929
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-47 روز
+130 روز
آرشیو پست ها
"...১৯৯১ সালে ভারতে অর্থনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সময় জাতীয় সম্পদের প্রায় ১৬ শতাংশ ছিল সমাজের সর্বোচ্চ ১ শতাংশ মানুষের হাতে। অন্যদিকে, নিম্নবিত্ত ৫০ শতাংশ মানুষের হাতে ছিল মোট সম্পদের প্রায় ২৫ শতাংশ। আজ পরিস্থিতি কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে, তা আমরা লেখার শুরুতেই দেখেছি।
এই তথ্যগুলি একটি স্পষ্ট আখ্যান তুলে ধরে। ১৯৯১ সালে ভারতীয় অর্থনীতির আকার ছিল প্রায় ২৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার; ২০২৫ সালে তা ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই প্রবৃদ্ধির সুফল কারা পেয়েছে? এই প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ ভিআর সূর্যবংশীর মন্তব্য প্রণিধানযোগ্য: “Crony capitalism is not a side effect—it is the operating system of India’s neoliberal model.”
এই মাগ্গিগণ্ডার বাজারে নিম্নবিত্ত ৫০ শতাংশ মানুষের গড় আয়ের বার্ষিক বৃদ্ধির হার গত এক দশকে ২ শতাংশের কম। সামাজিক খাতে রাষ্ট্রের দায় নিয়ে প্রশ্ন করাও অর্থহীন। কারণ ভারতে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে সরকারি ব্যয় এখনও জিডিপির মাত্র ২.১ ও ২.৯ শতাংশ মাত্র।
অসাম্য কোনও স্বাভাবিক বা অবশ্যম্ভাবী প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নীতির ফল। আজ যে গগনস্পর্শী বৈষম্য আমরা প্রত্যক্ষ করছি, তা আমাদের গৃহীত নীতি, প্রতিষ্ঠান ও অর্থনৈতিক পরিকাঠামোরই প্রতিফলন।..."
সুমন কল্যাণ মৌলিক
বিশেষ নিবন্ধ
জুন ২০২৬
https://www.4numberplatform.com/?p=41689
প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষের শ্রমজীবী ধারাকে অনবদ্য মিষ্টতা ও সারল্য দিয়ে, বাংলার পুতুলে তুলে ধরা হয় অনেকদিন যাবৎ। খেটে খাওয়ার মধ্যে যে পবিত্রতা রয়েছে সেটাই বাংলার পুতুল নির্মাণের মধ্যে প্রস্ফুটিত হয়েছে বারংবার। শ্রমিক মানুষের সংজ্ঞাকে শুধু কারখানা ও নির্মাণ শিল্পের মধ্যে আবদ্ধ রাখেনি বঙ্গের পুতুল। তাকে প্রসারিত করেছে সর্বত্র, সমস্ত স্তরে...
লিখেছেন *শুভঙ্কর দাস*...
https://banglalive.com/article-on-bengals-clay-dolls-by-suvankar-das/
যাদবপুর রেলওয়ে সাইডিং থেকে ইমারতি সামগ্রীর ব্যবসায়ীদের উৎখাত করা নিয়ে একাধিক বাম সংগঠন এবং কংগ্রেসের কর্মীরা স্থানীয়দের নিয়ে পথে নেমেছিলেন। ওই সাইডিং ৭৪ বছরের পুরোনো। সেখানে রেলের কাছ থেকে লিজ নিয়েই ব্যবসা চালাতেন ব্যবসায়ীরা। পরে আচমকা লিজ পুনর্নবীকরণ বন্ধ করে দেয় রেল।
সরকারিভাবে টাকা না নিয়ে শিয়ালদহ ডিভিশনের বাণিজ্যিক বিভাগের শীর্ষ কর্তাদের একাংশ এবং আর.পি.এফ কর্তাদের একাংশ ঘুরপথে (দুর্নীতি করে) লাখ লাখ টাকা নগদ নিয়ে নিজেদের পকেট ভরেছেন। রেলের ঘরে টাকা যায়নি।
ওই সাইডিংয়ে ৪২জন ব্যবসায়ীর ব্যবসার সঙ্গে প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক যুক্ত।
ভক্তদের অনেকেই না জেনে একতরফা মন্তব্য করে সমাজ মাধ্যমে গাল পাড়ছেন।
সত্যের কোনও পক্ষ হয় না। সেটা নির্জলা সত্যিই। সবসময় সুন্দর নাও হতে পারে। কিন্ত, শেষ পর্যন্ত সেটা জানার জন্য অপেক্ষা করতে হয়।
আনন্দবাজার পত্রিকা ---
০৯/০৬/২০২৬
