uk
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Відкрити в Telegram

🙂🙂🙂

Показати більше
1 954
Підписники
Немає даних24 години
-77 днів
-1830 днів
Архів дописів
photo content

photo content

photo content

IELTS-এর নতুন পদ্ধতি IELTS Retake. উচ্চশিক্ষার জন্য IELTS এর গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা সবাই নিজের স্বপ্নের দেশ বা বিশ্ববিদ্যালয় জন্য IELTS-এ ভালো স্কোর পাবার জন্য প্রিপারেশন নিয়ে টেস্টে বসি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় ভালো প্রিপারেশন নিয়ে টেস্ট দেয়ার পরও আমরা টার্গেট করা স্কোর পাই না। IELTS -এর মোট ৪ টি স্কিলের ( Speaking, Listening, Writting, Reading ) মধ্যে ১ বা ২ টি স্কিলে খারাপ স্কোর চলে আসে, যার ফলে স্বপ্নের দেশ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাই করতে পারি না। এক্ষেত্রে অনেকেই ২য় বার IELTS টেস্টে বসার কথা ভাবে। ২য় বার IELTS টেস্টে বসা মানে আবার শুরু থেকে ৪ টা স্কিল টেস্ট দেয়া। মানে হলো একটি স্কিলে স্কোর ভালো করার জন্য ৪ টি স্কিল টেস্ট আবার দিতে হবে। ধরুন আপনি ১ম বার IELTS দিয়ে - Speaking 6.5 Listening 7 Writting 6.5 Reading 5 অর্থাৎ Reading ভালো স্কোর পাবার জন্য আবার এই ৪ টি স্কিল টেস্ট দিয়েছেন এবং ২য় বার IELTS দিয়ে- Speaking 7 Listening 5 Writting 6 Reading 6.5 এখন আপনি ১ম বার Reading 5 পাওয়ার সেটা ভালো করার জন্য ২য় বার টেস্টে বসলেন এবং আপনি Reading ভালো স্কোরও পেলেন কিন্তু এই ১ টি স্কিল ভালো করতে গিয়ে আপনি Listening এবং Writting আগের বারের তুলনায় খারাপ করেছেন।এখন উপায়? এই সমস্যার জন্য IELTS কর্তৃপক্ষ IELTS Retake নিয়ে এসেছে। প্রশ্ন: IELTS Retake কী? উত্তর: আপনি ১ম বার IELTS দিয়ে একটা স্কিলে খারাপ করেছেন, সেই স্কিলে ভালো স্কোর পাবার জন্য ২য় বার যখন টেস্টে বসবেন আপনাকে ৪ টি স্কিল ( Speaking, Listening, Writting, Reading) আবার নতুন করে দিতে হচ্ছে, কিন্তু IELTS Retake মাধ্যমে আপনি শুধু যে স্কিলে খারাপ করেছেন শুধু সেই স্কিলে টেস্ট দিবেন, নতুন করে আপনাকে আবার ৪ টি স্কিল টেস্ট দিতে হবে না। প্রশ্ন: আপনি সর্বোচ্চ কয়টি স্কিল Retake দিতে পারবেন? উত্তর: ১ টি। প্রশ্ন: ১ম বার IELTS দেয়ার ঠিক কতদিনের মধ্যে আপনি Retake দিতে পারবেন? উত্তর: ১ম IELTS এর রেজাল্ট দেয়ার দিন হতে পরবর্তী ৬০ দিন বা ২ মাসের মধ্যে। প্রশ্ন: ৬০ দিন বা ২ মাস পরে Retake দেয়া যাবে? উত্তর: না। ৬০ দিন বা ২ মাস পরে দিতে চাইলে আপনাকে আবার নতুন করে, একদম ১ম বারের মতো ৪ টি স্কিল টেস্ট দিতে হবে। প্রশ্ন: IELTS Retake কতবার দিতে পারবো? উত্তর: ১ বার। প্রশ্ন: Retake ফি কত? উত্তর: এখনও অথরিটি উল্লেখ করে নি। তবে IELTS সেন্টারে কথা বলে জানতে হবে। প্রশ্ন: পুরো ফি দিতে হবে? অর্থাৎ ১ম বার যতো ফি দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করেছিলাম? উত্তর: না। উপরিউক্ত তথ্যগুলো আমি যে ওয়েবসাইট থেকে পেয়েছি- https://www.ielts.org/for-test-takers/ielts-one-skill-retake তবে IELTS Retake পদ্ধতিটি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াতে এভাইলিয়েবল আছে। খুব শীঘ্রই ২০২৩ মধ্যে গ্লোবাললি শুরু করা হবে। ধন্যবাদ ©️ National University Research and Higher Study Association

