ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 326 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 900 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 063 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 326 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 29 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 59، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -5، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 13.95‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.80‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 580 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 657 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 30 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 326
المشتركون
-524 ساعات
+107 أيام
+5930 أيام
أرشيف المشاركات
সামগ্রিকভাবে বাংলায় ভাষায় মিউজিক বিষয়ে এটাই এখনো পর্যন্ত আমার দেখা সেরা কাজ। যারা শাস্ত্রীয় বিষয় পড়তে আগ্রহী তারা বইমেলায় জরুরি বইয়ের তালিকায় এই বইটিও অবশ্যই রাখতে পারেন। . উপদেষ্টাদের প্রত্যেকেই নিজের আকিদা-বিশ্বাসই বাস্তবায়ন করছে—যার আকিদা বিশ্বাস টাকা, সে টাকা কামাচ্ছে, যার আকিদা বিশ্বাস আওয়ামীলীগ, সে আওয়ামীলীগকে বাচাচ্ছে, যার আকিদা-বিশ্বাস বেশ্যা নারী, সে বেশ্যা নারী হওয়া ও বানানোর ব্যবস্থা করছে, যার বিশ্বাস নদিয়ার ইসলাম সে নদিয়ার সাণ্ডার কাজই করছে। শুধু ঐ যে একজন আছে না, দেওবন্দী, তিনি শুধু.... . যাইহোক, সান্ডারা মিউজিক জায়েয করেছে, আমরা শুধু মিউজিক না-জাযায়েয এদ্দুরি বলতেছি, এদ্দুর বলতে পারাও গুরুত্বপূর্ণ, তবে দায়িত্বশীলদের উচিত এই বিষয়টি আরো গভীরভাবে জানা। . মিউজিক বিষয়ে সমকালীন প্রকাশনীর এই কাজটা একদম সেরা একটি কাজ। বইটিতে মিউজিক বিষয়ে এমন চমৎকার ও সময় উপযোগী আলোচনা আছে যা এই বিষয়ে আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করবে। . লেখক কয়েকভাবে বিষয়টি তুলে ধরেছেন, ১। প্রথমে কুরআনা সুন্নাহের আলোকে মিউজিক হারামের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলেধরেছেন। ২। বিজ্ঞানের আলোকে মিউজকের খারাপ ও ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরেছেন। ৩। মাদক ও যৌনতার সাথে মিউজিকের সম্পর্ক। (এই তিনটি অধ্যায় বর্তমানে ইমাম সাহেবদের জন্য খুবই জরুরি। এগুলো মানুষকে বুঝানো খুবই দরকার) ৪৷ সবচেয়ে সুন্দর একটি অধ্যায় হলো মিউজিকের পক্ষে প্রচলিত যে যুক্তিগুলো সান্ডারা দিয়ে থাকে, লেখক প্রায় প্রতিটি যুক্তিকে খুবই মজবুতির সাথে খণ্ডন করেছেন চমৎকারভাবে। . মাদরাসার ইফতার তালেবে ইলম ভাইরা ২২৮ পৃষ্ঠার এই বইটি হিম্মত করলে ২/৩ দিনেই পড়ে ফেলা সম্ভব। এবং পড়ে নেওয়া উচিতও। তাই বইমেলায় জরুরি শাস্ত্রীয় বইয়ের তালিকায় এটা অবশ্যই রাখুন এবং পড়ে ফেলুন।

