আকাবির-কথন
Открыть в Telegram
Больше
Страна не указанаКатегория не указана
1 217
Подписчики
+524 часа
+277 дней
+4230 дней
Архив постов
1 217
আয়েয আল কারনির সবচেয়ে প্রসিদ্ধ বই 'হতাশ হবেন না'। অথচ এই বইটা বাদে সব বই-ই ভালো লেগেছে। এই বইটাও বেশ দারুণ।
1 217
বর্তমানে বই পড়ার অভ্যাস ধরে রাখা ঠিক এই ছবির মতই কঠিন হয়ে গেছে। মনোযোগ নষ্ট করার এত আয়োজন চারপাশে যে, শেষ করে পুরো একটি বই পড়েছি আমরা অনেকেই এখন বলতে পারব না...
© ওয়াফিলাইফ
1 217
ইমাম গাযালী রহিমাহুল্লাহ এহইয়াউল উলুম গ্রন্থে লিখেছেন, মানুষের জীবনে এমন কোনো বৈধ কাজ নেই, যাতে কোনো প্রকারের ভালো নিয়ত করে সাওয়াবের কাজ বানানো যায় না। এমনকি যদি স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে এ নিয়তে উপভোগ করে যে, এর মাধ্যমে একজন আরেকজনের হক আদায় করছে এবং এতে উভয়ের চারিত্রিক সূচিতা ও আত্মিক পবিত্রতা অর্জন হবে, তাহলে তারা এ কাজের জন্যও সাওয়াব পাবে। (যেমনটি এক হাদীস শরীফে স্পষ্ট বর্ণিত হয়েছে।
[সহজ নেক আমাল : ২৫]
1 217
Shaykh Muhammad Zakaria Abdullah হাফি. হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক (হাফি.)-এর সবচেয়ে বেশি সোহবতপ্রাপ্ত শাগরেদদের একজন। মারকাযুদ দাওয়ার প্রথম দিক থেকে উস্তাদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্নভাবে দীর্ঘদিন ছিলেন। মাওলানা হাবিবুর রহমান খান সাহেব বলেন, দুজন মানুষ এদেশের মানুষের জন্য নিজেদের দ্বীনী ক্যারিয়ারকে কোরবানী দিয়েছেন। একজন মাওলানা আবদুল মালেক সাহেব, দ্বিতীয়জন মাওলানা যাকারিয়া আব্দুল্লাহ সাহেব। ক্যারিয়ারের চিন্তা করলে এখন উনাদের বিশ্বজোড়া নাম হতো।
মাওলানা আবদুল মালেক সাহেবও অনেক ক্ষেত্রেই তার ওপর নির্ভর করতেন, আস্থা রাখতেন। এ জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত করেন। মানুষ হিসেবেও তিনি খুবই শরীফ। উনার ব্যক্তিত্বের বিশিষ্টতা যে-কেউ দুয়েক সাক্ষাতেই বুঝতে পারে।
উল্লেখ্য, শায়খ যাকারিয়া আব্দুল্লাহ সাহেব মাওলানা তাহমিদুল মাওলা, মাওলানা রাইয়ান, মাওলানা নোমান হামেদ সাহেব, মাওলানা ইউসুফ ওবায়দী সাহেবসহ অসংখ্য বিশিষ্ট আলিমের উস্তাদ।
© মুহাম্মাদ হোসাইন
1 217
এটা খুবই স্বাভাবিক, আপনি আপনার জীবন থেকে বহু মানুষকেই হারিয়ে ফেলবেন। বহু মানুষের ডাবল ফেইস দেখবেন। সব দিক দিয়ে চরম ভাবে হতাশ হয়ে আপনার কাছে আসবে। নিজের সর্বচ্চটুকু দিয়ে আপনি তার জন্য করবেন। কিন্তু এরপর….যখন সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে, তাদের চিনেও না চেনার অভিনয় তত প্রকট হবে।
বহু মানুষ এমন আছে যারা ভুল বুঝবে। ভুল বোঝার উপরই তারা অটল থাকবে। আপনি শত চেষ্টা করেও তাদের ভুল ভাঙাতে পারবেন না।
আসলে এটার নামই জীবন। মানুষের এই যে নানা রকম চরিত্র, এগুলো আমাদের এটাই শিখিয়ে দেয়, যা চৌদ্দশ বছর আগে আল্লাহর রাসুল তার প্রিয় সাহাবীকে শিখিয়েছিলেন। যখন তুমি ভরসা করবে শুধু আল্লাহর উপরই ভরসা করবে। যখন তুমি কিছু চাইবে শুধু তার কাছেই চাইবে।
যাদের হারানোতে আপনি ব্যথিত, আল্লাহ আপনাকে তাদের চেয়েও আরও শতগুন উত্তম কাউকে মিলিয়ে দিতে পারেন। যা না পেয়ে আপনি আজ হতাশায় ভুগছেন, হয়তো পরবর্তীতে যা পাবেন, আপনার অন্তর সাক্ষ্য দিবে, সেই না পাওয়া বস্তুর সেদিন না পাওয়াটা কতই না ভাল ছিল। যারা চলে গিয়েছে, তারা যদি রয়ে যেতো, তাতেই বরং জীবনটা হয়ে যেতো আরও অগোছালো।
নিশ্চয়ই যেই রব নিতে জানেন, সেই রব দিতেও জানেন। অপেক্ষা কেবল কিছুদিনের...