অনলাইনে কিছু ম্যানার্স যা না জানলে আপনাকে মানুষ ছেছড়া বলবে: ১) কারো বন্ধুর লিস্ট হতে আন্তাজি ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাবেন না । এইটা মারাত্নক লেভেলের ছেসরামি। ২) অপরিচিত কাওকে আজগুবি মেসেজ করবেন না। সিম্পলি আসসালামুয়ালাইকুম এই বিষয়ে কথা বলতে চাই দিলেই হয়। ৩) অপরিচিত কারো আইডিতে রিয়েক্ট মাইরেন না। ৪) কারো কাছে লাইক কমেন্ট চাইবেন না। ৫) অতি আবেগি হয়ে কারো সাথে মজা করবেন না। অনলাইনে সবার মুড বুঝা যায়না। ৬)অবশ্যই কিছু মানুষের কাছে আপনার স্ট্যাটাস ম্যাটার করে স্যাডলি। তাদের ইগ্নোর করেন। ৭) ফেসবুকের পাব্লিক গ্রুপ এভয়েড করুন। এগুলার জন্য ডক্সিং হতে পারেন। ৮) সবাইকে পজেটিভ কমেন্ট করেন ফিরতি পজেটিভ কমেন্ট পাবেন। ৯) আঞ্চলিকতা পরিহার করেন। শুদ্ধ ভাষায় সহী বানানে লেখেন। ১০) ফেসবুক পেজে গালাগালী কমেন্ট করলে লিস্টের মানুষ সেটা দেখতে পাবে বা আপ্নার নাম লিখে সার্চ দিলেই পাওয়া যাবে৷ তাই এসব করবেন না। নিজেকে কন্ট্রোল করুন। ফেসবুকে ক্কম সময় দেন। কাজে মনোযোগ দিন।

গলা পর্যন্ত খাবার আর নয়। . উমার ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন, ‘তোমরা পেট ভরে খাবে না। কেননা এটি স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে, রোগ ডেকে আনে এবং নামাজে অলসতা সৃষ্টি করে।’ . বিশিষ্ট সাহাবি আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘উদ (রা.) বলেন, ‘যে আলিম পেট ভরে খেয়ে মোটা হয়েছে, তাকে আল্লাহ পছন্দ করেন না।’ . সত্যি বলতে, আমাদের ‘ইবাদাতে একাগ্রতা ও তৃপ্তি না আসার কারণগুলোর অন্যতম হলো অতিরিক্ত খাওয়া। এটি শরীরকে অলস বানিয়ে ফেলে এবং মনকে স্থবির করে রাখে। . আমরা নিশ্চয়ই জানি : পেটকে তিন ভাগ করে এক খাবার, এক ভাগ পানি আর এক ভাগ খালি রাখাটা সুন্নাহ। তবে খেতে বসলে একেবারে গলা পর্যন্ত খেয়ে নিই। এই সুন্নাতটির উপর আমল খুবই কম হয়। . বর্তমানে হার্টের রোগ, ডায়াবেটিস, হাই প্রেশার থেকে নিয়ে বড় বড় রোগগুলোর নিয়ন্ত্রণে খাবারে সীমাবদ্ধতা অপরিহার্য করে দেন ডাক্তারগণ। বাস্তবতা হলো, মানুষ আজকাল না খেয়ে যে পরিমাণে মারা যাচ্ছে, তার চেয়ে বহুগুণে মারা যাচ্ছে বেশি খেয়ে। . আমাদের মহান আদর্শ নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাথীরা খাবারের ব্যাপারে অত্যন্ত সিরিয়াস ছিলেন। তাঁরা ভুড়িওয়ালা ছিলেন না। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সারাজীবনে পেটভরে খাবার খাননি। মাসের পর মাস চলে যেতো, রাসুলুল্লাহর স্ত্রীদের ঘরে চুলায় আগুন জ্বলত না। একটি-দুটি খেজুর চুষে চুষে সারাদিন কাটিয়ে দিতেন। . উমার (রা.) একটু চড়া মেজাজের ছিলেন। ওই সময় যারা বেশি খেতেন, তাদেরকে তিনি প্রহারও করতেন। আহলে সুফফার সদস্যগণ ক্ষুধার তাড়নায় মাঝে মধ্যে চিৎকার দিয়ে ওঠতেন; বেহুঁশ হয়ে যেতেন। এক গ্লাস দুধ খেয়ে দিন কেটে যেত তাঁদের। আজ আমাদের কাছে এগুলো রুপকথার গল্পের ন্যায় মনে হয়। অথচ এগুলো বাস্তব সত্য। . আল্লাহ আমাদেরকে স্বর্ণযুগের সেই সোনার মানুষদের পদাঙ্ক অনুসরণের তাওফিক দান করুন। আমিন। . #Tasbeeh

