uk
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Відкрити в Telegram

Показати більше
Країна не вказанаКатегорія не вказана
1 099
Підписники
Немає даних24 години
+227 днів
+2630 день
Архів дописів
photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

হিজরত বা স্থানান্তর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কখনো স্থান কখনো সম্পর্কে আমাদের হিজরত হয়। কত শত পথ পাড়ি দিতে হয়। কাঙ্ক্ষিত মানুষের কাছে বা স্থানে যেতেই যদি এত পরিবর্তন এবং শিষ্টাচার শেখার প্রয়োজন পড়ে ; দিনশেষে তো আল্লাহর কাছেই গন্তব্য। তাই সারাজীবনের ঘটনাপ্রবাহ দিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের প্রস্তুত করেন! © মুহাম্মদ মারুফ আলী

photo content

বিয়ে নিয়ে মাকতাবাতুল ফুরকান থেকে থানভী রহ.-এর একটা বই আছে। সেটা পড়তে পারেন। বিয়ের আগে বিয়ে সংক্রান্ত মাসয়ালা, তালাক সংক্রান্ত
বিয়ে নিয়ে মাকতাবাতুল ফুরকান থেকে থানভী রহ.-এর একটা বই আছে। সেটা পড়তে পারেন। বিয়ের আগে বিয়ে সংক্রান্ত মাসয়ালা, তালাক সংক্রান্ত মাসয়ালা-মাসায়েল ভালো করে পড়ে নিয়েন। সম্ভব হলে আল্লাহওয়ালা, দ্বীনদার কোনো মুরুব্বীর কাছ থেকে দাম্পত্যজীবন রিলেটেড পরামর্শ/অভিজ্ঞতা নিয়েন। এটা অনেক কাজে আসবে।

আবু মুহাম্মাদ জাফর বিন মুহাম্মাদ আল-আব্বাসি ইনতিকালের আগে অসিয়ত করেছেন যে, তার কবরের ওপর যেন এই কথাটি লিখে দেওয়া হয় : 'অনেক প্রয়োজন অপূরণীয় রয়ে গেছে। অনেক আশা বাস্তবায়িত হয়নি। অনেক মানুষ আক্ষেপ করে মারা গেছে।' [সময়ের সঠিক ব্যবহার কীভাবে করবেন? : ৩৩]

মানুষ রাত-দিন খেটে সম্পদ উপার্জন করতে পারে, বাংলো তৈরী করতে পারে, গাড়ী ক্রয় করতে পারে, মিল-কারখানা প্রতিষ্ঠা করতে পারে, কিন্তু এসব বস্তু দ্বারা প্রকৃত সুখ ও শান্তি লাভের জন্য যে সুস্থতা প্রয়োজন এবং যে শান্তিপূর্ণ পারিবারিক সুসম্পর্ক প্রয়োজন এবং যে মানসিক শান্তি আবশ্যক তা টাকা-পয়সার শক্তিতেও লাভ করা যায় না এবং কোনো মেশিনও তা প্রস্তুত করতে পারে না। তা সম্পূর্ণরূপেই মানব-শক্তির ঊর্ধ্বের বস্তু। তা একমাত্র আল্লাহর দান। এ দানে তাঁর সাথে আর কেউ শরীক নেই। তিনি চাইলে খড়ের ঝুপড়িকেও জান্নাত বানাতে পারেন, আর চাইলে এ সবকিছু হরণ করে নিয়ে আলীশান মহলকে অঙ্গারের বিছানায় পরিণত করতে পারেন। মহান আল্লাহর এ দানের নামই 'বরকত', যা সম্পূর্ণরূপে অংশীদারিত্বমুক্ত একমাত্র তাঁরই কুদরতের হাতে সংরক্ষিত। এ 'বরকত' লাভ হলে অল্প জিনিসই যথেষ্ট হয়ে যায় এবং অল্প সামগ্রীতেই কাঙ্খিত উপকারিতা লাভ হয়। কিন্তু 'বরকত' না থাকলে সম্পদের স্তূপও মানুষের উপকার করতে পারে না। বরকতের অপর একটি দিক হলো দুনিয়ার কোনো সাজ-সরঞ্জাম দ্বারা সাময়িকভাবে আরাম লাভ হওয়ার সাথে সাথে তার পরিণতিও মঙ্গলজনক হওয়া। একজন ডাকাত লক্ষ লক্ষ টাকা লুট করে তিনদিন পর্যন্ত খুব মৌজে কাটাল, কিন্তু চতুর্থ দিনই কারাগারে নিক্ষিপ্ত হল। তাহলে এই তিনদিনের মৌজ তার কি কাজে এলো? বিধায় দুনিয়ার যাবতীয় সুখ-শান্তি, আরাম-আয়েশ তখনই মূল্যবান হবে, যখন তার পরিণতি বড় আকারের কষ্টের রূপে আত্মপ্রকাশ না করবে। 'বরকতের' অর্থের মধ্যে এ দিকটিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। -মুফতী তাকী উসমানী হাফি. [যিকর ও ফিকর : ৯৬-৯৭]

