আল-আকসা ♥️
Open in Telegram
♥️ ও. এম. প্রকাশনী (সাহিত্যের মাধ্যমে_তারুণ্যের সৃজনশীলতা বিকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ) 🍀 O.M. MEDIA YouTube channel 👇 https://youtube.com/channel/UCDH_pJHz6kOSzsNymvRGfJA
Show more935
Subscribers
No data24 hours
-27 days
-2630 days
Posts Archive
935
মনে হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভগ্নিপতি যেন, ভোলা জেলা সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা হিসেবে 'প্রাইজ পোস্টিং' পেয়েছেন!
সম্প্রতি কম্পিউটার বেসিক ট্রেনিংয়ের অংশগ্রহণকারীদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে প্রায় ৯০% নামই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। অভিযোগ উঠেছে, বেছে বেছে অনেক মুসলিম আবেদনকারীকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট জেলা সমাজকল্যাণ কর্মকর্তার নাম রজত শুভ্র সরকার, যিনি নিজেও সনাতন ধর্মাবলম্বী।
যদি নিয়োগ বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় এনে বৈষম্য করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এর সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। সরকারি সুযোগ-সুবিধা বণ্টনে ধর্ম নয়, যোগ্যতাই একমাত্র বিবেচ্য হওয়া উচিত।
935
‘আমার কাছে ইসলাম ধর্ম অনেক ভালো লাগে’, অথবা ‘আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে চাই’- এ জাতীয় কথাগুলি হলো মূলত মুসলিম মেয়েদের সতীত্ব হরণের মরণফাঁদ।
একজন সচেতন মুসলিম মেয়ের কাউন্সেলিং সেশনে উঠে আসা বাস্তব ঘটনাটি পড়ে দেখতে পারেন। (যেটি ভিক্টিমের অনুমতিসাপেক্ষে আমরা শেয়ার করছি।)
আপনাদের বুঝতে সমস্যা হলেও এটাই সত্যি যে, এই দেশে মুসলিম নারীদের সতীত্ব হরণে ব্যতিব্যস্ত একশ্রেনির নন-মুসলিম চক্র! এরা ট্রাপের মাধ্যমে ব্যাপকহারে কাজ করছে এবং সফলও হচ্ছে..!
আমাদের কাছে এমন অসংখ্য প্রমাণাদি রয়েছে যে, একটি নির্দিষ্ট চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দিয়েই কাজ করায়। প্রথমে তারা মুসলিম মেয়েদের ইনডিভিজুয়ালি টার্গেট করে। টার্গেটকৃত মেয়ের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সহজ-সরল, সুবোধ ইত্যাদি ভান ধরে। পরে সুযোগমতো একদিন সেই টার্গেটেড মেয়েটিকে বলে ফেলে “ইসলাম ধর্মের প্রতি তার আকর্ষণের কথা।” অতি সরল মেয়েদেরকেই তারা টার্গেট করার চেষ্টা করে। আর একটু সচেতন মেয়ে হলেও ধীরে ধীরে তাদের পাঁতানো ফাঁদে কীভাবে পা দেয় সেটার কিঞ্চিৎ ধারণা নিতে একজনের কাউন্সেলিং সেশনের তিন নম্বর সেশনে উঠে আসা আসল সত্যি ঘটনাটি পড়ুন-
প্রথম আলাপ-
হিন্দু ছেলে: আমার কাছে আপনাদের ধর্মের অনেক কিছুই ভালো লাগে।
সচেতন মুসলিম মেয়ে: তো দাদা, সেটা কোনো এক মুসলিম আলেম ছেলেকে বলুন এবং আমাদের ধর্ম সম্পর্কে জানুন।
হিন্দু ছেলে: আসলে ছেলে হয়ে ছেলেদেরকে আমার ধর্মের বিরোধী কনসেপ্ট বলাটা আমি নিরাপদ মনে করছি না।
সচেতন মুসলিম মেয়ে: কেন দাদা?
হিন্দু ছেলে: কারণ হলো, আমার যে কয়েকজন মুসলিম ছেলে বন্ধু আছে তাদের সবার সাথে কোনোনা-কোনো হিন্দু ছেলের সাথে সম্পর্ক ভালো। কোনো একদিন যদি বলে দেয়, তাহলে আমার সর্বনাশ হবে।
সচেতন মুসলিম মেয়ে: ওহ, তাই?
হিন্দু ছেলে: তাহলে আপনি আমাকে একজন ভালো জ্ঞানী ছেলে বন্ধুর সন্ধান দিন যার কাছ থেকে আমি আপনাদের ধর্মের বিষয়ে জানতে পারবো।
সচেতন মুসলিম মেয়ে: আহমেদ আব্দুল্লাহ রহমান। (ছদ্মনাম)
হিন্দু ছেলে: আপনার প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ।
সচেতন মুসলিম মেয়ে: থ্যাংকস।
কিছুদিন পর....................
হিন্দু ছেলে: আপা, আপনি আমাকে ধর্ম সম্পর্কে জানতে যে ছেলেকে ঠিক করে দিয়েছেন। উনি আসলে বিরক্ত হচ্ছেন আর আমাকে অনেক কিছু ক্লিয়ার করছেন না।
সচেতন মুসলিম মেয়ে: আপনি আমাকে বলুন তো, (এরপর কিছু বিষয় নিয়ে আলাপ হলো আর সনাতনী ছেলেটি অত্যধিক কৌতুহলি হয়ে সেসব গিলতে লাগলো।)
বস্তুত এসব ছিলো তার পরিপক্ব ও কৌশলী অভিনব চক্রান্ত যা মুসলিম মেয়েটি ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি সচেতন মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও।
এবার মেয়েটির মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নিয়ে নিলো স্বয়ং শয়তান। শয়তান এবার মেয়েটিকে ইসলাহি বয়ান ডুকিয়ে দিতে লাগলো-
“একজন অমুসলিম লোক তোমার ধর্মে আসার জন্য পাগলপ্রায় হয়ে গেছে আর তুমি সেটিকে ভ্রুক্ষেপ করছো না? মুসলমান হিসেবে কী তোমার এখানে কোনো দায়িত্ব নেই। সে একজন ছেলে হলেও তুমি তো একজন প্রাক্টিসিং মুসলিমা। তোমার কাজ করতে হবে গোপনে, তাকে বুঝাতে হবে গোপনে......!”