photo content

photo content

photo content

photo content

রেগুলার সেক্স দাম্পত্ত্য জীবনে ভালো প্রভাব আনে নাকি খারাপ!! দাম্পত্য জীবনে সেক্স এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে Regularity বা নিয়মিত হওয়া। নিয়মিতভাবে সেক্স করার চেষ্টা চালানো উচিত। সব সময় আগ্রহ থাকেনা যেটা খুবই স্বাভাবিক কিন্তু তারপরও আমাদের প্রয়োজনীয়তা ও দায়িত্ববোধের উপর ভিত্তি করে আমাদের অনেক কিছু করতে হয়। অনেকে বলতে পারে যে আমার আগ্রহ ছাড়া আমি একটা জিনিস কিভাবে করব। স্বামি-স্ত্রীর ক্ষেত্রে আমাদের অনেক কাজ আগ্রহ ছাড়াও দায়িত্ব ও মমত্ববোধের জায়গা থেকে করতে হয়। সেক্স বিষয়টিকে আপনারা একটা জৈবিক (Biological) চাহিদা মনে করবেন। আমাদের প্রতিদিনের দুপুরে ও রাতে খাওয়া, গোসল করা সহ আরও নানান কাজ প্রতিদিন করতে হয়। সেক্সকেও আপনারা এরকম রেগুলার একটা কাজ মনে করবেন। সেক্স এর মাধ্যমে মস্তিষ্ক থেকে অক্সিটসিন নির্গমন হয় । সেরোটনিন নির্গত হয় যাকে আমরা হ্যাপি হর্মোন (Happy Hormone) বলি। সেক্সের জন্যে নিজেদের মধ্যে বন্ধন অটুট থাকবে। শারীরিক ভাবে, মানসিক ভাবে সকলে সুস্থ থাকতে পারবেন। যদি আপনাদের মধ্যে কেমিস্ট্রিটা ভালো থাকে তাহলে সম্ভব হলে প্রতিদিন সেক্স করার চেষ্টা করা উচিত। যদি তা না হয় তবে চেষ্টা করা উচিত একদিন পর পর বা কয়েকদিন পর পর সেক্স করার। যদি সেটাও না হয় তাহলে সপ্তাহে দুই দিন অন্তত সেক্স করার চেষ্টা করেন। সেটা আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক যত দিনেরই হোক। আপনারা রেগুলারিটি মেইনটেন করুন, ডাইভারসিটি আনুন তাহলে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ওভারল কাউন্সেলিংয়ের দ্বারা জানা যায় যে, যাদের ফ্যামিলির সেক্স এ রেগুলারিটি আছে তারা দাম্পত্য জীবনে ভালো আছেন। রেগুলার বেসিসে সেক্সুয়াল এক্টিভিটি অনেক ছোট খাটো সমস্যাকে সমাধান করে দেয়। 📢 সব ধরনের Sexual Health Problems এর Expert Solution জানতে Registration করুন LifeSpring এর Healthy Sex Life কোর্সে ❤‍🔥