photo content

এটা অনস্বীকার্য সত্য যে, বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে ঘৃ*ণিত ও নিন্দিত শব্দগুলোর একটি হলো জি*হাদ; আর সবচেয়ে বেশি কলঙ্কের ভার চাপানো হয়েছে মু*জা* হিদদের ওপর। অথচ এই কলঙ্কিতকরণের পেছনে বাইরের শক্তির চেয়ে ভেতরের আপনজনদের ‘মেহেরবানি’ই বেশি ভূমিকা রেখেছে। নিঃসন্দেহে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিম্নোক্ত বাণী আমাদের এ যুগের জন্যই যেন ইঙ্গিতবাহী ও বাস্তবরূপ ধারণ করেছে। আবদুর রাহমান ইবনু জায়েদ ইবনু আসলাম তাঁর পিতার মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, জি*হাদ সর্বদাই সতেজ ও সজীব থাকবে, যতদিন আকাশ থেকে বৃষ্টির ফোঁটা ঝরে। কিন্তু এমন এক সময় আসবে, যখন মানুষদের থেকে কিছু কুরআন পাঠকারী বলবে, ‘এটা তো জি* হাদের যুগ নয়।’ কিন্তু যারা সেই যুগে থাকবে, তাদের জন্য সেটাই হবে জি* হাদের প্রকৃত ও উত্তম যুগ। সাহাবিরা বললেন, ‘ হে আল্লাহর রাসুল, কেউ কি সত্যিই এমন কথা বলবে?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, বলবে। এমন ব্যক্তিই বলবে, যার ওপর আল্লাহ, ফেরেশগণ এবং সমস্ত মানুষের লানত বর্ষিত হবে।’ (আস-সুনানুল ওয়ারিদাতু ফিল ফিতান, হাদীস নং: ৩৭১) বই: আধুনিক যুগে জি*হাদ শীঘ্রই আসছে ইনশাআল্লাহ।

ভাই মানুষটা কে? বয়ানে এত আসর! আল্লাহু আকবার! গত কয়েকদিন কয়েকটা বয়ান শুনলাম! বেশ উপকৃত হলাম! এমন তাসির অনলাইনে এর আগে কোনো বয়ানে হইনি। শুনতে পারেন ও নিয়মিত প্রচার করতে পারেন। https://youtu.be/VtVlL-L5dTo?si=CglVXLWDpAM0ozhG

পূর্বেকার জামানায় যারা মু*র*তাদ হতো, তারা পুরোনো কোনো মিথ্যা ধর্ম গ্রহণপূর্বক মন্দির, গির্জা ইত্যাদিতে গিয়ে ইবাদত করত। মুসলিম
পূর্বেকার জামানায় যারা মু*র*তাদ হতো, তারা পুরোনো কোনো মিথ্যা ধর্ম গ্রহণপূর্বক মন্দির, গির্জা ইত্যাদিতে গিয়ে ইবাদত করত। মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মুসলিমদের থেকে সামাজিক, আর্থিক, রাজনৈতিক—সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করত। জীবনযাপন, আহার-খাদ্য, সভ্যতা-সংস্কৃতিতে পূর্ণ বৈপরীত্য ধারণ করত। ফলে বুঝা যেত যে, এর সাথে এখন থেকে মুসলিম সমাজ, কুরআন, ইসলাম বিশেষভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোনো সম্পর্ক নেই। বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা (প্রকাশিতব্য) লেখক: Abdullah Bin Bashir

যে যাই কউক, আমার ভিতরে কদ্দুর মালপত্র আছে আমি জানি। আত্মমুগ্ধতায় ভুগি না, এমনও না, তবে সেটার লিমিট আমার জানা আছে। সেই হিসেবে
যে যাই কউক, আমার ভিতরে কদ্দুর মালপত্র আছে আমি জানি। আত্মমুগ্ধতায় ভুগি না, এমনও না, তবে সেটার লিমিট আমার জানা আছে। সেই হিসেবে জীবনে অনেক অনেক বড় বড় ইলমি খিদমত করার ইচ্ছে বা পরিকল্পনা কোনোটাই করি নাই। জীবনী দুইটা মৌলিক কাজের স্বপ্ন ছিলো, এরমধ্যে একটা পশ্চিমা সভ্যতা, সেটা এবার বইমেলায় আসবে আশা করি। আরেকটা হলো ইসলামি শাসনব্যবস্থা। এখনো চার ভাগের এক ভাগও কাজ হয় নাই বইটার। আদৌ হবে কি না, সেটাও নিশ্চিত না৷ আজকে Ibrahim Khalil Fahim নিজে থেকে একটা প্রচ্ছদ করে পাঠাইলো। ভালো খারাপ জানি না। ভিতরের স্বপ্নটা আবার উকি দিয়ে উঠলো।

