uk
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Відкрити в Telegram

Показати більше
Країна не вказанаКатегорія не вказана
1 215
Підписники
+524 години
+277 днів
+4230 днів
Архів дописів
শাইখ মাহমুদ হাসানাত বলেন - . ​"জীবন আসলে বয়সের মাপকাঠিতে পরিমাপ করা হয় না, বরং পরিমাপ করা হয় আমাদের আমল বা কর্ম দিয়ে। ​এই যেমন সাহাবী হযরত সা'দ ইবনে মুয়ায (রা.)। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৩০ বছর বয়সে। আর খন্দকের যুদ্ধে যখন তিনি শহীদ হন, তখন তাঁর বয়স মাত্র ৩৬ বছর। অর্থাৎ, মুসলিম হিসেবে তাঁর জীবনকাল ছিল মাত্র ৬ বছরের! . ​অথচ এই ৬ বছরের আমল এতই ভারী ছিল যে, তাঁর চিরবিদায়ে আকাশ থেকে ৭০,০০০ ফেরেশতা নেমে এসেছিলেন! . এমনকি জিবরাঈল (আ.) স্বয়ং রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে বলেছিলেন, 'হে মুহাম্মদ, আজ রাতে আপনার এমন এক সাহাবী ইন্তেকাল করেছেন, যাঁর মৃত্যুতে পরম করুণাময়ের আরশ কেঁপে উঠেছে!' . ​মাত্র ৬ বছরের একটি জীবন... আর তাতেই রহমানের আরশ কেঁপে ওঠে! . আর আমরা যারা ২০, ৩০, ৪০, ৫০ কিংবা ৬০ বছর পার করে দিচ্ছি, আমরা এই দীর্ঘ জীবনে আল্লাহর জন্য আসলে কী করছি? কি আমল পাঠাচ্ছি ওপারে ?" -আব্দুল্লাহ ইয়াসীন শরীফী ভাই

