ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 300 подписчиков, занимая 8 141 место в категории Религия и духовность и 2 028 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 300 подписчиков.

Согласно последним данным от 23 июня, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 85, а за последние 24 часа — 5, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 19.42%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 7.99% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 2 194 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 903 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 48.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 24 июня, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 300
Подписчики
+524 часа
+357 дней
+8530 день
Архив постов
মাসআলাগুলোকে নিজের বিভিন্ন লেখায় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করবেন। তাহলেই এগুলো জীবিত থাকবে।
মাসআলাগুলোকে নিজের বিভিন্ন লেখায় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করবেন। তাহলেই এগুলো জীবিত থাকবে।

মাসআলাগুলো মনে রাখবেন।
মাসআলাগুলো মনে রাখবেন।

সভ্যতার উত্থান-পতন নিয়ে মুসলিম মাইন্ডস সেমিনারে আসিফ আদনান ভাইয়ের আলোচনাটি সরাসরি শুনেছিলাম। এবং বেশ মুগ্ধই হয়েছিলাম শুনে। শুনতে পারেন একটু সময় করে। এগুলো শুনা বর্তমান সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বিশেষত মাদরাসার মেধাবী তালেবে ইলমদের জন্য ঠাণ্ডা মাথায় সময় নিয়ে শুনা জরুরি। https://youtu.be/x-_BtKPygtA?si=3Cmw4_nAKgSLxq74

মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেবের এই কথাগুলো খুবই মনোযোগ দিয়ে শুনুন ও প্রচার করুন। https://youtu.be/nBO0TcRfS-I?si=ST6teYs5cHcm2R3x

ইসলামি ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করে আমি দেখেছি—যে ব্যক্তি তরবারি ছেড়ে কেবল লেখনী ধারণ করে, সে লাঞ্চিত হয়। আর যে ব্যক্তি লেখনী ছেড়ে কেবল তরবারি উত্তোলন করে, সে পথভ্রষ্ট হয়; পদচ্যুতির স্বীকার হয়। আর যে ব্যক্তি একইসাথে উভয়টি ধারণ করে, সে-ই গন্তব্যে পৌঁছতে পারে। -মুনাযারাতুন বাইনাস সাইফি ওয়াল কলাম, আবু জা*ন*দা*ল আযদি রাহিমাহুল্লাহ ©মাওলানা আরিফুল ইসলাম শিক্ষক, মাদরাসাতু আলী রা.

লেখক আতিকুল্লাহ সাহেব কী এগুলো থেকে রুজু করেছে? না, এখনো এগুলোই বিশ্বাস করে?
লেখক আতিকুল্লাহ সাহেব কী এগুলো থেকে রুজু করেছে? না, এখনো এগুলোই বিশ্বাস করে?

নাইন এলিভেনের পর থেকে কাবায়েলি অঞ্চলগুলোর উপর নাপাক ফৌজের অত্যাচারের সংক্ষিপ্ত চিত্র। . ভিডিওতে যিনি কথা বলছেন কেপিকে সাউথের জামাত আমীর, সাবেক সাংসদ প্রফেসর মুহাম্মাদ ইবরাহিম খান। উনার এই বক্তব্যই সত্যান্বেষীদের জন্য আসল পরিস্থিতি বুঝতে যথেষ্ট। তিতিবি অথবা তালেবানের উপর স্থানীয় জনগণের বিলকুল শেকায়াত নেই। বরং উনি বক্তব্যের শেষে স্পষ্ট বলেছেন 'ইস সারহাদ পে আফগানিস্তান সে হামে কোয়ি খাতরা নেহি। ইয়ে সারহাদ ইনশাআল্লাহ মেহফুজ হ্যায়। হামারা মাসআলা হামারি ফৌজ হ্যায়। উনহুনে ইস মুলক কে আমান কো তাবাহ কার কাখখা হ্যায়। ওয়ো আপনি হুদুদ মে আজায়ে। আমান বাহাল হো যায়ে গা।' . লিংক : https://youtu.be/bfoE0Nj0gRU?si=5vss_cLlvdrQPd6o

