ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 327 подписчиков, занимая 7 901 место в категории Религия и духовность и 2 063 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 327 подписчиков.

Согласно последним данным от 28 августа, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 67, а за последние 24 часа — -8, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 15.07%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 5.70% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 708 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 646 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 35.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 29 августа, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 327
Подписчики
-824 часа
+157 дней
+6730 день
Архив постов
পনেরটি অপরাধের কারণে ভুমিকম্প আসবে, সবগুলোই আমাদের মাঝে বিরাজমান। তাই পাপ থেকে ফিরে আসা সময়ের দাবি। عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ: তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
إِذَا اتُّخِذَ الْفَىْءُ دُوَلاً
যখন গানীমাতের (যুদ্বলব্দ) মাল ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত হবে,
وَالأَمَانَةُ مَغْنَمًا
আমানতের মাল লুটের মালে পরিণত হবে,
وَالزَّكَاةُ مَغْرَمًا
যাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে,
وَتُعُلِّمَ لِغَيْرِ الدِّينِ
ধর্ম বিবর্জিত শিক্ষার প্রচলন হবে,
وَأَطَاعَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ
পুরুষ স্ত্রীর অনুগত হয়ে যাবে
وَعَقَّ أُمَّهُ
কিন্তু নিজ মায়ের অবাধ্য হবে,
وَأَدْنَى صَدِيقَهُ
বন্ধু-বান্ধবকে কাছে টেনে নিবে,
وَأَقْصَى أَبَاهُ
কিন্তু পিতাকে দূরে ঠেলে দিবে,
وَظَهَرَتِ الأَصْوَاتُ فِي الْمَسَاجِدِ
মসজিদে কলরব ও হট্টগোল করবে,
وَسَادَ الْقَبِيلَةَ فَاسِقُهُمْ
পাপাচারীরা গোত্রের নেতা হবে,
وَكَانَ زَعِيمُ الْقَوْمِ أَرْذَلَهُمْ
নিকৃষ্ট লোক সমাজের কর্ণধার হবে,
وَأُكْرِمَ الرَّجُلُ مَخَافَةَ شَرِّهِ
কোন মানুষের অনিষ্ট হতে বাঁচার জন্য তাকে সম্মান দেখানো হবে,
وَظَهَرَتِ الْقَيْنَاتُ وَالْمَعَازِفُ
গায়িকা-নর্তকী ও বাদ্য যন্ত্রের বিস্তার ঘটবে,
وَشُرِبَتِ الْخُمُورُ
মদ পান করা হবে,
وَلَعَنَ آخِرُ هَذِهِ الأُمَّةِ أَوَّلَهَا
এই উম্মাতের শেষ যামানার লোকেরা তাদের পূর্ববতী মনীষীদের অভিসম্পাত করবে,
فَلْيَرْتَقِبُوا عِنْدَ ذَلِكَ رِيحًا حَمْرَاءَ وَزَلْزَلَةً وَخَسْفًا وَمَسْخًا وَقَذْفًا وَآيَاتٍ تَتَابَعُ كَنِظَامٍ بَالٍ قُطِعَ سِلْكُهُ فَتَتَابَعَ ‏"‏
তখন তোমরা অগ্নিবায়ু, ভূমিধস, ভূমিকম্প, চেহারা বিকৃতি ও পাথর বর্ষণরূপ শাস্তির এবং আরো আলামতের অপেক্ষা করবে যা একের পর এক নিপতিত হতে থাকবে, যেমন পুরানো পুঁতিরমালা ছিড়ে গেলে একের পর এক তার পুঁতি ঝরে পড়তে থাকে। জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২২১১ -মুফতি আরিফ বিন হাবিব হাফি.

আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতরের অধিন “আফ্রিকা সেন্টার ফর স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ” (Africa Center for Strategic Studies, সংক্ষেপে ACSS) নভেম্বরের ১৭ তারিখ নতুন একটি গবেষণা প্রকাশ করেছে। যার শিরোনাম হলো, Somalia at Risk of Becoming a Jihadist State (জিহাদি রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে সোমালিয়া) পুরো লেখাটা সতর্কতার সাথে পড়লে বেশ অনেক তথ্যই জানা যাবে৷ . লেখার লিংক : https://africacenter.org/publication/asb45en-somalia-risk-jihadist-state/

সিলেটের ভাইরা আমার বইটা নিয়ে পাঠচক্র করছে। ভাইরা প্রথম উদ্যোগ নিয়ে বেশি দোয়া নিয়ে নিলো। বাকিরা পিছিয়ে গেলেন।
সিলেটের ভাইরা আমার বইটা নিয়ে পাঠচক্র করছে। ভাইরা প্রথম উদ্যোগ নিয়ে বেশি দোয়া নিয়ে নিলো। বাকিরা পিছিয়ে গেলেন।

ছোট সময় যখন নোয়াখালী মেজো আপুর বাসাত বেড়াতে আসতাম জাজ কোর্টের সামনে এখানে এসে পিছলা খেতাম। আমাদের জন্য এটা আশ্চর্য রকমের এক ম
+1
ছোট সময় যখন নোয়াখালী মেজো আপুর বাসাত বেড়াতে আসতাম জাজ কোর্টের সামনে এখানে এসে পিছলা খেতাম। আমাদের জন্য এটা আশ্চর্য রকমের এক মজার জায়গা ছিলো। পাশেই বিশাল দীঘির কারণে অনেক রৌদের মধ্যেও হিমশীতল বাতাস বয়ে যেতে পুরোটা সময়।

সেক্যুলারিজমের ইসলামি দৃষ্টিকোণ সেক্যুলারিজমের ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার পূর্বে ইসলাম গ্রহণযোগ্য হওয়ার চারটি শর্ত আমাদের ভালোভাবে বুঝতে হবে, যেগুলো ছাড়া ঈমান ও ইসলাম গ্রহণযোগ্য নয়: ১) ইসলাম ও তার প্রতিটি বিধানের প্রতি পরিপূর্ণ সন্তুষ্টি ও পূর্ণাঙ্গ ভালোবাসা রাখা, ২) দ্বীনের প্রতিটি বিষয়কে সম্মান ও মহত্বের দৃষ্টিতে দেখা, ৩) শরিয়তের বিধিবিধানের সামনে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করা, ৪) ইসলাম ছাড়া অন্য সকল ধর্ম থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং সেগুলোকে ঘৃণা করা। এই চারটি বিষয় ঈমানের আবশ্যকীয় অংশ। এখানের কোনো একটি কারও থেকে ছুটে গেলে, সে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে। বিষয়টি আরও স্পষ্ট হওয়ার জন্য এখানে একটি নুকতা মনে রাখা প্রয়োজন। তা হলো, ইসলামের যেকোনো বিধান, যদি তা অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয়ে যায় তাহলে তার ক্ষেত্রে উপযুক্ত শর্তসমূহ সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা, সম্মান ও মহত্ত্ব স্বীকার, আত্মসমর্পণ-প্রযোজ্য হবে। প্রমাণিত কোনো একটি বিধানের ক্ষেত্রেও যদি এই শর্তগুলোর কোনো একটি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে ঈমান ও ইসলামের দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না, যদিও ইসলামের অন্য সকল বিধান মনেপ্রাণে মেনে চলা হয়। উদাহরণত, কোনো ব্যক্তি ইসলামের সকল বিধান উপযুক্ত শর্তাবলির আলোকে গ্রহণ করে নিয়েছে, কিন্তু সুদের বিধানের বিষয়ে সে সন্তুষ্ট না, বা সন্তুষ্ট কিন্তু এটা নিয়ে সে হাসি-মজাক করে, তাহলে ইসলামের সকল বিধান মেনে নেওয়া সত্ত্বেও সে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী কাফের বলে গণ্য হবে। এখন সেক্যুলারিজমের পুরো বাস্তবতাকে যদি আমরা এই চারটি শর্ত বা মূলনীতির আলোকে ওপরের নুকতা সামনে রেখে পর্যালোচনা করি, তাহলে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সেক্যুলার মতবাদে এই চারটি মূলনীতি সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। এই মতবাদটি দ্বীনের শুধু একটি-দুটি নয়; বরং অধিকাংশ বিধানের সাথেই অর্থনীতি, শিক্ষা, বিবাহ ও সামাজিক অন্যান্য সম্পর্কসহ ইসলামের প্রতিটি অধ্যায়ের সাথেই সেক্যুলারিজমের রয়েছে অবজ্ঞা ও ঘৃণার সম্পর্ক; বরং ইসলাম ধর্মকে সে একটি অনুপযুক্ত ধর্মই জ্ঞান করে থাকে। এখানে একটি কথা বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন যে, মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রগুলোতে যদিও সেক্যুলার মতবাদ প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু এখানকার অধিকাংশ মুসলিমের কাছে সেক্যুলার মতবাদ তার পূর্ণ বাস্তবতা ও উদ্দেশ্যসহ স্পষ্ট নয়। যার কারণে তারা সেক্যুলারিজমের স্বীকারোক্তির পাশাপাশি দ্বীনের অকাট্য বিধানগুলোকে স্বীকার করে এবং ইসলামের প্রয়োজনীয়তা ও শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে কোনো রকম দ্বিধায় থাকে না। প্রতারণাপূর্ণ সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যাগুলো সামনে রেখেই সে সেক্যুলারিজমের কথা বলে। তাই সেক্যুলারিজমের কথা বললেই কাউকে ঢালাওভাবে কাফের বলা অনুচিত ও অসতর্কতামূলক একটি কাজ। সুতরাং সেক্যুলারিজমে বিশ্বাসী কাউকে সুনির্দিষ্টভাবে কাফের বলা থেকে যেমন বেঁচে থাকা উচিত, তেমনি এই কথাও সকলকে জানিয়ে দেওয়া একটি ঈমানি দায়িত্ব যে, সেক্যুলারিজম একটি কুফরি মতবাদ এবং যারা সেক্যুলারিজমের বাস্তবতা অনুধাবন করার পরেও তা সমর্থন করবে, বা তা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাবে অথবা এটাকে একটি উন্নত কিছু মনে করবে, সে কাফের বলেই বিবেচিত হবে। -ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সংঘাত বইয়ের “সেকুলারিজম” অধ্যায় থেকে