photo content

দারুল উলূম দেওবন্দের আদব বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান নুর আলম খলিল আমিনীর একটি চমৎকার স্মৃতিচারণমূলক বই আছে—ওহ কুহকান কি বাত! কুহকান শব্দের শাব্দিক অর্থ পাহাড় খোদাইকারী। কথিত আছে, ফরহাদকে শিরিনের সম্রাট স্বামী শর্ত দিয়েছিল, যদি পাহাড় কেটে দুধের নহর সৃস্টি করতে পারে তাহলে শিরিনকে তার হাতে তুলে দেবে। ফরহাদ তা করে দেখিয়েছিল। এজন্যই তাকে কুহকান বলা হয়। জেমিনিকে শব্দটির একটি সুন্দর বাংলা প্রতিশব্দ দিতে বলেছিলাম। যা যা দিয়েছে একটাও তেমন যুতসই লাগছে না। তাই নামের তরজমা আপাতত থাক। বইটি নিয়ে বলি। খলিল আমিনী বইটিতে ‘কুহকান’ হিসেবে চিত্রিত করেছেন তাঁর উস্তাদ দারুল উলুমের সাবেক কিংবদন্তীতুল্য ব্যক্তিত্ব ওহিদুজ্জামান কিরানবি রহ.কে। যার হাত ধরে দারুল উলুমের শুধু আরবি সাহিত্যচর্চায়ই গতি আসেনি, বরং এক ভিন্নরকম শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ তিনি সেখানে গড়ে তুলেছিলেন। আন-নাদি শুধু আরবি বক্তৃতা শেখার প্লাটফর্ম ছিল না, ছিল সামগ্রিক অর্থে একটি শিক্ষা ও সংস্কৃতিমূলক প্রতিষ্ঠান। মাওলানা কিরানবির দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, ছাত্ররা আগামীদিনে ইসলামের সেনানী হবে। তাই তাদের তারবিয়ত হতে হবে সেনাবাহিনীর মতোই। সুশৃঙ্খল, পরিপাটি। আপাত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়ও তিনি ছাত্রদের ধরে ধরে শেখাতেন। যেমন অনুষ্ঠানে ছাত্ররা কীভাবে বসবে তাও শেখাতেন। বইটার একটা পর্যায়ে এসে চমকে গেলাম। মাওলানা আমিনী লিখছেন, হযরত কিরানবি বার্ষিক অনুষ্ঠানের জন্য নিজে নাটক লিখতেন। চরিত্র সাজাতেন। সংলাপ তৈরি করতেন। এরপর ছাত্রদের দিয়ে তার মহড়া দিতেন। অবশ্য আমরাই দেখেছি, বযমে সাজ্জাদ-বযমে শাইখুল ইসলামের প্রতি সংগঠনগুলো তাদের সাময়িক ও বার্ষিক প্রোগ্রামগুলোতে নানারকম অভিনয় উপস্থাপন করে উস্তাদদের সামনেই। দারুল উলুম দেওবন্দ শুরু থেকেই সাহিত্য ও সংস্কৃতির ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। হাবিবুর রহমান উসমানী রহ. যখন মুহতামিম নিযুক্ত হন তিনি নিজ খরচে মাদরাসার মুখপত্র হিসেবে পত্রিকা প্রকাশ করেন। এখনও নওদারার চারপাশে চক্কর দিলে বিভিন্ন ভাষায় অর্ধশতাধিক দেয়াল পত্রিকার দেখা মিলবে। বৃহস্পতিবার ওদিকে গেলে মনে হবে, প্রতিটি দেয়াল থেকে বক্তৃতার তপ্ত বাক্যমালা ছুটে আসছে। বিতর্ক অনুষ্ঠানে মুখর হয়ে উঠছে সন্ধ্যাগুলো। দারুল উলুম দেওবন্দের অবদানগুলোর মধ্যে তালিম-তারবিয়ত, তাসাউফ-সংগ্রামের যেমন উজ্জ্বল অংশগ্রহণ আছে তেমনি সংস্কৃতি চর্চারও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শুধুই কিতাবি পঠন-পাঠনে সীমাবদ্ধ করে ফেলা দারুল উলুম দেওবন্দের অনুসৃত নীতি নয়। না অতীতে, না এখন। Hasan Aziz

গত সপ্তাহ একদিন দরসের ফাঁকে ফাঁকে ইমাম নববি রহ.-এর আরবাঈন পড়লাম। আর ইমাম ইবনে রজব হাম্বলি রহ.-এর জামিউল ইলম ওয়াল হিকাম এবং আল্লামা মোল্লা আলি কারি রহ.-এর আল-মুবিনুল মুইন লিফাহমিল আরবাঈন — প্রতিদিন নির্দিষ্ট অংশ দেখার চেষ্টা করি। আমাদের বুখারির শেষ হাদীসের দরস দিয়েছিলেন মাওলানা আরশাদ মাদানি হাফিযাহুল্লাহ। সেদিন একটি গুরুত্বপূর্ণ নসিহত করেছিলেন — নিয়মিত হাদীসের কোনো না কোনো গ্রন্থ পড়তে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস জীবনে বাস্তবায়ন করতে হলে তা পড়া ও মুযাকারা করার কোনো বিকল্প নেই। নিজের অনেক কোতাহি আছে, তবু এই বিষয়টি মেনে চলার চেষ্টা করি। কয়েকদিন ধরে ভাবছি, ইমাম নববি রহ.-এর এই মকবুল গ্রন্থটি নিয়ে তালিম ও মুযাকারা হওয়া খুব দরকার। তিনি এমন পঞ্চাশটি হাদীস সংকলন করেছেন যা মূলনীতিস্বরূপ — উসূলুদ্দিন, ফুরূউদ্দিন ও আদাব বিষয়ের মৌলিক কথাগুলো এতে এসে গেছে। হাদীসগুলো সালাফ যেভাবে বুঝেছেন, সেই আলোকে মুযাকারা করা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে চলতি সপ্তাহই শুরু হতে চাচ্ছে ইনশাআল্লাহ — রিবাতুল ইলম থেকে এই গ্রন্থের উপর দরস। আশা করি সাথে থাকবেন এবং অন্যদেরও দাওয়াত দেবেন। © মুহাম্মদ বিন তায়্যিব