© Rizwanul Kabir
1 217
বন্ধু কখনো আক্ষরিক অর্থে দুঃখের ভাগিদার হতে পারে না। হৃদয়ের রক্তক্ষরণ থামিয়ে দেবার ক্ষমতা ভালোবাসার মানুষটিরও নেই। নির্ঘুম রাতগুলো কেউ কারো হয়ে জেগে থাকে না। নিজেকে নিজেরই দেখে রাখতে হয়। সামলে রাখতে হয়। জীবনের ঘটনাগুলো যতখানি গুরুত্ব পাবার দাবি রাখে, ততটাই দেওয়া চাই, না বেশি, না কম।
এটুকু জেনে রেখো, যদি তুমি ভেঙে পড়ো উঠে দাঁড়াতে হবে তোমাকেই—তোমাকে টেনে তোলার কেউ নেই। যদি তুমি হেরে যাও, তোমাকে জেতাতে পারে শুধুই তোমার জিদ। হোঁচট খেয়ে উঠে দাঁড়ানো, আবার চলতে শেখা—তোমারই কাজ। নিজের কদর লোকের চোখে খুঁজতে যেয়ো না; তুমি নিজেই জানবে তোমার মর্যাদা আসলে কতখানি। তুমি ওপরে উঠবে তখনই, যখন তুমি বিবেকের সাথে সৎ হতে পারবে। আর নিজেকে যদি সত্যিই চিনে থাকো, তবে কে কী বলল তাতে কিছু যায়-আসে না।
জীবন নিয়ে দুশ্চিন্তার বোঝা বয়ে বেড়িয়ো না, সে বোঝা আল্লাহই নিয়ে নিয়েছেন। আয়-রোজগার নিয়ে ভেবো না, সেটাও আল্লাহ আগে থেকেই লিখে রেখেছেন। ভবিষ্যতের জন্যেও উদ্বিগ্ন হোয়ো না, ওটাও আল্লাহ তাআলা নির্ধারিত করে দিয়েছেন। তোমার চিন্তা করা বা না করাতে কিছুই বদলাবে না। একটা চিন্তাই মাথায় গেঁথে নাও: কীভাবে আল্লাহকে খুশি করা যায়। যদি তুমি তাকে খুশি করতে পারো, তিনি তোমাকে খুশি রাখবেন, তোমার ইচ্ছা পূরণ করবেন, তোমাকে দেবেন প্রয়োজনের চাইতেও অধিক। যে জীবন তোমায় কাঁদিয়েছে, তার জন্য কেঁদো না, শুধু বলো, হে আমার রব, আমাকে এই জীবন ও আখিরাতের জীবনে উত্তম বিনিময় দান করো।
বান্দা যখন রবের কাছে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে, সেই একটি সিজদাহ এক পৃথিবীর সমস্ত দুঃখ বেদনাকে বিদায় জানায়। আনন্দ ফিরে আসে অন্তর-চিঁড়ে-বেরোনো একটি দুআয়। আল্লাহ তোমার কাজের কথা ভোলেন না। তিনি সে অন্তরের কথা জানেন, যার ব্যথা তুমি দূর করেছ; সে চোখের কথাও জানেন, যে চোখ কাঁদতে গিয়ে তোমার কথায় হেসে উঠেছে।
জীবনে চলার পথে একটি কথাই মাথায় রেখো—ভালো কাজ করে যাও, কারও কাছে বিনিময়ের আশা রেখো না। কারণ, তুমি কোনো মানুষের জন্য ভালো কাজ করছ না, তুমি ভালো কাজ করছ আল্লাহর জন্য। কেননা আল্লাহ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন ...
—ইমাম ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ
1 217
১৬ সাল। নতুন নতুন বই পড়ি। অবিবাহিত জীবন। রক্ত টগবগে গরম। জি*হা/দ আর মু*জাহি/দ্দের আলোচনা পড়তে ভালো লাগত। সেই সময় একটা বই হটকেক ছিল। সেই বইয়ের নাম 'প্রাচীর'। একটা সময় সেই বই মার্কেট থেকে উঠে গেল। সেখানে অনেকেরই লেখা ছিল। তারেক মেহেন্নারও অনেক প্রবন্ধ ছিল। পরবর্তীতে তারেক মেহেন্নার লেখাগুলো দিয়েই একক বই আসে 'কখনো ঝরে যেও না' নামে। অসাধারণ একটা বই। পড়লে ঈমান তাজা হবে ইনশাআল্লাহ।
1 217
সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদবী রহ. বলেন, আমার পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা হলো, মানুষ বড় খেদমত আনযাম দেওয়ার যোগ্য হওয়ার জন্য তার ধর্মীয় ও চারিত্রিক উন্নতি লাভ করার ক্ষেত্রে দুটি জিনিসের অবদান রয়েছে :
এক. মানুষকে কষ্ট দেওয়া এবং জুলুম ও নিপীড়ন করা থেকে মুক্ত থাকা।
দুই. তার খাবার চুরি-ডাকাতি ও সংশয়পূর্ণ সম্পত্তি থেকে পবিত্র হওয়া।
মাওলানা আসলাম শেখপুরি, বড়দের শৈশব : ১৫১
1 217
আদীব হুযুরের আব্বা কোনো বিপদাপদ এলেই প্রথমে নামাজ আর দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর আশ্রয় চাইতেন। সকল সালাফের আমলই এমন ছিল।
দুনিয়াবি উপায়-উপকরণ অবশ্যউ গ্রহণ করতে হবে, তার আগে দোয়ার ইহতেমাম করতে হবে।
দোয়া আর সদকা মিরাকলকেও বাস্তবে পরিণত করতে পারে। নিজের বদ-আমলে ভরপুর জীবনেও এর এমন নজির অনেকবার দেখেছি। যদিও...
