fa
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

رفتن به کانال در Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah bin bashir

کانال Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 299 مشترک است و جایگاه 8 134 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 025 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 299 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 24 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 81 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 4 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 19.46% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 8.31% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 199 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 939 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 48 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 25 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

11 299
مشترکین
+424 ساعت
+317 روز
+8130 روز
آرشیو پست ها
একজন সাধামাটা মোল্লা কীভাবে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গোয়ান্দা বাহিনীকে যাষ্ট মূলা খাইয়ে তাদের সামারিক ঘাটি উড়িয়ে দিলো! এফবিআইয়ের সাবেক এজেন্ট কামরান ফরিদির এই পডকাস্ট শুনে অবিশ্বাস্য এক অনুভূতি নিয়ে বসে আছি! https://youtu.be/eS8ZmovY7vo?si=D7QLdY3i5FOkhsv9

তাহাজ্জুদ বিষয়ক এই বইটা দিলে বেশ আগ্রহ তৈরি করে। রমাদানের মাস, কিয়ামুল লাইলের মাস—তারাবিহ, তাহাজ্জুদের মাস। এই অফারে বইটি সংগ
তাহাজ্জুদ বিষয়ক এই বইটা দিলে বেশ আগ্রহ তৈরি করে। রমাদানের মাস, কিয়ামুল লাইলের মাস—তারাবিহ, তাহাজ্জুদের মাস। এই অফারে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ ফায়দা হবে। অর্ডার লিংক : https://www.facebook.com/share/15uZ3whmsu/

মাহফুজের বিরোধিতা আমি কেন করি এবং কেন তাকে ক্ষতিকর মনে করি? একটা ঘটনা বলি৷ তাহলে বুঝবেন। আপনারা জানেন যে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সংস্কার নিয়ে আমরা জুলাই-পরবর্তী সময়ে কিছুদিন আন্দোলন করেছিলাম। এই সংস্কারের জন্য অনেকগুলো বিষয়ের সাথে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ছিল ইফাতে যোগ্য একজন ডিজির নিয়োগ। এটা হলে সংস্কারের কাজ অনেক সহজ হতো এবং ইফা তার মূল চরিত্রে ফিরে আসতে পারত। কারণ সরকারী এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অতীতে বহু খেদমত হয়েছে, এখনো হবার মতো প্রচুর সুযোগ আছে। কিন্তু অযোগ্য আর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে সেটা হচ্ছে না৷ আমরা ধর্ম উপদেষ্টার কাছেও লিখিতভাবে এই দাবীগুলো পেশ করেছিলাম। তিনিও আশ্বাস দিয়েছিলেন এবং চেষ্টার ব্যাপারে আন্তরিক ছিলেন। সেই সময় ঢাকা ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক, যিনি আবার আলেমও, ইফার ডিজি হিসেবে নিয়োগের কাজ অনেকদূর এগিয়ে যায়। তিনি ধর্মীয় এবং জেনারেল উভয় লাইনেই পড়াশোনা করা মানুষ হবার পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনেও সরব ছিলেন। সবমিলিয়ে তার নিয়োগপত্র প্রায় চূড়ান্ত ছিল৷ তার নিয়োগের ব্যাপারে ধর্মউপদেষ্টার পক্ষ থেকে সাক্ষরকৃত ফাইল চলে যায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে। আমরা চূড়ান্ত মুহুর্তের জন্য অপেক্ষা করতে থাকি। কিন্তু সেই মুহুর্ত আর আসে না৷ পরে জানতে পারি, মাহফুজ আলমের কারণে সেই ফাইল ওখানে আটকে দেওয়া হয় এবং ইফার ডিজি হিসেবে তার নিয়োগও স্থগিত হয়৷ এর পরিবর্তে কিছুদিনের জন্য একজন সচিবকে সাময়িক সময়ের জন্য  ডিজির পদে নিয়োগ দেওয়া হয়, পরে অন্য একজন আসে। মাহফুজ চায়নি এই প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি ঐতিহ্যবাদী কোন 'মোল্লা' এর হাতে চলে যাক। এতে করে ইসলামপন্থীরা শক্তিশালী হবে ও তাদের কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পাবে৷ এটা সে কোনভাবেই চায় না৷ হয়ত এর কারণে তার 'নদীয়ার ইসলাম' প্রচার-প্রসার বাধাগ্রস্ত হবে৷ (তার এই না চাওয়ার আরো একটা ঘটনা আপনারা অনেকেই জানেন৷ যেটা লিখেও পরে আবার কোন এক কারণে সরিয়ে ফেলতে হয়েছিল আমাদেরকে।) ইফার মাধ্যমে ইসলামের জন্য এদেশে সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কী পরিমাণ কাজ করা সম্ভব এটা আমাদের কল্পনারও বাইরে। কিন্তু বছরের পর বছর এই প্রতিষ্ঠানটাকে পঙ্গু বানিয়ে রাখা হয়েছে। পঙ্গুত্ব কাটিয়ে ওঠার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল সেটাকেও মাহফুজ গং গলা টিপে হত্যা করেছিল। আব্দুল্লাহ আল মাসুদ

