহের আগুন! নিজের তৈরি অহংকারের দেয়ালটা ভেঙে ভেতরের নীল আকাশটাকে ছুঁয়ে দেখার এবং কংক্রিটের এই যান্ত্রিক শহরে আপনার ভেতরের দেয়ালটা ভাঙার সাহস থাকলে চোখ মেলে দেখুন 'দেয়ালের ওপারে আকাশ'। সংগ্রহে আছে কি আপনার?
60
8
আলহামদুলিল্লাহ, কারবালার ইতিহাসভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম চলে এলো! কারবালার নিখাদ ও সত্য ইতিহাসকে জানার প্রতি আপ
আলহামদুলিল্লাহ, কারবালার ইতিহাসভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম চলে এলো! কারবালার নিখাদ ও সত্য ইতিহাসকে জানার প্রতি আপনাদের যে অভূতপূর্ব আগ্রহ আর উদ্দীপনা, তা আমাদের সত্যি মুগ্ধ করেছে। গতকাল অনুষ্ঠিত হওয়া এই বিশেষ কুইজে অসংখ্য প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ সঠিক উত্তর দিয়ে এবং নিখুঁতভাবে নিজেদের জ্ঞানকে ঝালিয়ে নিয়ে একেবারে সঠিক ও সেরা উত্তরদাতা ৫ জন ভাগ্যবান বিজয়ীকে আমরা খুঁজে পেয়েছি। বিজয়ীরা উপহার হিশেবে পেতে যাচ্ছেন সুকুনের অন্যতম সেরা বই 'সীরাতে ইবনে কাসীর' এবং পরবর্তী যেকোনো একটি অর্ডারে সম্পূর্ণ ফ্রি ডেলিভারি চার্জের বিশেষ সুযোগ, ইন শা আল্লাহ! যারা বিজয়ী হয়েছেন, তারা শীঘ্রই আমাদেরকে আপনাদের কুরিয়ার ঠিকানাসহ ম্যাসেজ করবেন। পবিত্র ইতিহাসের পাতা ওল্টানোর এই যাত্রায় আমাদের সাথে থাকার জন্য সবার জন্য রইল অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা! সাথেই থাকুন, সামনে আসছে সীরাতের কুইজ প্রতিযোগিতা...💛 . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
56
9
আপনি কি কিছু বলতে চান আপনার ভাই আরিফ আজাদকে? বলুন কমেন্টে।
আপনি কি কিছু বলতে চান আপনার ভাই আরিফ আজাদকে? বলুন কমেন্টে।
60
10
কুইজের গুগল ফরম লিংক না পেলে জানান কমেন্টে। আর মাত্র কিছুক্ষণ!
67
11
কারবালার ঘটনাকেন্দ্রিক বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে এখন থেকে। সময় মাত্র ২০ মিনিট। ⏱️ কুইজের লিংক: https://forms.gle/xxTy
কারবালার ঘটনাকেন্দ্রিক বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে এখন থেকে। সময় মাত্র ২০ মিনিট। ⏱️ কুইজের লিংক: https://forms.gle/xxTy9CoF7evsFn4Y9 অনেক অনেক শুভকামনা রইল সবার জন্য। 🧡 . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
66
12
অবশেষে এলো কুইজ প্রতিযোগিতার মাহেন্দ্রক্ষণ! কারবালার ঘটনাকেন্দ্রিক এ বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতা শুরু হবে আজ সন্ধ্যা ৭ঃ৩০ মিনিটে।
অবশেষে এলো কুইজ প্রতিযোগিতার মাহেন্দ্রক্ষণ! কারবালার ঘটনাকেন্দ্রিক এ বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতা শুরু হবে আজ সন্ধ্যা ৭ঃ৩০ মিনিটে। কুইজের গুগল ফরম লিংক সন্ধ্যার পোস্টে সংযুক্ত থাকবে, ইন শা আল্লাহ। 