ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 300 подписчиков, занимая 8 141 место в категории Религия и духовность и 2 028 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 300 подписчиков.

Согласно последним данным от 23 июня, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 85, а за последние 24 часа — 5, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 19.42%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 7.99% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 2 194 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 903 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 48.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 24 июня, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 300
Подписчики
+524 часа
+357 дней
+8530 день
Архив постов
আমার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জমানো পানির ছোট্ট একটি পুকুর... . ভাষার অযোগ্যতা যে কত পীড়াদায়ক, না পারছি যোগ্যতা অর্জন করতে, আর না পারছ
আমার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জমানো পানির ছোট্ট একটি পুকুর... . ভাষার অযোগ্যতা যে কত পীড়াদায়ক, না পারছি যোগ্যতা অর্জন করতে, আর না পারছি একবারে ছেড়ে দিতে...! . অনেক স্বপ্ন ও কিছু পরিশ্রমের একটি কাজ। জানি না কবে তাকে মানুষের কাছে পৌঁছানোর উপযুক্ত করতে পারবো! . বি. দ্র. প্রচ্ছদটা নীলক্ষেতওয়ালারা করে দিছে! সম্ভবত বাংলা একটা বইয়ের প্রচ্ছদের সাথে মিলে যায়।

মুসলমান হওয়ার দাবিদার অসংখ্য মানুষের মুখে প্রতিদিন অজান্তে যেসকল কুফরি উক্তি উচ্চারিত হয়, ইমান ও বিবাহ নবায়ন করার জন্য যেগুলো
মুসলমান হওয়ার দাবিদার অসংখ্য মানুষের মুখে প্রতিদিন অজান্তে যেসকল কুফরি উক্তি উচ্চারিত হয়, ইমান ও বিবাহ নবায়ন করার জন্য যেগুলো থেকে তাওবা করার কোনো বিকল্প নেই, ১১টি শিরোনামে তেমন প্রায় ৫০০টি উক্তির বিবরণ এবং ৭৭টা বিদআত, ৪৫৪টা কবিরা-গুনাহ ও ৫০টা সগিরা-গুনাহের তালিকা, এ পুস্তিকায় সন্নিবেশিত হয়েছে। তাই পুস্তিকায় উল্লিখিত কুফরসমূহের বিবরণ ও গুনাহের তালিকার প্রতি আমাদের দৃষ্টি থাকা জরুরি। অন্যথায় আল্লাহর তাওফিকে যেসকল ভাগ্যবান মানুষের মধ্যে খাঁটি তাওবা করার পেরেশানি আছে, না-জানার কারণে অসংখ্য কুফরি ও গুনাহ থেকে তাঁদের তাওবা না করার আশঙ্কা আছে। তাই আসুন, আমরা পুস্তিকাটি পাঠ করে কুফর, বিদআত ও গুনাহ সম্পর্কে অবগত হই। তদ্রূপ যারা এ সকল বিচ্যুতি ও গোমরাহি থেকে মুক্ত, নিজেরা কার্যত তাঁদের মতো হওয়ার জন্য, তাঁদের সঙ্গেও যুক্ত থাকি। আশা করি পুস্তিকাটি মাদরাসাগুলোতে হিদায়াতুন নাহব জামাতে নিসাবভুক্ত করে নেওয়া উপযোগী হবে : উস্তাদগণ প্রথমে শিক্ষার্থীদেরকে বিষয়টির সঙ্গে সাধারণ সম্পর্ক করিয়ে দেবেন। তারপর তাঁদের তত্ত্বাবধানে ছাত্র/ছাত্রীরা নিজেরা বিস্তারিত পাঠ করবে এবং পরীক্ষা দেবে। আল্লাহ তাওফিকদাতা। প্রকাশ: রাহনুমা প্রকাশনী

ইরানের কিছু হলে পাকিস্তান ধ্বংস হয়ে যাবে...
ইরানের কিছু হলে পাকিস্তান ধ্বংস হয়ে যাবে...

