uk
Feedback
PRIMARY WBTET

PRIMARY WBTET

Відкрити в Telegram

🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷 এই চ্যানেলে শুধুমাত্র "প্রাইমারি টেট" সম্পর্কিত পিডিএফ/নোটশ/খবরাখবর পোস্ট করা হবে। চ্যানেলে জয়েনিং হওয়ার লিঙ্ক 👉 https://telegram.me/PWBTET । লিঙ্কটি দয়া করে সবাই শেয়ার করুন।

Показати більше
7 765
Підписники
+224 години
+147 днів
+6830 день
Архів дописів
Dainik Jagran National 13-06.pdf9.08 MB

🔰মর্নিং স্কুলের সময়সীমা 30 জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো।
🔰মর্নিং স্কুলের সময়সীমা 30 জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো।

🔰সরকারি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করার নোটিশ। [ বি.দ্র. : মনে রাখবেন এটা আগের সরকার নয়, যে এই রকম নোটিশ
🔰সরকারি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করার নোটিশ। [ বি.দ্র. : মনে রাখবেন এটা আগের সরকার নয়, যে এই রকম নোটিশ দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন। ]

photo content

🔰"অন্নপূর্ণা" ভান্ডার : নবান্ন থেকে প্রাপ্ত অফিসিয়াল পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই মোট ২৮ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৬৯ জন মহিলার অ্যাকাউন্টে সফলভাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পেমেন্ট পাঠানো হয়েছে। প্রাপকদের নিরিখে জেলাভিত্তিক পারফরম্যান্সে বিরাট চমক দেখা গিয়েছে। গোটা রাজ্যের মধ্যে উপভোক্তার সংখ্যার নিরিখে একেবারে প্রথম স্থান অধিকার করেছে নদিয়া জেলা। এই জেলায় সুবিধাভোগী মহিলার সংখ্যা ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯৫৫ জন। এক নজরে দেখে নিন কোন জেলায় কতজন পেলেন ৩০০০ টাকা👇 নদিয়া: ২,৫৯,৯৫৫ জন (শীর্ষে) মুর্শিদাবাদ: ২,১৯,৩৭৩ জন পশ্চিম মেদিনীপুর: ২,১৭,৮৫৬ জন উত্তর ২৪ পরগনা: ২,০৫,০০১ জন পূর্ব মেদিনীপুর: ২,০৩,১৮৪ জন পূর্ব বর্ধমান: ১,৯৩,০৯৫ জন দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ১,৭৯,০৬৯ জন হুগলি: ১,৫৬,৪০০ জন বাঁকুড়া: ১,৫৫,৪৬৯ জন মালদহ: ১,৩৭,২৭৩ জন পুরুলিয়া: ১,৩৬,৭६৬ জন কোচবিহার: ১,০৪,৫৬৮ জন হাওড়া: ৯১,৪৫৭ জন জলপাইগুড়ি: ৮৬,২৬৫ জন বীরভূম: ৮২,০৯৫ জন উত্তর দিনাজপুর: ৬৯,৩২৯ জন ঝাড়গ্রাম: ৫৬,১০৭ জন পশ্চিম বর্ধমান: ৫৫,২৪২ জন আলিপুরদুয়ার: ৫১,৪৫১ জন দক্ষিণ দিনাজপুর: ৪৯,৩২৭ জন দার্জিলিং: ৪১,০৩১ জন কলকাতা: ২৩,৮০৭ জন কালিম্পং: ৯,৬৭৫ জন।

ঠিক আছে দেখা যাক।😁
+1
ঠিক আছে দেখা যাক।😁

প্রশ্ন : "পরিবার" কাকে বলে ?
Anonymous voting

🙏Please Share Our Channel Link👉 @PWBTET

🔰"অন্নপূর্ণা" ভান্ডারের ফর্ম পূরণ করা নিয়ে প্রতিটি এলাকার ক্ষোভের সৃষ্টি হলো।
+9
🔰"অন্নপূর্ণা" ভান্ডারের ফর্ম পূরণ করা নিয়ে প্রতিটি এলাকার ক্ষোভের সৃষ্টি হলো।

photo content
+2

photo content

photo content

"অন্নপূর্ণা যোজনা" ফর্ম নিয়ে অনেকেই সমস্যাসঙ্কুল।😥
"অন্নপূর্ণা যোজনা" ফর্ম নিয়ে অনেকেই সমস্যাসঙ্কুল।😥