আমাদের কাছে অত্যাধুনিক বড় অস্ত্র হয়তো নাই, তবে আমাদের কাছে যে ভয়ংকর অস্ত্র আছে সেটা পাকিস্তানের কাছে নেই৷ আর তা হলো পাকিস্তান
আমাদের কাছে অত্যাধুনিক বড় অস্ত্র হয়তো নাই, তবে আমাদের কাছে যে ভয়ংকর অস্ত্র আছে সেটা পাকিস্তানের কাছে নেই৷ আর তা হলো পাকিস্তানের কোনায় কোনায় আমাদের মতাদর্শের ও আমাদের সঙ্গ দিবে এমন লোকেরা। -মোল্লা আব্দুস সালাম জাইফ

//দক্ষিণ মালিতে সরকারের টিকে থাকার জন্য লুলোনি ছিল এক ধরনের সেফটি ভালভ। এই রক্ষাকবচ ভেঙে পড়ায় সিকাসো ও কাদিওলো অঞ্চল এখন কৌশল
//দক্ষিণ মালিতে সরকারের টিকে থাকার জন্য লুলোনি ছিল এক ধরনের সেফটি ভালভ। এই রক্ষাকবচ ভেঙে পড়ায় সিকাসো ও কাদিওলো অঞ্চল এখন কৌশলগতভাবে আরও উন্মুক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি বামাকোকে তার দক্ষিণাঞ্চলীয় বলয় থেকে আরও বিচ্ছিন্ন করে দেবে এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত করিডোরগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখার সক্ষমতা দুর্বল করবে। এর ফলে রাজধানী এক অভূতপূর্ব কৌশলগত চাপের মুখে পড়তে পারে// . বিস্তারিত পড়ুন : মধ্যপ্রাচ্যে