দ্রুত বিচার সম্ভব একমাত্র ইসলামী শরীয়া বিচারব্যবস্থায়। ১. অপরাধীর অপরাধ প্রমাণ হয়ে গেলে 'অপরাধীর মানবাধিকার' একটা বুলশিট আলাপ
+3
দ্রুত বিচার সম্ভব একমাত্র ইসলামী শরীয়া বিচারব্যবস্থায়। ১. অপরাধীর অপরাধ প্রমাণ হয়ে গেলে 'অপরাধীর মানবাধিকার' একটা বুলশিট আলাপ। এসব ন্যাকামি ইসলামে নাই। পুরো রিপোর্ট পশ্চিমের পা-চাটামি রিপোর্ট। তার মাঝেও কিছু বাস্তবতা উঠে এসেছে। ২. রাষ্ট্রপক্ষের আর আসামিপক্ষের উকিলের একচেটিয়া আধিপত্য খর্ব করে দীর্ঘসূত্রিতা খতম করা যায় একমাত্র এই ব্যবস্থায়। কেননা, কেইস ফাইল করা থেকে নিয়ে একদম রায় দেয়া পর্যন্ত প্রতিটি স্টেপে বিচারক স্বয়ং হাজির থাকেন। বিচারককে ভূগোল বুঝানোর কাউকে দরকার হয় না। বিচারক কনভিন্সড, ব্যস রায় হয়ে যাবে। কথা ও প্রশ্নের মারপ্যাঁচে ফেলে সাক্ষীকে কনফিউজ করে বাকচাতুর্য দিয়ে মামলা ঘুরিয়ে দেবার সুযোগ নেই। সব প্রমাণ থাকার পরও ৯০ দিন কেন লাগবে আছিয়ার ধর্ষণ মামলায়? এই আমলাতন্ত্র বৃটিশ কমন ল' এর তরিকা। এইজন্য সুপ্রীম কোর্টে ৩১ লাখ মামলা ঝুলে আছে, ৩১ লাখ অপরাধী ঘুরে বেড়াচ্ছে, ৩১ লাখ বাদী ভয়ে ভয়ে দিন কাটায়। অপরাধ কমবে কীভাবে। ওদিকে তালেবান কোর্ট মাসে ২ লাখ মামলা নিষপত্তি করে অপরাধ কমিয়ে এনেছে। শরীয়া কোর্ট ছাড়া এসব স্বপ্ন অর্থহীন।

হামাস যে মোসাদের সৃষ্টি এব্যাপারে যেকানে কারো ইখতিলাফ নেই, সেখানে আসিফ-শক্তিরা ‘ড়’-এর সৃষ্টি সেটা নিয়ে কেনো ইখতিলাফ হবে! যে বিষয়ে ইখতেলাফ নাই, সে বিষয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন না।