عصر حاضر اور نظریہ جہاد.pdf3.81 MB

আজকের মঞ্চে একাধিক আলেমকে সামনে বসিয়েই শাপলাকে অস্বীকার করা হয়েছে, যেমনটা শোকরানার দিন পুরো কওমী সমাজকে সামনে এনে অস্বীকার করানো হয়েছিলো শাপলার হত্যাকাণ্ডকে। . দুইটা প্রশ্ন : এক. সেখানে যারা গিয়েছে তারা কী এখনো কোনো বিবৃতি দিয়েছে? দুই. যেদেশের মুসলমানরা নিজের রক্তের স্বীকৃতিটুকু পায় না, সেদেশ মাকহুর বি-আহলিল ইসলাম? এটাও এই প্রজন্মক্ব বিশ্বাস করতে বলেন?

হালাকাহ সেমিনার-০২ বিষয় : উপনিবেশকালে মুসলিম বাংলার সমাজ সংস্কারের ধারা Registration is open now. উপনিবেশকাল ছিল বাংলার মুসলি
হালাকাহ সেমিনার-০২ বিষয় : উপনিবেশকালে মুসলিম বাংলার সমাজ সংস্কারের ধারা Registration is open now. উপনিবেশকাল ছিল বাংলার মুসলিম সমাজের জন্য ক্রান্তিকাল। এই ক্রান্তিকালে নিজেদের আত্মপরিচয় টিকিয়ে রাখতে মুসলিমদের অনেক কিছু করতে হয়েছে। বহু উদ্যোগ গ্রহণ করতে হয়েছে। কখনো তাসাউফ চর্চার মাধ্যমে, কখনো শিক্ষাবিপ্লবের মাধ্যমে, কখনো নিছক ধর্মচর্চার আদলে, কখনোবা সভা-সমিতি-সংগঠনের ব্যানারে--নানাভাবে নিজেদের মধ্যকার বিপ্লবের আগুনকে লালন, চর্চা ও জিইয়ে রাখতে হয়েছে। ২০২৪-২৫ সনের অভ্যুত্থান-উত্তর বাংলাদেশে নিজেদের করণীয় ঠিক করতে সেই ক্রান্তিকালের ইতিহাস জানা, বোঝা ও চর্চা আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে অনেকক্ষেত্রে সাহায্য করবে। হালাকাহ সেমিনার-০১ এ আমরা সুলতানি আমলের বাংলা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। এবার আমরা বাংলার সংস্কার ধারা নিয়ে কথা বলব। আসুন ও আত্মপরিচয়ের সন্ধান জেনে উপকৃত হোন। . ইতিহাস ও বুদ্ধিবৃত্তিক এই সেমিনারে জয়েন করতে রেজিস্ট্রেশন করুন এখনই। রেজিস্ট্রেশন লিংক : https://forms.gle/SNy5vKKDJ7m4nzPf6

মাদখালিজম উম্মাহের জন্য সবচেয়ে বড় শত্রু ও বিপদজনক . যারা মনে করে শাসক জুলুম করার পরও শাসকের জবাবদিহি করা যাবে না, বা জুলুম কর
মাদখালিজম উম্মাহের জন্য সবচেয়ে বড় শত্রু ও বিপদজনক . যারা মনে করে শাসক জুলুম করার পরও শাসকের জবাবদিহি করা যাবে না, বা জুলুম করলেও হাত ও মুখ দ্বারা জবাবদিহি করা যাবে না, তাদের বিষয়ে ইমাম জাসসাস রহিমাহুল্লাহ লেখেন, وزعموا مع ذلك أن السلطان لا ينكر عليه الظلم والجور وقتل النفس التي حرم الله وإنما ينكر على غير السلطان بالقول أو باليد بغير سلاح فصاروا شرا على الأمة من أعدائها المخالفين لها. এটা তাদের ভ্রান্ত ধারণ যে, তারা মনে করে শাসকের জুলুম, নির্যাতন, নিপীড়ন ও অন্যায়ভাবে হত্যার কোনো নিন্দা করা হবে না বা বাধা প্রদান করা যাবে না, শাসক ব্যতীত বাকি সবাইকে কোনো ধরনের হাতিয়ার ছাড়া শুধু হাত ও মুখ দ্বারা বাধা প্রদান করা যাবে, নিন্দা করা যাবে। এমন ধারণা পোষণকারী লোকেরা উম্মতের শত্রু ও বিরোধীদের তুলনায় আরও বেশি ক্ষতিকর ও বিপদজনক। -আহকামুল কুরআন... . তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি ইসলামের শত্রুদের তুলনায় মাদখালিজম হলো উম্মাহের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর ও বিপদজনক। . ইবারতটি নেওয়া হয়েছে, ‘ইসলামি খিলাফত ও আমাদের দায়িত্ব’ বইটি থেকে।

ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো জানতো মানুষ যদি তার সঠিক পরিচয় জানতে পারে তাহলে তাদের উপর আগ্রাসন চালানো সহজ হবে না। তাই তারা আমাদেরকে বিভক্ত করতে নানা পরিচয় চাপিয়ে দিয়েছে। মুসলমানদেরকে এমন সব পরিচয়ের প্রতি আগ্রহী করা হয়েছে যা তাদেরকে ইসলামি ঐতিহ্য থেকে দুরে সরিয়ে দিবে। মিসরে কী হয়েছিল? ব্রিটিশরা যখন সেখানে উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করে তখন তারা মিসরের ইতিহাসকে নতুন করে সাজানোর চেষ্টা করে। ইতিহাসবিদ, প্রত্নতাত্ত্বিক, পর্যটকদের মাধ্যমে ফারাওদের ঐতিহ্যকে নতুন করে মানুষের সামনে আনা হয়। সিরিয়া ও ইরাকেও উপনিবেশিক শক্তি এই কাজ করেছে। এভাবে মুসলমানদের মধ্যেই একটি শ্রেণী গড়ে উঠে যারা নিজেদেরকে মুসলমান হিসেবে পরিচয় দেয়ার চেয়ে এসব সভ্যতার উত্তরাধিকার হিসেবে পরিচয় দিতে বেশি গর্ববোধ করতে থাকে। সালামা মুসার মত লেখকরা প্রকাশ্যেই বলতে থাকে, আমি গর্ব করি, আমি একজন ফারাও মিশরীয়। আমার সংস্কৃতি ইসলাম-পূর্ব, আমার ভাষা কেবল আরবি নয়, আমার ইতিহাস মিশরের উপত্যকার হাজার বছরের ইতিহাস। সিরিয়ানদের একাংশ নিজেদের ইতিহাস ঐতিহ্য খুঁজে পায় ফিনিশিয়ান সভ্যতার মাঝে। ইরাকিরাও নিজেদের সম্পৃক্ত করতে থাকে, সুমেরীয় সভ্যতা সাথে। ভারতবর্ষের লোকদের সামনে উপস্থাপন করা হয় কাল্পনিক অখণ্ড ভারতের ধারনা, যেখানে সনাতন ধর্মের অনুসারী হওয়ার মাঝেই ঐতিহ্যের অনুসরণ নিহিত। আধুনিক জাতীয়তাবাদের এই ধারনা মানুষকে তার ইসলামি ঐতিহ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে মিসরে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হওয়ার আগে একজন মিসরির কাছে ফারাওদের ইতিহাস ছিল মূর্তিপূজক একটি সম্প্রদায়ের ইতিহাস। মুসলমানদের বিজয়াভিযানকে তিনি দেখতেন জাহিলিয়াতকে থেকে মুক্তির এক অসাধারণ সুযোগ হিসেবে। কিন্তু জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটার সাথে সাথে তিনি ফারাওদেরকে বিবেচনা করেন প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক বাহক হিসেবে, অপরদিকে মুসলমানরা হয়ে যান আক্রমণকারী ও অনুপ্রবেশকারী। (প্রকাশিতব্য বই থেকে)

৩০জুলাইয়ের কঠিন সময়ে কথাগুলো বললেও কথাগুলো শুধু হাসিনার সাথেই খাস না। যেকোনো জালেমের দালাল হওয়ার বিধান একই।... https://www.facebook.com/share/p/14Lf77yCZVn/

নাম বললে চাকরি থাকবে না, এমন একটা দলের কী হবে এই দেশে....
নাম বললে চাকরি থাকবে না, এমন একটা দলের কী হবে এই দেশে....

