1 954
Підписники
Немає даних24 години
-77 днів
-1830 днів
Архів дописів
1 954
উপভোগ্য একটি মিলনের উপকারিতাঃ-
-মানসিক সুস্বাস্থ্য
-নরম মেজাজ
-হাতাশামুক্ত জীবন
-আত্মবিশ্বাস
-ফ্রেশ ঘুম এবং
-জীবনসঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা।
এর বিপরীত হলেঃ-
-মেজাজ খিটখিটে
-মাথা এবং কোমড় ব্যথা করা
-দাম্পত্য জীবনে অনীহা
-ঠিকঠাক ঘুম না হওয়া
-ডিপ্রেশনে থাকা
-জীবনসঙ্গীর প্রতি অনাকর্ষন
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মানসিক কিংবা শারীরিক মিলন,দুটোই আল্লাহর দেওয়া অনেকগুলো নিয়ামতের মধ্যে অন্যতম।জান্নাতে অনেকগুলো সুখের মধ্যে একটা সুখের নমুনাস্বরূপ পৃথিবীতে দেওয়া হয়েছে।
এই আমানত অনেক মানুষই নষ্ট করে ফেলে বা ভুল পথে অপব্যবহার করে।
এই সামান্য কয়েক সেকেন্ড সুখের জন্য মানুষ পাগল হয়ে ছুটছে,যি-না ব্যভি-চার করছে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের হেফাজত করুন,সহীহ বুঝ দিন এবং ঈমান ধরে রাখার তৌফিক দিন।
#DrSRKhan
1 954
আগামী ১ মার্চ হতে NID বা জন্ম নিবন্ধন বা পাসপোর্ট এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ব্যতিত টিকিট ক্রয় করা যাবে না মর্মে রেলওয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ জনগণের মাঝে এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে। এসকল প্রশ্নের উত্তর নিম্নে দেওয়ার চেস্টা করা হলো:
প্রশ্ন-১: একের অধিক টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে সবার এনআইডি লাগবে কিনা?
উত্তর-১: একের অধিক টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে যার আইডি ব্যবহার করা হবে ভ্রমণকালে তাকেই আইডি দেখানো লাগবে। অন্যদের আইডি দেখানোর প্রয়োজন নেই।
প্রশ্ন-২: কাউন্টারে টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে আইডি লাগবে কিনা?
উত্তর-২: কাউন্টারে টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত আইডি বা এই আইডির বিপরীতে দেওয়া ফোন নাম্বার বললেই হবে। টিকেটিং ডাটাবেইজে সংরক্ষিত তথ্যসমূহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিকিটের উপরে মুদ্রিত হবে। তবে ভ্রমণকালে আইডি বা আইডি'র ফটোকপি দেখালেই চলবে।
প্রশ্ন-৩: কাউন্টারে নিবন্ধন করা যাবে কিনা?
উত্তর-৩: কাউন্টারে নিবন্ধন করার সুযোগ নেই। তবে প্রতিটি জেলা শহরের স্টেশনে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে কোনো যাত্রী গেলে তাকে সহযোগিতা করা হবে নিবন্ধনের জন্য।
প্রশ্ন-৪: রেজিস্ট্রেশনের কোনো তথ্য পরিবর্তন করা যাবে কিনা?
উত্তর-৪: রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে আপাতত শুধু ইমেইল ও ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন।
প্রশ্ন-৫: বর্তমানে একবারে সর্বোচ্চ কতজনের টিকিট ক্রয় করা যাবে?
উত্তর-৫: চারজনের টিকিট ক্রয় করা যাবে।
প্রশ্ন-৬: সপ্তাহে দুইবারের বেশি টিকিট ক্রয়ের সুযোগ থাকবে কিনা?
উত্তর-৬: বর্তমানে ৭ দিনে সর্বোচ্চ দুই বার টিকিট ক্রয়ের যে লিমিট দেওয়া তা অচিরেই তুলে নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে একইদিনে একই যাত্রা স্টেশন থেকে একের অধিকবার টিকিট ক্রয়ের সুযোগ
থাকবে না।
প্রশ্ন-৭: টিকিটের উপরে যাত্রীর নাম বা আইডি সাথে ভ্রমণকারীর তথ্য না মিললে কি হবে?
উত্তর-৭: ভ্রাম্যমাণ আদালত বা ভ্রাম্যমাণ টিকিট চেকার বা টিটিই কর্তৃক চেকিংকালে টিকিটের উপরে মুদ্রিত যাত্রীর তথ্যের সাথে ভ্রমণকারীর তথ্য না মিললে যাত্রীর নিকট থাকা টিকিটটা হস্তান্তরের দায়ে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ভ্রমণকারীকে বিনা টিকিটের যাত্রী বিবেচনায় নিয়ে জরিমানা ও ভাড়া আদায় করা হবে। এক্ষেত্রে জরিমানা ভাড়ার সমপরিমান হবে।
প্রশ্ন-৮: এসএমএস এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করলে পরবর্তীতে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে কিনা?
উয়তর-৮: অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। সেক্ষেত্রে মোবাইল নাম্বার ও আইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করলেই হবে।
প্রশ্ন-৯: জন্ম নিবন্ধন সনদ কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
উত্তর-৯: ১২-১৮ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।
প্রশ্ন-১০: জন্ম নিবন্ধন সনদ বা পাসপোর্টের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন কতদিনের মাঝে সম্পন্ন সম্ভব হয়?
উত্তর-১০: যেহেতু ম্যানুয়ালি তথ্য চেক করে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয় তাই এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৭২ ঘন্টা সময় প্রয়োজন হবে।
প্রশ্ন-১১: যাদের আগে থেকে আইডি রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তর-১১: যাদের আগে থেকে রেজিস্ট্রেশন করা আছে তারা ফোন নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করবেন। এরপর এনআইডি নাম্বার ও জন্ম তারিখ দিয়ে ভেরিফাই করে নিলেই হবে।
প্রশ্ন-১২: রেজিস্ট্রেশন করা যাবে কি কি ভাবে?