সোমালিয়ায় বিদ্রোহী গোষ্ঠী হারাকাশ শাবাব দ্রুত রাজধানী মোগাদিসুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, মোগাদিসুর আশপাশের বেশ কিছু অঞ্চলের গোত্রনেতা শা/বা/বের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন। এতে স্পষ্ট, পশ্চিমা সমর্থিত সরকার জনসমর্থন হারিয়ে ফেলেছে। অন্যদিকে, তাদের বাহিনী ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। . রাজধানীর দক্ষিণ সংযোগস্থলে ইতিমধ্যেই তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে। সরকারি বাহিনীর প্রতিরক্ষা দুর্বল হয়ে পড়েছে, এবং শাবাব পরিকল্পিত সামরিক কৌশলের মাধ্যমে ধীরে ধীরে রাজধানীর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এদিকে, সাধারণ জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। . মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মোগাদিসুর পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। তারা তাদের নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়েছে যে, যেকোনো মুহূর্তে সেখানে ব্যাপক হামলা হতে পারে, এবং তারা সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার সক্ষমতা রাখে না। এরই মধ্যে বেশ কিছু দেশ মোগাদিসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট বাতিল করেছে, ফলে বর্হিবিশ্বের সঙ্গে কার্যত বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করেছে সোমালিয়া। . দেশটির চলমান সংকটের মূল কারণ পশ্চিমাদের চাপিয়ে দেয়া দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার। জনগণ বারবার প্রতিশ্রুতি পেলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং, প্রশাসনের অযোগ্যতা ও দমননীতি সাধারণ মানুষকে শাবাবের দিকে ঠেলে দিয়েছে। শাবাবের কৌশলগত সফলতা কেবল তাদের সামরিক শক্তিতে সীমাবদ্ধ নয়; তারা জনগণের আস্থা অর্জন করতেও সচেষ্ট। ইতোপূর্বে যখনই তারা কোনো অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, সেখানেই তুলনামূলক কার্যকর প্রশাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। . পশ্চিমা শক্তিগুলো একদিকে "স্থিতিশীলতা" বজায় রাখার কথা বললেও, বাস্তবে তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্যই সোমালিয়ায় হস্তক্ষেপ করে আসছে। মার্কিন সামরিক উপস্থিতি, ড্রোন হামলা ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করা হয়েছে, যার ফলে প্রতিরোধ তীব্রতর হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি গতিধারা বলছে, সোমালিয়ায় দ্রুত পটপরিবর্তন ঘটবে ইনশাআল্লাহ। যেটি কেবল সোমালিয়ার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিই বদলে দেবে না, বরং গোটা পূর্ব আফ্রিকার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণই পাল্টে দেবে বিইযনিল্লাহ। লেখেছেন, মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক সাঈদ আবরার

মুসলিম উম্মাহের উপর জিহাদ ফরজ একটি বিধান—হয় তা ফরজে কিফায়াহ হিসেবে হবে অথবা ফরজে আইন, এই বিধান কুরআন, সুন্নাহ ও উম্মাহের সর্বসম্মত মত। কেউ যদি জিহাদের ফরজিয়াতকে অস্বীকার করে তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে। বিশিষ্ট হানাফি ফকিহ মাওসিলি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৬৮৩) লেখেন, والجهاد فريضةٌ مُحكَمةٌ يَكْفُرُ جَاحِدُها، ثَبَتَتْ فَرضيَّتُهُ بالكتاب والسُّنةِ وإجماع الأمة. জিহাদ একটি মুহকাম ফরজ বিধান, যার ফরজিয়াত কুরআন, সুন্নাহ ও উম্মতের ইজমা দ্বারা প্রমাণিত, কেউ এর ফরজিয়াতকে অস্বীকার করলে কাফের হয়ে যাবে। -আল-ইখতিয়ার লি-তালিলিল মুখতার ৭/৭, সলাহ আবুল হাজের তাহকিককৃত নুসখা

প্রকাশনীর পক্ষ থেকে বইয়ের জন্য ক্যাপশন লেখে দিতে বলেছে। বলে দিলাম। দেখেন আপনারা যা ভালো মনে করেন। বই অর্ডারের লিংক : https://
প্রকাশনীর পক্ষ থেকে বইয়ের জন্য ক্যাপশন লেখে দিতে বলেছে। বলে দিলাম। দেখেন আপনারা যা ভালো মনে করেন। বই অর্ডারের লিংক : https://www.facebook.com/photo/?fbid=1129317652538460&set=a.602514198552144