ব্যাস! শয়তানের মগজ ধোলাই শেষ। শয়তান সফল হলো।
এরপর শুরু হলো তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব্ব। প্রথমে পবিত্র সম্পর্ক দূরত্ব বজায় রেখে, তারপর একটু পারসোনাল আলাপন, ধর্মীয় আলাপের পরিমাণ কমে গেলো, সুখ-দুঃখের আলাপসালাপ বেড়ে গেলো।
সর্বশেষ, হোটেল পর্যন্ত পবিত্র সম্পর্ক গড়িয়ে গেলো। এভাবে চলতে লাগলো দিনের পর দিন। হিন্দু ছেলেটির ভোগের চাহিদা বৃদ্ধি পেলো আর মুসলিম মেয়েটি সতিত্ত্ব বিকিয়ে দিতে লাগলো............!
আফসোস...! এই ফিজিক্যাল রিলেশন অনেক বছর ধরে চলার পর সম্পর্ক অপবিত্রতায় রুপ নিলো। মেয়েটি বুঝতে পারলো ধর্মীয় সম্পর্কে তারা আর নাই, তারা এখন অবৈধ শারীরিক সম্পর্কে চলে গিয়েছে।
মেয়ে নিজের সর্বনাশ বুঝতে পেরে যখন তার কাছ থেকে পালানোর জন্য লাফ দিতে মনস্থির করলো তখনই সে দেখলো- তাকে ব্লাকমেইল করার জন্য ছেলে ঐ গোপন সম্পর্কের বিভিন্ন ভিডিয়ো, ছবি ইত্যাদি নিয়ে পথরোধ করলো।
পাঠক, এটি একজন অত্যন্ত সুচতুর ও সচেতন মুসলমান মেয়ের কাউন্সেলিং সেশনে উঠে আসা জবানবন্দির সারসংক্ষেপ। (নাম-ঠিকানা অনুল্লেখপূর্বক মানুষকে সচেতন করার পূর্বানুমতি নিয়েই লিখেছি।
মনে রাখবেন- এভাবে হাজার হাজার মুসলিম বোনেরা তাদের অজান্তেই ওদের ফাঁদে পা দিচ্ছে। তারা টার্গেট করে একটু সহজসরল মেয়েদের, তারা খুব সহজে ও অল্পসময়ে তাদের পাঁতানো ফাঁদে পা ফেলে। সচেতন মেয়ে হলেও পা দেয়, একটু দেরীতে হলেও...!!
℞ পৃথিবী অক্ষের বিপরিতে আসা ধ্বংসাত্মক ইলেকট্রন!
935
লক্ষ্মীপুরে মা-মেয়েসহ চারজনকে হ [ত্যা] কারী অন্তর মজুমদারকে নিয়ে এক চাঞ্চল্য তথ্য বের হয়েছে একাত্তর টেলিভিশনের একটা প্রতিবেদনে।
অন্তর মজুমদার নিজেকে অন্তর মিয়াজী (মুসলিম) পরিচয় দিয়ে একটা মেয়ের (স্ত্রী দাবীকৃত) সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ বাসা ভাড়া থাকতো। ঘটনার বেশ কয়েকমাস আগে একই বিল্ডিংয়ের আরেক ইউনিটের একজন মহিলার অন্তরের ধর্ম-পরিচয়ের বিষয়ে সন্দেহ হলে বাড়িওয়ালাকে তার সন্দেহের বিষয়টা জানায়।
ফলে বাড়িওয়ালা খোঁজ-খবর নিয়ে সত্যতা পেয়ে অন্তর মজুমদারকে বাসা থেকে বের করে দেয়। মূলত এই ক্ষোভ থেকেই অন্তর পরবর্তীতে সেই মহিলা এবং তাঁর তিন মেয়েকে হ [ত্যা] করে।
নিজেকে মুসলিম পরিচয় দেয়ার কারণ যে মেয়েকে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলো, সেই মেয়েটাও মুসলিম ছিলো। অর্থাৎ এই অন্তর মজুমদার একজন ভাগওয়া সন্ত্র|সী এই বিষয়টা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট।
মেয়েটাকে খুঁজে বের করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে দেখা যাবে মেয়েটার সাথেও হয়তো সে মুসলিম পরিচয়েই সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলো।
এতবড় ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর অন্তত "ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ" অর্থাৎ মুসলিম মেয়েদের সম্ভ্রম কেড়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে চলমান এই ষড়য'ন্ত্রে'র বিষয়টা সর্বমহল থেকে একনলেজ করা জরুরি।
এই সংকট মোকাবিলায় সরকার এবং দায়িত্বশীলদের ভূমিকার পাশাপাশি প্রত্যেক অভিভাবকের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি, প্রতিরোধে প্রত্যেকের ভূমিকা থাকা আবশ্যক। এই সংকট আরো আগে দেখা দিলেও বর্তমানে তা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমাদের মেয়েদের সম্ভ্রম রক্ষার্থে এই ব্যাপারে ব্যাপক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে কাজ করা প্রত্যেকের ফরজ হয়ে গেছে।
935
ভারতের প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার ও হাদিস বিশারদ মাওলানা সৈয়দ সালমান হুসাইনি নদভী আজ, সোমবার (২৯ জুন, ২০২৬) লক্ষ্ণৌর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। সাহাবায়ে কেরামদের (রা.) নিয়ে তার বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে আলেম সমাজ এবং সাধারণ মুসলিমদের মাঝে তীব্র সমালোচিত ও আলোচিত ছিলেন।
আল্লাহ তাআলা উনার কাজের প্রেক্ষিতে উনার প্রাপ্য যেন বুঝিয়ে দেন।
১. মাওলানা সালমান নদভী বিভিন্ন সময়ে তার বক্তব্যে এবং লেখনীতে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.), হজরত উসমান (রা.) এবং বিশেষ করে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অন্যতম ওহী লেখক ও বিশিষ্ট সাহাবী হজরত মুয়াবিয়া (রা.)-এর রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন। সুন্নি আলেমদের একটি বড় অংশের মতে, তার এই সমালোচনাগুলো সাহাবায়ে কেরামের প্রতি চরম অসম্মানজনক ও আপত্তিকর ছিল।