বড় সন্তানের উপর ছোট সন্তানদের দায়িত্ব চাপিয়ে দেবেন না। কোনো দম্পতি যদি একের অধিক সন্তান জন্ম দেয়, তবে অবশ্যই তাদের মাথায় রাখতে হবে সব সন্তানের দায়িত্ব তাদের, সে যে পরিস্থিতিই হোক না কেন। বড় সন্তানের উপর তার ছোট ভাইবোনদের দায় চাপিয়ে দেয়া যাবেনা, কারণ সেটা তার দায়িত্ব নয়। আমাদের সমাজে বড় সন্তানের উপর ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়াটা যেন অলিখিত নিয়ম। সব ত্যাগ তাকেই করতে হবে। সে নিজেও যে একটা শিশু সেটা ভুলে যায় সবাই। অথচ যে ভাইবোনের জন্ম হয়েছে তাদের এই দুনিয়াতে সে আনে নি। তাহলে কেন তাকে সব ত্যাগ স্বীকার করতে হবে? বড় সন্তানের বয়সের পার্থক্য সর্বোচ্চ কত হয় সাধারণত? ৫/৬/৭! অনেকক্ষেত্রে দেড় বা দুবছর বা তার চেয়েও কম হয়। তাহলে কিভাবে এই ছোট শিশুটির কাছে আশা করি সে সব বুঝবে? সে তার সব দাবীদাওয়া ছেড়ে দেবে? কেন তাকে সবাই বলে যে - তুমি তো বড়, তুমি এটা ছোট ভাই/বোনকে দাও। ভাইবোনের মাঝে ঝামেলা হলে মা এসে বড়জনকে বকে, পেটায়। বাবাও এসে বড়জনকেই দোষ দেয়, কেন সে বুঝেনা! অথচ মা বাবা দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও তো বোঝেনা ওই ছোট শিশুটি কি চায়! আস্তে আস্তে বড় হয় তারা। বাসার বড়জনকে ঘরের কাজে হাত লাগাতে হয়, কিন্তু ছোটজনকে কুটোটিও নাড়তে দেয়া হয় না, কারণ সে ছোট। পছন্দের কোনো খাবার বা পোশাক সব ক্ষেত্রেই প্রাধান্য পায় ছোটজন, এরপর বাকি থাকলে বড়জন সেটা পায়। যে ছোট সে কখনোই বড় হয়না। বয়স ২০/২৫/৩০ হয়ে গেলেও সে ছোটই থাকে। সংসারের দায়িত্বও কিন্তু বড়ছেলের। বড়ছেলের পাশাপাশি সে দায়িত্ব এসে পড়ে বড় বউয়ের ঘাড়ে। তারা সংসারের দায়িত্ব নিতে বাধ্য। ছোটরা গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরলেও সমস্যা নেই। এই সমাজ ব্যবস্থায় "বড়ছেলে" টাইপ নাটক মানুষের পছন্দ। বড়ছেলেকে যে ত্যাগ করতে শিখতে হয়, নিজের শখ ও ইচ্ছা বিসর্জন দিতে শিখতে হয়। তা না হলেই সে কুলাংগার সন্তান, তাই ভাইবোনের দায়িত্ব নেয় না। অথচ ভাইবোন যে এখনো সাবলম্বী হতে পারেনি, বা সাবলম্বী হয়েও তুচ্ছ বিষয়ে বড় ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে সে দোষ কার? সন্তান বছর বছর জন্ম দিলেই হয়না, তাদের প্রতি কর্তব্যটুকুও করতে হয়। এক সন্তানের ঘাড়ে জোয়াল বসিয়ে অন্যসন্তানদের টেনে নিয়ে যেতে বাধ্য করার যে রীতি তা কতটুকু স্বাভাবিক? কতটুকু মানবিক? দায় চাপিয়ে দিতে হয়না। তখন সেটা গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়ায়। সন্তান মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালন করবে ভালোবেসে, বাধ্য হয়ে নয়। এই সহজ সত্যটা কবে বুঝবো আমরা? ©উম্মে সালমা কলি #সংগৃহীত🙂🙂🙂

