ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 995
订阅者
-124 小时
无数据7
+430
帖子存档
একসঙ্গে তিন তালাক : শরয়ী দৃষ্টিকোণ ইসলামী শরীয়তে তালাক আল্লাহ তা'আলার নিকট অতি অপছন্দনীয় কাজ। হাদিস শরিফে রয়েছে, ‘আল্লাহর কাছে বৈধ কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণিত কাজ হলো তালাক।(আবু দাউদ,হাদিস ২১৭৮) উপায়হীন সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য শরীয়ত তালাকের ব্যবস্থা রেখেছে। তাই কথায় কথায় তালাক দেওয়া এবং একসাথে তিন তালাক দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এতদসত্ত্বে কেউ স্ত্রীকে একসাথে তিন তালাক দিলে তা পতিত হয়ে যায়। এজন্য শরীয়ত আগেই সাবধান করে দিয়েছে যে, প্রথমত তালাকের কথা চিন্তাও করবে না। তবে অতীব প্রয়োজনে কখনো তালাক প্রদানের প্রয়োজন হলে শুধু সাদামাটা তালাক দাও, শুধু এক তালাক দাও এমন এক তুহুরে (স্ত্রী মাসিক থেকে পবিত্র থাকা অবস্থায়) যাতে সহবাস করা হয়নি।যেন উভয়ের জন্যই নতুন করে চিন্তা-ভাবনার সুযোগ থাকে এবং পুনরায় ফিরে আসার পথ খোলা থাকে। এরপর আবারো কোনো সমস্যা দেখা দিলে এভাবেই শুধু এক তালাক দিবে। এখনও ফিরে আসার পথ খোলা থাকবে। কিন্তু এরপর যদি আবার কখনো শুধু এক তালাকই দেওয়া হয় এবং সব মিলে তিন তালাক হয়ে যায় এ অবস্থায় আর তাকে ফিরিয়ে আনারও সুযোগ থাকবে না, নতুন করে বিয়ে করার বৈধতাও বাকি থাকবে না। তাই যদি কোনো ব্যক্তি শরী‘আত প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার না করে এবং একই সাথে তিন তালাক বলে দেয়, তাহলে তার এ কাজটি অবৈধ ও বিদ‘আত। তবে এর কার্যকারিতার দিক থেকে এটি কার্যকর ও ফলপ্রসূ বলে প্রমাণিত হয়।আমরা দেখতে পাই এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো করতে আল্লাহ আমাদের নিষেধ করেছেন। কিন্তু যখন কোনো ব্যক্তি সেই নিষিদ্ধ কাজে লিপ্ত হয়, তখন সেই শরীয়াহ বিধি তার সমস্ত বিধি-বিধান সহ কার্যকর হয়। যেমন: কোরআনে ‘জিহার’ কে বলা হয়েছে "مُنکَراً مِّنَ القَولِ وَزُورًا" তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে,কিন্তু যখন কোনো পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে ‘যিহার’ করে, তখন তার জন্য শরিয়তের বিধান প্রযোজ্য হয়। কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা অপরাধ ও পাপ, কিন্তু যাকে গুলি করে বা তরবারির আঘাতে মারা হয়,সে নিহতই হয়ে যায়। তার মৃত্যু ইহার অপেক্ষা করে না যে, গুলি বৈধ পদ্ধিতিতে মারা হয়েছে না অবৈধ পদ্ধিতিতে? এমন আরো অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখান থেকে বুঝা যায় যে, কোনো ব্যক্তি যদি শরীয়তের সুযোগ-সুবিধা উপেক্ষা করে একই সাথে তিন তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তিন তালাকই কার্যকর হয়ে যায়। সাহাবায়ে কেরামের যুগ থেকে থেকে আজ পর্যন্ত উম্মাহ'র ইজমা হলো,এক মাজলিসে তিন তালাক এক বাক্যে হোক বা পৃথক পৃথক বাক্যে দেওয়া হোক,অথবা বিভিন্ন সময়ে তিন তালাক দেওয়া হোক,সর্বাবস্থায় তিন তালাকই স্ত্রীর উপর পতিত হয়ে যাবে এবং অন্যত্র বিবাহের পর দ্বিতীয় স্বামীর সাথে মেলামেশা না হওয়া পর্যন্ত প্রথম স্বামীর জন্য উক্ত স্ত্রী হালাল হবে না। আর এটাই সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে হযরত উমর, আলী, ‘উসমান, ইবনে মাসউদ, ইবনে উমর, ইবনে আমর, উবাদাহ বিন সামিত, আবূ হুরাইরা, ইবনে আব্বাস, ইবনে যুবায়ের, আসেম বিন উমর ও হযরত আয়িশা রা.-সহ আরো অনেক সাহাবী এবং ইমাম আবূ হানীফা, ইমাম মালেক, ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমাদ, ইমাম বুখারী রহ.-সহ অধিকাংশ তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈদের মাযহাব। সাহাবায়ে কেরাম হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশনাবলী থেকে এটাই বুঝতেন এবং সে অনুযোয়ী আমল করতেন। আল্লাহ তা'য়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন- الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ ۖ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ ۗ وَلَا يَحِلُّ لَكُمْ أَن تَأْخُذُوا مِمَّا آتَيْتُمُوهُنَّ شَيْئًا إِلَّا أَن يَخَافَا أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۖ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا فِيمَا افْتَدَتْ بِهِ ۗ تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ فَلَا تَعْتَدُوهَا ۚ وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ اللَّهِ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ [٢:٢٢٩] তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে। কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়, তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম। {সূরা বাকারা-২২৯} এইতো গেল দুই তালাকের বিধান। এরপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তিন তালাক প্রদানের বিধান ঘোষণা করে ইরশাদ করেন-

দিনে 10 বার ফেইসবুকে ঢোকার কোন দরকার নেই, আপনি ফেইসবুকে চাকরি করেন না! দুনিয়ার সব থেকে মোস্ট আন প্রোডাক্টিভ কাজগুলোর মধ্যে একটা হল সোশ্যাল মিডিয়াতে স্ক্রলিং করা। ঘরে ভাত আর বালিশ থাকলে জীবনে অনেক কিছু করাই পসিবল! কিন্তু আপনার ফেইসবুকের পোস্ট, টিকটক এর স্ক্রলিং এবং মেসেঞ্জারে কাউকে সময় দেওয়া, আপনাকে এই সম্ভাবনা গুলো থেকে বঞ্চিত করে রাখতেছে।। Get back to work. Time is currency.

