আকাবির-কথন
الذهاب إلى القناة على Telegram
إظهار المزيد
لم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
1 217
المشتركون
+324 ساعات
+297 أيام
+4230 أيام
أرشيف المشاركات
1 217
সালফে সালেহিনের মাঝে কুরআন থেকে উপকার লাভ ও জীবনে এর প্রভাব প্রকাশিত হওয়ার ক্ষেত্রে যে পার্থক্য দৃষ্টিগোচর হয় এবং তাদের মধ্যে যে সম্মান ও মর্যাদার বেশ-কম দেখা যায়, তা কেবল কুরআনের অর্থ, মর্ম ও তাৎপর্য সম্পর্কে চিন্তা-গবেষণার ফলে ছিল না। বরং এ ভিন্নতা সৃষ্টি হয়েছে মানবীয় সামর্থ্য অনুসারে আল্লাহর মহত্ত্ব, বড়ত্ব ও পরাক্রমশীলতার উপলব্ধিসহ কুরআনের অসাধারণতা ও শোভা-সৌন্দর্যে বিমোহিত হওয়ার ভিন্নতার কারণে। কুরআনের প্রতি আলাদা এক সম্মান ও মর্যাদাবোধের কারণে।
এটি নিজের ভেতর অর্জনের ক্ষেত্রে দু'টি কার্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:
১. কুরআনের ফজিলত, কুরআন তেলাওয়াতের ফজিলত এবং এর মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং আখেরাতে যে সমস্ত পুরস্কার ও নেয়ামত অর্জিত হবে, সে সকল বিষয়ে মনের মধ্যে বিশ্বাস ও আশা জাগিয়ে রাখা।
২. সাহাবা, তাবেঈন, ফোকাহা, মুহাদ্দিসীন, আল্লাহওয়ালা ওলামা ও আওলিয়া কেরামের তেলাওয়াত, কুরআন সম্পর্কে তাদের বিশ্লেষণ, কুরআনের প্রতি তাদের আদব ভক্তি ও গুরুত্ব প্রদানের ঘটনাসমূহের অধ্যয়ন করা।
-সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ.
[ইসলামী জীবনের রূপরেখা : ২৬৯]
1 217
গুনাহ থেকে আমাকে বাঁচতেই হবে। যদি স্মার্টফোন নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি, বারেবার হোঁচট খেতেই থাকি, আমাকে বুঝতে হবে, হয়তো আমার পক্ষে এসব থেকে বাঁচা সম্ভব হবে না। কিন্তু আমার আখিরাত তো রক্ষা করতে হবে। আমাকে তো আল্লাহর সামনে দাঁড়াতেই হবে। এই পৃথিবীতে হয়তো আমি আল্লাহর সামনে দাঁড়াব না, কিন্তু এই তো অল্প ক'টা দিন পরেই তো আসছে সেই দিন, যেদিন আমি আমার মালিকের সামনে দাঁড়াব। কেমন হবে সেই দিনটা? মুখ দেখাব কীভাবে সেদিন?
কল্পিত কারাবাস, পৃষ্ঠা : ৬১
1 217
আতীক উল্লাহ সাহেবের কুরআন-বিষয়ক বই, উমেদের তাদাব্বুরে কুরআন, মারকাযুদ দাওয়াহর কুরআন-সংখ্যা পড়তে পারেন।
1 217
নতুন বই বাজারে এলো।
এখন আগের মতো সেই জোয়ার নাই। অনেকদিন পরপর ১/২ টা বই আসে। পাঠকও কমে গেছে। যারা আগে বই পড়ত, তারাও সময় পাচ্ছে না। পরিবারের দায়িত্বের ভিড়ে বই কেনার টাকাও আর...
1 217
একজন পরহেজগার ও বুযুর্গ মানুষকে এক স্মার্টফোন অল্প কয়েক দিনের ভেতর পাক্কা ফাসেকে রূপান্তর করে দিতে পারে। বাইরের খোলসটা ঠিক রেখে ভেতরটা দিতে পারে খালি করে। এই মানুষটাকে চোখের জেনা থেকে শুরু করে ধর্ষণের পথেও টেনে নিতে পারে। এটা কেবল সম্ভাবনা নয়, বাস্তবেও এর উদাহরণ আছে।
[কল্পিত কারাবাস : ৬২]
1 217
শায়খ মুহাম্মাদ আবদুল মালেক হাফি. এর পরিবারের একজন নারীর সন্তান প্রসবের সময় একটা জটিলতা তৈরি হলো। ওই নারীর স্বামী অবস্থাদৃষ্টে চাচ্ছিলেন সিজার করা হোক, আর মুফতী আব্দুল্লাহ হাফি. চাচ্ছিলেন আরও অপেক্ষা করা হোক, নরমাল ডেলিভারি হোক।
এ সময় শায়খ হাফি. এসে পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত দিলেন, কারও কথাই চলবে না। দেখতে হবে ডাক্তার কী বলেন। তিনি যা বলবেন সেটাই করা হবে।
প্রত্যেক শাস্ত্রের নিজস্ব লোক আছে, তাকেই সে শাস্ত্রের দায়িত্ব দেয়া উচিত।
1 217
হযরত থানভী রহ.-এর আধ্যাত্মিক তারবিয়াতকেন্দ্রে না ভাব ও উন্মত্ততা ছিলো, আর না প্রথাসর্বস্ব মোরাকাবা ও মোজাহাদা ছিলো। শুধু শরীয়তের বিধান পালনের প্রতি গুরুত্ব ছিলো। একমাত্র চিন্তা ছিলো, জীবনের প্রত্যেকটি অংশে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের অনুসরণ। একমাত্র ফিকির ছিলো, নফস ও শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচা। তাগিদ ছিলো শুধু এ বিষয়ে যে, নিজের যাহেরকেও পাক-ছাফ রাখো এবং নিজের বাতেনকেও পূত-পবিত্র রাখো। এসব বিষয়ের তাওফীক লাভ হলে উভয় জাহানের দৌলত হাতে এসেছে মনে করবে। কেউ যদি তোমাদেরকে লক্ষবার বলে যে, শরীয়তের ফাযায়েল ভিন্ন, আর তরীকতের স্বাদ ভিন্ন, তবুও তোমরা ধোঁকা খাবে না।
[বাছায়েরে হাকীমুল উম্মত : ১৮৫]