🧡 জরুরি নিয়মাবলি — • সময়সীমা: ফর্মটি সাবমিট করার জন্য আপনি ঠিক ২০ মিনিট সময় পাবেন। ঠিক সন্ধ্যা ৭:৫০ মিনিটে ফর্মটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক হয়ে যাবে। • ব্রাউজার সতর্কতা: ফেসবুক অ্যাপের ভেতর থেকে সরাসরি লিংকে ঢুকলে অনেক সময় জিমেইল লগইনজনিত সমস্যা দেখাতে পারে। তাই লিংকটি কপি করে আপনার ফোনের Chrome ব্রাউজারে পেস্ট করে ওপেন করুন এবং নিজের জিমেইল দিয়ে লগইন করে অংশ নিন। • প্রশ্ন ও উত্তর: ৩০টি এমসিকিউ-এর মধ্যে আপনার যতগুলো ইচ্ছা উত্তর দিতে পারবেন (কোনো নেগেটিভ মার্কিং নেই)। তবে নাম ও মোবাইল নম্বর সঠিকভাবে দেওয়া বাধ্যতামূলক। • বিজয়ীদের জন্য পুরস্কার: সবচেয়ে দ্রুত সর্বোচ্চ সঠিক উত্তর দেওয়া সেরা ৫ জন প্রতিযোগী পুরস্কার হিশেবে পাবেন সুকুনের অন্যতম সেরা বই 'সীরাতে ইবনে কাসীর' এবং পরবর্তী যেকোনো একটি অর্ডারে সম্পূর্ণ ফ্রি ডেলিভারি চার্জের দারুণ সুযোগ! সবার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। 🧡 . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
64
13
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!🧡
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!🧡
75
14
আগামীকাল সন্ধ্যার কুইজের জন্য প্রস্তুত তো?
আগামীকাল সন্ধ্যার কুইজের জন্য প্রস্তুত তো?
82
15
ইট, বালি আর সিমেন্টের চারকোনা একটা বদ্ধ জায়গা। আমরা নিশ্চিতভাবে একে বলি ‘ঘর’। কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি, যে পাথরের দেয়াল আপনাকে
ইট, বালি আর সিমেন্টের চারকোনা একটা বদ্ধ জায়গা। আমরা নিশ্চিতভাবে একে বলি ‘ঘর’। কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি, যে পাথরের দেয়াল আপনাকে রোদে পুড়তে দেয় না, বৃষ্টিতে ভিজতে দেয় না, সেই একই দেয়ালের ভেতরে কেন রোজ অশান্তির দাবানল জ্বলে? কেন চারকোনা এই পাথরের খাঁচাটুকু অনেক সময় শয়তানের অবাধ চারণভূমিতে পরিণত হয়? আসলে, ঘর নিরাপদ রাখার জন্য শুধু লোহার গ্রিল আর মজবুত দরজাই যথেষ্ট নয়। শয়তানের চক্রান্ত ঘরের দেয়াল ভেদ করে ঠিকই ঢুকে পড়ে। আমাদের চিরশত্রু শয়তান ও তার দলবলের অনুপ্রবেশ থেকে এই ইট-পাথরের ঘরকে কীভাবে 'শান্তির নীড়' বানাবেন, তা জানা প্রতিটি মুমিনের জন্য আবশ্যক। কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ঠিক এই সমাধানটুকুই বাতলে দেবে ড. মুহাম্মাদ আল আজমির বই ‘ঘর নিরাপদ রাখার আমল’ বইটি। চমৎকার ও সুরক্ষামূলক আমলসমূহ জানতে সংগ্রহ করেছেন তো বইটি? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
103
16
প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তো? মাত্র আর দু'দিন পেরিয়েই কিন্তু প্রতিযোগিতা...💛
প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তো? মাত্র আর দু'দিন পেরিয়েই কিন্তু প্রতিযোগিতা...💛
94
17