কোন জিনিস সবসময় গোপন রাখা উচিত? ১. নিজের দুর্বল পয়েন্টগুলো গোপন রাখা উচিত। ২. নিজের অভিষ্ট লক্ষ্য সম্পর্কে কাউকে বলতে নেই। ৩.নিজের আপন-গোপন কোনো ইনফরমেশন কাউকে দেয়া যাবে না। ৪. নিজের পকেট এ কয় টাকা আছে কিংবা ব্যাংক ব্যালেন্স কত আছে,এসব তথ্য কাউকে দেয়া যাবে না। ৫. নিজের গার্লফ্রেন্ড অথবা বয়ফ্রেন্ড সম্পর্কিত কোন তথ্য কাউকে শেয়ার করা যাবে না। ৬. নিজের হতাশার গল্প সব সময় গোপন রাখতে হবে। ৭. অতীতে নিজের জীবনের উপর দিয়ে কোন ঝড় বয়ে গেলেও সেটা একান্তই নিজের মধ্যে রাখতে হবে। ৮. আত্মীয়-স্বজন,বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারের কোনো সদস্যদের নিয়ে অন্য কারো কাছে নেতিবাচক আলাপ করা যাবে না। ৯. অন্যের শেয়ারকৃত যেকোনো তথ্য গোপন রাখতে হবে।

🔹মানসিক চাপ কমানোর ৬ টি উপায়! ◾বৃষ্টিতে দীর্ঘ পথ হাটুন। ◾সপ্তাহান্তে কোথায় বেড়াতে যান। ◾সকালে আগে ঘমু থেকে উঠুন। সূর্য উদিত হওয়ার দৃশ্য দেখুন। ◾দীর্ঘদিন কথা হয়নি এমন পুরনো বন্ধুকে ফোন করুন। ◾নতুন কোন ভিন্ন পোশাক পড়ুন। ◾আপনার প্রিয় কোন কবিতা বা গল্পের বই পড়ুন।

🔹কিভাবে বুঝবেন আপনি ম্যাচিউরিটি (পরিপক্ক) কিনা? ◾আপনি যুক্তিসংগত প্রশ্ন করেন সমালোচনা সহ্য করতে পারেন এবং কাজের মাধ্যমে তার জবাব দিতে পারেন। ◾আপনি অন্যকে শারীরিক গঠন কিংবা এগুলো দিয়ে না মেপে তাকে মানুষ হিসেবে সমানভাবে মূল্যায়ন করেন। ◾কে আপনার ক্লোজ আর কে অত বেশি ক্লোজ না, তা বুঝতে পারেন আপনি খুব হতাশার মাঝে দিন কাটালেও আশপাশের কাউকে সেটা বুঝানোর চেষ্টা করেন না। ◾নিজের দুর্বলতা কারো সামনে প্রকাশ করেন না গায়ে পড়ে কাউকে উপদেশ দেন না। ◾কারো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন না (যেমনঃ বেতন কত, বিয়ে করো না কেন, স্মোক করো কেন) এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মাথা ঘামান না। ◾কাউকে কোনো কাজ করতে (তার মঙ্গলের জন্য হোক কিংবাআপনার মঙ্গলের জন্যই হোক) অতিরিক্ত ইনসিস্ট করেন না। ◾শত্রুর সাথে সরাসরি কোনো কোন্দল এ আপনি জড়ান না বরং তাদের সাথে মিষ্টভাষীর আচরণ করেন। ◾স্বল্পভাষী হলেও আপনি কখনোই অতিরিক্ত ইন্ট্রোভার্ট কিংবা অতিরিক্ত এক্সট্রোভার্ট না। ◾বেহুদা টাকা খরচ করেন না। দারুণ সব তথ্য পাবেন এই পেইজে - SSecret sciencesSecret science

নিজেকে চালাক করতে করণীয়! ◾প্রচুর পরিমাণে অচেনা এবং অজানা মানুষের সাথে মিশুন। ◾কমপ্লেক্স চিন্তা করুন। ◾রহস্যময় হওয়ার চেষ্টা করুন। ◾যেকোনো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করুন। ◾কখন চুপ করে থাকতে হবে আর কখন কথা বলতে হবে তা আয়ত্ত করুন। ◾প্রতিকূল পরিবেশে নিজেকে গড়ে তুলুন। ◾যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিন। ◾চালাক হতে হলে ভয় পাওয়া যাবে না।সাহসী হোন। ◾মাঝে মাঝে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করুন। ◾আপনার লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে কখনো সত্য কথা বলবেন না। ◾কারো প্রতি অসন্তোষ থাকলে তাকে সেটা বুঝতে দেয়া যাবে না।তবে তার সাথে মিলেমিশে থাকবেন;তাকেই বেশি টাইম দিবেন।তাতে করে আপনি আরও বেশি চালাক হবেন।

এই কঠিন সময়ে আপনারা কি আগের মতই ভয়েস কল বা ইন্টারনেটের পিছনে সমান মাসিক বাজেট রেখে খরচ করছেন? নাকি কৃচ্ছতা সাধনের মাধ্যমে খরচ কমিয়ে এনেছেন? আমি যা করছিঃ ১। পুরো পরিবার ওয়াইফাইয়ের উপর নির্ভরতা ৯৮% করে ফেলেছি। আমি ছাড়া পরিবারের বাকি ৩ জনের কেউ আর ডেটা প্যাক কিনি না। ২। প্রিপেইড ইউজাররা মাসে একবার রেটকাটার নিয়ে কলরেট সহনীয় করে চলছি। আর পোস্টপেইড ইউজার হিসেবে আমি এমনিই চলছি, ডিফল্ট কলরেট দিয়ে। কোন ফিক্সড কস্ট করছি না (বান্ডল/মিনিট কিনছি না)। ৩। মোবাইল ডেটা ব্যাকআপ হিসেবে আনলিমিটেড মেয়াদের ৪০ জিবি কিনেছিলাম ৪ মাস আগে। এখনো ২৫ জিবি আছে। এটা দিয়েই অন্তত আগামী ৬-৭ মাস কাভার করবো বলে ঠিক করেছি। ৪। গত বছর গরমকালে লোডশেডিং এর সময় পরিবারের সবারই প্রচুর খুচরা ডেটা প্যাক কেনা পড়েছে, এতে অনেক বাড়তি খরচ হয়েছে। সেটা বন্ধ করতে এবার রাউটারে ইউপিএস ব্যাকআপ লাগিয়েছি। বিদ্যুৎ না থাকলেও লাইন সচল থাকে যেহেতু ফাইবার অপটিক লাইন, আর ১৪-১৫ ঘন্টা ব্যাটারী ব্যাকআপে নিরবচ্ছিন্ন ওয়াইফাই পাচ্ছি এখন। ৫। লম্বা কথা বলার জন্য পুরো পরিবার অ্যাপ ইউজ করছি (মেসেঞ্জার/হোয়াটসঅ্যাপ)।