তালিবুল ইলমদের সংগ্রহে রাখা ও পড়ার মতো কিছু বই : বড় যদি হতে চাও তালিবে ইলমের জীবন গঠন, মাওলানা ইবরাহিম খলিল তালিবুল ইলম গঠনের আদর্শ রূপরেখা, শায়খ আওয়ামা মনীষীদের কাছে সময়ের মূল্য, (শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ.-এর বাকি দুইটা বইও) মনীষীদের দৃষ্টিতে সময়ের মূল্য জীবন পথের পাথেয় তালিবানে ইলম : পথ ও পাথেয় আকাবিরে দেওবন্দের ছাত্রজীবন ১-৩ মনীষীদের ছেলেবেলা দরদী মালীর কথা শোনো ১-৩ ইলম চয়নিকা ১-২ প্রিয় লেখক প্রিয় বই

উনার বাণীর একটা বই নাশাত থেকে এসেছে।
উনার বাণীর একটা বই নাশাত থেকে এসেছে।

photo content

photo content

photo content

photo content

যখন মুহাদ্দিস আহমদ আশ-শিরাজী ইন্তেকাল করলেন, তখন এক ব্যক্তি তাঁর ছেলের কাছে এসে বলল, আমি তোমার বাবাকে স্বপ্নে দেখেছি। তিনি শিরাজের জামে মসজিদের মিহরাবে দাঁড়িয়ে আছেন।তাঁর গায়ে ছিল একটি মূল্যবান পোশাক, আর তাঁর মাথায় ছিল রত্নখচিত মুকুট। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ আপনার সাথে কেমন আচরণ করেছেন? তিনি বললেন, আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করেছেন, আমাকে সম্মানিত করেছেন এবং জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কীসের কারণে? তিনি বললেন, বেশি বেশি দুরুদ শরীফ পড়ার কারণে। (সিয়ারু আলামিন নুবালা : ১৬/৪৭৩)

শায়েখ থাকার ফায়দা হযরত সাইয়্যিদ মাওলানা আবরারুল হক সাহেব রহ. একবার হযরতের মাদরাসা সংলগ্ন ময়দানে ইট বিছানো হচ্ছিল, যাতে বর্ষা মৌসুমে কাদা না হয়। একটি ইট ছিল খুবই বাঁকা। বাহ্যত সেটাকে কোন কাজের মনে হচ্ছিল না। যাই হোক এটা দেখার পর আমরা হযরতওয়ালার সাথে নামাযের জামা‘আতে হাজির হলাম। মসজিদ থেকে ফেরার পথে দেখি মিস্ত্রি সেটাকে সাইজ করে এমন এক জায়গায় লাগিয়ে দিয়েছে যেখানে সোজা ইট দ্বারা খালি স্থান ভরাট করা সম্ভব ছিল না। এই প্রসঙ্গে হযরতওয়ালা মন্তব্য করেন যে, কোন মানুষ যতই অসম্পূর্ণহোক না কেন; নিজেকে যদি সে কোন কামেল মানুষের নিকট সোপর্দ করে তাহলে উক্ত কামেল ব্যক্তি তাকে ঘষে-মেজে পরিপূর্ণ মানুষে পরিণত করে তাকে কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগিয়ে দিবেন এবং তার দ্বারা এমন কাজ আঞ্জাম পায় যা অন্যের দ্বারা সম্ভব হয় না।