ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 319 подписчиков, занимая 7 894 место в категории Религия и духовность и 2 062 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 319 подписчиков.

Согласно последним данным от 31 августа, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 58, а за последние 24 часа — -7, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 13.99%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 5.84% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 584 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 661 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 37.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 01 сентября, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 319
Подписчики
-724 часа
-47 дней
+5830 день
Архив постов
১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ আজ সকালে পেশোয়ার, মুমেন্ড এজেন্সির বৈকালি বাইজি জেলার গুলমা কন্ডো এলাকায় রয়্যাল ইন্ডিয়ান আর্মি লৌলাশকার,
১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ আজ সকালে পেশোয়ার, মুমেন্ড এজেন্সির বৈকালি বাইজি জেলার গুলমা কন্ডো এলাকায় রয়্যাল ইন্ডিয়ান আর্মি লৌলাশকার, বিমান সহায়তা এবং ড্রোন ক্যামেরার সহায়তায় তালেবানদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে তালেবানরা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সাতজন সামরিক কর্মীকে হত্যা করে, অন্যরা যুদ্ধক্ষেত্রে মৃতদেহ রেখে পালিয়ে যায়। তালেবানরা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অস্ত্রও পেয়েছে। তালেবান সূত্র অনুসারে প্রায় আট ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষে তাদের একজন যোদ্ধাও শহীদ হয়েছে।

মুসলিম-অমুসলিম বইটি আজ এক ভাই ত্রিশ কপি সংগ্রহ করলেন, দাওয়াতের উদ্দেশ্যে। আল্লাহ ভাইয়ের উদ্দেশ্য পূরণ করুন। আমীন।
মুসলিম-অমুসলিম বইটি আজ এক ভাই ত্রিশ কপি সংগ্রহ করলেন, দাওয়াতের উদ্দেশ্যে। আল্লাহ ভাইয়ের উদ্দেশ্য পূরণ করুন। আমীন।

সিরিয়াতে যে সমস্ত বিদেশী যোদ্ধারা অংশগ্রহণ করেছে তাদেরকে সিরিয়ায় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। -জুলানী সূত্র, সাংবাদিক খলিল আল মিকদাদ (অনেক অনেক উত্তম একটা সিদ্ধান্ত)

বিষয়টি যদি এমনই হয় তাহলে এদের ঈমানের কী অবস্থা? এইধরনের ব্যক্তিদের অনুমতি ছাড়া নাকি জিহাদের মত ফরজ বিধান আদায় করা যাবে না!!
বিষয়টি যদি এমনই হয় তাহলে এদের ঈমানের কী অবস্থা? এইধরনের ব্যক্তিদের অনুমতি ছাড়া নাকি জিহাদের মত ফরজ বিধান আদায় করা যাবে না!!

জিহাদ বিষয়ক চমৎকার একটি বই পেলাম আজ। বিস্তারিত পরে কখনো লেখবো ইনশাআল্লাহ। বইটির কয়েকটি অধ্যায় পড়ে বেশ তৃপ্তি পেলাম, বিশেষত ইমাম ছাড়া জিহাদের অধ্যায়টি। বইটির একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, লেখক একজন আহলে ইলম ও মুজাহিদ। বর্তমানে (সম্ভবত) ফিলিস্তিনের জিহাদের কাজে আছেন। এটা লেখকের মাষ্টার্সের থিসিস। দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো, বইটিতে শুধু জিহাদের ঐ মাসআলাগুলোই আলোচিত হয়েছে যেগুলো বর্তমান সময়ে জিহাদের ময়দানে বেশ প্রয়োজন হয়। তৃতীয় একটি বৈশিষ্ট্য হলো, লেখক জিহাদের বিভিন্ন মাসআলা বলার পর ইতিহাসে এই মাসআলাটি কীভাবে ফকিহরা দেখেছেন ও তাতবিক দিয়েছেন তাও উল্লেখ করার চেষ্টা করেছেন। বইটি সম্পর্কে আরবের একজন আলেমের রিভিউ লিংক দেখে নিতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=Sv2fx0SswYw