ইন্টারেস্টিং সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্ট। পার্ট-2 1.মানুষের স্বভাব কেমন দেখুন- মানুষ সেই সমস্ত ব্যাক্তিদের অবহেলা করে যারা তাকে দাম দেয়, অন্যদিকে তারা যাদের কাছে দাম পায় না, তাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। তাই যারা আপনাকে ভালবাসে তাদের সাথেই থাকুন। 2.মানব ব্যবহারের উপর করা একটি সার্ভে অনুযায়ী, মানুষ মোবাইল হারিয়ে ফেললে, মৃত্যুর সময় যেরূপ চিন্তিত এবং আবেগ প্রবন আচরণ করে, ঠিক সেইরূপ আচরণ করে। 3.আমরা যখন একা থাকি তখন আমাদের একাকীত্ব মনে হয় না, আমাদের একাকীত্ব মনে হয় তখনই যখন কেউ আপনাকে পরোয়া করে না। 4.রাতে ঘুমানোর সময় যদি হঠাৎ করেই আপনার কোনো মানুষের কথা মনে পড়ে, তাহলে সেই ব্যক্তি আপনার খুশির কারণ। অথবা সেই ব্যক্তি নিশ্চয়ই অতীতে আপনাকে আঘাত করেছিল। 5.কোনো বিপরীত লিঙ্গের মানুষের সাথে যদি প্রায় প্রতিদিন অনেক সময় ধরে কথোপকথোন হলে তাদের মধ্যে সম্পর্কে জড়ানোর চান্স বেড়ে যায়। 6.যদি কেউ আপনার সামনে কাউকে নিয়ে মজা করছে, তার অর্থ হলো সেই ব্যক্তিটি কারও না কারও কাছে আপনাকে নিয়েও মজা করে। এটা ১০০% সত্যি। 7.আপনি কি জানেন পৃথিবীর প্রায় ৭৫% লোকের মাথায় নতুন কিছু করার ভাবনা গোসল করার সময়ই আসে।

ভালোবাসা সম্পর্কে ইন্টারেস্টিং সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্ট। পার্ট-২ ব্রোকেন হার্ট সিন্ড্রোম হার্টব্রেক শারীরিক ব্যথার মতোই খারাপভাবে আঘাত করতে পারে। প্রিয়জনকে হারানোর পরে, আপনি "ব্রোকেন হার্ট সিন্ড্রোম" নামে পরিচিত একটি অবস্থাতে ভুগতে পারেন। ভয়ঙ্কর বিষয় হলো একটি হার্টব্রেক মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। প্রেমের ওষুধ ইতিহাস জুড়ে "প্রেমের ওষুধ" তৈরি করা হয়েছিল একজন ব্যক্তির ঘাম দিয়ে তাদের ক্রাশ করার চেষ্টা করার জন্য। কারণ আপনি যাকে আকর্ষণীয় মনে করেন তার ঘ্রাণে আপনি বেশি আকৃষ্ট হন—এটি সাব-কনশাস মাইন্ডের কাজ যা মস্তিষ্ককে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে যে আপনি কাউকে ভালোবাসেন কিনা। ভালবাসার ভয় সবাই ভালোবাসতে চায় না— কিছু মানুষের ভালবাসা নিয়ে ভয় আছে। এই তীব্র ভয় ফিলোফোবিয়া নামে পরিচিত। প্রেমের ভয় অতীতের আঘাতমূলক সম্পর্ক, বিশ্বাসঘাতকতা, অপব্যবহার এবং বিশ্বাসঘাতকতার কারণে হতে পারে। প্রেম আপনার ওজন কমাতে পারে। প্রেম অক্সিটোসিন তৈরি করে যা মানসিক সুখের কারণ হয়, কিন্তু এটি আপনার ক্ষুধাও কমাতে পারে (এবং আপনি ঘুমাতে পারবেন না!) পুরুষদের মধ্যে অক্সিটোসিনের উপস্থিতি ক্যালোরি গ্রহণ কমিয়েছে এবং "উপকারী বিপাকীয় প্রভাব" রয়েছে। হাইয়ার লাভ ভালোবাসা হচ্ছে একটি মাদকের মতো, এবং এটি কোকেনের মতো শরীরের উপর অনুরূপ স্নায়বিক মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। ভালোবাসা এবং কোকেন দুইটাই একই রকম আনন্দ উচ্ছ্বাস অনুভূতি জাগায়। হার্ট রেট সিঙ্ক্রোনাইজ কাপলদের হৃদস্পন্দন তিন মিনিটের বেশি সময় ধরে একে অপরের চোখের দিকে তাকানোর পরে সিংক্রোনাইজ করতে পারে, যার ফলে "আমাদের হৃদয় একসাথে স্পন্দিত হয়।" আপনি চার মিনিটের মধ্যে প্রেমে পড়তে পারেন প্রেমে পড়া দ্রুত ঘটে, এবং বিশ্বাস এবং আনুগত্য সময় নেয়। আপনি প্রেম পড়েছেন কিনা তা সিদ্ধান্ত নিতে সাব-কনশাস মাইন্ডের জন্য মাত্র কয়েক সেকেন্ড বা মিনিট সময় লাগে। মহিলারা টেস্টোস্টেরন পছন্দ করেন। মহিলারাও গালের হাড় এবং শক্ত চোয়ালের হাড় পছন্দ করেন, যা টেস্টোস্টেরনের মাত্রার সাথে যুক্ত। আমরা সামাজিক জীব, তাই আমাদের ভালবাসা একটি অপরিহার্য জিনিস।

