uk
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Відкрити в Telegram

Показати більше
Країна не вказанаКатегорія не вказана
1 221
Підписники
+324 години
+297 днів
+4230 днів
Архів дописів
photo content

বিয়ের উপকারিতা দুটো: ১. মানুষের বংশ পরম্পরা অব্যাহত রাখা। এটিই প্রধান উদ্দেশ্য। ২. শরীরের মাঝে সৃষ্ট হওয়া সেই পদার্থকে বিদূরিত করা, যা আটকে রাখলে শরীরের কষ্ট বাড়ে। এই যে একটি পদ্ধতি- যারা বুঝবান, তারা মূল উদ্দেশ্যটি বুঝতে পারেন। কিন্তু যারা মূর্খ, তারা শুধু এর স্বাদ ও লাজ্জত উপভোগ করে। প্রবৃত্তি তাড়িত হয়ে চলতে থাকে। এগুলোর আসল উদ্দেশ্য বোঝে না। তারা তাদের দীর্ঘ দীর্ঘ সময় এমন কাজে ব্যয় করে, যার মধ্যে কোনো উপকারিতা নেই। তাদেরকে যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে, সেগুলোই যেন তারা বোঝে না। জানে না। জানতে চায় না। তাদের প্রবৃত্তি এভাবে তাদের সম্পদ, লক্ষ্য ও দ্বীনকে নষ্টের দিকে নিয়ে যায়। অতঃপর এক সময় ধ্বংসের গহ্বরে গিয়ে নিক্ষিপ্ত হয়। এমন আরও বহু মানুষকে দেখেছি, যারা নতুন নতুন নারীর দিকে ধাবিত হয়, নিজের প্রবৃত্তির নতুন চাহিদা মেটাতে। কিংবা কেউ তার প্রতাপিত যৌ*ন চাহিদা মেটাতে গিয়ে অতি স*হবা*সের কারণে নিজেও ধ্বংস হয় এবং স্ত্রীকেও ধ্বংস করে ছাড়ে। এগুলো ঘটে একেবারে বুঝ-বুদ্ধি না থাকার কারণে। কিন্তু মানুষের এই যে খাদ্য গ্রহণ এবং তার মাঝের এই যে শাহওয়াত বা যৌ*ন চাহিদা- এগুলো কিসের জন্য? এগুলো প্রদত্ত হয়েছে দুনিয়ার এই সফর পাড়ি দেওয়ার সময় শরীরের সুস্থতার জন্য। এগুলো আসলে মজা বা স্ফূর্তির জন্য সৃষ্টি করা হয়নি। যতটুকু মজা বা শান্তি অর্জিত হয়, অনুভূত হয়—এগুলো মূলত একটি কৌশলের মতো। এর আকর্ষণেই মানুষ খাদ্য গ্রহণ করে—যাতে শরীর ঠিক থাকে। মানুষ স*হবা*স করে—যাতে বংশ পদ্ধতি ঠিক থাকে। খাদ্যের স্বাদ বা স*হবা*সের মজা এখানে কিছুতেই মূল উদ্দেশ্য নয়। নতুবা শুধু যদি এই স্বাদ ও মজাই উদ্দেশ্য হতো, তবে তো মানুষের চেয়ে পশু-প্রাণীই এগুলোর ক্ষেত্রে অধিক উপযুক্ত। চিন্তাহীনভাবে এগুলোই তারা বেশি আস্বাদন করতে সক্ষম। কিন্তু মানুষ...? সৌভাগ্যবান সেই ব্যক্তি, যিনি নিজেকে সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্যগুলো, আসল বাস্তবতাগুলো বুঝতে পারেন। প্রবৃত্তির ডাকে অন্ধ উন্মাতাল হয়ে পড়েন না। . বই : হৃদয়ের দিনলিপি লেখক : ইমাম ইবনুল জাওযি রহ.

