en
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Open in Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Abdullah bin bashir

Channel Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 11 290 subscribers, ranking 8 155 in the Religion & Spirituality category and 2 033 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 11 290 subscribers.

According to the latest data from 21 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 76 over the last 30 days and by -3 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 18.18%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 7.96% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 052 views. Within the first day, a publication typically gains 899 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 49.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 22 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

11 290
Subscribers
-324 hours
+387 days
+7630 days
Posts Archive
সাধারণ আলেম সমাজের নিয়ত কী, তা তো তারাই জানেন। তবে বাজেট সংক্রান্ত তাদের আজকের ৫টি দাবী দেখে এটা স্পষ্ট, তাদের এই কার্যক্রম কওমী মাদরাসাগুলোর ঐতিহ্যকে ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই দিবে না*৷ সরকার এতদিন কওমী মাদরাসাগুলোকে নিজেদের করার যে এজেন্ডা এটা সাধারণ আলেম সমাজ সরকারের হাতে একদম তুলে দেওয়ার জন্য চমৎকার মাইন্ডসেট করছে। তাদের তিন নাম্বার পয়েন্ট দেখে আফসোস ছাড়া আর কিছুই করার নেই। সরকারের কাছে কওমী মাদরাসার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা যাচ্ছে, সাধারণ আলেম সমাজ! আল্লাহু আকবর। আল্লাহু আকবর। যাইহোক, ধ্বংসের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া কওমী মাদরাসাকে কে কত দ্রুত ধ্বংস করতে পারে সেটার বন্দোবস্ত চলতেছে। আমরা সাধারণ তালেবে ইলমরা দেখতে থাকি। . যাত্রাবাড়ীর শায়খের সাথে কেউ দেখা করে একটু জানাইয়েন, আপনার ফুজালাদের দ্বারা পরিচালিত সাধারণ আলেম সমাজ এগুলো চাচ্ছে। আর আমাদের বড় বড় মুরব্বিদের জানানোর ব্যবস্থা করেন, মাদরাসায় ফ্রি নেট আসতেছে আলহামদুলিল্লাহ।

photo content

বিশিষ্ট ইতিহাস বিশ্লেষক মুহাম্মদ ইলহামি তার “এক্স” পোষ্টে লেখেন, “হাজারবার বলেছি, আবারও বলছি—আমাদের উম্মাহর বর্তমান করুণ অবস্থা কখনোই পরিবর্তিত হবে না, যতক্ষণ না বিশ্বাসঘাতক শাসনব্যবস্থাগুলোর অবসান ঘটে। আর আমরা যতদিন এ ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাসে উপনীত না হব যে এসব শাসনব্যবস্থা মূলত দখলদারিত্বেরই এক রূপ, ততদিন আমাদেরকে এর মূল্য দিতে হবে আমাদের জীবন, আমাদের প্রজন্ম, আমাদের রক্ত ও আমাদের সম্পদ দিয়ে। আমাদের জাতির এই মহাবিপর্যয় থেকে বেরিয়ে আসার প্রথম শর্ত হলো—নিজেদের ভাগ্যের লাগাম নিজেদের হাতে তুলে নেওয়া এবং নিজেদের মধ্যকার নিষ্ঠাবান ও কল্যাণকামী মানুষদের নেতৃত্বে পরিচালিত হওয়া। এর বাইরে অন্য কোনো সমাধানের আশা করা মানে বাতাসে ফুঁ দেওয়া; মরুভূমির মরীচিকাকে পানি ভেবে তার পেছনে ছুটে বেড়ানো।”

ভারতের দখলকৃত কাশ্মীরের কান্নার কিছু আওয়াজ তো আমাদের কানে পৌঁছে৷ পাকিস্তানের দখলকৃত কাশ্মীরী মা-বোনদের কান্না আওয়াজ কী আমাদের কাছে পৌঁছে? নাকি, ইসলামের নাম থাকলে মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন বৈধ হয়ে যায়!

