আকাবির-কথন
Відкрити в Telegram
Показати більше
Країна не вказанаКатегорія не вказана
1 099
Підписники
Немає даних24 години
+227 днів
+2630 день
Архів дописів
1 099
আব্দুল্লাহ আল মাসউদ ভাইয়ের নুরুল কুরআন একাডেমিতে নক দিতে পারেন। তিনি এসব ব্যাপারে উপযুক্ত পরামর্শ দিতে পারবেন।
1 099
বইগুলো পড়লে আফসোস হয়। মনে চায়, যদি নিজেও সেই সময়ে থাকতাম আর এই কাফেলার অংশ হতাম...
দিলে সুকুন আনার জন্য এগুলোই এনাফ।
1 099
খলিফা হারুনুর রশিদের মন্ত্রী জাফর বারমাকি ও তার পিতা উভয়ই যখন কারাগারে ছিলেন, তখন মন্ত্রী তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করলেন, বাবা! এত ইনসাফ, এত ন্যায়ানুগ আদেশ-নিষেধ ও বিপুল ধনসম্পদ দান-সদকার পরও আমাদের এই পরিণতির কী কারণ!?
তার বাবা বললেন, সবই কোনো মজলুম ব্যক্তির বদ দুআর ফল, যার থেকে আমরা বিমুখ ছিলাম, কিন্তু আল্লাহ তাআলা বিমুখ ছিলেন না!
[কুরআনের পাঠশালায় : ৫১]
1 099
একটা হাদীস আছে, একজন সাহাবী জিজ্ঞেস করেছিলেন, আল্লাহর রাসূল, এতেও কি সওয়াব মিলবে? (এটা তো নিজের নফসের...) আল্লাহ রাসূল বলেছিলেন, এটা যদি অপাত্রে হতো, তাহলে কি গুনাহ হতো না? (তাহলে এখানে কেন সওয়াব হবে না?)
1 099
অবসর সময়ে অনেক কিছুই মিস করি। পুরোনো সহপাঠী, বন্ধুবান্ধব, বই পড়া, মাদ্রাসার কলিগ কিংবা বার্ষিক মুখপত্র নিয়ে ব্যস্ততা...
কয়েক দিন পর নতুন বছর শুরু হবে। সবকিছু আগের মতোই চলবে। ভর্তি পরীক্ষার ব্যস্ততা... এবার আর আমার থাকা হবে না।
1 099
ঈদ এলেই অনেককে বলতে দেখি, ঈদে আগের মত আনন্দ নেই। ঈদের দিন কিছু করবো না। ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিব৷
যারা এমন কথা বলেন তারা মূলত আনন্দের বৈচিত্র্য ধরতে পারেন না। তারা হয়তো ভাবেন সারাজীবন আনন্দের ধরন একই থাকবে৷ কিন্তু জীবনে আনন্দের ধরন বারবার বদলায়। ছোটবেলায় আনন্দ ছিল একরকম৷ এখন আরেকরকম। ছোটবেলায় আনন্দ ছিল বড়দের কাছ থেকে সালামি নেয়া। এখনকার আনন্দ হলো ছোটদের সালামি দেয়া। ছোটবেলায় আনন্দ ছিল বাবার কাছে বায়না করে এটা সেটা কেনা, ঘুরতে যাওয়া। এখনকার আনন্দ হলো সন্তানের আবদার মেটানো, তাদের নিয়ে ঘুরতে যাওয়া, সময় কাটানো৷
যদি জীবনের সব স্তরে আনন্দের ধরন একই থাকতো তাহলে জীবনে কোনো বৈচিত্র্য থাকতো না, জীবন থেমে যেত। কিন্তু জীবন গতিশীল। জীবনে অন্য সবকিছুর মত আনন্দের ধরনও বদলায়৷ এই পরিবর্তনকে মেনে নেয়ার মাঝেই লুকিয়ে থাকে জীবনকে উপভোগ করার কৌশল। পুরনো স্মৃতিগুলো স্মৃতিকাতর করবে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই স্মৃতির মাঝেই বন্দি হয়ে বর্তমান থেকে বিচ্ছিন্নতা কাম্য নয়।
তাই জীবনের যে পর্যায়েই থাকুন, আনন্দ খুঁজে নিন। ঈদের রুহানিয়ত ও আনন্দ উপভোগ করুন। সাংস্কৃতিক আধিপত্যের যুগে প্রজন্মকে মুসলিম পরিচয়ের সাথে আরো বেশি ঘনিষ্ঠ করে তুলুন৷
تقبل الله منا ومنكم
ঈদ মুবারক।
সবার ঈদ ভালো কাটুক।
© ইমরান রাইহান
1 099
আপনার এলাকা কোথায়?