নিজ খরচে অস্ট্রেলিয়ায় কিছু জিওপলিটিশিয়ান পাঠাতে চাই বাংলাদেশ থেকে। কারণ কালিমার পতাকা উড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ান মুসলমানরা যে জিও-পলিটিকাল ভুল করেছে তা ক্ষমার অযোগ্য। তাদের সঠিক দীনের বুঝ ও জিও-পলিটিক্স বুঝানোর জন্য এখনই নিজ খরচে কিছু ... ভাইকে পাঠানো দরকার। এখন আপনাদের থেকে দুটো সাহায্য চাই। ১। অস্ট্রেলিয়ার মুসলমানদের বাচানোর এই মহতি কাজে আমাদের কিছু ফান্ডিং লাগবে। যারা দিতে চান তারা দ্রুত জমির মাসরূর ভাইয়ের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। তার টাইমলাইনে গেলেই বিস্তারিত জানতে পারবেন। ২। আর কাকে কাকে পাঠানো যায় সেটার একটা তালিকা দিন। তাদের পাসপোর্ট সাইজের দুটো ছবি, কারেন্ট বিলের ফটোকপি চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এবং কালিমার পতাকা নিয়ে জিওপলিটিক্সের উপর লেখা কিছু পোষ্টের কালার প্রিন্ট কপি।

কাবায়েলি অঞ্চলের বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা পেতে... https://youtu.be/_-b_O99ZemE?si=2IhZDhMEP1MkcTFG

পাক সেনাবাহিনী হলো পাক-পবিত্র। তাদের পবিত্রতার ব্যাপারে পাক আলেমদের এক অংশের ইজমা আছে। আর কাবায়েলি অঞ্চলের মানুষের রক্ত হলো নাপাক। আর নাপাকি পবিত্র করা হলো ফরজ। সে হিসেবে পাক ফৌজের হাতে নাপাক কাবেয়েলি রক্ত ঝড়লে কোনো সমস্যা হয় না। আলেম শ্রেণীর প্রতিবাদ আসে না। কাবায়েলিদের রক্ত কবে থেকে নাপাক জানেন? সেই ইংরেজদের আমল থেকে। যেদিন থেকে এই কাবেয়েলিরা ইংরেজদের দাসত্ব মেনে না নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করেছিলো এবং কচুকাটা করেছিলো পুরো ইংরেজ দলকে, সেদিন থেকে। মনিব হত্যার প্রতিশোধ কড়ায়-গণ্ডায় আদায় করছে তার কর্মচারী ‘পাক ফৌজ জিন্দাবাদ’। . আল্লাহ মুফতি শফী ও শিব্বির আহমদ উসমামীর কবরকে নূর দিয়ে ভরে দিক এবং তাদের ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন, উনাদের অনুরোধেই স্বাধীন কাবেয়েলি অঞ্চলগুলো পাকিস্তানের পরাধীনতা মেনে নিয়েছিলো। বড় আশা ছিলো ও ওয়াদা করা হয়েছিলো সরল-সোজা এই কাবায়েলিদের—পুরো পাকিস্তানে আমভাবে ও কাবায়েলি অঞ্চলে খাসভাবে শরীয়া বাস্তবায়ন করা হবে। এরপর মুফতি শফী সাহেবরা ধোকা খেয়ে কবরে চলে গেছেন, কিন্তু স্বাধীন কাবায়েলিরা চিরজীবনের জন্য হয়ে গেছে নাপাক সরকারের একটি গোলাম। প্রজন্মের পর প্রজন্ম সেই গোলামি করে যাচ্ছে এই কাবায়েলিরা! . সন্ত্রাসী হত্যার নামে লক্ষ লক্ষ্য কাবায়েলিদের আহত করলে, হত্যা করলে, ঘরবাড়ি বোম্বিং করে উড়িয়ে দিলে সেটা হয়ে যায় সম্পূর্ণ বৈধ, বা সর্বোচ্চ ‘সেনাবাহিনীর উচিত আরো সতর্কতার সাথে কাজ করা’ নীচু ও দাওয়াতি স্বরে এমন কিছু নির্লজ্জ বিবৃতি দেওয়া। আর নিজেদের অধিকার আদায়ে, অথবা শরীয়া বাস্তবায়নের জন্য অনেক চেষ্টা প্রচেষ্টার পরও যদি অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটে তখন বেহায়ার মত সংবাদ সম্মেলন করে ‘ইসলাম এমন জি হা দের সমর্থন করে না’ বলে জোর গলায় বিবৃতি, এটাই হলো কাবায়েলিদের প্রতি একদল আলেমের সহমর্মিতা। সকল আপত্তি আল্লাহর কাছেই তোলা রইলো।