কারো চরিত্র হননে জামাতের ভাইরা যে নিকৃষ্ট পরিচয়ের সাক্ষর রাখেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক! . কওমী মাদরাসায় অবশ্যই ছেলে ঘটিত কিছু সমস্যা আছে। কিন্তু অবশ্যই তা এত নিকৃষ্ট ও ভয়ংকর পর্যায়ের নয় যা অনলাইনে জামাতের বড়-ছোট সকলে প্রচার করে! . কওমী ওলামায়ে কেরাম সংক্রান্ত যেকোনো পোষ্টে দেখবেন একদল এসে এই বিষয়টি তুলে পুরো কওমী অঙ্গনকে এমন নিকৃষ্ট করে উপস্থাপন করে, কোনো ভদ্র বাবা-মায়ের সন্তানের পক্ষে একাকীও সেগুলো উচ্চারণ করা বোধহয় সম্ভব না। আর এই কাজগুলোতে সেকুলারদের থেকেও হাজার হাজারগুণ এগিয়ে জামাতে ইসলামির ভাইরা। . জামাত এদেশের মাটি ও মানুষের রাজনীতিটা কেনো যেনো বুঝে কম। এটা আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধি। আওয়ামীলীগ যেমন নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডার বাহিরে অন্যকিছুকে সহ্য করতে পারতো না। জামাতের ভাইদের মধ্যেও এই স্বভাবটা অতিমাত্রায় আছে! কেউ তাদের রাজনৈতিক বিরোধী, বাস, এবার সে যেই হোক আর যত ভালো মানুষ হোক, তার চরিত্রকে একদম ধ্বংস করে দিতে জামাতের ভাইরা দ্বিতীয়বার ভাবে না। ভাবতে চায়ও না। . রাজনৈতিক কারণে এদেশের মানুষদের আলেম বিদ্বেষী বানানোর জামাতের যে প্রজেক্ট তা কখনোই এদেশে কাজ করে নাই। সামনেও করবে না। জামাতের সাধারণ কর্মীরা এই প্রজেক্টে নিজেদের দুনিয়া ও আখিরাত খোয়ানো ছাড়া আর কিছুই পায়নি ও পাবেও না।

শুনতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=fSjdqYvbArQ

পশ্চিমা মূলনীতিগুলো আসমানী বা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী প্রতিটি ধর্মের সাথেই সাংঘর্ষিক। তবুও আজ প্রায় সব ধর্মের অনুসারীরা ব্যাপকভ
পশ্চিমা মূলনীতিগুলো আসমানী বা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী প্রতিটি ধর্মের সাথেই সাংঘর্ষিক। তবুও আজ প্রায় সব ধর্মের অনুসারীরা ব্যাপকভাবে পশ্চিমের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। ধর্মবিশ্বাস বজায় রেখেও তারা পশ্চিমা দর্শন গ্রহণ করছে, একে সর্বজনীন মনে করছে; এমনকি নিজেদের ধর্মের সত্যতা প্রমাণ করতে ধর্মের মৌলিক গ্রন্থের বদলে পশ্চিমা বয়ানের আলোকে ব্যাখ্যা দিতে বেশি আগ্রহী হচ্ছে। এর মূল কারণ হলো রিফরমেশন-অর্থাৎ ধর্মকে পশ্চিমা বয়ানের আলোকে সংস্কার করে নেওয়া। আর এ কাজটি পশ্চিমা সভ্যতা তার জন্মলগ্ন থেকেই গুরুত্ব সহকারে করে আসছে। মার্টিন লুথারের প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলন থেকে শুরু করে আজকের "গুড মুসলিম” প্রকল্প-সব একই সূত্রে গাঁথা। তাই ধর্মসংস্কারের যেকোনো স্লোগান বা আন্দোলনের ব্যাপারে আমাদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে এবং এ-জাতীয় আন্দোলনকে সন্দেহের চোখে দেখতে হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রিফরমেশনের ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমিন। . বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য : ৩৬০৳ (২৫%) ছাড়ে