কারবালার প্রকৃত ইতিহাস আমাদের শেখায় কীভাবে চরম সংকটেও হকের ওপর অবিচল থাকতে হয়, কীভাবে সরলতা ও বিশ্বাসঘাতকতার খেলা চলে। এই মহান শিক্ষা কোনো কাল্পনিক প্রেমের গল্প থেকে পাওয়া অসম্ভব। তাই অন্ধ আবেগ, কুসংস্কার আর শোক পালনের নামে অসংগত সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে আমাদের ইতিহাসের জ্ঞান রাখাটা জরুরি। মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ-সিন্ধু’ নিঃসন্দেহে বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ, একটি অসাধারণ শিল্পোত্তীর্ণ উপন্যাস। কিন্তু একে কোনোভাবেই ইতিহাসের বই বলা চলে না। যদি আপনি কারবালার রূঢ়, সত্য এবং বিশুদ্ধ ইতিহাস জানতে চান, তবে আপনাকে কল্পনার চাদর ছিন্ন করে গবেষণামূলক গ্রন্থের শরণাপন্ন হতে হবে। আর ঠিক এই সত্যের মুখোমুখি করবে ‘যেভাবে ঘটেছিল কারবালা’ বইটি। সম্পূর্ণ কুরআন, বিশুদ্ধ হাদিস এবং নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে রচিত এই বইটি আপনাকে সত্য-মিথ্যের পার্থক্য করতে সাহায্য করবে, ইন শা আল্লাহ। আপনার সংগ্রহে আছে তো 'যেভাবে ঘটেছিল কারবালা' বইটি? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
74
18
সাহিত্য বা ইতিহাস পছন্দের শুরুর দিকে মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ-সিন্ধু’ পড়েননি বা নাম শোনেননি, এমন পাঠক বোধহয় আমাদের দেশে মেলা ভার। লেখকের জাদুকরী গদ্য আর আবেগের অতল স্রোতে ভেসে গিয়ে চোখের জল ফেলেননি—এমন মানুষও খুব কম আছেন। কিন্তু, সাহিত্য সরিয়ে ইতিহাসতত্ত্বের কষ্টিপাথরে যদি এটিকে যাচাই করি, তবে দেখতে পাব ইতিহাসের সত্যের সাথে এর দূরত্ব আসলে যোজন যোজন। আসুন, কারবালার ইতিহাস আর সাহিত্যের ভেতরের মূল তফাতগুলো আমরা কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয়ের আলোকে বোঝার চেষ্টা করি — প্রথমত, বিষাদ-সিন্ধুর পুরো উপন্যাসের মূল ভিত্তি দাঁড়িয়ে আছে জয়নাবের প্রতি এজিদের অনিবার্য রূপতৃষ্ণা ও এক কাল্পনিক প্রেমকে কেন্দ্র করে। অথচ প্রকৃত ইতিহাস ও নির্ভরযোগ্য দলিল সাক্ষী দেয়, কারবালার এই বেদনাবিধুর দ্বন্দ্বের সাথে জয়নাবের রূপের কোনো দূরতম সম্পর্কও ছিল না; এর মূল কারণ ছিল রাজনৈতিক ক্ষমতার রূপান্তর, খিলাফতের উত্তরাধিকার এবং কুফাবাসীদের চরম বিশ্বাসঘাতকতা। দ্বিতীয়ত, উপন্যাসে এজিদকে এক ব্যাকুল প্রেমিক ও ট্রাজিক নায়ক হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবাস্তব। ইতিহাসে সে কোনো প্রেমিক পুরুষ ছিল না, বরং সে ছিল একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী শাসক, যার ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে এই মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি ঘটেছিল। তৃতীয়ত, উপন্যাসের সূচনাতেই মুআবিয়া (রা.)-এর বিয়ে না করার প্রতিজ্ঞা, এক অলৌকিক রোগে আক্রান্ত হওয়া এবং বাধ্য হয়ে আশি বছরের এক বৃদ্ধাকে বিয়ে করার যে গল্প ফেঁদেছেন লেখক, তা চিকিৎসাবিজ্ঞান ও ইতিহাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং লোকমুখের পুঁথি আশ্রিত এক চরম অসত্য। চতুর্থত, এজিদের জন্ম সেই বৃদ্ধার গর্ভে হয়েছে বলে উপন্যাসে যে অলৌকিকতা দেখানো হয়েছে, তা ইতিহাসের পাতায় খণ্ডিত হয়ে যায়। কারণ ইতিহাসে এজিদের মাতা ছিলেন মায়মুনা বিনতু বাহদাল, যিনি কালব গোত্রের এক সম্ভ্রান্ত ও তরুণী নারী ছিলেন। পঞ্চমত, ইমাম হাসানের (রা.) মৃত্যু নিয়ে বিষাদ-সিন্ধুতে সতীন জয়নাবের প্রতি ঈর্ষাকাতর হয়ে