photo content

সিলেট ও রংপুরের ভাইদের সকাল-সন্ধ্যার আজকারের জন্য বলেছিলাম। যারা আগ্রহী তারা এই ছোট্ট বইটি বাইতুল মুকাররম বইমেলায় মাকতাবাতুল
সিলেট ও রংপুরের ভাইদের সকাল-সন্ধ্যার আজকারের জন্য বলেছিলাম। যারা আগ্রহী তারা এই ছোট্ট বইটি বাইতুল মুকাররম বইমেলায় মাকতাবাতুল কুরআনের স্টল থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। নিরাপত্তার দোয়ার জন্য দোয়াগুলো খুবই উপকারী।

আল-মাওসুয়াতুল মুফাসসালা ফিল ফিরাকি ওয়াল আদইয়ান গ্রন্থে প্রাচ্যবাদ সম্পর্কে বলা হয়, ‘প্রাচ্যবাদ হলো ইসলাম ও মুসলিম নিয়ে একদল অমুসলিম পশ্চিমা গবেষকদের—বিশেষত ইহুদি খ্রিষ্টানদের—অ্যাকাডেমিক গবেষণা। তারা ইসলামের বিভিন্ন দিক, তথা : আকীদা, শরিয়তের বিধি-বিধান, মুসলিমদের ইতিহাস, সভ্যতা-সংস্কৃতি, ভাষা-সাহিত্য এবং তাদের সম্পদ ও সক্ষমতা ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা করে। তাদের গবেষণার একমাত্র উদ্দেশ্য থাকে ইসলামকে বিকৃত করে মুসলমানদের মধ্যে ইসলামের ব্যাপারে সংশয় তৈরি করা এবং তাদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করে পশ্চিমের অধীনস্থ করা। সাথে সাথে জ্ঞানগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক গবেষণা ও আলোচনার মাধ্যমে সেই অধীনস্থতার যৌক্তিকতা প্রমাণ করা এবং মুসলিমদের মাঝে ইসলামি সভ্যতার তুলনায় পশ্চিমের সাংস্কৃতিক ও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বের ধারণা প্রতিষ্ঠা করা। বই: ইসলাম ও পশ্চিম সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫

সৌদি পাকিস্তানের চুক্তি হইছে—একদেশ আক্রান্ত হলে অন্যদেশ আক্রান্ত হিসেবে ধর্তব্য হবে। এক পাকিস্তানি এটা নিয়ে মন্তব্য করেছে—আজ থেকে পাকিস্তানের ঋণ সৌদির ঋণ বলে বিবেচিত হবে। . হাসতেই আছি। উভয় দেশের চুক্তি এমন ট্রলের বাহিরে আর বিশেষ আমাদের কোনো ফায়দাই দিবে না।

ওলামায়ে দেওবন্দের ইংরেজদের বিরুদ্ধে দারুল হরবের ফতুয়া নিয়ে আমার বন্ধু মফিজের ভালোলাগার শেষ নাই। দেওবন্দি আকাবীরদের অমর কীর্তি নামায় এটাকে সে বেশ উচ্ছাসের সাথেই পেশ করে। কিন্তু যখনই জি হা দিরা এই ফতোয়ার কথা বলে, তখনই বন্ধু আমার নগদ হাবিবুর রহমান আজমি আর লখনবীর ফতোয়া—ভারত ইংরেজ আমলেও দারুল ইসলাম ছিলো, সেদিকে নগদ পল্টি মারে। বন্ধুরে নিয়ে আর পারি না৷