আবু দুজানা আল খোরাসানী . একজন সাধারণ ডাক্তার। যে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ইন্টেলিজেন্স সিআইএর পুরো একটা স্টেশন উড়িয়ে দিয়েছে। যেখানে আমেরিকার শীর্ষ ছয়জন অফিসারসহ ব্ল্যাকওয়াটার মারা গেছে। কামরান ফারিদি পর্যবেক্ষণ হলো, আমেরিকা কখনোই আফগানিস্তানে পরাজয় বরণ করতো না, যদি না সেই স্টেশন ধ্বংস না হতো! মজার বিষয় হলো এত বড় ধামাকা করতে যে খরচ হয়েছে, এই পুরো খরচ এই ডাক্তার সাহেব সিআইএ থেকেই নিয়েছিলো, তাদের এজেন্ট হয়ে কাজ করার জন্য। . পডকাষ্টে যিনি পুরো আলোচনা করেছেন তার নাম কামরান ফারিদি। একজন পাকিস্তানি। আমেরিকান গোয়ান্দা বিভাগ এফবিআইয়ের জন্য কাজ করতো। ডাবল এজেন্ট হিসেবেই নাকি কাজ করেছে সারাজীবন। তার পুরো জীবন নাকি কেটেছে বিভিন্ন জি হা দি সংগঠনের সাথে কাজ করে। সে এভাবে কাজ করে আমেরিকার কাছে তথ্য পাচার করতো! . আবু দুজানা একই সাথে ট্রিপল এজেন্ট হয়ে কাজ করেছে! . সিআইএ আবু দুজানাকে এতই বিশ্বাস করেছিলো যে সিআইএ ডা. আইমানকে ধ্বংস করার মিশন দিয়েছিলো তাকে। . আবু দুজানা কোয়ার্টারে হামলার পূর্বে একটি ভিডিও রেকর্ড করে, সেখানে তিনি বলেন, শায়খ! আমি শুধু এতটুকুই চাই না, আমি আমি আমার শরীরের বোম লাগিয়ে সিআইএকে ধ্বংস করে দিবো আমি আমি আল্লাহর কাছে এই দোয়া করি, আমার প্রতিটি হাড্ডির কনা যেনো বোম হয়ে ওদেরকে ধ্বংস করে দেয়। পরিবর্তিতে পোষ্টমর্টামে এটা পাওয়া গেছে, সিআইএর স্টেশন হেডের মৃত্যু হয়েছে হাড্ডি তার শরীরে ঢুকে গেছে। . পুরো পডকাস্টেই অসংখ্য বিষয় রয়েছে, নুরানী-কায়দা কীভাবে কাজ করে, কীভানে রিক্রুট করে, নুরানীর সাথে আইএসআইয়ের পার্থক্য। সিআইএ, এফবিআইয়ের কাজের কিছু ধরন, জর্ডানের গোয়ান্দা বিভাগ কতটা ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে ইত্যাদি। . এই পডকাস্টের লিংক : https://youtu.be/eS8ZmovY7vo?si=az8SNk-qac_BeUWP . পডকাস্টের এই লোক সিরিয়াতে লম্বা সময় এফবিআইয়ের হয়ে জি*হা*দে অংশগ্রহণ করেছে। বহু বছর সে ডাবল এজেন্ট হিসেব নুয়ারী-কায়দায় ছিলো (তার বক্তব্য মতে)। সে নুরাকীকে কাছ থেকে দেখেছে। সে দেখা সম্পর্কে তার কিছু মূল্যায়ন সে নীচের এই পডকাস্টে করেছে। পডকাস্টে কায়দার অতিত বর্তমান ও ভবিষ্যত সংক্রান্ত অনেক আলোচনা আছে। অবশ্যই ফিল্টার করে কথাগুলো নিতে হবে। অবশ্যই শুনতে পারেন। লিংক: https://youtu.be/t9uYCUwTBJ8?si=DUY3NIOxQQ7crUMB

হাজারো জামাতি ভাইদের মনের কথা এটাই। কিন্তু সাহস করে বলতে পারে না।
হাজারো জামাতি ভাইদের মনের কথা এটাই। কিন্তু সাহস করে বলতে পারে না।

আমি ও আপনার সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্য শাসকদের অপছন্দ করা এবং এই মুহুর্তে ও অন্যান্য সময় সেটা নিয়ে লেখালেখি করা এবং ইরান প্রমী শিয়া মালউন ও শিয়া সমর্থকগুলোর সমালোচনা করা এক নয়। ইরানপ্রেমী শিয়া মালউনগুলো আজ মৌলিক যে কারণে সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের শাসকগুলোর ধ্বংস কামনা করছে, ওদের চরিত্রহনন করে পোষ্টে দিচ্ছে, সেই একই কারণে এরা আপনাদেরও ধ্বংস কামনা করা ও ধ্বংস করতে এক পাও পিছপা হবে না। সুতরাং ইরানপ্রেমী শিয়া ছুপা শিয়াগুলোর থেকে সাবধান।

সম্প্রতি আফগান সরকার এক যুগন্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে- কোন সরকারী চাকুরিজীবি যদি আফগানিস্তানের বাইরে তার কোন সন্তানকে পড়াশোনা করতে পাঠায় তবে তাকে চাকুরি ছাড়তে হবে। এর কারণ হিসাবে আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হাক্কানি টোলো নিউজকে জানান যে বিগত ঘানি সরকারের আমলে, সরকারি আমলারা - প্রথমে তাদের সন্তানদের বিদেশে পাঠাত উচ্চ শিক্ষার জন্য। এরপর তারা তাদের সম্পদ সেখানে পাঠাত। এরপর সেখানে বাড়ি, ঘর কিনত। সন্তানরা সেখানে নাগরিকত্ব নিত। এরপর সুবিধামত সময়ে তারা আফগানিস্তান ছেড়ে দুবাই, আমেরিকা, কানাডা, সুইডেনে পাড়ি জমাত। এভাবে দেশের সম্পদ পাচার হত। কিন্ত এখন থেকে কারোর যদি পরিবারের সদস্যদের বাইরে পাঠানোর ইচ্ছা থাকে তবে যেন সে আগে আফগান জনগণের চাকুরি ছেড়ে দেয়। এটা ইসলামিক আমিরাত, এটা রিপাবলিক না। জনগণের কাছে আমাদের দায় আছে। এই নিয়ম শুধু সরকারি চাকুরিজীবি না বরং সকল আফগান রাজনীতিবিদ যারা সরকারের অংশ তাদের ব্যাপারেও প্রযোজ্য হবে। যেসব আমলারা বাংলাদেশের বাইরে সেকেন্ড হোম গড়ে তুলছে, বিপদে পড়লেই লন্ডনে বা আমেরিকায় পালিয়ে যায়, তারা কি এই দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা চালানোর যোগ্য? আফগানিস্তানের মতো বাংলাদেশেও এমন একটা আইন করা দরকার যাতে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ এবং আমলাদের সন্তানরা দেশের বাইরে গিয়ে পড়ালেখা করতে না পারে। এতে করে আমাদের শিক্ষার মান যেমন বাড়বে, তেমনি আরও উন্নত হবে শিক্ষা ব্যবস্থা। পাশাপাশি বিদেশে টাকা পাচার বন্ধ হবে এবং দুর্নীতি কমবে। Meer Zahan

পৃথিবীর আর কোনো রাষ্ট্রের কোমরে এই জোর আছে? কোমরের এই জোরের জন্য দরকার ঈমানি শক্তি ও একদল মুজাহিদ! কথিত গণতন্ত্র দিয়ে মুসলমান
পৃথিবীর আর কোনো রাষ্ট্রের কোমরে এই জোর আছে? কোমরের এই জোরের জন্য দরকার ঈমানি শক্তি ও একদল মুজাহিদ! কথিত গণতন্ত্র দিয়ে মুসলমানরা কখনোই এই শক্তি অর্জন করতে পারবে না।