কালার সাইকোলজি। আপনার পছন্দের রঙ কি বলে আপনার সম্পর্কে ? #লালঃ যাদের পছন্দের রঙ লাল,তারা বহির্মূর্খী এবং খুব আশাবাদী হয়।তারা সবসময় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে চান।তারা উচ্চাকাংখী হয় এবং জীবনের লক্ষ্যে পৌছাতে কখনো পিছপা হয়না।এরা খুব ধৈর্য্যশীল হয়।তবে এরা সহজেই রেগে যায়। #নীলঃ যাদের পছন্দের রঙ নীল তারা খুব বিশ্বাসযোগ্য হয়।এরা ততো আবেগপ্রবণ হয়না।এরা কিছু বলার আগে বা কিছু করারা আগে ভেবে চিন্তেই করে।এদের প্রতিদিনের জীবনে শান্তি এবং ভারসাম্য থাকা জরুরী।এরা খুব বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সামাজিক হয়ে থাকে।এরা এদের প্রিয় মানুষদের সান্নিধ্য অনেক পছন্দ করে।এরা অনেক আত্নবিশ্বাসী হয়।এরা এদের দূর্বল জায়গাগুলো লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে। নিজের উপর তেমন যত্নবান নয়।এরা খুব জ্ঞানতৃষ্ণার্ত হয় এবং এরা কোনো বিষয়ে আগ্রহী হলে সে বিষয়ে অনেক জ্ঞান অর্জন করে থাকে।তবে তারা খুব ছোটো খাটো বিষয়েই চিন্তিত হয়ে পড়ে। #সবুজঃ যাদের পছন্দের রঙ সবুজ তারা খুব বাস্তববাদী হয়।তারা নিজেদের ওপর নিজেরা নিয়ন্ত্রণ সহজে হারায় না এবং এরা খুব দয়ালু ও উদার প্রকৃতির হয়।এরা খুব নীতিবান হয়ে থাকে এবং তারা সবসময় সঠিক কাজ করতে চায়।এরা ভালো বন্ধু এবং পার্টনার হয়ে থাকে।এরা তর্কে জিততে পছন্দ করে।তবে এরা জীবনে রিস্ক নিতে চায়না এবং তেমন কর্মঠ হয় না। #কালোঃ যাদের পছন্দের রঙ কালো , মর্যাদা এবং ক্ষমতা তাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ । তারা সাধারণত স্বাধীন এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ । কম আবেগপ্রবন এবং সবসময় নিজেদেরকে সম্ভ্রান্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে । তারা মানুষের থেকে কিছুটা দুরত্ব বজায় রাখে এবং চারপাশের নেগাটিভিটি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখে । নিজের চিন্তা ভাবনা কারো সাথে শেয়ার করে না , কাজের ক্ষেত্রে খুবই সুশৃঙ্খল এবং শেষ বিন্দু পর্যন্ত সুক্ষভাবে সম্পন্ন করে । কালো ড্রেসের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে রাখতেই তাদের স্বাচ্ছন্দ্য। #সাদাঃ যাদের সাদা রঙ পছন্দ তারা সাধারণত খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করেন এরা খুব দূরদর্শীসম্পন্ন মানুষ।এরা খুব পজিটিভ এবং আশাবাদী মানুষ।তারা বিচক্ষণ হয়ে থাকে।এরা নিজেদের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে এবং এরা খুব আত্নবিশ্বাসী হয়।এরা খুব জটিল প্রকৃতির হয়ে থাকে।