es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 303 suscriptores, ocupando la posición 8 130 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 026 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 303 suscriptores.

Según los últimos datos del 25 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 77, y en las últimas 24 horas de -2, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 19.07%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 8.07% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 155 visualizaciones. En el primer día suele acumular 912 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 46.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 26 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 303
Suscriptores
-224 horas
+227 días
+7730 días
Archivo de publicaciones
ইসলামি ভুখণ্ডে বসবাসকারী অমুসলিমদের জানমাল পাহাড়া দেয়া আর তাদের মন্দির পাহাড়া দেয়া এক বিষয় নয়। প্রথমটা শরীয়তে জায়েয এবং মুসলিমদের দায়িত্ব আর দ্বিতীয়টি মুসলিমদের দায়িত্ব নয়। এমনকি এটা মুসলিম শাসকেরও নয়। পুরো ইসলামের ইতিহাসে এমন কোনো নজির কী দেখানো যাবে, মুসলিম সেনাবাহিনী অমুসলিমদের মন্দির পাহাড়া দিচ্ছে? পুরো ফিকহে ইসলামীতে কী এর পক্ষে একটি নজিরও উপস্থাপন করা যাবে? (কার কাছে থাকলে দিয়েন, আমি অনেক তালাশ করেও পাইনি) . বস্তুত, মুসলিম ভুখণ্ডে বসবাসকারী অমুসলিমরা নিজেরাই নিজেদের উপসনালয়গুলো রক্ষা করবে। আর মুসলিমদের দায়িত্ব হলো সেগুলোর আশপাশেও ঘেষবে না। আর মুসলিম শাসকের দায়িত্ব হলো মুসলমানদের মন্দির-গীর্জা থেকে পূর্ণে দূরে রাখবে। এর একটি ফিকহি নজির হলো, যদি মুসলিম ভুখণ্ডে অমুসলিমদের উপসনালয় ভেঙ্গে যায়— যেগুলোর বাকি রাখার অনুমতি শরীয়তে আছে—তাহলে সেগুলো অমুসলিমরা নিজ দায়িত্বে ঠিক করতে পারবে পূর্বের অবকাঠামো মত। তবে তাদের এই পুননির্মাণে মুসলিম শাসক কোনোরকম সহযোগিতা করতে পারবে না। কারণ অমুসলিমদের উপসনালয় কেন্দ্রীক তাদের কোনো সাহায্য করা মুসলিমদের জন্য জায়েয নেই। . আমাদের ইসলামের মাসআলা হল থাকা লাগবে। এমন যেনো না হয়, আমরা রাজনৈতিক স্বার্থে ইসলামকেই জলাঞ্জলি দিচ্ছি! তাহলে আমাদের ভিতর আর মডার্নিষ্টদের মাঝে কী পার্থক্য রইলো? তার থেকে বড় কথা, রাজনৈতিক স্বার্থে দ্বীনের বিধানকে জলাঞ্জলি দিলে আমাদের আর মওদুদি বা জামাতে ইসলামের সমালোচনা করার নৈতিক অধিকার থাকবে না। কারন, আমাদের আকাবীরদের মাওলানা মওদুদি ও জামাতের উপর যতগুলো আপত্তি ছিলো তার মাঝে মৌলিক একটি আপত্তি ছিলো রাজনৈতিক স্বার্থে দ্বীনের বিধানকে ছোট করে দেখা!

... এমন স্পষ্ট শরীয়তের বিধান থাকার পরেও আজ দুনিয়ার সামান্যকিছু অর্জনের জন্য মুসলিম সন্তানদের দেখা যায় খুব আয়োজন করে অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে শুভেচ্ছা জানাতে! ফুকাহায়ে কেরাম মুখে একটু বলাকেই কতটা কঠিনভাবে দেখেছেন, আর আজ তো পকেটের টাকা খরচ করে পোষ্টার বানিয়ে কুফরি শব্দ দিয়ে তৈরি শুভেচ্ছা বার্তা দেয়া হয়! আরো দুঃখজন হলো, এই কাজগুলোতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ইসলামের নামে রাজনীতি করা ব্যক্তিবর্গ! গণতান্ত্রিক ভোটের রাজনীতির সামান্য লোভে আজ এই হারাম কাজে এই শ্রেণীকেই সবচেয়ে বেশি লিপ্ত দেখা যায়। আমাদের ছোট মনে এই কথাটুকু বুঝে আসে না, আল্লাহর বেধে দেওয়া হারামের গণ্ডি মারিয়ে আল্লাহর জন্য মানুষ কীভাবে রাজনীতি করে! সাথে মনে আরেকটি প্রশ্নের উকি দেয়, যে ব্যক্তি ক্ষমতার জন্য আল্লাহর হারামের গণ্ডিকে পদদলিত করতে পারে, সে কাল ক্ষমতায় গিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে যে আরো অসংখ্য বিধানের গলায় ছুরি চালাবে না তার নিশ্চিয়তা কী আমরা পাবো? সে যে ক্ষমতার জন্য ইসলাম ছেড়ে দিবে না, তার কী কোনো গ্যারান্টি আছে? আল্লাহ আমাদেরকে দুনিয়ার সবচেয়ে দামী বস্তু নিজের ঈমানকে রক্ষা করার তাওফিক দান করুক। আমীন। প্রকাশিতব্য বইয়ের একটি অংশ। খুব দুঃখ নিয়ে কথাগুলো লেখেছিলাম।

