fa
Feedback
Sukun Publishing

Sukun Publishing

رفتن به کانال در Telegram

শব্দে আঁকা স্বপ্ন...

نمایش بیشتر
968
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-27 روز
-1030 روز

در حال بارگیری داده...

کانال‌های مشابه
ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئن '26
ژوئن '26
+2
در 0 کانال‌ها
مه '26
+11
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+28
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+12
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+20
در 1 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+7
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+7
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+1
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+7
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+14
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+6
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+7
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+11
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+5
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+13
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+21
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+26
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+32
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+121
در 1 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+14
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+316
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+673
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
11 ژوئن0
10 ژوئن0
09 ژوئن+1
08 ژوئن0
07 ژوئن0
06 ژوئن0
05 ژوئن0
04 ژوئن+1
03 ژوئن0
02 ژوئن0
01 ژوئن0
پست‌های کانال
দাড়ি রবের দেওয়া পুরুষত্বের শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার এবং নবিজির এক জীবন্ত ভালোবাসার ইশতেহার। 💛 ধারালো ব্লেডের এক টানে এর আভিজাত্য বিলী
দাড়ি রবের দেওয়া পুরুষত্বের শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার এবং নবিজির এক জীবন্ত ভালোবাসার ইশতেহার। 💛 ধারালো ব্লেডের এক টানে এর আভিজাত্য বিলীন করার আগে, দাড়ির প্রকৃত মাহাত্ম্য জানতে পড়ুন— ‘দাড়ি মুমিনের সৌন্দর্য’ বইটি। আপনার সংগ্রহে আছে তো বইটি? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...

2
আলবার্ট আইনস্টাইনের যখন মাত্র ৫ বছর বয়স, তখন তিনি একবার খুব অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে ছিলেন। চারপাশের চার দেয়ালের বন্দিত্বে ছোট্ট আলবার্টের মনটা যখন ভীষণ খারাপ, ঠিক তখন তাঁর বাবা হারমান আইনস্টাইন তাঁর হাতে একটা পকেট কম্পাস এনে দিলেন। ৫ বছরের সেই শিশুটি অবাক হয়ে দেখল, সে কম্পাসটিকে যেদিকেই ঘোরাক না কেন, তার ভেতরের কাঁটাটি সবসময় অলৌকিকভাবে কেবল উত্তর দিকেই মুখ করে থাকে। আলবার্ট তাঁর বাবাকে প্রশ্ন করলেন, “বাবা, এমনটা কেন হয়?” হারমান আইনস্টাইন চাইলে সন্তানের এই প্রশ্নটিকে ‘বাচ্চা মানুষের অনর্থক প্রশ্ন’ বলে উড়িয়ে দিতে পারতেন। কিংবা একটা দায়সারা উত্তর দিয়ে বলতে পারতেন, “বড় হলে সব বুঝতে পারবে”। কিন্তু তিনি ছেলের এই কৌতূহলকে সম্মান জানালেন এবং তাকে প্রকৃতির এক অদৃশ্য বল ও শক্তি সম্পর্কে ভাবতে উৎসাহিত করলেন। আইনস্টাইন তাঁর জীবনের শেষ বয়সে এসেও স্বীকার করেছেন, বাবার দেওয়া সেই ছোট্ট কম্পাস আর তাঁর সেই দূরদর্শী আচরণই আলবার্টের মনে পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহের প্রথম বীজ বুনেছিল। অথচ আমাদের প্যারেন্টিং-এর দিকে তাকিয়ে দেখুন তো! সন্তান কোনো প্রশ্ন করলে আমরা বেশিরভারগ সময়ই বিরক্ত হই, ধমক দিই! সন্তান যদি প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনায় একটু পিছিয়ে পড়ে, আমরা তাকে ‘গাধা’ বা ‘বোকা’ উপাধি দিয়ে তার আত্মবিশ্বাসটা চিরতরে ভেঙে চুরমার করে দিই! আপনি যখন একজন পুরুষ থেকে ‘বাবা’ হয়ে ওঠেন, তখন আপনার কাঁধে একটা পরিবারের পাশাপাশি একটা অনাগত প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ন্যস্ত হয়। আপনার একটুখানি ধৈর্য, আপনার মুখের দুটো ইতিবাচক শব্দ এবং আপনার স্নেহমাখা শাসন একটা শিশুকে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখাতে পারে। সন্তানকে একজন আদর্শ, আত্মবিশ্বাসী এবং রবের প্রতি অনুগত মানুষ হিশেবে গড়ে তোলার গুরুদায়িত্ব যার, তিনিই প্রকৃত বাবা। কীভাবে শাসনের ভারসাম্য রেখে আপনার সন্তানকে আগামীর পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত করবেন, তার অমূল্য গাইডলাইন পাবেন ড. কারিম আশ শাযলী'র ‘আপনি যখন বাবা’ বইটিতে। আপনার সংগ্রহে আছে তো বইটি? . সুকুন পাবলিশি শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
62
3
بدون متن...