এরা কিছুটা লাজুক প্রকৃতির হয়ে থাকে। #কমলা কমলা রঙটি উচ্ছলতা ও আনন্দ প্রকাশ করে। আপনি যদি কমলা রঙটি পছন্দ করেন তাহলে আপনি বেশ হাসিখুশি ধরণের একজন মানুষ। আপনি সব সময় বর্তমানকে বেশি গুরুত্ব দেন। এবং সব সময় হাসিখুশি থাকতে বেশি পছন্দ করেন। আপনি আপনার নিজের মতো চলতে বেশি ভালোবাসেন এবং নিজের জীবনটাকে অনেক বেশি উপভোগ করে কাটাতে চান।তবে কমলা রঙ যারা পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি ড্যাম কেয়ার ধরণের হয়ে থাকেন।অনেক সময় তারা নিজের মতামত অন্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ে থাকেন। #হলুদ হলুদ হচ্ছে আনন্দ, ইচ্ছা এবং কল্পনাশক্তির রঙ। যারা এই রঙটি পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়, আত্মনির্ভরশীল হয়ে থাকেন। অনেক বেশি সোজাসাপ্টা কথার মানুষ হন তারা। তারা মানুষকে অনেক মানসিক সাপোর্ট দিয়ে থাকেন।তবে হলুদ রঙটি যারা পছন্দ করেন তারা বেশখানিকটা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে থাকেন। #বেগুনী যারা বেগুনী, ল্যাভেন্ডার, পার্পল ধরনের রঙ পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি ক্যারিয়ার মনোযোগী হয়ে থাকেন, তারা সব সময় চেষ্টা করেন সব কিছুর পারফেক্ট অবস্থানে থাকার জন্য। তারা অনেক বেশি আকর্ষণীয় এবং আর্টিস্টিক মনোভাবের হয়ে থাকেন। অনেক বেশি আবেগি হওয়ার কারণে অনেক কষ্ট পান তারা। তারা খুব সহজে মানুষ বিশ্বাস করেন, মানুষ চিনতে পারেন না এবং ভুল পথে পা বাড়ান। যারা বেগুনী রঙ পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি রাগি ও অভিমানী ধরণের মানুষ হন। #গোলাপি গোলাপি, ম্যাজেন্টা পছন্দের মানুষজন অনেক বেশি পরনির্ভরশীল হয়ে থাকেন। তারা সব সময় ভালোবাসা খুঁজে থাকেন। তারা অনেক বেশি ভদ্র এবং নম্র স্বভাবের হয়ে থাকেন। তারা মানুষকে খুব বেশি ভালোবেসে থাকেন। তারা সব সময় চান সবার নজরে পড়তে।এবং এর জন্য তারা অনেক ভুল কাজও করে থাকেন। #সোনালি_ধূসর সোনালি, ধূসর আধ্যাত্মিকতা এবং অতিমানবিকতা প্রকাশ করেন। এই ধরণের রঙ পছন্দের মানুষজন বেশ ঠাণ্ডা মাথার মানুষ হয়ে থাকেন। বেশ দার্শনিক স্বভাবের অধিকারী হন এরা। তাদের সকল চিন্তা থাকে পরিবেশের অনুকূলে। তারা অনেক কম কথার মানুষ হন এবং গম্ভির থাকতে বেশি ভালোবাসেন।তাদের অনেক গম্ভীর স্বভাবের হয়ে থাকেন। এবং প্রয়োজনের সময়ও চুপ থাকা তাদের বড় একটি বদঅভ্যাস। #সোনালি_বাদামী সোনালি, বাদামী রঙ আভিজাত্য এবং ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে। এই ধরণের মানুষজন বেশ আকর্ষণীয় হয়ে থাকেন। তাদের কথা বলা থেকে শুরু করে ব্যক্তিত্ব সবই বেশ আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। তারা খুব জনপ্রিয় থাকেন। তারা একই সাথে সাধারণ এবং আভিজাত্য প্রকাশে সক্ষম হয়ে থাকেন। যে কারো সাথে ভালো করে মিশে যেতে পারেন।এরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব ভালো ও খারাপ দুটো কাজেই ব্যবহার করতে পারেন। #Dream_Psychology