প্রকাশিতব্য দারুল ইসলাম ও দারুল হারব বই থেকে খিলাফতে রাশেদা ও ইমামতে হাকিকিয়্যার পর “হুকমি ইমামতের প্রকারভেদ” শিরোনামে শাহ ইসমাঈল শহিদ রহিমাহুল্লাহ লেখেন, ‘নফসের কামনা-বাসনার সাথে ঈমানি রাজনীতির মিশ্রণ চার স্তরে বিভক্ত করা হয় : ১। সালতানাতে আদেলা (ন্যাপরায়ন শাসন) বাহ্যিকভাবে শরিয়তের অনুসরণ বজায় রাখে, তবে অন্তরে নফসের ভোগ-লালসার আখাঙ্ক্ষা থাকে। অর্থাৎ, প্রকাশ্যে শরিয়তকে ছেড়ে দেয় না, ফিসক-ফুজুর বা জুলুম-অত্যাচারেও লিপ্ত হয় না। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত সুখ-সাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে এতটাই সচেষ্ট থাকে যে, তার কাজগুলো বাহ্যিক শরিয়তের দৃষ্টিতে মুবাহ (অনুমোদিত) বলেই গণ্য হয়। একে বলা হবে “সালতানাতে আদেলা”। ২। সালতানাতে জাবেরাহ (জালিম শাসন) নফসের ভোগলালসা ও শারীরিক আরামের আকাঙ্ক্ষা এতটাই প্রাধান্য পায় যে, তা অর্জনের ক্ষেত্রে শরিয়তের সীমা অতিক্রম করে। এবং নিজের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য জুলুম, ফিসক ও গুনাহকে অবলম্বন করে। এরপর সে এ ব্যাপারে অনুতপ্তও হয় না, তাওবাও করে না। একে বলা হবে “সালতানাতে জাবেরাহ”। ৩। সালতানাতে দ্বল্লাহ (পদভ্রষ্ট শাসন) নফসের কামনা এতটাই প্রবল হয়ে যায় যে, ভোগ-বিলাস তার স্বভাবসিদ্ধ চরিত্রে পরিণত হয়, জবরদস্তি, অহংকার, জুলুম-অত্যাচার প্রতিষ্ঠা করে এবং ভোগ-বিলাসেই সর্বশক্তি নিয়োজিত রাখে। এবং আমোদ-প্রমোদের স্তরকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যায়। ফিসক-ফুজুর ও জুলুমের পথগুলোকে ধর্মীয় আদর্শ ও সুন্নাহের দলিলসমূহের বিপরীতে অনুসরণীয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে এবং গুলোকে নিজের কৃতিত্ব ও দক্ষতা বলে মনে করে। এমন শাসনকে বলা হবে “সালতানাতে দ্বল্লাহ”। ৪। সালতানাতে কুফরিয়্যাহ (কুফরি শাসন) নিজস্ব বানানো আইনকে শরিয়তের উপর প্রাধান্য দেয় এবং সুন্নাহ ও মিল্লাতের পথকে অবমাননা করে। শরিয়তের বিধানসমূহকে সমালোচনা ও উপহাসের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করে এবং এর বিপরীতে নিজের প্রণিত ব্যবস্থার গুণগান করে। শরিয়তের বিষয়গুলোকে সাধারণ কথাবার্তার মতো তুচ্ছ, অর্থহীন ও বাজে কথা মনে করে। আল্লাহর বিধান ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহকে অপূর্ণ আইন বলে গণ্য করে এবং শরিয়তের অনুসারীদেরকে নির্বোধ ও পাগলের চেয়েও নিকৃষ্ট মনে করে। এমন শাসনকে বলা হবে “সালতানাতু কুফর ওয়া যান্দাকা”।’

photo content

আজ মাগরিব থেকে হিজরী নববর্ষ শুরু হতে পারে : ১ মুহাররম ১৪৪৮ হিজরী “সাহাবায়ে কেরাম নতুন মাস বা নতুন বছর শুরুর এ দুআটি তেমন গুরুত্ব দিয়ে শিখতেন, যেভাবে কুরআনুল কারিম শিখতেন।" اَللّٰهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالإِسْلَامِ وَجِوَارٍ مِنَ الشَّيْطَانِ وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمٰن হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ মাস/বছরের আগমন ঘটান- শান্তি ও নিরাপত্তা এবং ইমান ও ইসলামের (উপর অবিচলতার) সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে। ©মাওলানা জাহিদ