উত্তর-১২: মূলত তিনভাবে একজন রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। অনলাইন, মোবাইল আ্যপ ও মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে।
অনলাইনের ক্ষেত্রে eticket.railway.gov.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে করতে পারবেন। মোবাইল আ্যপের ক্ষেত্রে গুগল প্লে স্টরে গিয়ে Rail Sheba আ্যপের মাধ্যমে এবং মোবাইল এসএমএসের ক্ষেত্রে BR<>NID#<>date of Birth লিখে ২৬৯৬৯ নাম্বারে সেন্ড করতে হবে। এক্ষেত্রে জন্মতারিখের ফরম্যাট হবে YYYY-MM-DD।
আশাকরি উপরের প্রশ্নগুলির বাইরেও আপনাদের মনে আরও প্রশ্ন থাকবে। সেগুলো এই পোস্টের নিচে কমেন্টে জিজ্ঞাসা করলে আপনাদেরকে উত্তর দেওয়ার সর্বোচ্চ চেস্টা করা হবে।
@BD Railway
1 954
আপনি এট্রাক্টিভ হলে পাবলিকদের কাছে যা যা সুবিধা পাবেন।
১)পাবলিকরা আপনাকে হ্যাপিলি হেল্প করতে এগিয়ে আসবে।
২)আপনার ব্যাড জোক্সেও হাসবে। যখন আমরা কাউকে এট্রাক্টিভ মনে করি তখন তার ব্যাড জোক্সের ন্যাচারালি হাসি চলে আসবে।
৩)এট্রাক্টিভ হলে চাকরিতে সহজেই নিয়োগের সম্ভাবনা বেশি। (রিসার্চ বেসড)
৪)আশেপাশের লোক আপনার কথা মনোযোগ সহকারে শোনবে, আপনাকে আগের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিবে।
৫) এট্রাক্টিভ হলে কনফিডেন্স লেভেল হাই হতে পারে। (রিসার্চ বেসড)
৬)আপনি নোটিস করবেন চারপাশে মানুষজনের বিহেভিয়ার চেঞ্জ যখন আপনি তাদের কাছে এট্রাক্টিভ।
৭)যারা আপনাকে কখনোই পাত্তাই দেয়নি তারা আপনার কাছে বন্ধু হতে আসবে।
৮)স্বাভাবিকভাবেই সুন্দর মানুষদের আরও বিশ্বস্ত এবং অনেস্ট হিসাবে বিচার করা যেতে পারে। (রিসার্চ বেসড)
৯)রোম্যান্সের ক্ষেত্রে সুন্দর মানুষদের চাহিদা বেশি হতে পারে। (রিসার্চ বেসড)
১০)আপনি কারো কাছে এট্রাক্টিভ মনে হলে তখন আপনার দিকে যদি সে তাকায় সাব-কনশাসলি তার ভ্রু উপরে উঠে যায়।
1 954
আপনি যাকে সান্ত্বনা দিতে চাচ্ছেন যদি সে আপনার হাজবেন্ড হয় তাহলে তাকে সাপোর্ট করার জন্য "অন্তত খারাপ সময়ে তাকে মেন্টাল প্রেশার দিয়েন না। " নারীজাতির কমন কিছু কমন বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, কী পেয়েছে কী পায়নি এসব নিয়ে কথা শোনায়, কর্মজীবনে ব্যর্থতার জন্য কথা শোনায়,অন্যদের সাথে কম্পেয়ার করে, কিচ্ছু নাই কিচ্ছু পায়নি বলে বলেই অতিষ্ঠ করে ফেলে তাই এসব করবেন না। সারাক্ষণ তার ফ্যামিলি,আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে অভিযোগ/সমালোচনা করবেন না। অল্পে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করবেন।
আর উনার সমস্যার ব্যাপারে শেয়ার করতে চাইলে শুনবেন,ভুল হলেও তাৎক্ষণিক রিএক্ট করবেন না। আর শেয়ার করতে না চাইলে ফোর্স করবেন না,স্পেস দিন।
©
1 954
সঠিক উপায়ে শ্বাস নিন
সঠিক উপায়ে শ্বাস নিলে দেহের কোষগুলো প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পাবে। এছাড়াও শরীরের পিএইচ, কার্বন ডাই অক্সাইড এবং অক্সিজেনের অনুপাত বজায় থাকবে। তা না হলে অক্সিজেনের অভাবে কোষগুলো দেহের চাহিদা অনুযায়ী শক্তি উৎপাদন করতে পারবে না। অক্সিজেন + নিউট্রিশন = শক্তি বা জীবনীশক্তি। কোষ বা সেলগুলো পর্যাপ্ত নিউট্রিশন পাচ্ছে, কিন্তু পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাচ্ছে না; এ অবস্থায় দেহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে মানুষের কর্মোদ্দীপনা সৃষ্টি করতে পারে না । স্বাভাবিকভাবে একজন সুস্থ মানুষ শুধু সঠিক উপায় শ্বাস গ্রহণের মাধ্যমেই রক্তে ও কোষে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে । সেক্ষেত্রে শ্বাস নেয়ার নিয়মটি জেনে নিন।
সাধারণত তিন উপায়ে আমরা শ্বাস গ্রহণ করি-
১। অ্যাবডোমিনাল ব্রিদিং ।
২। চেস্ট ব্রিদিং ।
৩। মিক্স ব্রিদিং।
এখানে শুধু অ্যাবডোমিনাল ব্রিদিং সঠিক ও স্বাস্থ্যসম্মত। অ্যাবডোমিনাল ব্রিদিং পরীক্ষা করতে আপনার এক হাত পেটে বা তলপেটে রাখুন, এবার দেখুন পেট বা তলপেট ওঠা–নামা করছে কি না। যদি শ্বাস নেয়ার সময় পেট উপরে উঠে এবং প্রশ্বাসের সময় পেট নিচে নামে তাহলে বুঝবেন আপনার ব্রিদিং সঠিকভাবে হচ্ছে। আর যদি দেখেন, আপনার পেটের পরিবর্তে বুক ওঠা–নামা করে তাহলে বুঝবেন চেস্ট ব্রিদিং বা অস্বাস্থ্যকর ব্রিদিং হচ্ছে যা পর্যাপ্ত অক্সিজেন দেহে সরবরাহ করছে না। মুখ খোলা রেখে কখনো শ্বাস নেয়া যাবে না, এটি খুবই অস্বাস্থ্যকর। মনে রাখবেন, মুখ হলো খাবার গ্রহণের জন্য এবং নাক শ্বাস প্রশ্বাসের জন্য । প্রতিদিন তিন ধরনের শ্বাস প্রশ্বাসে ব্যায়াম করুন। এগুলো হলে- উইম হফ ব্রিদিং, ডা: উইলস ৪/৭/৮ এবং হামিং ব্রিদিং ।
শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম নিয়ে আমার কিছু ভিডিও রয়েছে এই ভিডিও গুলো দেখুন এতে করে আরো সহজ ভাবে জানতে পারবেন কীভাবে সঠিক উপায়ে শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম করবেন।
কিভাবে সঠিক উপায়ে শ্বাসপ্রশ্বাসের নিবেন
https://youtu.be/LB7iRdZ-IHs
তিন ধরনের শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম যা জানা থাকলে আপনি পাবেন সর্বোত্তম সুস্থতা
https://youtu.be/RSGDzstzTKM
স্বাস্থ্যকর জীবনের ৭ টা গোপন সূত্রের মূল বিষয়বস্তু শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম
https://youtu.be/sCQgyJSy43U
সুস্থ থাকতে করুন শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম ||
https://youtu.be/Au2MPlPXp3I
Dr. Mujibur Rahman MD
Cardiologist & Alternative Doctor
#drmujiburrahman #healthylifesyle #breathing #breathingexercises #breathingtechniques #শ্বাস #শ্বাসেরব্যায়াম
1 954
ট্যাবলেট খেয়ে মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখলে রোযা হয়ে যাবে। তবে মেয়েদের স্বাভাবিক অবস্থার বিরুদ্ধে এ নিয়মে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই ট্যাবলেট না খাওয়াই উত্তম। বরং, স্রাব চালু থাকতে দিবে এবং পরবর্তীতে রোযা কাযা করে নিবে। মনে রাখবেন, এতে রমযানের রোযার সওয়াব কমবে না। ফতওয়ার কিতাবে এসেছে-
‘হায়েজা মহিলার জন্য উত্তম হলো নিজের স্বাভাবিক অবস্থার ওপর থাকা। আল্লাহ তাআলা তার ওপর যে ফয়সালা করেছেন, তার ওপর সন্তুষ্ট থাকা। এমন কিছু ব্যবহার না করা, যার দ্বারা রক্ত বন্ধ হয়ে যায়। বরং হায়েজ অবস্থায় রোজা ছেড়ে দেয়া। অতঃপর রোজাগুলোর কাজা আদায় করে নেয়া। কেননা, উম্মুল মুমিনিন ও আকাবির মহিলারা এমনটিই করেছেন। আর যদি ওষুধ দিয়ে রক্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলেও রোজা হয়ে যাবে।’(আপকে মাসায়েল : খণ্ড ৩, পৃ. ২০৭)
1 954
আল্লাহ তাআলা ভুল মাসআলার উপর আমল করে জিনার গোনাহ করা থেকে উম্মতে মুসলিমাকে হিফাযত করুন। আমীন।
Khairul Islam 10/1/2022
হানাফী ফিকহ (Hanafi Fiqh)
1 954
"عن شريك بن أبي نمر قال: جاء رجل إلى علي رضي الله عنه فقال: إني طلقت إمرأتي عدد العرفج؛ قال: تأخذ من العرفج ثلاثاً و تدع سائره". (باب الطلق ثلاثاً ٦/٣٠٦).
শারীক বিন আবি নামির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আলী রা.এর কাছে এসে বললো: আমি আমার স্ত্রীকে আরফাজ গাছের সংখ্যা অনুযায়ী তালাক দিয়েছি। তিনি বললেন,তুমি আরফাজের তিনটি নিয়ে নাও এবং বাকিগুলো অকার্যকর হবে। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাকে ৬/৩০৬)
ইমাম কুরতুবি রহি.এর তাফসীরে "আহকামুল কুরআনে"- তিন তালাকের ব্যাপারে উম্মাহর ঐকমত্য
উদ্ধৃত হয়েছে,
"قال علمائنا: و اتفق ائمة الفتوى علي لزوم إيقاع الطلاق الثلاث في كلمة واحدة". (١/٦٩٢)
“আমাদের আলেমগণ বলেছেন: ফতোয়া প্রদানকারী ইমামগণ ঐক্যমতপোষণ করেছেন এক বাক্যে তিন তালাক পতিত হওয়ার আবশ্যকীয়তার ব্যাপারে।”(692/1)
মুসলিম শরীফের বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ "আল-জামিউস সহীহ'' লিন-নাওয়াভী তে রয়েছে,
"وقد اختلف العلماء فيمن قال لإمرأته: "أنت طالق ثلاثاً" فقال الشافعي و مالك و أبو حنيفة و أحمد و جماهير العلماء من السلف و الخلف: يقع الثلاث". (١/٤٧٨ ط: قديمي)
উলামায়ে কেরাম মতভেদ করেন ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে যে তার স্ত্রীকে বলে "তুমি তিন তালাকপ্রাপ্ত।" অতঃপর ইমাম শাফিঈ, মালিক, আবু হানিফা, আহমদ এবং পূর্বসূরি ও উত্তরসূরিদের থেকে জমহুর উলামায়ে কেরাম বলেন,তিন তালাকই কার্যকর হবে।" (1/478)
হানাফী মাযহাবের বিখ্যাত প্রসিদ্ধ ফাতাওয়া গ্রন্থ
"ফাতাওয়ায়ে শামীতে" রয়েছে
"(قوله: ثلاثة متفرقة) و كذا بكلمة واحدة بالأولى ... و ذهب جمهور الصحابة و التابعين و من بعدهم من أئمة المسلمين الي أنه يقع الثلاث". ( كتاب الطلاق : مطلب طلاق الدور ٣/٣٣٣ ط:سعيد).