প্রত্যেকটি জীবনব্যবস্থায় তার অধিনস্ত ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব গঠনের কিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের পলিসি থাকে। এটা কস্মিনকালেও সম্ভব নয় যে, একটি শাসনব্যবস্থা থাকবে কিন্তু সে শাসনব্যবস্থায় ব্যক্তি গঠনের কোনো লক্ষ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের পলিসি থাকবে না। কারণ একটা শাসনব্যবস্থা টিকেই থাকে সে শাসনব্যবস্থার উপযোগি নাগরিক/প্রজা দিয়ে। . গণ তন্ত্র দিয়ে শুধু ইসলামি রাষ্ট্র গঠনই অসম্ভব নয়, বরং গ ণ তন্ত্রীক শাসন কাঠামোর মধ্যে দিয়ে ইসলামি ব্যক্তিত্ব গঠনও সম্ভব নয়। ইসলাম শাসনব্যবস্থায় যেমন শাসনকার্য পরিচালনার নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পলিসি রয়েছে তেমনি এই শাসনব্যবস্থার উপযোগি নাগরিক তৈরিরও রয়েছে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পলিসি। আর হাদিসের কিতাবের বাবুল আখলাকের পুরো অধ্যায়, ইলমে তাসাওউফের পুরো অধ্যায় মূলত ঐ উপযোগি নাগরিক তৈরির একটি বস্তুগত ব্যবস্থাপনা। যেমন ধরেন গ ণ তন্ত্রের জন্য নারী-পুরুষের একসাথে চলাফেরা করা, সমান অধিকার রাখা একটা মৌলিক বিষয়। অর্থাৎ, সে এমন নাগরিক চায় যারা নারী পুরুষের এই বিষয়গুলোকে মেনে নিবে এবং এটাকে স্বাভাবিকই শুধু নয় বরং এটাই উত্তম এমন বিশ্বাস করবে। এটার জন্য সে শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করবে, রাষ্ট্রের বিভিন্ন পলিসগুলো সেভাবে সাজাবে ইত্যাদি। গণতন্ত্র খারাপ, এটার মাধ্যমে শুধু খারাপ মানূষ তৈরি হয়, এটা হলো আবশ্যকীয় ফল। এই ফলাফলটা হবেই। কিন্তু এটা কেমনে হয় বা হতে যে বাধ্য, সেই বিষয়টাই আমাদের গোড়া থেকে বুঝতে হবে। . এক শাসনব্যবস্থার ব্যক্তিত্ব গঠনের পলিসি দিয়ে আরেক শাসনব্যবস্থার উপযোগী নাগরিক তৈরি কখনোই সম্ভব নয়। এটা যদি আমরা ভালো করে বুঝতে পারি তাহলে এটা বুঝা একদম সহজ হবে যে, কেনো মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রগুলোতে গ ণ তন্ত্র চরম ব্যর্থ হচ্ছে, এই অঞ্চলে গণ ত ন্ত্র দিয়ে কেনো বস্তুগতও কোনো সফলতা আসছে না।

মডারেট মুসলিম: এটা আব্র কী ইসলাম!!!
মডারেট মুসলিম: এটা আব্র কী ইসলাম!!!

