ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 326 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 900 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 063 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 326 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 29 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 59، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -5، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 13.95‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.80‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 580 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 657 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 30 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 326
المشتركون
-524 ساعات
+107 أيام
+5930 أيام
أرشيف المشاركات
photo content

Jamhoriat_AqaloNaqal_Kay_Ainay_Main.pdf66.74 MB

সিরিয়া,আহমদ শারা, আলকায়দা, বাগদাদি, সবকিছু সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত একটি ধারণা এখানে পাবেন। https://youtu.be/Qh1Z9PmLUBA?si=cB32vVAMV52u-kZr

দারুল_ইসলাম_ও_দারুল_হারব.pdf3.11 KB

অভুক্ত_গাজাবাসীদের_মৃত্যু;_আমাদের_অপরাধ_ও_তার_শরয়ি_বিধান.pdf5.33 KB

আল্লাহ তাআলা কী আজিব হিম্মত দান করেছেন, সেই মানুষগুলোকে! পড়ে দেখতে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/1BveCNfDKR/

ইসলাম ও গণতন্ত্র.pdf5.48 KB

কাতার ইউনিভার্সিটির শরিয়া বিষয়ক অধ্যাপক ড. ফজল বিন আব্দুল্লাহ মুরাদ হাফিজাহুল্লাহ একটি ঐতিহাসিক ফতোয়া লেখেছেন, “গাজার না খেয়ে মানুষকে হত্যার দায়ে ঐ সকল ব্যক্তিরাও অভিযুক্ত হবে, যারা বাধ্য হয়ে বা জবরদস্তির মুখে গা*জার সীমান্তগুলো বন্ধ করেছে, অথবা যাদেরকে দখলদার ই*হু*দিবাদী শত্রু ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে, আর তারা সে আদে আদেশ মেনে নিয়েছে, তার নিষেধ মান্য করেছে এবং তাতে আনুগত্য প্রকাশ করেছে। কিংবা যারা পূর্বে বা পরে কোনো চুক্তি বা সমঝোতার মাধ্যমে তার সঙ্গে একমত হয়েছে, অথবা গোপনে বা প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সহযোগিতা করেছে—তাহলে এদের সকলের ক্ষেত্রেই আগ্রাসী হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিধান প্রযোজ্য হবে, সরাসরি বা পরোক্ষভাবে, সন্তুষ্টির মাধ্যমে, জবরদস্তির মাধ্যমে, ষড়যন্ত্র বা সহযোগিতার মাধ্যমে—এই সবই এতে অন্তর্ভুক্ত। এভাবে তারা সকলেই গোনাহে অংশীদার হয়ে যায়। সুতরাং যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের কাছ থেকে খাবার ও পানি আটকে রাখার ফলে কোনো মুসলমান মারা যায় তাহলে অধিকাংশ ফকিহের মতে (মালেকি, শাফেঈ ও হাম্বলি) এতে কিসাস (প্রতিশোধমূলক শাস্তি) ওয়াজিব হয়। আর হানাফি মাজহাব মতে এতে দিয়াত দিয়াহ (রক্তপণ) ওয়াজিব হয়।"

যারা উর্দু পারেন তারা এই কমান্ডারের তিন-মিনিটের এই কথাগুলো শুনেন। . বাংলাদেশের এক বহুত বড় মাদরাসার তরুন গবেষক আলেম, সে দরসে ছাত্রদের মানহাজিদের পরিচয় বলতেছে, ‘যারা মনে করে বর্তমান পৃথিবীতে মুসলিমদের বাচার একমাত্র রাস্তা জি হা দ, তারাই হলো মানহাজি। . উর্দু বয়ানটুকু শুনেন। ঐ গবেষক ভাইরাও শুনেন।