Repost from People's Library - জনতার গ্রন্থাগার
অরণ্যের অধিকার
@peopleslibrary2
Click on the link 🖇️ below 👇🏼 to join our channel and get all new 🆕 updates 😄
https://t.me/peopleslibrary2
Repost from People's Library - জনতার গ্রন্থাগার
অরণ্যের অধিকার
by মহাশ্বেতা দেবী
@peopleslibrary2
Click on the link 🖇️ below 👇🏼 to join our channel and get all new 🆕 updates 😄
https://t.me/peopleslibrary2
গতকাল জালিয়ানওয়ালাবাগের কায়দায় চারদিক ঘিরে ফেলে পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী, রেল পুলিশ যেভাবে যাদবপুরের ষ্টেশন সংলগ্ন অঞ্চলে বুলডোজার নিয়ে আক্রমণ চালালো, তা শুধু নিন্দনীয় নয় নারকীয়। এই আক্রমণ প্রতিহত করার উপায় সাধারণ মানুষের নেই, তা সত্ত্বেও তাঁরা যথাসম্ভব প্রতিরোধ করেছেন, কিন্তু এটা অসম লড়াই। আহত হয়েছেন বেশ কিছু মানুষজন, গ্রেপ্তার হয়েছেন সুজন চক্রবর্তী, সৃজন ভট্টাচার্য সহ আরো বেশ কিছু মানুষ। এই প্রসঙ্গেই আজকের এই উচ্ছেদের আয়নায় বিত্তের মুখ লেখাটি প্রকাশিত হল। চার পর্বের এই লেখাটির প্রথম পর্ব আজ। চারিদিকে যে ভাবে বুলডোজারের হুঙ্কার দেখা যাচ্ছে, সেই সময়ে প্রাসঙ্গিক এই কথাগুলো। লিখেছেন শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ।
https://shorturl.at/aKpfF
গ্রাউন্ডজিরো প্রতিবেদন, ৮ জুন, ২০২৬
যাদবপুর রেল স্টেশন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
যাদবপুর রেল স্টেশনে হকার উচ্ছেদ না করার প্রতিশ্রুতি ও ১৯৮৮ সালের হকার উচ্ছেদ মামলার রায়ের প্রেক্ষিতে সাময়িক ভাবে উচ্ছেদ বন্ধ রাখার আশ্বাসকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে উচ্ছেদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে আসা হকার, রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপর নির্বিচারে লাঠি চার্জ করলো রাজ্য পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুলডোজার দিয়ে ভাঙা শুরু হল, শুরু হল উচ্ছেদ।
কয়েক'শো পুলিশ কর্মী মিলে গোটা রবিবার,৭ জুন মধ্যরাতের পর রেলস্টেশন জুড়ে আন্দোলকারীদের ঘিরে রেখেছে কয়েক ঘন্টা ধরে৷ এমনকি তাদের কাছে রয়েছে AK47 রাইফেল। আনা হয়েছে টিয়ার গ্যাস। ভয়াবহ লাঠি চার্জে আহতের সংখ্যা প্রচুর।
সিপিআই(এম)-এর নেতা সুজন চক্রবর্তী, নাট্যকর্মী জয়রাজ ভট্টাচার্যসহ প্রচুর রাজনৈতিক কর্মীদের মাথা ফেটেছে, আঘাত লেগেছে সারা শরীরেই। মহিলারাও আহত। পুলিশ এতোটাই নির্বিকার যে, তাদের নূন্যতম চিকিৎসা অবধি করাতে দিচ্ছে না। আন্দোলন চত্ত্বর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সিপিআই(এম) নেতা সৃজন ভট্টাচার্যকে।
আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার পর অতি দ্রুত রেলস্টেশন সংলগ্ন বাড়ি, দোকানপাট বুলডোজার দিয়ে ভাঙতে শুরু করে পুলিশ। স্টেশন চত্ত্বরে লোহার বড় ব্যারিকেড সাজানো হয়েছে। বুলডোজার আনা হয়েছে অন্ততপক্ষে ৪টি।
অথচ, ২ জুন সন্ধেবেলা থেকে রেল আধিকারিক ও পুলিশের সাথে দফায় দফায় কথা বলেছিলেন বামপন্থী দলগুলির নেতারা। ১৯৮৮ সালের পুরনো মামলার রায় ও হাইকোর্টের স্টে-অর্ডার দেখিয়ে পরিস্কারভাবে গ্রীষ্মকালীন ছুটি অবধি সময় চাওয়া হয়েছিল। সোমবার, ৮ জুন হাইকোর্ট খুললেই আন্দোলনকারীদের তরফ থেকে কোর্টে যাওয়া,হবে বলেও জানানো হয়েছিল। সে-সময় রেল আধিকারিক ও পুলিশ দুই পক্ষই রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু, রবিবার মধ্যরাতে পুনরায় কোনোরকম পূর্বাভাস ছাড়াই এই ভয়ানক উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে।