50
4
সাহাবিরা ছিলেন নববী পাঠশালায় গড়ে ওঠা মানবেতিহাসের এক অনন্য ও গৌরবময় প্রজন্ম, যারা দুনিয়ার বুকে ইসলামি শিক্ষা-সংস্কৃতির বাস্তব
সাহাবিরা ছিলেন নববী পাঠশালায় গড়ে ওঠা মানবেতিহাসের এক অনন্য ও গৌরবময় প্রজন্ম, যারা দুনিয়ার বুকে ইসলামি শিক্ষা-সংস্কৃতির বাস্তব নমুনা হয়ে বিশ্ব পরিস্থিতির রূপরেখাই পালটে দিয়েছিলেন। তাদের এই সোনালী জীবনের অন্ধভক্তি ও কুসংস্কারমুক্ত স্বাধীন চিন্তাভাবনা, সুন্নাহর শর্তহীন আনুগত্য, প্রবৃত্তির দাসত্বমুক্তি এবং চিরশত্রুর সাথেও ওয়াদা রক্ষার মতো অনন্য গুণাবলীর নিখুঁত চিত্রায়ন জানতে পড়ুন 'সুরভিত সাহাবি জীবন' বইটি। আপনার সংগ্রহে আছে তো বইটি? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন...
60
5
ধরুন, আপনি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। হুট করে দেখলেন রাস্তার মোড়ে চার-পাঁচজন মানুষ গোল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আপনি কৌতূহল সামলাতে না পেরে ভিড় ঠেলে ভেতরে ঢুকলেন। গিয়ে দেখলেন—তেমন কিচ্ছু না, একটা মানুষ নর্দমা পরিষ্কার করছে। আপনিও সবার মতো সেখানে ঠায় দাঁড়িয়ে ত্রিশটি মিনিট পার করে দিলেন। দিনশেষে এই আধঘণ্টার আয়ু কি আপনার বাস্তব জীবন বা ক্যারিয়ারে কোনো নম্বর যোগ করল? কিংবা আপনার আখিরাতের দাঁড়িপাল্লায় কোনো নেকি বাড়াল? উত্তরটা আপনিও জানেন—না, কিচ্ছু করেনি। ইতিমধ্যে Meta বাজারে নিয়ে এসেছে তাদের নতুন প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন—‘ফেসবুক প্লাস’। প্রতি মাসে মাত্র ৩.৯৯ ডলার খরচ করলেই আপনি জানতে পারবেন আপনার স্টোরি কে কতবার রিওয়াচ করেছে, কারোর স্টোরি না জানিয়েই চুপিচুপি দেখে আসতে পারবেন, কিংবা আপনার স্টোরির আয়ু ২৪ ঘণ্টার বদলে ৪৮ ঘণ্টা করে দিতে পারবেন। দারুণ ফিচার, তাই না? চলুন তবে এ সম্পর্কে একটা চমৎকার হাদিস জেনে আসি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজ থেকে চৌদ্দশত বছর আগে মুমিনের একটা ক্লাসিফিকেশন করে গেছেন। তিনি বলেছেন, 'একজন ব্যক্তির ইসলামের সৌন্দর্যের অন্যতম দিক হলো, তার জন্য যা অনর্থক, তা বর্জন করা।' [১] ইসলামের একটা মৌলিক সৌন্দর্য হলো—এখানে প্রতিটি কাজের পেছনে একটা সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকতে হয়। যা হয় আপনার দুনিয়াবি কোনো উপকার করবে, না হয় অন্তত আখিরাতে কোনো ফায়দা দেবে। আপনার দেওয়া ফেসবুক স্টোরিটা কে তিনবার দেখল আর কে একবারও দেখল না—এই তথ্যটা আপনার জীবনের কোন উপকারে আসবে? আপনি যখন টাকা খরচ করে জানবেন আপনার একটা বিশেষ বন্ধু আপনার ছবিটা দিনে পাঁচবার হা করে দেখেছে, আপনার অবচেতন মন তখন ‘ওভারথিংকিং’-এর এক অনন্ত সাগরে ডুব দেবে। আপনি ভাববেন—"সে কেন এতবার দেখল? সে কি আমার ওপর হিংসা করছে? নাকি আমার পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র চলছে? নাকি অন্য কোনো চিন্তা করেছে?" আবার কেউ না দেখলে মনে হবে—"এদের কেউ কি আমাকে পাত্তা তাহলে দিচ্ছে না? আমি কি তাদের কাছে ইম্পর্ট্যান্ট না?" কী অদ্ভুত, তাই না? সামান্য কয়েকটা তথ্যের পেছনে ছুটে আমরা নিজেদের ভেতরে জন্ম দিচ্ছি তীব্র মানসিক অবসাদ, সন্দেহ আর এক কাল্পনিক দুনিয়ার মোহ। আমরা প্রতি ঘণ্টায় স্ক্রিন লক খুলে চেক করছি কে আমাদের স্টোরি দেখল। এই যে ‘FOMO’ বা হারিয়ে ফেলার ভয়, এই যে সময়ের চরম অপচয়—এটার হিসাব কি কিয়ামতের মাঠে রবের সামনে আমাদের দিতে হবে না? আমরা এক অদ্ভুত ভার্চুয়াল ‘খুদে সেলিব্রেটি’র ঘোরের মধ্যে বাস করছি, যা আমাদের পরিবার, ক্যারিয়ার আর আসল ইবাদতের জগত থেকে মাইলের পর মাইল দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। টাকা খরচ করে মানুষ কেন নিজের মানসিক শান্তি আর অমূল্য সময় নষ্ট করার এই লাইসেন্স কিনছে, তা সত্যিই এক বিরাট রহস্য। আসুন না, এই অনর্থক ‘লা-ইয়ানি’র ফাঁদ থেকে নিজেকে মুক্ত করি। আমাদের জীবনের প্রতিটি সেকেন্ড বড্ড দামি, একে ফেসবুক প্লাসের মতো অনর্থক কাজে সঁপে দেওয়ার আদৌ কোনো মানে হয় কি? . রেফারেন্স: [১] সহীহ : মালিক ৩৩৫২ . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন… #Sukun_Reminder
59
6
بدون متن...
48
7
সোশ্যাল মিডিয়ার এই উন্মুক্ত প্রদর্শনীতে নারীদের পর্দা ও তাকওয়া ধরে রাখা দিনদিন কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই, নিজেকে নিরাপদ রাখতে নিচের
সোশ্যাল মিডিয়ার এই উন্মুক্ত প্রদর্শনীতে নারীদের পর্দা ও তাকওয়া ধরে রাখা দিনদিন কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই, নিজেকে নিরাপদ রাখতে নিচের ৫টি শারয়ি নীতিমালা মেনে চলা জরুরি— ১। ছবি প্রকাশ না করা: নিকাব বা পর্দার আড়ালে থাকলেও নিজের কোনো ছবি, চোখ বা অঙ্গের অংশবিশেষ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা জাহিলি যুগের প্রদর্শনীর শামিল। ২। ফ্রেন্ডলিস্ট ফিল্টার করা: নারী ও মাহরাম ব্যতীত কাউকে তালিকায় না রাখা। দ্বীনি প্রয়োজনে কাউকে শুধু ‘ফলো’ করা যেতে পারে। ৩। মেসেজ আদান-প্রদান বন্ধ রাখা: গায়রে মাহরামের সাথে অপ্রয়োজনীয় চ্যাট না করা। প্রয়োজনে কোমলতা পরিহার করে সংক্ষিপ্ত কথা বলা। ৪। কমেন্ট ও রিপ্লাই না দেওয়া: পরপুরুষের পোস্টে (যেখান থেকে ব্যক্তিগত আলাপের সুযোগ সৃষ্টি হয়) মন্তব্য বা তাদের কমেন্টের উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকা; কারণ এ থেকেই গুনাহের সূচনা হয়। ৫। ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখা: পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কোনো বিষয় এখানে শেয়ার না করাই নিরাপদ। বাস্তব এবং ভার্চুয়াল জগতেও কীভাবে আপনার লজ্জাশীলতা ও আব্রু বজায় রাখবেন, তা বিস্তারিত জানতে পড়ুন ‘পরিপূর্ণ শারয়ি পর্দা’ পর্দা বইটি। আপনার সংগ্রহে আছে কি বইটি? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন..
