uk
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Відкрити в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 11 322 підписників, посідаючи 7 895 місце в категорії Релігія і духовність та 2 063 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 11 322 підписників.

За останніми даними від 30 серпня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на 60, а за останні 24 години на -1, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 14.01%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 5.87% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 1 587 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 665 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 35.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 31 серпня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Релігія і духовність.

11 322
Підписники
-124 години
+47 днів
+6030 день
Архів дописів
হিজরাইল আগুনে পুড়ছে আর আপনারা পুরো পৃথিবীর মুসলমানরা তা নিয়ে উল্লাস করছেন, একটি বারও কী চিন্তা করেছেন, এভাবে উল্লাস করার দ্বারা কালিমার পতাকার মত সারা পৃথিবীতে মুসলমানদের ব্যাপারে একটা ভুল মেসেজ যাবে—ইসলাম অন্যের কষ্টে খুশি হয়! আপনাদের জযবা দেখলে আফসোস হয়। জানি না, ইসলাম বিরোধী কোন এজেন্সির স্বার্থ আপনারা উদ্ধার করছেন, পুরো পৃথিবীতে মুসলমানদের বদনাম করে!! . আল্লাহ আপনাদের থেকে ইসলামকে হেফাজত করুক।

পাঁচবছর পরে সিরিয়ায় জুলানি যেভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন দিবে। . সিরিয়ান এক ভাই🤣