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিরাত থেকে কোনো ফিকহি বিধান বুঝতে হলে আমাদের তা ফিকহ ও ফকিহদের বক্তব্যের আলোকেই বুঝতে হবে, এটাই চূড়ান্ত কথা। কিন্তু চরম দুঃখজনক বাস্তবতা হলো আমাদের অনেকে সিরাত থেকে এমনভাবে ফিকহি বিধান বলে যেনো উনিই নিজেই মুজতাহিদ! যখন জিজ্ঞাসা করি, সিরাতে আছে মানলাম, কিন্তু কোনো ফকিহ কী সিরাত থেকে এই বিধানকে এভাবে বুঝেছেন? তখন দেখা যায় চেহারা কালো হয়ে যায়! . এখানে একটা কথা বলে রাখি, সিরাত থেকে শিক্ষা ও সিরাত থেকে আইন বা ফিকহ নেয়া, দুটো এক বিষয় নয়। . বর্তমানে ইসলামি আইন ও শাসননীতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, এখানে বহু মানুষকেই দেখা যায়, সিরাত থেকে দলিল পেশ করে! জিজ্ঞাসা যখন করা হয়, এই বিধান কোন ফকিহ বলেছেন! তখন আর মুখে জো থাকে না! এর মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো ইসলামি ভুখণ্ডে অমুসলিমদের অধিকার, মদিনায় যাওয়ার পর জি হা দ ফরজ হয়েছে, সুতরাং সবরকম জি হা দের জন্য রাষ্ট্র লাগবে! আগে খিলা ফ ত প্রতিষ্ঠা হবে, পরে জি হা দ, যেমন সিরাতে পাওয়া যায়, ইত্যাদি বিষয়গুলো! . নিজেকে মুকাল্লিদ দাবী করি, এবং তাকলিদ ছাড়া এই সময়ে চলাকে ফিতনা বলি অথচ ফকিহদের কাছে যতটা নিজেকে অর্পন করা দরকার ছিলো তা করি না, এটা দুঃখজনক।

শহীদ মুফতী আবু সাঈদ রহিমাহুল্লাহ। মুফতী মনসূরুল হক সাহেবের বড় সাহেবজাদা। জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়া থেকে শিক্ষা সমাপন করে পাকিস্তানে দ্বীনি খিদমতে নিয়োজিত ছিলেন। ১৪৩৫ হিজরীর ২৮ রমযান তিনি কট্টরপন্থী শিয়াদের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন। মুফতী মনসূরুল হক সাহেবের ভাই তখন পাকিস্তানে থাকতেন। তিনি টেলিফোনে মুফতী সাহেবকে পুত্রের শাহাদাতের খবর জানালেন এবং লাশ দেশে নিয়ে আসার ব্যাপারে মতামত জানতে চাইলেন। মুফতী সাহেব বললেন, 'শহীদকে তাঁর শাহাদাতস্থলে দাফন করাই উত্তম। তাই সুন্নত তরীকায় যত দ্রুত সম্ভব সেখানেই দাফন করো; দেশে আনার দরকার নেই।' লোকজন এলো হুযূরকে শান্তনা দেয়ার জন্য। শোকে পাথর বাবার হৃদয়ে হয়তো তখন কান্নার ঝড় বইছিলো। কিন্তু চেহারায় ছিলো না কোনো বিষন্নতার ছাপ। কিছুটা অপার্থিব আনন্দের ঝিলিক মুখাবয়বে লক্ষ্য করা যাচ্ছিলো! একই দিনে মাদরাসার গুরুত্বপূর্ণ মিটিং ছিলো। শোকাহত মুফতী সাহেবকে শুভাকাঙ্খীবৃন্দ পরামর্শ দিলো-'হযরত এই পরিস্থিতিতে আপনার যাওয়ার দরকার নেই'। মুফতী সাহেব বললেন, 'মিটিংয়ে উপস্থিত থাকা মাদরাসার পক্ষ থেকে আমার উপর আবশ্যকীয় দায়িত্ব এবং কর্তব্য; -সুতরাং আমাকে যেতেই হবে'। যেই বলা সেই কাজ! তিনি গেলেন। যথারীতি মিটিং শেষ করে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে কলিজার টুকরা আদরের পুত্রের মাগফিরাত কামনায় দু'হাত উত্তোলন করলেন। বাধভাঙ্গা অশ্রুর নজরানা পেশ করলেন মহান রবের দরবারে! ✍️Saif Muhammad