২. সাহাবাদের শানে বেয়াদবি এবং সুন্নি আকীদা-বিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের অভিযোগে তাকে ভারতের ঐতিহাসিক ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামা-এর 'ডিন' পদ এবং শিক্ষকতা থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করা হয়। উপমহাদেশের শীর্ষ দেওবন্দী আলেমগণও তার এই সমস্ত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান এবং মুসলিম সমাজকে তার এই ধরনের মতামত থেকে দূরে থাকার আহ্বান করেন।
৩. তিনি নিজেকে শিয়া-সুন্নি ঐক্যের প্রবক্তা হিসেবে দাবি করতেন, যা অনেক সময় তাকে সুন্নি মূলধারা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ে (যেমন: আইএসআইএস বা দায়েশ-কে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি লেখা, যা তিনি পরে প্রত্যাহার করেন) এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে (বাবরি মসজিদ ও রাম মন্দির ইস্যুতে সমঝোতার প্রস্তাব) জড়িয়ে তিনি চরম বিতর্কিত হয়ে পড়েন।
৪. তাঁর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
বংশীয় পরিচয়: তিনি বিশ্বখ্যাত আলেম হযরত মাওলানা আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.)-এর নাতি (ভাগ্নে) এবং বংশসূত্রে ইমাম হোসাইন (রা.)-এর বংশধর ছিলেন।
পাণ্ডিত্য: আরবি ভাষা, ইতিহাস এবং হাদিস শাস্ত্রে তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য ছিল এবং এই বিষয়ে তাঁর বহু মূল্যবান গ্রন্থ রয়েছে।
ইসলামের মূলধারার সুন্নি আকিদা অনুযায়ী সমস্ত সাহাবায়ে কেরামের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ঈমানের অংশ। মাওলানা সালমান নদভীর এই রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক সমালোচনামূলক বক্তব্যগুলোকে সাধারণ আলেম সমাজ ইসলামের শরিয়াহ ও আদবের পরিপন্থী বলেই গণ্য করেন।
Pc- Jubair Jalalabadi
935
আমি কয়েক মুহূর্ত দরজার সামনে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম।
হাত খালি ছিল,
তবু মনে হচ্ছিল ভেতরে যেন খুব ভারী কিছু ভেঙে পড়েছে।
আন্টি ভেতর থেকে একটা ছোট খাম এনে আমার হাতে দিলেন।
বললেন—
“এটা তোমার জন্য রেখে গিয়েছেন।”
কাঁপা হাতে খামটা খুললাম।
ভেতরে ছিল সেই ৫০০ টাকার নোট।
আর একটা ছোট্ট চিরকুট।
তাতে লেখা ছিল—
“বাবা,
যদি তুমি এই চিঠিটা পড়ো, তবে আমি আর নেই।
সেদিন আমার সঙ্গে বসে খাওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
তুমি আমাকে শুধু খাবার দাওনি—
সম্মান দিয়েছিলে।
আর হ্যাঁ…
মাকে নিয়মিত ফোন করবে।
— আম্মা”
আজও সেই ৫০০ টাকা আমার ব্যাগের ভেতরের পকেটে রাখা আছে।
আমি কখনও খরচ করিনি।
কারণ সেদিন আমি প্রথমবার বুঝেছিলাম—
প্রতিটা দরজার ওপাশে শুধু একজন কাস্টমার থাকে না।
কখনও সেখানে একজন মা অপেক্ষা করেন।
কখনও অপেক্ষা করে থাকে নিঃসঙ্গতা।
কখনও সেটা হয় জীবনের শেষ কথোপকথন।
আমরা সবাই কোনো না কোনো ক্ষুধা নিয়ে বেঁচে আছি।
কারও দরকার খাবার,
কারও দরকার ওষুধ,
আর কারও দরকার শুধু দু’মিনিটের সঙ্গ।
মানুষ সবসময় টাকার ডেলিভারি চায় না—
কখনও কখনও তারা শুধু চায়
একটু উপস্থিতি,
একটু মানবিকতা,
একটু সময়।
গল্পটা এখানেই শেষ।
কিন্তু সত্যি বলতে—
গল্প শেষ হয়ে গেলেও বুকের ভেতরের ভার অনেকদিন থেকে গিয়েছিল।
একাকীত্ব আর বার্ধক্য—
এই দুটো একসাথে যখন জীবনে আসে, তখন তা সত্যিই ভয়ংকর হয়ে ওঠে।
আর যদি তার সঙ্গে অভাব-অনটনও যোগ হয়,
তবে সেটাই হয়ে দাঁড়ায় জীবনের সবচেয়ে নির্মম ট্র্যাজেডি।
কালেক্টেড।
935
আমি একজন ডেলিভারি বয়।
বেশিরভাগ সময়ই আমার ডিউটি থাকে সন্ধ্যার শিফটে।
সেদিন রাত প্রায় ৯টার সময় আমি শেষ অর্ডারটা হাতে পাই।
রেস্টুরেন্ট থেকে প্যাকেটটা নেওয়ার সময় খেয়াল করলাম—অর্ডারটা খুবই ছোট।
সাধারণ খিচুড়ি, একটু দই, আর দুটো কলা।
ঠিকানাটা ছিল শহরের পুরনো অংশে।
একটা জরাজীর্ণ পুরনো বাড়ি।
তৃতীয় তলা পর্যন্ত সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হলো।
আমি দরজার বেল টিপলাম।
একজন বৃদ্ধা দরজা খুললেন।
সাদা চুল, কাঁপা কাঁপা হাত, চোখে মোটা চশমা।
মুখে ক্লান্তির ছাপ ছিল, কিন্তু কণ্ঠে ছিল অদ্ভুত এক মমতা।
তিনি মৃদু হেসে বললেন—
“বাবা, খাবারটা ভেতরে টেবিলের ওপর রেখে দাও তো…
হাত দুটো খুব কাঁপে।”
আমি খাবারটা টেবিলে রেখে বেরিয়ে আসতে যাচ্ছিলাম,
ঠিক তখনই তিনি আবার বললেন—
“দু’মিনিট বসবে বাবা?