"(তাঁর উক্তি: তিনটি পৃথক তালাক) এমনিভাবে এক বাক্যে তিন তালাক,সবই কার্যকর হবে......
জমহুর সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িনগণ এবং তাদের পরে মুসলিম ইমামগণ সকলেরই মত যে,তাতে তিন তালাকই কার্যকর হবে।" ফাতাওয়ায়ে শামী 3/333
মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধগ্রন্থ "আত-তামহিদ" লি-ইবনে আব্দিল বার-এ রয়েছে
"فإن طلقها في كل طهر تطليقةً أو طلقها ثلاثاً مجتعات في طهر لم يمس فيه فقد لزمه". (٦/٥٨)
"সুতরাং যদি সে তার স্ত্রীকে প্রত্যেক পবিত্রতার মধ্যে এক তালাক দেয় অথবা তিন তালাক এক সাথে দেয় এমন এক পবিত্রতার সময়,যাতে সহবাস করা হয়নি,
তাহলে তা আবশ্যক হয়ে যাবে। আত-তামহিদ ৬/৫৮
ইমাম শাফিঈ রহ.এর প্রসিদ্ধগ্রন্থ "কিতাবুল উম"এ রয়েছে,
"و القراٰن يدل-و الله اعلم- على أن من طلق زوجةً له دخل بها أو لم يدخل بها ثلاثاً لم تحل له حتى تنكح زوج غيره". (٢/ ١٩٣٩)
"এবং কোরআন ইঙ্গিত করে-এবং আল্লাহই ভাল জানেন - যে,যদি কেউ তার এমন স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, যার সাথে সে সহবাস করেছে বা করেনি,তাহলে সে তার জন্য বৈধ নয় যতক্ষণ না সে অন্য স্বামীকে বিয়ে করে।" (2/1939)
হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ কিতাব "মাসায়েলে আহমাদ"
এ-রয়েছে
" قلت لأبي: رجل طلق ثلاثاً وهو ينوي واحدةً؟ قال: هي ثلاث". (ص:٣٧٣)
"আমি আমার পিতাকে বললাম: এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে এমতাবস্থায় যে সে নিয়ত করে এক তালাকের? তখন তিনি বললেন তিন তালাকই কার্যকর হবে।" (মাসায়েলে আহমাদ 373)
সৌদী উলামাদের সর্বসম্মত ফাতওয়া
সৌদী আরবের গ্রহণযোগ্য গবেষক আলেমগণ গবেষণা করে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, তিন তালাকে তিন তালাকই পতিত হবে। সৌদী ওলামাদের নির্ধারিত সিদ্ধান্তের কপি নিম্নরূপ-
بعد الاطلاع على البحث المقدم من الأمانة العامة لهيئة كبار العلماء والمعد من قبل اللجنة الدائمة للبحوث والإفتاء في موضوع ( الطلاق الثلاث بلفظ واحد ) .
وبعد دراسة المسألة ، وتداول الرأي ، واستعراض الأقوال التي قيلت فيها ، ومناقشة ما على كل قول من إيراد – توصل المجلس بأكثريته إلى اختيار القول بوقوع الطلاق الثلاث بلفظ واحد ثلاثا ___الخ (مجلة البحوث الإسلامية، المجلة الأول، العدد الثالث، سنة 1397 ه)
অর্থ: লাজনাতুত দায়িমা লিল বুহুস ওয়াল ইফতা পরিষদ সৌদী আরব কর্তৃক নির্বাচিত ‘এক শব্দে তিন তালাক’ বিষয়ে গবেষণা কর্মে দায়িত্বরত শীর্ষ ওলামাদের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত গবেষণাপত্র ও এ বিষয়ে গভীর অধ্যয়ন,প্রতিটি উক্তির বাছ বিচার ও তার পক্ষে-বিপক্ষে উপস্থাপিত সকল প্রশ্নের উত্তর উত্থাপিত হওয়ার পর অধিকাংশ ওলামায়ে কিরামের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিষদ এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয় যে,এক শব্দে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই পতিত হবে। (মাজাল্লাতুল বুহুসিল ইসলামিয়্যা, প্রথম খন্ড, তৃতীয় সংখ্যা, ১৩৯৭ হিজরী)
ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, ‘মাশায়েখ ও ইমামগণের মধ্যে কোনো বিষয়ে ইজমা কায়েম হলে তা অকাট্য দলীল হিসেবে বিবেচিত হবে’। (উমদাতুল আসাস: পৃ. ৪২)
চার ইমামের মাযহাবের বিপরীত যা আছে, তা ইজমায়ে উম্মতের পরিপন্থী, যদিও তাতে অন্যদের দ্বিমত থাকে। (আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের : পৃ.১৬৯)
উপরিউক্ত বর্ণনা দ্বারা প্রমাণ হয়ে গেলো যে, এক মাজলিসে বা একসাথে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই হবে; এক তালাক নয়।
1 954
فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ [٢:٢٣٠]
তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। {সূরা বাকারা-২৩০}
পবিত্র কুরআনের উক্ত আয়াতের দ্বারা পরিস্কার প্রমাণিত হয় যে, তিন তালাক প্রদান করলে তিন তালাকই পতিত হবে। এক তালাক নয়।
তিন তালাক বললে এক তালাক পতিত হবার কথা একটি মু্র্খতাসূলভ বক্তব্য ছাড়া আর কিছু নয়। যা পরিস্কার আয়াতের খেলাফ। আর রাসূল সা. থেকে এমন কোন হাদীস বর্ণিত হয়নি যে, কোন ব্যক্তি তিন তালাক প্রদান করছে, আর রাসূল সা.তাকে বলেছেন যে, এক্ষেত্রে তিন তালাক হয়নি বরং এক তালাক হয়েছে। এমন কোন ঘটনা না রাসূল সা.থেকে পাওয়া যায়, না সাহাবীদের থেকে পাওয়া যায়।
এক বাক্যে তিন তালাক পতিত হওয়ার ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফয়সালা সহীহ বুখারী শরীফ (২/৭৯১) এবং সুনানে আবি দাউদ, বাবুল- লিআন (১/৩২৪) এ-উল্লেখ আছে:
হযরত আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, একব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিলো। অতঃপর ঐ মহিলা অন্যজনকে বিবাহ করলে সেও তাকে তালাক দিয়ে দেয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞাসা করা হলো, সেকি প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, ‘না। যতোক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্বামী প্রথমজনের মতো ঐ মহিলার মধু আস্বাদন না করবে’, অর্থাৎ যতোক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সহবাস না করবে, ততোক্ষণ পর্যন্ত সে প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে না। (সহীহ বুখারী: ৫২৬১)
"عن ابن شهاب عن سهل بن سعد في هذا الخبر قال: فطلقا ثلاث تطليقات عند رسول الله صلي الله عليه وسلم، فأنفذه رسول الله صلي الله عليه وسلم".( ابو داؤد).