রুকাইয়ার দুই প্রকার,, ১) রুকাইয়া সুন্নাহ ( সুন্নতি রুকাইয়া রসুল (স) থেকে প্রমানিত দোয়া আমল) ২) রুকাইয়া মুবাহ ( কুরআন হাদিস থেকে বিজ্ঞদের গবেষনা করা তাহকীকের মাধ্যমে আমল দিয়ে রুকাইয়া করা) . নিসন্দেহে "আন নুর" যিকির করা আলী সাহেব আর আরিফ সাহেবের তাহকীক বা গবেষনা। এটা কখনোই বিদায়াত না৷ এটাকে বলা যায় রুকাইয়া মুবাহ৷

. যারা রমজানের সময় যাবেন তাদের সারা দিনে খাবারের টেনশন নাই , মক্কা মদিনার হারাম শরীফের চত্বরে রেস্ট নেওয়ার ব্যবস্থা আছে । একদম সকালে তাহাজ্জুদ নামাজের পর থেকে তারাবির নামাজ পর্যন্ত হারাম শরীফের মধ্যে থেকে যেতে পারবেন। ওখানে ইফতার আর রাতের খাবারের টেনশন নাই। আপনার মোয়াল্লেম যদি খাবারের ব্যবস্থা করেন তাহলে ভালো, যদি না করেন তাহলে আশেপাশে অনেক দোকান আছে যেখানে বাংলাদেশ ,পাকিস্তান ও ভারতীয়রা আছে কথা বলতে সমস্যা হবে না। . 🟩 ষষ্ঠ পরামর্শ : যাওয়ার সময় সাথে করে কিছু জিনিস অবশ্যই নিয়ে যাবেন , এগুলো হ্যান্ড ব্যাগে রাখবেন না , বুকিং এ দিয়ে দেবেন। ১) একটা প্লাস্টিক অথবা মেলামাইনের প্লেট , ঢেকে রাখা যায় এমন । আমি আর এফ এল এর রুটির বক্স নিয়েছিলাম। গোল রুটি রাখা যায় এমন বক্স একদম ঢাকনাসহ এটা দিয়েই প্লেটের কাজ করেছি । ২) একটা প্লাস্টিকের মগ (500 এমএল পরিমাণের নেবেন , যদি কখনো স্যালাইন খাওয়ার প্রয়োজন হয় যেন মাপামাপির ঝামেলা না লাগে সেজন্য ) ৩)কিছু ওষুধ , যেমন এক পাতা নাপা , ফ্লাজিল , ডমপেরিডন , লোসেকটিল , কয়েক পাতা স্যালাইন ইত্যাদি নিবেন সাথে কোনো এক ডাক্তার ভাইয়ের কাছ থেকে খাওয়ার নিয়ম জেনে নিবেন । আর যারা ডায়াবেটিস বা প্রেসারের ওষুধ খাচ্ছেন তা তো অবশ্যই সাথে এগুলো নিয়ে যাবেন। ৪) সব সময় হাটা যায় এমন নরম প্লাস্টিকের /রাবারের সেন্ডেল ২ জোড়া । ৫) এক বক্স মাস্ক । ৬) একটা এন্ড্রয়েড ফোন , প্রয়োজনে সৌদি সরকারের Tawakkalna নামক অ্যাপস /অন্য কোন অ্যাপস ইউজ করতে হতে পারে , যা আপনার মোয়াল্লেম আপনাকে সঠিক সময় জানিয়ে দেবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে , বাসায় যোগাযোগের জন্য ইমু ব্যবহার করা যাবে , অনেক হোটেলে ফ্রি ওয়াইফাই এর ব্যবস্থা আছে । সৌদিতে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলা যায় না, তাই ইমো ইন্সটল করে নিবেন। সিম আমাদের কিনতে হয়নি , ফ্রী দিয়েছিল । ৭) এখানে মক্কা এবং মদীনা হেরেম শরীফে পানির ব্যবস্থা আছে। এখান থেকে শুধু 500ml এর একটা পানির পট সাথে করে নিয়ে গেলেই হবে। প্রয়োজনে বোতলে পানি ভরে নিয়ে আসতে পারবেন । আর আপনি যতক্ষণ মসজিদে থাকবেন ততক্ষণ ওইখানে পানির ব্যবস্থা থাকবে। ৮) ব্রাশ, পেস্ট ,সাবান, শ্যাম্পু , ভ্যাসলিন/ পেট্রোলিয়াম জেলি, সরিষার তেল / টিস্যু যা প্রয়োজন সাথে করে নিয়ে যাবেন। তবে আমি ওইখানে একটা ছোট ভিমবারের অভাব খুব অনুভব করেছি । খাবার পর প্লেট পরিষ্কার করার জন্য। ৯) মুয়াল্লিম এর সাথে পরামর্শ করে দুই সেট এহরাম এর কাপড় , সার্বক্ষণিক ব্যবহার করার জন্য সাইট ব্যাগ , জুতা রাখার জন্য ছোট ব্যাগ ইত্যাদি নিয়ে যাবেন । (এসব সৌদি থেকে কিনবেন এই চিন্তা বাদ দেন , এতে সময় নষ্ট হবে এবং অনেক বেশি টাকা খরচ হবে ) ১০) সৌদিতে সব জিনিসের দাম অনেক বেশি। বিশেষ করে খাবারের দাম। তাই সাথে আপনার পছন্দমত শুকনা খাবার নিয়ে যেতে পারেন। অনেককে দেখেছি চিড়া নিয়ে গিয়েছে , চিনি ও গুড়া দুধ নিয়ে গিয়েছে। চিড়া ভিজিয়ে রেখেছে পরবর্তীতে চিনিও গুঁড়ো দুধ দিয়ে খেয়েছে। অনেককে দেখেছি ডিম নিয়ে যেতে। সাথে ছোট্ট একটা ওয়াটার হিটার। . 🟩 সপ্তম পরামর্শ: ওমরায় গিয়ে আমার জন্য স্পেশাল ভাবে দোয়া করবেন সাথে পৃথিবীর সমস্ত উম্মার জন্য দোয়া করবেন। . (ভয়েস টাইপিং সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে এ জন্য বানান ভুল হতে পারে সহানুভূতি কাম্য ) @Dr. Faijul haq