মারকাযুস সাহওয়াতে সিয়াসাত বিষয়ে আমার দ্বিতীয় মুহাজারার লিংক, (শুনার আগে অবশ্যই মনে রাখবেন, এগুলো আমার অগোছালো কিছু পড়াশোনার অগোছালো কিছু কথাবার্তা। আর কোনো ভুল নজরে পড়লে অবশ্যই জানাবেন ইনশাআল্লাহ। চির কৃতজ্ঞ থাকবো) https://drive.google.com/file/d/13-OJRPneE5MdPcjEBFWP9kVFz7Zzp9bB/view

একটা স্পষ্ট বিষয় আমাদের মাথায় কঠিনভাবে ঢুকিয়ে রাখতে হবে, যেকোনো দাওয়াহ, যেকোনো মতাদর্শে সশস্ত্র দাওয়াতের বা দর্শনের কনসেপ্ট নেই, সে দাওয়াহ, সে মতাদর্শ অসম্পূর্ণ। এবং তা কখনোই দুনিয়ার বুকে বিজয় হতে পারবে না৷ আর সেই সশস্ত্র কাজ হতে হয়, নিজ মতাদর্শের আলোকে লম্বা সময় তৈরা হওয়া লোকদের দিয়ে, যারা সশস্ত্র কাজের পরের অবস্থানকে নিজেদের মতাদর্শের মত সামলে নিতে পারবে। এখন সে সশস্ত্র অবস্থা কীভাবে শুরু হবে, কখন হবে, সেটা সম্পূর্ণ ভিন্ন আলাপ। সুতরাং, যাদের দাওয়াতে সশস্ত্রের চিন্তা ও দর্শন নেই, বা এটাকে অপছন্দের দৃষ্টিতে দেখেন, তারা বিচ্ছিন্ন কিছু কাজ করলেও তাদের দ্বারা পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব কখনোই সম্ভব না। সিরাতে পাওয়া যায়, বহু সাহাবায়ে কেরাম শুরু থেকেও মক্কার কাফেরদের বলতো, তোদেরকে একদিন আমরা জবাই করবো।

একটু ফিকর করলেই তাহাজ্জুদের মত মহৎ আমলটা হয়ে যায়।
একটু ফিকর করলেই তাহাজ্জুদের মত মহৎ আমলটা হয়ে যায়।

বর্তমানে প্রকাশনীর জগতে গুরুত্বপূর্ণ বইসমূহের মধ্যে যে বইটা আমি সবার জন্য পড়াকে বাধ্যতামূলক মনে করি তার মধ্যে মুশাজারাতুস সাহ
বর্তমানে প্রকাশনীর জগতে গুরুত্বপূর্ণ বইসমূহের মধ্যে যে বইটা আমি সবার জন্য পড়াকে বাধ্যতামূলক মনে করি তার মধ্যে মুশাজারাতুস সাহাবা বইটি অন্যতম। আপনি টাকা দিয়ে সংগ্রহ করে পড়ুন বা কারো থেকে নিয়ে পড়ুন অবশ্যই পড়ুন। . চেতনা প্রকাশনীর অর্ধযুগ পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ অফারে বেশ ভালোই ছাড় দিচ্ছে। এই সময়ে অল্পতে চাইলে সংগ্রহ করে নিতে পারবেন৷

একজন মানুষের জন্য যিল্লতি আর অপদস্ততা কাকে বলে? একজন মানুষকে তার বিশ্বাসের বিপরীত, কোনো আইন দিয়ে পরিচালনা করা। তার বিশ্বাসের বিপরীত আইন দিয়ে তাকে চলতে বাধ্য করা। দেখুন, ইবনে হাজার আসকালানী রহিমাহুল্লাহ কী বলে দেখুন, الحكم على الشخص بما لا يعتقده ويضطر إلى احتماله يستلزم الذل. فتح الباري للعسقلاني، كتاب الجزية، باب الجزية والموادعة مع أهل الذمة والحرب، ٤٧٤/٩) ব্যক্তি যেটি বিশ্বাস করে না সে অনুযায়ী তাকে বিধান দেওয়া এবং তা গ্রহণ করতে বাধ্য হওয়া লাঞ্ছনাকে আবশ্যক করে। -ফাতহুল বারী ৯/৪৭৪ . আর মুসলিম উম্মাহকে তাদের বিশ্বাস শরীয়ার বাহিরে আজ কত বছর আইননুযায়ী চলতে বাধ্য করা হচ্ছে! এরপরেও কীভাবে আমরা মুসলিমরা বলি, আমরা ভালোই আছি!