১৯৮৯ সালে আলজেরিয়ায় ইসলামি শরিয়াহ প্রতিষ্ঠার দাবিতে একটি আন্দোলন শুরু হয়। ওই আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ—বিশেষ করে শায়খ আলি বালহাজ শরিয়াহ বাস্তবায়নের ডাক দিলে গোটা দেশে আন্দোলন ছড়িয়ে যায়। তার আবেগঘন বয়ান-বক্তৃতায় আলজেরিয়ার মুসলিমদের অন্তরে দীনের ভালোবাসা এতটা স্থান করে নেয় যে, তারা যেকোনো মূল্যে শরিয়াহ বাস্তবায়নের জন্য উঠে দাঁড়ায়। ওই সময় গোটা দেশে সিটি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। আলজেরিয়ার প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী যে দল সিটি নির্বাচনে জয়লাভ করবে, অবশ্যই পার্লামেন্ট নির্বাচনে সে দল জয়ী বিবেচিত হবে। শায়খ আলি বালহাজ কিছু সঙ্গী-সাথির পরামর্শ অনুযায়ী সিটি নির্বাচনে এ কারণে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন যে, যদি নির্বাচনের মাধ্যমে দীনদার শ্রেণি জয়ী হয়, তাহলে শরিয়ত বাস্তবায়নে কোনো বাধা থাকবে না। ১৯৯০ সালে সিটি নির্বাচনে গোটা দেশে শায়খ আলি বালহাজের দল Islamic Salvation Front ৭০% এর অধিক আসন লাভ করে। অতঃপর ১৯১৯ সালে পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্যায়েও তার দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। সরকার গঠনের শেষ পর্যায়ে তার দল ক্ষমতা গ্রহণের কথা ছিল। এমতাবস্থায় ১৯৯২ সালে ফ্রান্সের আলজেরীয় তাবেদার সেনাবাহিনী গোটা দেশে জরুরি অবস্থা চালু করে মার্শাল ল’ জারি করে। নির্বাচন মুলতবি করে এবং দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দলের শত শত নেতাকর্মীকে শহিদ করে। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ-সহ ৪০ হাজারের অধিক নেতাকর্মীকে আফ্রিকার বড় মরুভূমিতে বন্দি করে। শায়খ আলি বালহাজও গ্রেফতার হন এবং প্রায় ১৩ বছরের অধিক সময় জেলে কাটান। সেনাবাহিনী ক্রুসেডারদের ইশারায় শরিয়ত বাস্তবায়নের এই আন্দোলন জোরপূর্বক নির্মূল করে দেয় এবং বাহ্যিকভাবে ওই দল নিষেধাজ্ঞার শিকার হয়ে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই সবকিছুই জনসাধারণের সামনে স্পষ্ট করে দেয়, জালেম সেনাবাহিনী পশ্চিমাদের দালাল। তখন শীঘ্রই সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র জি-হা-দে-র দাওয়াত ছড়াতে আরম্ভ করে। অপরদিকে মুসলিমদের কাছে ইতিমধ্যে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ইসলাম প্রতিষ্ঠার দাবি মরীচিকা ছাড়া আর কিছু নয়। উদ্বিগ্ন ও বিক্ষুব্ধ জনসাধারণ দলে দলে পাহাড়ে-পর্বতে-মরুভূমিতে এবং জঙ্গল অভিমুখে যাত্রা করে। তারা সুশৃঙ্খল গেরিলা যুদ্ধ শুরু করে। সেনাবাহিনী এবং সেনা সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরম্ভ করে। দ্রুততার সাথে জিহাদ বিস্তার হতে থাকে। গোত্রের পর গোত্র মুজাহিদদের সমর্থন ও সাহায্য করতে থাকে। সেনাবাহিনীর মাঝে যাদের মধ্যে ঈমানি জজবা ছিল, তারাও চাকরি ছেড়ে মু-জা=হি দ দের অন্তর্ভুক্ত হতে আরম্ভ করেন। উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে।