তালেবদের ইস্যু, ইমরান খান ইস্যুসহ অসংখ্য বিষয়ের কারণে গত কয়েক বছরে পাক আর্মির সামাজিক অবস্থান ও সমর্থন পাকিস্তানের জনসাধারণের নিকট ব্যাপক তলানিতে ঠেকেছে। কিন্তু কাশ্মীরের ঘটনার পর পাক-ভারত যুদ্ধের আওয়াজের সাথে সাথে তা আবার অনেকটা কেটে যাচ্ছে। . পাকিরা আফগানের সাথে ব্যবসায়ীক ও কূটনৈতিক বিভিন্ন অন্যায় ও অত্যাচার করার কারণে তালেবরা পালটা ফলিসি ও পাককে চাপে রাখার জন্য ইন্ডিয়ার সাথে ব্যবসায়িক লেনদেন স্বাভাবিক করছে। এছাড়া আমেরিকা যাওয়ার আগে ইন্ডিয়ারে ভুলভাল বুঝিয়ে আফগানে প্রচুর ইনভেস্ট করিয়েছিলো, যেগুলো উদ্ধার করার জন্য তালেবদের কাছে নমনীয় হওয়া ছাড়া ইন্ডিয়ার কোনো উপায় নেই, এই সব মিলিয়ে ব্যবসায়ীকভাবে ভারতের সাথে ইমারার এখন সম্পর্ক ভালো৷ পাকিস্তানের গোদি মিডিয়া ও নাপাক আর্মি পুরো পাকিস্তান জুড়ে ঘৃণ্য একটি ন্যারেটিভ চালাচ্ছে, পাক-ভারত যুদ্ধে তালেবরা ইন্ডিয়ার পক্ষে নিবে। তালেবারা এখন মূলত ইন্ডিয়ার এজেন্ট ইত্যাদি৷ এতে তারেক মাসউদের মত আলেমরাও শরিক!!! এর দ্বারা আফগানিদের তেমন ক্ষতি না হলেও পাকিস্তানের জনসমাজে তালেবদের প্রতি আলাদা যে শ্রদ্ধা তা প্রচুর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এতে সামাজিকভাবে তেহরিক ভালোই ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করি। . যুদ্ধ বাধবে না, এটা নিশ্চিত এখনো। তবে এই যুদ্ধের নামে পাকিরা তাদের বড় দুইটা মনস্তাত্ত্বিক স্বার্থ উদ্ধার করছে। . যদি আমরা ধরে নেই পাক-ভারতের পরস্পরে এখন যা চলছে তা নাটক নয়, এবং কিছু হলে বাস্তবিকই তারা যুদ্ধ করতে চায় আর পাক আর্মির মাথায় সামান্য ঘিলুও থাকে তাহলে উপরের ধরে নেওয়া ফলাফলে পাক আর্মি অবশ্যই তেহরিকের সাথে বড়ধরনের সমঝোতা চুক্তিতে যেতে হবে৷ বা চুক্তির জন্য চেষ্টা করে যেতে হবে। নাহলে ঘরের ভিতর এত বড় এনিমি নিয়ে ভারতের সাথে যুদ্ধে যাওয়া পাগলামি ছাড়া কিছুই নয়৷ . আর যদি ধরে নেই যুদ্ধ বেধে যাবে (যদিও সামান্যতম সম্ভবনাও এখনো দেখছি না) তাহলে এই যুদ্ধে কাশ্মীরি সশস্ত্র গ্রুপ, পাকিস্তানের সশস্ত্রগ্রুপ, তেহরিক ও সবেচেয়ে বেশি লাভবান হবে আফগান ইমারাহ। সশস্ত্রগ্রুপগুলো লাভবান হবে মূলত, যুদ্ধের কারণে অস্ত্রের সহজলভ্যতা। এছাড়া পাক আর্মি যুদ্ধে শক্ত অবস্থানের থাকার জন্য বিভিন্ন গ্রুপগুলোকে অবশ্যই অস্ত্র ও ট্রেনিং দিবেই দিবে। এটা পাকেও দিবে ভারতেও দিবে৷ কারণ পাক আর্মির এটাই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। এখানে পাক আর্মির অনিচ্ছা থাকলেও এমন অনেককে ট্রেনিং দেওয়াতে হবে যেটা তারা চায় না৷ আর এতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ভালোই উপকৃত হবে যদি তারা সঠিক চাল দিতে পারে৷ আর তালেবরা লাভবান হবে, মূলত পাক-গোয়ান্দা আর ফরেন ফলিসি ইত্যাদি সবকিছু তখন স্বাভাবিকভাবেই ভারত নিয়েই ব্যস্ত হয়ে যাবে। ইমারাহ নিয়ে তাদের স্বাভাবিক চক্রান্ত বাধাগ্রস্ত হবে। এছাড়া যুদ্ধের কারণে পাকিরা আফগানের সাথে বিভিন্ন চুক্তি—ব্যবসায়িক-সামরিক, করতে বাধ্য হবে। আফগানিরা উপরে থেকে পাকিদের সাথে তখন অনেক কিছু উদ্ধার করে নিতে পারবে। . একটা কথা আমি বিশ্বাস করি, বর্তমান আধুনিক পৃথিবীতে জাতীরাষ্ট্রগুলো যেখানেই যুদ্ধ জড়াবে, চাই তা কা*ফের জাতীরাষ্ট্র হোক বা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতীরাষ্ট্র হোক, এতে মুসলিমরাই উপকৃত হবে। কেনো, কীভাবে, তা কোনো এক আড্ডায় বলবো ইনশাআল্লাহ। শুধু এতটুকু বলি, এক ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধেই ইসলামি ইমারাহগুলো ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছে বিভিন্ন দিক থেকে তা বিশ্লেষকদের কাছে অজানা নয়।