Noor-Book.com ريح الجنة (1).pdf2.73 MB

ডা. আইমানের ‘রিহুল জান্নাহ’ বইটি পড়ছি আর অবাক হচ্ছি! একজন ডাক্তার মানুষ, অথচ নুসুসে শরয়ীয়্যাহ, নুসুসে ফিকহিয়্যাহ, পূর্ববর্তীদের ইতিহাস ও সমকালীন ইতিহাস বলে যাওয়ার কি যে অপূর্ব উসলুব! এরপর নুসুস থেকে ফাহম, সেটা নিয়ে আর কী বলবো! . ইতিহাস তো এমন ব্যক্তিরাই তৈরি করে! এমন ব্যক্তি দিয়েই তো ইতিহাস হয় তাই না! . আজকের দিনে বইটি অনাকাঙ্খিত শুরু করেছি! এখন শেষ না করে আর ভালো লাগছে না! . বইটির পিডিএফ।

সমকামীতা নিয়ে তথ্যবহুল একটি ভিডিও। নিজে মন দিয়ে শুনবেন এবং অন্যকে শুনার ব্যবস্থা করে দিবেন।

Abu Usama Jafar ভাইয়ের তৈরি করতে থাকা একটি এটম বোমা থেকে সামান্য আগুন! . বিখ্যাত হানাফি ফকিহ ইমাম তাহতাবি রহিমাহুল্লাহ বলেন, الحكمة فيه الإشارة إلى أن هذا الدين قد قام بالسيف (যু*দ্ধে*র মাধ্যমে বিজিত অঞ্চলে খতিব সাহেব যে তরবারির উপর ভর করে খুতবা দেবেন) এর মাঝে হিকমত হলো এই দিকে ইশারা করা যে, এই দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জি হা দের মাধ্যমে। -হাশিয়াতুত তাহতাবি আলা মারাকিল ফালাহ পৃ. ৩৩৪ . আরেক বিখ্যাত মুহাদ্দিস ইমাম আবুল আব্বাস আলকুরতুবি রহিমাহুল্লাহ লেখেন, قوله: (إن الإيمان والجهاد أفضل الأعمال)؛ الإيمان هنا: هو المذكور في حديث جبريل، ولا شك في أنه أفضل الأعمال؛ فإنه راجع إلى معرفة الله ورسوله، وما جاء به، وهو المصحح لأعمال الطاعات كلها، المتقدم عليها في الرتبة والمرتبة، وإنما قرن به الجهاد هنا في الأفضلية، وإن لم يجعله من جملة مباني الإسلام التي ذكرها في حديث ابن عمر؛ لأنه لم يتمكن من إقامة تلك المباني على تمامها وكمالها، ولم يظهر دين الإسلام على الأديان كلها إلا بالجهاد، فكأنه أصل في إقامة الدِّين والإيمان، أصل في تصحيح الدِّين، فجمع بين الأصلين في الأفضلية. والله تعالى أعلم. وقد حصل من مجموع هذه الأحاديث: أن الجهاد أفضل من جميع العبادات العملية، ولا شك في هذا عند تعيُّنه على كل مكلف يَقدر عليه، كما كان في أوّل الإسلام، وكما قد تعيَّن في هذه الأزمان، إذ قد استولى على المسلمين أهل الكفر والطغيان، فلا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم). “... ঈমানই সকল আনুগত্যকে সঠিক ও গ্রহণযোগ্য বানায়। ঈমানই অন্য সকল আমলের চেয়ে মর্যাদা ও মর্তবার দিক থেকে অগ্রগামী। আর ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বর্ণিত হাদিসে যদিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জি*হা*দকে ইসলামের রোকনের অন্তর্ভুক্ত করেননি তবুও এই হাদীসে এসে সর্বোত্তমতার দিক থেকে ঈমানের সাথে জি*হা*দকে সম্পৃক্ত এজন্যই করেছেন যে সেই রোকনগুলো পূর্ণাঙ্গ ও পরিপূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠা করা এবং অন্য সকল দীনের উপরে ইসলামের বিজয় জি*হা*দ ছাড়া সংঘটিত হয়নি। যেন জি*হা*দ দীন ও ঈমান প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মূল আর ঈমান হলো দীনকে সহিহ করার ক্ষেত্রে মূল। এজন্য এই হাদিসে এই উভয় মূল ও ভিত্তিকে একত্রিত করেছেন। এ সকল হাদীসের খোলাসা এটাই যে, সকল কর্মগত ইবাদতের মধ্যে জি*হা*দ সর্বশ্রেষ্ঠ। আর যখন জি*হা*দে সক্ষম প্রত্যেক মুকাল্লাফের উপর ফরযে আইন হয় তখন তো এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহই নেই। যেমনটা ইসলামের শুরু যুগে ছিল। যেমনিভাবে এই যুগগুলোতেও জি*হা*দ ফরযে আইন হয়ে গেছে। কেননা মুসলিমদের উপরে কা]ফের ও অবাধ্য সম্প্রদায় আক্রমণ করে সবকিছু দখল করে নিয়েছে।” -আলমুফহিম ৩\৭১২

