es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 301 suscriptores, ocupando la posición 8 134 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 025 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 301 suscriptores.

Según los últimos datos del 24 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 81, y en las últimas 24 horas de 4, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 19.46%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 8.31% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 199 visualizaciones. En el primer día suele acumular 939 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 48.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 25 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 301
Suscriptores
+424 horas
+317 días
+8130 días
Archivo de publicaciones
মাহফুজ খুব ভয়ংকর এক স্বৈরাচারের ভূমিকায় আবির্ভাব হচ্ছে! সে ঠান্ডা মাথায় ছাত্র-সমাজকে যেভাবে হুমকি দিলো আজকে, এটা দেখার পরও যারা এই সহজ কথাটা বুঝবে না— ছাত্র নামক এই রক্ত বিক্রেতাগুলো ক্ষমতার মজা খুব ভালোভাবেই পেয়ে গেছে এবং গাদ্দারগুলো সহজে ক্ষমতা ছাড়বে না, তারা হয় বেকুব না হয় স্বার্থবাজ! . এদেশের মুসলমানদেরকে ছাত্র নামক এই গাদ্দারগুলো অস্ত্রের মুখে সেকুলার ও নারীবাদী বানানোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে!

১। সিরিয়াতে জুলানি ছাড়া বৈশ্বিক খেলোয়াড়দের হাতে অন্য অপশন নাই। কারণ বাশার এমনভাবে তার বিরোধিদের দমন করেছে যে, তার পরবর্তীতে পশ্চিমাদের জন্য ক্ষমতার লড়াইয়ে তার বিকল্প কিছুই নাই৷ যার কারণে পশ্চিমারা বাশারকে পছন্দ না করলেও তাকে ক্ষমতায় রাখতে বাধ্য ছিলো। আর এই সবকিছুই তছনছ হয়ে গেছে জুলানির হাতে। ফলে পশ্চিমাদের শক্তির সবমারা সারা। ২। সিরিয়া ভূরাজনৈতিকভাবে এমন জায়গায় পড়ছে, বৈশ্বিক অনেক বড় বড় খেলায় এই জায়গা হাতে রাখা খেলোয়াড়দের জন্য জরুরি। এখন ইচ্ছা না থাকলেও এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গার ক্ষমতার মূলকেন্দ্রে বসে আছে জুলানি। আর বর্তমান সিরিয়ার যে অবস্থা, জুলানির সাথে হাত মিলানো ছাড়া বৈশ্বিক খেলোয়াড়দের কোনো বিকল্প নাই। তুরস্ক বলেন, সৌদি বলেন, বা আমেরিকা বলেন। ৩। বৈশ্বিক খেলোয়াড়দের নিজেদের স্বার্থে সিরিয়া লাগবে। আর সিরিয়াতে কিছু করতে হলে জুলানিকে লাগবে। এখন জুলানিকে দূরে ঠেলে দিলে তাদেরই লস কয়েকদিক থেকে। এজন্য জুলানিকে কাছে এনে যদি জুলানির পরবর্তী লোকদের থেকে দূরে সরানো যায় তাহলে বৈশ্বিক শক্তিরই লাভ। এজন্য দেখেননা, ট্রাম্প জুলানির কাছে যতগুলো দাবী করেছে তার মাঝে একটা ছিলো সিরিয়ার বাহিরের লোকদের সিরিয়া থেকে তাড়াতে হবে! মোটকথা, জুলানি যেমন অনেকদিক খেলোয়াড়দের কাছে ঠেকা, তেমনি বৈশ্বিক শক্তিরাও তার কাছে ঠেকে। আর জুলানি এই সুযোগটাই সম্ভবত কাজে লাগাচ্ছে। ৪। এবার এই পয়েন্টটা বুঝেন, জুলানির পরবর্তীতে রাষ্ট্রের শক্তিশালী যে পদগুলো আছে, যেটা মূলভাবে শক্তি বহন করে এই সবগুলো পদেই প্রচলিত অর্থে জঙ্গিরা বসে আছে। যারা শরীয়া ছাড়া বিকল্প কোনো কিছুতে আপোস করবে না। জুলানি যদি খুবই ভয়ংকরভাবেই শরীয়া থেকে বিচ্যুত হয়, তাহলে সিরিয়ায় পালটা বিপ্লব হবে এটা আমার আপনার থেকে জুলানি ভালো বুঝে। এবার পয়েন্টগুলো মিলিয়ে দেখেন, আমি কেনো বলছি, মুজাহিদদের অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট ছাড়া আমি জুলানির প্রতি আস্থা রাখার পক্ষে! . সিরিয়া নিয়ে এটাই হলো এখন পর্যন্ত আমার বুঝ, বাকি আল্লাহু আলাম।