দুইটা বোমা প্রিন্ট করালামা। . বামেরটি হলো বানুরীটাউনের শান অসংখ্য আলেম ও মু*জা*হি*দদের উস্তাদ হযরত মাওলানা ফজল মুহাম্মদ ইউসুফ
দুইটা বোমা প্রিন্ট করালামা। . বামেরটি হলো বানুরীটাউনের শান অসংখ্য আলেম ও মু*জা*হি*দদের উস্তাদ হযরত মাওলানা ফজল মুহাম্মদ ইউসুফজায়ী হাফিজাহুল্লাহের লেখা। লেখাটি মূলত পাকিস্তানের এক আহলে হাদিস আলেম হাফেজ যুবায়ের রদে লেখা। সেই আলেম বর্তমান পৃথিবীর মু***দদের উপর বেশ কিছু ভিত্তিহীন আপত্তি করেন। সেগুলোর জবাবে হযরত কিছু কথা লেখেন, যেখানে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে, যেগুলো বলার কারণে আমরা দেশের বহু ভাইদের কাছে বহু কিছু হয়ে বসে আছি! . আর দ্বিতীয়টি হলো আরো বড় বোমা। যাহেদ সিদ্দিক মোগল সাহেব হলেন বর্তমানে ইলমে কালামের একজন বিশেষজ্ঞ আলেম। আর মুতাকাল্লিম ওলামায়ে কেরাম যখন কোনো বিষয়ে কলম ধরেন তখন কী হয় তা তো যারা মুতাকাল্লিমদের লেখা পড়েন তারা জানেন। খুরুজ বিষয়ক এত চমৎকার একটি লেখা! যা বহু প্রশ্নের তৃপ্তিদায়ক উত্তর দেয়। এমন আন্দাজে লেখা এখনো পর্যন্ত নজরে পড়েনি। বিশেষত, খুরুজ নিয়ে প্রসিদ্ধ আপত্তিগুলোর জবাব ইলমি ও যুক্তির আলোকে তুলে ধরার আন্দাজটি ছিলো বেশ চমৎকার। যা অনেক বিষয়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। . লেখা দুটো নিয়ে কিছু পরিকল্পনা আছে। দোয়া চাই।

রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন «وَأَنَا آمُرُكُمْ بِخَمْسٍ: بِالْجَمَاعَةِ، وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ، وَالْهِجْرَةِ، وَالْجِهَادِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ» অর্থঃ “আমি তোমাদেরকে পাঁচটি বিষয়ের নির্দেশ দিচ্ছি: জামাআত, শ্রবণ ও আনুগত্য, হিজরত এবং আল্লাহর পথে জিহাদ।” (জামে তিরমিযী) প্রখ্যাত আলেম হযরত মাওলানা কারী মুহাম্মাদ তৈয়্যব রহমাতুল্লাহি আলাইহি আকিদাতুত তহাবীর শেষাংশে পরিশিষ্টে ইসলামী রাজনীতি বিষয়ক আলোচনায় এ হাদীসকে ইসলামী রাজনীতির মৌলিক ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং একে «أصل السياسة خمسة» বলে আখ্যায়িত করেছেন। অর্থাৎ ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল স্তম্ভ পাঁচটি,জামাআত, নেতৃত্বের আনুগত্য, হিজরত, জিহাদ এবং উম্মাহর ঐক্যবদ্ধ শৃঙ্খলা। এ প্রেক্ষাপটে মাওলানা মামুনুল হক সাহেব যখন বলেন, “আমাদের العقيدة الجهادية ঠিক করতে হবে”, তখন এটিকে কোনো নতুন পরিভাষা বা বিচ্ছিন্ন মতবাদ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ ইসলামের মৌলিক শিক্ষাতেই জিহাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেমনটি উপরোক্ত হাদীসে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ হয়েছে। জিহাদ সম্পর্কে সঠিক আকীদা ও সঠিক ধারণা না থাকলে ইসলামের সামষ্টিক জীবন, উম্মাহর দায়িত্ববোধ, ত্যাগ-কুরবানির চেতনা এবং দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম সম্পর্কেও সঠিক উপলব্ধি তৈরি হয় না। যার কারণে হযরত মাওলানা কারী তৈয়ব রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি আকিদার সাথে এই বিষয়টাকে জুড়ে দিয়েছেন। অতএব, জিহাদ সম্পর্কে বিশুদ্ধ আকীদা, সঠিক ফিকহ এবং শরঈ সীমারেখার জ্ঞান অর্জন করা মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইসলামের সামষ্টিক ব্যবস্থার ভিত্তি গঠনকারী বিষয়গুলোর মধ্যে জিহাদও একটি মৌলিক উপাদান, যা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর নির্দেশিত পাঁচটি মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত। মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সাহেব

শাফেয়ে মাযহাবের বক্তব্য হলো গায়রে মুহসিন বা অবিবাহিত যদি যিনা করে তাহলে তার শাস্তি হলো দোররা এবং একবছরের দেশান্তর। তবে হানাফিদের বক্তব্য হলো, দেশান্তর এটা শরীয়ত নির্ধারিত শাস্তি নয় বরং ইমাম বা রাষ্ট্র প্রধান চাইলে তা দিতে পারবেন। তবে হানাফিরা দেশান্তরের শাস্তিকে একটি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে। এটার কারণ যাইলায়ি রহিমাহুল্লাহ চমৎকার লেখেছেন। বিশেষত অভিজ্ঞতা থেকে এটা গুরুত্বপূর্ণই মনে হয়, পরিচিতজনদের থেকে দূরে থাকলে অনেকে আরো বেপরোয়া হয়ে যায়। «تبيين الحقائق شرح كنز الدقائق وحاشية الشلبي» (3/ 174): ولأن في التغريب تعريضا لها على الزنا لأنها إذا تباعدت عن العشائر والأقارب ارتفع الحياء وإذا نزلت في الرباطات أو الخانات أحوجها انقطاع مواد المعاش إلى اتخاذ الزنا مكسبه لارتفاع الاستحياء من المعارف وهو أقبح وجوه الزنا لأنه يقع جهرا لكونه ناشئا عن وقاحة ومع العشائر إن وقع يقع خفية ومكتوما لكونه ناشئا عن استحياء ولهذا قال علي رضي الله عنه كفى بالنفي فتنة দ্বিতীয়ত হাদিসে যে দেশান্তরের কথা উল্লেখ হয়েছে, তার জন্য শব্দ ব্যবহার হয়েছে তাগরিব। তাগরিবের একটি অর্থ বন্দিও হয়। তাই ফখরুদ্দিন যাইলায়ীর বক্তব্য হলো, যদি তাগরিবের শাস্তি দেওয়াই লাগে তাহলে দেশান্তর না করে বরং বন্দি করে রাখাই বেশি উত্তম। তিনি লেখেন, «تبيين الحقائق شرح كنز الدقائق وحاشية الشلبي» (3/ 174): قال رحمه الله (ولو غرب بما يرى صح) أي لو غرب الإمام الجاني بما يرى من التغريب جاز لما ذكرنا وقال في النهاية المراد بالتغريب الحبس قال الشاعر ومن يك أمسى بالمدينة رحله … فإني وقيار بها لغريب أي لمحبوس و هو أحسن وأسكن للفتنة من نفيه إلى إقليم آخر لأنه بالنفي يعود مفسدا كما كان