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাইদী রা. সূত্র থেকে বর্ণিত,উক্ত ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর ‘উয়াইমির তার স্ত্রীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপস্থিতিতে তিন তালাক প্রদান করলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা কার্যকর করলেন। (আবু দাউদ,হাদিস নং২২৫০ হাদিসের মান: সহীহ)
হযরত হাসান বিন আলী রা. তার স্ত্রী আয়িশা বিনতে ফযলকে একসাথে তিন তালাক দিলেন। অতঃপর তার স্ত্রীর আবেগময় কথা শুনে কেঁদে ফেলেন এবং বলেন, যদি আমি নানাকে (অন্য বর্ণনায় তার পিতার বরাত দিয়ে বলেন) একথা বলতে না শুনতাম, “কোনো ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, তবে ঐ স্ত্রী অন্যত্র বিবাহ না বসা পর্যন্ত তার জন্য হালাল হবে না”- তাহলে অবশ্যই তাকে ফেরত নিতাম । (সুনানে বাইহাকী হাদিস নং ১৪৯৭১)
ই’লাউস সুনানে এসেছে,একব্যক্তি তার স্ত্রীকে একশত তালাক দিলে হযরত ইবনে আব্বাস রা. তাকে বললেন, তুমি তোমার প্রতিপালকের নাফরমানী করেছো, তোমার স্ত্রী তোমার থেকে বায়েনা হয়ে গেছে। তুমি তো আল্লাহকে ভয় করোনি যে, আল্লাহ তোমার জন্য কোনো পথ বের করে দিবেন। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য পথ বের করে দেন”। (ই’লাউস সুনান: ৭/৭০৮, আস সুনানুল কুবরা, বাইহাকী: ৭/৫৪২, হা.নং ১৪৯৪৪)
দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর ফয়সালা “মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ”-এ উল্লেখ আছে,
"عن أنس رضي الله عنه: كان عمر رضي الله عنه إذا أتي برجل قد طلق إمرأته ثلاثاً في مجلس أوجعه ضرباً و فرق بينهما". (باب من كره أن يطلق الرجل إمرأته ثلاثاً ٤/١١).
হযরত আনাস রা.থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,ওমর রা.এর নিকট যখন এমন কোনো ব্যক্তিকে আনা হতো, যে তার স্ত্রীকে এক সমাবেশে তিনবার তালাক দিয়েছে,তিনি তাকে মারধর করতেন এবং তাদের আলাদা করে দিতেন।(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ ৪/১১)
তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর ফয়সালা
“মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ”-এ উল্লেখ আছে,
"عن معاوية ابن أبي يحي قال: جاء رجل إلى عثمان فقال: إني طلقت امرأتي مائةً؛ قال: ثلاث تحرمها عليك و سبعة و تسعون عدوان". ( باب ماجاء يطلق إمرأته مائة و ألف في قول واحد ٤/١٣).
মুয়াবিয়া ইবনে আবি ইয়াহইয়ার সূত্রে বর্ণিত,তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ওসমানের কাছে এসে বলল: আমি আমার স্ত্রীকে একশত তালাক দিয়েছি। তিনি বললেনঃ “তিনটি তালাকই স্ত্রীকে হারাম করে দিয়েছে এবং সাতানব্বইটি দ্বারা সীমালঙ্ঘন হয়েছে।” (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ ৪/১৩)
চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.)-এর ফয়সালা
“মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাকে” উল্লেখ আছে,
1 954
একসঙ্গে তিন তালাক : শরয়ী দৃষ্টিকোণ
ইসলামী শরীয়তে তালাক আল্লাহ তা'আলার নিকট অতি অপছন্দনীয় কাজ। হাদিস শরিফে রয়েছে, ‘আল্লাহর কাছে বৈধ কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণিত কাজ হলো তালাক।(আবু দাউদ,হাদিস ২১৭৮)
উপায়হীন সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য শরীয়ত তালাকের ব্যবস্থা রেখেছে। তাই কথায় কথায় তালাক দেওয়া এবং একসাথে তিন তালাক দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এতদসত্ত্বে কেউ স্ত্রীকে একসাথে তিন তালাক দিলে তা পতিত হয়ে যায়।
এজন্য শরীয়ত আগেই সাবধান করে দিয়েছে যে, প্রথমত তালাকের কথা চিন্তাও করবে না। তবে অতীব প্রয়োজনে কখনো তালাক প্রদানের প্রয়োজন হলে শুধু সাদামাটা তালাক দাও, শুধু এক তালাক দাও এমন এক তুহুরে (স্ত্রী মাসিক থেকে পবিত্র থাকা অবস্থায়) যাতে সহবাস করা হয়নি।যেন উভয়ের জন্যই নতুন করে চিন্তা-ভাবনার সুযোগ থাকে এবং পুনরায় ফিরে আসার পথ খোলা থাকে। এরপর আবারো কোনো সমস্যা দেখা দিলে এভাবেই শুধু এক তালাক দিবে। এখনও ফিরে আসার পথ খোলা থাকবে।
কিন্তু এরপর যদি আবার কখনো শুধু এক তালাকই দেওয়া হয় এবং সব মিলে তিন তালাক হয়ে যায় এ অবস্থায় আর তাকে ফিরিয়ে আনারও সুযোগ থাকবে না, নতুন করে বিয়ে করার বৈধতাও বাকি থাকবে না।
তাই যদি কোনো ব্যক্তি শরী‘আত প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার না করে এবং একই সাথে তিন তালাক বলে দেয়, তাহলে তার এ কাজটি অবৈধ ও বিদ‘আত। তবে এর কার্যকারিতার দিক থেকে এটি কার্যকর ও ফলপ্রসূ বলে প্রমাণিত হয়।আমরা দেখতে পাই এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো করতে আল্লাহ আমাদের নিষেধ করেছেন। কিন্তু যখন কোনো ব্যক্তি সেই নিষিদ্ধ কাজে লিপ্ত হয়, তখন সেই শরীয়াহ বিধি তার সমস্ত বিধি-বিধান সহ কার্যকর হয়। যেমন: কোরআনে ‘জিহার’ কে বলা হয়েছে "مُنکَراً مِّنَ القَولِ وَزُورًا" তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে,কিন্তু যখন কোনো পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে ‘যিহার’ করে, তখন তার জন্য শরিয়তের বিধান প্রযোজ্য হয়।
কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা অপরাধ ও পাপ, কিন্তু যাকে গুলি করে বা তরবারির আঘাতে মারা হয়,সে নিহতই হয়ে যায়। তার মৃত্যু ইহার অপেক্ষা করে না যে, গুলি বৈধ পদ্ধিতিতে মারা হয়েছে না অবৈধ পদ্ধিতিতে?