আমি নির্দিষ্ট টপিকে গুছিয়ে কথা বলতে তেমন পারি না। এক বিষয়ে কথা বলতে গেলে বিভিন্ন দিকে চলে যাই, অনেক সময় কথার খেই হারিয়ে ফেলি। এটা আমার একটা বড় দূর্বলতা। বিভিন্ন সেমিনারে দাওয়াত পাওয়ার পরেও না যাওয়ার পিছনে এটাও একটা অন্যতম কারণ। . উস্তাদে মুহতারাম বেলাল সাহেবের পরামর্শে গত দুইদিন মারকাযুস সাহওয়াতে সিয়াসাত বিষয়ে দুটো মুহাজারা দিয়েছি৷ সেখানেও কথাগুলো ছিলো অগোছালো। সেগুলো রেকর্ড হয়েছে। কিছু ভাই শুনে বললো তাদের ফায়দা হয়েছে। অগোছালো আলাপগুলো শুনে দেখতে পারেন৷ কোনো ভুল নজরে পড়লে বা কোনো বিশেষ পরামর্শ দিলে উপকৃত হবো। জাযাকাল্লাহ খাইরান . প্রথম মুহাজারা : https://drive.google.com/file/d/11uun5V--u8bdCX6nTZiHD6vP379jKxBk/view

চেতনা প্রকাশন এর অর্ধযুগে পদার্পণ উপলক্ষে চলছে বিশাল মূল্য ছাড়। আমার অনূদিত "মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক" পাচ্ছেন ৪০% ছাড়ে।
চেতনা প্রকাশন এর অর্ধযুগে পদার্পণ উপলক্ষে চলছে বিশাল মূল্য ছাড়। আমার অনূদিত "মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক" পাচ্ছেন ৪০% ছাড়ে।

Noor_Book_com_أصول_العلاقات_الدولية_في_فقه_الإمام_محمد_بن_الحسن.pdf22.45 MB

রমাদান মাস কুরআন তিলাওয়াতের মাস। তাই প্রতিটি মুসলিম এই মাসে প্রধান কর্ম ব্যস্থতা কুরআনই রাখবো। তবে মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা, বিশেষত উপরের দিকের তালেবে ইলম ভাইরা এই মাসে কুরআনের মাসগালার পাশাপাশি নিজেদের জাহালাত কাটানোর পিছনে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষত, আমাদের নেসাবে যে বিষয়গুলো অবহেলিত, কিন্তু বিষয়গুলোর জাহালাত কাটানো সময়ের চাহিদানুযায়ী একান্ত জরুরি হয়ে গিয়েছে, সেগুলোতে যদি এই একমাস সময় দেই আমরা তাহলে একটা প্রাথমিক জাহালাত আমাদের কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ। আমি কয়েকটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ১। ইসলামি সিয়াসাত। এই বিষয়ের জাহালাত কাটাতে এই রমাদানে মারকাযুস সাহওয়ার সিয়াসাত বিষয়ক তাদরিবটা করতে পারেন৷ ২। আকিদা। এই বিষয়ে জাহালাত কাটাতে মারকাযু আহলিস সুন্নাহের তাদরিবটা করা যেতে পারে। ৩। উলুমুল কুরআন। উলুমুল কুরআন নিয়ে রমাদান মাস ব্যাপি কোথাও তাদরিব হচ্ছে কি না জানা নেই। তবে না হলেও ব্যক্তি উদ্যোগে এটা জরুরি। ৪। উচ্চতর আরবী ভাষা শিক্ষা। আরবী ভাষা দ্বারা ইবারত পড়তে পারি আর তরজমা তুলতে পারি, এটাকে যথেষ্ঠ মনে করা বর্তমান সময়েত অন্যতম ধোঁকা। এই বিষয়ে বিস্তারিত লেখব ইনশাআল্লাহ। ৫৷ ইংরেজি ভাষা শিক্ষা।