বহু মানুষ তাবলীগে গিয়ে তিন চিল্লা দিয়ে জুব্বা, পাগরী, সুরমা, বাবরীর সাথে বড়বড় দাড়ি— সেই জজবা নিয়ে ফিরে আসে। কিন্তু কয়েকমাসের মধ্যে দাড়ি চুল কাটছাট হতে শুরু করে, জুব্বার বদলে পাঞ্জাবী, পাগরী থেকে টুপি। ফজরের জামাত মিস। কিছুদিন পরে চুলদাড়ি কিছুই নাই, টিশার্ট আর জিন্স, জুমআর দিন ছাড়া মসজিদে আর দেখা মেলেনা। এমন অসংখ্য উদাহরণ আছে আমাদের চারপাশে। কিন্তু কেন এমন হয়? কী কারণ? মূল কারণ একটাই, সোহবতের অভাব। মানে আল্লাহওয়ালাদের সাহচর্যের অভাব। দ্বীনের বুজ আসার পরে এলাকার দু-একজন দ্বীনদার মানুষ খুঁজে নিতে হয়। প্রতিদিন এমন মানুষদের সাথে কিছুটা সময় কাটানো, কথা বলা, আড্ডা দেওয়া, চা খাওয়া — ব্যস এইটুকুই। পাশাপাশি পুরানো সার্কেলের দ্বীন বিমুখ গাফেল মানুষদের সঙ্গ এড়িয়ে চলা, মন থেকে গ্রহণ না করা। অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, কিভাবে কী করলে হিদায়াত পাওয়া যেতে পারে? সবাইকে উপরোক্ত গ্রহণ আর বর্জনের নীতি বুঝিয়ে দেই। সোহবত এমনই এক দামী জিনিসের নাম। রাসূলের সোহবত যারা পেয়েছেন, তারা সাহাবী হয়ে গেছেন। সাহাবীদের সোহবত যারা পেয়েছেন, তারা তাবেঈ হয়ে গেছেন। বিষয়টা এইরকম.. সোহবতের কারণেই নামাজ রোজা হজ্জ জাকাতের সুযোগ না পেয়েও অনেকে সাহাবীর মর্যাদা পেয়েছেন, আর ঐ সোহবতের অভাবে লক্ষ কোটি আমল ইবাদত করেও সাহাবী হওয়া সম্ভব হয়নি, হবেনা। নবীর ওয়ারিশগণের সোহবতে থাকুন, বেঁচে যাবেন। © মাঈদুল ইসলাম শুভ

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর আমাদের সিলেট।
অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর আমাদের সিলেট।

সালফে সালেহিনের মাঝে কুরআন থেকে উপকার লাভ ও জীবনে এর প্রভাব প্রকাশিত হওয়ার ক্ষেত্রে যে পার্থক্য দৃষ্টিগোচর হয় এবং তাদের মধ্যে যে সম্মান ও মর্যাদার বেশ-কম দেখা যায়, তা কেবল কুরআনের অর্থ, মর্ম ও তাৎপর্য সম্পর্কে চিন্তা-গবেষণার ফলে ছিল না। বরং এ ভিন্নতা সৃষ্টি হয়েছে মানবীয় সামর্থ্য অনুসারে আল্লাহর মহত্ত্ব, বড়ত্ব ও পরাক্রমশীলতার উপলব্ধিসহ কুরআনের অসাধারণতা ও শোভা-সৌন্দর্যে বিমোহিত হওয়ার ভিন্নতার কারণে। কুরআনের প্রতি আলাদা এক সম্মান ও মর্যাদাবোধের কারণে। এটি নিজের ভেতর অর্জনের ক্ষেত্রে দু'টি কার্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে: ১. কুরআনের ফজিলত, কুরআন তেলাওয়াতের ফজিলত এবং এর মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং আখেরাতে যে সমস্ত পুরস্কার ও নেয়ামত অর্জিত হবে, সে সকল বিষয়ে মনের মধ্যে বিশ্বাস ও আশা জাগিয়ে রাখা। ২. সাহাবা, তাবেঈন, ফোকাহা, মুহাদ্দিসীন, আল্লাহওয়ালা ওলামা ও আওলিয়া কেরামের তেলাওয়াত, কুরআন সম্পর্কে তাদের বিশ্লেষণ, কুরআনের প্রতি তাদের আদব ভক্তি ও গুরুত্ব প্রদানের ঘটনাসমূহের অধ্যয়ন করা। -সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. [ইসলামী জীবনের রূপরেখা : ২৬৯]

