ch
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

前往频道在 Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

显示更多

📈 Telegram 频道 Abdullah bin bashir 的分析概览

频道 Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 11 297 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 8 145,并在 孟加拉国 地区排名第 2 031

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 11 297 名订阅者。

根据 22 六月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 77,过去 24 小时变化为 3,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 19.38%。内容发布后 24 小时内通常能获得 8.20% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 2 188 次浏览,首日通常累积 926 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 47

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

凭借高频更新(最新数据采集于 23 六月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。

11 297
订阅者
+324 小时
+327
+7730
帖子存档
রক্তাক্ত_লাল_মসজিদ_শাহেদ_রাহমানী.pdf7.72 KB

এরপর পাকি প্রেমী মোমিনরা বলেন, কেমন আছেন? ইমারাহকে ধ্বংস করতে কারা কাজ করে ইবার পষ্ট হইছে না আরো প্রয়োজন!?
এরপর পাকি প্রেমী মোমিনরা বলেন, কেমন আছেন? ইমারাহকে ধ্বংস করতে কারা কাজ করে ইবার পষ্ট হইছে না আরো প্রয়োজন!?

মুফতি আব্দুর রহিম সাহেবকে নিয়ে মুহতারামা উম্মে হাসসানের আরেকটি অডিও আসছে। মুফতি আব্দুর রহিম শায়খ উসামার বিরুদ্ধে নাকি গোয়ান্দাগিরিও করেছে। এবং শায়খ রহিমাহুল্লাহ তার ব্যাপারে সকলকে সতর্ক করেছেন। বান্দা দেখি পুরান পাপি। https://youtu.be/A9t_mr5uBPQ?si=inOGpAE0YWBUa2Q0

لال مسجد ہم پر کیا گزری.pdf6.87 MB

সাংবাদিক সেলিম শেহজাদ ও উম্মে হাসসান স্পষ্ট করেই লেখেছেন, সেদিন মাওলানা আব্দুল আজিজ সাহেব ভিতরের অন্যান্য সকলের সাথে পরামর্শ করে ও বাহিরের অন্যান্য মু জা হি দ দের পরামর্শ করেই বোরকা পড়ে সেখান থেকে সেফ বের হতে চেয়েছিলেন। যাতে নিরাপদ সরে গিয়ে শরীয়া বাস্তবায়নের দাবী নিয়ে আরো জোড়ালো কাজ করতে পারেন। কিন্তু পাকি খবিস ও দেশীয় একদল খবিস সেটাকে কী জঘন্য মিথ্যাচার করে লেখতেছে, আব্দুল আজিজ সাহেব জান বাচানোর জন্য বোরকা পড়ে পলায়ন করেছেন সকলকে মৃত্যুর মুখে রেখে! একলোক তো সর্বদা নিজের পক্ষে যায় এমন যত গু-মুত আছে সব জমা করে, আবার ভাব এমন লয় পক্ষে বিপক্ষে সব জাইনা ফেলছে। বারবার ধরা খাওয়ার পরও শরম হয় না। . লাল মসজিদওয়ালারা সেদিন কী করেছে ও কী চেয়েছে সেটা বহু স্পষ্ট করেই উম্মে হাসসান তার ছোট্ট রিসালাতে লেখেছেন, সেদিন জামিয়া হাফসার আসল উদ্দেশ্য কী ছিলো এবং তারা শুধুই মাদরাসায় সীমাবদ্ধ ছিলো না। পুরো দেশেই বিভিন্ন কমিটি করেছিলো তারা শরীয়া বাস্তবায়নের। এবং এদের পিছনে শক্তি গোষ্ঠী ছিল। আরে এত দূরেও তো যাওয়ার দরকার নেই আতিকুল্লাহ সাহেবের গ্রেট গেম বইতেই তো সবকিছু বিস্তারিত আছে। কিন্তু খবিস মানসিকতার লোকদের কী এগুলো বিশ্বাস হবে। এস্টাবলিশমেন্টের কথাই এদের কাছে ওহি। .