যিনার শাস্তি পাথর নিক্ষেপে হত্যা ও হযরতের ওমরের আশংকা! সহিহ মুসলিমের একটি রিওয়ায়েত দেখুন, عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَهُوَ جَالِسٌ عَلَى مِنْبَرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ قَدْ بَعَثَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم بِالْحَقِّ وَأَنْزَلَ عَلَيْهِ الْكِتَابَ فَكَانَ مِمَّا أُنْزِلَ عَلَيْهِ آيَةُ الرَّجْمِ قَرَأْنَاهَا وَوَعَيْنَاهَا وَعَقَلْنَاهَا فَرَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرَجَمْنَا بَعْدَهُ فَأَخْشَى إِنْ طَالَ بِالنَّاسِ زَمَانٌ أَنْ يَقُولَ قَائِلٌ مَا نَجِدُ الرَّجْمَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَيَضِلُّوا بِتَرْكِ فَرِيضَةٍ أَنْزَلَهَا اللَّهُ وَإِنَّ الرَّجْمَ فِي كِتَابِ اللَّهِ حَقٌّ عَلَى مَنْ زَنَى إِذَا أَحْصَنَ مِنَ الرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ إِذَا قَامَتِ الْبَيِّنَةُ أَوْ كَانَ الْحَبَلُ أَوْ الاِعْتِرَافُ . আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মিম্বরের উপর বসা অবস্থায় বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা মুহাম্মাদ (ﷺ) কে সত্য ধর্ম সহকারে প্রেরণ করেছেন এবং তার উপর কিতাব (কুরআন) অবতীর্ণ করেছেন। আল্লাহর নাযিলকৃত বিষয়ের মধ্যে آيَةُ الرَّجْمِ (ব্যভিচারের জন্য পাথর নিক্ষেপের আয়াত) রয়েছে। তা আমরা পাঠ করেছি, স্মরণ রেখেছি এবং হৃদয়ঙ্গম করেছি। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (ব্যভিচারের জন্য) রজম (এর হুকুম বাস্তবায়িত) করেছেন। আমি ভয় করছি যে, দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর কেউ একথা হয়তো বলবে যে, আমরা আল্লাহর কিতাবে (ব্যভিচারের শাস্তি) রজমের নির্দেশ পাচ্ছি না। তখন আল্লাহ কর্তৃক নাযিলকৃত এই ফরয কাজটি পরিত্যাগ করে তারা মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করে ফেলবে। নিশ্চয়ই আল্লাহর কিতাবে বিবাহিত নর-নারীর ব্যভিচারের শাস্তি رجم (পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা) এর হুকুম বাস্তব বিষয়। যখন সাক্ষ্য দ্বারা তা প্রমাণিত হয়, কিংবা গর্ভ প্রকাশ পায়, অথবা (সে নিজে) স্বীকার করে। -সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৪২৭১, কিতাবুল হুদুদ, বাবু রজমিস সাইয়িবি ফিজ জিনা //আমি ভয় করছি যে, দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর কেউ একথা হয়তো বলবে যে, আমরা আল্লাহর কিতাবে (ব্যভিচারের শাস্তি) রজমের নির্দেশ পাচ্ছি না। তখন আল্লাহ কর্তৃক নাযিলকৃত এই ফরয কাজটি পরিত্যাগ করে তারা মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করে ফেলবে।// আল্লাহ হযরত ইউসুফ কারযাবিসহ মিশরের ঐ সকল আলেমদের ক্ষমা করুক। যারা ইসলামের এই স্পষ্ট বিধানকে অনিসলামি বলে মত দিয়েছেন!