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মানবীয় গুণাবলি ও বিশেষণ নিয়ে অনেকে সীরাত লিখেছেন। রাসুলকে রাজনীতিবিদ হিসেবে, সমরবিদ হিসেবে, রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। উলামায়ে কেরাম এই ধরণের সীরাতচর্চাকে সমস্যাজনক মনে করে এসেছেন এবং এটাকে প্রাচ্যবিদদের পদ্ধতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কারণ প্রাচ্যবিদরাও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মানবীয় বিভিন্ন দিকের স্বীকৃতি দিয়ে তার জীবনের মূল ব্যাপারটাকে এড়িয়ে যায়। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মূল শ্রেষ্ঠত্ব তিনি একজন নবী, আল্লাহর পক্ষ থেকে তিনি ওহী প্রাপ্ত হয়েছেন। এটাই তার জীবনের মূল স্প্রিরিট। এটাই তার জীবনের একমাত্র মিশন, একমাত্র লক্ষ্য। এটার ভিত্তিতেই তিনি দুনিয়াতে এসে সমাজে মেরুকরণ করেছেন, যুদ্ধ- বিগ্রহ ও দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন। সীরাত চর্চার এই দিকটা নিয়ে আমাদের অনেক মুহাক্কিক আলেমই লিখেছেন, বই রচনা করেছেন। এই পয়েন্টটিকে আমি একটি রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ফীট করতে চাই। ইসলামী ইমারাহ/ রাষ্ট্রের নানাভিদ কল্যানকর দিক আছে। এটা স্বয়ং অনেক অমুসলিমও স্বীকৃতি দেয়। কিন্তু ইসলামী রাষ্ট্র হিসেবে সেটার মূল ভিত্তি কী, মূল পরিচয় কী, মূল বৈশিষ্ট্য কী? অবশ্যই তাওহীদের স্বীকৃতি ও ওহী। এই জিনিসটা না থাকলে সেই রাষ্ট্রের কোন গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি ইসলামে নেই। এজন্য ফিকহী তুরাসি রাষ্ট্রের কেন্দ্রে এদুটি থাকার পর কিছু জুলুম বা অনিয়ম থাকলে সেটার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণে অনুৎসাহ আছে। কিন্তু রাষ্ট্রের কেন্দ্র থেকে তাওহিদ ও ওহী হারিয়ে গেলে ফিকহী তুরাসে সেটাকে স্বীকৃতিই দেয়া হয়নি এবং সেই রাষ্ট্রকে মানার আবশ্যিকতাকেও স্বীকার করা হয়নি। বরং সেটার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও ji হা দের বৈধতা দেয়া হয়েছে। যাই হোক সেটা ভিন্ন আলোচনার বিষয়। কল্যান রাষ্ট্র ইত্যাদি পরিভাষা থেকে আমার কাছে মনে হয় এই গ্যাপটা তৈরি হয়, যেটা উলামায়ে কেরাম সীরাতচর্চার ক্ষেত্রে বলেছেন। মনে হয়, এটা তাওহীদ ও ওহীর প্রশ্নকে প্রচ্ছন্ন করে দেয়। তাওহীদ ও শিরক এবং ওহী ও প্রবৃত্তির দ্বন্দ্বকে অস্পষ্ট করে তুলে। যেটা ইসলামের মূল স্প্রিরিট ও বার্তা। সেকুলারিজম, লিবারেলিজম, ডেমোক্রেসি ইত্যাদি বিদ্যমান ইজমের সাথে মুসলিমদের মূল দ্বন্দ্বটা কিসের? তাওহিদ আর ওহীরও তো। এসব ইজম তাওহীদ আর ওহীকেই তো ছুড়ে ফেলে এবং একে গৌন বিষয় বানিয়ে দেয়। তাওহীদ আর ওহীর সাথেই তো এগুলোর মূল সংঘর্ষ। মুসলিম সমাজে এই স্প্রিরিট, বার্তা ও দ্বন্দ্বকে সুস্পষ্ট ও মূল আলোচ্য বিষয় না বানাতে পারলে, বিদ্যমান রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল পরিবর্তন ও ইসলামী রাষ্ট্রকল্প নির্মাণ সম্ভব হবে বলে মনে করা যায় না। ©ইফতেখার সিফাত হাফিজাহুল্লাজ