66
8
আগামীকাল ভোরে ট্রেনের টিকিট কাটা থাকলে আমাদের আগের রাতের মানসিক অবস্থাটা কেমন হয়? কিংবা সকালে যদি থাকে লাইফের কোনো ক্রুশিয়াল ইন্টারভিউ? আমরা আগের দিন সন্ধ্যা থেকেই ছটফট করতে থাকি। ঘড়িতে তিনটে অ্যালার্ম সেট করি, জামাকাপড় ইস্ত্রি করে রাখি, বিছানায় শুয়েও বারবার ঘড়ির দিকে তাকাই—এক মুহূর্তের জন্যও যেন ট্রেনটা মিস না হয়ে যায়! দুনিয়ার সামান্য একটা গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য আমাদের সন্ধ্যার প্রস্তুতি যদি এত নিখুঁত, এত নিখাদ হতে পারে, তবে মহাবিশ্বের রবের সাথে একান্তে কথোপকথনের জন্য আমাদের প্রস্তুতিটা ঠিক কেমন হওয়া উচিত? আমরা ভাবি, রাত তিনটেয় একটা অ্যালার্ম দিয়েই বুঝি তাহাজ্জুদের সালাতে দাঁড়িয়ে যাওয়া যায়। অথচ বাস্তবতা হলো—তাহাজ্জুদের প্রস্তুতি মূলত শুরু হয় তার আগেরদিনের সন্ধ্যা থেকেই, আপনার নিয়তের মাধ্যমে। শেষ রাতে উঠে রবের সেজদাহয় লুটিয়ে পড়তে পারবেন কি না, তার অনেকটাই তৈরি হয়ে যায় আপনার সন্ধ্যার আমল আর মনস্তাত্ত্বিক প্রস্তুতির ওপর। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের দিকে তাকান। শেষ রাতে নিখুঁতভাবে জাগ্রত হওয়ার জন্য তিনি সন্ধ্যা থেকেই কতশত ব্যাকুল প্রস্তুতি নিতেন! তিনি এশার সালাতের পর অনর্থক আড্ডা দেওয়া কিংবা গল্পগুজব করা তীব্রভাবে অপছন্দ করতেন। কারণ তিনি জানতেন, এশার পর যত বেশি কথা হবে, ঘুমাতে তত দেরি হবে। আর ঘুমাতে দেরি হওয়া মানেই শেষ রাতের সেই রাজকীয় আমন্ত্রণ থেকে নিজেকে চিরতরে বঞ্চিত করা। অথচ আমাদের অবস্থা দেখুন। এশার সালাত শেষ করেই আমাদের আসল দিন শুরু হয়! চায়ের কাপে ঝড় তোলা, ফেসবুকের নিউজফিড স্ক্রল করা কিংবা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সিরিজ দেখা—সব যেন এশার পরেই করতে হবে। ফলস্বরূপ, যখন আমরা বিছানায় যাই, ঘড়ির কাঁটা তখন বারোটা থেকে দুই-তিনটা ছুঁইছুঁই। এরপর শরীর আর মন এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়ে যে, শেষ রাতে রবের ডাক আমাদের কান অব্দি আর পৌঁছায় না। নবিজি (সা.) তো শিয়রে ওযুর পানি রেখে শুয়ে পড়তেন, যেন শেষ রাতে উঠে ওযু করতে একটুও কষ্ট না হয়। আসলে, দুনিয়ার অতি আরামের বিছানা আর অলসতাকে যারা পরাস্ত করতে পারে, শেষ রাতে কেবল তাদের জন্যই আরশের দুয়ার খুলে যায়। তাহাজ্জুদে মনোযোগী হতে সালাফ আর সাহাবাদের রাতের অবিশ্বাস্য প্রস্তুতি ও ইবাদতের গল্পগুলো আমাদের স্মরণে রাখা আবশ্যক, তাতে আমাদের অনুসরণ করতে সহজ হবে। সোনালি সব মানুষদের রাত জাগা ইবাদাতের বিস্তারিত পাবেন ‘যেমন ছিল বড়োদের তাহাজ্জুদ’ বইটিতে। তাহাজ্জুদের প্রস্তুতির সহায়তার জন্য বইটি সংগ্রহে রেখেছেন তো? . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
101
9
بدون متن...