মাওলানা মামুনুল হক সাহেবের স্পষ্ট বয়ান।

fatwaa-34 (1).pdf2.06 MB

মামুন সাহেবের পুরো বয়ানটাই শুনার মত।

‘শাহ আব্দুল আজিজ মুহাদ্দিসে দেহলবি রহিমাহুল্লাহর পুরো হিন্দুস্তানকে দারুল হারব ফতোয়া দেওয়ার পর আজ পর্যন্ত তা বলবত আছে। কোনো আলেম উনার ফতোয়াকে খণ্ডন করেনি। কেউ বাতিল করেনি। সুতরাং ব্রিটিশ রচিত আইনকে হটিয়ে আল্লাহর আইন পূনপ্রতিষ্ঠা করা ফরজ।’ . মাওলানা মামুনুল হক সাহেব বাবুনগর মাদরাসা

বাদ যাবে না একটি শিশুও।
বাদ যাবে না একটি শিশুও।

বিজয় পরবর্তী আসল যুদ্ধ।
বিজয় পরবর্তী আসল যুদ্ধ।

বানুরীটাউনের মুহাদ্দিস মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফজায়ী হাফিজাহুল্লাহের কিতাব ‘দাওয়াতে জিহাদ’। এই কিতাবের রাষ্ট্র ছাড়া জিহাদের অধ্যায়টি অবশ্যই পড়ুন। এবং আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের কথাগুলোও পড়ুন। শুধু চোখ দিয়ে পানি ফেলবেন।

বানুরীটাউনের মুহাদ্দিস মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফজায়ী হাফিজাহুল্লাহের কিতাব ‘দাওয়াতে জিহাদ’। এই কিতাবের রাষ্ট্র ছাড়া জিহাদের অধ্যায়টি অবশ্যই পড়ুন। এবং আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের কথাগুলোও পড়ুন। শুধু চোখ দিয়ে পানি ফেলবেন।

বানুরীটাউনের তালেবে ইলম আজ শামে। শাম থেকে উস্তাদের জন্য দোয়া পাঠাচ্ছে! . আল্লাহু আকবার! ফজল মুহাম্মদ ইউসুফ জাঈ হাফিজাহুল্লাহ যে জি হা দ কে কী পরিমান মহব্বত করে তা তার কিতাব না পড়লে বুঝবেন না! তার দাওয়াতে জি হা দ কিতাবের সেই ঐতাহাসিক জায়গা আমি ভুলবো না—ইমাম বা রাষ্ট্র ছাড়া জি হা দ করা যাবে না এটা ইংরেজদের তৈরি মাসআলা। . এমন উস্তাদ থেকে এমন শাগরেদই তো বের হয়ে আসবে!

সাইফুদ্দিন কুদজকে হত্যা করে বাইবার্স ইতিহাসের জঘন্যতম অপরাধ করলেও তাকে মুসলিমরা পরবর্তীতে মেনে নিয়েছে। কারণ মুসলিমরা যে মহান সংকটে সে সময় ছিলো তা থেকে বের হওয়ার জন্য বাইবার্সের শক্তিশালী সমরনীতি ও অনমনীয়তা দরকার ছিলো। জুলানীর অবস্থাটাও অনেকটা এভাবে চিন্তা করলে সহজ হবে। তার রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা হোক, বা যাইহোক, তার রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও টিকে থাকার বিশেষ হিম্মতই সিরিয়ান মানুষকে মুক্ত দিয়েছে। এই মুক্তির জন্য সে সর্বদা সোজা পথে চলেছে তা কস্মিনকালেও নয়। তবে সে জমেছিলো। এবং আল্লাহ তার মাধ্যমে আপাত এক মহান মুসবিত থেকে সিরিয়ান মুসলিমকে রক্ষা করেছে। সিরিয়াকে আপাত স্থিতিশীল করতে হলে জুলানির রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা বলেন আর যাই বলেন তা অত্যান্ত দরকার। . অনেক ভাইরা নতুন বালেগ হওয়া পোলাপানের মত লাফাচ্ছেন। বিভিন্ন বিষয় সামনে এনে এমন ভাব করছেন, এটা আর দুনিয়ার কেউ জানে না। জুলানি আর তাহরিরকে কিছুদিন আগেও খারাপ জানা লোকগুলো এখন পিছনের কিছু ইতিহাস এনে নিজেদের স্বার্থ উদ্বার করছে। আর সে স্বার্থের জন্য জুলানিকে এমন মহান জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে, যেনো আজকের এই স্থানে সে খুবই সোজা পথে এসেছে!