রাজধানী মোগাদিশুর সবচেয়ে বড় সেনা ক্যাম্প হালানি ঘাটাতি আজ সোমালিয়ান বিদ্রোহী গোষ্ঠী আক্রমন করেছে। এই আক্রমণে আমেরিকার তিনজন নিহিত হয়েছে। . ইসলামি শুরার আধুনিক ভার্সন গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে এসে আমেরিকান সৈন্য ও নাগরিকরা আজ প্রাণ দিচ্ছে, মুসলমানদের জন্য এর থেকে লজ্জাজনক বিষয় আর কী হতে পারে!

বিভিন্ন এলাকা ভিত্তিক যে সমস্ত ভাইরা দাওয়াহ সার্কেল তৈরি করেছেন, তারা অন্যান্য এক্টিভিটির পাশাপাশি বিন্দুত্ববাদ দিয়ে এলাকার জনসমাজকে সচেতনার জন্য কাজ করতে পারেন৷ বিশেষত মুসলিম মেয়েদের ফাদে ফেলার যে কাজটা চলছে, সেটা দিয়ে সহজেই এলাকায় কথা বলা যাবে। বিন্দুত্ববাদ নিয়ে কাজ করতে গেলে এলাকায় যদি বাধার সম্মুখীন হন, তাহলে কারা বাধা দিচ্ছে কোন মোটিভ থেকে বাধা দিচ্ছি এগুলোই ভাইরা নোট করে ফেলবো এবং সংরক্ষন রাখবো। . স্কুল কলেজগুলোর দাওয়াহ সার্কেলের ভাইরা, বিশেষত বোনরা এই বিষয়ে বিশেষ সতর্ক হোন, এবং এক্টিভিটি বাড়ান। বোনরা আড্ডার আলোচনাতে বান্ধবীদের সাথে এগুলো নিয়ে কথা বলুন৷ অমুসলিমদের সম্পর্কে আমাদের সম্পর্ক কেমন হবে এই সংক্রান্ত ইলম বৃদ্ধি করুন আল্লাহর ওয়াস্তে। . যদি পাশের গিন্দুত্ববাদ নিয়ে আমার আপনার মাথায় পর্যপ্ত পেরেশানি না আসে, তাহলে ফিলিস৩ নিয়ে আমার পোষ্ট আর দৌড়ঝাপ শুধুই এবং শুধু কিছু খুচরা আবেগ ছাড়া কিছুই না। এই আবেগের জন্য হয়তো ব্যক্তি নিজে কিছুটা সাওয়াবের অধিকারী হতে পারেন, কিন্তু উম্মাহের জন্য এই আবেগের সামান্য পয়সারও কোনো দাম নাই। . আমাদের সমাজে হিন্দুদের উপস্থিতি মৌলিক কোনো সমস্যার বিষয় না। এটা আল্লাহ পদত্তই একটা নেজাম। কিন্তু গিন্দুত্ববাদ সমাজের একটি মৌলিক সমস্যা এটার স্পষ্ট মেসেজ আমাদের সকলের কাছে পৌঁছাতে হবে। .

অন্য একটি কিতাব খুজতে গিয়ে এত সুন্দর কিতাবটি পেয়ে গেলাম। . গণতন্ত্র নিয়ে এই কাজটা অন্যান্য কাজ থেকে অনে ব্যতিক্রম। এটা মূলত লেখকের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তিদের সাথে গণতন্ত্র নিয়ে মুনাজারা, বহস হয়েছে, সেগুলোর সংকলন। . চমৎকার কাজটা পড়তে পারেন।

অনেক বড় একটা সুযোগ এখন আমাদের প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে—চাই আমি দ্বীনের যেই ফিল্ডেই থাকি, গিন্দুত্ববাদ নিয়ে তুমুল আলোচনা করবো। কিন্তু দুঃখজনক আমরা করছি না। এটার খেসারত আমাদের দিতে হবে! আল্লাহ মাফ করুক। . অনেকে করতে পারছেন না, তথ্য না থাকার কারণে, তারা অবশ্যই এই চ্যানেলের ভিডিওগুলো দেখে নিবো। ইনশাআল্লাহ গিন্দুত্ববাদের পুরো বাস্তবতা আমাদের সামনে চলে আসবে। ফেসবুক পেইজ : https://www.facebook.com/share/1CYsngrH4r/ ইউটিউব চ্যানেল : https://youtube.com/@realitycheckbd?si=zzQUTVCZWPWd29n2 টেলিগ্রাম : https://t.me/realitycheckbd1