87
10
আপনার হাত কখনোই খালি ফিরে আসবে না, ইন শা আল্লাহ।💛
আপনার হাত কখনোই খালি ফিরে আসবে না, ইন শা আল্লাহ।💛
171
11
নবিজির আলিঙ্গন পেলে বুকে উহুদ পাহাড় উঠে গেলেও ক্ষতি নেই। 💛
নবিজির আলিঙ্গন পেলে বুকে উহুদ পাহাড় উঠে গেলেও ক্ষতি নেই। 💛
168
12
ঈদের জোশে আমরা যেন দুয়া করতে ভুলে না যাই...💛
ঈদের জোশে আমরা যেন দুয়া করতে ভুলে না যাই...💛
170
13
আমরা অফার খুঁজতে ভালোবাসি। একটা কিনলে একটা ফ্রি, কিংবা ৫০% ডিসকাউন্ট দেখলে আমাদের চোখ চকচক করে ওঠে। অথচ, প্রতি বছর আমাদের জীবনে এমন কিছু অফার আসে, যার মূল্য পৃথিবীর সমস্ত ধন-সম্পদ মিলালেও কম হবে। আমরা কয়জন সে অফারগুলো লুফে নিই? উলামায়ে কেরাম বলেন, বছরের মধ্যে জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশটি দিন হলো সবচেয়ে সর্বোত্তম দিন। এমনকি নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—এই দিনগুলোর নেক আমল আল্লাহর কাছে এতটাই প্রিয় যে, সাধারণ সময়ের জিহাদও এর সমকক্ষ হতে পারে না! ভাবুন একবার, কতটা মহিমান্বিত এই দিনগুলো! তাহলে এই সোনালী সুযোগে আমাদের কী কী করা উচিত? ১। হজ্জ ও উমরাহ — যারা আল্লাহর মেহমান হয়ে গিয়েছেন, তাদের জন্য তো কথাই নেই। নবিজি (সা.) বলেছেন, গুনাহমুক্ত হজ্জের প্রতিদান আর কিছু নয়—সরাসরি জান্নাত! ২। রোজা রাখা — ১ থেকে ৯ জিলহজ্জ পর্যন্ত রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের আমল। আম্মাজান হাফসা (রা.) বলেন, নবিজি (সা.) কখনো জিলহজ্জের এই রোজাগুলো ছাড়তেন না। ৩। আরাফার দিনের রোজা — বিশেষ করে ৯ই জিলহজ্জ, অর্থাৎ আরাফার দিনের একটা মাত্র রোজা আপনার পেছনের এক বছর এবং সামনের এক বছরের গুনাহ খাতা থেকে মুছে দিতে পারে। এই সুযোগ কি হাতছাড়া করব আমরা? ৪। বেশি বেশি যিকির ও তাকবীর — এই দিনগুলোতে চারপাশের বাতাস মুখরিত হোক রবের প্রশংসায়। বাজারে, ঘাটে, ঘরে চলতে-ফিরতে পড়ুন— ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ’। সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ও আবু হুরাইরা (রা.) এই দিনগুলোতে বাজারে গিয়ে উচ্চস্বরে তাকবীর দিতেন, যেন মানুষকে আমলটার কথা মনে করিয়ে দেওয়া যায়। ৫। নখ-চুল না কাটা — যারা এবার কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, জিলহজ্জের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকে কুরবানি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত নিজের চুল, নখ বা চামড়া কাটা থেকে বিরত থাকুন। এটি নবিজি (সা.)-এর সুন্নাহ। আল্লাহ আমাদের এই দিনগুলোকে আমলের মাধ্যমে সার্থক করার তাওফিক দিন। আমিন। 💛 . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
169
14
بدون متن...