একটা আকিদা সংশোধন হওয়া লাগবে, চাই সে হানাফি হোক, সালাফি হোক, সুন্নী হোক বা যেই হোক। মাওলানা মামুনুল হক

যিনার আয়াতে প্রথমে নারীদের বিষয়টি কেনো উল্লেখ হলো, এই বিষয়ে হানাফী ফকিহ ফাখরুদ্দিন যাইলায়ী রহিমাহুল্লাহ লেখেন, «تبيين الحقائق شرح كنز الدقائق وحاشية الشلبي» (3/ 169): وقدمت الزانية بالذكر لأنها هي المادة في هذه الجناية إذ لو لم تطمعه ولم تمكنه لم يطمع ولم يتمكن أو لأن الفاحشة منهن أكثر لغلبة شهوتهن وقلة دينهن وعدم حفظهن للمروءة নারীবাদীরা তো ক্ষেপবোই, নারীবাদী কিছু যোয়ান হুজুররাও এগুলো দেখলে ক্ষেপবো। যে ক্ষেপবে সে যেনো আরো ক্ষেপে।

ভাগিনা মাওলানা তামিম এই কাজে নেমেছে। তার জন্য শুভ কামনা রইলো।
ভাগিনা মাওলানা তামিম এই কাজে নেমেছে। তার জন্য শুভ কামনা রইলো।

সেনাবাহিনীর নুসরা নিয়ে এভাবেই খেলাফত কায়েম করবে এই ভাইরা! কওমী মাদরাসায় অনেক সমস্যা আছে। কিন্তু ভাইয়ের কাছে কওমী মাদরাসা হলো
সেনাবাহিনীর নুসরা নিয়ে এভাবেই খেলাফত কায়েম করবে এই ভাইরা! কওমী মাদরাসায় অনেক সমস্যা আছে। কিন্তু ভাইয়ের কাছে কওমী মাদরাসা হলো একটা সেকুলার প্রতিষ্ঠান। যা খিলাফত শিখায় না। শিখায় গণতন্ত্র! বুঝতেছেন তো ভাই! এই লেখক নিয়ে ভাইদের আবেগ দেখলে অবাক!

ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ বলেন, «مجموع الفتاوى» (8/ 217): وهذا الذي في فرعون وإبليس غاية الظلم والجهل، وفي نفوس سائر الإنس والجن شعبة من هذا، وهذا إن لم يعن الله العبد ويهده وإلا وقع في بعض ما وقع فيه فرعون وإبليس بحسب الإمكان، قال بعض العارفين: ما من نفس إلا وفيها ما في نفس فرعون، إلا أنه قدر فأظهر، وغيره عجز فأضمر. প্রত্যেক মানুষের অন্তরেই ফিরআউনের স্বভাবের কিছু না কিছু অংশ লুকিয়ে থাকে। তবে পার্থক্য হলো, ফিরআউন ক্ষমতা পেয়েছিল বলে তা প্রকাশ করতে পেরেছিল; আর অন্যরা ক্ষমতা না পাওয়ায় তা অন্তরে গোপন রেখেছে।