photo content

ফলতা বিধানসভার ফলাফল। ফলতার ফলের গভীরে অঙ্ক। ফলতার ফলের গভীরে বাংলার ভবিষ্যৎ রাজনীতির ইঙ্গিত। ফলতার জনবিন্যাস : হিন্দু 71%, ম
ফলতা বিধানসভার ফলাফল। ফলতার ফলের গভীরে অঙ্ক। ফলতার ফলের গভীরে বাংলার ভবিষ্যৎ রাজনীতির ইঙ্গিত। ফলতার জনবিন্যাস : হিন্দু 71%, মুসলিম 28%, অন্য 01%॥ BJP = 71% Left = 19.34% Congress = 4.8% TMC = 3.7%. পুনর্নির্বাচনে ফলতায় ভোট পড়ে প্রায় 90% অর্থাৎ ফলতায় প্রায় 100% হিন্দু বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। মুসলিম ভোটের প্রায় 20% পেল সিপিএম, কংগ্রেস প্রায় 5% আর তৃণমূল প্রায় 4%॥ রাজনৈতিক ইঙ্গিত খুব পরিষ্কার। বাংলার রাজনীতির গণিত এবার এই পথ ধরবে। বিরোধী পরিসরে, আপাতত সংখ্যালঘু ভোট সম্বল করে ক্রমে বিস্তৃত হবে বাম আর কংগ্রেস। ধীর অথচ নিশ্চিতভাবে অপ্রাসঙ্গিক হবে তৃণমূল। নিশ্চিহ্ন হবে কিনা, উত্তর দেবে সময়।

photo content

🔰CTET September 2026 Last Date Of Application : 10-06-2026
🔰CTET September 2026 Last Date Of Application : 10-06-2026

🔰পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভা। মূখ্যমন্ত্রী : পূর্ব মেদিনীপুরের "টকা" শুভেন্দু অধিকারী। শিক্ষামন্ত্রী : শিলিগুড়ির শঙ্কর ঘোষ
🔰পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভা। মূখ্যমন্ত্রী : পূর্ব মেদিনীপুরের "টকা" শুভেন্দু অধিকারী। শিক্ষামন্ত্রী : শিলিগুড়ির শঙ্কর ঘোষ।

10-30 AM Update. 5 টি রাজ্যের। যতো বেলা হয়তো বাড়বে এটা উল্টো হতে পারে। তবে একটা আশ্চর্য ব্যাপার হলো তামিলনাড়ু রাজ্যে থালাপতি
10-30 AM Update. 5 টি রাজ্যের। যতো বেলা হয়তো বাড়বে এটা উল্টো হতে পারে। তবে একটা আশ্চর্য ব্যাপার হলো তামিলনাড়ু রাজ্যে থালাপতি বিজয় মাত করছে। যেখানে DMK , AIDMK পিছিয়ে পড়েছে।

কর্মরত শিক্ষকদের টেট (TET) মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড় নয়া দিল্লি/কলকাতা: রাজ্যজুড়ে টেট (TET) মামলায় কর্মরত শিক্ষকদের জন্য একটি বড় খবর সামনে এসেছে। আজ, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ শিক্ষকদের দায়ের করা রিভিউ পিটিশনটি খারিজ করেনি। বরং, বিস্তারিত শুনানির পর আদালত তার রায় সংরক্ষিত রেখেছে। এর ফলে আপাতত চাকরিতে থাকা শিক্ষকদের ওপর থেকে ছাঁটাইয়ের তাৎক্ষণিক খাঁড়া সরে গেলেও চূড়ান্ত রায় এখনও অনির্দিষ্ট। সুপ্রিম কোর্টের ২০২৫ সালের একটি নির্দেশ অনুযায়ী, চাকরিতে বহাল থাকতে হলে টেট পাশ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। সেই নিয়ম মেনে কয়েক হাজার শিক্ষকের চাকরির ভবিষ্যৎ এখন এই রিভিউ পিটিশনের রায়ের ওপর নির্ভর করছে। আইনজীবীদের একাংশ মনে করছেন, এই মামলাটি পুনরায় ওপেন কোর্টে শুনানির জন্য উঠতে পারে। যদি তাই হয়, তবে কর্মরত শিক্ষকদের পক্ষে তাঁদের বিস্তারিত যুক্তি আদালতের সামনে পেশ করার একটি নয়া সুযোগ মিলবে। রিভিউ পিটিশনটি খারিজ না হওয়ায় তাঁদের আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পথ খোলা থাকছে। পরবর্তী দিন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই সবাই তাকিয়ে আছেন।