বাশারের পক্ষে বুতির কিছু ইলমি অবস্থান ১. বাশারের বাহিনী সাহাবাদের মত সম্মানী : আজকে আমরা যে শান্তিতে ঘরে বসবাস করতে পারতেছি। দ্বীন পালন করতে পারছি তা এই বীর বাহিনী ও মহান বাহিনীর কারণেই সম্ভব হচ্ছে। আমরা নিজেরা তো কিছুই করছি না। আমি আল্লাহর কাছে তোমাদের সকলের জন্য এবং এই মহান বাহিনীর জন্য উত্তম কাজের তাওফিক চাচ্ছি। আল্লাহর কসম, বাশারের এই মহান বাহিনী আর রাসুলের সঙ্গী সাহাবাদের মাঝে মর্যাদার দিক থেকে কোনো পার্থক্য নেই যতক্ষণ তারা আল্লাহর হক আদায়ের পৃষ্ঠপোষকতা করবে।” (১) ২. বাশারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হারাম, বরং প্রতিটি মুসলিমের উপর আবশ্যক বাশারের পক্ষে থেকে যুদ্ধ করা : “বর্তুমানে এক বিশাল ফিতনা উম্মাতের মাঝে উদ্ভুত হয়েছে, যা আমি আপনাদের বললাম। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গেছেন, তোমাদের উপর আবশ্যক হলো আমিরের অধিনে থেকে জিহাদ করো যদিও সে ফাসেক হোক না কেন, যদিও সে কবিরা গুনাহকারী হোক না কেন। অথচ বর্তমানের আমাদের মতই দেখতে একদল মানুষ যারা নিজেদের ব্যাপারে ধারণা করে তারা মুসলিম, অথচ তারা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে—তারা এই সমস্ত শাসকের (উদ্দেশ্য বাশার আল আসাদ) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। (২) ৩. সিরিয়ায় যারা যুদ্ধ করছে বাশারের বিরুদ্ধে তারা জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করেছে : বর্তমানে সিরিয়ার যে যুদ্ধ সে যুদ্ধে কারা নেতৃত্ব দিচ্ছে, যেহেতু তার কিছুই জানা যায় না (অর্থাৎ অজ্ঞাত ব্যক্তি ও নেতাদের কী উদ্দেশ্য এই জি হা দে র পিছনে না অস্পষ্ট) সুতরাং হাদিসের ভাষ্যনুযায়ী এই যুদ্ধে যারা অংশগ্রহণ করবে তারা জাহিলিয়্যাতের মৃত্যবরণ করলো (অর্থাৎ জাহান্নামী তারা)। সুতরাং হে আমার মুসলিম ভায়েরা! তোমাদের জন্য কোনোভাবেই জায়েয নেই, এমন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করা। (৩) ৪. সিরিয়ার বাশার বিরোধী আন্দলোন হলো অভিশপ্ত আন্দোলন যা সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব শেষ করে সিরিয়াকে কয়েকটি রাষ্ট্রে বিভক্ত করার জন্য একদল শত্রুরা এটা করছে। ৫. ইসলামে তাকফিরে জামাত নেই : সিরিয়ার ক্ষমতাসীনদের ধর্ম হলো আলাবী যাদের এরেকটি প্রসিদ্ধ নাম হলো নুসাইরি। এটা শিয়াদের একটি প্রকার যাদের ব্যাপারে আহলুস সুন্নাহের ফতোয়া হলো ওরা কাফের। ক্ষমতাশীনদের বাঁচাতে এই বুতী এতটা নীচে নেমেছে যে, সরাসরি স্পষ্ট এক সাক্ষাতকারে সে বলেছে, “আকিদার কোনো কিতাবে এই কথা তাকফিরে জামায়াহ এমন কোনো কথা নেই। এই ব্যাপারে আহলুস সুন্নাহের সকলেই একমত যে, তাকফিরে জামায়াহ বলতে ইসলামে কিছুই নেই।’’ (৪) কাদিয়ানীদের দলগত কাফের বলার কারণে ওলামায়ে দেওবন্দসহ আহলুস সুন্নাহের আসুন চোদ্দগুষ্টি উদ্ধার করি!! ৬. বাশারের ব্যাপারে যে বলবে কুফরে বাওয়াহ হয়েছে সে মূলত কুফরে বাওয়াহ করলো : “মানুষ কতটা বিকৃত করে, তারা বলে আমাদের সম্মানিত রঈস বাশার আল আসাদের থেকে কুফরে বাওয়া (স্পষ্ট কুফরি যা প্রকাশ পেলে শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা আবশ্যক) প্রকাশ পেয়েছ, যারা এমন ঘৃণিত কথা বলে তাদের এই কথা কুফরে বাওয়াহ।” (৫)