যারা প্রথম/নতুন উমরায় যেতে চান , তাদের জন্য আমার বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু পরামর্শ । . 🟩প্রথম পরামর্শ: উমরার যাওয়ার সময় সবচেয়ে প্রথম খেয়াল রাখতে হবে আপনার সাথে যে মুয়াল্লিম হিসেবে যাচ্ছেন তিনি কেমন ! দরকার হয় তার সাথে আগে যারা হজ করতে গিয়েছে বা ওমরা করতে গিয়েছে তাদের কাছ থেকে জেনে নিন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এদের বাংলাদেশে চেহারা একরকম কিন্তু সৌদি তে যাওয়ার পরে চেহারা ভিন্ন রকম হয়ে যায়। . কিছু মুয়াল্লিম যাদের উদ্দেশ্য থাকে ব্যবসা , তারা মূলত সৌদিতে যায় ব্যবসা করার জন্য । এদের উদ্দেশ্য থাকে হাজীদের সহায়তা করার চেয়ে নিজের আখের গোছানো। . একদম নতুন একটা দেশ , নতুন একটা পরিবেশে ভাল মোয়াল্লেম না হলে খুব বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে যেতে হয়। . 🟩 দ্বিতীয় পরামর্শ: মাসলা মাসায়েল জেনে যাওয়া । যে এবাদত আমরা করবো সেই এবাদত করার জন্য পর্যাপ্ত মাসলা-মাসায়েল জানা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। সঠিক মাসলা-মাসায়েল এর অভাবে এবাদত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আপনি যে উত্তম কাজে যাচ্ছেন সে কাজের জন্য আপনার উচিত এ বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান লাভ করা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমরা মুয়াল্লিমের উপরে নির্ভরশীল হয়ে থাকি। একটা গ্রুপে অনেক মানুষ থাকার কারণে একজন মুয়াল্লিম সবাই কে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেনা । আর যদি ধান্দাবাজ কিসিমের মুয়াল্লিম হয় , তাহলে দেখা যাবে কোন ফাঁকে আপনার ওয়াজিব ছুটে গেছে আপনি নিজেই টের পাবেন না। যদি আপনার সঠিক মাসলা-মাসায়েল জানা না থাকে। এক্ষেত্রে আমি দুইটি বইয়ের সহায়তা নিয়েছিলাম ১) উমরা কিভাবে করবেন লেখক: অধ্যাপক মোঃ নুরুল ইসলাম মক্কী ২) উমরাহ মদিনা জিয়ারত ও দোয়া লেখক: ড: আবুবকর মুহাম্মদ যাকারিয়া . 🟩তৃতীয় পরামর্শ: সৌদি তে যাওয়ার আগে অবশ্যই মক্কা এবং মদিনায় যে স্থানগুলো ওমরার সাথে সম্পৃক্ত ও আপনি জিয়ারত করতে চাচ্ছেন এবং দর্শনীয় সেই স্থান গুলো সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিয়ে নিন । আগে থেকেই এ বিষয়ে পড়ালেখা করে নিলে আপনার জন্য অনুভব করা সহজ হবে। মক্কা-মদিনা ছাড়াও আরো অনেকগুলো বরকতময় স্থান আছে , এগুলো লিস্ট করুন এবং অবশ্যই এখানে জিয়ারত করুন । এক্ষেত্রে আমাকে একটা বই খুব সাহায্য করেছে , আপনারাও দেখতে পারেন ১) পবিত্র মক্কা মদিনা শরীফের ইতিহাস সম্পাদনাঃ শায়েখ শফিউর রহমান মোবারকপুরী প্রকাশক: মীনা বুক হাউস . 🟩চতুর্থ পরামর্শ: জামা কাপড় কেনা , স্বর্ণ কেনা এসব মার্কেট করার চিন্তা বাদ দিন , যাচ্ছেন ইবাদত করার জন্য , এখানকার প্রতিটা মুহূর্ত খুবই মূল্যবান। একজন হাজী সাহেবের জন্য একেক বিমানে একএক ওয়েট এর মাল বহন করা যায় । যেমন বাংলাদেশ বিমানে একটা পাসপোর্টধারীদের জন্য 25 কেজির ওজনের বক্স এর 2 টি বক্স , অর্থাৎ মোট 50 কেজি ওজনের মাল বহন করা যাবে। আগেই জেনে নিবেন আপনার বিমানে কত কেজি ওজন এলাও করবে। . মদিনা এয়ারপোর্ট এর নির্দিষ্ট স্থানে পাসপোর্ট দেখালে নির্দিষ্ট কিছু রিয়াল এর বিনিময়ে একটা পাঁচ লিটার ওজনের জমজমের পানি দিয়ে দিবে। তাহলে জমজমের পানি সহ আপনার ওজন যদি 55 কেজি হয় আপনাকে কিন্তু পানি আনতে দেবে না, এয়ারপোর্ট থেকে রেখে দেবে। তাই আপনি যে প্যাকেট করবেন সেই প্যাকেট যেন দুইটি বক্স মিলিয়ে 45 কেজির বেশি না হয়। ( জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে দেশে ফিরলে , এয়ারপোর্টে জমজমের পানি দেবে কিনা জেনে নিবেন ) . সাধারণত আমরা খেজুর এবং জমজমের পানি নিয়ে আসি , এগুলো বরকত ময় জিনিস। অন্য কোন মার্কেট না করে পর্যাপ্ত পরিমাণ খেজুর কিনতে পারেন আত্মীয়দের মেহমানদারী করার জন্য।এজন্য আগেই জেনে নিন খেজুরের পাইকারি মার্কেট সম্পর্কে। মক্কা মদিনার আশেপাশে অনেক দোকান আছে যেখানে বাঙালি ভাইয়েরা আছেন। এদের মধ্যে যেমন ভালো দোকানদার আছে তেমনি কিছু দোকানদার আছে যারা উল্টাপাল্টা দামে পণ্য বিক্রি করে। বিষয়টি খেয়াল রাখবেন। . 🟩পঞ্চম পরামর্শ: মক্কা এবং মদিনায় তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য আযান হয় , সৌদি তে গিয়ে প্রথম যেখানে যাবেন মক্কা অথবা মদিনায় ওখানকার নামাজের সময় জেনে নিন। রমজান ছাড়া অন্য সময় নিম্নের রুটিন ফলো করতে পারেন: সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে কয়েকটা খেজুর খাবেন সাথে জমজমের পানি পান করুন। সকালের নাস্তা হয়ে গেছে । . এবার তাহাজ্জুদএর আযান দেওয়ার আগেই বাসা থেকে বেরিয়ে যান , তাহাজ্জুদ নামায , ফজরের নামাজ ও জোহরের নামাজের পরে বাসায় আসুন , দুপুরের খাবার খেয়ে আছরের আজানের আগ পর্যন্ত ঘুমিয়ে , নামাজের জন্য বেরিয়ে যান , এরপরে আসরের নামাজ ,মাগরিবের নামাজ ও এশার নামাজ পড়ে বাসায় আসুন । মক্কার কাবা চত্বরে ও মসজিদে নববীতে প্রবেশের সাথে সাথে এতেকাফের নিয়ত করে নিন। আমি এই রুটিন ফলো করেছিলাম। এতে সময় নষ্ট কম হয় ।