photo content

গুনাহ থেকে আমাকে বাঁচতেই হবে। যদি স্মার্টফোন নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি, বারেবার হোঁচট খেতেই থাকি, আমাকে বুঝতে হবে, হয়তো আমার পক্ষে এসব থেকে বাঁচা সম্ভব হবে না। কিন্তু আমার আখিরাত তো রক্ষা করতে হবে। আমাকে তো আল্লাহর সামনে দাঁড়াতেই হবে। এই পৃথিবীতে হয়তো আমি আল্লাহর সামনে দাঁড়াব না, কিন্তু এই তো অল্প ক'টা দিন পরেই তো আসছে সেই দিন, যেদিন আমি আমার মালিকের সামনে দাঁড়াব। কেমন হবে সেই দিনটা? মুখ দেখাব কীভাবে সেদিন? কল্পিত কারাবাস, পৃষ্ঠা : ৬১

আতীক উল্লাহ সাহেবের কুরআন-বিষয়ক বই, উমেদের তাদাব্বুরে কুরআন, মারকাযুদ দাওয়াহর কুরআন-সংখ্যা পড়তে পারেন।
আতীক উল্লাহ সাহেবের কুরআন-বিষয়ক বই, উমেদের তাদাব্বুরে কুরআন, মারকাযুদ দাওয়াহর কুরআন-সংখ্যা পড়তে পারেন।

নতুন বই বাজারে এলো। এখন আগের মতো সেই জোয়ার নাই। অনেকদিন পরপর ১/২ টা বই আসে। পাঠকও কমে গেছে। যারা আগে বই পড়ত, তারাও সময় পাচ্ছে
নতুন বই বাজারে এলো। এখন আগের মতো সেই জোয়ার নাই। অনেকদিন পরপর ১/২ টা বই আসে। পাঠকও কমে গেছে। যারা আগে বই পড়ত, তারাও সময় পাচ্ছে না। পরিবারের দায়িত্বের ভিড়ে বই কেনার টাকাও আর...

এই টপিকে বই বাজারে ২/৩ টা আছে, তবে পড়া হয়নি।
এই টপিকে বই বাজারে ২/৩ টা আছে, তবে পড়া হয়নি।

photo content

গত ৬ মাসে ৬ টাকারও বই সংগ্রহ করা হয়নি। লাইফ আসলেই আনপ্রেডিক্টেবল!
গত ৬ মাসে ৬ টাকারও বই সংগ্রহ করা হয়নি। লাইফ আসলেই আনপ্রেডিক্টেবল!

একজন পরহেজগার ও বুযুর্গ মানুষকে এক স্মার্টফোন অল্প কয়েক দিনের ভেতর পাক্কা ফাসেকে রূপান্তর করে দিতে পারে। বাইরের খোলসটা ঠিক রেখে ভেতরটা দিতে পারে খালি করে। এই মানুষটাকে চোখের জেনা থেকে শুরু করে ধর্ষণের পথেও টেনে নিতে পারে। এটা কেবল সম্ভাবনা নয়, বাস্তবেও এর উদাহরণ আছে। [কল্পিত কারাবাস : ৬২]

photo content

শায়খ মুহাম্মাদ আবদুল মালেক হাফি. এর পরিবারের একজন নারীর সন্তান প্রসবের সময় একটা জটিলতা তৈরি হলো। ওই নারীর স্বামী অবস্থাদৃষ্টে চাচ্ছিলেন সিজার করা হোক, আর মুফতী আব্দুল্লাহ হাফি. চাচ্ছিলেন আরও অপেক্ষা করা হোক, নরমাল ডেলিভারি হোক। এ সময় শায়খ হাফি. এসে পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত দিলেন, কারও কথাই চলবে না। দেখতে হবে ডাক্তার কী বলেন। তিনি যা বলবেন সেটাই করা হবে। প্রত্যেক শাস্ত্রের নিজস্ব লোক আছে, তাকেই সে শাস্ত্রের দায়িত্ব দেয়া উচিত।