একটা সময় ছিল যখন হাফেজ্জি হুজুর (রহিমাহুল্লাহ) এর সাথে মানুষ দূর দূর সফর করে এসে সাক্ষাত আর মুসাফা করে যেতেন। তার কাছের লোকেরা বলতেন, "মুসাফা করে নেন। এমন দিন আসবে মানুষ বলবে, অমুক লোক হাফেজ্জি হজুরের সাথে মুসাফা করেছেন। আর সবাই তার সাথে মুসাফা করতে আসবে।" এমনি হয়েছিলো, এখনো হচ্ছে। অনেকেই মনে করেন, সালেহিন কারো সাথে মিশবো তো কার সাথে মিশবো। বড়রা তো সব কবরে, আমাদের যুগের অনেক আগেই গত হয়েছেন। হাফেজ্জি হুজুর চলে যাওয়ার পরেও এমন হয়েছিলো। কিন্তু পবরর্তীতে দেখা গেছে, হুজুরের সাথেই যারা ছিলেন, তাদের আরও কাছে যেতে মানুষ খুব চেষ্টা করেছে, যাদের মধ্যে তলব ছিল। এনাদের মধ্যে প্রফেসর হযরত (রহিমাহুল্লাহ) অন্যতম। এরপর প্রফেসর হুজুরও চলে গেলেন। আবার ফিরে আসলো, এখন কার পিছনে থাকবো? কিন্তু খেয়াল করলে দেখা যাবে প্রফেসর হযরত ঠিকই নিজের খলিফাদের মধ্যে হীরা মতি সাদৃশ্য কাউকে না কাউকে রেখে গেছেন, তাও উত্তরাতেই। অন্তরের মধ্যে তলব তৈরি হলে, অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা কাউকে মিলিয়ে দিবেন। গ্যারান্টেড। এখন যদিও সবাইকে সেভাবে অনুসরণ করার মত আরও আগের চাইতে কম। স্টিল, খুঁজতে থাকলে, পাওয়া যাবে। হেদায়াত দুনিয়াবী সব থেকে বড় নিয়ামতের একটা। যে ঠিকঠাক ভাবে এই হেদায়াত নিয়ে কবরে যেতে পারবে, দুনিয়াবী কিছুই না পেয়ে, সে মোটেও আফসোস করবে না। হেদায়াত কম্প্রোমাইজড হলে, ব্যাপারটা হবে উল্টো। আল্লাহ তায়ালা শুধু হেদায়াতের সরল সোজা পথে চলার কথাই বলেন নাই। তার সাথে সূরা ফাতিহাতেই জুড়ে দিয়েছেন, "সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ"। মানে যারা হেদায়াতের পথে হেঁটেছে, তাদের সাথে চলা। সালেহিন আর নেককারদের দেখে দেখে চলা। এমনটা না হলে পরের আয়াতে বলা ডুই পরিণতির এক পরিণতির স্বীকার হতে হবে। হয় গোমরাহি, না হয় ভ্রষ্টতা। জেনারেল কমিউনিটির যদি কারো ঝরে যাওয়ার কথা শুনেন, খোজ নিলে দেখবেন এই নেককারদের সোহবত থেকে সে দূরেই ছিল। এই ব্যাপারটা অনেক সহজ মনে হলে, এর কম্পাউন্ড ইফেক্ট, পজেটিভ আর নেগেটিভ দুইদিকেই অনেক বেশি। এই ভালো সঙ্গদের অনেকে নিজেদের ভাই ব্রাদারদের কমিউনিটিকে মনে করেন। কিন্তু এটা মোটেই যথেষ্ট না। উল্টা অনেক ক্ষেত্রেই ভ্রান্তি আর আটকে থাকার কারণ হয়। সালেহিন আলেম উলামাদের সাথে চলা খুব দরকার। আর এটাই আয়াতের উদ্দেশ্য। সালেহিনদের যদি ৩-৪টা গুনের কথা বলা হয়, এর মধ্যে নেককার আলেমদের মধ্যেই ফিট হবে সব গুলো, সিমিলার মাইন্ডেড ব্রাদারদের মধ্যে গ্যাপ থেকেই যাবে। ""হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের (নেককারদের) সঙ্গী হও"। © Sabber Ahmad