এক ভয়ংকর বিপদের ঘটনা আ ফ গা নি স্তা নে আমেরিকার প্রবেশের পরের কথা। তখন আমিও তার সঙ্গে ছিলাম। আমরা এক স্থান থেকে আরেক স্থানে যাচ্ছিলাম। অধিকাংশ সময় আঁধারের আড়ালেই সফর করতে হতো। এক রাতে আমাদের সামনে পড়ল এক ভয়ংকর চ্যালেঞ্জ, একটি পিচ্ছিল পাহাড়, যেটি থেকে নামতে প্রায় চার ঘণ্টা লেগে যেত। আলো জ্বালানো আমাদের জন্য সম্পূর্ণ নিষেধ ছিল; যেন আশপাশের কেউ টের না পায়। শায়খের অবস্থা কেমন ছিল, তা যারা জানেন তারা অনুমান করতে পারবেন। কিন্তু যারা জানেন না, তাদের বলি, শায়খ উ সা মা রহ. কেবল একটি চোখ দিয়েই দেখতে পেতেন। শৈশবের এক দুর্ঘটনায় তার আরেক চোখের আলো নিভে গিয়েছিল। তার সেই পরিচিত ছবিটি, যেখানে ঈদের সময় বাম কাঁধে বন্দুক রেখে গুলি চালাচ্ছেন, তা আসলে এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। কারণ তিনি ডান চোখ দিয়ে কিছুই দেখতে পেতেন না; এজন্যই বাম দিক থেকে তাক করে গুলি চালাতেন। ভাবুন, একদিকে গভীর অন্ধকার, অন্যদিকে শায়খের একটি চোখ অকার্যকর, আর পাহাড়জুড়ে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য ধারালো পাথর। আমাদের পা বারবার পিছলে যাচ্ছিল। আমরা তো কোনো পাহাড়ি লোক নই, তাই পথ অতিক্রম করা ছিল ভীষণ কষ্টকর। কিছুদূর যাওয়ার পর আমরা একটু থামি বিশ্রামের জন্য। শায়খ বলেন, আপনি কিছু মনে না করলে, একটু পেছনে সরে যান। আমি বললাম, কোনো সমস্যা নেই, আমি সরে যাচ্ছি। আসলে তিনি নিজের পা ছড়িয়ে একটু আরাম করতে চাচ্ছিলেন। তারপর তিনি নিজেই বলেন, আপনি জানেন, কেন আপনাকে সরতে বললাম? আমি বলি, না, কেন? শায়খ রহ. বলেন, অন্ধকারে আমি পিছলে পড়েছিলাম। আমার হাঁটু আমার নিজের ওজন নিয়ে একটি পাথরের সঙ্গে আঘাত করে। ব্যথার তীব্রতায় মনে হয়, হাঁড় ভেঙে গেছে। কিন্তু আল্লাহ আমাকে রক্ষা করেছেন, হাঁড় ভাঙেনি। আমি সাথে সাথে বলি, আল্লাহর শুকরিয়া, যিনি আপনাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। শায়খ আ ই মা ন আজ জা ও য়া হি রি র বর্ণনায় উ সা মা রহ.-এর জীবনকথা থেকে... উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে। সকল অনলাইন অফলাইন থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন মেলায় পাবেন আমাদের পরিবেশক সিজদাহ পাবলিকেশন এর স্টলে। স্টল নং -১৩১