শরমে শরমে একটা কথা কই, আজ ঢাকার এক বড় মাদরাসা থেকে নাকি উস্তাদ এসে ছাত্রদের জন্য আমার এতগুলো বই সংগ্রহ করে নিয়ে গেলো, এমনটাই
শরমে শরমে একটা কথা কই, আজ ঢাকার এক বড় মাদরাসা থেকে নাকি উস্তাদ এসে ছাত্রদের জন্য আমার এতগুলো বই সংগ্রহ করে নিয়ে গেলো, এমনটাই প্রকাশক জানিয়েছে। আরো জানিয়েছে, এভাবে মাদরাসার জন্য বেশি পরিমাণ নিলে নাকি বেশি ছাড়ে দিবে। . বইটা যারা সংগ্রহ করেছেন তারা মন্তব্য জানিয়ে যাবেন।

পাকিস্তানের বেফাকের প্রধান হানিফ জালান্ধরী সাহেব বাংলাদেশে। একই সময় দেওবন্দের মুহতামিম সাহেবও বাংলাদেশে। এই তিনদেশের কওমী সিলেবাস যেহেতু কাছাকাছি, এখন উনাদের নিয়ে কী আমাদের বেফাক একটি মিটিং বা পর্যালোচনা সভার আয়োজন করতে পারে না? উনাদের ও আমাদের অভিজ্ঞতাগুলো পরষ্পর ভাগাভাগি করা যায় না? হানিফ জালান্ধরী সাহেব পাকিস্তানের প্রায় সকল মুরব্বিদের জীবদ্দশাতেই বেফাকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন, সেই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে কী আমাদের শিখার কিছুই নাই? নাকি উনাকে শুধুই মাহফিলে মাহফিলে ঘুরিয়ে নিজেরা কিছু টাকা কামালাম ও তাদেরকেও কিছু টাকা কামানোর ব্যবস্থা করে দিলাম? এতটুকুই? . দেওবন্দিয়াতের দোহাই দিয়ে সিলেবাসে সামান্য হেরফের করা যাবে না বলে এদেশে যা বলা হয়, পাকিস্তানে ও ভারতে কী আসলেই তাই আছে কি না, উনাদের সিলবাসের সাথে আমাদের সিলিবাসগুলোর পার্থক্য, মুয়াজানা ও সামনে করনীয় নিয়ে কী এখন একটি চমৎকার আলোচনা সভার পদক্ষেপ নেওয়া যায় না?

তেহরিকে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত এমন এক প্লাটফর্ম যেখানে উম্মাহ নিজেদের মাজহাব, মাসলাক ও ঘরানাগত তর্ক ভুলে এক হয়েছে। কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। তাদের রুখে দিতে বুকের তাজা রক্তের নজরানা দিয়েছে। এখানে আহলে হাদিস আলেম সানাউল্লাহ অমৃতসরির ভূমিকা আছে, ব্রেলভি আলেম পীর মেহের আলি শাহর কোরবানি আছে, উলামায়ে লুধিয়ানার ত্যাগ আছে, আনোয়ার শাহ কাশ্মীরির প্রভাব আছে, আতাউল্লাহ শাহ বুখারি থেকে মানযুর আহমদ চিনইউটি সবাই এই তেহরিকে নিজেদের জান মাল শেষ করেছেন। পাকিস্তানে খতমে নবুওয়ত আন্দোলন যতটা সাফল্য পেয়েছে এর বড় কারণ তারা আন্দোলনকে জনমানুষের আন্দোলনে পরিনত করতে পেরেছিলেন। তাহাফফুজে খতমে নবুওয়তের মঞ্চে তারা কোনো মাসলাকি তর্ককে জায়গা দেননি। এজন্যই মার্শাল ল চলাকালে এই আন্দোলনের কারণে একদিকে যেমন মাওলানা মওদুদিকে ফাঁসির রায় শোনানো হয়েছে, অপরদিকে ব্রেলভি আলেম আবদুস সাত্তার নিয়াজিকেও একই রায় শোনানো হয়েছে। এমনকি দুজনকে রাখাও হয়েছে পাশাপাশি সেলে। আবার কারাগারে তাদের দেখতে যাচ্ছেন সুরেশ কাশ্মীরি, যাকে ঠিক কোনো ঘরানাতেই ফেলা যায় না। তাহাফফুজে খতমে নবুওয়তের মঞ্চকে তাই মাসলাকি তর্কের উর্ধে রাখতে হবে। যারাই উম্মতে মুসলিমার সদস্য, তাদেরকেই এতে সম্পৃক্ত করতে হবে, এবং এই মঞ্চে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিরোধ এড়াতে হবে।