একা একা খেতে আর ভালো লাগে না…”
আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম।
আমার শিফট শেষ হয়ে গিয়েছিল।
শরীরও বেশ ক্লান্ত ছিল।
তবু কেন জানি না, আমি বসে পড়লাম।
ঘরটা একদম নিস্তব্ধ ছিল।
দেওয়ালে ঝোলানো পুরনো ঘড়ির টিকটিক শব্দ ভেসে আসছিল।
এক কোণে ছোট্ট করে ঈশ্বরের ছবি।
আর সামনের দেয়ালজুড়ে অসংখ্য পুরনো ফ্রেমবন্দী ছবি।
বৃদ্ধা ধীরে ধীরে খাবারের প্লেট খুললেন।
খুব আস্তে আস্তে খিচুড়ি খেতে শুরু করলেন।
প্রতি দু’কামড় পরপর আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসছিলেন।
হঠাৎ তিনি বললেন—
“জানো বাবা, আমি রোজ বাইরে থেকে খাবার অর্ডার করি না।
আজ শুধু মনে হলো…
একটা মানুষের গলার শব্দ শুনতে ইচ্ছে করছে।”
আমি চুপ করে রইলাম।
তিনি দেয়ালের একটা ছবির দিকে আঙুল তুলে বললেন—
“এই যে, উনি আমার স্বামী।
রেলে চাকরি করতেন।
পাঁচ বছর আগে চলে গেছেন।”
তারপর আরেকটা ছবির দিকে তাকালেন।
“এটা আমার ছেলে।
কানাডায় থাকে।
খুব ভালো আছে…
প্রতি মাসে টাকা পাঠায়।”
এরপর কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন।
মুখে হাসি ছিল, কিন্তু চোখ ভিজে উঠেছিল।
তিনি ধীরে বললেন—
“শুধু…
কথা পাঠানোর সময়টা আর হয় না।”
হঠাৎ যেন ঘরের ঘড়ির টিকটিক শব্দটা আরও জোরে শোনা যেতে লাগল।
তিনি আবার একটু খিচুড়ি খেলেন।
“এটা আমার মেয়ে।
বেঙ্গালুরুতে থাকে।
নিজের সংসারে খুব সুখে আছে।
থাকুক…
সন্তানরা যদি উড়তেই না শেখে, তাহলে এত কষ্ট করে মানুষ করলাম কেন?”
কথাগুলো বলতে বলতে তাঁর গলা কেঁপে উঠছিল।
তবু মুখে কোনো অভিযোগ ছিল না।
ছিল শুধু এক গভীর শূন্যতা।
হঠাৎ তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন—
“তোমার মা আছেন বাবা?”
আমি বললাম—
“হ্যাঁ, আছেন।”
তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন—
“প্রতিদিন ফোন করো?”
আমি চুপ করে গেলাম।
সত্যি বলতে, আমিও অনেকদিন বাড়িতে ফোন করতাম না।
কাজের চাপ, ক্লান্তি, ব্যস্ততা—
প্রতিবার ভাবতাম, ‘কাল ফোন করব।’
বৃদ্ধা আমার নীরবতা বুঝে ফেলেছিলেন।
খুব শান্ত গলায় বললেন—
“মা-বাবারা টাকা গোনেন না বাবা…
ওরা অপেক্ষা করে সন্তানের কণ্ঠস্বরের জন্য।”
কথাটা শুনে বুকের ভেতরটা কেমন ভেঙে গেল।
খাওয়া শেষ হলো।
তিনি একটু জল খেলেন।
তারপর পার্স থেকে ৫০০ টাকার একটা নোট বের করে আমার দিকে বাড়িয়ে দিলেন।
বললেন—
“এটা টিপস নয় বাবা।
এই আধঘণ্টা তুমি আমাকে একা খেতে দাওনি—
এটা তার দাম।”
আমি তাড়াতাড়ি বললাম—
“না না, আম্মা, এটা আমি নিতে পারব না।”
তিনি মৃদু হেসে বললেন—
“নাও বাবা।
আজ তুমি শুধু খাবার পৌঁছে দাওনি…
তুমি সঙ্গ পৌঁছে দিয়েছ।”
শেষ পর্যন্ত আমি টাকাটা নিলাম।
কিন্তু পকেটে রাখতে পারলাম না।
হাতেই ধরে রইলাম।
আমি বেরিয়ে আসছিলাম, তখন তিনি আবার ডাকলেন—
“আর শোনো—
আজ বাড়ি গিয়ে মাকে অবশ্যই ফোন করবে।”
সেদিন রাতে বিল্ডিংয়ের নিচে নেমে আমি বাইক স্টার্ট দিইনি।
প্রথমেই মাকে ফোন করেছিলাম।
ওপাশ থেকে মায়ের কণ্ঠ ভেসে এলো—
“হঠাৎ আজ ফোন করলি?
সব ঠিক আছে তো বাবা?”