অনুমোদনের পর আবেদনকারীর (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্টে অটো জেনারেটেড স্লিপ (Temporary authorization) প্রিন্ট করার অপশন প্রদর্শিত হবে। যা স্মার্ট কার্ড (Smart card) না পাওয়া পর্যন্ত উক্ত স্লিপটি প্রিন্ট করে লেমিনেশন করে গ্রাহক তার নিজের কাছে সংরক্ষণ করবেন এবং গাড়ি চালানোর কাজে ব্যবহার করবেন। স্মার্ট কার্ড (Smart card) প্রিন্টিং কার্যক্রম শেষ হলে আবেদনকারী কর্তৃক দাখিলকৃত ঠিকানায় ডাকযোগে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রাহকের হাতে পৌছে দেয়া হবে। সহজিকৃত ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রসেস ফ্লো:

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির পূর্ব শর্ত: ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স। ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণী পাশ। অপেশাদার এর জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হবে। মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে। অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসমূহ: আবেদনকারীর ছবি (সর্বোচ্চ ১৫০ কে.বি); রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি)। মেডিক্যাল সার্টিফিকেটের ফর্মের জন্য এখানে ক্লিক করুন; জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি); ইউটিলিটি বিলের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি), [ আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা যদি ভিন্ন হয় তবে বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিল সংযুক্ত করতে হবে ]; শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি); প্রয়োজনীয় ফিসমূহ: শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদন শেষে নির্ধারিত ফী, ১ ক্যাটাগরি (যেমন: শুধু কার) ৫১৮/-টাকা ও ২ ক্যাটাগরি (যেমন: কার ও মোটর সাইকেল) ৭৪৮/-টাকা অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে। দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় (ডিসিটিসি) উত্তীর্ণ প্রার্থীকে স্মার্ট কার্ডের জন্য: অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ৪,৪৯৭/- টাকা (মেয়াদঃ ১০ বছর) পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২,৭৭২/- টাকা (মেয়াদঃ ০৫ বছর) ডাক বিভাগের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিতরণ করা হবে তাই ফি'র সাথে অতিরিক্ত ৬০/- টাকা প্রদান করতে হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া: শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এই জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রত্যাশীকে তার এন আই ডি (NID) ব্যবহার করে একটি ইউজার অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট এন আই ডি (NID) ধারীর ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত সকল আবেদন করা যাবে। ইউজার প্রোফাইলে তার বিভাগ, জেলা ও থানা অবশ্যই পূরণ থাকতে হবে। ইউজার প্রোফাইল থানার উপর ভিত্তি করে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন টি সংশ্লিষ্ট বি আর টি এ সার্কেল অফিস এর আওতাধীন হবে। নির্ধারিত দিন গ্রাহকের শিক্ষানবিশ লাইসেন্স ও নির্দেশিত অন্যান্য ডকুমেন্টসমূহ নিয়ে স্ব-শরীরে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিতি, বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করতে হবে। একই সাথে আবেদনকারীর ফিঙ্গার প্রিন্ট NID সারভার থেকে যাচাইকরণ সম্পন্ন হলেই পরীক্ষার সুযোগ দেয়া হবে। সর্বোচ্চ ১(এক) কর্মদিবসের মধ্যে বিআরটিএ কর্তৃক উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ এর ফলাফল অনলাইনে আপলোড এবং আবেদনকারীর মোবাইলে SMS এর মাধ্যমে উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ ফলাফল জানানো হবে। আবেদনকারী বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (BSP) এ নিবন্ধিত একাউন্ট ব্যবহার করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার ফলাফল ও নির্ধারিত ফি অনলাইনে (মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং ও অন্য যে কোন প্রচলিত গেটওয়ে ব্যবহার করে) প্রদান করতে হবে। উল্লেখ্য বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকে সরেজমিনে/ব্যাংক কাউন্টার এ ফি প্রদানের কোনো সুযোগ নেই। আবেদনকারী তার (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার ফলাফল ও নির্ধারিত ফি অনলাইনে (মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং ও অন্য যে কোন প্রচলিত গেটওয়ে ব্যবহার করে) প্রদান করতে হবে। উল্লেখ্য বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকে সরেজমিনে/ব্যাংক কাউন্টার এ ফি প্রদানের কোনো সুযোগ নেই। আবেদনকারী তার (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা (ডিসিটিসি)-এ উত্তীর্ণ প্রার্থীকে পাস/ফেল সিলসহ শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স স্ক্যান করে আপলোডসহ পূর্বে শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সময় যদি কোন Attachment সঠিকভাবে দেয়া না হয় তবে Additional Attachment হিসেবে সেগুলো (যেমন: মেডিকেল সনদ/স্কুল সনদ/ইউটিলিটি বিল) সঠিকভাবে স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীগণকে অবশ্যই ডোপ টেস্ট রিপোর্ট স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। উল্লেখ্য বর্তমানে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীর পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদন প্রযোজ্য নয়। সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ'র লাইসেসিং অথরিটি কর্তৃক প্রত্যেক ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত ফি জমা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্তিসহ সঠিক পাওয়া স্বাপেক্ষে অনুমোদন প্রদান করা হব