109
15
'ইমাম নববির চল্লিশ হাদিস' বইয়ের একটি হাদিসের ব্যাখ্যা থেকে...
'ইমাম নববির চল্লিশ হাদিস' বইয়ের একটি হাদিসের ব্যাখ্যা থেকে...
118
16
"তাদের সামনে ভালোবাসার সাথে, নম্রভাবে মাথা নত করে দাও এবং বল, হে পালনকর্তা, তাদের উভয়ের প্রতি রহম করো, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।" "হে আমার রব! যেদিন হিসেব অনুষ্ঠিত হবে সেদিন আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং মুমিনদেরকে ক্ষমা করুন।" 'হে আল্লাহর রাসুল! মানুষের মধ্যে আমার উপর সর্বাধিক হকের অধিকারী কে?' তিনি বললেন, 'তোমার মা।' লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করল, 'তারপর কে?' রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, 'তোমার মা।' লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করল, 'তারপর কে?' তিনি বললেন, 'তোমার মা।' লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করল, 'তারপর কে?' তিনি বললেন, 'তারপর তোমার বাবা।' - লেখকের জীবন থেকে নেওয়া . (উল্লেখিত অংশটুকু সুকুন পাবলিশিং থেকে প্রকাশিত 'দুয়া কবুলের আশ্চর্য গল্প' বই থেকে নেওয়া হয়েছে।) . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
136
17
তখন আরবি জিলহজ্জ মাস। প্রথম ১০ দিন শেষ হয়নি। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই ১০ দিনকে বছরের শ্রেষ্ঠ ১০ দিন বলেছেন। আমার হঠাৎ মনে হলো, তার মানে কি আম্মাকে আল্লাহ এই ১০ দিনের মধ্যেই নিয়ে যাবেন? এই চিন্তাটা আমার মাথায় পুরোপুরি গেঁথে গেল। আম্মাকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করানো হলো। জীবনে এই প্রথমবারের মতো আমার মনে হলো, আম্মা মনে হয় আমাদের মাঝে আর ফিরে আসবেন না। আমি আমার স্ত্রীকে অনেক কষ্ট নিয়েও কথাটা বলে ফেলেছিলাম। বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোর ছয়টা, কানাডার সময় শুক্রবার বিকাল। আম্মা আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। আমরা তো আল্লাহরই এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। টেস্ট না করলেও, আমরা সবাই বুঝতে পারি আম্মা করোনায় মারা গিয়েছেন; তাঁর অক্সিজেন লেভেল কমে গিয়েছিল। আমি সিজদায় চলে গেলাম। আমার পৃথিবীর সবচেয়ে মায়ার মানুষটা আল্লাহর কাছে চলে গিয়েছেন। আম্মার সাথে এই দুনিয়াতে আর কখনো দেখা হবে না। একটা হাদিস পড়েছিলাম-খুব কাছের মানুষের মৃত্যুর সময় কেউ যদি ধৈর্যধারণ করে, আল্লাহর পক্ষ থেকে জান্নাতই তার জন্য নিশ্চিত উপহার। আমি দুই হাত তুলে আল্লাহর কাছে অনেক অনেক দুয়া করেছিলাম। বাড়ি থেকে মেসেঞ্জারে কল করে আম্মার চেহারা আমাকে দেখানো হলো। কী অদ্ভুত! আম্মার চেহারায় সেই চিরচেনা মুচকি হাসি। যে হাসি অনেক দিন দেখিনি। তাঁর এই লুকানো হাসি আমার