বেসিক দিক মাদানী নেসাবে পড়াতে পারলে ভালো হয়। আরবী উর্দু ভাষাটা শেখা সহজ হবে।
ইলম তো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য অর্জন করতে হবে। ইলম অর্জনের জন্য ভাষা শেখাটা আসল হাতিয়ার। পাশাপাশি জীবনের শুরু থেকেই একজন আলেমকে তালীমী মুরুব্বী বানিয়ে তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী জীবন কাটালে তালীমী জীবন সহজ হবে। পাশাপাশি মোবাইলের ফিতনার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে প্রচুর।
1 099
সে অনেক দিন আগের কথা। একবার দুইজন ভাইকে দেখছিলাম ইসলামের কোনো একটা বিষয় নিয়ে কথা বলছেন। অতি সাধারণ একটা বিষয় নিয়ে তারা এত সিরিয়াস আলোচনা করছিলেন যে আমার প্রচণ্ড ঈর্ষা হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল এরা কতকিছু জানে, কত আমল করে! আমি কিছুই জানি না, আমার আমল কত কম!
বেশ কয়েক বছর পর সেদিনের এক ভাইকে ফেসবুকে দেখলাম। বুদ্ধিজীবী মার্কা কথাবার্তা বলেন ইদানীং। প্রফাইলে বউয়ের ছবি দিয়েছেন, চোখ নামিয়ে রাখতে হয় এমন। পর্দা কিংবা প্র্যাক্টিসিং তো দূরের কথা, দেখে বোঝার উপায় নেই মুসলিম না অমুসলিম!
হিদায়াত মূলত কোনো মিরাকল নয়। হিদায়াত হলো ভালো আর মন্দের পার্থক্য করতে পারা। অন্য কোনোকিছু প্রভাবিত না করলে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই এটা পারে, আর এখানেই মানুষ আর পশুর পার্থক্য।
মূলত মিরাকল হলো ইস্তিকামাত। সেই হিদায়াতের উপর টিকে থাকতে পারা। সত্যটা সবাই জানে, কিন্তু অনুসরণের বেলা এলেই আসল পরীক্ষা। মিথ্যাটাও সবাই জানে, কিন্তু এরপরও সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই জামানার সবচেয়ে বড় ফিতনা এটাই।
এখানে হিদায়াতের উপর টিকে থাকতে পারাটাই আসল। আর জীবিত মানুষের হিদায়াতের কোনো গ্যারান্টি নেই। যেকোনো সময় মানুষের চিন্তাভাবনা, আদর্শ, পরিবর্তন হতে পারে। আল্লাহ যেকোনো সময় কারো হিদায়াত ছিনিয়ে নিতে পারেন। আল্লাহ আমাদেরকে এত বড় শাস্তি থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
এজন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে দুআটা বেশি বেশি করতেন, "ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলুব, ছাব্বিত ক্বালবি 'আলা দ্বীনিক"- হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর অটল রাখো।" ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আল্লাহর কাছে দুআ করতেন যার অর্থ, "হে আল্লাহ, সত্যকে আমার কাছে সত্যরূপে দেখাও এবং তার অনুসরণের তাওফিক দাও।"
হিদায়াতের উপর টিকে থাকার মূলনীতি হলো আল্লাহকে ভালোভাবে জানা, দুনিয়া আর আখিরাতের পার্থক্য করতে জানা, আখিরাতের পুরস্কার আর শাস্তির তুলনায় দুনিয়ার সুখ সমৃদ্ধি কিংবা দুঃখকষ্টের পরীক্ষা কত তুচ্ছ-- সেটা উপলব্দি করতে পারা।