এমন আরো অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখান থেকে বুঝা যায় যে, কোনো ব্যক্তি যদি শরীয়তের সুযোগ-সুবিধা উপেক্ষা করে একই সাথে তিন তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তিন তালাকই কার্যকর হয়ে যায়।
সাহাবায়ে কেরামের যুগ থেকে থেকে আজ পর্যন্ত উম্মাহ'র ইজমা হলো,এক মাজলিসে তিন তালাক এক বাক্যে হোক বা পৃথক পৃথক বাক্যে দেওয়া হোক,অথবা বিভিন্ন সময়ে তিন তালাক দেওয়া হোক,সর্বাবস্থায় তিন তালাকই স্ত্রীর উপর পতিত হয়ে যাবে এবং অন্যত্র বিবাহের পর দ্বিতীয় স্বামীর সাথে মেলামেশা না হওয়া পর্যন্ত প্রথম স্বামীর জন্য উক্ত স্ত্রী হালাল হবে না।
আর এটাই সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে হযরত উমর, আলী, ‘উসমান, ইবনে মাসউদ, ইবনে উমর, ইবনে আমর, উবাদাহ বিন সামিত, আবূ হুরাইরা, ইবনে আব্বাস, ইবনে যুবায়ের, আসেম বিন উমর ও হযরত আয়িশা রা.-সহ আরো অনেক সাহাবী এবং ইমাম আবূ হানীফা, ইমাম মালেক, ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমাদ, ইমাম বুখারী রহ.-সহ অধিকাংশ তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈদের মাযহাব।
সাহাবায়ে কেরাম হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশনাবলী থেকে এটাই বুঝতেন এবং সে অনুযোয়ী আমল করতেন।
আল্লাহ তা'য়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন-
الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ ۖ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ ۗ وَلَا يَحِلُّ لَكُمْ أَن تَأْخُذُوا مِمَّا آتَيْتُمُوهُنَّ شَيْئًا إِلَّا أَن يَخَافَا أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۖ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا فِيمَا افْتَدَتْ بِهِ ۗ تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ فَلَا تَعْتَدُوهَا ۚ وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ اللَّهِ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ [٢:٢٢٩]
তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে। কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়, তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম। {সূরা বাকারা-২২৯}
এইতো গেল দুই তালাকের বিধান। এরপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তিন তালাক প্রদানের বিধান ঘোষণা করে ইরশাদ করেন-
1 954
দিনে 10 বার ফেইসবুকে ঢোকার কোন দরকার নেই, আপনি ফেইসবুকে চাকরি করেন না! দুনিয়ার সব থেকে মোস্ট আন প্রোডাক্টিভ কাজগুলোর মধ্যে একটা হল সোশ্যাল মিডিয়াতে স্ক্রলিং করা।
ঘরে ভাত আর বালিশ থাকলে জীবনে অনেক কিছু করাই পসিবল! কিন্তু আপনার ফেইসবুকের পোস্ট, টিকটক এর স্ক্রলিং এবং মেসেঞ্জারে কাউকে সময় দেওয়া, আপনাকে এই সম্ভাবনা গুলো থেকে বঞ্চিত করে রাখতেছে।।
Get back to work. Time is currency.
1 954
কোন জিনিস সবসময় গোপন রাখা উচিত?
১. নিজের দুর্বল পয়েন্টগুলো গোপন রাখা উচিত।
২. নিজের অভিষ্ট লক্ষ্য সম্পর্কে কাউকে বলতে নেই।
৩.নিজের আপন-গোপন কোনো ইনফরমেশন কাউকে দেয়া যাবে না।
৪. নিজের পকেট এ কয় টাকা আছে কিংবা ব্যাংক ব্যালেন্স কত আছে,এসব তথ্য কাউকে দেয়া যাবে না।
৫. নিজের গার্লফ্রেন্ড অথবা বয়ফ্রেন্ড সম্পর্কিত কোন তথ্য কাউকে শেয়ার করা যাবে না।
৬. নিজের হতাশার গল্প সব সময় গোপন রাখতে হবে।
৭. অতীতে নিজের জীবনের উপর দিয়ে কোন ঝড় বয়ে গেলেও সেটা একান্তই নিজের মধ্যে রাখতে হবে।
৮. আত্মীয়-স্বজন,বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারের কোনো সদস্যদের নিয়ে অন্য কারো কাছে নেতিবাচক আলাপ করা যাবে না।
৯. অন্যের শেয়ারকৃত যেকোনো তথ্য গোপন রাখতে হবে।
1 954
🔹মানসিক চাপ কমানোর ৬ টি উপায়!