শুধু সেই গলাটা শুনেই আমার গলা ধরে এলো।
আমি ধীরে বললাম—
“হ্যাঁ মা…
শুধু তোমার গলাটা শুনতে ইচ্ছে করছিল।”
ওপাশে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।
তারপর মা বললেন—
“খেয়েছিস তো?”
রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েই আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম।
সেই রাতের পর থেকে আমি প্রতিদিন মাকে ফোন করতে শুরু করি।
আর শুধু মাকেই নয়—
প্রতিটা ডেলিভারিও আমার কাছে আর শুধুমাত্র একটা অর্ডার রইল না।
কোনো বাড়িতে ওষুধের দরকার হয়।
কোনো বাড়িতে একাকীত্বের একটু উপশম দরকার হয়।
কোনো বাড়িতে কারও ফেরার অপেক্ষা শেষ হওয়ার প্রয়োজন হয়।
আবার কোনো বাড়িতে শুধু দরকার হয়—
একটা মানুষের কণ্ঠস্বর।
এখন দরজা খুললেই আমি আর তাড়াহুড়ো করি না।
আমি মুখের দিকে তাকাই।
কথার ভেতরের ক্লান্তি শুনতে চেষ্টা করি।
মাঝে মাঝে জিজ্ঞেস করি—
“সব ঠিক আছে তো?”
বেশিরভাগ মানুষ শুধু বলে—“হ্যাঁ।”
কেউ একটু হাসে।
আবার কিছু মুখ বলে দেয়—
সারাদিন তারা কারও সঙ্গে কথা বলেনি।
দু’মাস পরে আবার সেই একই ঠিকানা থেকে একটা অর্ডার এলো।
আমি তাড়াতাড়ি সেখানে গেলাম।
কিন্তু দরজা খুললেন অন্য একজন।
পাশের ফ্ল্যাটের এক আন্টি।
তিনি ধীরে বললেন—
“আম্মা গত সপ্তাহে মারা গেছেন।”
935
লক্ষ্মীপুর ভাবানিগঞ্জে গতকালের চার খু_নের মতন খুব শীঘ্রই আরো এমন একটা ঘটনা দেখার অপেক্ষায় থাকেন লক্ষ্মী_পুরে মুসলমানরা।
ভাগ_ওয়া সন্ত্রা_সী রাজেশ কর্ম_কার মুসলিম মেয়ে মাহ_মুদা আক্তার রি_ফার পরিবারকে হুমকি দিয়ে_ছিলো তোদের মেয়েকে বিয়ে দিলে আমি তু_লে নিয়ে আসবো, রাজেশ কর্মকার সেটা করেছে, কিছুদিন আগে আবার ও হুম_কি দিয়েছে তোমাদের মেয়েকে অন্য কোথায় ও বিয়ে দেওয়ার চে_ষ্টা করলে তোমাদের পরিবারের সবাই কে হ_ত্যা করবো।
মুসলিম মেয়ে মাহ_মুদা আক্তার রিফার বাবা প্রবাসি তাদের পরিবারে ছেলে স_ন্তান নেই, ফলে রাজেশ যা ইচ্ছা পরিবারটির সাথে করে যাচ্ছে।
আমরা প্রসাশনকে জানিয়ে রাখতে চাই, ১৯৪৬ এর মতো যেন আবার উত্ত_প্ত না হয়ে উঠে সেই অঞ্চল আপনারা সেদিকে খেয়াল রাখবেন, লক্ষ্মীপুর ভাবানিগঞ্জে এই রাজেশের বাপের স্বর্ণের দোকান আছে, ফলে অ_র্থের প্রভাবে সে এলাকায় যা ইচ্ছা করে যাচ্ছে, পরিবারটি মা_মলা করতেও সাহস পাচ্ছে না।
—সংগৃহীত
935
২০ মিনিটের জন্য ফজরে আসি না। অথচ ৯০ মিনিটের জন্য খুব আনন্দের সাথে টিভি স্ক্রীনের সামনে চলে আসি!
আহ্ আমাদের ঈমান!
ওগো রব, আমাদের ক্ষমা করো।
935
দারাজ, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম। এই দারাজ থেকে আমরা খাগড়াছড়িবাসী কোনো অর্ডার প্লেস করতে পারছি না। কেন জানেন?
কারণ, পাহাড়ি সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর অতিরিক্ত চাঁদার দাবীর সাথে আর কূলিয়ে উঠতে পারছে না দারাজ। বেশ ক'বছর আগে দারাজের বিশাল হাব ছিল আমাদের শহরে। কিন্তু এই বিচ্ছিন্নতাবাদী চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের কারণে সেই হাব বন্ধ করতে হয়েছিল দারাজকে। এরপর থেকে আমাদের এদিকে অন্যান্য কুরিয়ারের মাধ্যমে কিংবা পোস্ট অফিসে দারাজের প্রোডাক্ট ডেলিভারি নেওয়া যেত। এখন নাকি সেগুলোর জন্যও চাঁদা দিতে হবে তাদেরকে! আর তাই খাগড়াছড়ির এড্রেস দিয়ে করা কোনো অর্ডার দারাজ আর নিচ্ছি না।
ব্যাপারটা শুধু দারাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ক'দিন আগেই নাকি পাঠাও কুরিয়ারের গাড়ি আটকে ৩৫ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছে তথাকথিত "ভেতরের পার্টি" নামে পরিচিত সন্ত্রাসীরা। এবং এই চাঁদা খাগড়াছড়িতে ব্যবসা করা প্রতিটা মানুষকে দিতে হয়। মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট বলুন, আর জরুরী ঔষধ সেবা বলুন; প্রতিটা প্রোডাক্ট আমাদের শহরে ঢুকতে হলে তাদেরকে চাঁদা দিয়ে ঢুকতে হয়।
আগে বিষয়টা কিছুটা সহনশীল ছিল। কিন্তু ৫ই আগষ্টের পর থেকে এই চাঁদাবাজির হার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। রীতিমতো বাজারে খোলাখুলি এসে চাঁদা দাবী করে যায়, পুলিশ/ আর্মীর সামনেই চাঁদা আদায় করে। শুধু যে ব্যবসায়ীরাই এর ভুক্তভোগী তা কিন্তু নয়, সরকারি বেসরকারি অফিসগুলোতেও এদের চাঁদার চিঠি যায়। এবং ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে সবাই মিলে সেই চাঁদা পরিশোধ করা হয়। কেউ কিচ্ছু করা তো দূরে থাক, এসব নিয়ে টু শব্দটি পর্যন্ত করার সাহস পায় না।
আপনারা যারা সমতলে থাকেন, তারা হয়তো অবাক হয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন, "আমাদের সেনাবাহিনী কী করে?"