চেয়ে বেশি আর কেইবা চিনবে? আমার আম্মা, যাকে আমি জড়িয়ে ধরে ঘুমাতাম। আমার আম্মা, আমি যার শরীরের অংশ। আমার আম্মা, যার শরীরের গন্ধ আমি এখনও ভুলতে পারি না। আমার আম্মা, যার পায়ের নিচে আমার জান্নাত। আমার মনে পড়ল সেই হাদিসের কথা, যেখানে বলা হয়েছে, জান্নাতের ফেরেশতাদের একটা দল জান্নাতির রুহ নেওয়ার সময় চলে আসে। তারা বলে, 'তোমার আর চিন্তা নেই, এখন থেকে আমরা আছি তোমার সাথে।' আম্মা কি সেই ফেরেশতাদের দেখেছিলেন? না হলে কেন তিনি সেই শান্তির আর স্নিগ্ধতার হাসিটা ছড়িয়ে দিলেন? তিনি কি শুনতে পেয়েছিলেন মহান আল্লাহর এই বাণী, 'হে প্রশান্ত আত্মা! তুমি তোমার রবের নিকট ফিরে এসো, সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে, অতঃপর তুমি আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হও, আর প্রবেশ করো আমার জান্নাতে।' ক্যালগেরিতে যেহেতু আমরা একদমই নতুন, এই বিপদের সময়ে আমাদের সময় দেওয়ার মতো খুব বেশি মানুষ ছিল না। তাই আম্মা মারা যাওয়ার কষ্ট সহ্য করেও ২ দিন পর আবার ঘরের বাজারের জন্য পরিবারসহ বের হতে হয়েছিল। সেদিন গাড়ি চালাচ্ছিলাম আর কান্না করছিলাম। আমার আম্মার কষ্ট এবং ধৈর্যের কথা মনে করে বারবার কান্না আসছিল। আমি সারাদিন ধরে বারবার আল্লাহর কাছে একই দুয়া করছিলাম, 'ও আমার রব, আমার মা সারাজীবন ধৈর্য নিয়ে কষ্ট সহ্য করেছেন, তোমার প্রতিদানের আশায়। তুমি তাকে ধৈর্যশীল মারিয়াম আলাইহিসসালাম এবং আসিয়া আলাইহিস সালাম (ফিরাউনের স্ত্রী)-এর পাশে জায়গা দিয়ো।' এই দুয়া সেদিন কেন যেন বারবার করছিলাম। আমি বেশ কিছুদিন আগে থেকে একটা নির্দিষ্ট উপায়ে কুরআন তিলাওয়াত করতাম। আমার ফোনে কোনো একটা আয়াত পড়তাম, তারপর তার অর্থ বুঝার চেষ্টা করতাম। পড়া শেষ হলে, পরের দিন যেন একই জায়গা থেকে শুরু করতে পারি, সেজন্য দিনের শেষ পড়া আয়াতটা বুকমার্ক করে রাখতাম। সেদিন বাজার শেষ করার পর আমি চলে গেলাম আস-সালাম সেন্টারে মাগরিব পড়ার জন্য। পরিকল্পনা ছিল, মাগরিবের পর বাকি সময়টা কুরআন পড়ব, এরপর এশা শেষ করে বাসায় আসব। সেদিনও আগের দিনের জায়গা থেকে শুরু করলাম। পুরো মসজিদ খালি-আমি ছাড়া আর কেউ নেই। আমি জানতাম না, আমি তখন সুরা আত-তাহরিমের মাঝখানে ছিলাম। আমার পৃথিবী থমকে গেল শেষ দুই আয়াতে এসে। আর যারা ঈমান আনে, আল্লাহ তাদের জন্য পেশ করেন ফিরাউনের স্ত্রীর দৃষ্টান্ত, যখন সে এ বলে প্রার্থনা করেছিল, 'হে আমার রব! আপনার সন্নিধানে জান্নাতে আমার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করুন এবং আমাকে উদ্ধার করুন ফিরআউন ও তার দুস্কৃতি হতে এবং আমাকে উদ্ধার করুন যালিম সম্প্রদায় হতে'। আরও দৃষ্টান্ত পেশ করেন 'ইমরান-কন্যা মারইয়ামের যে তার লজ্জাস্থানের পবিত্রতা রক্ষা করেছিল, ফলে আমরা তার মধ্যে ফুঁকে দিয়েছিলাম