❤️
❤️

একটা বিষয় এখন থেকেই সতর্ক হওয়া দরকার, . সম্প্রতী ফিফার কিছু এক্টভিটি সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে, সে থেকেই আমার বিষয়টি মনে হলো। আগামী ফুটবল বিশ্বকাপ হবে আমেরিকা ও কানাডায়। আর এই বিশ্বকাপ শুধুই বিশ্বকাপ হবে না, হবে কওমে লুত ও আধুনিক কওমে লুত ট্রা...গন্ডারকে বিশ্বব্যাপি নরমাল ও প্রচার করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। আর সেজন্য শয়তানের সরাসরি দোষরদের এখন থেকে (যদিও আরো বহু আগে থেকেই) দৌড়ঝাপ শুরু হয়েছে। যদি মুসলিম উম্মাহের সন্তানরা এখন থেকেই এই বিষয়ে সতর্ক না হন, তাহলে বিশ্বকাপের আগ মুহুর্তে আর চলাকালিন সময়ে দৌঁড়ঝাপ খুব বেশি কাজে আসবে না। . তাই সকল মুসলিম দায়ী ও আলেমদের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকবে এখন থেকেই নিজেদের কাজকে সাজাতে না পারলে এই ধ্বংস থেকে আমি আপনি কেউ বাঁচতে পারবো না। . প্রথম কাজ হলো এখন থেকেই যুবসমাজকে সাধ্যমতে খেলা দেখা থেকে বিরত রাখা, পুরো চার বছর যে খেলা দেখার চূড়ান্ত নেশা নিয়ে ছেলেটা লীগের খেলা দেখে বেড়ে উঠবে তাকে হঠাৎ সে নেশা থেকে বারণ করলে উলটো রিয়েকশন হতে পারে। দ্বিতীয়ত, কা*ফে(রদের সাথে ওয়ালা-বারার মাসআলাগুলো খুব আলোচনা করুন, তারা আমাদের চিরশত্রু, তাদের প্রতি মুগ্ধতা, ভালোবাসা, তাদের উপর ভরসা, তাদের কল্যাণকামী মনে করা এর কোনোটারই সুযোগই ইসলামে নেই, এই মাসআলাগুলো খুব বলেন। তৃতীয়, পশ্চিমা প্রতিটি আইডোলজিকে--সে*কু, লিবার, হিউম্য.. ইত্যাদি গোড়া থেকে বুঝার চেষ্ঠা করেন ও মানুষকে বুঝান, কারণ তারা ঠিক ঐ শব্দগুলো দিয়েই আপনার ঈমানকে নষ্ট করবে যা গত দুই-একশো বছর ধরে করছে। চতুর্থ, উপরের বিষয়গুলো বুঝে এমন দ্বীনের লাইনে এগিয়ে আসা ভাইরা প্রত্যেকেই যার যার জায়গা থেকে আরো এগিয়ে আসুন দ্বীনকে দুনিয়ার বুকে বিজয়ের করার মেহনতে। কারণ এই চতুর্মুখি ফিতনায় দ্বীনকে বিজয় করার মাধ্যমে আপনি যতটা নিরাপদ থাকতে পারবেন ও রাখতে পারবেন তা আর কিছুর মাধ্যমেই সম্ভব না। এজন্য দাওয়াত, তালিম, তাজকিয়া, জি*হা*দ, হার লাইনের প্রতিটি ব্যক্তিই নিজ জায়গা থেকে একটু এগিয়ে আসুন, আরেকটু সামনে বাড়ুন, কুরবানির আরো বড় নাজরানা দেয়ার জন্য তৈরি করুন। . আল্লাহ আমাদের সকলকে দ্বীনের জন্য কবুল করে নিক। আমীন।

জামাতের ভাইরা যে পরিমান শিয়াপ্রীতি দেখাচ্ছে, এখন কিন্তু কেউ বলছে না, থাক, এই আলোচনা বাদ্দেন! দিন শেষে কথা হলো, শিয়াদের আকিদার
জামাতের ভাইরা যে পরিমান শিয়াপ্রীতি দেখাচ্ছে, এখন কিন্তু কেউ বলছে না, থাক, এই আলোচনা বাদ্দেন! দিন শেষে কথা হলো, শিয়াদের আকিদার ভ্রান্তি স্পষ্ট করলে শিয়াদের গোমরাহি নিয়ে কথা বললে জাশির একটা বড় অংশের কষ্ট লাগে! এর বড় কারণ, এদের আকিদার দুর্বলতা!