বাংলাদেশে কিছু অবিবেচক আলেম আছেন। তারা অত বেশি ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নেন না। চেতনায় আঘাত এলে তারা রাস্তায় নেমে পড়েন। এই দাবি করলে জাতিসংঘ কী ভাববে, এ নিয়ে ওয়াশিংটনের মন খারাপ হবে কি না⸺এসব তারা থোড়াই কেয়ার করেন। সময়জ্ঞানও তাদের কম। দাবি যৌক্তিক হলেও এখনই নেমে পড়ার উপযুক্ত সময় কি না, এসব নিয়ে তারা অতটা ভাবেন না। এখন নেমে পড়লে কী ক্ষতি, তখন করলে কী লাভ⸺এ ধরনের হিসাব-কিতাব তারা কমই করেন। যারা নরম-কোমল-পেলব মানুষ, যাদের মাত্রাজ্ঞান ও সময়জ্ঞান অতি টনটনে, বিবেচনাবোধ অতি সক্রিয়⸺তারা এদের তুলোধোনা করে। কিন্তু এখনো যে সরকার দেশি-বিদেশি চক্রের চাপে ইসলাম ও মূল্যবোধ-বিরোধী অনেক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, এর পেছনে আছে এই অবিবেচক ও কাণ্ডজ্ঞানহীন আলেমদের প্রতিক্রিয়ার ভয়। কোন সিদ্ধান্ত নিলে হেফাজত, মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, মধুপুরের পীর সাহেব কিংবা মামুনুল হক কী প্রতিক্রিয়া দেখাবেন⸺এটা তাদেরকে ভাবিত করে। কাজেই কিছু হলেই যে এঁরা আগ-পাছ না ভেবে নেমে পড়েন, এই নেমে পড়া একেবারে মূল্যহীন নয়। ফখরুদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার থেকে আজকের ইউনূস সরকার পর্যন্ত অনেক অপতৎপরতা ভেস্তে দিয়েছেন এসব অবিবেচক আলেমরা। মাঝমেধ্যে বিবেচক মুসলিমদের বলতে শুনি⸺এসব বক্তৃতাবাজি বাদ দিয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ করা উচিত। এটা বেশি ফলপ্রসূ এবং দীর্ঘস্থায়ী। কিন্তু মাঠে-ঘাটে যারা বক্তৃতাবাজি করছেন, তারা তো এই বিবেচক মুসলিমদেরকে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ করতে নিষেধ করেন নি। মেঠো আলেমরা যেটা করছেন না বলে আপনি সমালোচনা করছেন, সেই কাজটা আপনিই কেন শুরু করে দিচ্ছেন না! আপনি যদি সত্যিই বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ করতে চান, মাঠের চাপ আপনার কাজের সহায়ক হবে। একসময় টেলিভশনের টকশোতে কোনো আলেম কথা বলবেন, এমনটা কল্পনাও করা যেত না। হেফাজত যখন মাঠের দখল নিতে সক্ষম হয়েছে, তখন টেলিভিশনগুলো হেফাজতপন্থীদের ডাকতে শুরু করেছে। এভাবে মাঠের চাপ টেবিলেও আপনাকে শক্তি যোগাবে। ধরুন, আপনি একজন রাজনীতিক। আপনি চান, আপনার দল এলজি ইস্যুতে শক্ত পদক্ষেপ নিক। এলজি সমস্যা কীভাবে প্রজন্মের মনোদৈহিক ক্ষতি করছে, এটা যদি আপনি তথ্য, তত্ত্ব ও বিজ্ঞানের আলোকে প্রমাণের পাশাপাশি দেখাতে পারেন জনমতও এটার বিরুদ্ধে, আপনার দল এটা মেনে নিতে বাধ্য হবে।