স্ত্রী জাএদার বিষ প্রয়োগের যে নাট্যরূপ দেওয়া হয়েছে, তা মূলত লেখকের নিজস্ব পারিবারিক অভিজ্ঞতাজাত সপত্নী-বিরোধের সাহিত্যিক রূপান্তর মাত্র। ইতিহাসে এমন কোনো সতীনের ঝগড়া নয়, বরং গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তাঁকে বিষ দেওয়া হয়েছিল। ষষ্ঠত, উপন্যাসে বিষ সরবরাহকারী হিসেবে ‘মায়মুনা’ নামের যে কুটিল বৃদ্ধা চরিত্রের অবতারণা করা হয়েছে, ইতিহাসে তার কোনো বাস্তব অস্তিত্বই নেই; এটি মধ্যযুগীয় মঙ্গলকাব্যের ‘দুর্বলা দাসী’র মতো একটি কাল্পনিক সৃষ্টি। সপ্তমত, মাবিয়ার প্রেরিত দূতকে এজিদ এক বাণে হত্যা করে পাথরে গেঁথে ফেলার যে দৃশ্য উপন্যাসে আছে, তা অতিপ্রাকৃত এবং ইতিহাসের রূঢ় বাস্তবতার সাথে বড্ড বেমানান। অষ্টমত, মারোয়ানকে ছদ্মবেশে মদিনার গলিতে গলিতে ষড়যন্ত্রকারী ও নিজে তরবারি নিয়ে কারবালার সেনাপতি হিসেবে যুদ্ধ করতে দেখা গেলেও, প্রকৃত ইতিহাসে তিনি ছিলেন মদিনার একজন উমাবি নেতা ও কূটনীতিবিদ, যিনি কারবালার মাঠে গিয়ে সরাসরি কোনো যুদ্ধই করেননি। নবমত, উপন্যাসের শেষ খণ্ডগুলোতে মোহাম্মদ হানিফাকে অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন এক অতিমানব হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যিনি এজিদ বধের জন্য অলৌকিক শক্তির সাহায্য নেন। অথচ ইতিহাসে মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যা ছিলেন একজন অত্যন্ত বাস্তববাদী, রাজনৈতিক ফিতনা থেকে দূরে থাকা পরম পরহেযগার মানুষ। সর্বশেষে, সীমারের অবাস্তব ও নাটকীয় সংলাপ, হোসেন (রা.)-এর ছিন্ন মস্তক থেকে রক্ত দিয়ে আরবী হরফে ভাগ্য লেখা হওয়া, মস্তক আকাশে উড়ে যাওয়া কিংবা বীর আজরের কাল্পনিক আত্মাহুতির মতো যত অলৌকিক ঘটনা মীর মশাররফ হোসেন দেখিয়েছেন, তার কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। তিনি মূলত মধ্যযুগের দোভাষী পুঁথি যেমন ‘জঙ্গনামা’ বা ‘মকতুল হোসেন’ থেকে এই লোকবিশ্বাসগুলো ধার করেছিলেন, যা মহাকবি কায়কোবাদ বা কাজী আবদুল ওদুদের মতো সমালোচকদের কাছেও তীব্র নিন্দিত হয়েছিল। এমনকি তৎকালীন হিন্দু পাঠকসমাজ ও বঙ্কিমী গদ্যের প্রভাবে মুসলিম চরিত্র হওয়া সত্ত্বেও ‘আল্লাহ’র পরিবর্তে ‘ঈশ্বর’ বা ‘ভগবান’ শব্দের ব্যাপক ব্যবহার ধর্মীয় সত্যতাকে ক্ষুণ্ণ করেছে। ইতিহাসে যেখানে ইমাম হোসেন (রা.) এজিদের চেয়ে অন্তত ২০ বছরের বড় ছিলেন, সেখানে উপন্যাসে তাদের সমবয়সী ও ছোটবেলার খেলার সাথী বানিয়ে কালগত চরম অসঙ্গতি তৈরি করা হয়েছে। প্রিয় পাঠক, ইতিহাস আর রূপকথাকে গুলিয়ে ফেললে একটি সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক ও ধর্মীয় বিকাশ থমকে যায়। কারবালার মতো একটি সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর বিষয়ে কাল্পনিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে যদি আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাস গড়ে ওঠে, তবে তা সম্মানিত সাহাবি ও আহলে বাইতের প্রতি মানুষের মনে অযথা ভুল ধারণা ও বিদ্বেষ তৈরি করে।
74
19
Нет текста...