প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ ও আখেরাতকে বাদ দিয়ে জীবনকে দেখার যে এক নতুন ধারা, সেটাই হলো মডার্নিজম বা আধুনিকতাবাদ। নওমুসলিম মরিয়ম জামিল
প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ ও আখেরাতকে বাদ দিয়ে জীবনকে দেখার যে এক নতুন ধারা, সেটাই হলো মডার্নিজম বা আধুনিকতাবাদ। নওমুসলিম মরিয়ম জামিলা বড় সুন্দর বলেছেন, ‘কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই আধুনিক মতাদর্শ অতীন্দ্রিয় মূল্যবোধকে অস্বীকার করে। অপর কথায়, সত্য নির্ণয়নের কোনো চূড়ান্ত মাপকাঠি নেই; বরং সততা, নৈতিক মূল্যবোধ আপেক্ষিক বিষয়। সময়, স্থান ও অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের যথার্থতা সীমিত। “ওহী”-ভিত্তিক সমাজব্যবস্থাকে মডার্নিষ্টরা গতিহীন এবং অসার বলে অভিহিত করে। বই: ইসলাম ও পশ্চিম সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫

মুফতি ইয়াসির নাদিম আলওয়াজেদি হাফিজাহুল্লাহের দরসর সংকলন 'সাইন্টিজম। পিডিএফ ফাইলের প্রথম পৃষ্ঠায় 'সিনের' পর একটা 'ইয়া' অতিরিক্ত যুক্ত হয়ে গেছে যা ভুল। কোনোভাবেই এটা কাটতে পারতেছি না।

শায়খ আবু সাইয়াফ একবার আমাকে এক বিস্ময়কর ঘটনা শুনিয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমি তখন চিকিৎসা পয়েন্টে ছিলাম, চিকিৎসক ভাইদের কাজে সাহায্য করছিলাম। এমন সময় একদল মুজাহিদ পেছন দিক থেকে ধাওয়া করে সব রুশ সৈন্যদের বন্দি করে নিয়ে এল। ভাইয়েরা যখন বন্দিদের সামনে আনলেন, তখন মুজাহিদরা তাদেরকে প্রশ্ন করলেন, তোমরা বন্দি হওয়ার সময় একটিও গুলি চালালে না কেন? বিস্মিত বন্দিরা জবাব দিল, আমরা যখন তাদের দিকে তাকাই, তখন এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখি। তারা আমাদের চোখে ছিল বিশাল, দীর্ঘদেহী, সাদা পোশাক পরিহিত। তাদের গলা আকাশ ছুঁয়ে যাচ্ছিল, তাদের হাতে ছিল তলোয়ার। আমরা ভয়ে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম, তাই কোনো ফায়ার করতে পারিনি। ভাইয়েরা তখন অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তারা কোথায়? কি এখনো আমাদের সামনে আছে? বন্দিরা বলল, না, তারা আড়ালে চলে গেছে। এখন আমাদের সামনে নেই। ভাইয়েরা আবার জিজ্ঞেস করলেন, তারা কি সেই ভাইয়েরা, যারা তোমাদের বন্দি করেছে? না-কি তারাই মুজাহিদদেরকে তোমাদের আটক করার নির্দেশ দিয়েছে? বন্দিরা উত্তর দিল, না, যারা আমাদের বন্দি করেছে তারা তো মানুষ। কিন্তু যাদের আমরা দেখেছিলাম, তারা অন্য কেউ। তারা ছিল অদ্ভুত আকৃতির, ভয়ঙ্কর শক্তিধর কেউ। তখন ভাইয়েরা বুঝতে পারলেন, তারা ছিলেন আল্লাহর ফেরেশতা। আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহে ফেরেশতারা রুশ সৈন্যদের তাড়িয়ে এনে বন্দি করে দিয়েছেন। এটি ছিল সেখানকার মু-জা-হি-দ ভাইদের জন্য ঘটে যাওয়া একটি কারামাত। ময়দানে এমন হাজার হাজার কারামত কিংবা অলৌকিক ঘটনাবলি ঘটেছিল। শায়খ উ-সা-মা বিন লা den রাহিমাহুল্লাহর স্মৃতিচারণের অংশ। প্রকাশিতব্য বই 'উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা' থেকে।

আল্লাহু আকবর! প্রিয় তালেবে ইলম ভাইরা! দীনটাকে বিকৃত কইরেন না, কোথা থেকে যে আওয়াজ উঠবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। . কত সহজ এই দীন, যে রব আমার জীবনের যাবতীয় বিধান দিয়েছে, তিনি আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিধান দিতে পারবেন না?