মাকতাবাতুল ইত্তিহাদ থেকে প্রকাশিত মাওলানা মাহদি ভাইয়ের এই বইটি এখন প্রচার হওয়া খুবই বেশি প্রয়োজন। খুব মানি খুব।
মাকতাবাতুল ইত্তিহাদ থেকে প্রকাশিত মাওলানা মাহদি ভাইয়ের এই বইটি এখন প্রচার হওয়া খুবই বেশি প্রয়োজন। খুব মানি খুব।

মসুলে যখন দায়েসে বিরুদ্ধে আমেরিকা এবং ইরান ও তাদের প্রক্সিরা স্কর্চড আর্থ নীতিতে যুদ্ধ করছিলো তখন আপনারা কার পক্ষে ছিলেন? আবু বকর বোগদাদিকে যখন আমেরিকান খুন করে তখন আপনারা কার পক্ষে ছিলেন? তখন কি বলেছিলেন সুন্নি-খারেজি ভাই ভাই? খারেজিরাতো কাফের না। ফলে কে কে খারেজি কে সুন্নি দেখার সময় নাই। তখন কি বলেছিলেন এই মুহুর্তে অন্তত খারেজিদের বিরুদ্ধে না বলি? যখন আল কায়েদা বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে ফালুজাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয় এমনকি লোয়ার গ্রেডের (সম্ভবত ৪০%)  ডিপ্লিটেড ইউরেনিয়াম পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছিলো তখন কি আপনারা আল কায়েদার পক্ষে ছিলেন? তাহলে কেন আজ সবাইকে শিয়া-সুন্নি ঐক্য করতেই হবে? কেন আহমাদ আল সারাহকে পাঁচ লক্ষ শুহাদার রক্ত ভুলে ইরানের ডিফেন্সে নিজের রাজ্য কুরবানি করতে হবে? কাছাকাছি ধরনের যুক্তি যদি জর্ডানের দালাল রাজা, সৌদি পঁচে যাওয়া যুবরাজরা তুলে ধরে তাহলেই কিভাবে তেলে বেগুনে জলে উঠবেন? আমি নিশ্চিত শিয়া-সুন্নি ঐক্যের উচ্ছ্বসিত সমর্থক একজনও এই প্রশ্নের উত্তর দিবে না। যদি একান্তই কেউ জবাব দেয় তবে সেই থার্ডক্লাশ ষড়যন্ত্র তত্ত্বটুকুই (একিউ, দায়েশ আমেরিকার সৃষ্টি) বলবে। এর বাইরে একটা বাক্যও তারা কখনো বলবে না। ©

Repost from Meer Salman
মসুলে যখন দায়েসে বিরুদ্ধে আমেরিকা এবং ইরান ও তাদের প্রক্সিরা স্কর্চড আর্থ নীতিতে যুদ্ধ করছিলো তখন আপনারা কার পক্ষে ছিলেন? আবু বকর বোগদাদিকে যখন আমেরিকান খুন করে তখন আপনারা কার পক্ষে ছিলেন? তখন কি বলেছিলেন সুন্নি-খারেজি ভাই ভাই? খারেজিরাতো কাফের না। ফলে কে কে খারেজি কে সুন্নি দেখার সময় নাই। তখন কি বলেছিলেন এই মুহুর্তে অন্তত খারেজিদের বিরুদ্ধে না বলি? যখন আল কায়েদা বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে ফালুজাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয় এমনকি লোয়ার গ্রেডের (সম্ভবত ৪০%) ডিপ্লিটেড ইউরেনিয়াম পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছিলো তখন কি আপনারা আল কায়েদার পক্ষে ছিলেন? তাহলে কেন আজ সবাইকে শিয়া-সুন্নি ঐক্য করতেই হবে? কেন আহমাদ আল সারাহকে পাঁচ লক্ষ শুহাদার রক্ত ভুলে ইরানের ডিফেন্সে নিজের রাজ্য কুরবানি করতে হবে? কাছাকাছি ধরনের যুক্তি যদি জর্ডানের দালাল রাজা, সৌদি পঁচে যাওয়া যুবরাজরা তুলে ধরে তাহলেই কিভাবে তেলে বেগুনে জলে উঠবেন? আমি নিশ্চিত শিয়া-সুন্নি ঐক্যের উচ্ছ্বসিত সমর্থক একজনও এই প্রশ্নের উত্তর দিবে না। যদি একান্তই কেউ জবাব দেয় তবে সেই থার্ডক্লাশ ষড়যন্ত্র তত্ত্বটুকুই (একিউ, দায়েশ আমেরিকার সৃষ্টি) বলবে। এর বাইরে একটা বাক্যও তারা কখনো বলবে না।