সাইকোলজি বলে:- ১. আপনি যদি কথা বলতে বলতে কাউকে আপনার ব্যগ দিয়ে দেন, তাহলে সেই ব্যক্তি কোনো কিছু না বলেই, কোনো ভাবনা চিন্তা না করেই আপনার ব্যগটি ধরে নিবে। বিশ্বাস না হলে আজই দেখতে পারেন। ২. আচ্ছা আপনার কি কখনো মনে হয়েছে যে, কোনো সেলিব্রেটি আপনাকে দেখেই আপনার প্রেমে পড়ে যাবেন? আজ্ঞে আপনি Erotomania নামক একটি মানসিক রোগে ভুগছেন। যেখানে আক্রান্তের মনে হয় যে সেলিব্রেটিরা তাকে দেখলেই তাদের প্রেমে পড়ে যাবে, অথবা কোনো সেলিব্রেটি হয়ত তার প্রেমে পড়ে গেছে। ৩. আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন যে, বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের বন্ধু খুবই কম হয়, কারণ তারা বন্ধু নির্বাচনে খুবই কঠিন হয়। কেবলমাত্র তাদের মতের বা চিন্তা ভাবনার সঙ্গে মিল রয়েছে এরকম মানুষকেই তারা বন্ধু বানায়। যার ফলে তাদের বন্ধুর সংখ্যা অনেক কম হয়। ৪. কিছু ব্যক্তির উপর করা একটি সার্ভে অনুযায়ী, রিজেকশন এবং ব্যর্থতা মানুষকে শারীরিক যন্ত্রণার মত কষ্ট দেয়। ৫. আপনি কি জানেন ১৬-২৮ বছরের মধ্যে হওয়া বন্ধুত্বগুলি বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলিই পরবর্তীতে স্থায়ী হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ৬. আমরা যে কাপড় পরিধান করি, তা সরাসরি আমাদের মনের সঙ্গে যুক্ত। আপনি যদি ভালো কাপড় পড়েন আপনার মন এমনিতেই ভালো হয়ে যাবে, অপরদিকে আপনি যদি আপনার পছন্দের কাপড় পরিধান না করেন আপনার মন স্বাভাবিক ভাবেই খারাপ হয়ে যাবে। ৭. কারও সাথে কথা বলার সময় মাঝে মাঝে তার নাম উচ্চারণ করলে, সে অনেক আনন্দিত হয়। ৮. কাজের ফাকে মাঝে মাঝে কাছে বা দূরে ঘুরতে গেলে মনের সাথে সাথে আমাদের মস্তিষ্কও সুস্থ এবং স্বাভাবিক থাকে। দেখা গেছে যে এর ফলে ব্রেন স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে যায়। ৯.আপনি হয়ত পড়েছেন যে, কবিরা তাদের কবিতা কোনো নদীর সামনে বসে লিখছে। কিন্তু আপনি কি জানেন মানুষ যখন কোনো নদী বা সমুদ্র অর্থাৎ জলের সামনে সময় কাটায় বা বসে থাকে তখন তার মন অধিক শান্ত থাকে এবং সেই সময় তার মাথায় কোনো নতুন জিনিস সৃষ্টির প্রক্রিয়া বা নতুন কিছু করার ভাবনা চলতে থাকে। ১০. Truman syndrome –হল এমন একটি মানসিক রোগ যেখানে আক্রান্তের মনে হয় যে, সে কোনো রিয়্যালিটি শো বা বড় অনুষ্ঠানে আছে, এবং সরাসরি সেই দৃশ্য উপভোগ করছে।

রহস্যময় ২০২৩ এর ফেব্রুয়ারি! ফিরবে ৮২৩ বছর পর!! ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মতো আরও একটি এমন ফেব্রুয়ারি মাস বর্তমান বিশ্বে বসবাসকারী কারো ভাগ্যে আর জুটবে না। কারণ এমন মাস আরেকটা আসবে ৮২৩ বছর পর! তাই পরবর্তী কয়েক শত প্রজন্ম এমন ফেব্রুয়ারি মাসের দেখা পাবে না। চলতি সালের ফেব্রুয়ারি মাসকে ঘিরে রয়েছে চমৎকার রহস্য। এ মাসে সপ্তাহের সাতটি দিনই চারবার ঘুরে ফিরে আসবে। অর্থাৎ এ মাসে ৪টি শনিবার, ৪টি রোববার, ৪টি সোমবার, ৪টি মঙ্গলবার, ৪টি বুধবার, ৪টি বৃহস্পতিবার ও ৪টি শুক্রবার। একদিন কমও না, বেশিও না। গবেষণা বলছে, এমন ফেব্রুয়ারি মাসের আগমন হয় ৮২৩ বছর পর পর।

কাল এইচএসসির রেজাল্ট। গার্ডিয়ান বা সিনিয়র যারা আছেন, আপনার সন্তান বা ছোট ভাইবোন যদি আশানুরূপ ফলাফল করতে ব্যর্থ হয়, আর আপনি যদি ওর হাতটা শক্ত করে ধরে- "বাবা, দুই একটা রেজাল্ট খারাপ হতেই পারে, ব্যাপার নাহ! জীবন এইচএসসি রেজাল্ট থেকেও অনেক বড় একটা জিনিস.." এইটা বলতে পারার মানসিকতা না রাখেন, তাহলে ওর সফলতার কৃতিত্ব নেয়ার অধিকারও আপনি রাখেন না। আশানুরূপ রেজাল্ট না করতে পারার অনুভূতিটা অসহনীয়। এমনিতেই প্রচন্ড মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আপনি গার্ডিয়ান হয়ে যদি ওর কাধে হাতটা রেখে বলে দেখেন - এটার থেকে মানসিক প্রশান্তিদায়ক কিছু হতে পারে না। ওর মধ্যেও এই সংকল্প টা আসবে- "My whole world is with me. I'm not worthless. I'll make this little 'whole world' happy at any cost."