আর হিদায়াতের উপর টিকে থাকার চালিকা শক্তি হলো অন্তরকে পরিশুদ্ধ করা, ধৈর্য এবং ইবাদাতের মাধ্যমে ইস্তিকামাতের পথে পদযুগলকে শক্তিশালী করা।
"‘হে মুমিনরা, তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।" (সূরাহ বাকারা, আয়াত : ১৫৩)
এই বিষয়ে তারিক মেহান্নার কিছু চমৎকার কথা আছে, কথাগুলো আমাদের মনে শক্ত করে গেঁথে রাখা উচিত। তারিক মেহান্না বলেন,
"আমরা অনেক সময় কোনো ব্যাক্তির বিপ্লবী কথাবার্তা শুনে তাকে “ভালো দ্বীনি ভাই” ভাবা শুরু করি, তখন এমনটা হতে পারে যে আমরা তার বিদ্রোহী চেতনাকে দ্বীনের প্রতি আন্তরিক উৎসাহ ও নিষ্ঠা বলে ভুল করছি। প্রকৃতপক্ষে এমনটা হতে পারে যে ঐ ব্যক্তির জন্য ইসলাম হলো শুধুমাত্র “এই মাসের স্পেশাল অফার”।
এরকম হওয়ার সবচেয়ে বড় লক্ষণ হলো–তার কথাবার্তা ও দ্বীনি পড়াশোনার মাঝে অন্তর কোমলকারী বিষয়সমূহের নগণ্য উপস্থিত। কখনোই নফল ইবাদাত না করা এবং ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ আদর্শ, একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা হিসেবে অনুধাবন করার চেষ্টা না করাও এর অন্তর্ভূক্ত।
এই ধরনের মানুষগুলোকে শুধুমাত্র বিতর্কিত এবং আমোদজনক বিষয়গুলো নিয়ে তর্কে মেতে থাকতে দেখা যায়। কারণ শুধুমাত্র স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে নিজেকে বাকি সবার চাইতে আলাদা প্রমাণ করার আকাঙ্ক্ষা থেকেই এই মানুষগুলো ইসলামে প্রবেশ করে, আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে নিজেকে সমর্পণ করে দিতে নয়।
তারা পুরোন কথা শুনতে আগ্রহ পায় না, সবসময় নতুন কিছুর জন্য অস্থির হয়ে থাকে। শতকরা ৯৯ ভাগ ক্ষেত্রে এটাই তাদের ইসলামের ব্যাপারে অনাগ্রহী হয়ে উঠার কারণ। এই ধরনের লক্ষণগুলো অন্য যাদের মধ্যে দেখা যায় তাদেরকে নিয়েও আমার ভয় হয়। খুব বেশী দেরী হয়ে যাবার আগেই নিজে রক্ষা করুন। দ্বীনের মাঝে বিতর্ক আর বিনোদন খোঁজা বন্ধ করুন। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার সম্পর্কে জানতে, তাঁর সম্পর্কে সচেতন হতে চেষ্টা করুন । চেষ্টা করুন আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার সাথে নিজের সম্পর্ক গড়ে তুলতে।
কারো কারো কাছে হয়তো এটা একঘেয়ে, বিরক্তিকর মনে হতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটাই আপনাকে রক্ষা করবে। সবসময় বিতর্কিত বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন না, এবং তার বদলে প্রতিদিন চোখ বোলানোর জন্য নিচের বইগুলোকে আপনার টেবিলে স্থান দিন:
- আল কুরআন
- রিয়াদুস সালেহীন, ইমাম নববী
- আল আদাবুল মুফরাদ, আল বুখারী
- আয যুহদ, ইমাম আহমাদ
.
এই বইগুলো শুধুশুধু লেখা হয়নি। এই সিলেবাসটি নিয়মিত ধরে রাখার চেষ্টা করুন। এগুলো নিয়মিত পড়লে আপনার হৃদয়ের চারপাশে একটি দুর্গ গড়ে উঠবে। যখন ফিতনার আঘাত আসবে তখন এই দুর্গই আপনাকে রক্ষা করবে। এবং নিশ্চিত থাকুন আজ হোক, কাল হোক, ফিতনার এই আঘাত এক সময় আসবেই"
© সাজিদ ইসলাম