দেখুন আমাদের সবার আগে সত্য বুঝতে হবে, সত্য বলতে হবে। তারপর সমাধান হতেও পারে নাও পারে। ১/১১ করেছিল আমেরিকা। ৫ই আগস্ট এবং তারপর ইউনুস সরকার সংঘটনেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হলো আমেরিকা। এখানে একটা গুড কপ, ব্যাড কপ পলিসি আছে। ইন্টারোগেশনের সময় একদল নির্যাতন করে আরেকদল সুন্দর সুন্দর কথা বলে সহানুভূতি কুড়ায়। ১/১১ ঘটিয়ে প্রথমে  এদেশে মুসলমানদের ব্যাপকভাবে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, জেল, গুম, ক্রসফায়ার করিয়েছে আমেরিকা। আই রিপিট ভারতের চেয়ে অধিক দায় ছিল আমেরিকার। র‍্যাবকে ট্রেইন করেছে এফবিআই। কাউন্টার টেররিজম পুরোটাই মার্কিন স্কিম। মৌলবাদ দমনের যাবতীয় দার্শনিক কাঠামো এবং সফট ও হার্ড পাওয়ারগুলোর নিয়ন্ত্রা আমেরিকা। তারপর এদেশের মুসলমানদের নিশ্বাস যখন ওয়াটার বোর্ডিং করতে করতে যায় যায় অবস্থা তখন আমেরিকা গুড কপ পলিসির অধীনে ৫ই আগস্ট সংঘটন করে মুসলমানদের জন্য একটা মিনিমাম ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু দাবি আগেও যা ছিল এখনো তাই আছে। হয় ইসলাম ছেড়ে দাও নয়তো জিজিয়া দিয়ে ইসলামকে একান্ত ব্যাক্তিগত পরিসরে কিছু কালচারাল অ্যাসপেক্ট পালন করো নয়তো মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও এই দাবি গত ষোল, সতেরো, বিশ বছরে  একচুল নড়চড় হয় নাই। রিমান্ডে এক বেলা টানা পিটিয়ে দশ মিনিট রেস্ট দিয়েছে। ঠান্ডা একটু পানিও দিয়েছে। আর বলছে আমাদের কথা মেনে নে নয়তো আমরা আবার পেটাবো। হাসিনা ব্যাড কপ। ইউনুস অ্যান্ড কোং গুড কপ, অ্যাটলিস্ট ফর দ্যা টাইম বিং।  পুরো সিনারিওটা জাস্ট এটাই। এখন আমাদের কাজটা কি? আমাদের কাজ হলো এই আপাত গুড কপ পলিসির আওতায় আমরা একটু নিশ্বাস নেবো। নিজেরা নিজেদের ক্ষতগুলোকে একটু সাড়িয়ে নেবো। পাশাপাশি লো-প্রোফাইল বজায়ে রেখে অ্যাটেশান এড়িয়ে যথাসম্ভব নিরবে নিভৃতে আমাদের শক্তি অর্জন করতে চেষ্টা করবো। এখানে লো-প্রোফাইল থাকা মানে হলো এটা নিশ্চিত করা যে আমরা যেনো এই জালিমদের প্রধান সমস্যায় পরিনত না হই যতক্ষণ না আমরা এই জালিমদের চ্যালেঞ্জ করার শক্তি অর্জন করি। আমাদের অবশ্যই বুঝতে হবে যে আমরা কোনভাবেই স্ট্র‍্যাটিজিক্যালি ওভাররিচ করবো না। পাশাপাশি আমরা আমাদের আকিদা নিয়ে কম্প্রোমাইজ করবো না। আমরা জনগণকে সঠিক দ্বীন বোঝাবো। দ্বীনের গভীর সমঝদার এমন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী তৈরি করবো। ফলে আমরা মুসলিম  সমাজকে ভেতর থেকে টিকিয়ে রাখতে পারবো। তারপর একটা সময় ইতিহাসের স্বাভাবিক নিয়মে জাতীয়, আঞ্চলিক, আন্তর্জাতিক পাওয়ার স্ট্রাকচার ও ব্যালেন্স দশ বছর পরে হোক বা একশত বছর পরে হোক ভেঙে পরবে। তখন আমরা সেই পাওয়ার ভ্যাকুয়াম দখল করবো। এভাবে আমরা যখন শক্তি অর্জন করবো তখন আমরা দুশমনের বিষদাঁত ভেঙে ফেলবো ইনশাআল্লাহ। ©

প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকিং...