মিশরের জামিয়া আযহার সম্পর্কে শায়খ মুহাম্মদ আওয়ামার মন্তব্য... https://youtu.be/6xTkxPh24mc?si=he7cEiv7oemyKpaL

ফারাবীর জামিনের পরে এই দেশের মিডিয়াগুলো যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়লো, তাতে এখানে ইসলামী রাজনীতির ভবিষ্যৎ পরিণতি কিছুটা হলেও পড়া সম্ভব। একটি মুসলিমপ্রধান দেশের মিডিয়াগুলো প্রকাশ্যে এক শাতিমের পক্ষ নিচ্ছে, এক নিরপরাধ মুসলিম যুবককে কেবল কয়েকটি ফেসবুক পোস্টের দায়ে পারলে 'খুনী' বানিয়ে ফাঁসিতে ঝুলাচ্ছে। সেখানে ইসলামপন্থীরা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে তারা কী করতে পারে তা আপনি কল্পনা করতে পারেন? আজ যেসব ইসলামী রাজনীতিকরা কথিত 'আন্তর্জাতিক চাপের মুখে', হিকমত ও কৌশলের দোহাই দিয়ে প্রকাশ্যে পশ্চিমাদের বিরোধিতা করতে পারছেন না, স্পষ্ট ভাষায় কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠার ইশতিহার ঘোষণা করতে পারছেন না, তারা ক্ষমতায় গিয়ে আন্তর্জাতিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করবেন, ইকামতে দীনের ঘোষণা দিবেন- এটা অলীক কল্পনা। সেক্যুমিডিয়ার আক্রমণ, পশ্চিমাদের ক্ষোভের ভয় যাদেরকে এতোটা ভীত করে, সর্বোচ্চ নির্বাচনে ক্ষতিগ্রস্ত হবার আতংক যাদের হাত-পা এতোটা বেঁধে ফেলে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও গদি হারানোর ভয় তাদেরকে কতোটা ত্রস্ত করবে, আন্তর্জাতিক চাপ কিংবা নিষেধাজ্ঞার আতংক তাদেরকে কোন্ পর্যায়ে নামাবে - তা অনুমান করা কঠিন নয়। তাহলে এই সুদীর্ঘ সংগ্রামের সার্থকতা কী? প্রচলিত রাজনীতিতে প্রবেশ মানেই আযীমতের পথ ছেড়ে রুখসতের পথ গ্রহণ। মুখে এটাকে যতোই মাধ্যম, উপলক্ষ, উসীলা, কৌশল, সাময়িক প্রতিরোধের পথ বলা হোক, কার্যত তারা এটাকেই লক্ষ্য ও গন্তব্য বানিয়ে নেন। দীর্ঘ সময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ততার দরুন কখন যে নিজেরাই লক্ষ্যভ্রষ্ট হন, খিলাফত ও ইকামতে দীনের ব্যাপারে নির্ভার ও নির্লিপ্ত পয়ে পড়েন, নিজেরাও অনুভব করেন না। ফলশ্রুতিতে গণতন্ত্রকে একসময় কুফর কিংবা কৌশল বলা মানুষগুলোই গণতন্ত্রের সিপাহীতে রূপান্তরিত হন, রাজতন্ত্রকে ঢাল বানিয়ে খিলাফতের সঙ্গে গণতন্ত্রকে তুলনা করার দুঃসাহস করেন। তাই এ পথ আমার নয়। এ পথ কেবলই হারার, হারাবার। ©মাওলানা মীজান হারুন হাফিজাহুল্লাহ

জাতীয় পর্যায়ে গিয়েও মাওলানা আব্দুল মালেক সাহ্বব এমন কথাগুলো বলতে পারলে সাধারণ খতিবরা কেনো পারছে না? চিন্তা করলে এতটুকুর মধ্যে আমাদের অনেক শিক্ষা রয়েছে। https://youtu.be/i_28lRBROjM?si=Bz0QahI_dZbOBizI