আজ আমাদের এলাকায় মাগরিবের নামাজের পর পাটেরবাগ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে দাওয়াতে তাবলিগ ও এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির পক্ষ থেকে এলাকার সকল হোটেল, চা-বিড়ির দোকানে গাশত করা হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিলো, পবিত্র রমাদান উপলক্ষ্যে দিনের বেলা যেনো এই সকল দোকানগুলো বন্ধ রাখা হয়। আলহামদুলিল্লাহ, দোকানদারদের পক্ষ থেকে বেশ ইতিবাচক সারা পাওয়া গিয়েছে। . আল্লাহ, আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকারের এই কাজটি কবুল করে নিক। এলাকার পঞ্চায়েত কমিটিকে দ্বীনের জন্য আরো কাজ করার তাওফিক দান করুন। #এই_দ্বীন_আমার #এই_জমিন_আমার

এইযে সংস্কার চলছে। সংস্কারের প্রথম সাড়ির কাজগুলোর মধ্যে একটা হলো, রসূল অবমাননাকারী, ধর্ম অবমাননাকারী, ইসলামের কোনো একটা নিদর্শনের অবমাননাকারীদের বিচারকে নিশ্চিত করা। এটা সবচে বড় সংস্কার। সবকিছু করা হলো কিন্তু এটা করা হলো না তাহলে হবে না। এটা মনে রাখতে হবে যে, স্বাধীনতার ভুল ব্যবহার এটা জাহান্নামের রাস্তা। এবং ধ্বংসের রাস্তা। ৭১ এর যুদ্ধের রক্তের অবমাননা হয়েছে কিনা এদেশে? হয়েছে। যারা অবমাননা করেছে ওরা রক্ষা পেয়েছে? রক্ষা পায়নি। জুলাই-আগস্টের যে শহীদ, তাদের রক্তের যদি অবমাননা করা হয় , যেই করবে সে রক্ষা পাবে না। আবু সাঈদসহ যারা ছিল এরা কি ধর্ম অবমাননাকারী ছিল! না। ইসলামের নিদর্শনগুলোর অবমাননাকারী ছিল? না। তাহাজ্জুদের নামাযের বা আখেরী নবীর অবমাননাকারী ছিল! না। না তারা ধার্মিক ছিল? ধার্মিক ছিল। ইসলামের শরীয়তের অনুসারী ছিল। হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত ছিল। তো তাদের রক্তের ফলে যা কিছু অর্জিত হয়েছে তার সাথে গাদ্দারি করে কোনো কিছু টেকানো যাবে না। ঐটা কখনো থাকবে না। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফীক দান করুন। নবীর মুহাম্মাদ দান করুন। ইসলামের নিদর্শনগুলোর মুহাব্বাত দান করুন। অমীন। #মিম্বারের ধ্বনি #বায়তুল মোকাররম ২৮।০২।২৫

কাফেরদের মসজিদে প্রবেশের বিধান কাফেরদের জন্য মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশের অধিকার রয়েছে কি না, এই বিষয়ে মুজতাহিদ আলেমদের মাঝে মতানৈক্য রয়েছে। ইমাম মালেক, শাফেয়ি ও আরও বেশ কিছু আলেমের মত হলো, কাফেররা মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে না। মুসলমানদের দায়িত্ব হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ থেকে দূরে রাখবে। অন্যদিকে ইমাম আবু হানিফা ও অন্য ইমামদের মত হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ নয়। তবে মসজিদে প্রবেশে তাদেরকে মসজিদের পূর্ণ আদব ও সম্মানের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে এবং কোনোরকম বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা না থাকতে হবে। হানাফি ফকিহ ইমাম কাসানি রহিমাহুল্লাহ লেখেন, ولا بأس بدخول أهل الذمة المساجد عندنا وقال مالك رحمه الله والشافعي لا يحل لهم دخول المسجد الحرام. (بدائع الصنائع ٨٢١/٥، كتاب الاستحسان، ط. دار الكتب العلمية) আমাদের হানাফি উলামায়ে কেরামের নিকট জিম্মিদের মসজিদে প্রবেশে কোনো সমস্যা নেই। ইমাম মালেক ও শাফেয়ি বলেন, জিম্মিদের মসজিদে হারামে প্রবেশ বৈধ নয়। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত