fa
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

رفتن به کانال در Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah bin bashir

کانال Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 326 مشترک است و جایگاه 7 900 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 063 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 326 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 29 اوت, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 59 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -5 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 13.95% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 5.80% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 1 580 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 657 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 35 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 30 اوت, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

11 326
مشترکین
-524 ساعت
+107 روز
+5930 روز
آرشیو پست ها
বিস্তারিত জানতে শুনুন। https://www.youtube.com/watch?v=_wXVApaHhcA
বিস্তারিত জানতে শুনুন। https://www.youtube.com/watch?v=_wXVApaHhcA

গতকাল মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব হাফিজাহুল্লাহ একটা প্রাইভেট অনুষ্ঠানে MEC তে এসেছিলেন। তিনি যাবার পর কাওসার ভাই একটা ছোট্ট ঘটনা উল্লেখ করলেন। হলরুমে চারটা এসিই ২০-২২ এ দেয়া ছিল যেহেতু মানুষে পরিপূর্ণ। হুজুরের হয়তো একটু ঠান্ডা লাগছিল, তাই তিনি প্রথমে মাফলার পরলেন, এবং পরে মোজাও পরে নিলেন। কাওসার ভাই হুজুরকে আস্তে জিজ্ঞেস করেছিলেন এসির ঠান্ডা কমিয়ে দিবেন কিনা। হুজুর বললেন "না না, অন্যদের কষ্ট হবে"। এই হচ্ছে শরীয়তের মেজাজ, নিজের প্রেফারেন্সের উপরে কোন জামাতের প্রেফারেন্সকে প্রাধান্য দেয়া, সবসময় অন্যদেরটা *আগে* খেয়াল করা। এটা লিডারশীপের ক্ষেত্রেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অনেকে কোথাও গেলে অন্যরা উপস্থিত থাকলেও, নিজের প্রেফারেন্স অনুসারে এসির তাপমাত্রা চেঞ্জ করে দেই, ফ্যান ছেড়ে দেই, অন্যদের জিজ্ঞেসও করি না। এই বিহেভিয়ার লিডারশিপ এর পরিপন্থী। অবশ্যই প্রথমে অন্যদের কথা ভাবতে হবে, পরে নিজের। অনেকসময় গাড়িতে দেখা যায় এসির ভেন্টগুলো ড্রাইভার সিটের দিকে তাক করা, একজন জেন্টেলম্যান সাথে প্যাসেঞ্জার থাকলে ভেন্টগুলো তাদের দিকে দিবে, জিজ্ঞেস করবে টেম্পারেচার ঠিক আছে কিনা, বাতাস পাচ্ছে তো ? খাবার টেবিলে খাবার নেবার আগে দেখবে বাকীরা নিয়েছে কিনা, এনশিওর করবে যাতে কোন বে-ইনসাফি না হয়। মোটকথা - একজন আদর্শ মু'মিন জামাতের প্রেফারেন্সকে নিজের প্রেফারেন্স এর উপর প্রাধান্য দিবে। কপি

Repost from Global Eye
صومالیہ ایک دوسرا افغانستان ہے۔ جہاں افغان کی طرح امریکہ اور اتحادی افواج عسکریت پسند گروپ القاعدہ کو شکست دینے کے لیۓ موجود ہیں۔ لیکن افغانستان کی طرح ہر گزرتا سال امریکہ کے لیۓ ایک دلدل بنتا جا رہا ہے۔ القاعدہ کے مہلک حملوں سے ملک کا دارالحکومت موغادیشو بھی محفوظ نہیں ہے۔ کوئ حکومتی عمارت، سفارت خانے، اقوام متحدہ کے ہیڈ کوارٹرز، قلعہ بند امریکی ہلنی بیس ہر جگہ پر الشباب (القاعدہ) خودکش حملہ آوروں کی نظر ہے۔ القاعدہ جنگجو صومالی فوج کے اندر سرائیت کر چکے ہیں جہاں وہ اعلیٰ حکومتی افسران اور غیر ملکی کمانڈروں پر جب مرضی فائر کھول دیتے ہیں۔ افغان کی طرح صومالیہ میں بھی امریکی جنرلز صومالی فوجی کیمپوں کا دورہ کرنے سے گھبراتے ہیں کہ کہیں القاعدہ کا خفیہ رکن ان پر فائرنگ نہ کر دے۔ ایسے ہی ایک خفیہ رکن کی فائرنگ سے متحدہ عرب امارات کے کئ اعلیٰ کمانڈر مارے گۓ تھے جس کے بعد اماراتی حکام نے صومالیہ میں اپنا فوجی مشن (عام عوام کا قتلِ عام) ختم کر دیا تھا 📸|| ویڈیو صومالیہ میں القاعدہ ملٹری کیمپ کی ہے جس کا نام انہوں نے عالمی عسکریت پسند اور امریکیوں کے لیۓ خوف کی علامت "اسامہ بن لادن" رکھا ہے #گلوبل_آئ @GlobalEyee

এবার বইমেলায় ইনশাআল্লাহ
এবার বইমেলায় ইনশাআল্লাহ

ASR_E_HAZIR_MEIN_GHALABA_E_DEEN.pdf6.27 MB

দীন কায়েমের স্তর কারী তাইয়েব সাহেবের একটি তাদাব্বুর : কারী তাইয়েব সাহেব রহিমাহুল্লাহ "আফতাবে নবুওয়াত" গ্রন্থে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পুরো জীবন নিয়ে তাদাব্বুর করে একটু নুকতা লেখেন, 'যেমনিভাবে এই দুনিয়া আল্লাহ সাত দিনে সৃষ্টি করেছেন তেমনি নবুওয়াতের আলোও বিকাশিত হয়েছে সাত দিনে। ১। ইয়াউমুল উইলাদাত। (জন্মগ্রহণের দিন)। ২। ইয়াউমুল বি'সাত (নবুওয়াত প্রাপ্তির দিন। ৩। ইউয়ামুদ দাওয়াত (প্রকাশ্যে দাওয়াতের দিন)। ৪। ইয়াউমুল হিজরত (হিজরতের দিন)। ৫। ইয়াউমুল কুওয়াহ (যেদিন জি হা দের আদেশ এসেছে)। ৬। ইয়াউমুশ শাওকাত (যেদিন মক্কা বিজয় হয়েছে)। ৭। ইয়াউমুল আকমাল (যেদিন দীন পূর্ণ হওয়ার আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে)। এরপর লেখেন, যারাই দীন কায়েমের জন্য কাজ করবে তাদের এই সাতটি স্তর অতিক্রম করতে হবে। সূত্র : আসরে হাজের ম্যে গালাবায়ে দীন কী নববি তরিকায়ে কার, পৃ. ৯৭ . একটি আলোচনার জন্য খুজতে গিয়ে এটা পেলাম।

এটাই হলো চূড়ান্ত কথা। আল্লাহ হযরতের হায়াতে বারাকাত দান করুন। এবং আমাদের উপর হযরতের ছায়াকে দীর্ঘায়িত করুন।
এটাই হলো চূড়ান্ত কথা। আল্লাহ হযরতের হায়াতে বারাকাত দান করুন। এবং আমাদের উপর হযরতের ছায়াকে দীর্ঘায়িত করুন।

শায়খ নুরুল হুদা রহ. মুজাহিদদের সমর্থক ছিলেন। বিষয়টি সকলেই জানেন। উস্তাদ আহমদ ফারুক রহ. আমাকে বলেছেন, শায়খ নুরুল হুদা রহ. এক মজলিসে তাঁকে একটি ঘটনা বলেছিলেন, একবার শায়খ নুরুল হুদা রহ, জামিয়া বানুরী টাউনে যান। তার অনুরোধে বানুরী টাউনের দারুল ইফতার তৎকালীন প্রধান মুফতী আব্দুল মাজীদ দীনপুরী রহ. ও অন্যান্য উস্তাদ একত্র হন। শায়খ নুরুল হুদা বহ, তাঁদের সামনে বসিয়ে চল্লিশ মিনিট ধরে আলোচনা করেন। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল 'সংবিধান বা আইন-কোনোটির ভিত্তিতেই পাকিস্তানকে দারুল ইসলাম বলা যায় না; একে সত্যিকার অর্থে দারুল ইসলাম বানাতে দাওয়াত ও জিহাদের আমল করতে হবে।' শায়খ নুরুল হুদা রহ, বলেন, "আমার চল্লিশ মিনিটের আলোচনায় কেউ কোনো আপত্তি করেননি। যখন দেখলাম, আমি একাই কথা বলছি, কেউ আপত্তি করছে না; তখন তাদের বললাম, ভাইয়েরা, আমি ভুল বলে থাকলে কেউ তো (বিপরীত) দলীল দিন।" তখন মুফতী আব্দুল মাজীদ দীনপুরী রহ. বললেন, "আমরা কখন বললাম, আপনি ভুল বলছেন। কিন্তু বিষয়টা হলো, সবাই আপনার মতো মরার জন্য প্রস্তুত না। আপনি শতভাগ সঠিক বলছেন। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় এসব কথার অর্থ মৃত্যু ছাড়া আর কিছু না।" শায়খ নুরুল হুদা রহ, যখন উস্তাদ আহমাদ ফারুককে এ ঘটনা বলেছেন, ততদিনে মুফতী আব্দুল মাজীদ দীনপুরী রহ.-কে করাচিতে টার্গেট কিলিংয়ের মাধ্যমে শহীদ করে ফেলা হয়েছিল। শায়খ নুরুল হুদা রহ, ঘটনা বলার সময় উস্তাদ আহমদ ফারুককে হাসতে হাসতে বলেছিলেন 'দেখো, মুফতী সাহেব তো শহীদ হয়ে গেলেন, অথচ আমি এখনও জীবিত।' সূত্র : পাকিস্তান রাষ্ট্রের শরয়ী অবস্থান, মাওলানা মুসান্না হাসসান হাফিজাহুল্লাহ

এত এত মানুষকে না করার পর অতঃপর হাম্মাদ ভাইয়ের জালে আটকা পড়লাম। ভিডিও হবে না, তাই আলোচনাগুলো সেখানেই থাকবে শুধু।
এত এত মানুষকে না করার পর অতঃপর হাম্মাদ ভাইয়ের জালে আটকা পড়লাম। ভিডিও হবে না, তাই আলোচনাগুলো সেখানেই থাকবে শুধু।

ইফতেখার জামিল সময়ে সময়ে অসংখ্য ফিতনা নিয়ে আসে। কয়দিন আগে এক বিশ্রী দাবী করে বসলো, জিহাদ শুধুই কাফেরদের সাথেই খাস। এর বাহিরে কোনো জিহাদ নাই। যারা রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার জন্য জিহাদের কথা বলে তারা বাটপার। তার মূল দাবী হলো, শাসকের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ, বা শাসক কর্তৃক বাগিদের দমানোর জন্য যে অস্ত্র ধারণ সেটা জিহাদ নয়। এটাকে জিহাদ বলা নাকি। আমি এর আগেও তার এই ভ্রান্ত দাবীর খণ্ডন করেছি। পরে সে আমার দাবীর উত্তর না দিতে পেরে আজাইরা একটা ব্যাখ্যা দাঁড়া করালো! হাহা!! ইবনে হজমের একটি ইবারত দিচ্ছি। দেখেন, শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহকে তিনি কত স্পষ্ট করে জিহাদ শব্দ দিয়ে ব্যক্ত করছেন। فلو كان خوف ما ذكروا مانعا من تغيير المنكر ومن الأمر بالمعروف لكان هذا بعينه مانعا من جهاد أهل الحرب وهذا مالا يقوله مسلم وإن ادعى ذلك إلى سبي النصارى نساء المؤمنين وأولادهم وأخذ أموالهم وسفك دمائهم وهتك حريمهم ولا خلاف بين المسلمين في أن الجهاد واجب مع وجود هذا كله ولا فرق بين الأمرين وكل ذلك جهاد ودعاء إلى القرآن والسنة এধরনের আরো অসংখ্য ইবারত চাইলে দেওয়া যাবে, যদি তার ভ্রান্তি নিয়ে একদিন বসি। ফিতনা উসকানো বহু সহজ। কিন্তু তার বিরুদ্ধে বিস্তর ঘাটাঘাটি করে খণ্ডন বহুত কঠিন। আল্লাহ তাকে বুঝদান করুন।

ইফতেখার জামিল সময়ে সময়ে অসংখ্য ফিতনা নিয়ে আসে। কয়দিন আগে এক বিশ্রী দাবী করে বসলো, জিহাদ শুধুই কাফেরদের সাথেই খাস। এর বাহিরে কোনো জিহাদ নাই। যারা রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার জন্য জিহাদের কথা বলে তারা বাটপার। তার মূল দাবী হলো, শাসকের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ, বা শাসক কর্তৃক বাগিদের দমানোর জন্য যে অস্ত্র ধারণ সেটা জিহাদ নয়। এটাকে জিহাদ বলা নাকি। আমি এর আগেও তার এই ভ্রান্ত দাবীর খণ্ডন করেছি। পরে সে আমার দাবীর উত্তর না দিতে পেরে আজাইরা একটা ব্যাখ্যা দাঁড়া করালো! হাহা!! ইবনে হজমের একটি ইবারত দিচ্ছি। দেখেন, শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহকে তিনি কত স্পষ্ট করে জিহাদ শব্দ দিয়ে ব্যক্ত করছেন। فلو كان خوف ما ذكروا مانعا من تغيير المنكر ومن الأمر بالمعروف لكان هذا بعينه مانعا من جهاد أهل الحرب وهذا مالا يقوله مسلم وإن ادعى ذلك إلى سبي النصارى نساء المؤمنين وأولادهم وأخذ أموالهم وسفك دمائهم وهتك حريمهم ولا خلاف بين المسلمين في أن الجهاد واجب مع وجود هذا كله ولا فرق بين الأمرين وكل ذلك جهاد ودعاء إلى القرآن والسنة

টি*টিপির ব্যাপারে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের সিনিয়র নেতা মুফতি কেফায়েতুল্লাহ সাহেবের এটোম বোমা : . জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (ফজলুর রহমান গ্রুপ)-এর সিনিয়র নেতা মুফতি কিফায়াতুল্লাহ দক্ষিণী ওয়াজিরিস্তানের শাকাই এলাকায় এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, ‘যে তা]লে]বানরা শরিয়তের জন্য কাজ করছে, তাদের মধ্যে যারা মারা গেছে তাদের শহীদ বলা উচিত এবং যারা বেঁচে আছে তাদের গাজী বলা উচিত।’” . তিনি দাবি করেন যে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম এবং তেহরিক-ই-তা]লে]বান পাকিস্তান (টি*টি*পি)-এর লক্ষ্য এক, তাই জনগণের টি*টি*পির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো উচিত নয়।” . তিনি আরো বলেন, "আরও বলেন, ‘টি*টি*পির অবস্থান সঠিক যে, শরিয়ত কার্যকর হওয়া উচিত। জনগণের উচিত তা*লে*বানের পক্ষে থাকা। যদি কোনো কারণে তাদের সাহায্য না করতে পারে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বাহিনী গড়ে না তোলে। তালেবান যেন ভালোবাসার মাধ্যমে জনগণের হৃদয় জয় করে, অপহরণ ও চাঁদাবাজি থেকে বিরত থাকে।’” . এরকম আরো রসে ভরা একটি ভিডিও। অনেকের চেহারা আজকে কালো হবে। আল্লাহ তাদের চেহারা আরো কালো করুক অথবা হেদায়েত দিক। আমীন।

সীরাত পাঠের বরকত শায়খুল ইসলাম তাকী সুবকী বলেন: আমি ৭০৬ হিজরিতে ইবন হিশামের সীরাত পড়ছিলাম, পাশাপাশি ছাত্রদেরকে এর দরসও প্রদান করছিলাম। একদিন আমার জ্বর হল। পাঠের সময় এলে নাম লেখার দায়িত্বে থাকা লোক এসে বলল, “মানুষ সমবেত হয়েছে।” তখন আমার ইচ্ছে হলো আজ পাঠ বন্ধ রাখি। কিন্তু আমি বললাম, “না, আল্লাহর কসম! এমন কোনো মজলিস আমি বন্ধ করব না যেখানে নবীজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সীরাত আলোচনা হয়।” তাই জ্বর থাকা সত্ত্বেও আমি দরস দিলাম। সেদিন দরসের সময় আমার মনে হচ্ছিল, আজকের পর আমার আর কোনদিন জ্বর আসবে না। সত্যিই এরপর (আলহামদুলিল্লাহ) আর কখনো জ্বরে আক্রান্ত হইনি। - তাবাকাতুশ শাফিয়া আলকুবরা ১০/৩১৫ ©

photo content

উনিশ বছরের এক সুদর্শন তরুণ দরস দিতেন দামেশকের জামে উমাভিতে। নানা শাস্ত্রে তার দক্ষতার কারণে দ্রুত খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। প্রবীণ আলেমদের কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিবোধ করছিলেন। তরুণ টের পেলেন তাদের মনোভাব। বিস্ময়কর এক সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। খ্যাতি তুঙ্গে থাকতেই দরস বন্ধ করে দিলেন। পরের সাত বছর অবস্থান করেন নিজের গৃহে। এই ফাঁকে কুতুবে সিত্তাহর সকল হাদিস সনদসহ মুখস্থ করে ফেললেন। সাত বছর পর গেলেন জামিয়া আজহারে। সেখান থেকে ইলম অর্জন করে ফিরে এলেন দামেশকে। পুরো শহর যেন তার প্রতীক্ষায় ছিল। উসমানী গভর্নর মিদহাত পাশার উপস্থিতিতে শুরু হলো প্রথম দরস। পরের ষাট বছর একটানা জামে উমাভিতে হাদিসের দরস দিলেন তিনি। এ সময় তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে মিসর থেকে হিন্দুস্তান, সর্বত্র। এই মানুষটি হলেন শামের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিসদের একজন শায়খ বদরুদ্দিন আল হাসানি রহিমাহুল্লাহ। শায়খ বদরুদ্দিন ছিলেন শামে ইলমে হাদিস চর্চার এক স্তম্ভ। কয়েক দশক ধরে তার মজলিস নিয়ন্ত্রণ করেছে দামেশকের জনজীবন ও চিন্তাধারা। মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি বাখিত আল মুতি একবার এলেন দামেশক সফরে। জামে উমাভিতে প্রবেশ করে তিনি বিভিন্ন হালাকাহয় কিছুক্ষণ বসেন। এরপর এলেন শায়খ বদরুদ্দিনের হালাকাহয়। কিছুক্ষণ আলোচনা শুনেই তিনি দ্রুত পা গুটিয়ে নেন, পোশাক সামলে আদবের সাথে বসেন। মজলিস শেষ হওয়ার পর তিনি বলেন, এমন মুহাদ্দিস যদি মিসরে থাকতো, তাহলে আমরা তাকে কাঁধে করে নিয়ে যেতাম, পায়ে হেঁটে যেতে দিতাম না। তিনি মিসরে থাকলে মুহাম্মদ আবদুহুদেরকেও পড়াতে পারতেন। একবার শায়খ রাগেব তাব্বাখ এলেন শায়খ বদরুদ্দিনের সাথে দেখা করতে। কোনো এক বিষয়ে শায়খের মধ্যস্থতা চাচ্ছিলেন তিনি। শায়খ বদরুদ্দিন শান্তভাবে কথা শুনলেন, এরপর মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলেন। শায়খের একজন ছাত্র বললো, শায়খ গত ৩০ বছর ধরে মসজিদের ভেতর কোনো দুনিয়াবি কথা বলেন না। আপনাদের কথার জবাব দেয়ার জন্য তাই মসজিদ থেকে বের হয়েছেন। এক রমজানে দামেশকের এক পতিতালয়ে এক ব্যক্তি গেল কিছু অর্থ নিয়ে। পতিতাদের হাতে নগদ অর্থ দিয়ে বললো, শায়খ বদরুদ্দিন তোমাদের জন্য সামান্য হাদিয়া পাঠিয়েছেন। তিনি তোমাদের কাছে দোয়া চেয়েছেন। তারা অবাক হয়ে বললো, আমাদের মত পাপীরা কী করে শায়খের মত মহান মানুষের জন্য দোয়া করতে পারে? সেই ব্যক্তি বললো, কেউ যখন তওবা করে তখন সে নিষ্পাপ শিশুর মত পবিত্র হয়ে যায়। এই কথা শুনে কান্নার রোল পড়ে যায়। বহু পতিতা সেদিনই তওবা করে হেদায়াতের পথে ফিরে আসে। এক গায়ক এসে বললো , শায়খ আমি তওবা করতে এসেছি। শায়খ তাকে বুকে জড়িয়ে বললেন, চলুন, আপনি ও আমি একসাথে আল্লাহর কাছে তওবা করি। শায়খ যখন মদিনায় যেতেন আবেগের আতিশয্যে কাঁপতে থাকতেন। তিনি কখনো রওযার কাছাকাছি যেতেন না। বলতেন, আমার গুনাহ আমাকে কাছে যাওয়ার অনুমতি দেয় না। আমি ভয় করি। অথচ শায়খ প্রতিদিন প্রায় ৮০ হাজার বার দরুদ পাঠ করতেন। শায়খ সত্তর বছর দরস দিয়েছেন, কখনো বিরতি দেননি, এমনকি মৃত্যুর দিন সকালেও তিনি দরস দিয়েছিলেন। ১৯৩৫ সালে শায়খ যেদিন ইন্তেকাল করেন পুরো শহর যেন ভেঙ্গে পড়েছিল সেদিন। জানাজার স্থান থেকে কবরস্থানের দূরত্ব ছিল পনেরো মিনিটের, কিন্তু মানুষের ভীড়ের কারণে কবরস্থানে লাশ পৌঁছতে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছিল।

বর্তমান সময়ে উম্মাহের একটি বড় সমস্যা হলো একটি বিষয়কে তার মূল পরিভাষার থেকে না বুঝে তাকে শাব্দিকরন করে সে ব্যাপারে সিন্ধান্ত দিয়ে দেয়া বা পরিভাষার নিজস্ব একটি ব্যাখ্যা দাড় করিয়ে সে ব্যাপারে সিন্ধান্ত প্রচার করা। এটা ইসলামি শরীয়ার দৃষ্টিতে খুবই খারাপ একটি কাজ। এই রোগের কারণে দ্বীনের বহু বিধানকে তো অনেকে বিকৃত করছেই, সাথে পশ্চিমা অনেক কুফরি বিশ্বাসকে নরমালাইজেসন করছে! একদল মুসলিম স্কলারদের তো শাব্দিকিকরনের এমন কঠিন রোগ পেয়ে বসেছে যে, ‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেকুলার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে’ এমন জঘন্য কথা বলতেও তাদের অন্তরাত্মা কেপে উঠছে না। এরা পশ্চিমের আইডোলজিগুলোর বাস্তবতাকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে শাব্দিকরণ ও নিজস্ব ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দাঁড় করিয়ে পশ্চিমের বহু কুফরি বিশ্বাস ও মতবাদকে শুধু ইসলামি করছে এমন নয়, বরং এগুলো ইসলামেরই সৃষ্টি বলে মানুষকে এক অতল গোমরাহির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি ওয়াজিউন। . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সঙ্ঘাত বই থেকে (প্রকাশিতব্য) (খাসভাবে দোয়া চাই, উস্তাদের আদেশ হলো বইটি এই বইমেলাতেই আনতে হবে। অথচ এখনো বহুরকমের কাজ বাকি! আল্লাহ যেনো কল্যাণের ফায়সালা করে)

একজন আমেরিকান প্রমাণ করতেছেন কেনো আমেরিকায় শরীয়াহ আইন জরুরি। https://youtube.com/shorts/TRQJDRRreMs?si=0vvzABt_VnS4zs71

কিছু হাদিসে এসেছে, আরব উপদ্বীপ থেকে ইহুদি-খ্রিস্টানদের বহিষ্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর অন্তর্নিহিত কারণও এটাই ছিল যে, আরবের বুকে কুফরের অস্তিত্ব সহ্য করা হবে না। তাদের সামনে দুটি পথই খোলা থাকবে: হয় ইসলাম নয় তরবারি। কিন্তু আরবের বাইরে বসবাসকারীদের জন্য থাকবে তিন বিকল্প: ইসলাম, জিজিয়া কিংবা তরবারি। এই পার্থক্য যদি স্পষ্টভাবে হৃদয়ে গেঁথে রাখা যায়, তাহলে নানা জটিলতার সমাধান মিলবে; হাদিস ও কুরআনের বক্তব্যে কোনো সংঘর্ষও দেখা দেবে না। . মাওলানা আব্দুল আলীম ইসলাহী রহিমাহুল্লাহ আধুনিক যুগে জিহাদ; আপত্তি ও জবাব (কালান্তর থেকে প্রকাশিতব্য) অনুবাদ: সাদিক ফারহান

এসকল বক্তব্য আসলে ভালোই লাগে। স্পষ্ট জানা যায় ব্যক্তির চিন্তা ও বিশ্বাস সম্পর্কে। ভাইকে ধন্যবাদ বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য।
এসকল বক্তব্য আসলে ভালোই লাগে। স্পষ্ট জানা যায় ব্যক্তির চিন্তা ও বিশ্বাস সম্পর্কে। ভাইকে ধন্যবাদ বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য।

হেফাজতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিতই হয়েছিল শয়তানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য; শেষ পর্যন্ত এ হেফাজতে ইসলামকেই তারা গ্রাস করে ফেলে। কার কোন্ পদ থাকবে, সভায় কী সিদ্ধান্ত হবে, এসবকিছু সরকারের গোয়েন্দারাই ঠিক করে দিত। দ্বীনি শিক্ষাবোর্ডগুলোর প্রধান কে হবে, সেক্রেটারি কে হবে--তারাই ঠিক করে দিতো... . মুফতি আবুল হাসান আব্দুল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ (মাসিক আল-কাউসার, আগষ্ট ২০২৫) . গোয়ান্দারা কাদের মাধ্যমে সেগুলো ঠিক করতো? সেই লোকগুলো কী এখনো হেফাজতে আছে?