fa
Feedback

فریب کلاهبرداران را نخورید! تل‌متریو این کانال‌ها را شناسایی و برچسب‌گذاری می‌کند 👉 برای مشاهده برچسب، اشتراک تهیه کنید 👈

PRIMARY WBTET

PRIMARY WBTET

رفتن به کانال در Telegram

🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷🔷 এই চ্যানেলে শুধুমাত্র "প্রাইমারি টেট" সম্পর্কিত পিডিএফ/নোটশ/খবরাখবর পোস্ট করা হবে। চ্যানেলে জয়েনিং হওয়ার লিঙ্ক 👉 https://telegram.me/PWBTET । লিঙ্কটি দয়া করে সবাই শেয়ার করুন।

نمایش بیشتر
7 965
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-147 روز
+4830 روز
آرشیو پست ها
photo content

photo content

🔰Download Video👇/Click The Link👉 https://www.facebook.com/share/v/18uzx6R4zk/
🔰Download Video👇/Click The Link👉 https://www.facebook.com/share/v/18uzx6R4zk/

🔰বড় সিদ্ধান্ত! মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন তুলে দেওয়া হলো, এবার SSC-এর মাধ্যমেই শিক্ষক নিয়োগ? পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের খবর সামনে এসেছে। মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন তুলে দিয়ে সেটিকে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)-এর সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। ফলে আগামী দিনে মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ হবে SSC-এর মাধ্যমে? প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের পৃথক অস্তিত্ব আর থাকছে না এবং মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগ SSC-এর মাধ্যমে করা হবে। অর্থাৎ এতদিন যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় WB Madrasah Service Commission গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত, সেখানে নতুন কাঠামো আসতে চলেছে। চাকরিপ্রার্থীদের জন্য কী পরিবর্তন হতে পারে? এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে— পৃথক মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগের বদলে SSC-এর মাধ্যমে নিয়োগ হতে পারে। নিয়োগ পরীক্ষা, আবেদন ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসতে পারে। ভবিষ্যৎ মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা, পরীক্ষা পদ্ধতি ও শূন্যপদ প্রকাশের নিয়ম নতুন করে নির্ধারিত হতে পারে। ইতিমধ্যে চলা বা পূর্বের WBMSC নিয়োগ প্রক্রিয়াগুলির কী হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তবে এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি—সরকারের চূড়ান্ত লিখিত নির্দেশিকা/গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নতুন নিয়োগের সম্পূর্ণ নিয়ম ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। কারণ ২০২৬ সালেও WBMSC-এর নিজস্ব নিয়োগ সংক্রান্ত নোটিস ও কার্যক্রম ছিল। কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ? মাদ্রাসা শিক্ষক পদে চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া হাজার হাজার প্রার্থীর জন্য এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আগামী SLST/SSC নিয়োগে মাদ্রাসাগুলির শূন্যপদ কীভাবে যুক্ত হবে, সেটিই এখন নজরে থাকবে। অর্থাৎ, মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগে পুরনো ব্যবস্থার অবসান এবং SSC-কেন্দ্রিক নতুন নিয়োগ কাঠামোর সম্ভাবনা—এই মুহূর্তে এটাই সবচেয়ে বড় খবর। আপডেট: সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে যোগ্যতা, শূন্যপদ, পরীক্ষা পদ্ধতি ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য জানা যাবে।

photo content
+1

photo content

🔰CTET 2026 Examination Date : December 12 & 13.
🔰CTET 2026 Examination Date : December 12 & 13.

photo content

photo content

photo content
+1

photo content

photo content

খুবই কষ্টকর হলেও সরকারের কাছে আর্জি জানাবো সম্পূর্ণরূপে সমস্ত ভাতা বন্ধ করে দেওয়া। যারা একদম নিম্নবিত্ত, গরিব এবং দরিদ্র মানুষ কেবল তাদের সাহায্য দিন সেটাও সমীক্ষা করে। এই ভাতা দেওয়ার নির্লজ্জতম বীজ রোপন করে ছিল তৃণমূল। এই ভাতার লোভের জন্য অনেক মানুষ খেটে ইনকাম করতে চায় না। ভোটের আগে মহিলাদের মাথায় এই ভাতার গল্প না শোনালে তৃণমূলের মতো উশৃঙ্খল দলকে রাজ্য থেকে কোনো মতে বিদায় করা যেতে না এটা একদম ঠিক। এছাড়াও এই তৃণমূল আর একটা বড়ো কাজ করে গেছে সেটা হলো পশ্চিমবঙ্গের জেহাদি স্থাপন করে দিয়ে গেছে। একে শেষ করতে একটু সময় লাগবে। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ সমস্ত ভাতা গুলো আগামী মাস থেকে যেন বন্ধ করে দেওয়া হয়।🙏