ওয়েল, শহরের ৯৯% মানুষ মনে করে এসব চাঁদাবাজির ভাগ সেনাবাহিনীর কাছেও পৌছায়। আর সে জন্যেই তাদের নাকের ডগায় বসে অনায়াসে চলতে থাকে এদের দৌরাত্ম্য। বিএনপির অন্যতম বড় নেতা, আমাদের বর্তমান সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়ার কথা বলবেন? এদের কাছে বিএনপিও লিটারেলি পাওয়ারলেস। পুলিশের কথা আর না-ই বা বলি!
শহরে প্রতিনিয়ত সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে অবৈধ অস্ত্র। শোনা কথা অনুযায়ী অস্ত্রের যে পরিমাণ মজুদ জমেছে এদের হাতে, তাতে নাকি খোদ সেনাবাহিনী চাইলেও এদের সাথে টেক্কা দিতে পারবে না। একটু চোখ কান খোলা রাখলে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অস্ত্র হাতে এদেরকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
দেশের সাড়াজাগানো জঙ্গল সলিমপুরের চেয়ে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই আমাদের খাগড়াছড়ি। দিন দিন আমরা আরও আইসোলেটেড হয়ে যাচ্ছি। একই দেশের সীমানার মাঝে থেকেও এখানে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে বসবাস করতে হচ্ছে আমাদের। অথচ সবাই এমন ভাব নিয়ে চলছে যেন এখানে কিছুই হচ্ছে না।
উলটো সমতলে থাকা কিছু গান্ডু মনে করে এখানে বুঝি পাহাড়িদের ওপর প্রবল অত্যাচার করা হয়। কথাটা অবশ্য পুরোপুরি মিথ্যেও নয়। এক সময়ে বাঙালিরা ভালোই সমস্যা করেছিল। তবে বর্তমানে পাহাড়ি বাঙালি নির্বিশেষে সকলেই এই চাঁদাবাজির শিকার হয়ে মহা বিরক্ত। আমি বেশ কিছু শিক্ষিত পাহাড়িদের সাথে কথা বলেছি, তারা সকলেই স্বীকার করেছেন এই সংগঠনগুলোর উত্থান পাহাড়ি সমাজের উন্নয়নের জন্য হলেও, আদতে এখন তারা স্রেফ নিজেদের আখের গুছানো নিয়ে ব্যস্ত। আর পাহাড়ি বাঙালি সকলেই এই বিষয়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ মনে করে।
দেশের নীতিবির্ধারকদের উচিত অতি সত্ত্বর খাগড়াছড়ি নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া। খুঁজে বের করা উচিত কেন আওয়ামী লীগের পতনের পর তারা হঠাৎ এত এগ্রেসিভ হয়ে গেল? যেসব তথ্য আমি এখানে দিয়েছি তার সবগুলোই এই শহরে বাস করা মানুষজনের কাছে "ওপেন সিক্রেট" টাইপ। আর তাই জানা দরকার একটা শহরের গোটা প্রশাসন এসব ঠেকানোর জন্য একচুয়েলি কী উদ্যোগ নিয়েছে বা নিচ্ছে?
পুনশ্চ: এই পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণের মাঝেই আমার কাছের বন্ধুরা, কর্মক্ষেত্রের সহকর্মীরা, এমনকি অফিসের বসও এসে পোস্ট ডিলিট করার জন্য বলবেন। জানি না কতক্ষণ রাখতে পারব পোস্ট বা আদৌ রাখা উচিত হবে কি না। আমি খাগড়াছড়ি বসে তারেক রহমান কিংবা শেখ হাসিনাকে অবাধে যা খুশি তাই বলতে পারি। কিন্তু এই "ভেতরের পার্টি" নিয়ে কিছু বলার সাহস হয়ে উঠেনি এতদিন পর্যন্ত। এবার অনেকটা বাধ্য হয়েই বললাম। যেখানে শহরের সুশীল সমাজ, সাংবাদিক সমাজ, জ্ঞানী ও বিজ্ঞরা এসব নিয়ে আলাপ তোলা বন্ধ করে দিয়েছেন সেখানে আমার মতো চুনোপুঁটির এসব নিয়ে কথা বলা যে ভয়ংকর রকমের একটা অপরাধ তা জেনেবুঝেও লিখলাম। আমার স্বপ্নের শহরটা চোখের সামনে বদলে যাচ্ছে, পরিণত হচ্ছে সন্ত্রাসীদের স্বপ্নের আখড়াতে; এটা চেয়ে চেয়ে দেখা আর সম্ভব হচ্ছে না।
~Zakaria Minhaz
935
জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হলেন ব্যারিস্টার আরমান
আমার দেশ অনলাইন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম (আরমান)।
সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাতে ব্যারিস্টার আরমানের মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই নিয়োগের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পোস্টে জানানো হয়েছে, নবনিযুক্ত উপদেষ্টা এখন থেকে দলের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্রসংক্রান্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।
ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর এবার দলীয় আমিরের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন এই দায়িত্ব পাওয়া ব্যারিস্টার আরমান সামাজিক মাধ্যমে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অভিনন্দন ও শুভকামনার মধ্য দিয়ে প্রশংসিত হচ্ছেন।
935
বাংলাদেশে ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও বর্তমানে ইসরায়েলের হয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমের মতামতকে প্রভাবিত করার দায়িত্বে থাকা সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর মন্তব্য অনেকে ধরতে পারেননি। আমি ভেঙে বলছি।
ইসরায়েল কিন্তু শুধুমাত্র HAMA$ কে HAMA$ বলে না। ইসরায়েলের চোখে ইসলামপন্থী মতাদর্শ লালনকারী মাত্রই HAMA$। আপনারা যা নিয়মিত দেখে থাকেন। বাংলাদেশে HAMA$ বলতে সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরী সুনির্দিষ্ট করে বলেছে যে, আমাদের দেশে সাম্প্রতিককালে চলমান "কালিমার পতাকা উত্তোলন" শীর্ষক যে আন্দোলন, তা মূলত HAMA$ এর সাথে সংশ্লিষ্ট। Twitter এ সে সরাসরি পতাকা উত্তোলনের ফুটেজ জুড়ে দিয়ে কথাগুলি বলেছে।
মূলত, বাংলাদেশের জনসাধারণের জুলাই গণ-অভ্যূত্থান ও এরপর আমাদের পুরো দেশে ইসলামি মানসিকতার ব্যক্তিত্বদের ব্যাপক জাগরণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ইসরায়েলের জন্য চরম হুমকির কারণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে পৃথিবীর সর্বোচ্চ সংখ্যক একক জাতিসত্তার মুসলিম বসবাস করেন। এখানে ইসলামপন্থা সরাসরি নিজের নিশান ও শ্লোগান সহ বিস্তীর্ণ হতে শুরু করলে এটি ইসরায়েলের জন্য প্রচণ্ড ভয়ংকর হুমকি। সুতরাং, Israeli Intelligence Community বর্তমানে অংকুরেই দেশের পতাকা উত্তোলনকারী গোষ্ঠী, যারা কিনা সবচেয়ে আন্তরিক ও দেশের সবচেয়ে দেশপ্রেমিক জনতা, তাঁদের জনপ্রিয়তা নষ্ট করে দিয়ে আমাদের দেশকে পুনরায় শতবর্ষের অতল গহ্বরে ঠেলে দিতে চায়।
এজন্য, আপনারা সতর্ক হোন। মানুষকে ব্যাপকভাবে সচেতন করুন। এসমস্ত পতাকা হুমকি নয়। পতাকাধারীরাও হুমকি নয়। এরা এই মাটির সন্তান। তবে, সতর্ক না হলে সত্যিকার হুমকি এসে দেশের প্রচণ্ড ক্ষয়-ক্ষতি করে এখানে তারপর তাঁদের হুমকি বানিয়ে রেখে যাবে। এটা যেন ঘটতে না পারে।
ধন্যবাদ।
- Revan M
@newsboxbangla02
935
আজ বৃহস্পতিবার
২৫ জুন, ২০২৬
১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বাংলা
৯ মহররম ১৪৪৮
------------------------
ফজর- ৩:৪৫ মিনিট
জোহর- ১২:০৪ মিনিট
আসর- ৪:৪০ মিনিট
মাগরিব- ৬:৫৩ মিনিট
ইশা- ৮:১৯ মিনিট
-------------------------
সূর্যোদয়- ৫:১১ মিনিট
সূর্যাস্ত- ৬:৫০ মিনিট
935
یا اللہ دل میں بہت سے ادھوری خواہشات ہیں،
جو صرف آپ ہی پوری کرسکتے ہے ۔
اور میں امید نہیں چھوڑوں گی،
کیونکہ کمزور میرا وقت ہے میرا اللہ نہیں۔
হে আল্লাহ, হৃদয়ে অনেক অপূর্ণ ইচ্ছা আছে,
যা শুধুমাত্র আপনি সম্পন্ন করতে পারেন।
এবং আমি আশা ছেড়ে দেব না,
কারণ, (আমি বিশ্বাস করি) দুর্বল হয়তো আমার সময়, আমার আল্লাহ না।
935
সিলেটের শাহজালাল মাজারের দান বাক্সের হিসাবের স্বচ্ছতার পরিকল্পনা ও মাজারে চলা মদ ও জুয়ার আসর বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়ার সাথে সাথেই ডিসি সাহেবের বদলির নির্দেশ:
ডিসি সারোয়ার আলম কি মদখোর গাজাখোরদের কাছে হেরে গেলেন, নাকি পর্দার আড়ালের কারো কাছে হেরে গেলেন?
এই দেশে ভালো মানুষের ভাত নেই
935
ইসরাইলের মিডিয়াগুলো পর্যবেক্ষণ করছিলাম গত কয়েক দিন ধরে। এদের টেলিভিশনের টকশোগুলো বেশ জমে উঠেছে! নিজেরা নিজেরা ঝগড়াঝাঁটি করছে- কত বড় পরাজয় হয়েছে। কোথায় কত বড় ক্ষতি হলো ইত্যাদি নিয়ে রীতিমত ঝড় উঠেছে ইসরাইলের মিডিয়াগুলোতে।
এদিকে ইজরাইলের হিব্রু ইউনিভার্সিটি একটা জরিপ করেছে। ওই জরিপে ইসরাইলের নাগরিকদের জিজ্ঞেস করা হয়েছিল
- Who do you think won this war? ( এই যুদ্ধে কারা জয়ী হয়েছে বলে তোমরা মনে করো?)
রেজাল্ট কি আসছে জানেন?