◾বৃষ্টিতে দীর্ঘ পথ হাটুন।
◾সপ্তাহান্তে কোথায় বেড়াতে যান।
◾সকালে আগে ঘমু থেকে উঠুন। সূর্য উদিত হওয়ার দৃশ্য দেখুন।
◾দীর্ঘদিন কথা হয়নি এমন পুরনো বন্ধুকে ফোন করুন।
◾নতুন কোন ভিন্ন পোশাক পড়ুন।
◾আপনার প্রিয় কোন কবিতা বা গল্পের বই পড়ুন।
1 954
🔹কিভাবে বুঝবেন আপনি ম্যাচিউরিটি (পরিপক্ক) কিনা?
◾আপনি যুক্তিসংগত প্রশ্ন করেন
সমালোচনা সহ্য করতে পারেন এবং কাজের মাধ্যমে তার জবাব দিতে পারেন।
◾আপনি অন্যকে শারীরিক গঠন কিংবা এগুলো দিয়ে না মেপে তাকে মানুষ হিসেবে সমানভাবে মূল্যায়ন করেন।
◾কে আপনার ক্লোজ আর কে অত বেশি ক্লোজ না, তা বুঝতে পারেন
আপনি খুব হতাশার মাঝে দিন কাটালেও আশপাশের কাউকে সেটা বুঝানোর চেষ্টা করেন না।
◾নিজের দুর্বলতা কারো সামনে প্রকাশ করেন না
গায়ে পড়ে কাউকে উপদেশ দেন না।
◾কারো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন না (যেমনঃ বেতন কত, বিয়ে করো না কেন, স্মোক করো কেন) এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মাথা ঘামান না।
◾কাউকে কোনো কাজ করতে (তার মঙ্গলের জন্য হোক কিংবাআপনার মঙ্গলের জন্যই হোক) অতিরিক্ত ইনসিস্ট করেন না।
◾শত্রুর সাথে সরাসরি কোনো কোন্দল এ আপনি জড়ান না বরং তাদের সাথে মিষ্টভাষীর আচরণ করেন।
◾স্বল্পভাষী হলেও আপনি কখনোই অতিরিক্ত ইন্ট্রোভার্ট কিংবা অতিরিক্ত এক্সট্রোভার্ট না।
◾বেহুদা টাকা খরচ করেন না।
দারুণ সব তথ্য পাবেন এই পেইজে - SSecret sciencesSecret science
1 954
নিজেকে চালাক করতে করণীয়!
◾প্রচুর পরিমাণে অচেনা এবং অজানা মানুষের সাথে মিশুন।
◾কমপ্লেক্স চিন্তা করুন।
◾রহস্যময় হওয়ার চেষ্টা করুন।
◾যেকোনো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করুন।
◾কখন চুপ করে থাকতে হবে আর কখন কথা বলতে হবে তা আয়ত্ত করুন।
◾প্রতিকূল পরিবেশে নিজেকে গড়ে তুলুন।
◾যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিন।
◾চালাক হতে হলে ভয় পাওয়া যাবে না।সাহসী হোন।
◾মাঝে মাঝে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করুন।
◾আপনার লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে কখনো সত্য কথা বলবেন না।
◾কারো প্রতি অসন্তোষ থাকলে তাকে সেটা বুঝতে দেয়া যাবে না।তবে তার সাথে মিলেমিশে থাকবেন;তাকেই বেশি টাইম দিবেন।তাতে করে আপনি আরও বেশি চালাক হবেন।
1 954
এই কঠিন সময়ে আপনারা কি আগের মতই ভয়েস কল বা ইন্টারনেটের পিছনে সমান মাসিক বাজেট রেখে খরচ করছেন? নাকি কৃচ্ছতা সাধনের মাধ্যমে খরচ কমিয়ে এনেছেন?
আমি যা করছিঃ
১। পুরো পরিবার ওয়াইফাইয়ের উপর নির্ভরতা ৯৮% করে ফেলেছি। আমি ছাড়া পরিবারের বাকি ৩ জনের কেউ আর ডেটা প্যাক কিনি না।
২। প্রিপেইড ইউজাররা মাসে একবার রেটকাটার নিয়ে কলরেট সহনীয় করে চলছি। আর পোস্টপেইড ইউজার হিসেবে আমি এমনিই চলছি, ডিফল্ট কলরেট দিয়ে। কোন ফিক্সড কস্ট করছি না (বান্ডল/মিনিট কিনছি না)।
৩। মোবাইল ডেটা ব্যাকআপ হিসেবে আনলিমিটেড মেয়াদের ৪০ জিবি কিনেছিলাম ৪ মাস আগে। এখনো ২৫ জিবি আছে। এটা দিয়েই অন্তত আগামী ৬-৭ মাস কাভার করবো বলে ঠিক করেছি।
৪। গত বছর গরমকালে লোডশেডিং এর সময় পরিবারের সবারই প্রচুর খুচরা ডেটা প্যাক কেনা পড়েছে, এতে অনেক বাড়তি খরচ হয়েছে। সেটা বন্ধ করতে এবার রাউটারে ইউপিএস ব্যাকআপ লাগিয়েছি। বিদ্যুৎ না থাকলেও লাইন সচল থাকে যেহেতু ফাইবার অপটিক লাইন, আর ১৪-১৫ ঘন্টা ব্যাটারী ব্যাকআপে নিরবচ্ছিন্ন ওয়াইফাই পাচ্ছি এখন।
৫। লম্বা কথা বলার জন্য পুরো পরিবার অ্যাপ ইউজ করছি (মেসেঞ্জার/হোয়াটসঅ্যাপ)।
1 954
ইন্টারেস্টিং সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্ট। পার্ট-2
1.মানুষের স্বভাব কেমন দেখুন- মানুষ সেই সমস্ত ব্যাক্তিদের অবহেলা করে যারা তাকে দাম দেয়, অন্যদিকে তারা যাদের কাছে দাম পায় না, তাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। তাই যারা আপনাকে ভালবাসে তাদের সাথেই থাকুন।