‘আমাদের এই অবস্থায় আমরা গাজার জন্য আর কীইবা করতে পারি’, আল্লাহর ওয়াস্তে এই কথাটা মাথা থেকে বের করেন ভাই। বরং এটা মাথায় ঢুকান ‘গাজার জন্য আমার কিছু না কিছু করতেই হবে। করতেই হবে।’ এই কথাটাই শুধু মাথায় ঢুকান। এটাই আশপাশে বলেন ভাই। আপনি, আমি, আমার পরিচিত কেউ কিছুই পারতেছে না। কিন্তু, কিছু করতেই হবে, এটা একটা প্রজন্ম তৈরি করবে। এটা করতে পারবে, এমন কারো অন্তরে গিয়ে বাড়ি খাবে। . নিজের সাধ্যের বাহিরে গিয়েও অনেক মানুষ গাজার জন্য অনেক কিছু করেছে ও করছে। এটা শুধুই সম্ভব হয়েছে আমার কিছু করতেই হবে এই মানসিকতা থেকে। . একটা কথা বিশ্বাস করেন, আপনি জাতীরাষ্ট্রে বিশ্বাস করেন, তাহলে এটাও বিশ্বাস করে নেন, আপনি আসলে গাজার জন্য কিছুই করতে চাচ্ছেন না। আপনার এই কান্না নিছক কান্না আর নয় ভং। বিশ্বাস করেন, গাজার জন্য কিছু করতেই হবে এটার প্রথম স্টেপই হলো আমার আপনার আশপাশের তাগুত ও তাগুতের এজেন্ট আর তাদের সকল কিছুকে অস্বীকার ও অবিশ্বাস করা। . আজ যারা গাজার এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী তাদের সবকিছু বিশ্বাস করে আপনি গাজার জন্য কান্না করবেন, এগুলো নিছক কান্না ছাড়া আর কিছুই নয়। . গাজা নিয়ে কিছু লেখতে পারি না। গাজা নিয়ে কিছু পড়তে পারি না। গাজার কোনো ভিডিও দেখতে পারি না। যেদিন দেখি, সেদিনের সব কাজ বন্ধ হয়ে যায়! . গাজার রক্ত দেখতে দেখতে আর মৃতের সংখ্যা শুনতে শুনতে দুনিয়ার আর কোনো রক্তকে আর মৃতের সংখ্যাযে কিছুই মনে হয় না৷ ক্ষমা করবেন আমায়। . গাজার জন্য কী করার আছে, চাইলে দূর থেকেও কী করতে পারবেন, একটা ধারণা পেতে এই পিডিএফটা একটু সময় করে দেখেন। একটু দেখেন ভাই। https://t.me/abdullahbinbashir/865

মুজাহিদ রহ. বলেন: ঈমানের মজবূত হাতল হলো আল্লাহ জন্য ভালোবাসা এবং আল্লাহর জন্য বিদ্বেষ রাখা। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক:
মুজাহিদ রহ. বলেন: ঈমানের মজবূত হাতল হলো আল্লাহ জন্য ভালোবাসা এবং আল্লাহর জন্য বিদ্বেষ রাখা। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বনি বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

একবিংশ শতাব্দীর মুসলিমদের কিছু উলিল আমর। ১। শেখ হাসিনা ২। বাশার আল আসাদ ৩। সিসি ৪। মুহাম্মদ বিন সালমান 💯 ৫। মুহাম্মদ বিন যায়েদ আল-নাহিয়ান ৬। দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ ৭। পাক ফৌজ জিন্দাবাদ ৮। ইউনুছ

ইসলামের মুহাফিজ তৈরি করছে আমেরিকা❤️ . আমেরিকা একা যে পরিমান ইসলামের খেদমত করে সকল আরব রাষ্ট্র মিলেও তার সমান হবে না। . এই যে
ইসলামের মুহাফিজ তৈরি করছে আমেরিকা❤️ . আমেরিকা একা যে পরিমান ইসলামের খেদমত করে সকল আরব রাষ্ট্র মিলেও তার সমান হবে না। . এই যে মুসলিম সেনাবাহিনীগুলোকে যে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে এটা তো আর তাদেরকে দীনের শত্রু বানানোর জন্য না। তাই না। অবশ্যই, মুসলিম বাহিনী যেহেতু দূর্বল, তাদের দ্বারা দীনের রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না, তাই আমেরিকা মুসলিম দেশের বাহিনীগুলোকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দীনের প্রকৃত রক্ষক বানাচ্ছে। কিছুদিন আগে পাকিস্তানে, বর্তমানে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে ট্রেনিং দিচ্ছে। . ইসলামের সাচ্চ খাদেম মেরিকার জন্য একরাশ ভালোবাসা।