মনের মধ্যে উকি দেওয়া একটা সম্ভবনার কথা বলি, ভুলও হতে পারে, এবং দোয়া করি যেনো ভুলই হয়। বিশেষত, আকসার আশপাশে কয়েকটি মিজাইল আঘাত হানার পর মাথায় এটা বারবার শুধু আসতেছে। ইরানের সাথে এই যুদ্ধের পুরো পায়তারা হলো মসজিদুল আকসাকে এক উসিলায় ভেঙ্গে ফেলা! ধরেন, ইরানের কোনো মিজাইল গিয়ে আকসায় পড়বো, বা ইহুদিদের যে স্বভাব, তারাই একটা মিসাইল মেরে আকসা উড়িয়ে দিলো, আর নাম দিলো ইরানের। আর সেটার জের ধরে নতুন ভবন নির্মান.... বিশ্ববাসীকে দেখানোর জন্য, ইহুদিরা নিজেদের লোকদের হত্যা করানোর ইতিহাস বহু পুরোনো। তাই সম্ভাবনাটা হুদাই শুধুই মাথায় আসতেছে। . এটা হুদাই একটা সম্ভবনা, যা ইহুদি ও শিয়াদের ইতিহাসের স্বভাব থেকে মাথায় আসছে। কোনো ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা কিছুই না।

এত স্পর্শকাতর একটি নিউজ মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি জাতীয় দৈনিক কাভার করেছে! কল্পনা করা যায়?! অথচ এই নিউজটি হওয়ার কথা ছিলো এই দেশের টানা কয়েকদিনের মূল ফোকাস! https://youtu.be/49yvT8l-tmE?si=0WL6YNZ3-fuLOwyl

এই দুইটা ভিডিও অবশ্যই পুরোটা দেখবেন সময় করে, চিন্তা করে। বৈশ্বিক বিষয়ের অনেক বিষয়ই বুঝতে সহায়ক হবে। প্রথম পর্ব : https://www.facebook.com/share/v/16b1M7ocSG/ দ্বিতীয় পর্ব : https://www.facebook.com/share/v/16ghNTHQJw/