কথাগুলো এভাবে আর কতজন বলতে পারে!? . আল্লাহ ভাইকে অবিচল রাখুক, যেমনটা তার অসংখ্য নেক বান্দাদের রেখেছেন।

উস্তাদ আহমাদ ফারুক রহ.-এর সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিল কুরআনে কারিম। তিনি কুরআনের তিলাওয়াত করতেন তিলাওয়াতের যথার্থ পন্থায়। এক আয়াত নিয়ে চিন্তা করতেন, এরপর সামনে অগ্রসর হতেন। কুরআনের আয়াত থেকে দৈনন্দিন জীবনে শিক্ষা নেওয়া ছিল তার স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য। যখন কুফফার জোট ও মুনাফিক পাক-বাহিনী মিলে আ-ল-কা-য়ে-দা উপমহাদেশের কেন্দ্রগুলোতে ড্রোন হামলা করতে থাকে, তখন অনেক সাথিই শহিদ ও বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। তার ওপর মু-জা-হি-দ-দে-র প্রিয় নেতা হাজি অলিউল্লাহ ইমরান সিদ্দিকি রহ.-এর শাহাদাতের সংবাদ এলে অনেকেই শোকে ও দুশ্চিন্তায় ডুবে যায়। এ অবস্থায় উস্তাদ আহমাদ ফারুক রহ. কুরআন থেকেই তাদেরকে উজ্জীবিত করে এক পত্রে লেখেন, ‘আপনি নিম্নোক্ত আয়াত নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করুন এবং দেখুন আয়াতের উদ্দেশ্য কী : فَأَثَابَكُمْ غَمًّا بِغَمٍّ لِّكَيْلَا تَحْزَنُوا عَلَىٰ مَا فَاتَكُمْ وَلَا مَا أَصَابَكُمْ. ‘অতঃপর তোমাদের ওপর এলো শোকের ওপরে শোক, যাতে তোমরা হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়া বস্তুর জন্য দুঃখ না করো এবং যার সম্মুখীন হচ্ছ সেজন্য বিমর্ষ না হও।’ এই আয়াতে ‘শোকের ওপর শোক’ অংশের নিচে দাগ টেনে তিনি বলেন, ‘দেখুন ভাই, আল্লাহ তাআলা এক কষ্টের পর আরেক কষ্ট পাঠাচ্ছেন, যেন আমরা আল্লাহর তাকদিরের প্রতি রাজি হয়ে যাই এবং আমাদের মাঝে কোনো দুঃখ-কষ্ট না থাকে। দুনিয়াতে কোনো কিছুর প্রতি ভালো লাগা যেন শুধু আল্লাহর জন্যই হয়। আল্লাহ আমাদেরকে যখন যেভাবে রাখেন, তাতেই যেন আমরা সন্তুষ্ট থাকি।’ প্রকাশিতব্য বই 'উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা' থেকে।

ইতিহাস ও বৈশিষ্ট্যের আলোকে মডার্নিজমের যে পরিচয় আমাদের সামনে ফুটে উঠে তা সংক্ষিপ্ত শব্দে উঠে এসেছে পাকিস্তানি গবেষক ড. আহমদ নাদিমের লেখায়। তিনি লেখেন, ‘মডার্নিজম বা আধুনিকতা হলো এমন আলোকায়ন ও মানবতাবাদ, যা ঐশি যেকোনো সত্তা ও ঐতিহ্যের কর্তৃত্বকে অস্বীকার করে। এটি কেবল আকল ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকেই চূড়ান্ত কর্তৃত্ব হিসেবে মেনে নেয়। আর তা এই ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত যে, মানুষই হলো স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং তার আকলই হলো সত্যের একমাত্র উৎস।’ . বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