সিয়াসাত বিষয় পড়ার পরামর্শ চেয়ে অনেকে মেসেজ দেন, তাদের সমীপে . সিয়াসাত বিষয়ে অনেকেই পড়তে চান, তাদের আগ্রহকে আমি মুবারকবাদ জানাই। আল্লাহ আপনাদের এই আগ্রহে ইসতিকামাত দিক। আমীন। কিন্তু যারা আমার সাথে পরামর্শের জন্য মেসেজ দেন তাদের কয়েকটি কথা জেনে রাখা দরকার বলে মনে হয়। ১। সিয়াসাত বিষয়ে আমার শাস্ত্রীয় কোনো পড়াশোনা নেই এবং এই বিষয়ে কোনো উস্তাদের কাছে বসে কোনো কিতাবও পড়া হয়নি। যখন আমি নিজে এই বিষয়ে পড়ার জন্য একজন উস্তাদের সাথে পরামর্শ করি তখন হুজুর বলেছিলেন, ‘আসলে এই বিষয়ে এই বিষয়ে আমার নিজেরও পড়াশোনা নাই এবং ব্যাপক পড়াশোনা আছেন এমন কাউকে জানিও না। তাই আপনার কষ্ট হবে বাকি হিম্মত করলে সহজ। আপনি প্রথমে আমাদের সালাফদের কিতাবগুলো শুরু করেন এরপর সমকালীন সর্বজন নির্ভরযোগ্য যে আলেমরা এই বিষয়ে কলম ধরেছেন তাদেরগুলো পড়বেন। তখন ইনশাআল্লাহ, আপনি নিজেও কিছু দিক পেয়ে যাবেন’ তো সকলের ক্ষেত্রে এই পরামর্শই আমি দিবো। ২। ফেসবুকে যারা আমার কাছে পরামর্শ চান, যেহেতু আমি আপনাদের চিনি না, তাই আপনাদের বিশ্বাসও করি না। আপনি কে? আপনার আসলে ইসতেদাদ কতটুকু? আপনি কী আসলেই পড়বেন কি না? এসকল কিছুই আমি জানি না। তাই আপনাকে পরামর্শ দিয়ে আমি সময়ও নষ্ট করতে চাই না৷ আমি অনলাইনকে সাধারণত অবিশ্বাসের চোখেই দেখি, এবং এই উসুল মেনে চলি। ৩। এরপরেও যাদের আগ্রহ আছে তাদের ব্যাপারে পরামর্শ হলো আমি কোনো গোপন পাহাড়ে থাকা লোক নই। বাস্তবিকই যদি আপনার সিয়াসাত পড়ার ইচ্ছা থাকে তাহলে একদিন আমার মাদরাসায় মেহমান হন। আপনার সাথে দেখা হোক, কথা হোক, ইনশাআল্লাহ তখন আমার জানার পরিধির মাঝে আপনাকে পরামর্শ দিতে পারবো। আর যদি ইলমের জন্য এতটুকু রিহলা না করতে পারেন তাহলে আপনার পিছনে আসলে আমার সময় দেয়ারও কোনো ইচ্ছে নেই। . আমার মাদরাসার ঠিকানা মাদরাসাতু আলী রা., পাঠানটুলি, শিবুমার্কেট, নারায়ণগঞ্জ। . জাযাকাল্লাহ খাইরান।