শাবাব অস্ত্র কোই পায়, গবেষকরা যে উত্তর দিতে পারতেছে না, 😭😭😭
শাবাব অস্ত্র কোই পায়, গবেষকরা যে উত্তর দিতে পারতেছে না, 😭😭😭

(সাধারণ টুরিস্ট মারা গেছে, হেড এ ফেইস) দখ[ল]কৃত মুসলিম ভূমি কা-শ-মিরের ঘটনায় যে ২৬ জন বিদায় নিয়েছে। তাদের মধ্যে.... ০১= হেজ্রায়েলি ০১= ইতালিয়ান ০১= ডারতীয় নৌ বাহিনী অফিসার-লেফটেন্যান্ট Navy officer, Lieutenant Vinay Narwal from Haryana ০১= ডারতীয় বিমান বাহিনীর অফিসার=- IAF official Tage Hailyang ০১= কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিসার Manish Ranjan was a Central Intelligence Bureau officer from Bengal’s Purulia district. ০১= টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস এর অফিসার- US-based TCS techie Bitan Adhikari এই টাটা সরাসরি হেজ্রায়েলে সাম@রিক খাতে বিনিয়োগ করেছে। বাকি অধিকাংশই ডারতীয় সরকারি কর্মকর্তা ও সরকারের সাথে যুক্ত ব্যক্তিবর্গ। (এছাড়া এই তালিকার মধ্যে শুধুমাত্র একজন মুসলিম রয়েছে।) . সূত্র= ইন্ডিয়া টুডে ও রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড- দুটোই মা[ল]উন মিডিয়া...কমেন্টে লিংক (পুরো তালিকা আছে সেখানে)

তুরস্কের ইসলামিক উপনিবেশ, আলহামদুলিল্লাহ! https://www.facebook.com/share/p/1VrSGXZREi/

সাফিন রাহমান, যে এই আক্রমনকে চক্রান্ত বলছে, সেও বলতেছে নিহিত ২৬ জনের মাঝে ২০ জনের মত রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থার লোক! . তাহলে স
সাফিন রাহমান, যে এই আক্রমনকে চক্রান্ত বলছে, সেও বলতেছে নিহিত ২৬ জনের মাঝে ২০ জনের মত রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থার লোক! . তাহলে সাধারণ পর্যটকের উপর হামলার নিউজ দেখি বেশি আসতেছে? আসলে ঘটনা কী?

আল্লাহ! যারাই শরীয়া প্রতিষ্ঠার পথে বাধা তুমি তাদেরকে ধ্বংস করো।
আল্লাহ! যারাই শরীয়া প্রতিষ্ঠার পথে বাধা তুমি তাদেরকে ধ্বংস করো।

শুনতে পারেন পুরোটা, পাকিস্তানের হালত নিয়ে কিছু আলোচনা। https://www.facebook.com/share/v/1LRfHkuf2q/

- সব পুরুষই ধোকাবাজ। - জ্বি আপু, আপনি এজন্য বাপ, ভাই,আর জামাই ছাড়া অন্য পুরুষের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখবেন নাহ, এদের কাছেই আপনি নিরাপদ। অন্যরা আপনার ক্ষতি করবে। - ধর্মান্ধ, মাদ্রাসাছাপ, নারীবিদ্বেষী, মাই লাইফ মাই রুলস, তুই বলার কে? . ©

সোমালিয়ার আশ-শাবাব নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা, ডকুমেন্টস ভিডিও পাওয়া যায় না। তবে এই ভিডিওটা মোটামুটি বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। যারা সোমালিয়ার ইতিহাস ও শাবাবদের সম্পর্কে জানতে চান, তারা এটা দেখতে পারেন। https://youtu.be/DeKtzgp2g4s?si=IL5GTiDXD71-AUtR

পুরো পৃথিবীর কুফরের সর্দার নাকি পৃথিবীব্যাপি ইসলামের প্রচার ও প্রসারের ব্যাপারে আন্তরিক ও ইখলাসপূর্ণ ছিলো! . পোপের মৃত্যুতে শাইখুল আযহারের মূল্যায়ন! . ও আল্লাহগো...