আমি আর ভাত খাবো না।
আমি আর ভাত খাবো না।

এবারে আবু উবাইদা গা/জার এই গণহত্যার অপরাধে উম্মাহর আলেমগণকেও শামিল করেছেন। তাঁর প্রদত্ত ভিডিও বার্তার ৯ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের পর উম্মাহর সকল আলিমকে সম্বোধনে শামিল করে বলেছেন— أنتم خصومنا أمام الله عز وجل، أنتم خصوم كل طفل يتيم و كل ثكلى، وكل نازح، وكل مشرد ومقلوم وجريح ومجوع. وإن رقابكم مختلطة بدماء عشرة الآلاف من الأبرياء..... ❝আপনারা মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে আমাদের প্রতিপক্ষ, আপনারা প্রতিপক্ষ প্রত্যেকটা বাবা হারানো শিশুর, প্রত্যেকটা সন্তান হারানো মার, প্রত্যেকটা উদ্বাস্তু মানুষের, প্রত্যেকটা গৃহহারা মানুষের এবং অঙ্গ কর্তিত, আহত, ক্ষুধায় কাতর মানবেতর জীবন কাটানো প্রত্যেকটা প্রাণের। মনে রাখবেন আপনাদের সত্তায়ও এই নিরাপরাধ হাজার হাজার শহীদের রক্তের দাগ লেগে আছে।❞ আবু উবাইদার এ কথাগুলো শুনে কেঁদেছি অনেক সময়। হৃদয়কে এফোঁড়ওফোঁড় করে দিয়েছে বাক্যগুলো...। ©

হিউম্যানিজম_ও_হিউম্যানরাইটস.pdf6.88 KB

মাসুদ ভাই ফাত্রা কথা বলার মত মানুষ নয়। . তো, উর্ধতন কর্মকর্তাগুলো কারা কারা এটা জানতে পারলে উনাদের বুখারীর দরসগুলো থেকে নিয়মি
মাসুদ ভাই ফাত্রা কথা বলার মত মানুষ নয়। . তো, উর্ধতন কর্মকর্তাগুলো কারা কারা এটা জানতে পারলে উনাদের বুখারীর দরসগুলো থেকে নিয়মিত গিয়ে গিয়ে ইস্তেফাদা করে আসতাম।

ফিকহের একটা মাসআলা হলো, অমুসলিমদের সাথে যদি কোনো কারণে মুসলমানদের জোট করতে হয় তাহলে কয়েকটি শর্ত রয়েছে। তারমধ্যে দুটো শর্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক. ঐ জোটের মাধ্যমে বিজয়ী হলে সে বিজয় যেনো ইসলামের বিধিবিধানের হয়, মুসলমানদের এতটুকু শক্তি হতে হবে। দুই. মুসলমানদের এতটুকু শক্তি থাকতে হবে, অমুসলিমরা যদি কোনো কারণে কাফেরদের সাথে মিলে যায় তাহলে যেনো তা প্রতিরোধ করা যায়। (বিস্তারিত জানোট দেখুন, চেতনা থেকে প্রকাশিত মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বইটি) ফুকাহায়ে কেরাম কেনো এই শর্তগুলো আরোপ করেছেন তা আমাদের এই পশ্চিমের দাস সরকার দেখলে স্পষ্ট বুঝা যায়। মুসলমানের বাচ্চারা রক্ত দিলো। সব করলো। কিন্তু আশাআকাঙ্ক্ষা সব বাস্তবায়ন হচ্ছে ইউনুসের প্রভু আমেরিকার। ইসলামের সমস্ত বিধান, পৃথিবীর সকল বাস্তবতা উপেক্ষা করে এক তা*গুত আমাদেরকে স্থায়ীভাবে আরেক তা*গু*তের হাতে তুলে দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছে। নোট: অমুসলিমদের সাথে জোট করার এই শর্তের কী কারণ সে সম্পর্কে ইমাম জাসসাস রহিমাহুল্লাহ লেখেন, কারণ কু*ফ*রি শাসন যদি শক্তিশালী থাকে, তাহলে বিজয় ও শক্তি অর্জিত হলে তা কু*ফ*রি শাসনেরই হবে, ফলত তা হবে কু*ফ]রি শাসনের বিজয়ের লড়াই, অথচ মুসলিমের জন্য কু*ফ*রি শাসনকে বিজয়ী করার জন্য লড়াই করা মোটেও বৈধ নয়; বরং সে লড়াই করবে ইসলামের বিজয়ের জন্য, আল্লাহর কালিমার বুলন্দির জন্য। তাই মুসলিমদের জন্য বৈধ হবে না কা*ফে*র*দের সঙ্গী হয়ে লড়াই করা। আর ইসলামি শাসনব্যবস্থা বিজয়ী থাকা অবস্থায় কা*ফে*রদের সাহায্য নেওয়া জায়েজ।