মুফতি তারেক মাসুদ ও তার পীর আব্দুর রহিম সাহেবের কয়েকদিন যাবৎ বয়ান শুনতেছি। বেশ উপভোগ করতেছি আসলে বিষয়গুলো। তারা যা বলতেছে লালমসজিদ নিয়ে সেগুলোর সত্য-মিথ্যা পাক আলেমরাই যাচাই করবে, আলহামদুলিল্লাহ সেখানে চলতেছেও, কিন্তু তাদের আলাপে সবচেয়ে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো— তারা লাল মসজিদ নিয়ে আলোচনা এজন্যই উঠাইছে যে, পাক আর্মি কাবায়েলি অঞ্চলগুলোতে প্রচুর মাইর খাচ্ছে। এবং তাদের এই মাইর খাওয়াকে মানুষ মেনেও নিচ্ছে। এজন্যই মানুষের যেহান দুরস্ত করার জন্যই লাল মসজিদ এবং পাক আর্মির পিছনের কৃতকর্মের আলোচনাগুলোর অজাহাত করারা জরুরি। . পাক আর্মি মাইর খাচ্ছে, এই তথ্যটা এখন ব্যাপকভাবে উঠে আসা যে কতটা সুখের সংবাদ এটা যারা পাকিস্তান থাকে বা পাকিস্তানি আলেমদের চিনে তারা ভালোই বুঝবেন। ওমরার সফরে এক পাকিস্তানি আলেমের সাথে লম্বা কথা হয়, সে বিশ্বাসই করতে রাজি না, কাবেয়েলি অঞ্চলে পাক ফৌজ মাইর খাচ্ছে। অর্থাৎ, সেখানে যে কিছু হচ্ছে এটার কোনো প্রচারই পাক আর্মি পাকিস্তানে করতে দেয় না৷ . সিরিয়ায় সাইত বুতিরা যে ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করেছিলো, যারা অস্ত্র ধরছে আর্মির বিরুদ্ধে তারা বিদেশি চক্রান্তে এই কাজ করতেছে, আজ যদি এই আর্মির কিছু হয় তাহলে বিদেশীরা সব নিয়ে যাবে, কিছুই থাকবে না সিরিয়ায়, সেইম একই যুক্তিই তারেক মাসুদ আর তার পীর সাহেবরা দিতেছে। পুরো পৃথিবীতে জি হা দের বিরুদ্ধে এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী যুক্তি। জি হা দ করলেই বিদেশিরা সব শ্যাষ কইরা ফেলবে। এর আগে সব ভালোই থাকে। পাকিস্তানে আমেরিকার কোনো কর্তৃত্ব নাই, বাংলাদেশে ভারতের কোনো কর্তৃত্ব নাই, সিরিয়ায় ইরান-রাশিয়ার কোনো কর্তৃত্ব ছিলো না। খালি জি হা দ শুরু হলেই এরা সব দখলে নিয়ে যাবে। মজার বিষয় কী জানেন, তালেব ও হামাসের ব্যাপারেও এটাই মশহুর ছিলো, তালেব ও হামাস মূলত মেরিকা ও বিজ্রাইলের দালাল, তাদের মাধ্যমেই মেরিকা ও হিংস্রাইল সব দখল করে রাখতেছে। হাহা।

একজন বইপোকা ভাই। আমাদের অনেকেরই প্রিয় মানুষ। বইয়ের টানে হাটহাজারী থেকে ঢাকায় ইসলামি বইমেলায় এসেছিলেন। ফেরার পথে ট্রেনের সামনে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে যান। ফেসবুকে তার আহত মলিন মুখটা অনেকে দেখেছেন ইতোমধ্যে। আপাতত তার তিনটি অপারেশন করতে হবে। দুটি মাথায় আর একটি চোখের উপরে। দুই জায়গায় মাথার খুলি ভেঙে ভেতরে ঢুকে গেছে। রক্ত এবং পানি জমা হয়ে আছে। আজকে জেনেছি বুকের হাড়ও নাকি ভেঙে গেছে। এখানেও অপারেশন করা লাগবে। অপারেশনের জন্য লাগবে ৩ লাখ টাকা। আমরা তার জন্য অনুদান তুলব না। অনুদান তোলার ব্যাপারে সে কঠোরভাবে দ্বিমত করেছে। তার পরিবারও সংকোচ বোধ করছে। কিন্তু আমরা তার পাশে দাঁড়াব। এটা আমাদের ওপর তার হক মনে করি। কারণ, আমরা তথ্য নিয়ে জেনেছি এই চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ করার সামর্থ্য তাদের নেই। আমাদের এই কাফেলায় আমরা আপনাকেও চাই। আমরা চাই তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। দ্রুত ফিরে যান হাদিসের দারসে। হাদিয়া পাঠানোর পদ্ধতি: ব্যাংক একাউন্ট IFIC Bank MOHD. TANJIL AREFIN A/C NO : 0210014217851 Konapara Branch Routing No : 120273746 বিকাশ, নগদ: 01314311676 (পারসোনাল) 01743014850 (বিকাশ পারসোনাল) Abul Kalam Azad Tanjil Arefin Adnan