একসাথে তিন তালাক দেওয়া কিংবা বিভিন্ন সময় তালাক দিতে দিতে তিন পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া একটি জঘণ্য অপরাধ ও ঘৃণিত কাজ। আল্লাহ তাআলা এর শাস্তি হিসেবে এই বিধান দিয়েছেন যে, তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পুনরায় একসাথে বসবাস করতে চাইলে স্ত্রীর ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর অন্যত্র তার বিয়ে হওয়া এবং সে স্বামীর সাথে তার মিলন হওয়া অপরিহার্য। এরপর কোনো কারণে সে তালাকপ্রাপ্তা হলে কিংবা স্বামীর মৃত্যু হলে ইদ্দত পালনের পর এরা দু’জন পরস্পর সম্মত হলে নতুন করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে। প্রমাণ– وقال الليث عن نافع كان ابن عمر إذا سئل عمن طلق ثلاثا قال لو طلقت مرة أو مرتين فأن النبي صلى الله عليه و سلم أمرني بهذا فإن طلقتها ثلاثا حرمت حتى تنكح زوجا غيرك হযরত নাফে রহ. বলেন,যখন হযরত ইবনে উমর রাযি. এর কাছে ‘এক সাথে তিন তালাক দিলে ‎তিন তালাক পতিত হওয়া না হওয়া’ (রুজু‘করা যাবে কিনা) বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলো,‎ তখন তিনি বলেন-“যদি তুমি এক বা দুই তালাক দিয়ে থাকো তাহলে ‘রুজু’ [তথা স্ত্রীকে বিবাহ করা ছাড়াই ফিরিয়ে আনা] করতে পার। ‎কারণ, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এরকম অবস্থায় ‘রুজু’ করার আদেশ দিয়েছিলেন। ‎যদি তিন তালাক দিয়ে দাও তাহলে স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে, সে তোমাকে ছাড়া অন্য স্বামী গ্রহণ করা পর্যন্ত। (সহীহ বুখারী-২/৭৯২, ২/৮০৩) হযরত হারুন ইবনে আনতারা তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তার পিতা বলেছেন, আমি একদিন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. এর নিকট বসা ছিলাম। ইতিমধ্যে এক লোক এসে বলল, সে তার স্ত্রীকে এক বারেই একশো তালাক দিয়েছে। সে জানতে চাইল, এতে কি এক তালাক গণ্য হবে নাকি তিন তালাক গণ্য হবে? আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. বললেন, তিন তালাক কার্যকর হয়ে তোমার স্ত্রী তোমার থেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আর বাকি সাতানব্বই তালাকের গুনাহ তোমার উপর বর্তাবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা আসার নং ১৮১০১) উপরোক্ত হাদীস ও আসার থেকে বিষয়টি সুপ্রমাণিত যে. এক সাথে তিন তালাক দিলে (যেমন আপনার উক্ত আত্মীয় দিয়েছেন) তিন তালাকই হবে । এক তালাক নয়। এজন্যই বিখ্যাত ফকীহ ও মুহাদ্দিস আল্লামা ইবনুল হুমাম রহ. (মৃত.৬৮১হি.) আলোচ্য মাসআলাটি যে সাহাবাযুগ থেকেই অবিসংবাদিত তা উল্লেখ করার পর লিখেছেন- (তরজমা) “আর এ জন্যই যদি কোন (শরয়ী) আদালতের বিচারক এই সিদ্ধান্ত দেয় যে, এক সাথে তিন তালাক দিলে এক তালাক হয়, তাহলে তার ফায়সালা গ্রহণযোগ্য হবে না। কেননা বিষয়টিতে নতুন ইজতিহাদ ও সিদ্ধান্তের কোন সুযোগ নেই। সুতরাং নতুন কোন সিদ্ধান্ত দেয়া হলে তা শরীয়তসম্মত ‘মতপার্থক্য’ নয়; শরীয়ত গর্হিত ‘বিচ্ছিন্নতা’ হিসাবেই গণ্য হবে।” আর তিন তালাক হয়ে গেলে বিধান কী- এসম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। (সূরা বাকারা-২৩০)