জামে তিরমিজিতে একটি রিওয়ায়েত আছে, আল্লাহ কিছু গুনাহের কারণে মানুষের চেহারা বিকৃতি করে দিবেন। তবারানির এক রিওয়ায়েতে চেহারা বিকৃতির এই বিষয়টি শেষ জামানায় হবে বলা হয়েছে। হাদিসের ব্যাখ্যায় কেউ কেউ বলেছেন, বানর বা শুকরের আকৃতি দিয়ে দিবেন আল্লাহ। . এই হাদিসগুলো মূলত গুনাহের শাস্তি স্বরূপ। অর্থাৎ কিছু মানুষ গুনাহ করলে আল্লাহ এই শাস্তি দিবেন। সাথে এটাও উদ্দেশ্য যে, অল্প কিছু মানুষের এই শাস্তি দেখে পৃথিবীর অন্যরা যেনো আল্লাহমুখী হয়। . একটা বার কল্পনা করেন, গুনাহের কারণে আল্লাহ কিছু মানুষের চেহারাকে বিকৃত করে বানর, শুকর বা ইত্যাদি আকৃতি দিয়ে দিলেন। অন্যদিকে পুরো পৃথিবী এই আজাব দেখে শিক্ষা গ্রহণ না করে উলটো আল্লাহকেই অস্বীকার করে বসলো? তারা পুরা দুনিয়া ব্যাপী বিবর্তনবাদের কুফরকে প্রচার শুরু করলো—মানুষও ধীরে ধীরে বিবর্তন হচ্ছে! কল্পনা করে দেখুন, আল্লাহর আজাবের ভয় দেখিয়ে আলেম ও দায়ীরা মানুষকে আল্লাহমুখী হওয়ার আহবান করছে, আর একদল নিকৃষ্ট মানুষ পুরো পৃথিবীর সকল মিডিয়া শক্তি দিয়ে আল্লাহর আজাবকেই কুফরের দিকে আহবানের বিরাট দলিল বানিয়ে প্রচার করছে। আর তাতে অন্যতম অংশিদা পৃথিবীর লাখো মুসলিম পরিচয় দানকারী! . এই যে ধারণা, এটা একদমই অমূলক নয়। আজকে সারা পৃথিবীর মুসলিম-অমুসলিম সকলকেই বিবর্তনবাদ পড়া হচ্ছে। এবং এমনভাবে পড়ানো হচ্ছে যে, এটাই চূড়ান্ত সত্য। বিজ্ঞানের উপর ঈমান আনা, বিজ্ঞানের সিন্ধান্তকেই চির সত্য বিশ্বাস করা, বিজ্ঞান দিয়ে ইসলামকে যাচাই করা, এই পুরো শ্রেণীর ঈমানের তখন কী হালত হবে তা চিন্তাও করা হয়তো আমাদের পক্ষে সম্ভব না। . পশ্চিমা সভ্যতা মানুষকে আল্লাহমুখী হওয়ার যত রাস্তা আছে, সকল রাস্তাতেই বন্ধ করার সকল চেষ্ঠা করেছে এবং প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। যেকোনো ব্যাখ্যাতেই হোক, পশ্চিমের কাছে যাবেন, সে আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ ঈমানকেই কেড়ে নিবে! . আল্লাহ আমাদের ঈমানকে রক্ষা করার তাওফিক দান করুন।

তেল আবিবের অসংখ্য নাগরিক কিন্তু ফিলিস৩-এর সাথে চলমান যুদ্ধের বিপক্ষে ছিলো। তারা সময়ে সময়ে বড় বড় মিছিল করেছে। এতদাসত্ত্বেও এখন তাদের জানমাল অনিরাপদ হয়ে যাওয়ার পরেও কিন্তু সিভিলিয়ান হ*ত্যা*র কথা কেউ উঠাচ্ছে না। কেউ এটার জন্য ইরানকে দোষারোপ করছে না। কারণ, ফিলিস৩-এর উপরে হিজ্রাইলের অত্যাচার। . অথচ আমেরিকার এক অর্থনৈতিক বয়কটে ইরাকে মাত্র ১৯৯১ থেকে ১৯৯৮ সালের মধ্যে শিশু মারা গিয়েছে ৫ লক্ষ! টোটাল মৃত্যুর সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ লক্ষ। এছাড়া এই রক্তপিপাসু আমেরিকার আরো কারগুজারি তো রয়েছেই। কিন্তু টুইনটাওয়ারের আক্রমণ নিয়ে সিভিলিয়ান মৃত্যুর কান্না কিন্তু এখন ইরানে সর্বাত্মক সাপোর্টের জন্য যারা অন্যদের গালি দিচ্ছে তারাই বেশি করে! . ফিলিস৩-এর শিশুরা শিশু, তাদের হ*ত্যা*র প্রতিশোধ যেকোনোভাবে নেওয়া যাবে। আর ইরাকের শিশুরা হলো দুধভাত। তাদের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য কেউ চেষ্টা করলে... . বর্তমানের ভাইরা এগুলো স্মরণ রাখবেন। হয়তো এই পরিস্থিতি শেষ হলে একটা সময় আসবে, পশ্চিমের কাছে দ্বীন-ইমান বন্ধক দেওয়া কিছু মানুষ হয়তো পনেরো বিশ বছর পরে এসে এই আক্রমণগুলোর বিপক্ষে আওয়াজ তুলবে—ইসলাম এভাবে সিভিলিয়ান মারার অধিকার কাউকেই দেয় না!!