একটা কথা সাফ মনে রাখতে হবে সবার, লিবারেল আর সেকুলার এই কু*ফ*রি জীবনব্যবস্থার মধ্যে বসবাস করে আল্লাহ ও তার রাসুলের ইজ্জত রক্ষার একমাত্র হাতিয়ার হলো এই সব বিষয়ে মুসলমানদের অনমনীয় আচরন। . ইংরেজদের আমল থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর সর্বস্থানে রাসুলের ইজ্জতের বিষয়ে মুসলমানদের অনমনীয় আচরণই কেবল আয়িম্মাতুল কু*ফ*রকে বাধা দিয়ে রেখেছে। নাহলে লিবা*রেলি*জমের কু*ফ*র চর্চার আড়ালে বাকস্বাধীনতার নামে নাটক, সিনেমা, গল্প, উপন্যাস, কার্টুন ইত্যাদিতে আল্লাহ ও তার রাসুলকে শয়তানের দোষররা কী জঘন্য চিত্রায়ণ যে করতো, তা আল্লাহই ভালো জানে! . সুতরাং, রাষ্ট্রের কী হলো, দেশকে কে নিয়ে গেলো, কোন দেশের আর্মি বাংলাদেশে আক্রমণ করে বসলো তা নিয়ে সামান্য ভাবার সময় আমাদের নাই। আমাদের একটাই কথা, আল্লাহ ও তার রাসুলকে নিয়ে তাদের শানের বিপরীত একটি টু-শব্দও এই পৃথিবীর কোথাও উচ্চারণ কেউ করতে পারবে না। কেউ করলে তার একমাত্র শাস্ত্রি মৃ*ত্যু*দণ্ড! হয় কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করবে, অন্যথায় মুসলমানরা নিজেদের দায়িত্ব নিজেরাই বুঝে নিবে৷ . তাই, দেশের কথিত শান্তি ঠিক রাখতে হলে, আল্লাহ ও তার রাসুলের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় যে বা যারা এমন কোনো কথা বা কাজ করবে তাদের শাস্তি বাস্তবায়ন করুন।

কাল এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি হাতে পেলাম। এই বইটি সংগ্রহ না করলে বিশাল লস করবেন৷ . সংক্ষিপ্ত পিডিএফ দেখলেই বুঝবেন কী জিনিষ। .
কাল এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি হাতে পেলাম। এই বইটি সংগ্রহ না করলে বিশাল লস করবেন৷ . সংক্ষিপ্ত পিডিএফ দেখলেই বুঝবেন কী জিনিষ। .

আশপাশের ভাইরা আজ মিস দিয়েন না৷ বিশেষত সেখানের আশপাশের যে ভার্সিটিগুলো আছে৷ এই ধরনের মসজিলসগুলো অনেক বড় নেআমত।
আশপাশের ভাইরা আজ মিস দিয়েন না৷ বিশেষত সেখানের আশপাশের যে ভার্সিটিগুলো আছে৷ এই ধরনের মসজিলসগুলো অনেক বড় নেআমত।

মোদীকে খুশি করলেও ঠিকানা জাহান্নাম। আমেরিকাকে খুশি করলেও ঠিকানা জাহান্নাম। খুশি করতে হবে আল্লাহ ও তার রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। . সংগীত নিজেই তো একটা অনর্থক ও অনৈসলামিক জিনিষ, তার উপর এই সংগীতের নামে মূলত এদেশে গেন্দুত্ববাদকে চাপিয়ে দেওয়া উদ্দেশ্য। তাওহীদ বিরুদ্ধ এই বিষয়ে এদেশের মুসলমান মেনে নিবে না৷ -মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব

জীবনী ১-২ শর্ট পিডিএফ.pdf4.71 KB

সন্দীপনের স্টলে পাবেন সময়ের এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি।
সন্দীপনের স্টলে পাবেন সময়ের এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি।