বাশার আর তার বাপ হাফিজের অত্যাচার পুরো পৃথিবী আতকে উঠছে। চিন্তা করেন এমন শাসকদের যখন সাইদ বুতির মত বড় আলেম মিম্বারে দাঁড়িয়ে প্রশংসা করতো, তার বিরোধিদেরকে ফিতনাবাজ বলতো, মাসলাহাতের দোহাই দিয়ে, দেশ বিদেশীদের দখলে চলে যাবে বলে বাশারের সমর্থনকে মজবুত করতো! ভেবে দেখুন তখন সেখানের আলেম ও মু জা হিদ দের কেমন লাগতো!? কেনো বুতির বিরোধিতা করা হতো!? . আশা করি তাকে ঘৃণা করা ও বিরোধিতা করার কারণ এখন স্পষ্ট। বাশারের পক্ষে বুতির কিছু বক্তব্য ১. বাশারের বাহিনী সাহাবাদের মত সম্মানী : লিংক : https://youtu.be/3_UcO2ZcgxA ২. বাশারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হারাম, বরং প্রতিটি মুসলিমের উপর আবশ্যক বাশারের পক্ষে থেকে যুদ্ধ করা : লিংক : https://youtu.be/8e8shMFybnU ৩. সিরিয়ায় যারা যুদ্ধ করছে বাশারের বিরুদ্ধে তারা জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করেছে : লিংক : https://youtu.be/jmAFtHSmIMs ৪. ইসলামে তাকফিরে জামাত নেই : লিংক : https://youtu.be/ugyehWSdhnc ৫. ৬. বাশারের ব্যাপারে যে বলবে কুফরে বাওয়াহ হয়েছে সে মূলত কুফরে বাওয়াহ করলো : https://youtu.be/BDBUBsFulw0

মাওলানা যুবায়ের সাহেবের এই লেখাটা পড়েন। বারবার পড়েন। বহুবার পড়েন। https://www.facebook.com/share/p/14wsdBoPTd/

রাষ্ট্র ও শাসকের অনুমতি ছাড়া জি হা দ করা যাবে না, এবং যারা বলে যাবে তারা গোমরাহ ও পথভ্রষ্ট বলা ভাইরা বলতেছেন, ‘আগামী টার্গেট সিসি ও মিশর ইনশাআল্লাহ।’ . বড় ধরনের ফিতনায় আছি।

আজ আমরা যেভাবে রবের সাহায্য নিয়ে ও তাকবির দিয়ে এখানে প্রবেশ করেছি, তেমনি আমরা হে গাজাবাসী তোমাদের জন্য আসবো। আমরা কাবায় প্রবেশ করবে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদে প্রবেশ করবো ইনশাআল্লাহ। ঈমান বৃদ্ধি করা অল্প এই আবেগটুকু শুনুন।