আমাদের রূহ হতে। আর সে তার রবের বাণী ও তাঁর কিতাবসমূহ সত্য বলে গ্রহণ করেছিল এবং সে ছিল অনুগতদের অন্যতম। মসজিদে কেউ ছিল না। আমি অনেক শব্দ করে কান্না করছিলাম। আম্মার জন্য সারাদিন যে দুইজন মহিলার নাম ধরে দুয়া করেছিলাম, সেদিনই সেই দুইজন মহিলাকে নিয়ে পরপর দুই আয়াত আল্লাহ আমাকে পড়ালেন? এও সম্ভব? আল্লাহ কি জানান দিচ্ছেন, তাঁর ধৈর্যশীল, দুনিয়াবিমুখ এই বান্দি এখন খুব ভালো আছে? দুনিয়ার কোনো কষ্ট আর তাকে স্পর্শ করবে না? প্রিয় পাঠক, আমার জানা মতে, পবিত্র কুরআনে এই দুইজনের কথা একসাথে কেবল এই এক জায়গাতেই আছে। ঠিক সেই জায়গাটাই আমি সেদিন তিলাওয়াত করলাম। সুরা আত-তাহরিম আমার জীবনের অংশ হয়ে গেল। আল্লাহ মানুষের দুয়ার কতভাবেই না উত্তর দেন-কখনো আমরা বুঝতে পারি, কখনো পারি না। সুবহানাল্লাহ।
91
18
بدون متن...
90
19
সবটুকু যেন হুদাইবিয়ার সন্ধির মতো হয়...💛 . 'পুনরাবৃত্তি' কাব্যগ্রন্থ থেকে...✨
সবটুকু যেন হুদাইবিয়ার সন্ধির মতো হয়...💛 . 'পুনরাবৃত্তি' কাব্যগ্রন্থ থেকে...✨
115
20
ইটপাথরের এই ব্যস্ত শহরে আমরা যখন জ্যামে আটকে থাকি, তখন বিরক্তি আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছে যায়। একটু বাতাসের জন্য চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকি। এসি ছাড়া দুপুরের কড়া রোদে দশ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকলে মনে হয় জীবনটা ওষ্ঠাগত। অথচ কখনো কি ভেবেছেন—যেই সূর্যের তাপে আজ আমরা অতিষ্ঠ, কাল কিয়ামতের ময়দানে সেই সূর্য যখন মাথার একদম কাছে চলে আসবে, তখন আমাদের আশ্রয় কোথায় হবে? শুনতে হয়তো রূপকথা মনে হয়, কিন্তু নবিজি (ﷺ) আমাদের এক ভয়ংকর বাস্তবতার কথা শুনিয়েছেন। জাহান্নামীদের শরীর হবে অবিশ্বাস্য রকমের বিশাল। একেকজনের দাঁত হবে বিশাল উহুদ পাহাড়ের সমান! এক কাঁধ থেকে অন্য কাঁধের দূরত্ব হবে দ্রুতগামী ঘোড়সওয়ারের তিন দিনের রাস্তার সমান। শরীর যত বড় হবে, আগুনের দহন তত বেশি জায়গা জুড়ে অনুভূত হবে। চামড়া যত পুরু হবে, আগুনের লেলিহান শিখা তত সময় ধরে দগ্ধ করার সুযোগ পাবে। উহুদ পাহাড়ের সমান দাঁত নিয়ে যখন তারা যন্ত্রণায় চিৎকার করবে, তখন পালানোর কোনো পথ কি খোলা থাকবে? আমাদের এই নশ্বর দেহ নিয়ে আমরা কতই না দম্ভ করি! অথচ পরকালে এই দেহটাই হবে আমাদের শাস্তির কেন্দ্রবিন্দু। দুনিয়ার সামান্য আগুনের ছেঁকা লাগলে যেখানে আমরা কূল পাই না, সেখানে পাহাড়সম শরীরে যখন আগুনের সমুদ্র আছড়ে পড়বে, তখন আমাদের অবস্থা কী হবে? সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই কি আমাদের একটু ভাবা উচিত নয়? জাহান্নামের ভয়ংকর দৃশ্যাবলি সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে পড়ুন—‘জাহান্নাম যেমন হবে’ বইটি। . সুকুন পাবলিশিং শব্দে আঁকা স্বপ্ন…
92