photo content

photo content

photo content

photo content

নিজেই রোগী। তার উপর এই লাইনে গণ্ডমূর্খ! আমি কী পরামর্শ দেব? এসব আলকাউসার, মাসিক নেয়ামতে পাঠাতে পারেন।
নিজেই রোগী। তার উপর এই লাইনে গণ্ডমূর্খ! আমি কী পরামর্শ দেব? এসব আলকাউসার, মাসিক নেয়ামতে পাঠাতে পারেন।

দেওবন্দ আর কওমী মাদরাসা একই। কোথাও কোথাও সিলেবাসে কিছু বেশকম আছে। তবে কওমী বলতেই দেওবন্দ থেকে শুরু। এরা হানাফী মাযহাবের অনুসা
দেওবন্দ আর কওমী মাদরাসা একই। কোথাও কোথাও সিলেবাসে কিছু বেশকম আছে। তবে কওমী বলতেই দেওবন্দ থেকে শুরু। এরা হানাফী মাযহাবের অনুসারী। নকশবন্দী হচ্ছে আত্মশুদ্ধির একটা সিলসিলা/মাযহাব। এদিকেই উদ্দেশ্য করে নকশবন্দী বলা হয়। পাহাড়পুর একটা এলাকার নাম। এলাকার দিকে সম্বন্ধ করে পাহাড়পুরী বলা হয়। এরাও হানাফী মাযহাবের অনুসারী।

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

আল্লাহওয়ালাগণ বলেন, স্ত্রীর মাঝে চারটি বৈশিষ্ট্য অবশ্যই থাকতে হবে। প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো স্ত্রীর চেহারায় লজ্জা থাকা। এটা একটা ম
আল্লাহওয়ালাগণ বলেন, স্ত্রীর মাঝে চারটি বৈশিষ্ট্য অবশ্যই থাকতে হবে। প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো স্ত্রীর চেহারায় লজ্জা থাকা। এটা একটা মৌলিক কথা। যে মহিলার চেহারায় লজ্জা থাকে, তার অন্তর হয় লজ্জায় পরিপূর্ণ। কথায় বলে, চেহারা হচ্ছে মনের আয়না। Face is the index of mind. আলী রাযি. বলেছেন, 'লজ্জা উত্তম বটে, তবে এটা মহিলাদেরই বেশি শোভা পায়।' দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য কণ্ঠস্বরের মিষ্টতা। অর্থাৎ তার কণ্ঠ শুনলে যেন কানের মধ্যে মধু ঢালছে বলে মনে হয়। এমন যেন না হয় যে সব সময় স্বামীর সাথে ঘ্যানঘ্যান করে চলছে। কিংবা ছেলে-মেয়েদের শাসন করছে। তৃতীয়ত, তার অন্তরে কল্যাণকামিতা থাকতে হবে। চতুর্থত, তার হাত থাকবে কাজে ব্যস্ত। এই বৈশিষ্ট্যগুলো যে মহিলার মাঝে থাকবে, সে নিশ্চিতভাবেই নেককার স্ত্রী হিসেবে জীবন কাটাতে পারবে। [প্রশান্ত অন্তর : ২২২] [কেন জানি না, এই ছবিটা এত ভালো লাগে...]

photo content

photo content

photo content