ভারতে মুসলিম শাসনব্যবস্থার ইতিহাস বইটির পিডিএফ। পিডিএফ পুরোনো এডিশনের।

একটি শাসন কাঠামো বুঝার জন্য সেটার প্রায়োগিক দিকটি বুঝা অত্যান্ত জরুরি। মুসলিম বিশ্বে শরীয়ার বাস্তবায়নটা কেমন ছিলো সেটা অনেকটা ইতিহাসের বইগুলোতে পাওয়া যায় না। বা যাও পাওয়া যায় তা এত বিক্ষিপ্ত যে এগুলো বহু পাঠাকই ধরতে পারে না। এজন্য অনেক গবেষক বিষয়টিকে গুরুত্বে নিয়ে এই বিষয়ে স্বতন্ত্র কাজ করেছেন। এই বিষয়ে আরবে এখন বেশ কাজ হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ সময় সুযোগ আমার সংগ্রহে ও পড়া সে বইগুলো নিয়ে আলাপ করবো। . ঢাকা ইউনিভার্সিটির ইসলামী ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক অধ্যাপক একেএম আব্দুল আলীম এই বিষয়ে একটি কাজ করেছেন। তিনি ভারতবর্ষের প্রসিদ্ধ দুই শাসন—সুলতানি ও মোঘল আমলের শাসনব্যবস্থা ও পরিচালনা পদ্ধতি কেমন ছিলো সে বিষয়ে এই বইটি রচনা করেছেন। . সামগ্রিক বিচারে বইটি বেশ চমৎকার। বিশেষত ইসলামি খি*লা*ফত ও সিয়াসত বিষয়ে যারা পড়তে আগ্রহী তাদের জন্য অবশ্য জরুরি একটি বই। আমাদের ফিকহের কিতাবে শাসন পরিচালনার যে বিষয়গুলো আমরা পড়ে থাকি সেগুলোর তাতকিক কেমন ছিল এই বিষয়ে বইটি বেশ উপকার দিবে। . বইটি সামগ্রিক বিচারে চমৎকার হলেও বেশকিছু ভ্রান্তি থেকে মুক্ত নিয়, এর সবচেয়ে বড় কারন, ইতিহাস বিষয়ে লেখকের দখল থাকলে ইসলামের সামগ্রিক বিষয়ে লেখকের জানার কমতি বলেই আমার মনে হয়েছে। . আমাদের ইসলামি ইতিহাসে জালেম শাসক থাকলেও স্বৈরাচারের যে প্রচলিত অর্থ বা ইউরোপে স্বৈরাচারি শাসক বলতে যা বুঝায় তা কখনোই ছিলো না। কারণ এরকম স্বৈরাশাসক হওয়া মুসলিমদের মাঝে হওয়া সম্ভবই নয় যদি ইসলামি শিক্ষা সঠিকভাবে থাকে। মুসলিম শাসকগন বাস্তবিক কেমন ছিলেন, তাদের ক্ষমতার পরিধি কেমন ছিলো এই বিষয়ে লেখক বইয়ের শুরুতেই চমৎকার আলোচনা করেছেন৷ এখানে একটি উদ্ধৃতি নকলের লোভ সামলাতে পারছি না। লেখক লেখেন, ‘সুলতানরা মুসলিম আইনের অধিনে ছিলেন, তা রক্ষা করা ও কার্যকর করা ছিলো তাদের প্রধান কর্তব্য। যদিও মুসলিম আইন ব্যাখ্যা করার একটু সীমিত অধিকার তাদের ছিলো তথাপি তা পরিবর্তন করার কোনো ক্ষমতা তাদের ছিলো না৷... যদিও মুসলিম আইন বিশেষজ্ঞগণ আইনের সর্বোচ্চ ব্যাখ্যাকারী হিসেবে শাসকদের অধিকার স্বীকার করিতেন, কিন্তু কার্যত শাসকরা আইনের স্বীকৃত ব্যাখ্যার বিরুদ্ধে যেতে পারতেন না৷... মোটের উপর দিল্লের সুলতানরা রাজ্য শাসনব্যবস্থায় এবং জনগণের প্রতি আচরনে শরীয়তের প্রতি অসাধারণ সম্মান প্রদর্শন করতেন যা অস্বীকার করা চলে না৷... দিল্লির সুলতানদের খুব কমই আইনপ্রণয়নের ক্ষমতা ছিলো রাজ্যের জনগনের ধর্মীয় আইনে তিনি হস্তক্ষেপ করতে পারতেন না৷... উলামা ও আইন বিশারদদের সমর্থনও সুলতানরা কামনা করতেন৷’ পৃষ্ঠা ১৮-২০ শরীয়া আইনের প্রভাব ও পরিবেশ ছিলো এমন যে, খোদ সুলতান মুহাম্মদ তোঘলকের আমলে রাজপরিবারের এক মেয়ে জি না করলে তাকে রজম করে হ ত্যা করা হয়। . মোটকথা, আমাদের মুসলিম আমলে শরীয়ার আলোকে কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা, মন্ত্রীত্বের পদ, অর্থব্যবস্থা, পুলিসিব্যবস্থা, সামরিকব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয়গুলো কীভাবে প্রায়োগিক পরিচালিত হতো সেটা জানার জন্য বেশ উত্তম একটি বই। . তবে এখানে মনে রাখতে হবে, ইতিহাস থেকে শরীয়তের মাসআলা প্রমানিত হয় না, যদি কোথাও শাসকগণ শরীয়তের বাহিরে গিয়ে কিছু করে থাকে তাহলে তা ভুল ছিলো। এটার দায় তাদের, শরীয়তের ও ইসলামের নয়।