পারভেজ মুশাররফ তার প্রভুকে খুশি করতে একেরপর এক মুসলিম নরবলি দিয়েছিলো। কিন্তু তার শেষ পরিনাম হয়েছিলো খুবই ভয়ংকর। নিজ দেশেই ফাসির রায় হয়। বিদেশে এক হাসপাতালে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করে। তার এই পরিনাম দেখে নতুন পুজারি আর ভুল করলেন না। প্রভু আমেরিকা থেকে এই স্বীকৃতি আদায় করে নিলেন, তোমাকে খুশি করতে আমি যত মুসলিম বলি দিবো এর বিনিময়ে আমার কখনোই কোনো বিচার হতে পারবো না। আমাকে সকল বিচারের উর্ধ্বে উঠিয়ে নেও। প্রভু তার এই আবদার মঞ্জুর করলেন। স্থানীয় ছোট খোদাদের বললেন, আসিম মুনিরকে তোমাদের কেন্দ্রীয় খোদা বানিয়ে দিলাম। এবং তাকে এই অবয় দিলাম, যত পারিস মুসলিম নিধন কর। এর বিনিময়ে দুনিয়ার সকল আজাব থেকে তোকে মুক্তির ঘোষণা দিলাম।

হালালকে হারান বা হারামকে হালাল করার আধুনিক শব্দ হলো ‘অধিকার’ . লিবারেলিজমে 'হারামকে হালাল করণের' স্পষ্ট বহু নীতিমালা থাকলেও কিছু শব্দের আড়ালে তারা মানুষকে এই কুফর গিলিয়েছে খুবই সুন্দরভাবে। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো 'অধিকার'। এই অধিকার শব্দটি লিবারেলিজমের একটি অন্যতম আধুনিক অস্ত্র। যেহেতু শব্দটির অনেক ভালো ব্যবহার আছে, তাই খুব সহজেই লিবারেলরা এই শব্দের আড়ালে হালাল ও হারামকরণের বিষয়টি সমাজে পুশ করতে পেরেছে। ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলন মানুষের অধিকার, সমকামী আন্দোলন মানুষের অধিকার, নারীবাদী আন্দোলন মানুষের অধিকার, যৌনকর্মী আন্দোলন মানুষের অধিকার। এভাবে ইসলামের স্পষ্ট অসংখ্য হারামকে মানুষের জন্য হালাল করা হচ্ছে 'অধিকার'-এর কথা বলে। শব্দের মারপ্যাঁচে ধোঁকায় পড়ে, না বুঝে অসংখ্য মুসলমান নিজের ঈমানকে হুমকির মুখে ফেলছে। আর দায়িত্বশীলরা বিষয়গুলো গভীরভাবে খতিয়ে না দেখার কারণে উম্মাহকে সতর্ক করতে পারছেন না। ট্রান্সজেন্ডার, সমকামিতা ইত্যাদি অকাট্য হারামের মাঝে অসংখ্য শিক্ষিত মানুষ নিজে যুক্ত না হলেও, তারা উক্ত কাজের সাথে যুক্তদের বিষয়গুলো সমর্থন করে। আর এই সমর্থনে তাদের বহুল প্রচলিত যুক্তি হলো এই 'অধিকার' শব্দটি 'প্রত্যেকের তো নিজ কর্মের স্বাধীনতা আছে, এটা তো প্রত্যেকের নাগরিক অধিকার', 'তার অধিকার আছে, নিজের জন্য উপযোগী কর্ম নির্বাচনের' ইত্যাদি। নাগরিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, মানবিক অধিকার ইত্যাদির নামে হাজারো নাজায়েয ও হারামকে মানুষ হালাল করে চলছে প্রতিনিয়ত। আর হারামকে হালালকরণের জ্ঞানগত ভিত্তিকে প্রতিষ্ঠিত করছে লিবারেলিজম মতবাদ। . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সংঘাত বইয়ের “লিবারেলিজম” অধ্যায় থেকে

photo content

বিবর্তন কী, ইসলামের দৃষ্টিতে এর মূল্যায়ন কী, এই বিষয়ে জানতে “ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সংঘাত” বইটির বিবর্তনবাদ
বিবর্তন কী, ইসলামের দৃষ্টিতে এর মূল্যায়ন কী, এই বিষয়ে জানতে “ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সংঘাত” বইটির বিবর্তনবাদ অধ্যায়টি পড়তে পারেন৷

نظرات_وتأملات_في_منهج_الإمام_المجدد_أسامة_بن_لادن_رحمه_الله.pdf8.06 MB

আফগানিদের নিজস্ব বানানো দূরপাল্লার মিজাইল। যেটার পরিক্ষা-নিরিক্ষার কাজ চলমান।

আফগান এক যোদ্ধা নিজস্ব প্রযুক্তিতে একটি রিমোট কন্ট্রোল অস্ত্র বানিয়ে ফেলেছে। এবং সেটার সফল পরিক্ষাও সম্পন্ন করেছে। . বিশ্বের দুটি সুপার পাওয়ারের সাথে দীর্ঘ যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে মাত্র ৪ বছর! . নাপাকস্থানের মুফতি আব্দুর রহিনরা স্পষ্ট ঘোষণা করেছে আফগান তালেবান হলো তাদের প্রধান শত্রু।

একটি ঘটনা বলি, পঞ্চগড়ে কয়েবছর আগে কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে বিশাল সমাবেশ হয়। ঐ সমাবেশে উপস্থিত হন আহমদ শফী রহিমাহুল্লাহসহ দেশের বেশকিছু শীর্ষ মানুষ। সে সমাবেশে দেওবন্দিদের যেমন অবদান ছিলো স্থানীয় আহলে হাদিস ভাইরাও অনেক অবদান রেখেছেন। কিন্তু কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার সে মজলিসের যে চূড়ান্ত ঘোষণাপত্র পড়া হয় সেখানে ঘোষণা করা হয় আহলে হাদিস একটি ভ্রান্ত দল, জামাত ভ্রান্ত ইত্যাদি। সাথে সাথে মজলিস থেকে সকল আহলে হাদিস ভাইরা উঠে চলে গেলো। এই ফালতু কাজটির ফলাফল এতটাই খারাপ হয়েছিলো যে, এখনো পঞ্চগড়ে দায়ীদের কাজ করতে গেলে সেই দিনের কথাগুলোর মুখোমুখি হতে হয়! . ১৫ তারিখ খতমে নবুওয়াতের আন্দোলন যেনো শুধু কাদিয়ানিদের বিরুদ্ধে এই দেশের সকল মুসলিমের সার্বজনীন একটি আওয়াজ হয়ে উঠে। কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে সকলেই এক, চাই সে দেওবন্দি হোক বা বেরলবী, জামাতি হোক বা আহলে হাদিস, এই স্পষ্ট বার্তা যেনো উঠে আসে। এর বাহিরে মঞ্চ থেকে অন্যকোনো আওয়াজ না উঠে এটার প্রতি দায়িত্বশীলদের লক্ষ্য রাখা কর্তব্য। আল্লাহর ওয়াস্তে এই মঞ্চকে জামাত বিরোধী, আহলে হাদিস বিরোধী মঞ্চ বানাইয়েন না। এটা শুধুই এবং শুধু খতমে নবুওয়াত ও কাদিয়ানিদের বিরুদ্ধেই থাকে। . আমাদের আকাবীররা যখনই কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন তখন পুরো উম্মাহকে এক সাথে করে দাঁড়িয়েছেন। সকলের দাবীকে এক করেছেন। ইউসুফ বানুরী রহিমাহুল্লাহ কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে সেই আন্দোলনে আহলে হাদিস, জামাত বেরলবি এমনকি শীয়াদেরকেও পর্যন্ত এক প্লাটফর্মে এনেছেন। কিন্তু আমাদের দেশে বারবার.... .