2.মানব ব্যবহারের উপর করা একটি সার্ভে অনুযায়ী, মানুষ মোবাইল হারিয়ে ফেললে, মৃত্যুর সময় যেরূপ চিন্তিত এবং আবেগ প্রবন আচরণ করে, ঠিক সেইরূপ আচরণ করে।
3.আমরা যখন একা থাকি তখন আমাদের একাকীত্ব মনে হয় না, আমাদের একাকীত্ব মনে হয় তখনই যখন কেউ আপনাকে পরোয়া করে না।
4.রাতে ঘুমানোর সময় যদি হঠাৎ করেই আপনার কোনো মানুষের কথা মনে পড়ে, তাহলে সেই ব্যক্তি আপনার খুশির কারণ। অথবা সেই ব্যক্তি নিশ্চয়ই অতীতে আপনাকে আঘাত করেছিল।
5.কোনো বিপরীত লিঙ্গের মানুষের সাথে যদি প্রায় প্রতিদিন অনেক সময় ধরে কথোপকথোন হলে তাদের মধ্যে সম্পর্কে জড়ানোর চান্স বেড়ে যায়।
6.যদি কেউ আপনার সামনে কাউকে নিয়ে মজা করছে, তার অর্থ হলো সেই ব্যক্তিটি কারও না কারও কাছে আপনাকে নিয়েও মজা করে। এটা ১০০% সত্যি।
7.আপনি কি জানেন পৃথিবীর প্রায় ৭৫% লোকের মাথায় নতুন কিছু করার ভাবনা গোসল করার সময়ই আসে।
1 954
ভালোবাসা সম্পর্কে ইন্টারেস্টিং সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্ট। পার্ট-২
ব্রোকেন হার্ট সিন্ড্রোম
হার্টব্রেক শারীরিক ব্যথার মতোই খারাপভাবে আঘাত করতে পারে। প্রিয়জনকে হারানোর পরে, আপনি "ব্রোকেন হার্ট সিন্ড্রোম" নামে পরিচিত একটি অবস্থাতে ভুগতে পারেন। ভয়ঙ্কর বিষয় হলো একটি হার্টব্রেক মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে।
প্রেমের ওষুধ
ইতিহাস জুড়ে "প্রেমের ওষুধ" তৈরি করা হয়েছিল একজন ব্যক্তির ঘাম দিয়ে তাদের ক্রাশ করার চেষ্টা করার জন্য। কারণ আপনি যাকে আকর্ষণীয় মনে করেন তার ঘ্রাণে আপনি বেশি আকৃষ্ট হন—এটি সাব-কনশাস মাইন্ডের কাজ যা মস্তিষ্ককে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে যে আপনি কাউকে ভালোবাসেন কিনা।
ভালবাসার ভয়
সবাই ভালোবাসতে চায় না— কিছু মানুষের ভালবাসা নিয়ে ভয় আছে। এই তীব্র ভয় ফিলোফোবিয়া নামে পরিচিত। প্রেমের ভয় অতীতের আঘাতমূলক সম্পর্ক, বিশ্বাসঘাতকতা, অপব্যবহার এবং বিশ্বাসঘাতকতার কারণে হতে পারে।
প্রেম আপনার ওজন কমাতে পারে।
প্রেম অক্সিটোসিন তৈরি করে যা মানসিক সুখের কারণ হয়, কিন্তু এটি আপনার ক্ষুধাও কমাতে পারে (এবং আপনি ঘুমাতে পারবেন না!) পুরুষদের মধ্যে অক্সিটোসিনের উপস্থিতি ক্যালোরি গ্রহণ কমিয়েছে এবং "উপকারী বিপাকীয় প্রভাব" রয়েছে।
হাইয়ার লাভ
ভালোবাসা হচ্ছে একটি মাদকের মতো, এবং এটি কোকেনের মতো শরীরের উপর অনুরূপ স্নায়বিক মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। ভালোবাসা এবং কোকেন দুইটাই একই রকম আনন্দ উচ্ছ্বাস অনুভূতি জাগায়।
হার্ট রেট সিঙ্ক্রোনাইজ
কাপলদের হৃদস্পন্দন তিন মিনিটের বেশি সময় ধরে একে অপরের চোখের দিকে তাকানোর পরে সিংক্রোনাইজ করতে পারে, যার ফলে "আমাদের হৃদয় একসাথে স্পন্দিত হয়।"
আপনি চার মিনিটের মধ্যে প্রেমে পড়তে পারেন
প্রেমে পড়া দ্রুত ঘটে, এবং বিশ্বাস এবং আনুগত্য সময় নেয়। আপনি প্রেম পড়েছেন কিনা তা সিদ্ধান্ত নিতে সাব-কনশাস মাইন্ডের জন্য মাত্র কয়েক সেকেন্ড বা মিনিট সময় লাগে।
মহিলারা টেস্টোস্টেরন পছন্দ করেন।
মহিলারাও গালের হাড় এবং শক্ত চোয়ালের হাড় পছন্দ করেন, যা টেস্টোস্টেরনের মাত্রার সাথে যুক্ত।
আমরা সামাজিক জীব, তাই আমাদের ভালবাসা একটি অপরিহার্য জিনিস।
1 954
রুকাইয়ার দুই প্রকার,,
১) রুকাইয়া সুন্নাহ ( সুন্নতি রুকাইয়া রসুল (স) থেকে প্রমানিত দোয়া আমল)
২) রুকাইয়া মুবাহ ( কুরআন হাদিস থেকে বিজ্ঞদের গবেষনা করা তাহকীকের মাধ্যমে আমল দিয়ে রুকাইয়া করা)
.
নিসন্দেহে "আন নুর" যিকির করা আলী সাহেব আর আরিফ সাহেবের তাহকীক বা গবেষনা। এটা কখনোই বিদায়াত না৷ এটাকে বলা যায় রুকাইয়া মুবাহ৷