ভাই বিশ্বাস করেন এখনো আমি জুলানির উপর আস্থা রাখার পক্ষে। যতক্ষন পর্যন্ত মুজাহিদরা জুলানির বিরুদ্ধে অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট না দিবে ততক্ষণ আমি জুলানির প্রতি আস্থা রাখার পক্ষে। কারণ বাস্তব ময়দানে কি হচ্ছে সেটা আমাদের থেকে উনারাই ভালো জানেন। সুতরাং আমি এখনো জুলানির প্রতি আস্থা রাখার পক্ষে।

মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে
মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে

এটা স্পষ্ট এখন দিবালোকের মত সত্য নাহিদ-মাহফুজ-আসিফরাই জুলাইয়ের রক্তকে বিক্রি করে দিছে। এনসিপিই হলো জুলাইয়ের সবচেয়ে স্বীকৃত ও বড় গাদ্দার। এটা এখন আরো স্পষ্ট হলো রঠা ও পাকিস্তানপন্থী নামে নতুন বিভাজনের রাজনীতির মাধ্যমে। এনসিপির কোনো ডাকে সাড়া দেওয়ার আর কোনো নৈতিক দিক আছে বলে মনে হয় না৷ এবং এদের সাথে সামনে সবগুলো ডিল করতে হবে, এনিমি হিসেবে। . আর জাশির ভাইদের জন্য প্রচুর দুঃখ লাগে। শত্রুর কাছে ভালো সেজে এত ম্রা খাওয়ার পরেও উনারা শিক্ষা নিতে পারছেন না্!

ধর্ম বলবে মমতার কথা, দয়ার কথা। এ কেমন ধর্ম, যা প্রাণ হত্যার কথা বলে? ঠিক আছে, প্রাণিহত্যা করা যাবে; কিন্তু প্রাণ হত্যা করে উৎ
ধর্ম বলবে মমতার কথা, দয়ার কথা। এ কেমন ধর্ম, যা প্রাণ হত্যার কথা বলে? ঠিক আছে, প্রাণিহত্যা করা যাবে; কিন্তু প্রাণ হত্যা করে উৎসব কেন! কারও জীবন কেড়ে নিয়ে উৎসব-এটা কেমন নৈতিকতা! ইসলাম কত নির্মম ধর্ম, কত অমানবিক! মানবিক মানে 'যা মানুষের মানায়'। অমানবিক মানে 'মানুষের যা মানায় না', 'যা মানুষের করা উচিত না'। তার মানে, প্রাণীকে হত্যা করা মানুষের মানায় না, মানুষ হিসেবে এটা করা উচিত না। এসব প্রশ্ন যারা করে তাদের মূল উদ্দেশ্য ইসলামের বিরোধিতা করা। এদের নিজেদের কোনো স্থিরতা নেই। এরা দাবি করে নিজেরা বিজ্ঞানমনস্ক, অথচ এদের উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে গেলে বিজ্ঞানকেও আর গুনবে না। যুক্তি ও বিজ্ঞানের আলোকে তাদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন লেখক ডা. শামসুল আরেফীন।

পাকিস্তানের আলেমদের সর্বসম্মত যে ফতোয়া—পয়গামে পাকিস্তান ছিলো আলেমদের হত্যার দস্তাবেজ। সেই দস্তাবেজে সাইন করার জন্য সামিউল হক হক্কানী রহিমাহুল্লাহকে নাপাক আর্মি প্রধান সর্বোচ্চ চাপ দিয়েছে। কিন্তু মুজাহিদদের রক্তের বৈধতার এই নিকৃষ্ট কাগজে তিনি সাইন করেননি।

বানুরীটাউনের মুহাদ্দিস ফজল মুহাম্মদ ইউজুফযায়ী সাহেবের এই লেখাটা বড় হলেও আশা করি সকল তালেবে ইলম ভাইরা পুরো লেখাটা পড়বেন এবং নিজের জন্য প্রয়োজনীয় নোট রাখবেন। লেখাটা অত্যান্ত জরুরি। https://alsharia.org/2009/may/mujahideen-aetirazaat-maulana-fazal-muhammad

অনেকে বলেন পাকিস্তান সরকার আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধে তালেবানকে আশ্রয় দিয়েছে অথচ বাস্তবতা হলো তালেবানের শাসনকে ধ্বংস করতে আমেরিকা থেকে পাকিস্তান দুই কদম আগে ছিলো। এবং এখনো পর্যন্ত আমেরিকার নেক দৃষ্টি অর্জন করার জন্য তালেবানকে ধ্বংস করতে পাকিস্তান সরকার পরিপূর্ণভাবে আমেরিকার সাথে যুদ্ধে শরীক রয়েছে। -মাওলানা ফজল মুহাম্মদ ইউসুফযায়ী সিনিয়র মুহাদ্দিস, বানুরীটাউন

যুদ্ধের নামে ভারত-পাকিস্তানের নাটক অবশেষে শেষ হলো! . আমেরিকা আব্বোর বাধ্যগত দুই সন্তান—ভারত-পাকিস্তান, আব্বোর নির্দেশে যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা দিলো। আব্বোর নির্দেশে পাকিস্তানের গাযওয়াতুল হিন্দ আপাতত শেষ হলো। ইনশাআল্লাহ আব্বো আবার নির্দেশ দিলে আবার পাকিস্তান গাযওয়াতুল হিন্দের ডাক দিবে। . সবকিছুর পর এই যুদ্ধের মূল পাঠ ছিলো নাপাক আর্মি কর্তৃক মাসুদ আযহার সাহেবের পরিবারের কোরবানি। এবং বরাবরই মাসুদ আযহার সাহেব আবারো ম্রা খাইলো৷

টিটিপি পাকিস্তানকে এই যুদ্ধের সময় কঠিন মাইর দিছে। এটা নিয়ে কিছু আবেগিদের কান্দনের শেষ নেই। কিরে ভাই, এত মূর্খের মত আচরণ করলে কী হবে? টিটিপির সাথে কী পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধের কোনো চুক্তি হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে তাহলে কেনো তারা শত্রুকে আক্রমণ থেকে বিরত থাকবে? আচ্ছা, ভারতের সাথে যুদ্ধবস্থায় পাক বাহিনী যদি টিটিপির কোথাও আক্রমণের সুযোগ পায় তাহলে কী টিটিপিকে ছেড়ে দিবে? এই ধরনের তামাশার কান্না বন্ধ করেন! টিটিপি-ইমারা ভারত পাকিস্তানের এই যুদ্ধকে ধর্মীয় যুদ্ধ হিসেবেই দেখে না। সুতরাং ধর্মের কারণ দেখিয়ে পাকিদের যে আবেগি খেলা, এটার কোনো দাম টিটিপি বা ইমারার কাছে নেই। যুদ্ধের নিজস্ব ভাষা আছে, সেই ভাষাতেই কথা হবে আলোচনা হবে। এখানে আবেগের দাম নেই।

ঈমান হেফাজত করি প্রত্যেকের।
ঈমান হেফাজত করি প্রত্যেকের।

পাকিস্তানের রশিদিয়া মাদরাসার উস্তাদরা ব্যাপকভাবে আর অন্যান্য কিছু নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিরাও ভারত পাকিস্তানের মারামারি লাগার পরে গাযওয়াতুল হিন্দের আলোচনা, হাদিসের ভবিষ্যৎ বানী নিয়ে আলাপ শুরু করে দিছেন। এই বিষয়ে একাধিক ভিডিওও তৈরি করে ফেলেছেন কেউ কেউ। . যাইহোক এই হাদিস নিয়ে আলোচনা করা তো সমস্যা না। তবে নাম বলবো না, বাংলাদেশের বেশ কিছু আহলে ইলম গাজওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত হাদিসগুলো ব্যাপক দূর্বল ও এই হাদিস দিয়ে জিহাদের আহবানকে একটা ফিতনাবাজি বলে থাকে।যখন আলোচনাটা বিভিন্ন জিহাদি দলের পক্ষ থেকে হয়। এবং অনেকে তো বেশ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, জিহাদিদের ইলম সাতহিও বলে থাকেন, এই হাদিস সামনে রেখে জিহাদের দিকে আহবান করার কারণে। এবং এটাকে একটা দায়িত্বও মনে করেন। কিন্তু এখন তাদের সকলকেই দেখতেছি একদম মুখে কুলুপ এটে বসে আছেন! জানি না, কেন? এখন কী ইলমি আমানত হিসেবে কী অন্তত বলা দরকার না, এই হাদিস দিয়ে এভাবে জিহাদের আহবান করা ঠিক হবে না!

মুসলিম বিশ্বে হাজার বছরের ইতিহাসে পাকিস্তান আর্মির মত এত গোছালো ও মুনাজ্জাম সেনাবাহিনী আর আসে নাই। কেউ চাইলে আসুক আমার সাথে এই বিষয়ে বহস করতে আমি তৈয়ার আছি৷ -মুফতি আব্দুর রহিম মুহতামিম জামিয়াতুর রশিদ (এরপরও এই লোককে দালাল বলা যাবে না, কেনো? উনি আমার ঘরোনার আকাবির! হাহা)

বলেছিলাম, মাসুদ আযহারের পরিবারের কুরবানি নাপাক আর্মি দিয়েছে, এখন টিটিপিও তাই বলতেছে! হাহা! . এই নাপাক বাহিনির সমর্থন না দেওয়া
বলেছিলাম, মাসুদ আযহারের পরিবারের কুরবানি নাপাক আর্মি দিয়েছে, এখন টিটিপিও তাই বলতেছে! হাহা! . এই নাপাক বাহিনির সমর্থন না দেওয়ার কারণে অনেকে তালেবদের গালি দিচ্ছে, এরা নাকি আবার এক্সপার্ট!

লিবিয়ার প্রধান মুফতির এই ফতোয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। //গাজায় মুজা হি দদের সাহায্যে যারাই বাধা সৃষ্টি করবে তারাই ইহুদিদের সহযোগী হিস
লিবিয়ার প্রধান মুফতির এই ফতোয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। //গাজায় মুজা হি দদের সাহায্যে যারাই বাধা সৃষ্টি করবে তারাই ইহুদিদের সহযোগী হিসেবে গন্য হবে।// কাফের সহযোগী কাফের হবে কি না, এই বিষয়ে ইখতিলাফ থাকলেও কাফেরের সহযোগিদের সাথে যুদ্ধ করা, তাদের হত্যা করার বিষয়ে ফকিহদের মাঝে কোনো ইখতিলাফ নেই। . আর এটা স্পষ্ট মনে রাখতে হবে, এই ফতোয়া শুধুই মিশর ও জর্ডানের সাথেই খাস নয়। মুসলিম প্রধাণ যেকোনো ভুমির শাসক ও সেনাবাহিনীর সাথেই প্রযোজ্য

বয়কটের শরয়ী বিধান.pdf4.22 KB

বয়কট নিয়ে তো কত লেখা পড়লেন কিন্তু ফিকহি গভিরতা ও ঈমানি গাইরাতের এই সমন্বয় বর্তমান পৃথিবীতে মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহকে অনন্য করে দিচ্ছেন। . বয়কট সংক্রান্ত মাসআলা বলার সময় বেশ সংখ্যক আলেমগণ কিছু ভুল বলেন। সেই ভুলগুলো কী, এবং সেগুলোর ফিকহি দৃষ্টিতে সমাধান কী, এটা খুবই চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছেন মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ। প্রত্যেক ইফতার তালেবে ইলমদের এই লেখাটি অবশ্যই পড়া দরকার।

দুঃখজনক হলেও জাশির ভাইদের বিশ্লেষণ এমনই। অথচ তারা নিজেদের এদেশের সবচেয়ে যোগ্য মনে করে!
দুঃখজনক হলেও জাশির ভাইদের বিশ্লেষণ এমনই। অথচ তারা নিজেদের এদেশের সবচেয়ে যোগ্য মনে করে!

কোনো প্রমাণ নাই তবে পাক আর্মির পিছনের রেকর্ড থেকে যদি বলি তাহলে এতটুকু বলতে পারি, মাসুদ আযহারের কুরবানি পাক আর্মি দিয়েছে। আর মাসুদ আযহার সাহেব পাক আর্মিকে ভরসা করে আরো একবার ম্রা খাইলো!