photo content

✅ নামজারি যে সকল কারনে করার প্রয়োজন হয় তা হলোঃ ০১) ভূমি বা জমির বর্তমান মালিকের মৃত্যুর কারণে উত্তরাধিকারদের নামে সরকারি রেকর্ডে রেকর্ডভুক্ত করতে হলে নামজারি করতে হয়। ০২) জমি বিক্রি, দান, ওয়াকফ, হেবা, অধিগ্রহণ, নিলাম ক্রম, বন্দোবস্ত ইত্যাদি সূত্রে হস্তান্তর হলে নতুন ভূমি বা জমি মালিকের নামে রেকর্ডভুক্ত করতে হলে নামজারি করতে হয়। ০৩) কোর্টের রায়ে জমির মালিকানা লাভ করলে সে রায় মোতাবেক নামজারি করতে হয়। ✅ নামজারি সেবা প্রাপ্তি সময়ঃ সাধারণ ক্ষেত্রে ২৮ (আটাশ) কার্য দিবস । প্রবাসীদের জন্য ( মহানগর এলাকায়) ১২ (বার) কার্য দিবস । প্রবাসীদের জন্য ( অন্যান্য এলাকায়) ০৯ (নয়) কার্য দিবস । সনদ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণের জন্য ১০(দশ) কার্য দিবস । গুরুত্বপূর্ণ/রপ্তানীমুখী/বৈদেশিক বিনিয়োগপুষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ০৭ (সাত) কার্য দিবস । নামজারি প্রয়োজনীয় ফি (সকল ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে) নামজারী করতে সর্বমোট ১১৭০ টাকা লাগে । বিস্তারিত নিম্নরূপঃ- আবেদনে কোর্ট ফী ২০ টাকা , নোটিশ জারি ফী ৫০ টাকা , খতিয়ান ফি ১০০ টাকা , রেকর্ড সংশোধন ফি ১০০০/-টাকা । ই-মিউটেশনের আবেদনের সাথে কোর্টফি ও নোটিশ জারি ফি বাবদ একত্রে ৭০/ টাকা এবং নামজারি অনুমোদনের পর বাকি ১১০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। সকল ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে। ✅ প্রবাসীরা কিভাবে বিদেশে বসে নামজারি করতে পারবেন? অনলাইনে নামজারি আবেদন এবং ফী পরিশোধ করবেন। অনলাইনে শুনানীর মাধ্যমে নামজারি কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারবেন।

ব্লাডপ্রেসার ১৩০/৮০ বা এর নিচে রাখা উচিত। প্রেসার নিয়ন্ত্রণে যেসব খাবার নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী -- (১) অবশ্যই কাচা লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে… যথাসম্ভব কম লবণে তরকারী করতে হবে… (সারাদিনে সবমিলিয়ে ২ চামচের ৫ গ্রামের কম লবণ খেতে হবে!!) (২) উচ্চ সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারগুলো অবশ্যই যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে- গরুর গোশত, কলিজা, বিভিন্ন চিপস, সস, বিস্কুট, বেকিং পাওডার, অাচার, চাটনি, পনির, চকলেট, কেক, পাউরুটি, জলপাই ইত্যাদি। (৩) যাবতীয় ফাস্টফুড, তেল চর্বি, ভাজাপোড়া যুক্ত খাবার (গ্রিল, চিকেন ফ্রাই, পিজ্জা ইত্যাদি) পরিহার করতে হবে। (৪) আর যাবতীয় ধূমপান - বিড়িসিগারেট, জর্দা, গুল যাবতীয় নেশাদার দ্রব্য সম্পূর্ণ বর্জনীয়। @Dr. Maruf

photo content

photo content