আপাতত কয়েকজন আহত আন্দোলনকারীদের কেপিসি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন: সৌরব চক্রবর্ত্তী
জরুরী ঘোষণা:
যাদবপুর স্টেশনে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সুযোগ নিয়ে আজ ফের হকার উচ্ছেদের পরিকল্পনা প্রশাসনের। এই মূহুর্তে সাইডিং এর সীমানা বরাবর ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরছে পুলিশ। একটু পরেই শুরু হচ্ছে উচ্ছেদ।
সকলে যাদবপুর স্টেশন চত্বরে আসুন। উচ্ছেদ আমাদের আটকাতেই হবে। আবার লালঝান্ডা আটকে দিক গেরুয়া বুলডোজারের চাকা। আবার বিজয় হোক শ্রমজীবী জনগণের।
Repost from Revolutionary Students' Front
জরুরী ঘোষণা:
যাদবপুর স্টেশনে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সুযোগ নিয়ে আজ ফের হকার উচ্ছেদের পরিকল্পনা প্রশাসনের। এই মূহুর্তে সাইডিং এর সীমানা বরাবর ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরছে পুলিশ।
একই সাথে খবর আসছে ঢাকুরিয়া, বাঘাযতীন স্টেশনেও উচ্ছেদ চালাবে আজকে।
আগেরদিন যাদবপুর স্টেশনের হকাররা, ছোট ব্যবসায়ীরা, খেটে খাওয়া মানুষেরা, গণআন্দোলনকর্মীরা, বামপন্থী ছাত্রযুবরা সশস্ত্র বাহিনীর ভয় উপেক্ষা করে আটকে দিয়েছিলেন ফ্যাসিবাদী শাসকের জেসিবি, বুলডোজার।
আমরা জানতাম ফ্যাসিবাদী শক্তি এত সহজে হার মানবে না। তারা আবার ফিরে আসবেই। তাই আজ আবার হকার উচ্ছেদ করতে আসছে বাহিনী। এবার আরও আঁটোসাঁটো হয়ে। আগেরবারের তুলনায় আমাদেরও এবার আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওদের প্রতিরোধ করতে হবে। এ লড়াই আমার আপনার। ফ্যাসিবাদকে সম্পূর্ণ খতম না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়েই যেতে হয়। দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের স্বার্থে আজকে বিজেপি-আর.এস.এস-কে হারাতে আরও তীব্র, আরও ঐক্যবদ্ধ, আরও জঙ্গিভাবে বিভিন্ন ফ্রন্টে লড়াইটা চালিয়ে যেতে হবে।
সকলে ৭:৩০টার মধ্যে যাদবপুর স্টেশন চত্বরে আসুন। আবার লালঝান্ডা আটকে দিক গেরুয়া বুলডোজারের চাকা। আবার বিজয় হোক শ্রমজীবী জনগণের।
https://www.facebook.com/share/p/18r135S3k5/
https://www.instagram.com/p/DZSTySVBTyj/
A former Dalit Panther leader, Texas Gaikwad, wrote a Marathi play, Amhi Deshache Marekari—we are killing the nation—that brought the splinter Panther groups face to face with the RSS in several parts of Maharashtra.
Written in 1980, it showed the RSS as destroying the country by spreading lies in society and depicted its members as characterless people who collected black money. “We used to carry images of Golwalkar and lathi-wielding swayamsevaks in posters designed for the play,” Texas said.
Dhirendra K Jha reports: https://caravanmagazine.in/history/how-the-dalit-panthers-forced-the-rss-into-changing-its-language-on-caste
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
