ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 323 подписчиков, занимая 7 894 место в категории Религия и духовность и 2 062 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 323 подписчиков.

Согласно последним данным от 31 августа, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 58, а за последние 24 часа — -7, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 13.99%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 5.84% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 584 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 661 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 37.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 01 сентября, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 323
Подписчики
-724 часа
-47 дней
+5830 дней
Архив постов
হালবের গভর্নর ভবনে একজন মুসলিম ভাই! (আমিও একদেশের গভর্নর ভবনে নিজেকে কল্পনা করি এভাবে সিলাহসহ)
হালবের গভর্নর ভবনে একজন মুসলিম ভাই! (আমিও একদেশের গভর্নর ভবনে নিজেকে কল্পনা করি এভাবে সিলাহসহ)

এমন একটি তৃপ্তির সিজদা দিয়ে যদি দুনিয়া থেকে চলে যেতে পারতাম তাহলেও কোনো আফসোস অন্তরে থাকতো না। আল্লাহ লাল কিল্লায় এমন সিজদা দেওয়ার আগে মৃত্যু দিয়ো না। আজ মুমিনদের খুশির দিন।

শামে বর্তমানে কী হচ্ছে তা জানতে নীচের লেখাটি পড়তে পারেন। এবং আন্তর্জাতিক যেকোনো বিশ্লেষনের জন্য হযরতকে ফলো দিতে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/1GYMbFRA5f/

এক ভাইয়ের মন্তব্য : বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বইটার যে কী, গুরুত্ব এটা বুঝতে পারলে সবাই এটা সংগ্রহ করত। পাঠকের ক্লিক
এক ভাইয়ের মন্তব্য : বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বইটার যে কী, গুরুত্ব এটা বুঝতে পারলে সবাই এটা সংগ্রহ করত। পাঠকের ক্লিক

#জুমার_বয়ান_সারাংশ (২৯ নভেম্বর ২০২৪) বাইতুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ খতীব: মুফতি আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ অনুলেখক: মুহাম্মাদ লুতফেরাব্বী আফনান চট্টগ্রামের তাওহীদ বিরোধীদের হাতে তাওহীদের কালেমা পাঠ করার অপরাধে যাকে শহীদ করা হয়েছে, তার প্রতি ফোটা রক্ত অত্যন্ত দামি। আর হত্যাকারী এবং সমর্থনকারীদের রক্ত তার তুলনায় মূল্যহীন। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আল্লাহর কাছে আমরা না দিলেও আল্লাহ বিচার করবেন। সরকারেরও উচিত এর যথাযথ বিচার করা। এসব ঘাতক সংগঠন দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, অরাজকতা তৈরি করছে এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে, এটা যদি আমরা বুঝতে না পারি তাহলে কিছুই করার নেই। বাইতুল মোকাররাম জাতীয় মসজিদের জুমার খুতবায় মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব এই কথা বলেন। তাকওয়ার ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসাবে তিনি বলেন, তাকওয়ার প্রধান অংশ হচ্ছে তাওহীদ। এজন্য সকল নবীগণ তাওহীদ ও শরীয়তের দাওয়াত নিয়ে এসেছেন। সকল নবীগণ এই কথা বলেছেন— فاتقوا الله وأطيعون —অর্থাৎ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার অনুসরণ করো। এজন্য মুমিনের প্রধান কাজ হচ্ছে, তাওহীদের উপর অবিচল থাকা এবং তাওহীদ পরিপন্থী সকল কাজ থেকে বেঁচে থাকা। তাওহীদের উপরে অবিচল ঢাকা এবং এজন্য সর্বস্ব ত্যাগ করার অনন্য উদাহরণ হচ্ছে আসহাবে কাহাফের ঘটনা। আল্লাহ নিজে তাদের ঘটনা কুরআনে বর্ণনা করেছেন। তারা দৃপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করেছেন— ربنا رب السموات والأرض —আমাদের রব হচ্ছেন আসমান জমিনের রব। আল্লাহ ছাড়া আমরা কাউকে ইলাহ হিসাবে মানিনা। তাওহীদ পরিপন্থী কোন কথা বলা জঘন্য বিষয়। তিনি আরও বলেন, ইসলাম হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ শান্তির ধর্ম। এই ধর্মের মধ্যে মানবজাতির ইহ ও পরোকালীন কল্যাণ রয়েছে। আজকে ইহুদি-খৃষ্টানরা সারা পৃথিবীতে সেবার নামে ধর্মপ্রচার করছে, অথচ তাদের কারো কাছেই শান্তির বার্তা নেই। মানুষ বিজ্ঞানের কল্যাণে চাঁদের ভ্রমণ করছে আর হিন্দুরা এখনও গো-মাতার পিছনে পড়ে রয়েছে। এগুলো সমালোচনা নয়; আক্ষেপের বিষয়। তাদের ধর্মগ্রন্থসমূহে ইসলামের নবীর আলোচনা রয়েছে। এগুলো গোপন রেখে তারা কখনো মানবতার কল্যাণ করতে পারবে না। কাদিয়ানীরাও ইসলামের নামে তাদের ধর্মপ্রচার করছে। এসব কোন কিছুতেই বাধা আসে না। আর শান্তির ধর্ম প্রচার করতে গেলে, তাওহীদের দাওয়াত দিতে গেলেই সব বাধা আসে। তিনি বলেন, এসব কাজে অন্যতম সহযোগী হচ্ছে তথ্যসন্ত্রাস সৃষ্টিকারী মিডিয়া, পত্র-পত্রিকা। তারা বছরের পর বছর মিথ্যা-বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। অন্যায় ভাংচুর বা অনানুমোদিত ভাংচুর যেভাবে অপরাধ, তথ্যসন্ত্রাসও তেমন অপরাধ। আমরা সকল প্রকার অপরাধের বিরুদ্ধে। সকল নাগরিককে এসব অপরাধের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করতে হবে।