খুবই কষ্টকর হলেও সরকারের কাছে আর্জি জানাবো সম্পূর্ণরূপে সমস্ত ভাতা বন্ধ করে দেওয়া। যারা একদম নিম্নবিত্ত, গরিব এবং দরিদ্র মানুষ কেবল তাদের সাহায্য দিন সেটাও সমীক্ষা করে। এই ভাতা দেওয়ার নির্লজ্জতম বীজ রোপন করে ছিল তৃণমূল। এই ভাতার লোভের জন্য অনেক মানুষ খেটে ইনকাম করতে চায় না। ভোটের আগে মহিলাদের মাথায় এই ভাতার গল্প না শোনালে তৃণমূলের মতো উশৃঙ্খল দলকে রাজ্য থেকে কোনো মতে বিদায় করা যেতে না এটা একদম ঠিক। এছাড়াও এই তৃণমূল আর একটা বড়ো কাজ করে গেছে সেটা হলো পশ্চিমবঙ্গের জেহাদি স্থাপন করে দিয়ে গেছে। একে শেষ করতে একটু সময় লাগবে। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ সমস্ত ভাতা গুলো আগামী মাস থেকে যেন বন্ধ করে দেওয়া হয়।🙏

photo content
+1

photo content

🔰মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে যত ওবিসি সার্টিফিকেট (OBC Certificate) দেওয়া হয়েছে, সব বাতিল করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। রাজ্যের সব ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি সার্টিফিকেট বাতিল করা হল বুধবার। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ জানিয়েছে, এখন আর ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি বলে কিছু নেই। ফলে ওই ধরনের জারি করা সমস্ত সার্টিফিকেট বাতিল করা হল। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি ক্যাটাগরি তুলে দিয়েছে। তারা ওবিসি-তে একটিই ক্যাটাগরি রেখেছে। এমতাবস্থায় মমতা সরকারের আমলে তৈরি হওয়া নিয়মে জারি হওয়া ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট ২০১০ সালে রাজ্যের ওবিসি সম্প্রদায়কে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। ও বিসি-এ এবং ওবিসি-বি। তৃণমূল আমলে নতুন ৬৬টি সম্প্রদায়কে ওবিসি-র অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০২৪ সালে কলকাতা হাইকোর্ট নতুন ৬৬টি সম্প্রদায়ের ওবিসি অন্তর্ভুক্তি বাতিল করে দেয়। এরপরে তৎকালীন তৃণমূল সরকার শ্রেণিবিন্যাস ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি তালিকার বদল করে। সুপ্রিম কোর্ট তার উপরে স্থগিতাদেশ দেয়নি। সেই মোতাবেক ওবিসি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি ক্যাটাগরি তুলে দেয়। তারা ওবিসি-তে একটিই ক্যাটাগরি রাখে। অন্য দিকে, সুপ্রিম কোর্ট থেকেও মামলা তুলে নেয় রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল আমলে ইস্যু হওয়া সব সার্টিফিকেট বাতিল করল হাইকোর্ট। ২০১০-এর আগে ইস্যু হওয়া সব সার্টিফিকেট বৈধ বলে গণ্য করা হচ্ছে। তৃণমূল আমলে ওবিসি সংরক্ষণ ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৭ শতাংশ করা হয়েছিল। তা নিয়ে মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। নতুন সরকার ওবিসি তালিকা ফের ৭ শতাংশে ফিরিয়ে এনেছে। ৭৪টি সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে নতুন ওবিসি তালিকা প্রকাশ করেছে। আপাতত ৬৬টি জনজাতি এই সংরক্ষণের আওতায় রয়েছে।

🔰পুজোর আগেই Group C ও Group D নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে জানাল SSC। সাংবাদিক বৈঠকে ফল প্রকাশের বিষয়ে
+1
🔰পুজোর আগেই Group C ও Group D নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে জানাল SSC। সাংবাদিক বৈঠকে ফল প্রকাশের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। ফল প্রকাশের পরবর্তী ধাপে নিয়োগ প্রক্রিয়াও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

🔰যে যাই দল করতে পারেন, কিন্তু এই যুগের পর যুগ, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে সবাইকে এক হওয়া প্রয়োজন।
🔰যে যাই দল করতে পারেন, কিন্তু এই যুগের পর যুগ, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে সবাইকে এক হওয়া প্রয়োজন।