🤷‍♂️ অফিসের ফরমাল ও ক্যাজুয়াল ড্রেস কোড 🤵‍♂️ ‘কর্পোরেট’– শব্দটাতেই কেমন একটা ভাব-গাম্ভীর্যতা রয়েছে। তাই পোশাকেও থাকা চাই তেমন গাম্ভীর্যের ছোঁয়া। কর্পোরেট অফিসিয়াল ড্রেস কোড হিসেবে চোখ বন্ধ করে বেছে নিতে পারেন আমাদের দেশীয় সুতি কাপড়ের শাড়ি ও কামিজ। শাড়ির ব্লাউজের ক্ষেত্রে বড় গলার ব্লাউজ ও নটেড ব্লাউজ পরিহার করতে হবে স্ট্রিক্টলি। শাড়ি, কামিজ বা স্যুট সব ক্ষেত্রেই রঙটা অবশ্যই হালকা হবে। সাধারণত ফরমাল পোশাকে হালকা নীল, সাদা, হালকা গোলাপী, ধূসর বা ছাই রঙ খুব প্রাধান্য পায়। তবে ফ্যাশন জগতের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের মতে- খাকি রঙের পোশাক এড়িয়ে চলাই ভালো। শাড়ি জমিন খুব পাতলা- যেমন মসলিন, নেট এমন হওয়া যাবে না। আমাদের দেশে মেয়েরা সাধারণত স্যুট পরে না। তবে চাইলে, ফরমাল প্যান্ট, ফরমাল শার্টের সাথে একটা ব্লেজার পরতে পারেন। ছোটো দুল, হাতে লেদার বা চেইনের ফরমাল ঘড়ি, হাতে একটা ব্যাগ, চুল ছোট হলে সুন্দর করে আঁচড়িয়ে খোলাই রাখুন। আর চুলটা যদি হয় কাঁধের নিচ পর্যন্ত বড়, তাহলে পনিটেইল করলেই আপনি রেডি, ঠোঁটে একটা হালকা রঙের লিপস্টিক ব্যস! পুরোই ক্লাসি একটা লুক! যখন আপনি ক্রিয়েটিভ তখন আপনার পোশাকেও তার প্রকাশ চাই। ক্রিয়েটিভের সাথে ফরমাল আউটফিট একেবারেই বেমানান অবশ্যই পার্টি ড্রেস পরে অফিস করবেন না! ক্রিয়েটিভ অফিসের ড্রেস কোডে ক্যাজুয়াল স্টাইলটা ব্যাপারটা কিন্ত পারফেক্ট! আপনার অফিসের জন্য হাতে এখন অনেক অপশন। আপনি চাইলেই যে কোনো রঙের পোশাক বেছে নিতে পারেন। জিন্স বা লেগিংসের সাথে পরতে পারেন নিজের খুশি মতো টপস! সে কটন, নিটেড বা জর্জেট যেমনই হোক না কেন। তবে শর্ত একটাই, ড্রেস অবশ্যই শালীন হতে হবে। টপস হিসেবে চাইলেই টি-শার্ট, ফতুয়া, বাটন ডাউন কলার (Button Down Coller)- এর শার্ট পরতে পারেন।চুল চাইলে খোলা রাখতে পারেন আবার বেঁধে নিলেও ভুল হবে না একটুও! কানে সৌখিন ফেদারের দুল থেকে ফরমাল টব পরলেও মানা নেই। গলায় ফ্যাশনেবল লকেট পড়লে বেশ গর্জিয়াস মনে হবে। হাতে ফ্যাশনেবল ঘড়ি, ব্রেসলেইট আরও স্টাইলিশ লুক দিবে আপনাকে। যেহেতু ক্রিয়েটিভদের অনেক বেশি সময় বাহিরে থাকতে হয়, তাই তারা বড় একটি ক্লাসিক হ্যান্ড ব্যাগ সাথে রাখতে পারেন। মেকআপ দিলে একেবারেই হালকা আর গাঢ় রঙের লিপস্টিক দিয়ে বেশ গর্জিয়াস লুক নিতে পারেন। কর্পোরেট কিংবা ক্রিয়েটিভ যেমন অফিসেই আপনি কাজ করুন না কেন, অফিস অনুযায়ী সঠিক পোশাক এটিকেট মেনে চললেই আপনার রুচিশীল ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠবে। অফিসিয়াল পোশাক খুব দামী বা নামী ব্র্যান্ডের হতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনার সাধ্যমত অফিসিয়াল ড্রেস কোড মেনে চললেও প্রফেশনালিজম বজায় থাকবে। তাহলে, এখন থেকে আপনার অফিস ও কাজের ধরন বুঝে অফিসিয়াল ড্রেস কোড বাছুন। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - 🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰 #konna #কন্যা #corporate #business #events #corporate #event #branding #marketing #work #photography #office #entrepreneur

🗻 বরফে ডোবালেই চেহারা সতেজ 🗻 হাতের কাছের খুব সাধারণ কিছু উপকরণ থেকেও পাওয়া যেতে পারে অসাধারণ ফলাফল। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে বরফের কিউবের কথা। চটজলদি মুখের ফোলা কমানো থেকে শুরু করে বলিরেখা দূর করার মতো কঠিন সমস্যাগুলোর সমাধান দিতে পারে ছোট এই ঠান্ডা জিনিস। ত্বক ঠান্ডা করার এই পন্থা গরমে আরাম দেবে। শীতেও করা যাবে এই রূপচর্চা। কোরিয়ান নারীরা এটি নিয়মিত অনুশীলন করেন। সকালে বা সন্ধ্যায় ৩০ সেকেন্ডের জন্য দুই থেকে তিনবার বরফ দেওয়া ঠান্ডা পানিতে চেহারা ডোবানো যাবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আইস ওয়াটার ফেস ডিপ থার্মোজেনেসিস নামে পরিচিত এই বরফথেরাপি নতুন কিছু নয়, বহু শতাব্দী ধরেই চলে আসছে। প্রক্রিয়াটিতে আপনার ত্বক কয়েক সেকেন্ডের জন্য ঠান্ডা তাপমাত্রায় উন্মুক্তভাবে থাকে। এটি ত্বকের জন্য একাধিক সুবিধা নিয়ে আসে বলে মনে করা হয়। প্রতিদিন একবার করলেই হয়। ১ মিনিটে ৫ থেকে ১০ সেকেন্ডে যে কয়বার করতে পারেন। ✅ বরফপানি ছিদ্রের আকার ছোট করে ত্বকের সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলোর একটি বর্ধিত ছিদ্র। মুখের ছিদ্রগুলো বড় ও খোলা থাকলে তেল, ময়লা ও ধুলা ঢুকে যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জমা হতে থাকে, কেড়ে নেয় আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক আভা। এই ছিদ্রগুলো বড় দেখায়, যখন তাদের মধ্যে ময়লা জমে থাকে। নিয়মিত বরফে চেহারা ডোবালে ত্বকের ছিদ্রের আকার ছোট হয়ে আসে। ✅ ত্বক টানটান করে ত্বক শিথিল হওয়া শুরু করলে নিয়মিত বরফের জলে মুখ ডুবিয়ে রাখা ভালো। এটি আপনার ত্বক টানটান করতে সহায়তা করবে। ঠান্ডা পানিতে মুখ ডুবিয়ে রাখলে ত্বকের ছিদ্র শক্ত হতে শুরু করে। এ ছাড়া এই আইস ওয়াটার থেরাপি বলিরেখা ও সূক্ষ্মরেখার মতো বার্ধক্যজনিত লক্ষণগুলোর উপস্থিতি রোধ করে। ✅ মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী করে বেশির ভাগ তারকা মেকআপ করার আগে এই পদ্ধতিতে ত্বক ঠান্ডা করে নেন। কারণ, বরফের ঠান্ডা জল ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ থাকে চেহারায়। তবে কথা আছে। শুষ্ক ও সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এ প্রক্রিয়াটি ভালো নয়। করলেও খুব কম সময়ের জন্য করে দেখুন, আপনার ত্বক বরফঠান্ডা পছন্দ করছে কি না। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - 🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰 #konna #কন্যা #beautytips #beauty #skincare #makeup #skincareroutine #beautybloggers #skincaretips #beautycare #makeupartist #skincareproducts #makeuptutorial #skin #beautyinfluencer #selfcare #beautiful #beautyhacks #glowingskin