63
20
ফেসবুক কিংবা ইউটিউবের কমেন্ট সেকশনে চোখ বুলিয়ে থাকলে আপনার চোখ ছানাবড়া হতে বাধ্য। হয়তো সামান্য বা একেবারে আলাদা ভিন্নমত দেখবেন—ব্যস, মুহূর্তের মধ্যেই যেন কমেন্ট সেকশনগুলো হয়ে উঠবে একেকটা যুদ্ধক্ষেত্র। এখানেএকজন আরেকজনকে ধুয়ে দেবে, বাবা-মা কিংবা চরিত্র তুলে গালিগালাজ হবে, ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢালা হবে। স্ক্রিনের ওপারের মানুষটার প্রতি আমাদের এই যে তীব্র ক্ষোভ আর অহংকার, একে শান্ত করার কোনো উপায় কি আমাদের জানা আছে? আজ থেকে প্রায় চৌদ্দশ বছর আগের একটা ঘটনা জেনে আসি। এক সফরে রসিকতাস্বরূপ এক মুহাজির সাহাবি এক আনসারি সাহাবিকে আঘাত করে বসলেন। ব্যস, শয়তান সুযোগ পেয়ে গেল। চোখের পলকে সাধারণ একটা ঠাট্টা রূপ নিল গোত্রীয় সংঘাতে! পরিস্থিতি যখন আরও জটিল হতে চলল, তখন খলনায়ক আবদুল্লাহ ইবনু উবাই উস্কানিমূলক কথা বলে সেই আগুনে যেন পেট্রোল ঢেলে দিল। চারদিকে চরম উত্তেজনা। এমন উত্তপ্ত মুহূর্তে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী করেছিলেন জানেন? তিনি কোনো দীর্ঘ বিচার-সালিশ করলেন না, আবার কাউকে দোষারোপ করে সময়ও নষ্ট করলেন না। তিনি এক অভিনব ও মনস্তাত্ত্বিক কৌশল অবলম্বন করলেন। তিনি কাফেলাকে কোনো বিরতি না দিয়ে একটানা একদিন আর একরাত হাঁটালেন! প্রখর রোদে দীর্ঘ সফর শেষে যখন কাফেলা থামল, তখন সাহাবিরা এত বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন যে মাটিতে পিঠ ঠেকাতেই সবাই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে গেলেন। ঝগড়া করার মতো শক্তি বা অবসর—কোনোটিই আর কারও অবশিষ্ট ছিল না। নবিজি (সাঃ) খুব চমৎকারভাবে মানুষের মনস্তত্ত্বকে ব্যবহার করে ক্ষোভের তীব্রতাকে ধূলিসাৎ করে দিলেন। কারণ মানুষ যখন অবসর পায়, তখনই অনর্থক তর্ক আর ক্ষোভ উগরে দেয়। পারিবারিক জীবন, কর্মক্ষেত্র কিংবা আজকের এই সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে আমাদের পদে পদে এমন শত শত কনফ্লিক্ট বা সংঘাতের মুখোমুখি হতে হয়। কিন্তু আমরা কি জানি কীভাবে প্রজ্ঞা আর মনস্তত্ত্ব দিয়ে এগুলো সামলাতে হয়? আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এই জটিল সংঘাতগুলো নবিজি (সাঃ)-এর দূরদর্শী পদ্ধতিতে সমাধান করার জাদুকরী সব কৌশল নিয়ে ‘সীরাতের দর্পণে কনফ্লিক্ট ম্যানেজমেন্ট’ বইটি। আপনার সংগ্রহে আছে তো এই ছোট্ট বইটি? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
84