photo content

কতটা উগ্রতা শিখিয়ে গেছেন কওমীর ছাত্রদের এই মানুষগুলো! আল্লাহর কাছে পানাহ চাই।

আসিফ আদনান ভাইয়ের আজকের প্রবন্ধটীর পিডিএফ। অনেক জরুরি কিছু বিষয় উঠে এসেছে।

সংযুক্তি : আমলে সালেহ ও আমলে সাইয়িয়াহ : এখানে আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে বলতে চাই, তাবুকের যুদ্ধে কয়েকজন সাহাবা যখন জি হা দ থেকে বিরত থাকলে আল্লাহ তাদের সে বিষয়টি কুরআনে এই শব্দে বলছেন, ﵟوَءَاخَرُونَ ٱعۡتَرَفُواْ بِذُنُوبِهِمۡ خَلَطُواْ عَمَلٗا صَٰلِحٗا وَءَاخَرَ سَيِّئًا عَسَى ٱللَّهُ أَن يَتُوبَ عَلَيۡهِمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٞ رَّحِيمٌﵞ আর অন্যকিছু লোক রয়েছে, যারা নিজেদের গোনাহ স্বীকার করেছে, তারা তার মিশ্রিত করেছে এক সৎকর্মের সাথে অপর মন্দ কর্ম। আশা করা যায় আল্লাহ তাদের তাওবা কবুল করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ অতিক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। -সূরা তাওবা : ১০২ আমলে সালেহ (নেক আমল) ও আমলে সাইয়িয়াহ দ্বারা আয়াতে কী উদ্দেশ্য? আমলে সালেহার ব্যাখ্যায় ইমাম সুয়ুতি রহিমাহুল্লাহ কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করেছেন সেখানে একটি বলেছেন জিহাদ। তিনি লেখেন, {خَلَطُوا عَمَلًا صَالِحًا} وَهُوَ جِهَادهمْ قَبْل ذَلِكَ أَوْ اعْتِرَافهمْ بِذُنُوبِهِمْ أَوْ غَيْر ذَلِكَ {وَآخَر سَيِّئًا} وَهُوَ تَخَلُّفهمْ সৎকর্ম হলো তারা ইতিপূর্বে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লামের সাথে যে জি হা দ করেছেন। আর সাইয়িয়াহ হলো জি হা দ থেকে পিছনে থাকা। আমালে সাইয়িয়াহের ব্যাখ্যায় আরো স্পষ্ট করে জি হা দ থেকে বিরত থাকাকেই ইমাম তাবারি রহিমাহুল্লাহ বলছেন, والآخر السيئ: هو تخلفهم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، حين خرج غازيا، وتركهم الجهاد مع المسلمين. আমলে সাইয়িয়াহ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে জিহাদ থেকে পিছনে থাকা এবং মুসলমানদের সাথে মিলে জিহাদ করা ছেড়ে দেয়া। কুরআন তো জিহাদ করাকে আমলে সালিহ বলছে, আর জিহাদ ছেড়ে দেয়াকে সাইয়্যিআহ। এহিসেবে আয়াতের মর্ম দাঁড়াবে, জিহাদের মাধ্যমে আমলে সালিহ করলে আল্লাহ খিলাফত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আর জিহাদ ছেড়ে দিলে তো আমলে সালিহ থাকলো না, বরং আমলে সাইয়্যিআহ হলো, যার সাথে খিলাফতের প্রতিশ্রুতি নেই। বরং ভিন্ন আয়াতে শাস্তির ঘোষণা রয়েছে। আমলে সালেহের বিষয়ে একটি মৌলিক কথা : পবিত্র কুরআনে যতো যায়গায় 'আমলে সালিহ'-এর কথা এসেছে, জালালালাইনসহ সব তাফসীরে এর ন্যুনতম ব্যাখ্যা করা হয়েছে أي أدّى الفرائض সর্বনিম্ন হচ্ছে; ফরজ আদায় করা। ফরজ ছেড়ে দেওয়া কখনোই আমলে সালিহ নয়। আর জিহাদের বিধানটি তো অবশ্যই একটি ফরজ বিধান। তাহলে এটিকে বাদ দিলে আমলে সালিহই বা থাকলো কোথায়?

"খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা মাওউদ না মামুর" এই শিরোনামে উপরের লেখাটি যারা পিডিএফে পড়তে চান। তারা এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।