- 92 percent of the respondents said Iran came out ahead. (জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৯২ শতাংশের মতে, ইরানই এই সংঘাতে বিজয়ী হয়ে বেরিয়ে এসেছে।)
আরও ইন্টারেস্টিং হচ্ছে- এই জরিপে ৮২.৯ ভাগ ইসরাইলি মনে করছে- ইরানে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে ইসরাইলের নিরাপত্তা লম্বা সময়ের জন্য হুমকির মুখে পড়েছে।
মানেটা খুব সহজ। নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ইতি ঘটিয়ে দিয়েছে ইরান। কিন্তু তাই বলে ভাববেন না- ইসরাইলের লোকজন একজন ভালো প্রধানমন্ত্রীকে ভোট নিয়ে নির্বাচিত করবে। ভুল। ভয়ানক ভুল। এই মুহূর্তে ইসরাইলে বিরোধী দলীয় নেতাদের মাঝে সব চাইতে আলোচিত নাম হচ্ছে নাফতালি বেনেট।
তো, নাফতালি দিন কয়েক আগে নামকরা ব্রিটিশ সাংবাদিক পিয়ার্স মরগানের শোতে গিয়েছে। মরগান তাঁকে জিজ্ঞেস করেছে
- What will you do if you are elected? ( নির্বাচিত হলে তুমি কী করবা?)
সে কি উত্তর দিয়েছে জানেন? সে বলেছে
- I will be Iran's worst nightmare ( আমি ইরানের জন্য সবচেয়ে খারাপ দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠব।)
সে আরও বলেছে- ইরান নাকি পুরো পৃথিবীর জন্যই হুমকি। তাহলে বুঝতে পারছেন তো ব্যাপারটা? নেতানিয়াহুকে বিদায় দিয়ে ইসরাইলিরা আরও খারাপ নেতাকে নির্বাচিত করতে যাচ্ছে। আর এটাই ইজরাইল।
তাহলে ইরানের এখন কী করা উচিত? আপাতত আজকে সুইজারল্যান্ডে অ্যামেরিকা এবং ইরানের মাঝে প্রথম রাউন্ড আলোচনা হয়েছে। অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ কর্নেল ড্যানিয়েল ডেভিস জানিয়েছেন
- আজকের আলোচনায় মূলত লেবানন প্রাধান্য পেয়েছে।
অর্থাৎ ইরানিরা প্রথম দিনই বলে দিয়েছে
- লেবানন থেকে ইসরাইলকে সরে যেতে হবে।
আমি ব্যাপারটা অন্য ভাবে দেখছি- অ্যামেরিকাকে আসলে ইরানের সাথে চুক্তি করতে হলে হেজবুল্লাহর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে! ব্রিটিশ স্কাই টেলিভিশনের সামরিক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মাইকেল ক্লার্ক আজ বলেছেন
- The United States will now have to ensure Hezbollah’s security. ( অ্যামেরিকাকে এখন হেজবুল্লাহর নিরাপত্তা দিতে হবে!)
আমি ওর আলোচনা শুনে হাসছিলাম। কী দিন আসলো- এখন ইসরাইলের হাত থেকে হেজবুল্লাহকে নিরাপত্তা দিতে হবে অ্যামেরিকাকে! অথচ অ্যামেরিকা হেজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মনে করে। এখন শুনতে হচ্ছে- অ্যামেরিকা নাকি ওদের নিরাপত্তা দিবে!
সব চাইতে মজার কথা আজ বলেছেন অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ কর্নেল ম্যাক-গ্রেগর। তিনি বলেছেন
- A divorce is happening between America and Israel ( অ্যামেরিকা এব ইসরাইলের মাঝে ডিভোর্স হচ্ছে)
কিন্তু ট্রাম্প তো আজকেও বলেছে
- Iran must stop ‘proxies’ in Lebanon (ইরানকে লেবাননে তাদের প্রক্সি বাহিনীগুলো বন্ধ করতে হবে।)
আমি কর্নেল ম্যাক-গ্রেগরের সাথে একমত নই। আমার ধারণা ইসরাইল এবং অ্যামেরিকার সাথে এই মুহূর্তে ঝগড়াঝাঁটি চলছে। এখনও পুরো ডিভোর্স হয় নাই। আরেকটু কাব্যিক ভাষায় বললে- যে কোন সম্পর্কে যখন তৃতীয় পক্ষ এসে হাজির হয়। তখনই সাধারণত সম্পর্কগুলো নড়বড়ে হয়ে যায়।
ইরানকে এই তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা নিতে হবে। আর এ জন্য ইরানকে সামরিক দিক থেকে আরও অনেক শক্তিশালী হতে হবে। সমস্যা হচ্ছে- সৌদি আরব এবং অন্যান্য আরব দেশগুলো। অ্যামেরিকার দাস এই সৌদি শেখরা এখনও বলছে
- ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানালে আমাদেরও লাগবে।
সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস আরব শেখগুলোর জন্য পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল যা ইচ্ছা করতে পারছে। তবুও এরা থামছে না। কর্নেল ম্যাক-গ্রেগর আজও বলেছেন
- আমি অবাক হবো না, এই যুদ্ধের পর আরব দেশগুলো মাঝে বেশ কয়েকটা যদি সম্পূর্ণ ভেঙেও যায়।
তিনি এটাও বলেছেন
- কয়েকটা আরব দেশের অস্তিত্বও হয়ত আর থাকবে না।
আজকেই ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যালিস্টার বলেছেন
- বাহরাইনে অ্যামেরিকান ঘাঁটির যে সদর দপ্তর আছে; সেটি আর নতুন করে ঠিক না করার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে অ্যামেরিকা।
আপনাদের জানিয়ে রাখি- ইরান এই ঘাঁটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। অ্যামেরিকা হয়ত এই অঞ্চল থেকে দ্রুতই সরে যাবে। এরপর সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস আরব শেখদের পরিণতি দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
কপি
935
'তোমাদের অবশ্যই পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা। আর আপনি সুসংবাদ দিন ধৈর্যশীলদের।’
(সুরা বাকারা, আয়াত : ১৫৫)
Available now! Telegram Research 2025 — the year's key insights 