এদেশে ইসলামকে চূড়ান্তভাবে ধ্বংস করার কিছুটা দায় আলেমদেরও রইলো আলহামদুলিল্লাহ। . কোন প্রশাসনের হাতে মসজিদগুলো ছাড়া হচ্ছে, যে প
এদেশে ইসলামকে চূড়ান্তভাবে ধ্বংস করার কিছুটা দায় আলেমদেরও রইলো আলহামদুলিল্লাহ। . কোন প্রশাসনের হাতে মসজিদগুলো ছাড়া হচ্ছে, যে প্রশাসন সম্পূর্ণ সেকুলার। যাদের জীবনের একমাত্র মাকসাদ হলো সেকুলার আর লিবারেল সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। . এত বড় ধংসের সিন্ধান্ত নেওয়ার পরেও যেহেতু দেওবন্দি, তাই তার মধ্য ঠ্যাং গিয়ে চাটেন সবাই।

বাস্তবধর্মী হওয়া ইসলামে নিষেধ কিছু নয়। বরং ইসলাম এটা খুবই উৎসাহের সাথেই শিক্ষা দেয়। কিন্তু এই সকল শিক্ষার পাশে ইসলাম আরেকটা মৌলিক ও আসল যে শিক্ষাটি দেয় তাহলো, এতসব বাস্তব হিসাব-নিকাশ, বিশ্লেষণ ইত্যাদি সবকিছুই দুনিয়ার একটি বিধান মাত্র। আসল কার্যকারণ মূলত আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা। এই দুনিয়ার একমাত্র মালিক ও খালেক আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা। তিনি এই সকল হিসেবনিকেশের উর্ধ্বে। . আমার একজন উস্তাদ আছেন। বেশ আল্লাহ ওয়ালা। বাংলাদেশের একজন শীর্ষ পীর সাহেবের ইজাজতপ্রাপ্ত। প্রায় আমাকে ফোন দিয়ে ডাকেন এবং বর্তমান পৃথিবীর বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করেন। একদিন বলতেছেন, ‘আব্দুল্লাহ! একটা সময় এটাই বিশ্বাস হতো, আমেরিকাকে বাদ দিয়ে বর্তমান পৃথিবীতে কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে টিকা সম্ভব না। অন্ন-বস্ত্র মানুষের এই মৌলিক চাহিদাও পূরণ করা কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব না। কিন্তু এটা যে সম্পূর্ণ ভুল, তা আফগানে ইমারাহ ক্ষমতায় আসার পর একদম স্পষ্ট হয়ে গেছে।’ . উস্তাদের কথাগুলো শুনেছিলাম আর মনে মনে হিসেছিলাম আর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছিলাম সেদিন। . কী বুঝাচ্ছে তা আপাতত না বললাম, যারা বুঝার বুঝে নিয়েন।