পূঁজায় পাহাড়া ও হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই! শাইখুল হাদিস আল্লামা নুরুল হক হাফি: কুমিল্লা এস্যে হোতে হ্যে ওলামায়ে দেওবন্দ।

শামের এক ভাইয়ের পায়ের তলে রাশীয়ান ভাড়াটে। (অনেক হিসেব নিকাশ আছে এদের সাথে আমাদের)
শামের এক ভাইয়ের পায়ের তলে রাশীয়ান ভাড়াটে। (অনেক হিসেব নিকাশ আছে এদের সাথে আমাদের)

ফিলিস্তিনের বিষয়ে একটা নির্মম বাস্তবাত হলো, যেদিন থেকে আমরা আকসার থেকে বেশি সিরিয়ান মুজাহিদ আর সেখানের মানুষের জন্য বেশি চিন্তিত হবো ও সেখানের মুজাহিদের নুসরতের জন্য সার্বজনীন ফতোয়া দিবো, তাঁদের জন্য সকল সম্পদ উতসর্গ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী হবো সেদিন থেকে আকসার আকাশের পরিবর্তন ধীরে ধীরে শুরু হবে। নির্মম আর তিতা হলেও এটাই সত্য! সিরিয়া আর সিরিয়ার মুজাহিদের হাতেই হবে আকসার মুক্তি। এছাড়া আর কারো হাতেই তা সম্ভব নয়। এই বাস্তবাতা আমাদের স্বীকার করতেই হবে।এবং এই বাস্তবতার উপরেই আমাদের উঠে আসতে হবে। মুসলমানদের চিরশত্রু ইরানের হাত ধরে নয়। নয় ফিলিস্তিনের পাশে থাকা তুরষ্ক, জর্ডান বা লিবিয়ার মত মুসলিম নামধারী তাগুত, মুনাফিক বা দুনিয়ালোভি শাসকদের হাতে। আকসার মুসলমানদের মুক্তির একটাই পথ সিরিয়ায় মুসলমানদের বিজয়! আর বেশি কিছু বলতে পারছি না, হাত শুধু থেমে থেমে আসছে! আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা বুঝার তাওফিক দান করুক।

গ য ও য়া তুল হিন্দের হাদিস প্রমাণিত হোক বা অপ্রমাণিত--এর সাথে জি হা দের ফরজিয়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। ফাজায়েল দিয়ে ফিকহের বিধান
গ য ও য়া তুল হিন্দের হাদিস প্রমাণিত হোক বা অপ্রমাণিত--এর সাথে জি হা দের ফরজিয়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। ফাজায়েল দিয়ে ফিকহের বিধান সাব্যস্ত হয় না। হাঁ, তবে যদি কোনো ফিকহের বিধানের বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদ্বুদ্ধ করে থাকেন তাহলে সে হাদিস বলে আমরাও উম্মতকে উদবুদ্ধ করবো। . এই বিষয় নিয়ে ছয় সাত বছর আগে একটি প্রবন্ধ লেখেছিলাম। তখন বেশ কিছু ইশকাল সামনে আসে। সে সকল ইশকাল নিয়ে আবার কাজ করি। এবং এই প্রবন্ধটি দাঁড়া করাই। লিংক : https://t.me/abdullahbinbashir/623

গযওয়াতুল হিন্দের হাদিসের তাহকিক ও তাতবিক

আকসা থেকে তুফানুল আকসা ভিডিওটি আশা করি মনোযোগসহ দেখবেন।

এদেশের সাধারণ হিন্দুদের কেনো বাধ্য করা হচ্ছে না ইস ক ন থেকে দায়মুক্তির বিবৃতি দিতে? মুসলিম সুশীলরা কেন এই বিষয়টা লেখছেন না? কওমীর শাহবাগীগুলোও কেনো এই বিষয়ে বুদ্ধবৃত্তিক প্রবন্ধ ফাদতেছে না? কিন্তু মুসলমানদের থেকে কথিত অনাখাঙ্খিত কিছু ঘটলেই তো পুরো দেশ আলেমদের থেকে দায়মুক্তি বিবৃতির জন্য একদম পাগল হয়ে যায়! আসল ঘটনা কী?

আমার বন্ধু মফিজ মাওলানা যুবায়ের সাহেবদের কড়া বিরোধী, কিন্তু বন্ধু এখনো তাদের একটি বইও পড়ে দেখেনি। তার বক্তব্যের খোলাসা হলো সে এগুলো কখনোই পড়ে দেখবে না। তার যুক্তি হলো এগুলো পড়লে দেমাগ নষ্ট হয়ে যাবে। বললাম, বন্ধু কীভাবে জানো? 'শুনেছি' বলে মুখ ভেঙছে জানিয়ে দিলো। 'ফেরাকে বাতেলা হিসেব বইগুলো মাদরাসার মাকতাবায় রাখো।' বন্ধু মফিজকে বলেছিলাম। সেটাও করবে না বলে বন্ধু সাফ জানিয়ে দিলো।

চট্টগ্রামে আদালত চত্বরে আজকে যা হয়েছে তা রীতিমতো বিভীষিকাময়! গ্রেফতারকৃত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে আদালতে তোলার পর জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই আদালত চত্বরে হামলে পড়ে চিন্ময় এর অনুসারীরা। কোর্ট চত্বরে চিন্ময়ের সমর্থকেরা সাইফুল ইসলাম নামে একজন আইনজীবীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জনসম্মুখে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে। সেই হামলায় সেখানেই সাইফুল মারা যান। আরও ৬-৭ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। চিন্ময়ের অনুসারীরা আদালত চত্বরের মসজিদও ভাঙচুর করেছে। থমথমে একটা পরিবেশ বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে অতিরিক্ত বিজিবি নিয়োগ করা হয়েছে। তবে রাতের বেলা আরও অতিরিক্ত পুলিশ-বিজিবি-আর্মি মোতায়েন করে কড়া নজরদারির ভেতর রাখা উচিৎ। আর চিন্ময়ের সমর্থক যারা কুপিয়ে ওই আইনজীবীকে মেরে ফেললো, এদের প্রত্যেককে একেবারে চিরুনি অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তাছাড়া চিন্ময়ের যেসব সমর্থকেরা কোর্ট চত্বরে এভাবে হামলা করেছে এবং এইরকম নারকীয় কাজ ঘটানোর উষ্কানি দিয়েছে, এদের প্রত্যেককে কঠোর আইনী শাস্তির আওতায় আনতে হবে, এক্ষেত্রে কোন ছাড় দেওয়া চলবে না। আর ওই সংশ্লিষ্ট এলাকার মুসলমানদের উচিৎ নিজেদের হাতে আইন তুলে না নেওয়া। কোন অবস্থাতেই পাল্টা আক্রমণ করা যাবে না। এটা করলে পুরো ব্যাপারটাই অন্যদিকে মোড় নিবে, তখন এটাকে সাম্প্রদায়িক দা ঙ্গা হিসাবে এস্টাবলিশ করে ফায়দা তুলবে একটা গোষ্ঠী এবং পাশের দেশ। তাই সবারই উচিৎ অস্থিতিশীল পরবেশ তৈরী না করে ধৈর্যধারণ করে সতর্কদৃষ্টি রাখা এবং আইনিভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে সহায়তা করা। @সাইদ আব্দুল্লাহ

কেনো মাওলানা যুবায়ের সাহেবরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা বুঝানোর জন্য নিজেদের জানমাল, ইজ্জত, ক্যেরিয়ার, পরিবার-পরিজন সবকিছু কুরবান করেছেন তা এখনো আমার বন্ধু মফিজ বুঝে না। এবং বুঝতেও চায় না। বন্ধু মফিজ আমার এতটা প্রিয় যে, তাকে আমি না পারি একদম ছেড়ে দিতে, আবার না পারি তার বাচ্চাসূলভ ও আবলতাবল কথাগুলো মেনে নিয়ে তার সাথে তর্ক থামিয়ে দিতে! আমি এক অদ্ভুত জীবন কাটাচ্ছি।

ক্রিসমাস খ্রিস্টধর্মের একটা অংশ। দূর্গাপূজা হিন্দু ধর্মের একটা অংশ। কিন্তু কোনো মুসলমান যদি ক্রিসমাসে বা দূর্গাপূজায় অংশগ্রহণ করে তাহলে শুধু এই অংশগ্রহনের কারণেই দুনিয়ার কোনো ফকিহ তাকে তাকফির করে না। বরং এখানে অনেকগুলো স্তর দেখা হয়। এটা একদম স্পষ্ট মাসআলা। এখানে কোনো অস্পষ্টতা নেই। এই মাসআলাটি নিয়ে চিন্তা করলেও বিকৃত চিন্তার মানুষগুলোর ধোঁকা আর ধোঁকাবাজি থেকেও আমাদের জন্য বেঁচে থাকা বহু সহজ।

জাতীয় মেহরাব থেকে...
জাতীয় মেহরাব থেকে...

আমার বন্ধু মফিজ, "এদিকে আকসার মুক্তিও চায়। আবার জাতিসংঘের স্বীকৃতিও চায়।"

মাকদেসী হাফিজাহুল্লাহের রচিত 'আর রিসালাতুস সালাসিনিয়্যাহ' কিতাবটির পিডিএফ।

আবু মুহাম্মদ আলমাকদেসি হাফিজাহুল্লাহের বেশকিছু মত আছে যেটা মেনে নেওয়ার কোনো সুযোগ আছে বলে মনে হয় না। এবং জি হা দি কাফেলাগুলোও তার সবগুলো ফতোয়া মেনে নেনও না। তাকফিরের ক্ষেত্রে তার কিছু সিদ্দাত সর্বজন বিধিত। এছাড়াও নজদিধারার কিছু উসুলের ব্যাপক প্রয়োগের বাড়াবাড়িও উনার মাঝে আছে। (তবে মাকদেসীকে আমার কট্টর নজদি মনে হয়নি কখনো, ইলম ও আহলে ইলমের বিষয়ে বেশ শ্রদ্ধাশীলই মনে হয়েছে) কিন্তু শ্রদ্ধেয় মিজান হারুন সাহেব (আল্লাহ তার ইলম দ্বারা আমাদের আরো উপকৃত হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন) মাকদেসীর বিভিন্ন চিন্তা নিয়ে যেভাবে লেখেছেন আমার মনে হয় এটা মাকদেসীর সঠিক তরজুমানি হয়নি। বিশেষত যারা মাকদেসীর আর রিসালাতুস সালাসিনিয়্যাহ পড়েছেন তারা জানেন মীজান হারুন সাহেব মাকদেসীর যে মতগুলো উল্লেখ করেছেন তার অধিকাংশেরই ব্যাখ্যা দিয়েছেন কিতাবে মাকদেসী হাফিজাহুল্লাহ করেছেন, যেগুলোর মাধ্যমে মীজান হারুন সাহেবের মতের বিপরীত চিত্রই উঠে আসে বলেই মনে হয়। বিস্তারিত বলার মানসিকতা নাই। আগ্রহী তালেবে ইলমদের জন্য কমেন্টে কিতাবটির পিডিএফ দিয়ে দিচ্ছি তারা তানকিহের সাথে মুতালাআ করবেন বলে আশা রাখি। . যাইহোক, জি হা দ ও তাকফির সংক্রান্ত যেকোনো মৌলিক বিধান আমরা আমাদের ফুকাহায়ে কেরাম থেকেই নিবো। আধুনিক যত তাতবিক আছে তাও ফুকাহাদের বক্তব্যের আলোকেই দিবো। আমাদের জন্য আমাদের ফকিহদের কিতাবই নিরাপদ। তবে তাদের উসুল ও নীতির আলোকে আমরা আহলুস সুন্নাহের যেকোনো সমকালীন আলেম থেকেই ইসতিফাদা করতে পারবো তানকিহ ও সমকালীন আলেমদের সাথে মুজাকারার সাথে। আল্লাহ আমাদের আমলের তাওফিক দান করুন।