যৌনকর্মীদের শ্রমিক হিসেবে 'মর্যাদা' দেওয়ার ব্যাপারটা 'মানবিকতা' হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও ব্যাপারটা শতভাগ অর্থনৈতিক। সেক্স ইন্ডাস্ট্রি অনেক বড় একটা ইন্ডাস্ট্রি। আমরা হয়তো গলিঘুপচির নিম্নশ্রেণির পতিতালয়ের বাইরে এর পরিসর চিন্তা করছি না কিন্তু যেসব দেশে এই ইন্ডাস্ট্রি আছে এটা কল্পনাতীত আকার ধারণ করেছে। ব্রথেল, পর্নোগ্রাফি, অনলাইন প্রস্টিটিউশন, ক্যামিং, ক্লাবিং, সেক্স-টয় সহ অ্যাডাল্ট এন্টারটেইনমেন্ট সম্পর্কীত শত শত সেক্সুয়াল সার্ভিস আর প্রোডাক্ট আছে এই ইন্ডাস্ট্রিতে। এই ইন্ডাস্ট্রি থেকে 'বৈধ'ভাবেই অ্যামেরিকা ও ইউরোপিয়ান দেশের সরকারগুলো মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ট্যাক্স লাভ করে। আর যারা এই ইন্ডাস্ট্রি চালায় তাদের পকেট তো ভারি হয়ই। সেকুলার সিস্টেমে ভালো-মন্দের বিবেক বলে কিছু থাকতে নেই। অর্থপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে এমন যেকোনো কিছুকে সে এক্সপ্লয়েট করে পূজনীয় বানায়। এজন্য সে সেক্সকে ঘিরে বিরাট ইন্ডাস্ট্রি বানিয়ে ফেলেছে। একান্ত গোপন, ব্যক্তিগত, নৈতিক একটা বিষয়, যেটা মানুষের খুব জৈবিক চাহিদা -- সেটাকে সে জঘন্যভাবে এক্সপ্লয়েট করেছে। এজন্য লজ্জা, গোপনীয়তা, লয়ালটি, সামাজিক দায়বদ্ধতা সবকিছুকে এক পাশে ঠেলে সেক্সকে বিক্রয়যোগ্য পণ্যে পরিণত করেছে। এটার জন্য আর্থিক, আত্মিক, মানসিক আর সামাজিক চড়া মূল্য দেয় বেশিরভাগ মানুষ আর পকেট ভারি করে এই সমাজের 'দেবতারা'৷ এই প্রচণ্ড অমানবিক বিষয়টার স্বাভাবিকীকরণকে মেনে নিয়েছে প্রগতিশীল পুরোহিতরা। মানুষের কাছে এই প্রোডাক্ট বিক্রি ও সহজলভ্য করার জন্য সেকুলারিজম আপনার কাছে প্রচার করে 'মানবাধিকার' আর 'প্রগতি'। এই বিষ সরাসরি গিলে ফেললে নারীদেহের সর্বোচ্চ অপমানকে 'শ্রম' হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আর বাঁধে না, 'ওনলিফ্যান্স' এ সার্ভিস দেওয়া মেয়েটাকে মনে হয় 'এমপাওয়ারড উম্যান'। অল্প ডোজে এই বিষ পান করলে চোখের সামনে আসা সকল অশ্লীলতা আর অপকর্মকে 'অধিকার' হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। এই বিষের জাস্ট গন্ধ নিলেও মনে হয় স্ত্রী আর মা হওয়া দুনিয়ার সবচাইতে বড় অকাজ। এই বিষ মানুষকে দিয়ে মানুষের পূজা করায়। কিন্তু এই পূজাকে যেন মানুষ পূজা না ভেবে প্রগতি মনে করে, সেজন্য আপনার-আমার কিছু 'সংস্কার' প্রয়োজন। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিশ্বাস করতে হবে, 'মানবিকতা' মানে হোলো যৌনকর্মকে 'শ্রম' হিসেবে 'মর্যাদা' দেওয়া। (এক লাইনে অসংখ্য আয়রনি!) কিন্তু বেইসলাইন রিয়েলিটি হচ্ছে আপনি এই 'মানবিকতা' চর্চা করলে বা এই কাজগুলোকে স্বীকৃতি বা মোরাল লেজিটিমেসি দিলে দেবতাদের ব্যবসা করতে সুবিধা হয়, ইন্ডাস্ট্রির আয়তন বাড়ে, ডিমান্ড-প্রোডাকশন-সাপ্লাই সবই তুঙ্গে উঠে। ক্রাইসিস হ্যান্ডেল না করে সেটাকে জিইয়ে রেখে ব্যবসা কিংবা ক্ষমতার চর্চা করা -- এটা সেকুলার ব্যবস্থার কর্নারস্টোন। আচ্ছা, কখনও কি এই প্রশ্ন আপনারা করেন না, যে পশ্চিমা সভ্যতা পুরো বিশ্বে সবচে বেশি মানুষ হত্যা করেছে, মানুষের মর্যাদা ভুলুণ্ঠিত করেছে, মানুষের অধিকার সর্বোচ্চ মাত্রায় লঙ্ঘন করেছে, মানুষের ওপর অবর্ণনীয় দখলদারিত্ব চাপিয়েছে, সেই একই সভ্যতা, সেই একই লোকগুলো কেমন করে আপনার কাছে 'মানবিকতা', 'মানবাধিকার', 'সাম্য', 'মর্যাদা', 'স্বাধীনতা' শেখানোর জন্য একটা কল্যাণকামী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় কোনো ধান্ধাবাজির নিয়ত ছাড়া? মানে ঠিক কখন তারা তওবা করে ভালো মানুষ আর সভ্যতার পথপ্রদর্শক হয়ে উঠলো আর ওদের থেকেই ভালো-সভ্য মানুষ হওয়া শিখতে হবে? আমরা এসব প্রস্তাবনা স্রেফ এই কারণে প্রত্যাখ্যান করি না কারণ এগুলো অমুক-তমুক ইসলামী আইনের বিরুদ্ধে যায়। বরং আমরা পশ্চিমাদের পুরো ফাউন্ডেশনাল ফ্রেইমওয়ার্কটাকেই প্রত্যাখ্যান করি। প্রগতি, মানবাধিকার, উন্নয়ন, মর্যাদা বলতে ওরা যা বোঝায় সেসবের কোনোটার সাথে একমত নই। এই উপলব্ধি থেকেই মুক্তির শুরু। লেখছেন: জীম তানভির ভাই (হাফিজাহুল্লাহ)

ইসলাম ও ঈমানের একমাত্র দাবি হলো কু'ফর ও আহলে কুফ'রদের সাথে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা পরিহার করা। অর্থাৎ যদি কোনো ব্যক্তি বাস্তব অর্থে ইসলাম এবং ঈমানের সৌভাগ্যে দীক্ষিত হয়, তাহলে সে কু'ফর ও আহলে কুফ'রদের সাথে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে না। কু'ফর ও ঈ'মান বিপরীতমুখী দুই জিনিস, যেখানে একটির প্রতি ভালোবাসা অন্যটির প্রতি ঘৃণা জন্মায়। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন। ভাবনায় বিশুদ্ধতা