একটা ফিল্টার আছে, কঠিন এক ফিল্টার, নিজের বা কোনো মুসলিম রাষ্ট্রের মুনাফিকি ডিটেকশনের জন্য। কল্পনা করুন, এই মুহূর্তে যদি স্বয়ং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসে সকলকে কুফফারদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ডাক দেন, তবে কতজন মুসলিম সেই ডাকে সাড়া দেবেন? কোন কোন মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধান নিজেদের রাজত্ব ও ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পতাকার নিচে এসে নিজেদের সম্পূর্ণরূপে সমর্পণ করবেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলেই বোঝা যাবে তথাকথিত ৯০% মুসলিমের দেশ বা ৫৭টি মুসলিম রাষ্ট্রের আসল বাস্তবতা। ©

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানগুলো বিভিন্ন কারণে হলেও আমার কেনো জানি ভালো লাগে না। এই ভালো না লাগার একটি অন্যতম কারণ হলো শরম৷ অনেক ভাই
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানগুলো বিভিন্ন কারণে হলেও আমার কেনো জানি ভালো লাগে না। এই ভালো না লাগার একটি অন্যতম কারণ হলো শরম৷ অনেক ভাই আমার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করার জন্য বলেছেন, তাদের সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। মোড়ক উন্মোচনের বদলে আজকে বইটি ও বইয়ের বিষয়বস্তু নিয়ে অনলাইনে আলোচনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগ্রহীরা অংশগ্রহণ করতে পারেন। . https://chat.whatsapp.com/BjJrEdSeC0kCPDcFYoBvEd?mode=ems_copy_t

সময়ের গুরুত্বপূর্ণ এই বইটি পাওয়া যাচ্ছে মেলায়। রিহাবের স্টলে গেলেই পাবেন ইনশাআল্লাহ।
সময়ের গুরুত্বপূর্ণ এই বইটি পাওয়া যাচ্ছে মেলায়। রিহাবের স্টলে গেলেই পাবেন ইনশাআল্লাহ।

উসমানি সালতানাতের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা এরদোয়ান নিয়ে কোনো প্রবন্ধ দেখতেছি না কেনো? জামাতের পক্ষ থেকেও না, কওমীর পক্ষ থেকেও না! এমন বিপদের মূহুর্তে যদি এভাবে সমর্থন উঠিয়ে নেন, তাহলে তো বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।

অবশেষে ছুয়ে দেখলাম। .
অবশেষে ছুয়ে দেখলাম। .

পশ্চিমা সভ্যতা আধুনিকতার নামে মানবজাতিকে মুক্তি ও উন্নতির স্বপ্ন দেখালেও, এর ভেতর লুকিয়ে আছে এক ভয়াবহ ফাঁদ-কুফর, ঈমানবিধ্বংসী
পশ্চিমা সভ্যতা আধুনিকতার নামে মানবজাতিকে মুক্তি ও উন্নতির স্বপ্ন দেখালেও, এর ভেতর লুকিয়ে আছে এক ভয়াবহ ফাঁদ-কুফর, ঈমানবিধ্বংসী দর্শন এবং মানবতার সর্বনাশী জীবনবোধ। এই সভ্যতার মূল মতবাদগুলো শুধু মুসলিম সমাজের ঈমান, চরিত্র ও সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে না, বরং পুরো মানব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আজ বিশ্বজুড়ে মানুষের অন্তর শূন্য, পরিবার ভাঙনের পথে, নৈতিকতা পদদলিত, আর মানব জাতি এক নিকৃষ্ট নোংরামি ও পশুত্বে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। এই বইয়ে উন্মোচন করা হয়েছে- পশ্চিমা সভ্যতার জীবনদর্শন পুরোটাই কুফরি দর্শন। ইসলামের সাথে এর মৌলিক দ্বন্দ্ব ও সহাবস্থানের চূড়ান্ত অসম্ভবতা। মুসলিম সমাজ ও সমগ্র মানব জাতির ওপর এর ভয়াবহ প্রভাব ও বিপর্যয়কর পরিণতি । ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা (দুই জীবনব্যবস্থার সংঘাত) by শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বশির TK. 312 👉অর্ডার করতে ক্লিক করুন এই লিংকে : https://rkmri.to/V356FPWGTGSY