সারাদিন রাত দেওবন্দীদের সমালোচনা করা যায়, সবার অধিকার আছে করার কিন্তু দিনশেষে এটা ইনসাফপরায়ণ সবাই এটার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য যে দেওবন্দ বর্তমান মুসলিম দুনিয়ার সবথেকে সফল ও প্রভাবশালী আন্দোলন। আপনি তাদের জ্ঞানচর্চা, রাজনীতি, তাযকিয়া সব জায়গায় অসাধারণ সফলতার চূড়ায় দেখতে পাবেন। সামান্য ডালিম গাছের গোড়া থেকে একজন তালিবে ইলম নিয়ে শুরু হওয়া এক ছোট্ট মাদ্রাসা আজ পৃথিবীর সবথেকে সফল ও প্রভাবশালী মুসলিম আন্দোলন। কী নেই তাদের? সব আছে। জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ, উপমহাদেশের সকল আলেমদের একটা নেটওয়ার্কে সেন্ট্রালাইজ করে রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কে তৈরি করেছে? দেওবন্দ। তাবলিগ জামাত, সাধারণ মুসলমানদের দ্বীন শেখানোর জন্য তৈরি এই আন্দোলন আজ পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষকে সাথে নিয়ে চলছে। এটা কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড যেখানে আইনিভাবে মুসলমানদের অধিকারের কথা বলা হয়। কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ। পৃথিবীর বুকে লক্ষ লক্ষ কওমি মাদ্রাসা যেখান থেকে কোটি কোটি কুরআনের হাফেজ বের হয় ও হচ্ছে। কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ। আফগানে আল্লাহর পথে পরাশক্তির সাথে জিহাদ করে ইমারাহ প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্র পরিচালনা কারা করছে? দেওবন্দীরা। বুদ্ধিবৃত্তিক গবেষণামূলক কাজের জন্য তৈরি করা বিশাল নাদওয়াতুল মুসান্নিফীন কাদের? দেওবন্দীদের। খেলাফত পুনরুদ্ধারের তাহরিক ই রেশমি রুমাল আন্দোলন কারা করেছিল? দেওবন্দীরা। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ভারতের বুকে ৫০ হাজার রক্তাক্ত গলাকাটা লাশ কাদের রাস্তার পাশের গাছগুলোতে ঝুলে ছিল? দেওবন্দীদের। ইউরোপের মুসলমানদের শরয়ী অধিকার আদায়ের জন্য তৈরি ইসলামিক শরিয়া কাউন্সিল কাদের? দেওবন্দীদের। আর কত কত শাখা সংগঠন ও সফল আন্দোলন আছে তাদের বলে শেষ করা যাবে না। এই সফলতা গত ৫০০ বছরে আর কোনো আন্দোলনের ক্ষেত্রে কি দেখানো সম্ভব? সম্ভব না। . কপি

"উমরের রবের কসম, তুমি মিথ্যা বলেছ! নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো বান্দাকে তার প্রথম পাপের কারণে এভাবে মানুষের সামনে সোপর্দ করেন না।"— হযরত উমর (রা.) [মুসনাদুল ফারুক লি-ইবনে কাছির] . এক চোর যখন খলিফা উমর (রা.)-এর দরবারে ধরা পড়ে দাবি করেছিল যে সে জীবনে প্রথমবার চুরি করেছে, তখন আমীরুল মুমিনীন এই ঐতিহাসিক কথাটি বলেছিলেন। পরে প্রমাণিত হয়েছিল যে লোকটা আগেও বহুবার চুরি করেছিল। এই উক্তিটি আমাদের এক বিরাট বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করায়। আমরা অনেক সময় ভাবি—আমি খুব চালাক, আমার গোপন গুনাহগুলো কেউ দেখছে না, বা আমি খুব সুন্দরভাবে নিজের ভুলগুলো আড়াল করতে পারছি। কিন্তু সত্যি বলতে, এটা আমাদের কোনো কৃতিত্ব নয়। এটা সম্পূর্ণ মহান আল্লাহর 'আস-সাত্তার' (দোষ গোপনকারী) গুণের কারণে। তিনি দয়া করে আমাদের প্রথম ভুলগুলো, প্রথম গুনাহগুলো মানুষের সামনে আনেন না। আমাদের তওবা করার সুযোগ দেন। কিন্তু মানুষ যখন বারবার একই ভুল করতে থাকে, গুনাহকে অভ্যাস বানিয়ে ফেলে এবং অহংকারী হয়ে ওঠে, তখন আল্লাহ সেই আড়াল বা পর্দা সরিয়ে নেন। মহান আল্লাহ আমাদেরকে সীমালঙ্ঘন থেকে হেফাজত করুন